প্রিন্ট এর তারিখ : ১৮ জুন ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুন ২০২৬
মোংলায় ঘন'ঘন লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত
অতনু চৌধুরী (রাজু) , বাগেরহাট ||
বাগেরহাটের মোংলায় পল্লী বিদ্যুতের এমন ঘন - ঘন ও ঘন্টার পর ঘন্টা লোডশেডিংয়ে জনজীবন চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। দিনে-রাতে এমন ঘন - ঘন ও ঘন্টার পর ঘন্টা লোডশেডিংয়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী ও মুসল্লিরা। অভিযোগ ও রয়েছে, এমন ঘন - ঘন ও ঘন্টার পর ঘন্টা বিদ্যুৎ না থাকলেও আগের তুলনায় বেশি বিল গুনতে হচ্ছে সাধারণ গ্রাহকদের।স্থানীয় গ্রহকদের দাবি, প্রতিদিন এমন ঘন - ঘন ও ঘন্টার পর ঘন্টা বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। বিদ্যুৎ এলেও তা ১'ঘন্টা থেকে ২'ঘন্টার বেশি স্থায়ী হয় না। ফলে তীব্র গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন সব বয়সী মানুষ। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলোতেও ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান। বিদ্যুৎ না থাকায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায়ও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।ফ্রিজনির্ভরশীল ব্যবসায়ীরা জানান, ঘন - ঘন ও ঘন্টার পর ঘন্টা লোডশেডিংয়ের কারণে ঠান্ডাজাত খাবার নষ্ট হয়ে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে। অনেক এলাকায় ভোল্টেজ এতটাই কম যে ফ্যান ঠিকমতো ঘোরে না, বাতিও ম্লান ভাবে জ্বলে।মসজিদের মুসল্লিদের অভিযোগ, নামাজের সময়ও প্রায়ই বিদ্যুৎ থাকে না। বিশেষ করে জুমা’র নামাজের সময় লোডশেডিং হওয়ায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পল্লী বিদ্যুতের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী জানান, ঘন - ঘন বিদ্যুৎ আসা-যাওয়ার সময় ভোল্টেজ হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় মিটারে অতিরিক্ত ইউনিট যোগ হচ্ছে। এ কারণেই গ্রাহকদের বেশি বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে।এমন ঘন - ঘন ও ঘন্টার পর ঘন্টা লোডশেডিংয়ের কারণ জানার জন্য মোংলা সাব-জোনাল অফিস বা চাঁদপাই সাব-জোনাল অফিসের যোগাযোগ নম্বরে একাধিক বার কল দিয়ে বা বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার সুমি বলেন, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী বিদ্যুৎ ব্যবহারে আরও সাশ্রয়ী হতে হবে। তাহলেই ভবিষ্যতে লোডশেডিং পরিস্থিতি কমে আসবে। বিদ্যুতের উৎপাদন ঘাটতির কারণে জাতীয়ভাবেই লোডশেডিং হচ্ছে। বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধানে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছে। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক: কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত মুক্তির লড়াই