কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার মক্রমপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল মান্নানের ছেলে দেলোয়ার হোসেন। যিনি দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে হিজড়া সেজে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করে আসছেন।
বুধবার (১ এপ্রিল ২০২৬) দেলোয়ারের খোঁজে চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে দু'সন্তান নিয়ে তার স্ত্রী নাছিমা বেগম হাজির হলে এমন তথ্য উঠে আসে।
জানা যায়, বাচনভঙ্গিতে হিজড়াদের সাথে তাল মিলিয়ে সুকৌশলে তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠীর সাথে মিশে যাওয়া দেলোয়ার প্রতারণার প্রথম দিকে কুমিল্লা জেলা সদর, লাকসাম ও নাথেরপেটুয়া এলাকায় হিজড়া সেজে অর্থ উপার্জন করতো। পরবর্তীতে তার সাথে পরিচয় হয় চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি উপজেলায় বসবাসরত তৃতীয় লিঙ্গের সর্দার রাণী ময়নার সাথে। দেলোয়ার নিজেকে সুমি নামে সর্দার রাণী ময়নার সাথে এ উপজেলায় আসে। দীর্ঘ ৭ বছর সে হিজড়াদের সাথে এ উপজেলায় বসবাস করছে।
তার স্ত্রী নাছিমার দাবি, আপনারা যাকে সুমি হিজড়া নামে চিনেন তিনি আমার স্বামী দেলোয়ার হোসেন। সে বর্তমানে আমাদের কোনো খোঁজ খবর রাখে না, ৩ সন্তান নিয়ে আমি মানবেতর জীবন যাপন করছি, তার সন্ধান পেয়ে এখানে এসেছি।
এ বিষয়ে তৃতীয় লিঙ্গের সর্দার রাণী ময়না জানান, সে কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন স্থানে হিজড়া সেজে অর্থ উপার্জন করতো। ৭ বছর পূর্বে আমার সাথে পরিচয় হলে আমি তাকে শাহরাস্তিতে নিয়ে আসি। আমি তার এমন প্রতারণার বিষয়ে জানি না। আমি তাকে সুমি হিজড়া হিসেবেই চিনি।
দেলোয়ার শাহরাস্তি পৌরসভার শ্রীপুর গ্রামে একটি ভাড়া বাসায় কয়েকজন হিজড়ার সাথে বসবাস করেন। স্ত্রী নাছিমা বেগমের উপস্থিতি টের পেয়ে সে পালিয়ে যায়। বিষয়টি চাঊর হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়ে। এলাকাবাসী এমন প্রতারণাকারীর যথাযথ শাস্তি দাবি করেন।

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬
কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার মক্রমপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল মান্নানের ছেলে দেলোয়ার হোসেন। যিনি দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে হিজড়া সেজে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করে আসছেন।
বুধবার (১ এপ্রিল ২০২৬) দেলোয়ারের খোঁজে চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে দু'সন্তান নিয়ে তার স্ত্রী নাছিমা বেগম হাজির হলে এমন তথ্য উঠে আসে।
জানা যায়, বাচনভঙ্গিতে হিজড়াদের সাথে তাল মিলিয়ে সুকৌশলে তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠীর সাথে মিশে যাওয়া দেলোয়ার প্রতারণার প্রথম দিকে কুমিল্লা জেলা সদর, লাকসাম ও নাথেরপেটুয়া এলাকায় হিজড়া সেজে অর্থ উপার্জন করতো। পরবর্তীতে তার সাথে পরিচয় হয় চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি উপজেলায় বসবাসরত তৃতীয় লিঙ্গের সর্দার রাণী ময়নার সাথে। দেলোয়ার নিজেকে সুমি নামে সর্দার রাণী ময়নার সাথে এ উপজেলায় আসে। দীর্ঘ ৭ বছর সে হিজড়াদের সাথে এ উপজেলায় বসবাস করছে।
তার স্ত্রী নাছিমার দাবি, আপনারা যাকে সুমি হিজড়া নামে চিনেন তিনি আমার স্বামী দেলোয়ার হোসেন। সে বর্তমানে আমাদের কোনো খোঁজ খবর রাখে না, ৩ সন্তান নিয়ে আমি মানবেতর জীবন যাপন করছি, তার সন্ধান পেয়ে এখানে এসেছি।
এ বিষয়ে তৃতীয় লিঙ্গের সর্দার রাণী ময়না জানান, সে কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন স্থানে হিজড়া সেজে অর্থ উপার্জন করতো। ৭ বছর পূর্বে আমার সাথে পরিচয় হলে আমি তাকে শাহরাস্তিতে নিয়ে আসি। আমি তার এমন প্রতারণার বিষয়ে জানি না। আমি তাকে সুমি হিজড়া হিসেবেই চিনি।
দেলোয়ার শাহরাস্তি পৌরসভার শ্রীপুর গ্রামে একটি ভাড়া বাসায় কয়েকজন হিজড়ার সাথে বসবাস করেন। স্ত্রী নাছিমা বেগমের উপস্থিতি টের পেয়ে সে পালিয়ে যায়। বিষয়টি চাঊর হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়ে। এলাকাবাসী এমন প্রতারণাকারীর যথাযথ শাস্তি দাবি করেন।

আপনার মতামত লিখুন