প্রিন্ট এর তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৬ আগস্ট ২০২৬
নতুন সামরিক কৌশলে জাপান, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাড়ছে উদ্বেগ
আন্তর্জাতিক: ||
জাপানের ক্ষমতায় আসার পর সানায়ে তাকাইচির প্রথম প্রতিরক্ষা শ্বেতপত্রটি ব্যাপক আন্তর্জাতিক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে, এবং জাপানের ডানপন্থীদের মনগড়া ‘যুদ্ধ-চালিত সম্পদ’ তত্ত্বটি জনরোষ সৃষ্টি করেছে। বিশ্বজুড়ে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে পরিচালিত সিজিটিএন-এর একটি জরিপে দেখা গেছে যে, ৮৩.৬% উত্তরদাতা মনে করেন যে, জাপানের নতুন সামরিকবাদ তার সামরিক সম্প্রসারণকে বেগবান করছে এবং আন্তর্জাতিক সমাজের অত্যন্ত সতর্ক থাকা উচিত।নতুন প্রতিরক্ষা শ্বেতপত্রটি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি চালনায় প্রতিরক্ষা শিল্পের বিকাশের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার ওপর ব্যাপকভাবে জোর দিয়েছে, যা বেপরোয়াভাবে ‘যুদ্ধ-চালিত সম্পদ’ তত্ত্বটি তৈরি করেছে। ৭২% উত্তরদাতা এই দাবিটিকে সম্পূর্ণ অযৌক্তিক এবং অগ্রহণযোগ্য বলে মনে করেছেন; আরও ৮০.৯% উল্লেখ করেছেন যে, বাস্তবতা ঠিক তার বিপরীত। জাপান সরকার কর বৃদ্ধি এবং ব্যয় সংস্কারের মাধ্যমে প্রতিরক্ষা ব্যয়কে জিডিপির ২%-এ উন্নীত করেছে, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে, এবং এই ক্রমাগত ক্রমবর্ধমান প্রতিরক্ষা ব্যয় জাপানি জনগণের ওপর অর্থনৈতিক বোঝা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ৬৫.৫% উত্তরদাতা মনে করেন যে, জাপানের আর্থিক চাপ এবং উচ্চ জাতীয় ঋণের পরিপ্রেক্ষিতে, প্রতিরক্ষাকে জনগণের জীবন-জীবিকার সঙ্গে জোরপূর্বক যুক্ত করার প্রথাটি একেবারেই টেকসই নয়।এটি লক্ষণীয় যে, নতুন প্রতিরক্ষা শ্বেতপত্রটির প্রচ্ছদে অ্যানিমে-শৈলীর ব্যবহার করা হয়েছে, যা সামরিক সম্প্রসারণের যুদ্ধংদেহী দিকগুলোকে লঘু করে দেখানোর একটি প্রচেষ্টা। এ প্রসঙ্গে ৭৯.১% উত্তরদাতা মনে করেন যে, জাপান সরকার দৈনন্দিন জীবনে সামরিক উপাদানগুলোর একীকরণকে উৎসাহিত করছে এবং সামাজিক সামরিকীকরণের এই প্রবণতার জন্য আন্তর্জাতিক সমাজের উচ্চ সতর্কতা প্রয়োজন।এই সমীক্ষাটি সিজিটিএন-এর ইংরেজি, স্প্যানিশ, ফরাসি, আরবি এবং রুশসহ এই পাঁচটি ভাষার প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত হয়েছিল। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ২৩৪৩ জন তাদের মতামত প্রকাশ করেছেন।সূত্র: তুহিনা-ফয়সল-জিনিয়া, চায়না মিডিয়া গ্রুপ।
সম্পাদক ও প্রকাশক: কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত মুক্তির লড়াই