রাজশাহীতে ভুয়া চাহিদাপত্র ব্যবহার করে ফিলিং স্টেশন থেকে তেল নেওয়ার অভিযোগে ফায়ার সার্ভিসের পাঁচ কর্মীকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাদের নওহাটা স্টেশন থেকে সরিয়ে ঢাকার সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে।
প্রত্যাহার হওয়া পাঁচজন হলেন— লিডার রবিউল আলম, গাড়িচালক আজিজুর রহমান এবং ফায়ার ফাইটার জাকির হোসেন, ইয়াসির আরাফাত ও আব্বাস আলী।
ফায়ার সার্ভিসের নওহাটা স্টেশনের ইনচার্জ ওয়ার হাউস ইন্সপেক্টর নিরঞ্জন সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, ছুটিতে থাকাকালে ঘটনাটি ঘটে। বৃহস্পতিবার সকালে দায়িত্বে যোগ দিয়ে তিনি বিষয়টি জানতে পারেন। তবে তার আগেই সদর দপ্তর থেকে তাৎক্ষণিকভাবে পাঁচজনকে ক্লোজড করে ঢাকায় নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বুধবার (১ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে তারা স্টেশন ত্যাগ করে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন। এখন বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং তদন্ত শেষে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জানা গেছে, স্টেশন ইনচার্জ ছুটিতে থাকায় লিডার রবিউল আলম দায়িত্বে ছিলেন। এ সময় তিনি অফিসের নামে একটি ভুয়া চাহিদাপত্র তৈরি করেন। পরে একটি সরকারি গাড়িতে ড্রাম ও ব্যারেল নিয়ে পার্শ্ববর্তী একটি ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে যান।
প্রথমে তারা ২০০ লিটার পেট্রোল এবং পরে আরও ১০০ লিটার অকটেন নেন। তবে সেখানে উপস্থিত পুলিশ সদস্যদের সন্দেহ হলে তারা ফায়ার সার্ভিসের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এতে জানা যায়, ওই সময় স্টেশনের জন্য কোনো তেলের প্রয়োজন ছিল না।
পরবর্তীতে তাদের কাছ থেকে ৩০০ লিটার তেল ফেরত নেওয়া হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তারা ভুয়া চাহিদাপত্র ব্যবহার করে সরকারি গাড়িতে ব্যক্তিগত মোটরসাইকেলের জন্য তেল সংগ্রহের চেষ্টা করেছিলেন।

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬
রাজশাহীতে ভুয়া চাহিদাপত্র ব্যবহার করে ফিলিং স্টেশন থেকে তেল নেওয়ার অভিযোগে ফায়ার সার্ভিসের পাঁচ কর্মীকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাদের নওহাটা স্টেশন থেকে সরিয়ে ঢাকার সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে।
প্রত্যাহার হওয়া পাঁচজন হলেন— লিডার রবিউল আলম, গাড়িচালক আজিজুর রহমান এবং ফায়ার ফাইটার জাকির হোসেন, ইয়াসির আরাফাত ও আব্বাস আলী।
ফায়ার সার্ভিসের নওহাটা স্টেশনের ইনচার্জ ওয়ার হাউস ইন্সপেক্টর নিরঞ্জন সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, ছুটিতে থাকাকালে ঘটনাটি ঘটে। বৃহস্পতিবার সকালে দায়িত্বে যোগ দিয়ে তিনি বিষয়টি জানতে পারেন। তবে তার আগেই সদর দপ্তর থেকে তাৎক্ষণিকভাবে পাঁচজনকে ক্লোজড করে ঢাকায় নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বুধবার (১ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে তারা স্টেশন ত্যাগ করে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন। এখন বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং তদন্ত শেষে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জানা গেছে, স্টেশন ইনচার্জ ছুটিতে থাকায় লিডার রবিউল আলম দায়িত্বে ছিলেন। এ সময় তিনি অফিসের নামে একটি ভুয়া চাহিদাপত্র তৈরি করেন। পরে একটি সরকারি গাড়িতে ড্রাম ও ব্যারেল নিয়ে পার্শ্ববর্তী একটি ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে যান।
প্রথমে তারা ২০০ লিটার পেট্রোল এবং পরে আরও ১০০ লিটার অকটেন নেন। তবে সেখানে উপস্থিত পুলিশ সদস্যদের সন্দেহ হলে তারা ফায়ার সার্ভিসের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এতে জানা যায়, ওই সময় স্টেশনের জন্য কোনো তেলের প্রয়োজন ছিল না।
পরবর্তীতে তাদের কাছ থেকে ৩০০ লিটার তেল ফেরত নেওয়া হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তারা ভুয়া চাহিদাপত্র ব্যবহার করে সরকারি গাড়িতে ব্যক্তিগত মোটরসাইকেলের জন্য তেল সংগ্রহের চেষ্টা করেছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন