ঢাকা   রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
মুক্তির লড়াই

কচুয়ায় মাছের প্রজেক্ট থেকে এক ব্যাক্তির মরদেহ উদ্ধার



কচুয়ায় মাছের প্রজেক্ট থেকে এক ব্যাক্তির মরদেহ উদ্ধার

চাঁদপুরের কচুয়া পৌরসভাধীন করইশ গ্রামে মাছের প্রজেক্ট থেকে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে স্থানীয় জনগন।শনিবার রাত আনুমানিক সাড়ে এগারোটার দিকে আলমগীর হোসেন(৪৫) নামের ওই ব্যাক্তির মরদেহ উদ্ধার  হয়।  তিনি পার্শ্ববর্তী শাহারাস্তি উপজেলার নিজমেহার গ্রামের মহিউদ্দিনের পুত্র বলে জানা গেছে। স্থানীয় লোকজনরা জানিয়েছে- বৈবাহিক সূত্রে তিনি করইশ গ্রামে বসবাস করে আসছেন। এছাড়া  করইশ গ্রামের  সেকান্দর আলীর পুত্র মোঃ মাসুদ এর মাছের প্রজেক্ট কাজ করে আসছেন। 


স্থানীয় সাংবাদিক মোঃ মাসুম বিল্লাহ জানিয়েছেন-প্রতিদিনের ন্যায় শনিবার  রাতেও তিনি মাছের প্রজেক্ট এর দেখভাল করতে যান। প্রজেক্টের মাছ মরে থাকতে দেখে তিনি মাছ তুলে আনতে গিয়ে,আগে থেকে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট  হয়ে থাকা পানিতে মারা যান। ওই সময় পানিতে বৈদ্যুতিক  লাইনের তার পড়ে থাকতে দেখা যায়।


 স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিলে কচুয়া থানা পুলিশ  তার মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। 

কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ বোরহানউদ্দিন জানিয়েছেন- এ ব্যাপারে কচুয়া থানায় - একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। 


প্রকাশ -আলমগীর হোসেন গত ২০ বছর পূর্বে করইশ গ্রামের সেকায়েত উল্লাহ বেপারি বাড়ির আয়ুব আলীর মেয়ে কুলছুমকে  বিয়ে করেন। তার ১৮ বছর বয়সের একটি ছেলে ও ৭ বছর বয়সী একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। এটি তার দ্বিতীয় বিয়ে ছিল। তার প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ায় এই গ্রামে তিনি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬


কচুয়ায় মাছের প্রজেক্ট থেকে এক ব্যাক্তির মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশের তারিখ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

চাঁদপুরের কচুয়া পৌরসভাধীন করইশ গ্রামে মাছের প্রজেক্ট থেকে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে স্থানীয় জনগন।শনিবার রাত আনুমানিক সাড়ে এগারোটার দিকে আলমগীর হোসেন(৪৫) নামের ওই ব্যাক্তির মরদেহ উদ্ধার  হয়।  তিনি পার্শ্ববর্তী শাহারাস্তি উপজেলার নিজমেহার গ্রামের মহিউদ্দিনের পুত্র বলে জানা গেছে। স্থানীয় লোকজনরা জানিয়েছে- বৈবাহিক সূত্রে তিনি করইশ গ্রামে বসবাস করে আসছেন। এছাড়া  করইশ গ্রামের  সেকান্দর আলীর পুত্র মোঃ মাসুদ এর মাছের প্রজেক্ট কাজ করে আসছেন। 


স্থানীয় সাংবাদিক মোঃ মাসুম বিল্লাহ জানিয়েছেন-প্রতিদিনের ন্যায় শনিবার  রাতেও তিনি মাছের প্রজেক্ট এর দেখভাল করতে যান। প্রজেক্টের মাছ মরে থাকতে দেখে তিনি মাছ তুলে আনতে গিয়ে,আগে থেকে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট  হয়ে থাকা পানিতে মারা যান। ওই সময় পানিতে বৈদ্যুতিক  লাইনের তার পড়ে থাকতে দেখা যায়।


 স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিলে কচুয়া থানা পুলিশ  তার মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। 

কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ বোরহানউদ্দিন জানিয়েছেন- এ ব্যাপারে কচুয়া থানায় - একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। 


প্রকাশ -আলমগীর হোসেন গত ২০ বছর পূর্বে করইশ গ্রামের সেকায়েত উল্লাহ বেপারি বাড়ির আয়ুব আলীর মেয়ে কুলছুমকে  বিয়ে করেন। তার ১৮ বছর বয়সের একটি ছেলে ও ৭ বছর বয়সী একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। এটি তার দ্বিতীয় বিয়ে ছিল। তার প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ায় এই গ্রামে তিনি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ মুক্তির লড়াই । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত