প্রিন্ট এর তারিখ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ঝিনাইগাতীতে অবৈধ বালু উত্তোলনে অভিযান, দুইজনের ৬ মাসের কারাদণ্ড
মোঃ বেলায়েত হোসেন, শেরপুর জেলা প্রতিনিধি ||
শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলাতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পরিবহনের দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দুই ব্যক্তিকে ছয় মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ সময় বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ ও বাজেয়াপ্ত করা হয়।২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ রাতে পরিচালিত এ অভিযানে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ৪ ধারার লঙ্ঘনের অপরাধে ১৫(১) ধারায় তাদের এ দণ্ড প্রদান করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—আবুল কালাম ও মো. আল আমিন। তাঁদের বাড়ি গান্দিগাঁও নতুন বাজার এলাকায়।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আল-আমীনের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে কারাদণ্ড প্রদান করেন। একই সঙ্গে বালু উত্তোলন ও পরিবহনে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি জব্দ করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র অবৈধভাবে নদী ও খাল থেকে বালু উত্তোলন ও পরিবহন করে আসছিল। এতে স্থানীয় পরিবেশ ও কৃষিজমি হুমকির মুখে পড়ে। বিশেষ করে অবৈধ বালু উত্তোলনের ফলে নদীভাঙন, জমির ক্ষয়ক্ষতি এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান পরিচালনা করা হয়।উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পরিবেশ সুরক্ষা ও জনস্বার্থে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।প্রশাসন সূত্রে আরও জানা যায়, শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী, শ্রীবরদী ও নালিতাবাড়ী উপজেলায় বর্তমানে বালুমহালের ইজারা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এ সুযোগে একটি চক্র গোপনে বালু উত্তোলন ও পরিবহন করে আসছিল। অবৈধ কার্যক্রম বন্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে।এ বিষয়ে ইউএনও মো. আল-আমীন বলেন, আইন অমান্য করে কেউ বালু উত্তোলন বা পরিবহন করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ধরনের অভিযান আগামীতেও চলমান থাকবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক : কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ মুক্তির লড়াই । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত