প্রিন্ট এর তারিখ : ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জানুয়ারি ২০২৬
অনুমতি ছাড়াই রামপাল ছেড়েছেন ৯ ভারতীয় কর্মকর্তা
মোহাম্মদ আলী সুমন ||
বাগেরহাটের রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের (বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড—বিআইএফপিসিএল) ৯ জন ভারতীয় কর্মকর্তা কর্তৃপক্ষের কোনো পূর্বানুমতি ছাড়াই বাংলাদেশ ত্যাগ করেছেন। এ ঘটনায় প্ল্যান্ট কর্তৃপক্ষ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছে।জানা গেছে, শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকালে প্ল্যান্টের ডাইনিং হলে নির্ধারিত সময়েও ওই কর্মকর্তাদের না পেয়ে তাদের খোঁজ শুরু করে কর্তৃপক্ষ। পরে জানা যায়, তারা কাউকে কিছু না জানিয়েই প্ল্যান্ট এলাকা ত্যাগ করেছেন। দুপুরের দিকে ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে তাদের ভারতে প্রবেশের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়।পরবর্তীতে বিষয়টি প্রকল্প পরিচালক রামানাথ পুজারীকে জানানো হলে তিনি সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এ সময় ওই কর্মকর্তারা ‘নিরাপত্তাহীনতা’র কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশ ত্যাগ করেছেন বলে জানান।তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিদ্যুৎকেন্দ্র এলাকায় সেনাবাহিনী, পুলিশ ও আনসারসহ চার স্তরের কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে। এ অবস্থায় কোনো ধরনের পূর্ব অভিযোগ বা উদ্বেগ প্রকাশ না করেই হঠাৎ করে দেশ ত্যাগ করাটা রহস্যজনক বলে মনে করছেন কর্তৃপক্ষ।দেশত্যাগ করা ৯ ভারতীয় কর্মকর্তা হলেন— ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার করপোরেশন (এনটিপিসি) থেকে পেশনে আসা মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্লান্টে কর্মরত জিএম সিউজ প্রতিম ভর্মন, জিএম বিশ্বজিৎ মণ্ডল, জিএম এন-সুরায়া প্রকাশ রায়, এজিএম কেশবা পলাকী, ডিজিএম সুরেয়া কান্ত মণ্ডেকার, ডিজিএম সুরেন্দ্র লম্বা, এজিএম পাপ্পু লাল মিনা, ডিজিএম অর্নিবান সাহা সিএফ ও ইমানুয়েল পনরাজ দেবরাজ।রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের উপ-মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) আনোয়ারুল আজিম বলেন,“সকালে ডাইনিং হলে তাদের না পেয়ে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি, তারা কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই ভারতে চলে গেছেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। কী কারণে তারা এভাবে দেশ ছেড়েছেন, তা গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক : কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ মুক্তির লড়াই । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত