কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলায় দুই সাংবাদিককে হেনস্তার অভিযোগে সমালোচিত উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফয়সাল আল নুরকে সিলেট বিভাগে বদলি করা হয়েছে। জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে দেওয়া ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়।
জানা যায়, দেবীদ্বার উপজেলার দুই সাংবাদিকের সঙ্গে কথোপকথনের সময় ভিডিও ধারণকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। অভিযোগ রয়েছে, এ ঘটনায় চান্দিনার এসিল্যান্ড ফয়সাল আল নুর সাংবাদিকদের হাতকড়া পরিয়ে থানায় পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের সাংবাদিক সমাজে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদের ঝড় ওঠে।
ঘটনার পরপরই বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন প্রতিবাদ জানিয়ে দ্রুত অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তোলে। তাদের পক্ষ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রত্যাহারের আল্টিমেটাম দেওয়া হয়। এরই প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে তাকে সিলেট বিভাগে বদলির সিদ্ধান্ত নেয়।
সাংবাদিক নেতারা এই সিদ্ধান্তকে আংশিক সাফল্য হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ভবিষ্যতে যেন কোনো সরকারি কর্মকর্তা গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে অসদাচরণ না করেন, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। একই সঙ্গে তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬
কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলায় দুই সাংবাদিককে হেনস্তার অভিযোগে সমালোচিত উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফয়সাল আল নুরকে সিলেট বিভাগে বদলি করা হয়েছে। জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে দেওয়া ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়।
জানা যায়, দেবীদ্বার উপজেলার দুই সাংবাদিকের সঙ্গে কথোপকথনের সময় ভিডিও ধারণকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। অভিযোগ রয়েছে, এ ঘটনায় চান্দিনার এসিল্যান্ড ফয়সাল আল নুর সাংবাদিকদের হাতকড়া পরিয়ে থানায় পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের সাংবাদিক সমাজে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদের ঝড় ওঠে।
ঘটনার পরপরই বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন প্রতিবাদ জানিয়ে দ্রুত অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তোলে। তাদের পক্ষ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রত্যাহারের আল্টিমেটাম দেওয়া হয়। এরই প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে তাকে সিলেট বিভাগে বদলির সিদ্ধান্ত নেয়।
সাংবাদিক নেতারা এই সিদ্ধান্তকে আংশিক সাফল্য হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ভবিষ্যতে যেন কোনো সরকারি কর্মকর্তা গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে অসদাচরণ না করেন, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। একই সঙ্গে তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন