প্রিন্ট এর তারিখ : ০৭ আগস্ট ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৬ আগস্ট ২০২৬
হিরোশিমা বার্ষিকীতে শান্তি, ইতিহাস ও পারমাণবিক অপ্রসারণের বার্তা
আন্তর্জাতিক: ||
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন চিয়েন আজ (বৃহস্পতিবার) বেইজিংয়ে এক নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে হিরোশিমা পারমাণবিক বোমা হামলার ৮১তম বার্ষিকীতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন।মুখপাত্র বলেন, পারমাণবিক অস্ত্র দ্বারা সৃষ্ট বিপর্যয় এবং ট্র্যাজেডির পুনরাবৃত্তি করা উচিত নয়। পারমাণবিক বিস্ফোরণের নির্দিষ্ট পটভূমি নিয়ে আত্মজিজ্ঞাসা করা উচিত এবং মনে রাখা উচিত। জাপানি সামরিকবাদের আগ্রাসন এবং সম্প্রসারণের পাঠ অবশ্যই শিখতে হবে। দীর্ঘদিন ধরে, জাপানের ডানপন্থী বাহিনী ঐতিহাসিক তথ্যকে মিথ্যা প্রমাণ করেছে, রাজনৈতিকভাবে আন্তর্জাতিক সহানুভূতি অর্জনের জন্য ‘পারমাণবিক বোমার শিকার’ পরিচয়ের লেবেল ব্যবহার করেছে এবং প্রতিবেশী দেশগুলোতে জাপানের আগ্রাসনকে ইচ্ছাকৃতভাবে হ্রাস করেছে, নিজেকে আগ্রাসনের অপরাধ থেকে মুক্তি দেওয়ার প্রয়াস চালাচ্ছে।আরও বিদ্রুপের বিষয় হল যে, জাপানের শাসক সম্প্রতি তাদের সামরিক বাহিনী গড়ে তোলা এবং তাদের সশস্ত্র বাহিনীকে প্রসারিত করার চেষ্টা করছে, জাপানের জন্য পারমাণবিক সুরক্ষা জোরদার করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে খুঁজছে এবং ‘তিনটি অ-পারমাণবিক নীতি’ ভঙ্গ করার চেষ্টা করছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এমনকি স্বাধীন পারমাণবিক অধিকারের জন্য দাবি করেছেন, ‘পুনর্সামরিকীকরণ’-এর জন্য তাদের উচ্চাকাঙ্ক্ষার গোপনীয়তা রাখেনি। এই দ্বৈত আচরণ সারা বিশ্বের শান্তিকামী মানুষের জন্য একটি উস্কানি এবং ঐতিহাসিক ন্যায়বিচারের বিরুদ্ধে একটি ব্লাসফেমি।এই বছর টোকিও ট্রায়াল চালুর ৮০তম বার্ষিকী। ইতিহাসের বিচার এখনো শেষ হয়নি। জাপানের উচিত ইতিহাসের আতঙ্কে থাকা, আন্তর্জাতিক সমাজের উদ্বেগের মুখোমুখি হওয়া, পারমাণবিক অস্ত্রের অপ্রসারণের আন্তর্জাতিক আইনি বাধ্যবাধকতা আন্তরিকতার সঙ্গে পূরণ করা এবং আবার ইতিহাসের অন্ধকারে যাওয়া এড়ানো উচিত বলে মুখপাত্র জোর দেন।সূত্র: লিলি-তৌহিদ-স্বর্ণা, চায়না মিডিয়া গ্রুপ।
সম্পাদক ও প্রকাশক: কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত মুক্তির লড়াই