ঢাকা   বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
মুক্তির লড়াই

শিবনগরের তোতার মিলে হলুদে ভেজাল মেশানোর অভিযোগ



শিবনগরের তোতার মিলে হলুদে ভেজাল মেশানোর অভিযোগ

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ পৌর এলাকার শিবনগরে অবস্থিত   সাইনবোর্ড বিহীন তোতা মিয়ার হলুদের গুড়া তৈরি করা মিলটি এখন অসৎ হলুদ ব্যবসায়ীদের বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে বেশ পরিচিতি পেয়েছে। 

এই মিলটিতে স্থানীয় এলাকা ও বাইরে থেকে আসা হলুদ অসাধু ব্যবসায়ীরা বিপুল পরিমাণ শুকনো হলুদ গুড়া করে তাতে বুটের ডাল,  আতপ চাউলের গুড়া  এবং রং মেশানোর অভিযোগ উঠেছে। 

এ কাজের সময় তোতা মিয়া মিলটির প্রধান ফটক আটকে সাত আট জন শ্রমিকের সহায়তায় দিনে অনেক সময় রাতেও ভেজাল মেশানোর কাজ সম্পন্ন করেন। 


বিশেষ করে সাপ্তাহিক হাটের দিন হলুদে ভেজাল মেশানের কাজ বেশি হয়ে থাকে বলে স্থানীয় সূত্র মতে জানা যায়। দীর্ঘদিন ধরে তোতা মিয়া তার হলুদের মিলে ভেজাল মেশানোর কাজ বীর দর্পে চালিয়ে গেলেও প্রশাসনিকভাবে তার বিরুদ্ধে নেওয়া হয় না কোনো ব্যবস্থা। স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, তোতা মিয়া সবকিছু ম্যানেজ করেই হলুদে ভেজাল দেয়ার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। তার মিলে প্রস্তুতকৃত ভেজাল হলুদ স্থানীয় বাজার এবং দেশের বিভিন্ন এলাকায় ট্রাক ও পিকআপে করে বাজারজাত করা হয়। সরেজমিনে মিলটিতে যেয়ে বুট ও আতপ চাউল মেশানো অবস্থায় দেখা যায়। 


মিলের পেছনে বেশ কিছু আতপ চাউল ও খুদের বস্তা স্তুপ করে রাখতে দেখা যায়। 

হলুদে ভেজাল মেশানোর ব্যাপারে মিলটির স্বত্বাধিকারী তোতা মিয়ার সাথে কথা হলে তিনি এর সত্যতা স্বীকার করেন। এসময় তিনি বলেন,শুকনা হলুদ মেশিনে ভাঙালে কমে যায়। এজন্যই পার্টিরা বলে কিছু চাউলের গুড়া মিশিয়ে দিতে,এ জন্য দেয়। হলুদ মিল তো আর আমার  একটা না কালীগঞ্জে। বাকি মিলগুলোও একটু দেখেন। 

কালীগঞ্জ পৌরসভার স্যানিটারী ইন্সপেক্টর আলমগীর কবির বলেন, অভিযোগ পেলে অবশ্যই ওই মিলে অভিযান চালানো হবে।

কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং পৌর প্রশাসক রেজওয়ানা নাহিদ বলেন, খাদ্য তথা হলুদে ভেজাল মেশানো আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এই ধরনের কর্মকাণ্ড পরিচালনাকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬


শিবনগরের তোতার মিলে হলুদে ভেজাল মেশানোর অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ০৪ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ পৌর এলাকার শিবনগরে অবস্থিত   সাইনবোর্ড বিহীন তোতা মিয়ার হলুদের গুড়া তৈরি করা মিলটি এখন অসৎ হলুদ ব্যবসায়ীদের বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে বেশ পরিচিতি পেয়েছে। 

এই মিলটিতে স্থানীয় এলাকা ও বাইরে থেকে আসা হলুদ অসাধু ব্যবসায়ীরা বিপুল পরিমাণ শুকনো হলুদ গুড়া করে তাতে বুটের ডাল,  আতপ চাউলের গুড়া  এবং রং মেশানোর অভিযোগ উঠেছে। 

এ কাজের সময় তোতা মিয়া মিলটির প্রধান ফটক আটকে সাত আট জন শ্রমিকের সহায়তায় দিনে অনেক সময় রাতেও ভেজাল মেশানোর কাজ সম্পন্ন করেন। 


বিশেষ করে সাপ্তাহিক হাটের দিন হলুদে ভেজাল মেশানের কাজ বেশি হয়ে থাকে বলে স্থানীয় সূত্র মতে জানা যায়। দীর্ঘদিন ধরে তোতা মিয়া তার হলুদের মিলে ভেজাল মেশানোর কাজ বীর দর্পে চালিয়ে গেলেও প্রশাসনিকভাবে তার বিরুদ্ধে নেওয়া হয় না কোনো ব্যবস্থা। স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, তোতা মিয়া সবকিছু ম্যানেজ করেই হলুদে ভেজাল দেয়ার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। তার মিলে প্রস্তুতকৃত ভেজাল হলুদ স্থানীয় বাজার এবং দেশের বিভিন্ন এলাকায় ট্রাক ও পিকআপে করে বাজারজাত করা হয়। সরেজমিনে মিলটিতে যেয়ে বুট ও আতপ চাউল মেশানো অবস্থায় দেখা যায়। 


মিলের পেছনে বেশ কিছু আতপ চাউল ও খুদের বস্তা স্তুপ করে রাখতে দেখা যায়। 


হলুদে ভেজাল মেশানোর ব্যাপারে মিলটির স্বত্বাধিকারী তোতা মিয়ার সাথে কথা হলে তিনি এর সত্যতা স্বীকার করেন। এসময় তিনি বলেন,শুকনা হলুদ মেশিনে ভাঙালে কমে যায়। এজন্যই পার্টিরা বলে কিছু চাউলের গুড়া মিশিয়ে দিতে,এ জন্য দেয়। হলুদ মিল তো আর আমার  একটা না কালীগঞ্জে। বাকি মিলগুলোও একটু দেখেন। 


কালীগঞ্জ পৌরসভার স্যানিটারী ইন্সপেক্টর আলমগীর কবির বলেন, অভিযোগ পেলে অবশ্যই ওই মিলে অভিযান চালানো হবে।

কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং পৌর প্রশাসক রেজওয়ানা নাহিদ বলেন, খাদ্য তথা হলুদে ভেজাল মেশানো আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এই ধরনের কর্মকাণ্ড পরিচালনাকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ মুক্তির লড়াই । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত