প্রিন্ট এর তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬
মৃত ব্যক্তির পরিচয়ে ফেক আইডি! অপপ্রচার ও লাইভ বিতর্কে উত্তাল নরোত্তমপুর
মো: আজিম মিঞা , ক্রাইম রিপোর্টার ||
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার নরোত্তমপুর ইউনিয়নে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সামনে এসেছে। মৃত ব্যক্তির নাম-পরিচয় ও ছবি ব্যবহার করে ফেসবুক আইডি পরিচালনা, ধারাবাহিক লাইভ সম্প্রচার এবং সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার অভিযোগে এলাকাজুড়ে তীব্র আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।অভিযোগ উঠেছে, কবরের ওপর স্থাপনা নির্মাণ, সুদ, মাদক এবং বিভিন্ন সামাজিক অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অবস্থান নেওয়ার পর থেকেই “প্রতিবাদী কণ্ঠ”-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোঃ আজিম মিঞাকে লক্ষ্য করে একটি মহল ধারাবাহিক অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। অভিযোগকারীদের দাবি, প্রকৃত ঘটনাগুলো আড়াল করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি এবং সামাজিকভাবে বিতর্কিত করার উদ্দেশ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।এদিকে, নরোত্তমপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ইসমাইল হোসেন মোহনের বিরুদ্ধে মৃত ব্যক্তির পরিচয় ব্যবহার করে ফেসবুক আইডি পরিচালনার অভিযোগও সামনে এসেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, মোঃ আজিম মিঞার মৃত পিতার নাম ও ছবি ব্যবহার করে পরিচালিত ওই আইডি থেকে দীর্ঘদিন ধরে ব্যক্তি ও পরিবারকে জড়িয়ে বিভিন্ন মন্তব্য, অভিযোগ এবং লাইভ সম্প্রচার করা হচ্ছে।ভুক্তভোগী মোঃ আজিম মিঞা বলেন, “একজন মৃত মানুষের পরিচয় ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালানো শুধু আমার পরিবারের বিরুদ্ধে নয়, এটি নৈতিকতা ও আইনেরও প্রশ্ন। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আমরা সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার চাই।”স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, মৃত ব্যক্তির পরিচয় ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তারা দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং প্রয়োজনে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক কৌতূহল ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। এখন সবার নজর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপের দিকে।(বিঃদ্রঃ এই প্রতিবেদনে উল্লেখিত তথ্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অভিযোগ ও বক্তব্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।)
সম্পাদক ও প্রকাশক: কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত মুক্তির লড়াই