প্রিন্ট এর তারিখ : ২১ জুন ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুন ২০২৬
রাষ্ট্রের অখণ্ডতা নিয়ে ছিনিমিনি বরদাশত করা হবে না: সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অবিলম্বে আইনি ব্যবস্থা চাই
শাহিন আলম আশিক, , বিশেষ প্রতিনিধি ||
একটি স্বাধীন, একক ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র হিসেবে বাংলাদেশের মানচিত্র আমাদের লাখো শহীদের রক্তে ভেজা এক পবিত্র আমানত। অথচ অত্যন্ত উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, সম্প্রতি অ্যাডভোকেট চৈতালী নামের এক ব্যক্তি দেশের ভেতর 'আলাদা বা স্বতন্ত্র প্রদেশ' গঠনের মতো একটি চরম উস্কানিমূলক ও রাষ্ট্রবিরোধী দাবি তুলেছেন। একটি অখণ্ড রাষ্ট্রের ভেতর ধর্মীয় বিভাজনের ভিত্তিতে পৃথক প্রদেশের এই ধৃষ্টতাপূর্ণ 'হুঁশিয়ারি' সরাসরি বাংলাদেশের সংবিধান, জাতীয় অখণ্ডতা এবং সার্বভৌমত্বের ওপর এক নগ্ন আঘাত।প্রথমত, বাংলাদেশের সংবিধানের ১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এই দেশ একটি একক ও অবিভাজ্য রাষ্ট্র। ফলে, দেশের অভ্যন্তরে যেকোনো ধরনের বিচ্ছিন্নতাবাদী মনোভাব বা আলাদা অঞ্চলের দাবি তোলা স্পষ্টতই প্রচলিত আইনের পরিপন্থী এবং সরাসরি রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল। এই ধরনের উস্কানিমূলক বক্তব্য কেবল দেশের অভ্যন্তরীণ শান্তি ও সম্প্রীতিকেই বিনষ্ট করে না, বরং এর পেছনে গভীর কোনো ভীনদেশী ষড়যন্ত্রের নীলনকশা রয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়। বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার কোনো অপচেষ্টাই এদেশের দেশপ্রেমিক জনগণ কোনোদিন সফল হতে দেবে না।আমরা এই চরম দায়িত্বজ্ঞানহীন ও রাষ্ট্রবিরোধী বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করছি। একই সাথে, দেশের কোটি মানুষের অনুভূতিতে আঘাত হানা এবং রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা হুমকির মুখে ফেলার অপরাধে উক্ত ব্যক্তিকে অনতিবিলম্বে প্রকাশ্যে দেশবাসীর কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।অন্যথায়, দেশের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখতে সরকারের প্রতি আমাদের জোর দাবি—আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যেন এই ধৃষ্টতার বিরুদ্ধে কঠোর সুয়োমোটো (স্বপ্রণোদিত) পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় অবিলম্বে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা দায়ের করে আসামিকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনে। রাষ্ট্রের প্রশ্নে কোনো আপস হতে পারে না;অনতিবিলম্বে এই রাষ্ট্রবিরোধী প্রচারণার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
সম্পাদক ও প্রকাশক: কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত মুক্তির লড়াই