প্রিন্ট এর তারিখ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রমজানে দইয়ের দাম কমিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ইউসুফ
মাহফুজুর রহমান, মুরাদনগর (কুমিল্লা) ||
আত্মশুদ্ধি ও সিয়াম সাধনার মাস পবিত্র মাহে রমজান। অথচ এ সময় দেশের অধিকাংশ ব্যবসায়ী নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বাড়াতে মরিয়া হয়ে ওঠেন। আর দ্রব্যমূল্যের চাপে নাকাল হয়ে উঠে সাধারণ মানুষ।অথচ ব্যতিক্রমী ভূমিকায় কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার রামচন্দ্রপুরের দধি ব্যবসায়ী ইউসুফ মিয়া। রীতিমত ব্যানারে ঘোষণার মাধ্যমে তার উৎপাদিত দইয়ের মূল্য কমিয়ে এলাকায় প্রশংসায় ভাসছেন তিনি। রামচন্দ্রপুরে অধ্যাপক আবদুল মজিদ কলেজের সামনে আল মামুন দধি দোকানের মালিক ব্যবসায়ী ইউসুফ মিয়া সোনাকান্দা গ্রামের জাহাঙ্গীর মিয়ার ছেলে। দীর্ঘ ২৬ বছর ধরে সুনামের সাথে খাটি দুধ থেকে তৈরী সুস্বাদু দই বিক্রি করে আসছেন তিনি। রোজার আগে প্রতি কেজি দইয়ে দাম ছিলো ২০০টাকা, সেখানে রমজান উপলক্ষে ৩০টাকা কমিয়ে বিক্রি করছেন ১৭০টাকায়। ২কেজি দইয়ের মূল্য ৪০০টাকা থেকে কমিয়ে ৩৫০টাকায় বিক্রি করছেন। এছাড়াও প্রতিকাপ দধি ৪০টাকা থেকে কমিয়ে ৩৫টাকা বিক্রি করছেন ব্যবসায়ী ইউসুফ।দই কিনতে এসে মেহেদি নামেএ এক ক্রেতা বলেন, “আমি নিয়মিত এই দোকান থেকেই দই কিনি। এখানকার দইয়ের স্বাদ ও মান অন্যদের চেয়ে ভালো। রমজানে দাম কমানোয় আমাদের মতো সাধারণ ক্রেতারা উপকৃত হচ্ছি।”স্থানীয় মাওলানা খলিলুর রহমান বলেন, “রমজান মাসে সাধারণত পণ্যের দাম বাড়ে। দুধের দাম বৃদ্ধির পরও ইউসুফ ভাই পুরো রমজান জুড়ে দইয়ের দাম কমিয়ে বিক্রি করছেন—এটি সত্যিই প্রশংসনীয় উদ্যোগ। আল্লাহ তার ব্যবসায় বরকত দিন।”ব্যবসায়ী ইউসুফ মিয়া জানান, “আমি প্রতিবছর রমজানে স্বাভাবিক মূল্যের চেয়ে কম দামে দই বিক্রি করি। আমার চেষ্টা থাকে, যেন এলাকার সব শ্রেণির মানুষ আমার দোকানের দই কিনে খেতে পারেন।” তিনি সকলের কাছে দোয়া কামনা করেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক : কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ মুক্তির লড়াই । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত