প্রিন্ট এর তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬
চীন-মার্কিন জনগণের বন্ধুত্ব আরও গভীর হওয়ার প্রত্যাশা
আন্তর্জাতিক: ||
২৫ আগস্ট রোববার সন্ধ্যায় চীনের ইনার মঙ্গোলিয়ার ওরদোস শহরের এজিন হোরো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বহু দূর থেকে আগত মার্কিন বন্ধু রোনাল্ড সাকোলস্কি, মরুকরণের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের চীনা বীরাঙ্গনা ইয়িন ইউ চেনকে অশ্রুসিক্ত নয়নে আলিঙ্গন করেন। ২০ বছরেরও বেশি সময় পরে দু’জনের এই পুনর্মিলনের দৃশ্যটি মুহূর্তেই অনলাইনে ভাইরাল হয়ে যায়।১৯৯৯ সালে চীনে শিক্ষকতারত মার্কিন শিক্ষক রোনাল্ড মরুভূমিতে মরুকরণ নিয়ন্ত্রণ ও বনায়নের কাজে নিজেকে উৎসর্গ করা ইন ইউ চেনের গল্পে অনুপ্রাণিত হন। তিনি চেনের কাজে সাহায্য করার জন্য ৫ হাজার মার্কিন ডলার সংগ্রহ করেন। বর্তমানে এই অনুদান দিয়ে কেনা চারাগাছগুলো বেড়ে ৫০ হাজারেরও বেশি বড় গাছে পরিণত হয়েছে। গত মে মাসে ইন ইউ চেন ইন্টারনেটে ভিডিও পোস্টের মাধ্যমে তাঁর মার্কিন বন্ধুকে খুঁজে পান, যার সঙ্গে তাঁর বহু বছর ধরে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল। প্রশান্ত মহাসাগরকে অতিক্রমকারী এই বন্ধুত্ব চীনা ও মার্কিন জনগণের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ আদান-প্রদানের এক জীবন্ত ক্ষুদ্র প্রতিচ্ছবিতে পরিণত হয়েছে।এটি আবারও প্রমাণ করে যে, জনগণের মধ্যে আদান-প্রদান হলো চীন-মার্কিন সম্পর্কের ভিত্তি। চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা জনগণেরই ইচ্ছা। গত এপ্রিলে পিউ রিসার্চ সেন্টারের প্রকাশিত একটি জরিপে বলা হয়, গত তিন বছরে চীন সম্পর্কে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি পোষণকারী আমেরিকানদের সংখ্যা ‘প্রায় দ্বিগুণ’ হয়েছে। আগস্টে শিকাগো কাউন্সিল অন গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কর্তৃক প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে দেখা গেছে যে, জেনারেশন জেড-এর ৫৯ এবং মিলেনিয়ালদের ৫৮ শতাংশ চীনের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে সমর্থন করে।চলতি বছরের মে মাসে চীন ও মার্কিন নেতারা বেইজিংয়ে মিলিত হয়ে ‘চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি গঠনমূলক কৌশলগত ও স্থিতিশীল সম্পর্ক’ গড়ে তোলার নতুন অবস্থান গ্রহণ করেন, যা আগামী তিন বছর ও তারও বেশি সময়ের জন্য দু’দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে কৌশলগত দিকনির্দেশনা প্রদান করবে। আশা করা যায়, দু’দেশের জনগণের মৈত্রী আরও গভীর হবে।
সূত্র: ছাই-আলিম-ওয়াং হাইমান,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।
সম্পাদক ও প্রকাশক: কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত মুক্তির লড়াই