প্রিন্ট এর তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬
বোরহানউদ্দিনে মাদক বিক্রেতারা ধরা ছোয়ার বাইরে
ভোলা প্রতিনিধি ||
নদী বেষ্টিত দ্বীপজেলা ভোলার একটি উপজেলা বোরহানউদ্দিন। মেঘনা ও তেতুলিয়ার কোল ঘেষে এই উপজেলা। ৯টি ইউনিয়ন ও ১ টি উপজেলার প্রতিটি এলাকায় ইয়াবা এবং গাজা ব্যবসায়ীদের মনে হয় নিরাপদ ব্যবসা স্হল।বোরহানউদ্দিনে মাদক নিয়ন্ত্রনে প্রশাসন কঠোর হলেও মাদক বিক্রেতারা ধরা ছোয়ার বাহিরে থেকেই যাচ্ছে। বড়ধরনের ডিলার বা বিক্রেতাকে এখন ও আটক করতে পারেনি বোরহানউদ্দিনের প্রশাসন। যাদের আটক করা হয়েছে কেউবা সেবন কারী আবার কেউবা খুচরা বিক্রেতা।সরকার মাদক নিয়ন্ত্রনে কঠোর অবস্হানের ঘোষনা দিয়েছে। স্হানীয় সংসদ সদস্যের কঠোর হুশিয়ারী থাকা সত্বেও প্রশাসন বড় ধরনের কোন অভিযান চোখে পারেনি।সূত্র মতে- উপজেলার হাসাননগর ইউনিয়নটি মেঘনার পাড়ে অবস্হিত হওয়ায় নদী পথে এই ইউনিয়নে মাদক এনে উপজেলার সর্বত্র ছড়িয়ে দেওয়া হয়। প্রশাসনের ভূমিকা কঠোর দেখালেও বাস্তবে ঐ সব মাদক ব্যবসায়ীদের আটক করতে না পারায় জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে- পুলিশ প্রশাসন কি রাঘব বোয়ালদের আটকে ব্যর্থ নাকি মাসোয়ারার কাছে হেরে যাচ্ছে?স্হানীয়দের অভিযোগ- টবগী ইউনিয়ের ৯ নং ওয়ার্ডের মুলাইপত্তন এলাকার রাশেদ ,সবুজ ,রাব্বি , ৭ নং ওয়ার্ডের আরিফ, হাসান নগর ২ নং ওয়ার্ডের আলামিন, হাসান নগর ১ নং ওয়ার্ডের ইব্রাহিম মাঝি , সাচড়া দরুণবাজারের নজু মৃধা , কাচিয়া ৫ নং ওয়ার্ডের মাকসুদ গোরাজী কাচিয়া ৮ নং ওয়ার্ডের ইমরান, কাচিয়া ৬ নং ওয়ার্ডের রুহুল আমিন, এরা স্হানীয় রাজনৈতিক নেতাদের ছত্রছায়ায় প্রশাসনকে ম্যানেজ করে ইয়াবা ও গাজার ব্যবসা চালিয়ে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে উপজেলার প্রতিটি এলাকায় এখন মাদকের বিচরন করছে। ধ্বংস হচ্ছে যুব সমাজ।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যক্তি জানায়- থানার সামনে, আব্দুল জব্বার কলেজ গেইট, সহ কয়কটি স্হানে প্রভাবশালী ব্যক্তি মাদকের সিন্ডিকেট পরিচালনা করে যা প্রশাসনের নজরে রয়েছে। কিন্তুু অদৃশ্যের কারনে পুলিশ সেখানে অভিযান পরিচালনা করছেনা বা তাদের আটক করে না।স্হানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব হাফিজ ইব্রাহিম জানিয়েছেন- মাদক ও সন্ত্রাসের বিষয়ে সরকার যেমন জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষনা করছে তেমনি বোরহানউদ্দিন ও দৌলতখানে মাদক মুক্ত এলাকা হিসেবে দেখার জন্য প্রশাসনকে কঠোর বার্তা প্রদান করা হয়েছে। মাদক বিক্রেতা যেই হোক তাকে ছাড় দেওয়া হবে না।তাহলে প্রশ্ন থেকেই যায়- মাদক বিক্রেতাদের খুটির জোর কোথায়?এ বিষয়ে বোরহানউদ্দিন থানার অফিসার ইনচার্জ - মো মনিরুজ্জামান বলেন- মাদক বন্ধে পুলিশ প্রশাসন কঠোর রয়েছে। যে সব মাদক বিক্রেতা বোরহানউদ্দিনে অবস্হান করছে তাদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ ও তাদের অবস্হান নিশ্চিত করা হচ্ছে।ইতিমধ্যেই মাদকের সাথে জড়িত বেশ কয়েকজনকে আটক করে আদালতে সোর্পদ করা হয়েছে। অচিরেই মাদক সেবনের পাশাপাশি যারা মাদক ব্যবসা করে তাদের আটক করা হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক : কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ মুক্তির লড়াই । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত