ঢাকা ০১:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মার্চ ২০২৪, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo বিগত দশ বছরে, চীনের নেটওয়ার্ক অবকাঠামোর অনেক উন্নতি হয়েছে Logo দৈনিক মুক্তির লড়াই পত্রিকার চতুর্থ বর্ষে পদার্পন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo ক্ষুদ্রচাকশ্রী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত Logo বরগুনা প্রেসক্লাবে হামলার ঘটনায় মামলা, পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ Logo সরাইলে নদীর মাটি যাচ্ছে ইট ভাটায়, হুমকির মুখে ফসলি জমি Logo চীন বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক উন্নয়ন বাড়াতে চায়;চীনা বাণিজ্য মন্ত্রী Logo চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ২০২৪ সালকে ‘ভোগ বৃদ্ধির বছর’ হিসাবে মনোনীত করে Logo শাজাহান শিকদার সম্পাদনিত ‘সম্মিলিত কবিতার বই-৪’ এর মোড়ক উম্মোচন Logo নওগাঁয় ৭২ কেজি গাঁজাসহ মাদক এক ব্যবসায়ী আটক Logo ফুলবাড়ীতে কুকুরের কামড়ে ৮টি ছাগলের মৃত্যু
সাহায্যের আবেদন

অর্থের অভাবে চিকিৎসা ও দু’বেলা খাবার জোটেনা জোসনা বিশ্বাসের

অতনু চৌধুরী (রাজু), বাগেরহাট

অর্থের অভাবে চিকিৎসা ও দু’বেলা – দু’মুঠো ভাত খেতে পারছেন না মোংলা উপজেলার সুন্দরবন ইউনিয়নের ২’নং ওয়ার্ডে বুড়বুড়িয়া গ্রামের জোসনা বিশ্বাস (৭০) নামের এক দরিদ্র, নিরুপায় মহিলা। সকলের কাছে সাহায্যের আবেদন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দুই ছেলে ও চার মেয়ে’কে বিয়ে দিয়ে পরিবারের একমাত্র উপার্জন কারি ব্যক্তি ছিলেন জোসনা বিশ্বাস। গত তিন বছর ধরে তার শরীরে বিভিন্ন রোগে বাসা বাঁধেন। মোংলার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হয়। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি ছিলেন, অর্থ না থাকায় বাড়িতে আসতে বাধ্য হয়। অর্থের অভাবে ভালো উন্নত কোন চিকিৎসা ও দু’বেলা দু’মুঠো ভাত খেতে পারছেন না। তিনি বর্তমানে না খেয়ে বা অসুস্থ অবস্থায় একটি কুঁড়েঘরে বসবাস করছেন।

এ বিষয়ে দরিদ্র, নিরুপায় জোসনা বিশ্বাসের মেয়ে কাকলী’র কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার বিবাহ হয়ে গেছে আমার স্বামী অন্যের জমিতে কাজ করে কোনো রকম সংসার চালান। আমার কিছুই করার নাই বললেই চলে। হাতে খাটে – পেটে খায়, এমন অবস্থা আমাদের। মাঝে মধ্যে আমি আমার মা’কে দেখার জন্য যাই এবং আমার যতটুকু সম্ভব আমার মা’কে সাহায্য করি।

তিনি আরও বলেন, আমরা ছয় ভাই বোন, আমার বড় দুই ভাই তাদের জায়গা – জমি বিক্রয় করে দিয়ে কোথায় যেন চলে গেছে তাদের খোঁজখবর নেই। আমার বড় দুই বোনের অনেক দূরে বিবাহ হয়েছেন তাঁরাও মা’কে দেখতে আসেন না।আমার পরিবারটি একেবারেই গরিব-অসহায় এমন অবস্থায় আমার মার জন্য করার কিছু নাই।

এ বিষয়ে স্থানীয় এলাকাবাসীর কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন, জোসনা বিশ্বাস ছাড়া তার পরিবারে এখন কেউ না-ই বললেই চলে এবং তিনি গরিব-অসহায়। তার অর্থ সম্পদ কিছুই না-ই বললেই চলে। আমাদের কাছে প্রতিনিয়ত আসেন কিছু আর্থিক সাহায্যের জন্য। কিন্তু আমাদের করনীয় তেমন কিছু নেই। তাই এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে তার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’সহ বিভিন্ন মানবিক অঙ্গ – সংগঠনের নেতৃবৃন্দের কাছে জোসনা বিশ্বাসের জন্য সহযোগীতা কামনা করেন।

দরিদ্র, নিরুপায় জোসনা বিশ্বাস’কে সাহায্য পাঠানোর জন্য সরাসরি তার নিজস্ব ঠিকানায় গিয়ে তাকে সাহায্য দিতে পারেন অথবা নিচের নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন (পার্সোনাল) বিকাশ, +88019-856-40712

আপলোডকারীর তথ্য

বিগত দশ বছরে, চীনের নেটওয়ার্ক অবকাঠামোর অনেক উন্নতি হয়েছে

সাহায্যের আবেদন

অর্থের অভাবে চিকিৎসা ও দু’বেলা খাবার জোটেনা জোসনা বিশ্বাসের

আপডেট সময় ১০:৩৯:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৩

অতনু চৌধুরী (রাজু), বাগেরহাট

অর্থের অভাবে চিকিৎসা ও দু’বেলা – দু’মুঠো ভাত খেতে পারছেন না মোংলা উপজেলার সুন্দরবন ইউনিয়নের ২’নং ওয়ার্ডে বুড়বুড়িয়া গ্রামের জোসনা বিশ্বাস (৭০) নামের এক দরিদ্র, নিরুপায় মহিলা। সকলের কাছে সাহায্যের আবেদন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দুই ছেলে ও চার মেয়ে’কে বিয়ে দিয়ে পরিবারের একমাত্র উপার্জন কারি ব্যক্তি ছিলেন জোসনা বিশ্বাস। গত তিন বছর ধরে তার শরীরে বিভিন্ন রোগে বাসা বাঁধেন। মোংলার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হয়। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি ছিলেন, অর্থ না থাকায় বাড়িতে আসতে বাধ্য হয়। অর্থের অভাবে ভালো উন্নত কোন চিকিৎসা ও দু’বেলা দু’মুঠো ভাত খেতে পারছেন না। তিনি বর্তমানে না খেয়ে বা অসুস্থ অবস্থায় একটি কুঁড়েঘরে বসবাস করছেন।

এ বিষয়ে দরিদ্র, নিরুপায় জোসনা বিশ্বাসের মেয়ে কাকলী’র কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার বিবাহ হয়ে গেছে আমার স্বামী অন্যের জমিতে কাজ করে কোনো রকম সংসার চালান। আমার কিছুই করার নাই বললেই চলে। হাতে খাটে – পেটে খায়, এমন অবস্থা আমাদের। মাঝে মধ্যে আমি আমার মা’কে দেখার জন্য যাই এবং আমার যতটুকু সম্ভব আমার মা’কে সাহায্য করি।

তিনি আরও বলেন, আমরা ছয় ভাই বোন, আমার বড় দুই ভাই তাদের জায়গা – জমি বিক্রয় করে দিয়ে কোথায় যেন চলে গেছে তাদের খোঁজখবর নেই। আমার বড় দুই বোনের অনেক দূরে বিবাহ হয়েছেন তাঁরাও মা’কে দেখতে আসেন না।আমার পরিবারটি একেবারেই গরিব-অসহায় এমন অবস্থায় আমার মার জন্য করার কিছু নাই।

এ বিষয়ে স্থানীয় এলাকাবাসীর কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন, জোসনা বিশ্বাস ছাড়া তার পরিবারে এখন কেউ না-ই বললেই চলে এবং তিনি গরিব-অসহায়। তার অর্থ সম্পদ কিছুই না-ই বললেই চলে। আমাদের কাছে প্রতিনিয়ত আসেন কিছু আর্থিক সাহায্যের জন্য। কিন্তু আমাদের করনীয় তেমন কিছু নেই। তাই এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে তার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’সহ বিভিন্ন মানবিক অঙ্গ – সংগঠনের নেতৃবৃন্দের কাছে জোসনা বিশ্বাসের জন্য সহযোগীতা কামনা করেন।

দরিদ্র, নিরুপায় জোসনা বিশ্বাস’কে সাহায্য পাঠানোর জন্য সরাসরি তার নিজস্ব ঠিকানায় গিয়ে তাকে সাহায্য দিতে পারেন অথবা নিচের নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন (পার্সোনাল) বিকাশ, +88019-856-40712