প্রিন্ট এর তারিখ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
তারা নিজেদের মধ্যে চাঁদাবাজি ও ভাগাভাগি নিয়ে মারামারি করে.. ডাকসুর জিএস, এস.এম ফরহাদ
মোহাম্মদ ছানা উল্যাহ,, নোয়াখালী ||
বিএনপি নিজেদের মধ্যে চাঁদাবাজি ও ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে ইতোমধ্যে কয়েকশ মানুষকে হত্যা করেছে মন্তব্য করে ডাকসুর জিএস, এস.এম ফরহাদ বলেছেন, "যে দল কার ভাগ কে খাবে—তা নিয়ে মারামারি করে ২৭১ জনকে হত্যা করতে পারে, দেশের মানুষ তাদের আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না।"শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চরজব্বর ডিগ্রি কলেজ মাঠে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় প্রধান বক্তা হিসেবে ডাকসু জিএস এস.এম.ফরহাদ এইসব কথা বলেন। প্রধান বক্তা এস.এম ফরহাদ আরও বলেন, "শোনা যাচ্ছে বিএনপি নাকি ভোট কেন্দ্র দখল করতে চায়। কিন্তু চল্লিশের গণঅভ্যুত্থানের জাগ্রত জনতা কাউকে আর কেন্দ্র দখল করতে দেবে না। যে জুলাই বিপ্লবে যুবকরা পিঠেনা বুকেই বুলেট নিয়েছে, সেই তরুণরা বেঁচে থাকতে কোনো অপশক্তিকে কেন্দ্র দখলের সুযোগ দেবে না।"জনসভায় বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাকসুর জিএস সাইদ বিন হাবিব। তিনি বিএনপির তীব্র সমালোচনা করে বলেন, "জুলাই বিপ্লবে ২ হাজার ভাইবোন শহীদ হয়েছেন দেশকে স্বৈরাচারমুক্ত করতে। কিন্তু বিএনপি গত কয়েক মাসেই নিজেদের কোন্দলে প্রায় আড়াইশ লোক হত্যা করেছে। তাদের হাতে দেশ ও জাতি নিরাপদ নয়।"তারেক রহমানের ঘোষিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ নিয়ে প্রশ্ন তুলে তারা বলেন, "তারা নিজেরাই জানে না ফ্যামিলি কার্ড কী? এর কোনো বিস্তারিত রূপরেখা তারা দিতে পারেনি। আসলে বিএনপি আবারও সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতে চায় এবং তারা সারাদেশে অস্ত্রবাজি শুরু করেছে।" তিনি সদর-সুবর্ণচরকে চাঁদাবাজমুক্ত করতে ১২ তারিখের নির্বাচনে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নোয়াখালী-৪ সদর- সুবর্ণচরের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও জেলা জামায়াতের আমীর ইসহাক খন্দকার। তিনি বলেন, সুবর্ণচরের মানুষকে শান্তি ও নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিতে জামায়াতে ইসলামী বদ্ধপরিকর। উন্নয়নের সুষম বণ্টন এবং ইনসাফ কায়েমে তিনি ভোটারদের সমর্থন কামনা করেন।বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সুবর্ণচর উপজেলা শাখার আয়োজনে সুবর্ণচর উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা জামাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই জনসভায় ১১ দলীয় জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। জনসভায় জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়নের বিভিন্ন পর্যায়ের হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক : কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ মুক্তির লড়াই । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত