প্রিন্ট এর তারিখ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
অমর একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে রাষ্ট্রপতি–প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধার্ঘ্য
মোহাম্মদ আলী সুমন ||
অমর একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাত ১২টা ০১ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার–এর বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে দিবসের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।প্রথমে রাষ্ট্রপতি, পরে প্রধানমন্ত্রী ফুল দিয়ে নীরবে দাঁড়িয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি সম্মান জানান। এরপর মোনাজাতে অংশ নেন তারা। মন্ত্রিসভার সদস্যদের সঙ্গে পুনরায় শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী। পরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নেতারা পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।ক্রমে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনাররা, তিন বাহিনীর প্রধানরা—সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন—শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরাও ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের স্মরণ করেন।বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানও শ্রদ্ধা জানান। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়–এর উপাচার্যের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার এবং যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধারা পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের পর্ব শেষে শহীদ মিনার খুলে দেওয়া হলে হাজারো মানুষ ফুল হাতে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। মধ্যরাত পেরোতেই চারপাশে ভেসে ওঠে—“আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি…শ্রদ্ধা নিবেদনের আগে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, দীর্ঘ সময় পর একুশ এসেছে ‘মুক্ত’ পরিবেশে। তিনি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক সমাজ গঠনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন এবং একুশের চেতনাকে সামনে রেখে এগিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদ সালাম, বরকত, রফিক, শফিউর, জব্বারসহ অজস্র নাম-না-জানা বীরের আত্মত্যাগের ৭৪ বছর পূর্তিতে আজ দেশজুড়ে নানা কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আজ সরকারি ছুটি; জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে এবং রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী পৃথক বাণী দিয়েছেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক : কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ মুক্তির লড়াই । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত