প্রিন্ট এর তারিখ : ২৮ জুন ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুন ২০২৬
২০ বছর আগে মৃত ব্যক্তির নামে ফেসবুক আইডি! নরোত্তমপুরে অপপ্রচারের অভিযোগে তোলপাড়, তদন্তের দাবি
স্টাফ রিপোর্টার ||
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার ১০ নম্বর নরোত্তমপুর ইউনিয়নে প্রায় ২০ বছর আগে মৃত্যুবরণ করা এক ব্যক্তির নাম ও ছবি ব্যবহার করে একটি কথিত ফেসবুক আইডি পরিচালনার অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে তীব্র আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে বিস্ময়, উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।অভিযোগ অনুযায়ী, ওই আইডিতে প্রতিবাদী কণ্ঠের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোহাম্মদ আজিম মিঞার পিতা মরহুম আবুল হাসেম মিঞার পরিচয় ব্যবহার করা হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে ওই আইডি থেকে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ঘিরে বিভ্রান্তিকর পোস্ট এবং বক্তব্য প্রকাশ করা হচ্ছে।স্থানীয় সূত্রের ভাষ্যমতে, মরহুম বকশি মিঞার কবরের ওপর ভবন নির্মাণের অভিযোগ নিয়ে একটি সংবাদ প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার আরও বেড়ে যায়। অভিযোগ রয়েছে, একাধিক ফেক আইডির মাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে গুজব, কটূক্তি ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। একই সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে ব্যঙ্গাত্মক ও আপত্তিকর ছবি তৈরি ও প্রচারের অভিযোগও উঠেছে।আরও অভিযোগ রয়েছে, মৃত ব্যক্তির নামে পরিচালিত ওই কথিত আইডি থেকে স্থানীয় একটি জামে মসজিদের সভাপতির বক্তব্যও প্রকাশ করা হয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে—যদি প্রকৃত অ্যাকাউন্টধারী বহু বছর আগেই মৃত্যুবরণ করে থাকেন, তাহলে তার নামে পরিচালিত আইডির নিয়ন্ত্রণে কারা রয়েছে?এলাকাবাসীর একাংশের মতে, মৃত ব্যক্তির পরিচয় ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা শুধু নৈতিকতার পরিপন্থী নয়, বরং এটি জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে। তারা বিষয়টির প্রযুক্তিগত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত পরিচালনাকারীদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।সচেতন মহলের অভিমত, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে অপপ্রচার বা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার ব্যক্তি, পরিবার ও প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন করতে পারে। তাই এ ধরনের অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।এ বিষয়ে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে, তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে। সংবাদমাধ্যম হিসেবে সকল পক্ষের বক্তব্য প্রকাশের নীতিতে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ।
সম্পাদক ও প্রকাশক: কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত মুক্তির লড়াই