মুক্তির লড়াই
সর্বশেষ

ঢাকায় ইউরোপীয় দেশগুলোর ভিসা সেন্টার স্থাপনে উদ্যোগ: দক্ষ জনশক্তি রপ্তানিতে নতুন দিগন্ত

দক্ষ জনশক্তি রপ্তানিকে আরও গতিশীল করতে ঢাকায় ইউরোপের কয়েকটি দেশের ভিসা সেন্টার স্থাপনের লক্ষ্যে জোরালো কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, উত্তর মেসিডোনিয়া, সার্বিয়া, পর্তুগাল ও মরিশাসসহ যেসব দেশে বাংলাদেশি দক্ষ কর্মীদের চাহিদা রয়েছে কিন্তু বাংলাদেশে তাদের কোনো ভিসা সেন্টার নেই, সেসব দেশের ভিসা সেন্টার ঢাকায় চালুর জন্য আলোচনা চলছে।বুধবার (৮ জুলাই) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে টাঙ্গাইল-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. রবিউল আওয়ালের প্রশ্নের লিখিত জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ তথ্য জানান।প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বিদেশগামী কর্মীদের ভিসা প্রক্রিয়া সহজ হবে, সময় ও খরচ কমবে এবং ইউরোপমুখী বৈধ শ্রম অভিবাসন আরও বৃদ্ধি পাবে।ইউরোপে দক্ষ কর্মীর নতুন সুযোগসরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, নির্মাণ, কৃষি, হসপিটালিটি, সেবা খাত এবং শিল্পক্ষেত্রে দক্ষ বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য ইউরোপের নতুন শ্রমবাজার উন্মুক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ভিসা সেন্টার স্থাপনের মাধ্যমে কর্মীদের তৃতীয় দেশে গিয়ে ভিসা আবেদন করার প্রয়োজন কমবে এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।মালয়েশিয়া, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও থাইল্যান্ডে জোরমধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে বিকল্প শ্রমবাজার সম্প্রসারণে সরকার মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। একই সঙ্গে থাইল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানে বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর কার্যক্রমও জোরদার করা হয়েছে।প্রধানমন্ত্রী জানান, থাইল্যান্ডের সঙ্গে কর্মী নিয়োগ-সংক্রান্ত চুক্তির চূড়ান্ত খসড়া ইতোমধ্যে দেশটির সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া মালয়েশিয়া, ওমান, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে বন্ধ বা সংকুচিত শ্রমবাজার পুনরায় সচল করতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে আলোচনা২০২৪ সালের ৩১ মে থেকে বন্ধ থাকা মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালুর বিষয়েও দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, এ বাজার চালু হলে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি কর্মীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।দূতাবাসগুলোকে বিশেষ নির্দেশনাবিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোকে স্থানীয় শ্রমবাজারের চাহিদা নিরূপণ করে জনশক্তি রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।চলতি বছরের ৫ মার্চ, ২৪ মার্চ ও ৫ এপ্রিল অনুষ্ঠিত ধারাবাহিক বৈঠকে বন্ধ শ্রমবাজার পুনরায় চালু এবং নতুন বাজার সম্প্রসারণে একাধিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।দক্ষিণ কোরিয়ায় মৌসুমি কর্মী পাঠানো শুরুদক্ষিণ কোরিয়ায় মৌসুমি কর্মী পাঠানোর জন্য দেশটির বিভিন্ন স্থানীয় সরকারের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের কার্যক্রম চলছে। ইতোমধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বোয়েসেল-এর মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে মৌসুমি কর্মী পাঠানো শুরু হয়েছে।জাপানের জন্য ‘জাপান সেল’জাপানে কর্মসংস্থান বাড়াতে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে ‘জাপান সেল’ গঠন করা হয়েছে। এই সেলের আওতায় জাপানে কর্মী প্রেরণকারী ৯৬টি সেন্ডিং অর্গানাইজেশন, ২০০টির বেশি বেসরকারি জাপানি ভাষা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং ৬০টি টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (টিটিসি) সমন্বিতভাবে কাজ করছে।সরকারের আশা, নতুন শ্রমবাজার সম্প্রসারণ, ভিসা সেন্টার স্থাপন এবং দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে বৈধ পথে বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে এবং দেশের রেমিট্যান্স আয় আরও শক্তিশালী হবে।

হামে ৯ মাসের শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

হামে আক্রান্ত হয়ে ৯ মাস বয়সী কন্যাশিশু সাউদা নুসকানের মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলার আবেদন করেছেন শিশুটির বাবা সিরাজুল ইসলাম।রোববার (৮-জুন-২৬) ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে এ আবেদন করা হয়। মামলার আবেদনে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পাশাপাশি অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূর জাহান বেগমকেও অভিযুক্ত করা হয়েছে।বাদীপক্ষের আইনজীবী তাছলিমা জাহান পপি বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করেছেন এবং মামলার আবেদনটি আদেশের জন্য অপেক্ষমাণ রেখেছেন।মামলার আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, হামে আক্রান্ত হয়ে সিরাজুল ইসলামের ৯ মাস বয়সী মেয়ে সাউদা নুসকানের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের অবহেলার কারণে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ এনে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানানো হয়েছে।এ বিষয়ে আদালতের পরবর্তী আদেশের পর মামলাটি গ্রহণ করা হবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানা যাবে।

হামে ৯ মাসের শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

শীর্ষ ১০ শিল্পগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে দেওয়ানি মামলার প্রস্তুতি, প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ার দাবি সরকারের

দেশের শীর্ষ ১০টি শিল্পগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অর্থ পাচার, কর ফাঁকি, ব্যাংক জালিয়াতি ও দুর্নীতির অভিযোগে প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ার দাবি করেছে সরকারের গঠিত যৌথ তদন্ত দল। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট শিল্পগোষ্ঠী ও তাদের শীর্ষ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আদালতে দেওয়ানি মামলা দায়েরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।তদন্তসংশ্লিষ্ট একাধিক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)-এর প্রধান ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ মামুনও জানিয়েছেন, যৌথ তদন্তে অভিযোগের প্রাথমিক ভিত্তি পাওয়া গেছে। এখন আদালতে তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপনের মাধ্যমে আইনি কার্যক্রম শুরু হবে।সরকারের তদন্তের আওতায় থাকা শিল্পগোষ্ঠীগুলো হলো— এস আলম, বেক্সিমকো, নাবিল, সামিট, ওরিয়ন, জেমকন, নাসা, বসুন্ধরা, সিকদার এবং আরামিট গ্রুপ।শুধু প্রতিষ্ঠান নয়, সংশ্লিষ্ট গ্রুপগুলোর চেয়ারম্যান, পরিচালক ও শীর্ষ কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত আর্থিক লেনদেন, সম্পদের উৎস এবং দেশ-বিদেশে থাকা সম্পদের তথ্যও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।জানা গেছে, পুরো তদন্ত কার্যক্রমে নেতৃত্ব ও সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করেছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। অনুসন্ধান পরিচালনা করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এবং দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আইনি সহায়তা দিয়েছে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়।তদন্তে প্রতিটি শিল্পগোষ্ঠীকে পৃথকভাবে মূল্যায়ন করা হয়েছে। অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইন এবং সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ-সংক্রান্ত বিধিমালা অনুসরণ করে অনুসন্ধান পরিচালিত হয়েছে। পুরো তদন্ত প্রক্রিয়ায় সর্বোচ্চ গোপনীয়তা বজায় রাখা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।সরকারি সূত্রের দাবি, তদন্তে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে ঋণ গ্রহণ, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে অবৈধ সুবিধা অর্জন, ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে সম্পদ গঠন, কর ও শুল্ক ফাঁকি এবং বৈদেশিক বাণিজ্যের আড়ালে বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হয়েছে।জানা যায়, এ বিষয়ে গত ২ ডিসেম্বর আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ বিএফআইইউকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দেয়। পরে ৬ জানুয়ারি যৌথ তদন্তের কাঠামো ও কার্যপদ্ধতি চূড়ান্ত করা হয়।অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট অধিকাংশ শিল্পগোষ্ঠীর ব্যাংক হিসাব ইতোমধ্যে জব্দ করেছে বিএফআইইউ। পাশাপাশি তাদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ, ব্যাংক ঋণ, ঋণের ব্যবহার, অর্থের প্রবাহ, ব্যবসায়িক লেনদেন এবং ঋণের প্রকৃত সুবিধাভোগীদের বিষয়েও বিস্তারিত অনুসন্ধান চালানো হয়েছে।এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সিঙ্গাপুর, কানাডা এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ একাধিক দেশে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সম্ভাব্য সম্পদের তথ্য সংগ্রহে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ পাঠানো হয়েছে।এদিকে, সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে বৈঠক শেষে অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) সভাপতি ও সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসরুর আরেফিন বলেন, যেসব ব্যাংকের মাধ্যমে অর্থ পাচারের অভিযোগ রয়েছে, সেগুলোকে বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।তিনি জানান, আন্তর্জাতিক আইনি প্রক্রিয়ায় বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ পুনরুদ্ধারে সাধারণত তিন থেকে পাঁচ বছর সময় লাগে। তবে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো আশাবাদী, আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ধাপে ধাপে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।#সূত্রের খবর।

শীর্ষ ১০ শিল্পগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে দেওয়ানি মামলার প্রস্তুতি, প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ার দাবি সরকারের
ঢাকায় ইউরোপীয় দেশগুলোর ভিসা সেন্টার স্থাপনে উদ্যোগ: দক্ষ জনশক্তি রপ্তানিতে নতুন দিগন্ত

ঢাকায় ইউরোপীয় দেশগুলোর ভিসা সেন্টার স্থাপনে উদ্যোগ: দক্ষ জনশক্তি রপ্তানিতে নতুন দিগন্ত

দক্ষ জনশক্তি রপ্তানিকে আরও গতিশীল করতে ঢাকায় ইউরোপের কয়েকটি দেশের ভিসা সেন্টার স্থাপনের লক্ষ্যে জোরালো কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, উত্তর মেসিডোনিয়া, সার্বিয়া, পর্তুগাল ও মরিশাসসহ যেসব দেশে বাংলাদেশি দক্ষ কর্মীদের চাহিদা রয়েছে কিন্তু বাংলাদেশে তাদের কোনো ভিসা সেন্টার নেই, সেসব দেশের ভিসা সেন্টার ঢাকায় চালুর জন্য আলোচনা চলছে।বুধবার (৮ জুলাই) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে টাঙ্গাইল-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. রবিউল আওয়ালের প্রশ্নের লিখিত জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ তথ্য জানান।প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বিদেশগামী কর্মীদের ভিসা প্রক্রিয়া সহজ হবে, সময় ও খরচ কমবে এবং ইউরোপমুখী বৈধ শ্রম অভিবাসন আরও বৃদ্ধি পাবে।ইউরোপে দক্ষ কর্মীর নতুন সুযোগসরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, নির্মাণ, কৃষি, হসপিটালিটি, সেবা খাত এবং শিল্পক্ষেত্রে দক্ষ বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য ইউরোপের নতুন শ্রমবাজার উন্মুক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ভিসা সেন্টার স্থাপনের মাধ্যমে কর্মীদের তৃতীয় দেশে গিয়ে ভিসা আবেদন করার প্রয়োজন কমবে এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।মালয়েশিয়া, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও থাইল্যান্ডে জোরমধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে বিকল্প শ্রমবাজার সম্প্রসারণে সরকার মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। একই সঙ্গে থাইল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানে বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর কার্যক্রমও জোরদার করা হয়েছে।প্রধানমন্ত্রী জানান, থাইল্যান্ডের সঙ্গে কর্মী নিয়োগ-সংক্রান্ত চুক্তির চূড়ান্ত খসড়া ইতোমধ্যে দেশটির সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া মালয়েশিয়া, ওমান, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে বন্ধ বা সংকুচিত শ্রমবাজার পুনরায় সচল করতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে আলোচনা২০২৪ সালের ৩১ মে থেকে বন্ধ থাকা মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালুর বিষয়েও দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, এ বাজার চালু হলে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি কর্মীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।দূতাবাসগুলোকে বিশেষ নির্দেশনাবিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোকে স্থানীয় শ্রমবাজারের চাহিদা নিরূপণ করে জনশক্তি রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।চলতি বছরের ৫ মার্চ, ২৪ মার্চ ও ৫ এপ্রিল অনুষ্ঠিত ধারাবাহিক বৈঠকে বন্ধ শ্রমবাজার পুনরায় চালু এবং নতুন বাজার সম্প্রসারণে একাধিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।দক্ষিণ কোরিয়ায় মৌসুমি কর্মী পাঠানো শুরুদক্ষিণ কোরিয়ায় মৌসুমি কর্মী পাঠানোর জন্য দেশটির বিভিন্ন স্থানীয় সরকারের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের কার্যক্রম চলছে। ইতোমধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বোয়েসেল-এর মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে মৌসুমি কর্মী পাঠানো শুরু হয়েছে।জাপানের জন্য ‘জাপান সেল’জাপানে কর্মসংস্থান বাড়াতে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে ‘জাপান সেল’ গঠন করা হয়েছে। এই সেলের আওতায় জাপানে কর্মী প্রেরণকারী ৯৬টি সেন্ডিং অর্গানাইজেশন, ২০০টির বেশি বেসরকারি জাপানি ভাষা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং ৬০টি টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (টিটিসি) সমন্বিতভাবে কাজ করছে।সরকারের আশা, নতুন শ্রমবাজার সম্প্রসারণ, ভিসা সেন্টার স্থাপন এবং দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে বৈধ পথে বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে এবং দেশের রেমিট্যান্স আয় আরও শক্তিশালী হবে।

রোবট রপ্তানিতে গতি, পাঁচ মাসে ১ কোটির বেশি ইউনিট পাঠিয়েছে চীন

এ বছর থেকে চীনের রোবট রপ্তানি দ্রুত বেড়েছে। রোবটের ধরণ দিন দিন উন্নত হয়েছে; যা বিদেশে রপ্তানির নতুন সুযোগ সৃষ্টি করেছে।চীনের শুল্ক বিভাগের পরিসংখ্যান থেকে জানা গেছে, চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে চীনের তৈরি রোবট বিশ্বের ১৫০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলে রপ্তানি করা হয়েছে, রোবটের পরিমাণ ১ কোটি ৩ লাখ ৭৭ হাজার, এর মোট মূল্য ১৯.৯৯ বিলিয়ন ইউয়ান, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং আসিয়ান দেশগুলো রপ্তানির গন্তব্য দেশ।বিভিন্ন ধরণের রোবটের মধ্যে পরিষ্কার কাজের রোবট বিক্রির পরিমাণ ১৪ বিলিয়ন ইউয়ান, যা মোট রপ্তানির ৭০ শতাংশেরও বেশি। শিল্পজাত রোবটের রপ্তানি পরিমাণ ৭০ হাজার, ‘ভিশন স্বীকৃতি ও বুদ্ধিমান অ্যালগরিদম-ভিত্তিক’ পরিবহন রোবট বিদেশে অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্পে ব্যবহার করা হয়। তা ছাড়া, বুদ্ধিমান বায়োনিক রোবট রপ্তানির সংখ্যা ৮০০০-এরও বেশি।সূত্র:সুবর্ণা-তৌহিদ-স্বর্ণা,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে: নাজমুন নাহার বেবী

​২০২৫-২৬ অর্থবছরের খরিপ-২ মৌসুমের কৃষি পুনর্বাসন ও প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় চাঁদপুরের কচুয়ায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে রোপা আমন বীজ, সার ও ফলজ চারা বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া কুমিল্লা অঞ্চলে টেকসই কৃষি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় ৮৬ জন কৃষকের মাঝে আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ করা হয়।​শুক্রবার (২৬ জুন) দুপুরে কচুয়া উপজেলা কৃষি অফিস প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বিএনপি'র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও কেন্দ্রীয় মহিলা দলের সহ-সভাপতি নাজমুন নাহার বেবী। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, বর্তমান সরকার কৃষকবান্ধব সরকার। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ও কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এই প্রণোদনা প্রকৃত কৃষকদের মাঝে সঠিকভাবে পৌঁছে দেয়ার মাধ্যমেই কচুয়াসহ সারা দেশে কৃষিখাতে সমৃদ্ধি আসবে। তিনি আরও বলেন, কৃষি উপকরণের পাশাপাশি আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে উৎপাদন বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।​উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান রাসেলের সভাপতিত্বে ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তপু আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি খায়রুল আবেদীন স্বপন, সাধারণ সম্পাদক মাসুদ এলাহী সুবাস, কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুল ইসলাম।কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, কচুয়া উপজেলার মোট ১৩শ জন কৃষককে রোপা আমন ধানের বীজ, সার এবং বিভিন্ন প্রকার ফলজ ও বনজ চারা বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি টেকসই কৃষি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় ৮৬ জন কৃষকের হাতে হ্যান্ড স্প্রে মেশিন, ফিতা পাইপ, এলএলপি, রাইস ট্রান্সপ্লান্টার (ধান কাটার যন্ত্র), ভুট্টা মাড়াই যন্ত্র, ফুট পাম্প ও ধান মাড়াই যন্ত্র তুলে দেওয়া হয়।​এ সময় উপস্থিত ছিলেন, কচুয়া উত্তর অঞ্চলের সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মিয়াজী, উপজেলা যুবদলের সভাপতি আব্দুস সালাম শান্ত, সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর নবী সুমন, ছাত্রদলের উপজেলা সাধারণ সম্পাদক সম্রাট রইসুদ্দিন চৌধুরী, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার পাটোয়ারীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় কৃষকরা।ছবি: কৃষকের মাঝে কৃষি উপকরণ বিতরন করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও কেন্দ্রীয় মহিলা দলের সহ-সভাপতি নাজমুন নাহার বেবী।

১২ জুন ২০২৬, ০৭:৩৬ পিএম
অর্থমন্ত্রী-গভর্নর
র‍্যাব-পুলিশ দিয়ে মূল্যবৃদ্ধি ঠেকানো যাবে না, বেতন বাড়লে কমবে দুর্নীতি। আপনি কি তাই মনে করেন?

অর্থমন্ত্রী-গভর্নর র‍্যাব-পুলিশ দিয়ে মূল্যবৃদ্ধি ঠেকানো যাবে না, বেতন বাড়লে কমবে দুর্নীতি। আপনি কি তাই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

কুমিল্লায় আর্জেন্টিনা সমর্থকদের হামলায় ব্রাজিল সমর্থকের মৃত্যু

কুমিল্লায় আর্জেন্টিনা সমর্থকদের হামলায় মো. শরিফুল ইসলাম (৩২) নামে এক ব্রাজিল সমর্থক নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাতে কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার দূর্গাপুর ইউনিয়নে ধনপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।কুমিল্লা কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।নিহত মো. শরিফুল ইসলাম নীলফামারীর জলঢাকার উত্তর চেরাংগার মতিউর রহমানের ছেলে। তিনি কুমিল্লা মহানগরীর ২৩নং ওয়ার্ডের মঠপুস্করনী ভাড়া থাকতেন।স্থানীয়রা জানায়, বিশ্বকাপ ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে বাগবিতণ্ডার এক পর্যায়ে আর্জেন্টিনা সমর্থক স্থানীয় বাবু ও মাইন উদ্দিন মালু ব্রাজিল সমর্থক শরিফুল ইসলামকে মারধর করেন। এতে শরিফ গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।কুমিল্লা কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, খবর পেয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আটক করতে পুলিশ চেষ্টা চলছে।

মুরাদনগরে প্রধান শিক্ষক শূন্য ৯৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে

মুরাদনগরে প্রধান শিক্ষক শূন্য ৯৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার ২০৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৯৪টিতে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। এছাড়া সহকারী শিক্ষকের ৯৩টি পদও  শূন্য । দীর্ঘদিন যাবত পদ গুলো শূন্য থাকায় পাঠদান ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে বিরূপ প্রভাব পড়ছে।উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ২০৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের অনুমোদিত পদও ২০৪টি। বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন ১১০ জন। তবে তাদের মধ্যে ৪১ জন চলতি দায়িত্বে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে অধিকাংশ বিদ্যালয়ে স্থায়ী প্রধান শিক্ষক না থাকায় পাঠদান ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনায় জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে।এদিকে উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে সহকারী শিক্ষকের অনুমোদিত পদ ১ হাজার ২৪১টি। বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন ১ হাজার ১৪৮ জন। বাকি ৯৩টি পদ শূন্য রয়েছে। শিক্ষক সংকটের কারণে অনেক বিদ্যালয়ে একাধিক শ্রেণির পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।একাধিক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জানান, প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করতে হয়। আবার দাপ্তরিক কাজে উপজেলা শিক্ষা অফিস বা বিভিন্ন সভায় অংশ নিতে হলে শ্রেণিকক্ষ ফাঁকা রেখে যেতে হয়। এতে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি অন্যান্য শিক্ষকদের ওপরও অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়।মটকিরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল করিম বলেন, “প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নিয়মিত শ্রেণিকক্ষে পাঠদানও করতে হয়। বিদ্যালয়ে শিক্ষকসংখ্যা কম থাকায় কোনো শিক্ষক ছুটিতে থাকলে বা দাপ্তরিক কাজে বাইরে গেলে পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হয়। এছাড়া সহকারী শিক্ষকের সংকটও রয়েছে। শিক্ষার মান বজায় রাখতে দ্রুত শূন্য পদগুলোতে নিয়োগ দেওয়া জরুরি।”অভিভাবকদের দাবি, শিক্ষা কার্যক্রম সচল রাখতে দ্রুত প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকের শূন্য পদ পূরণ করা হোক।এ বিষয়ে জানতে চাইলে মুরাদনগর উপজেলা ভারপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আলমগীর মোল্লা বলেন, "দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতি ও নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ থাকায় আমাদের কিছুটা বেগ পোহাতে হচ্ছে। মূলত এ নিয়ে বিভাগীয় পর্যায়ে কিছু আইনি জটিলতা বা মামলা ছিল, যা ইতিমধ্যে নিষ্পত্তি হয়েছে। শিক্ষক সংকট দূর করতে খুব শিগগিরই পদোন্নতি, নতুন নিয়োগ ও বদলি প্রক্রিয়া শুরু হতে যাচ্ছে। সাময়িক এই সংকট কাটিয়ে উঠে শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক করতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।"

গুলিস্তানে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে লাখ টাকা খোয়ালেন ব্যবসায়ী

গুলিস্তানে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে লাখ টাকা খোয়ালেন ব্যবসায়ী

রাজধানীর গুলিস্তানে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে আব্দুল আলীম (৪৭) নামের এক ব্যবসায়ী অচেতন হয়েছেন। এ সময় তার কাছে থাকা এক লাখ টাকা খোয়া গেছে বলে অভিযোগ করেছেন স্বজনরা।সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে গুলিস্তান পুলিশ বক্সের পাশ থেকে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে প্রথমে আজগর আলী হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিকেলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।আব্দুল আলীমের ভাগ্নে মোস্তফা জানান, তার মামা একটি লিফট কম্পানিতে কাজ করতেন। সম্প্রতি তিনি নিজে ব্যবসা শুরু করেন।সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর শনিরআখড়া জাপানি বাজার এলাকার বাসা থেকে ব্যাবসায়িক কাজে এক লাখ টাকা নিয়ে বের হন। পরে খবর পান, তিনি গুলিস্তান পুলিশ বক্সের পাশে অচেতন অবস্থায় পড়ে আছেন। সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, অচেতন অবস্থায় এক ব্যক্তিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।আব্দুল আলীম কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার ছোরা পুকুরিয়া গ্রামের মৃত আজমত আলীর ছেলে। বর্তমানে তিনি রাজধানীর শনিরআখড়া এলাকায় বসবাস করতেন।

অদৃশ্য কারণে আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্স সেবা বন্ধ

চরম ভোগান্তিতে রোগীরা / অদৃশ্য কারণে আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্স সেবা বন্ধ

নওগাঁর আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সরকারি অ্যাম্বুলেন্স গত ২৯ জুন ২০২৬ থেকে বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন উপজেলার রোগী ও তাদের স্বজনরা। জরুরি রোগীদের রাজশাহী, নওগাঁ, বগুড়াসহ বিভিন্ন হাসপাতালে নিতে বাধ্য হয়ে অনেকেই বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করছেন। এতে অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হওয়ায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ সৃষ্টি হয়েছে।স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সরকারি অ্যাম্বুলেন্স সেবা বন্ধ থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর কোনো বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। ফলে জরুরি রোগী স্থানান্তরে চরম সংকট তৈরি হয়েছে।এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডা. মোহাম্মদ খায়রুল আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন কারণের কথা বলেন। কখনও তিনি বরাদ্দসংক্রান্ত সমস্যার কথা উল্লেখ করেন, আবার কখনও দাবি করেন, কয়েকটি পেট্রোল পাম্প জ্বালানি সরবরাহে অপারগতা প্রকাশ করায় অ্যাম্বুলেন্সটি চালু রাখা সম্ভব হচ্ছে না। একই সঙ্গে তিনি বিষয়টি জেলা স্বাস্থ্য প্রশাসনের সঙ্গেও সংশ্লিষ্ট বলে উল্লেখ করেন।এ বিষয়ে নওগাঁর সিভিল সার্জন ডা. মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, "অ্যাম্বুলেন্স বন্ধের কারণ হিসেবে যে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে, তা সঠিক নয়। এটি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার (ইউএইচএফপিও) ব্যক্তিগত বা মনগড়া বক্তব্য।"সরকারি অ্যাম্বুলেন্সের চালক টিপু জানান, "অফিস থেকেই আমাকে গাড়ি চালাতে নিষেধ করা হয়েছে। অফিস থেকে নির্দেশ পেলেই আমি আবার অ্যাম্বুলেন্স চালাব। প্রতিদিন রোগী ও তাদের স্বজনরা আমাকে ফোন দেন। আমি সবাইকে বলি, অফিস থেকে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। শুনেছি বাজেট-সংক্রান্ত সমস্যার কারণে গাড়িটি বন্ধ রয়েছে।"সরকারি অ্যাম্বুলেন্স বন্ধ থাকায় রোগীদের জন্য বিকল্প কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না—এ প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎকার দিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা অনাগ্রহ প্রকাশ করেন। তবে তাঁর বক্তব্য সংরক্ষণ করা হয়েছে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (বড়বাবু) শাহি আলমের বক্তব্যও সংগ্রহ করা হয়েছে।এদিকে দীর্ঘদিন ধরে জরুরি এই সেবা বন্ধ থাকায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। রোগীর স্বজনরা দ্রুত অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালুর পাশাপাশি বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের ভাষ্য, জরুরি স্বাস্থ্যসেবার মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি সেবা দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

মিডল্যান্ড হাসপাতালের সেই ডা. নাজনীন জাহান লুবনাকে আদালতের তলবে

কুমিল্লায় সিজারের পর রোগীর পেটে কাপড় রেখে সেলাই / মিডল্যান্ড হাসপাতালের সেই ডা. নাজনীন জাহান লুবনাকে আদালতের তলবে

কুমিল্লায় সিজার অপারেশনের সময় এক প্রসূতি রোগীর পেটে কাপড় রেখে সেলাই করার অভিযোগে চিকিৎসক ডা. নাজনীন জাহান লুবনার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে। আদালতের নির্দেশে গঠিত তদন্ত কমিটি ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে দায়ী করে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। প্রতিবেদন পর্যালোচনার পর আদালত অভিযুক্ত চিকিৎসককে আগামী ৩ সেপ্টেম্বর ধার্য তারিখে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। আদালতের নির্দেশ অমান্য করলে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হতে পারে বলে আদালত সূত্রে জানা গেছে।মামলার বাদী মো. এনামুল হক মজুমদার অভিযোগ করেন, তাঁর মেয়ে মাকসুদা আক্তার (২৪) ২০২৫ সালের ২৯ নভেম্বর কুমিল্লা নগরীর কান্দিরপাড় এলাকার মিডল্যান্ড হাসপাতালে সিজার অপারেশন করান। ওই সময় জরায়ু অপসারণের পাশাপাশি চিকিৎসকের অবহেলায় রোগীর পেটের ভেতরে একটি কাপড় রেখে সেলাই করা হয়।অভিযোগে বলা হয়, অপারেশনের পর থেকেই মাকসুদা আক্তার তীব্র পেটব্যথা ও বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগতে থাকেন। পরে ঢাকার গ্রিন লাইফ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সিটি স্ক্যান পরীক্ষায় তাঁর শরীরে টেক্সটাইলোমা (Textiloma) শনাক্ত হয়। পরবর্তীতে ২০২৬ সালের ১৭ এপ্রিল কুমিল্লার একটি বেসরকারি হাসপাতালে পুনরায় অস্ত্রোপচার করে রোগীর পেট থেকে কাপড়টি বের করা হয়।বাদীপক্ষের দাবি, চিকিৎসা অবহেলার কারণে ভুক্তভোগীর প্রায় আট লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি এখনও শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। মামলার সঙ্গে চিকিৎসাসংক্রান্ত বিভিন্ন নথি এবং রোগীর পেট থেকে বের করা কাপড়ের ছবিও আদালতে দাখিল করা হয়েছে।ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫৩ ধারায় দায়ের করা মামলাটি কুমিল্লার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত (কগ নং-১)-এ সি.আর. ৬৭৩/২০২৬ নম্বরে নথিভুক্ত হয়। আদালত কুমিল্লার সিভিল সার্জনকে ঘটনা তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।আদালতের নির্দেশে গঠিত তদন্ত কমিটির সভাপতি ছিলেন কুমিল্লার সিভিল সার্জন ডা. আলী নূর মোহাম্মদ বশীর আহমেদ। সদস্য ছিলেন ডা. রেজা মো. সারোয়ার আকবর, ডেপুটি সিভিল সার্জন, কুমিল্লা এবং ডা. ফারিয়া জাকরিন আনসারী, মেডিকেল অফিসার, সিভিল সার্জন কার্যালয়, কুমিল্লা। তদন্ত প্রতিবেদনে চিকিৎসা অবহেলার ঘটনায় ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে দায়ী করা হয়েছে।কুমিল্লার সিভিল সার্জন ডা. আলী নূর মোহাম্মদ বশীর আহমেদ বলেন, আদালতের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হিসেবে মেনে নেওয়া হবে। তিনি বলেন, এ দায় কোনোভাবেই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এড়িয়ে যেতে পারবে না।আদালত অভিযুক্ত চিকিৎসক ডা. নাজনীন জাহান লুবনাকে পরবর্তী ধার্য তারিখে আদালতে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। নির্দেশ অমান্য করলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে আদালত সূত্রে জানা গেছে।

সিলেটে প্রতিদিন বাড়ছে হামের মৃত্যুর হার, হাসপাতালে ভর্তি ৭৯ জন

সিলেটে প্রতিদিন বাড়ছে হামের মৃত্যুর হার, হাসপাতালে ভর্তি ৭৯ জন

সিলেটে প্রতিদিন বাড়ছে হামের মৃত্যুর হার, এ রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৭৯ জন। বিশেষ করে সিলেটে হামে মৃত্যুর সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। সিলেটে নতুন করে হাম উপসর্গে আরো ১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে মৃত্যুবরণকারী ৫ বছর বয়সী শিশু আবু হুরাইরা হবিগঞ্জ  জেলার বানিয়চং উপজেলার বাসিন্দা। এনিয়ে সিলেট বিভাগে হামে ও উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৭ জনে।এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগে নতুন করে ল্যাব পরীক্ষায় কারো হাম শনাক্ত হয়নি। এই সময়ে হাম উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরো ৭৯ জন। রোববার (৫ জুলাই) এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মোঃ মাহবুবুল আলম।বিভাগীয় স্বাস্থ্য কার্যালয় সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন মোট ২৭৫ জন। চলতি বছরের ১ জানুয়ারী থেকে ৫ জুলাই পর্যন্ত সিলেট বিভাগে হামে ও উপসর্গে ৮৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে একজন ২২ বছর বয়সী নার্স এবং বাকী ৮৬ জন শিশু। এর মধ্যে ৪ জনের হাম নিশ্চিত হলেও বাকীরা উপসর্গে মারা গেছেন।মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৩৭ জন সুনামগঞ্জ জেলার, এরপর ৩১ জন সিলেটের, মৌলভীবাজারের ১১ ও হবিগঞ্জের ৮ জন রয়েছেন।এদিকে সিলেট বিভাগে এখন পর্যন্ত ৪১৮ জন ল্যাব-নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ২৩৪ জন সুনামগঞ্জ  জেলার, সিলেটের ১৩১, হবিগঞ্জের ৩৭ ও মৌলভীবাজারের ১৬ জন রয়েছেন।বর্তমানে সিলেট বিভাগে হাসপাতালে ভর্তিকৃত সন্দেহজনক ২৭৫ জন রোগীর মধ্যে- সর্বোচ্চ ১১২ জন শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে, ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৯৪, রাগীব রাবেয়া মেডিকেল হাসপাতালে ৪, মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে ১, নর্থ ইস্ট হাসপাতালে ৪, পার্কভিউ মেডিকেল হাসপাতালে ১, সিলেট লায়ন্স হাসপাতালে ৩, সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ৩০, হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ৮ ও মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ১৮ জন ভর্তি রয়েছেন।06/07/26, 15:07:15

কচুয়ায় প্রবাসী ফোরামের উদ্যোগে ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স প্রদান

কচুয়ায় প্রবাসী ফোরামের উদ্যোগে ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স প্রদান

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার সাধারণ মানুষের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। উপজেলার  বিতারা ইউনিয়ন জাতীয়তাবাদী প্রবাসী ফোরামের অর্থায়নে বিনামূল্যে  একটি অ্যাম্বুলেন্স  প্রদান  করা হয়েছে। ​শনিবার (২৭ জুন ২০২৬) বিকেলে এ উপলক্ষ্যে স্থানীয় মাঝিগাছা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এম্বুলেন্স  হস্তান্তর করা হয়। মানবিক এই মহতি উদ্যোগটির অর্থায়নে ছিলেন স্থানীয় মাঝিগাছা গ্রামের অধিবাসী  মো. কামরুজ্জামান মজুমদার (জামাল)।বিতারা ইউনিয়ন জাতীয়তাবাদী প্রবাসী ফোরামের উপদেষ্টা শাহজাহান চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সংগঠনের সহ-সভাপতি মো. তাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উক্ত হস্তান্তর অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও মহিলা কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি নাজমুন নাহার বেবী। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, প্রবাসী ভাইদের এই উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। দুর্যোগ ও জরুরি মুহূর্তে এই অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস এলাকার মানুষের চিকিৎসাসেবা প্রাপ্তিতে বড় ভূমিকা রাখবে। তিনি আরও বলেন, অত্র এলাকার অসহায় ও দুস্থ রোগীদের জরুরি প্রয়োজনে এই অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস ২৪ ঘণ্টা সেবা প্রদান করবে। স্থানীয়রা জানান, স্পেন প্রবাসী, বিতারা ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী কামরুজ্জামান মজুমদার মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে একটি অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু করেছে। এই অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে স্বল্প খরচে বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্তে রোগী পরিবহন করা যাবে। বিশেষ করে অসহায়, দরিদ্র, গর্ভবতী মা, জরুরি রোগী ও বিপদগ্রস্ত মানুষের জন্য এই সেবা হবে আশার আলো। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কচুয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. খায়রুল আবেদীন স্বপন, সাধারণ সম্পাদক মো. মাসুদ এলাহি সুভাস, সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার (কচুয়া সার্কেল)মোঃ আব্দুল হাই চৌধুরী, কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আজিজুল ইসলাম, উত্তর কচুয়া বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. ইউসুফ মিয়াজী, কচুয়া উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর আলম মজুমদার, মো. মকবুল হোসেন পাটোয়ারী এবং মো. ইউসুফ খানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা।

চাঁদপুরের  নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের নতুন বিচারক তাসনিম জোহরা

চাঁদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের নতুন বিচারক তাসনিম জোহরা

চাঁদপুরের  নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের নবনিযুক্ত বিচারক ( জেলা জজ)  হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন তাসনিম জোহরা আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেছেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের নতুন বিচারিক অভিজ্ঞতা সম্পন্ন তাসনিম জোহরা দীর্ঘ বিচারের অধিকারী একজন বিচারক তিনি। ২০১৫ সালে পদোন্নতি পেয়ে মাগুরায় যুগ্নু জেলা জলস হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ২০১৮ সালে খুলনায় যুগ্ন মহানগর দায়রা জজ আদালতে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে  পুনরায় পদোন্নতি পেয়ে ২০২০ সালে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জর্জ হন।২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে ঝালকাঠির চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। চাঁদপুরে যোগদানের আগে তিনি আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইনী কর্মকান্ডে সংযুক্ত ছিলেন। বিচারক তাসনিম  জোহরা ফরিদপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ঢাকার ভিকারুন্নিসা নুন কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে অস্ট্রেলিয়া সরকারের ব্যক্তি নিয়ে   স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক আহমদ জিয়াউর রহমানের সহধর্মিনী। চাঁদপুরের দায়িত্ব গ্রহণ এরপর তাসনিম যুহরা বলেন বিচার প্রার্থীদের দ্রুত সুস্থ নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করতে তিনি আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন। এজন্য তিনি সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন। যোগদানলগ্নে  চাঁদপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সেক্রেটারি সহ শুধু আইনজীবী রা তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ  করেন এবং ফুলেল শুভেচ্ছা  ও জানান।

অদৃশ্য কারণে আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্স সেবা বন্ধ

চরম ভোগান্তিতে রোগীরা / অদৃশ্য কারণে আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্স সেবা বন্ধ

নওগাঁর আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সরকারি অ্যাম্বুলেন্স গত ২৯ জুন ২০২৬ থেকে বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন উপজেলার রোগী ও তাদের স্বজনরা। জরুরি রোগীদের রাজশাহী, নওগাঁ, বগুড়াসহ বিভিন্ন হাসপাতালে নিতে বাধ্য হয়ে অনেকেই বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করছেন। এতে অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হওয়ায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ সৃষ্টি হয়েছে।স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সরকারি অ্যাম্বুলেন্স সেবা বন্ধ থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর কোনো বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। ফলে জরুরি রোগী স্থানান্তরে চরম সংকট তৈরি হয়েছে।এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডা. মোহাম্মদ খায়রুল আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন কারণের কথা বলেন। কখনও তিনি বরাদ্দসংক্রান্ত সমস্যার কথা উল্লেখ করেন, আবার কখনও দাবি করেন, কয়েকটি পেট্রোল পাম্প জ্বালানি সরবরাহে অপারগতা প্রকাশ করায় অ্যাম্বুলেন্সটি চালু রাখা সম্ভব হচ্ছে না। একই সঙ্গে তিনি বিষয়টি জেলা স্বাস্থ্য প্রশাসনের সঙ্গেও সংশ্লিষ্ট বলে উল্লেখ করেন।এ বিষয়ে নওগাঁর সিভিল সার্জন ডা. মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, "অ্যাম্বুলেন্স বন্ধের কারণ হিসেবে যে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে, তা সঠিক নয়। এটি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার (ইউএইচএফপিও) ব্যক্তিগত বা মনগড়া বক্তব্য।"সরকারি অ্যাম্বুলেন্সের চালক টিপু জানান, "অফিস থেকেই আমাকে গাড়ি চালাতে নিষেধ করা হয়েছে। অফিস থেকে নির্দেশ পেলেই আমি আবার অ্যাম্বুলেন্স চালাব। প্রতিদিন রোগী ও তাদের স্বজনরা আমাকে ফোন দেন। আমি সবাইকে বলি, অফিস থেকে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। শুনেছি বাজেট-সংক্রান্ত সমস্যার কারণে গাড়িটি বন্ধ রয়েছে।"সরকারি অ্যাম্বুলেন্স বন্ধ থাকায় রোগীদের জন্য বিকল্প কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না—এ প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎকার দিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা অনাগ্রহ প্রকাশ করেন। তবে তাঁর বক্তব্য সংরক্ষণ করা হয়েছে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (বড়বাবু) শাহি আলমের বক্তব্যও সংগ্রহ করা হয়েছে।এদিকে দীর্ঘদিন ধরে জরুরি এই সেবা বন্ধ থাকায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। রোগীর স্বজনরা দ্রুত অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালুর পাশাপাশি বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের ভাষ্য, জরুরি স্বাস্থ্যসেবার মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি সেবা দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।