প্রিন্ট এর তারিখ : ১৮ জুন ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুন ২০২৬
ফেক আইডির বক্তব্য ঘিরে নরোত্তমপুরে নতুন আলোচনা, উঠছে নানা প্রশ্ন
স্টাফ রিপোর্টার ||
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার ১০ নং নরোত্তমপুর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের মেম্বার আনোয়ার হোসেন পলাশকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি ফেক আইডি থেকে প্রকাশিত কিছু বক্তব্যে নিজেকে নির্দোষ দাবি করার ঘটনায় এলাকাজুড়ে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।স্থানীয় সূত্র ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত তথ্য অনুযায়ী, ১৬ শত একর সম্পত্তির মালিক বকশি মিঞার কবরের ওপর ভবন নির্মাণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা চলছে। এ বিষয়ে প্রতিবাদী কণ্ঠ মানবিক সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোহাম্মদ আজিম মিঞা একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশ করার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে ও তার পরিবারকে নিয়ে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।মোহাম্মদ আজিম মিঞার দাবি, কবরের ওপর ভবন নির্মাণের ঘটনায় জামাল উদ্দিন ওরফে "সুদি খোকন"-এর ভূমিকা নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পর তাকে সামাজিক ও ব্যক্তিগতভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা শুরু হয়। তার অভিযোগ, এ কাজে ফেক আইডি ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হয়েছে।তিনি আরও দাবি করেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে বিতর্ক সৃষ্টি করে তার সম্মান ক্ষুণ্নের চেষ্টা করা হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম পরিচালনাকারী "প্রতিবাদী কণ্ঠ" সংগঠনের কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করে বন্ধ করে দিয়েছেন আনোয়ার হোসেন পলাশ মেম্বার। এতে করে অসহায় হতদরিদ্র মানুষ মানবিক কাজ ও সহযোগিতায় থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। এদিকে অভিযোগ রয়েছে, মৃত ব্যক্তির নামে ফেক আইডি ব্যবহার করে ব্যক্তি ও সামাজিক সংগঠনের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার ও অপপ্রচার চালানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, আধুনিক প্রযুক্তির অপব্যবহারের মাধ্যমে এসব কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে, যা নিয়ে এলাকায় উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয় গোপন রেখে অপপ্রচার চালানো সমাজে বিভ্রান্তি ও বিরূপ প্রভাব সৃষ্টি করে। তারা বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রকৃত তথ্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে গণমাধ্যমকর্মীরা একাধিকবার মেম্বার আনোয়ার হোসেন পলাশের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। অভিযোগ রয়েছে, সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পর তিনি ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন এবং পরবর্তীতে তার ব্যবহৃত নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে এ বিষয়ে তার বক্তব্য গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি।সংশ্লিষ্টদের মতে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সত্য উদঘাটিত হয় এবং তথ্য-প্রমাণই শেষ পর্যন্ত প্রকৃত বাস্তবতা তুলে ধরে।তবে এ বিষয়ে আনোয়ার হোসেন পলাশ বা অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত মুক্তির লড়াই