প্রিন্ট এর তারিখ : ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
মনপুরায় প্রেমের টানে সিলেট থেকে আসা কিশোরীকে দলগত ধর্ষণ
এম এ আকরাম,, ভোলা থেকে ||
ভোলার মনপুরায় প্রেমের টানে সিলেট থেকে আসা সাদিয়া (১৬) নামের এক কিশোরীকে জিম্মি করে দলগত ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নে এই জগন্য ঘটনাটি ঘটে। এই ঘটনায় এলাকায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে ছয়জনসহ অঙ্গতনামা ২-৩ জনের নামে থানায় মামলা করার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।ভুক্তভোগী কিশোরী সাদিয়া (১৬) সুনামগঞ্জের শ্রী-নারায়নপুর এলাকার বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মনপুরার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা রাসেলের ছেলে মোঃ সজীবের সাথে সাদিয়ার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই প্রেমের টানেই সে গত তিনদিন আগে মনপুরায় আসে।পরে সাদিয়া ও সজীবের বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় একটি একটি চক্র তাদের বিয়ের কথা বলে জিম্মি করে। অভিযোগ উঠেছে, ওই চক্রটি তাদের কাছ থেকে রেখে ২ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।প্রেমিক মোঃ সজীব জানায়, গতকাল রাতে আল-আমিন, মাকসুদ ও ইদ্রিস নামের তিন ব্যক্তি তাদের লঞ্চঘাটে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে বাসা থেকে বের করে নিয়ে যায়।লঞ্চঘাটে না নিয়ে তাদের নিয়ে যাওয়া হয় নির্জন বেড়িবাঁধে। সেখানে প্রেমিক সজীবকে মারধর করে আটকে রেখে সাদিয়ার ওপর আলআমিন ও মাকছুদ পাশবিক নির্যাতন ও পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয়। অপর ইদ্রিস মাঝি তখন পাহারা দেয়।ঘটনার পর কিশোরীকে রক্তাক্ত ও অচেতন অবস্থায় বেড়িবাঁধে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা। পরবর্তীতে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে।জানা যায় ধর্ষক আল-আমিন, মাকছুদ ও সহযোগী ইদ্রিস মাঝি উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের স্থায়ী বাসিন্দা। এই ব্যাপারে মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ ফরিদ উদ্দিনকে মুঠোফোনে ফোন দিলে তার সরকারি নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়। তবে ভোলার পুলিশ সুপার মোঃ সহিদুল্লাহ কাওসার বলেন, এঘটনার পর মেয়ের বাবা সিলেট থেকে মনপুরায় এসেছে রাতে। মেয়ের বাবা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করবেন। মামলা হবেই। ওসিকে বলেছি রাতের মধ্যেই আসামি গ্রেফতার করতে হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক : কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ মুক্তির লড়াই । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত