প্রিন্ট এর তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চাঁদপুর কচুয়ায় জন্মদাতা বাবার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্য প্রণোদিত অপপ্রচারের অভিযোগ
মো: মাঈন উদ্দিন মুন্সি , চাঁদপুর প্রতিনিধি ||
কচুয়া উপজেলার কাপিলা বাড়ি মিয়াজি বাড়ির কারী আব্দুল মমিনের বিরুদ্ধে তার মেয়ে আসমা বেগম বিভিন্নভাবে ধরনের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কুৎসা ও অপপ্রচার চালিয়ে সম্মানহানি করেছেন এবং অভিযোগ পাওয়া গেছে এই ঘটনার অতিষ্ঠ হয়ে ক্বারী আব্দুল মমিন তার মেয়ে আসমা বেগম ও জামাতা গোলাম মোস্তফার বিরুদ্ধে কচুয়া থানায় এজাহার দায়ের করেছেন বলে জানা গেছে এজার সূত্রে জানা যায় ক্বারী আব্দুল মোমেন তার মেয়ে আসমা বেগমকে পার্শ্ববর্তী বাড়ির গোলাম মোস্তফার সঙ্গে বিয়ে দেন বিয়ের পর আসমা প্রায়ই বাবার বাড়িতে এসে তার ভাই ওসমানের স্ত্রী তামান্না আক্তারের সঙ্গে পারিবারিক ও অভিযুক্ত আছমার বাবা বেঁচে থাকতেই ১২ শতাংশ জায়গা মেয়ের নামে লিখে দেওয়ার জন্য এমনকি বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ঝগড়া বিবাদে জড়িয়ে পড়তেন। বলে আজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে ।পূর্বের মতো আবারও পূর্বপরিকল্পিতভাবে অভিযুক্ত আসমা বেগম এবং তার স্বামী বাবা আব্দুল মমিন কে হত্যার অসৎ উদ্দেশ্যে মারধর করিলে ও ঘরের বিভিন্ন আসবাবপত্র জোরপূর্বক নিয়ে গেলে বিগত ১/৯/২০২৬ তারিখে বিজ্ঞ আমলি আদালত কচুয়া চাঁদপুরের মধ্যে একটি মোকাদ্দমা দায়ের করেন অভিযুক্ত আসমার বাবা আব্দুল মমিন কারি যাহার নং সি আর ৭৭২/২০২৬ ।ঘটনাটি নিয়ে এলাকার একাধিক ধার সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় স্থানীয় বাসিন্দা ও শালীর বৈঠকে উপস্থিত আব্দুল মজিদ ও সবুজের দাবি আসমা গ্রামবাসীর সালিশের সিদ্ধান্তে মেনে না নিয়ে বিষয়টিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে তার বাবা ক্বারী আব্দুল হান্নানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছেন কারী আব্দুল মুমিনের ছেলে ওসমান অভিযোগ করে বলেন আমার বোন আসমা বরাবরই আমার সংসারের অশান্তি সৃষ্টির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ বিষয়ে কারী আব্দুল হান্নান জানান পারিবারিক ও বাবা বেঁচে থাকতে অযৌক্তিক সম্পত্তি দাবি গত বিরোধকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে অভিযুক্ত আসমা ও তার স্বামী আমার পরিবারের সদস্যদের নানা হয়রানী শিকার হচ্ছেন। পরিস্থিতি অসহনীয় হয়ে পড়া তিনি আইনগত প্রতিকার চেয়ে কচুয়া থানায় আজাহার দায়ের করেছেন পূর্বে। বর্তমানে বিজ্ঞ আদালতে মামলা চলমান। এলাকাবাসী ও পরিবারের সদস্যরা প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে প্রকৃত ঘটনা এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক: কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত মুক্তির লড়াই