প্রিন্ট এর তারিখ : ২০ জুন ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুন ২০২৬
বন্ধ হয়ে গেছে কচুয়া বিশ্বরোড এলাকার ড্রেনেজ ব্যবস্থা
মো: সালাউদ্দিন সোহাগ , স্টাফ রিপোর্টার ||
স্থানীয় ব্যবসায়ীদের স্বেচ্ছাচারিতায় রাস্তার দু'পাশের ড্রেনে যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা পালানোর কারণে বন্ধ হয়ে গেছে কচুয়া পৌরসভাধীন বিশ্বরোড এলাকার পানি নিষ্কাশনের জন্য একমাত্র ড্রেনেজ ব্যবস্থা।চিত্রটি এমন দাঁড়িয়েছে মনে হয় যেন; এখানে আগে কোন ড্রেনই ছিল না। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তায় পানি জমে এলাকাটি কর্দমাক্ত হয়ে পড়ছে। এতে করে জনাকীর্ণ বিশ্বরোড এলাকায় স্থানীয় পথচারীদের চলাচলে চরম দুর্ভোগ লক্ষ্য করা গেছে।বিশেষ করে বিশ্বরোড বাজার এলাকার বসবাসকারী আবাসিক বাসিন্দারাও ভোগান্তিতে পড়েছে।স্থানীয় ব্যবসায়ীদের এমন স্বেচ্ছাচারিতায় সাধারন জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়-রাস্তার দুই ধারে দু'টি ড্রেনেজ ব্যবস্থার লাইন থাকলেও বর্তমানে ময়লা আবর্জনা জমে ড্রেন দুটি বন্ধ হয়ে গেছে।বিশেষ করে বিশ্বরোড এলাকার হারুন এভিনিউ মার্কেটের সামনের কাঁচাবাজার বসিয়ে এখানকার পরিবেশ নষ্ট করা হয়েছে।বাজারের উচ্ছিষ্ট সামনের ড্রেনে পেলে পানি চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করায় এ এ ধরনের ঘটনা ঘটছে । রাস্তার উল্টো দিকে (পূর্ব পাশে) স্থানীয় রেন্টএকার' এর সমস্ত গাড়ি ধোয়া ময়লা পানি ও আবর্জনা এ ড্রেনেই জমা হয়। এর ফলে এলাকার পরিবেশ নষ্টসহ ড্রেনেজ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে গেছে।জানাগেছে- সড়ক ও জনপদ (সওজ) এর অধীনে হওয়া বিশ্ব রোড এলাকার প্রধান সড়কের দু'পাশের ড্রেনেজ ব্যবস্থা সংস্কার না করায় ড্রেন দুটি আর দৃশ্যমান নয় । এদিকে কচুয়া পৌরসভা কর্তৃপক্ষ একই সড়কে ভিন্ন ড্রেনেজ ব্যবস্থা চালু করলেও কার্যত সেগুলো অচল রয়েছে। সময়ে সময়ে এগুলো পরিষ্কার না করায় ড্রেন চোখে পরলেও ময়লা অপসারণ হচ্ছে না । এতে করে সরকারের দেয়া জনকল্যাণকর এ প্রকল্পের লক্ষ লক্ষ টাকার কাজ জনগণের কোন কাজে আসছে না। প্রকাশ :কচুয়া উপজেলার সাড়ে চার লক্ষ বাসিন্দার ঢাকা মুখী একমাত্র বাসস্ট্যান্ড এই বিশ্ব রোড এলাকায়। এছাড়াও হাজীগঞ্জ-চাঁদপুর বা কুমিল্লায় যাতায়াতকারী পথচারীরাও এ সড়কটি ব্যবহার করে থাকেন। এ সড়কের ন্যায় কচুয়া পৌরসভার অধীনে স্থাপনকরা বেশিরভাগ ড্রেনেজ ব্যবস্থাই অচল রয়েছে। জানতে চাইলে কচুয়া পৌরসভাধীন বিশ্বরোড এলাকার বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ রুবেল মৃধা জানিয়েছেন -কিছুদিন পূর্বে বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) ব্র্যাক এর সহযোগিতায় ড্রেনগুলো পরিষ্কার করা হয়েছিল।কিন্তু অতি বৃষ্টির কারণে আবার ড্রেনগুলো ভরাট হয়ে যায়।
সম্পাদক ও প্রকাশক: কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত মুক্তির লড়াই