প্রিন্ট এর তারিখ : ৩১ মে ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মে ২০২৬
কচুয়ায় নিখোঁজের দুদিন পর ব্যবসায়ীর লাশ উদ্বার
মো: সালাউদ্দিন সোহাগ , স্টাফ রিপোর্টার ||
চাঁদপুরের কচুয়ায় নিখোঁজের দুই দিন পর নুরুল ইসলাম (৭০) নামের এক সার ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। কুমিল্লার সদর দক্ষিণ থানার একটি বিল থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত নুরুল ইসলাম উপজেলার তুলপাই গ্রামের কারী সাহেবের বাড়ির বাসিন্দা। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে, তিন মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।নিহতের ছোট ছেলে ছানাউল্লাহ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকালে বাড়ি থেকে কচুয়া বাজারের উদ্দেশ্যে রওনা হন। দুপুরের দিকে দোকানে গিয়ে দোকান বন্ধ দেখে পাশের ব্যবসায়ীদের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন অসুস্থতার কথা বলে তিনি বাড়ি ফিরে গেছেন। কিন্তু বাড়িতে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তিনি সেখানে পৌঁছাননি। সম্ভাব্য সব জায়গায় খুঁজেও তাকে না পেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে কচুয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।শনিবার রাতে কচুয়া থানার মাধ্যমে পরিবার জানতে পারে, কুমিল্লার সদর দক্ষিণ থানার শ্রীনিবাস পূর্বপাড়া হাইওয়ে রোডের পাশের একটি বিল থেকে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা সেখানে গিয়ে নুরুল ইসলামের মরদেহ শনাক্ত করেন এবং পরে তা বাড়িতে নিয়ে আসেন।কান্নাজড়িত কণ্ঠে নিহতের ছোট ছেলে ছানাউল্লাহ বলেন, আমার বাবার সাথে কারও কোনো শত্রুতা বা ঝগড়া-বিবাদ ছিল না। কেন বা কী কারণে তাকে এমন নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হতে হলো, তা আমরা বলতে পারছি না। আমরা এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।সার ব্যবসায়ী নুরুল ইসলামের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বিচার এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে রবিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কচুয়া বাজারের সার ব্যবসায়ীরা দোকানপাট বন্ধ রেখে প্রতিবাদ জানিয়েছেন।এ ব্যাপারে কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুল ইসলাম আকাশ বলেন, ব্যবসায়ী নিখোঁজের পরপরই তার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি হারানো জিডি করা হয়। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে নিয়ে আমরা আশপাশের সব থানায় বার্তা পাঠিয়ে ছিলাম। এরই প্রেক্ষিতে শনিবার রাতে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানা থেকে একটি বার্তা আসে। পরে পরিবারের সদস্যরা মরদেহ শনাক্ত করেন। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে এবং দোষীদের শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত মুক্তির লড়াই