প্রিন্ট এর তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬
কুমিল্লায় ট্রেনে কাটা পড়ে দাদী-নাতনির মর্মান্তিক মৃত্যু
সৌরভ মাহমুদ হারুন ||
কুমিল্লায় রেললাইন পার হওয়ার সময় সুবর্ণ এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে দাদী ও নাতনির মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটের দিকে কুমিল্লা রেলস্টেশনের উত্তর পাশে শাসনগাছা রেলগেট এলাকায় এ হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনা ঘটে।নিহতরা হলেন—কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার উত্তরপাড়া এলাকার মৃত মিজানুর রহমানের স্ত্রী জোসনা বেগম (৬০) এবং তাঁর নাতনি চাঁদনী আক্তার (১৪)। চাঁদনী জাহাঙ্গীর আলমের মেয়ে।নিহতদের স্বজন জোহরা আক্তার জানান, মঙ্গলবার সকালে জোসনা বেগম তাঁর নাতনি চাঁদনী আক্তারকে সঙ্গে নিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান। চিকিৎসা শেষে সন্ধ্যায় বাড়ি ফেরার পথে শাসনগাছা রেলগেট এলাকায় রেললাইন পার হওয়ার সময় ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী সুবর্ণ এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলেই দুজনের মৃত্যু হয়। মুহূর্তেই তাদের স্বপ্ন আর ফেরার পথ থেমে যায়, পরিবারে নেমে আসে শোকের ছায়া।নিহতদের স্বজন জোহরা আক্তার জানান, মঙ্গলবার সকালে জোসনা বেগম তাঁর নাতনি চাঁদনী আক্তারকে সঙ্গে নিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান। চিকিৎসা শেষে সন্ধ্যায় বাড়ি ফেরার পথে শাসনগাছা রেলগেট এলাকায় রেললাইন পার হওয়ার সময় ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী সুবর্ণ এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলেই দুজনের মৃত্যু হয়। মুহূর্তেই তাদের স্বপ্ন আর ফেরার পথ থেমে যায়, পরিবারে নেমে আসে শোকের ছায়া—একসাথে দাদী-নাতনির এমন বিদায় যেন কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না স্বজনরা।খবর পেয়ে কুমিল্লা রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই মামুনুর রশীদ সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান। পরে রেললাইন থেকে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ ফাঁড়িতে নেওয়া হয়। খবর পেয়ে সিআইডির একটি দলও ঘটনাস্থলে যায়।কুমিল্লা রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই মামুনুর রশীদ জানান, নিহত জোসনা বেগম ও চাঁদনী আক্তার পরস্পরের আত্মীয়। স্বজন জোহরা বেগম পুলিশ ফাঁড়িতে এসে মরদেহ দুটির পরিচয় শনাক্ত করেন। তিনি আরও জানান, মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।এই নির্মম দুর্ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। একসাথে দাদী-নাতনির এমন মৃত্যু কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না স্বজন ও স্থানীয়রা।এই নির্মম দুর্ঘটনায় এলাকায় নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। দাদী-নাতনির একসাথে এমন করুণ মৃত্যুতে স্তব্ধ পুরো গ্রাম, শোকাহত স্বজন ও স্থানীয়রা।
সম্পাদক ও প্রকাশক: কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত মুক্তির লড়াই