সাময়িক বরখাস্ত হলেন দুর্নীতিবাজ মূ. কবিরের পৃষ্ঠপোষক বিআইডব্লিউটিএর আলোচিত পরিচালক আরিফ উদ্দিন
নারী কেলেঙ্কারি, দুর্নীতি ও অসদাচরণের অভিযোগে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহণ কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) বন্দর ও পরিবহণ বিভাগের পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।আজ মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান মো. মুহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক দপ্তর আদেশে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।আদেশে বলা হয়, বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আরিফ উদ্দিনের বিরুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারি, দুর্নীতি ও অসদাচরণের অভিযোগের ভিডিও ক্লিপ প্রকাশিত হওয়ায় কর্তৃপক্ষের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে।বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহণ কর্তৃপক্ষের কর্মচারী চাকুরি প্রবিধানমালা, ১৯৯০-এর বিধি ৩৫ (খ) ও (ঙ) লঙ্ঘনের কারণে বিধি ৪১ (১) অনুযায়ী তাকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো।আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়, বরখাস্তকালীন সময়ে আরিফ উদ্দিন বিধি মোতাবেক খোরাকী ভাতা প্রাপ্য হবেন। তবে এ সময় তাকে প্রশাসন ও মানবসম্পদ বিভাগে হাজিরা দিতে হবে এবং হাজিরার ভিত্তিতেই ভাতা পরিশোধ করা হবে।এদিকে, আরিফ উদ্দিনের স্থলে বন্দর ও পরিবহণ বিভাগের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে প্রশাসন ও মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক মো. সাইফুল ইসলামকে। তিনি নিজ দায়িত্বের পাশাপাশি এ দায়িত্ব পালন করবেনকে এই আরিফ উদ্দিন:পুরো নাম: এ.কে.এম.আরিফ উদ্দিন ওরফে আরিফ হাসনাত পিতা: করিম হাজী.গ্রাম-রায়পুর.থানা-সুজানগর, পাবনা। বর্তমানে তিনি বন্দর ও পরিবহন শাখা অতিরিক্ত পরিচালক ও ল্যান্ড এন্ড এস্টেট এর পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) হিসেবে কর্মরত। চৌকষ এ কর্মকর্তা অত্যন্ত ক্ষমতাধর ও পাবনা জেলার সন্তান হিসেবে নিজেকে আরও সুপার পাওয়ার হিসেবে মনে করে থাকেন এ বক্তব্য বিআইডব্লিউটিএ কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের । তার গ্রামের বাড়ী:-রায়পুর, সুজানগর, পাবনাতে খোঁজ নিয়ে ও আমাদের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে একজন আরিফ উদ্দিনের ক্ষমতাধর কর্মকর্তা হয়ে উঠার কথা। তথ্য সূত্র যতটুকু পাওয়া গেছে স্ত্রী শামীমা, ছেলে সাদ ও মেয়ে আরিন। সাদ ও আরিন দু'জনই দেশের বাইরে উচ্চ শিক্ষারত আছেদুদকের অনুসন্ধান:স্বারক নং- ০০.০১.২৬০০.৬০৩.০১.২৩৪.২৩-৩২১৭ এ দুর্নীতি দমন কশিনের উপ-পরিচালক মো: হাফিজুল ইসলাম ( অনু ও তদন্ত-২) টিমের পক্ষ থেকে ০৩/০৯/২০২৩ ইং তারিখে পরিচালক ( প্রশাসন) বিআইডব্লিউটিএ বরাবরে এ পত্রে “আরিফ হাসনাত” যুগ্ম পরিচালক বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃক নানাবিধ দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ এর সুষ্ঠ অনুসন্ধানের জন্য নিম্নবর্নিত রেকর্ডপত্র সংগ্রহপূর্বক চিঠি প্রদান করে।উক্ত স্বারকের নামের স্থলে আরিফ হাসনাত লেখা রয়েছে কিন্তু যুগ্ম পরিচালক আরিফ হাসনাত নামক কোন কর্মকর্তা বিআইডব্লিউটিএ পাওয়া যায়নি।দুদকের চাহিদা পত্রে যে সমস্ত কাগজপত্র চাওয়া হয়েছে তা হলো বিআইডব্লিউটিএ আওতাধীন নারায়নগঞ্জ পোর্ট হইতে ১/১/১৯-৩১/১২/২২ তারিখ সময়ে সদরঘাট পোর্ট হতে ১/১/২০২০-৩১/১২/২২ তারিখ সময়ে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক খাতের হিসেবের বিবরনী এ ছাড়াও জনাব আরিফ হাসনাত, যুগ্ম পরিচালক, বিআইডব্লিউটিএ এর ব্যক্তিগত নথি, উত্তোলিত বেতন ভাতার বিবরন (শুরু হইতে জুন/২৩ সময় পর্যন্ত) দায় দায়িত্ব সম্পর্কীত অফিস আদেশ সমূহ তার নিজ স্ত্রী/সন্তান/ভাই গনের নামে ব্যবসা/শেয়ার পরিচালনায় আবেদন এবং অনুমোদন সংক্রান্ত সমুদয় রেকর্ডপত্র।সম্পদের খতিয়ান:অনুসন্ধানকালে জানাগেছে, অতিরিক্ত পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিন অবৈধ পথে উপার্জিত অর্থ দ্বারা ঢাকা এলিফ্যান্ট রোডে ২২ কোটি টাকা দিয়ে একটি বহুতলা বাড়ী ক্রয় করেছেন। বাড়ী নং ৩০১,এলিফেন্ট রোড,ঢাকা ১২০৫। বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় একটি আলীশান ফ্ল্যাট ক্রয় করে বসবাস করছেন। যার মূল্য কমপক্ষে ৩ কোটি টাকা। ওই ফ্ল্যাটের মধ্যে সুইমিংপুলও তৈরি করেছেন। এ ছাড়া ডেকোরেশন করেছেন প্রায় ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে। ফ্ল্যাট নং –ব্লক-সি,রোড নং-১,প্লট নং ৫৪,৫৫,৫৬। এ ছাড়া তিনি লেটেষ্ট মডেলের গাড়ি ব্যবহার করেন। তার ছেলে মেয়ে আমেরিকায় লেখা পড়া করে। গ্রামের বাড়ী পাবনাতে নাকি ২০০ বিঘা জমি ক্রয় করেছেন। এ বিষয়ে আমাদের অনুসন্ধান চলছে। দুদকের অভিযোগ মতে তিনি একাধিক ব্যবসাদেও অর্থ লগ্নি করেছেন। অন্তত: ৫ টি বেসরকারী ব্যাংকে তার ব্যাংক হিসাব রয়েছে। এসব ব্যাংক হিসাবে কোটি কোটি টাকা ফিক্সড ডিপোজিট করে রাখা হয়েছে। তিনি আমেরিকা ও কানাডায় দুটি বাড়ী ক্রয় করেছেন বলে শোনা যাচ্ছে। তিনি এলোটি না হয়েও বিআইডব্লিউটিএর একখানা গাড়ী সার্বক্ষনিক ব্যবহার করেন। এছাড়া তার স্ত্রীর ব্যবহারের জন্য রয়েছে লেটেষ্ট মডেলের আলাদা গাড়ি। তার স্ত্রীর চাল চলন দেখলে মনে হয় তিনি কোন শিল্পপতির স্ত্রী। এর আগে বিআইডব্লিউটিএর একজন চেয়ারম্যানের সাথে তার কলংক রটেছিল বলে বিআইডব্লিউটিএ ভবনে গুঞ্জন আছে।আইন ও এস্টেট পরিচালক পদ দখল:নৌপরিবহন মন্ত্রনালয়ের স্মারক নং- ১৮.০০.০০০০.০১৯.১৮.০১৩.২১-২৯৫, তারিখ:২৬ ডিসেম্বর ২০২৩। পত্রের পরিপ্রেক্ষিতে: উপযুক্ত বিষয় ও সুত্রস্থ পত্রের পরিপ্রেক্ষিতে মো: মশিউর রহমান তালুকদার উপসচিব স্বাক্ষরিত পত্রে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)-এর সাংগঠনিক কাঠামোতে এস্টেট ও আইন বিভাগের জন্য অর্থ বিভাগ থেকে ১৬/০৮/২০২৩ তারিখের ১৬৮নং স্মারকের মাধ্যমে ১২টি পদ সৃজনে সম্মতি প্রদান করা হয়েছে। পদগুলোর মধ্যে ০২টি উপপরিচালক উপ-পরিচালক (এস্টেট)-০১টি, উপপরিচালক (আইন)-০১টি] এর পদ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া, প্রতিষ্ঠানটি কর্মকর্তা/কর্মচারীদের বেতনভাতা প্রদানের জন্য সরকারের বাজেট সহায়তার উপর নির্ভরশীল। এমন পরিস্থিতিতে, পদ সৃজনে সরকারের আর্থিক সংশ্লেষের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে প্রস্তাবিত পরিচালক পদ এবং পরিচালকের সহায়ক পদ হিসেবে ব্যক্তিগত সহকারী এবং অফিস সহায়ক পদ সৃজনে অর্থ বিভাগের অসম্মতি জ্ঞাপন করা হয়। আইন ও এস্টেট পরিচালক পদ সৃজনে অর্থ মন্ত্রনালয়ের অসম্মতি জানিয়ে নৌ পরিবহন মন্ত্রনালয় থেকে বিআইডব্লিউটিএ কে পত্র: নৌ পরিবহন মন্ত্রনালয় টি শাখা ১৫ এপ্রিল ২০২৪ এর স্মারক নং- ১৮.০০.০০০০.০১৯.১৮.০১৩.২১.১০৩ এ বিআইডব্লিউটিএ সাংগাঠনিক কাঠামোতে এষ্টেট ও আইন বিভাগের জন্য বছর বছর সংরক্ষনের ভিত্তিতে অস্থায়ী ভাবে ০৩ পদ সৃষ্টিতে সম্মতি জ্ঞাপন সংক্রান্ত একটি পত্র দেন। উক্ত পত্রে অর্থ বিভাগের সূত্র: পত্র নং-০৭.০০.০০০০.১২৬.০০.০০৮ (অংশ-১) ২২.৭৯ তারিখ ২১.৩.২০২৪ এক পত্রে বিআইডব্লিউটিএ সংগাঠনিক কাঠামোতে এষ্টেট ও আইন বিভাগের জন্য ০৩ (তিন) ক্যাটাগরির ০৩ (তিন) টি পদ পরিচালক এর ০১ টি, সাঁটলিপিকারের (ব্যক্তিগত সহকারী) ০১টি এবং অফিস সহকারী ০১টি, রাজস্বখাতে অস্থায়ী ভাবে সৃজনের বিষয়ে অর্থ মন্ত্রনালয়ের সম্মতি প্রদানের জন্য অর্থ বিভাগ,অর্থ মন্ত্রনালয় গত ১৬-১২-১০২৩ তারিখ অনুরোধ করা হয়। তদপ্রেক্ষিতে অর্থ বিভাগ পদ সৃজনে সরকারের আর্থিক সংশ্লেষের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে প্রম্ভাবিত পরিচালক পদ এবং পরিচালকের সহায়ক পদ হিসেবে ব্যক্তিগত সহকারী এবং অফিস সহকারী এবং অফিস সহায়ক পদ সৃজনে অসম্মতি জ্ঞাপন করেছে। অথচ বিআইডব্লিউটিএ ওয়েব সাইট ঘেঁটে করে দেখা গেছে ল্যান্ড এস্টেট বিভাগের পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) হিসেবে এ.কে.এম আরিফ উদ্দিন এর নাম রয়েছে। এবং পরিচালক হিসেবে তিনি যাবতীয় গাড়ী সুবিধা সহ অন্যান্য সুবিধা ভোগ করছেন। অর্থ মন্ত্রনালয় থেকে পরিচালক পদ সৃজনের কোন সম্মতি নাই।এই সকল বিষয়ে কথা বলার জন্য পরিচালক আরিফ উদ্দিনের মুঠোফোনে ফোন দিয়ে খুঁজে বার্তা পাঠিয়ো কোন সাড়া পাওয়া যায়নি।সদ্য বহিষ্কৃত আলোচিত পরিচালক বন্দর কে এম আরিফ উদ্দিনের আশীর্বাদপুষ্ট বিআইডব্লিউটিএ এমএমই শাখার দুর্নীতিতে পিএইচডি ডিগ্রিধারী মূ: কবিরের নজিরবিহীন অনিয়ম দুর্নীতির ফিরিস্তিঃআওয়ামী লীগ সরকারের দোসর বিআইডব্লিউটিএ'র সাবেক এমএমই শাখার তত্ত্বাফধায়ক প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) মহা দুর্নীতিবাজ মূঃ কবির হোসেন নজিরবিহীন অনিয়ম দুর্নীতি ও দুর্নীতিবাজ ঠিকাদারদের সাথে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ব্যবসা করে কাড়ি কাড়ি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। ৫ই আগস্ট-২৪ ইং তারিখের পর মহা দুর্নীতিবাজ পতিত আওয়ামী সরকারের দোসর তত্ত্বাফধায়ক প্রকৌশলী (যান্ত্রিক)মূঃ কবির হোসেন তার নজিরবিহীন অনিয়ম দুর্নীতি ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত সম্পদ রক্ষার জন্য আওয়ামী জার্সি বদল করে রাতারাতি নব্য জাতীয়তাবাদী চেতনার ধারক বাহক হিসেবে বিআইডব্লিউটিএতে নিজেকে জাহির করে অনিয়ম দুর্নীতির সিন্ডিকেট ধরে রেখেছেন অতীতের ন্যায়।বিআইডব্লিউটিএ এর এমএমই শাখার তত্ত্বাফধায়ক প্রকৌশলী মূঃ কবির হোসেন এর অনিয়ম দুর্নীতির বিরুদ্ধে বিগত দিনে ধারাবাহিক সংবাদ প্রকাশিত হলেও কবির হোসেন সদ্য বহিষ্কৃত আলোচিত পরিচালক বন্দর আরিফ উদ্দিনের পৃষ্ঠপোষকতায় রয়েছিলেন বহাল তবিয়তে। যাহা নিয়ে খোদ বিআইডব্লিউটিএ বিএনপির রাজনীতির মতাদর্শে বিশ্বাসী কর্মকর্তা কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ মুখে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ এমএমই শাখা থেকে তত্ত্বাফধায়ক প্রকৌশলী মূঃ কবির হোসেন'র ডিজাইন এন্ড মনিটরিং শাখায় বদলি করা হয়। কিন্তু বিআইডব্লিউটিএ এর প্রভাবশালী পরিচালক (বন্দর) সদ্য সাময়িক বহিষ্কৃত মহা দুর্নীতিবাজ অসংখ্য নারি কেলেঙ্কারির হোতা কে এম আরিফ উদ্দিন কিছুদিন পরেই তার আশীর্বাদ পুষ্ট (সেকেন্ড ম্যান) হিসাবে খ্যাতি অর্জন করা মু. কবির কে পুনরায় এমএমই শাখায় নিয়ে আসেন। এমএমই শাখার তত্ত্বাফধায়ক ম. কবির দীর্ঘ সময় এমএমই শাখায় বিভিন্ন অনিয়ম-দূর্নীতি ঠিকাদারী ব্যবসা ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিষয় নিয়ে দীর্ঘ অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসা তথ্য প্রামানের চুম্বক অংশ নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়,দুর্নীতি দমন কমিশন ও পাঠকদের মাঝে তুলে ধরা হলো:- পতিত আওয়ামী সরকারের আশীর্বাদপুষ্ট হওয়ার কারণে একই চেয়ারে দীর্ঘ ষোল বছর বিআইডব্লিউটিএ'র এমএমই শাখায় একচেটিয়া রাজত্ব বজায় রেখে ঠিকাদারদের সাথে সিন্ডিকেট করে কমিশন বাণিজ্য ও পছন্দের ঠিকাদারদের সাথে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ব্যবসার মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি কোটি টাকা।অনুসন্ধানে আরও জানা যায় পতিত আওয়ামী সরকার এর সময়ে বিআইডব্লিউটিএ তালিকা ভক্ত হওয়া আওয়ামীলীগ,ছাত্রলীগ,যুবলীগ ঠিকাদার নামক দুর্নীতিবাজদের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান গুলো মধ্যে অন্যতম হামজা এসোসিয়েট,নিউ ইসলাম,সেলিম রেজা এন্টারপ্রাইজ সহ ১০/১২টি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সাথে কবির হোসেন'র অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে এমএমই শাখায় একচেটিয়া ব্যবসা করার প্রমাণ পাওয়া যায়।৫ ই আগস্টে পতিত আওয়ামী সরকার পতনের পর বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান কর্তৃক মহা দুর্নীতিবাজ তত্ত্বাফধায়ক প্রকৌশলী মূঃ কবির হোসেনকে এমএমই শাখায় থেকে ডিজাইন এন্ড মনিটরিং শাখায় বদলি করা হয়।বিআইডব্লিউটিএ এর সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান কর্তৃক বদলি হওয়ার পর মহা দুর্নীতিবাজ মূঃ কবির হোসেন কে তার দুর্নীতির পৃষ্ঠপোষক আরিফ উদ্দিন পুনরায় এমএমই শাখায় ফিরিয়ে নিয়ে আসেন বলে অনুসন্ধানে জানা যায়। দুর্নীতিতে পিএইচডি ডিগ্রিধারী মু. কবির হোসেন এর মতো দুর্নীতিবাজ একজনকে পুনরায় এমএমই শাখায় বদলি করে নিয়ে আসাকে কেন্দ্র করে খোদ বিআইডব্লিউটিএ এর প্রকৌশলীদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিআইডব্লিউটিএ এর কয়েকজন প্রকৌশলী প্রতিবেদককে জানান বিগত সরকারের আমলে বিএনপির মতাদর্শের রাজনীতিতে বিশ্বাসী বিধায় পদোন্নতিতে আমরা বঞ্চিত ছিলাম কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় বর্তমান বিএনপি সরকার ক্ষমতা থাকা অবস্থায়ও আমরা বারবার বঞ্চিত হয়েছি এইদিকে পুনরায় ভালো ভালো জায়গায় পোস্টিং এবং পদোন্নতি পেয়েছিলেন আলোচিত সদ্য সাময়িক বহিষ্কৃত দুর্নীতিবাজদের গডফাদার নারী লোভী আরিফ উদ্দিন এর পৃষ্ঠপোষকতায় যাহা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তাই আমরা চাই বর্তমান বিআইডব্লিউটিএ এর সম্মানিত চেয়ারম্যান স্যার আরিফ উদ্দিনের পৃষ্ঠপোষকতায় সুবিধাভোগী মহা দুর্নীতিবাজ এমএমই শাখার তত্ত্বাফধায়ক প্রকৌশলী মু. কবির গংদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করে বিআইডব্লিউটিএ এর মতো প্রতিষ্ঠানের গৌরব ফিরিয়ে আনবেন।পূর্বে মূঃ কবির হোসেন এমএমই শাখায় দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে বিভিন্ন বন্দরের পুরাতন মালামাল বিক্রির জন্য নামমাত্র মূল্যে দরপত্র আহ্বান এর মাধ্যমে বিআইডব্লিউটিএ'র পুরাতন মালামাল ব্যবসায় ঠিকাদারদের সাথে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে একচেটিয়া ব্যবসা করার ফলে সরকার হারিয়েছে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব,সরকারি মালামাল নামমাত্র মূল্যে দরপত্রের মাধ্যমে মহা দুর্নীতিবাজ কবির হোসেন সিন্ডিকেট হাতিয়ে নিয়েছেন কয়েক কোটি টাকা।মহা দুর্নীতিবাজ তত্ত্বাফধায়ক প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকার এর দোসর নব্য জাতীয়তাবাদী চেতনার ধারক মূঃ কবির হোসেন নজিরবিহীন অনিয়ম দুর্নীতির টাকায় রাজধানী ঢাকার আভিজাত্য এলাকা সিদ্ধেশ্বরী ইস্টান হাউসিং এ ২৫০০ স্কয়ার ফিটের কয়েক কোটি টাকা মূল্যের আলিশান ফ্লাট,রাজধানী ঢাকার আরেক অভিজাত্য এলাকা বনানীতে রয়েছে ১৮০০ স্কয়ার ফিটের বিলাসহুল কয়েক কোটি টাকা মূল্যের আলিশান ফ্ল্যাট (বনানী সড়ক ভবনের পিছনে) বিলাসবহুল গাড়ি গাড়ির নাম্বার:- ঢাকা মেট্রো-গ ৪২-৯১২১।অনুসন্ধানে আরও জানা যায় গ্রামের বাড়ি বরিশালে রয়েছে বিঘায় বিঘায় সম্পত্তি।নিজের প্রিয়তমা স্ত্রী,সন্তান ও আত্মীয়-স্বজনের নামে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন লোকেশনে রয়েছে একাধিক প্লট ও ফ্ল্যাট এবং বিভিন্ন ব্যাংকে নামে বেনামে কোটি কোটি টাকার এফডিআরও সঞ্চয়পত্র। এই সকল অনিয়ম দুর্নীতি ক্ষমতার অপব্যবহার এবং নব্য জাতীয়তাবাদী চেতনার ধারক ও সম্পদের বিষয়ে জানতে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সু-চতুর মহা দুর্নীতিবাজ তত্ত্বাফধায়ক প্রকৌশলী (যান্ত্রিক)মূঃ কবির হোসেন এর ব্যবহৃত মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন ও খুদে বার্তা পাঠানোর পরেও কোন প্রকার সাড়া পাওয়া যায়নি।
সিলেটের জেলাপ্রশাসক সারওয়ার আরম প্রত্যাহার, শাহজালাল (রহ.) মাজার কর্তৃপক্ষ খুশি
সমালোচনার মুখে সিলেটের ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার-কান্ড নিয়ে সমালোচনার মুখে সিলেটের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।রোববার (২১ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব জেতী প্রুসই করা এক আদেশে তাকে প্রত্যাহার করা হয়। তাকে জনপপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে উপসচিব হিসেবে সংযুক্ত করা হয়েছে।এ তথ্য নিশ্চিত করে জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম বলেন, ২২ জুন ২০২৬ইং (সোমবার) তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে যোগ দিতে বলা হয়েছে।সিলেটে যোগ দেওয়ার পর প্রথম দিকে তার কিছু কর্মকান্ড বেশ প্রশংসিত হলেও সম্প্রতি হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন সারওয়ার আলম। কয়েক শত বছরের রেওয়াজ ভেঙে গত বৃস্পতির মাজারের দানের ডেগ সিলগালা করে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দানবাক্স বসান সারওয়ার আলম। এই দানবাক্সের পাহারায় আনসার নিযুক্ত ও সিসি ক্যামেরা বসান এই জেলা প্রশাসক।মাজারের আয়ের স্বচ্ছতা আনার কথা বলে এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান সারওয়ার আলম। তবে মাজার সংশ্লিষ্টদের দাবি, মাজার বিরোধী এই চক্রের ইন্ধনে দীর্ঘ দিনের ঐতিহ্য ও রেওয়াজ ভেঙে প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হচ্ছে।২৭ তম বিসিএসের প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা সারওয়ার আলম র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আলোচিত ছিলেন। সিনিয়র সহকারী সচিব পদে থাকাকালীন র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে তিন শতাধিক ভেজাল বিরোধী অভিযান চালিয়ে ব্যাপক আলোচনায় ছিলেন।২০২০ সালের ৯ নভেম্বর তাকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে বদলি করা হয়। ২০২৪ সালের ১৪ আগস্ট উপসচিব পদে পদোন্নতি পান তিনি। এর আগে তিনি বঞ্চিত হলে নিজের ক্ষোভ জানিয়ে ফেসবুক স্ট্যাটাস দিয়ে ছিলেন। স্ট্যাটাস দেওয়ার বিষয় টিকে সরকারি চাকরিবিধি লঙ্ঘন ও অসদাচরণ হিসেবে গণ্য করে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার তাকে লঘুদন্ড হিসেবে ‘তিরস্কার’র শাস্তি দেয়। ২০২২ সালের মে মাসে তাকে শাস্তি দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
বঙ্গোপসাগরে সাবমেরিন মোতায়েনের পরিকল্পনা নিয়েছে পাকিস্তান
বাংলাদেশ: বঙ্গোপসাগরে সাবমেরিন মোতায়েন করার পরিকল্পনা নিয়েছে পাকিস্তান। দেশটির নৌবাহিনীর কর্মকর্তা কমোডর ওমর ফারুক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।সম্প্রতি পাকিস্তানের নৌবাহিনীর জন্য ‘পিএনএস হ্যাঙ্গর’ নামের একটি সাবমেরিন তৈরি করেছে চীন। পাকিস্তানের নৌবাহিনী ইতোমধ্যে সেই সাবমেরিনটিকে কমিশনও (আনুষ্ঠানিক অন্তর্ভুক্তি) করেছে। সাবমেরিনটিকে নিয়ে আসতে নৌবাহিনীর একটি বহর নিয়ে চীনে গিয়েছিলেন কমোডর ওমর ফারুক। ফিরে আসার পথে শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোতে যাত্রাবিরতি দেন তিনি। সেখানে শ্রীলঙ্কার দৈনিক দ্য মর্নিংকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ওমর ফারুক বলেন, হ্যাঙ্গর-শ্রেণির সাবমেরিন অন্তর্ভুক্তি পাকিস্তানকে বঙ্গোপসাগরে নিজেদের উপস্থিতি বজায় রাখার সক্ষমতা দেবে।“পিএনএস হ্যাঙ্গর সিরিজের আরও ৭টি সাবমেরিন শিগগিরই পাকস্তিানের নৌবাহিনীকে অন্তর্ভুক্ত হবে। এই সিরিজের সাবমেরিনগুলো বঙ্গোপসাগরে পাকিস্তানের উপস্থিতি বজায় রাখবে। ”, দ্য মর্নিংকে বলেছেন কমোডর ফারুক।১৯৭১ সালের আগ পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরে পাকিস্তানি সাবমেরিন মোতায়েন ছিল। সেটির নামও ছিল পিএনএস হ্যাঙ্গর। ১৯৭১ সালের যুদ্ধে বঙ্গোপসাগরে ভারতীয় নৌবাহিনীর সাবমেরিন আইএনএস খুকরিকে ডুবিয়ে দিয়েছিল পিএনএস হ্যাঙ্গর।তবে সেই যুদ্ধে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ বাহিনীর কাছে পরাজয়ের পর বঙ্গপোসাগর ছেড়ে চলে যায় পাকিস্তান। এতদিন মূলত উত্তর আরব সাগরেই সীমাবদ্ধ ছিল পাকিস্তানি নৌবাহিনীর উপস্থিতি।অন্যদিকে, বঙ্গোপসাগর ঐতিহ্যগতভাবে এমন একটি এলাকা যেখানে ভারত উল্লেখযোগ্য ভৌগোলিক এবং কৌশলগত সুবিধা ভোগ করে। বিশাখাপত্তনমে ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় নৌ কমান্ডের অবস্থান এবং আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের কাছাকাছি হওয়ায়, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পণ্য ও জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য বঙ্গোপসাগর ক্রমশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।এই বিস্তৃত জলরাশি, যার উপকূলবর্তী রাষ্ট্রগুলো হলো ভারত, বাংলাদেশ, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া এবং শ্রীলঙ্কা। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে প্রতিদ্বন্দ্বী অন্যান্য নৌ শক্তিগুলোর উত্থানের মধ্যেও এই দেশগুলোর ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব অনেক।এ কারণেই শ্রীলঙ্কায় পাকিস্তানি নৌবাহিনীর একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার করা মন্তব্যটি তাৎপর্যপূর্ণ।দ্য মর্নিংকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কমোডর ফারুক পিএনএস হ্যাঙ্গরকে একটি ‘গেম চেঞ্জার’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং উল্লেখ করেছেন যে, পাকিস্তান এই শ্রেণির আটটি সাবমেরিন অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা করছে।গত ৭ জুন এই সংবাদটি প্রকাশ করেছে দ্য মর্নিং।উল্লেখ্য, বঙ্গোপসাগর কোনো একটি দেশের আঞ্চলিক সমুদ্রসীমা নয়। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, উপকূলীয় রাষ্ট্রগুলো তাদের উপকূলরেখা থেকে ১২ নটিক্যাল মাইল (২২ কিমি) পর্যন্ত বিস্তৃত আঞ্চলিক সমুদ্রসীমার উপর সার্বভৌমত্ব এবং ২০০ নটিক্যাল মাইল (৩৭০ কিমি) পর্যন্ত বিস্তৃত একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চলের (এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোন) ওপর সার্বভৌম অধিকার প্রয়োগ করে।এই সীমার বাইরে রয়েছে আন্তর্জাতিক জলসীমা, যেখানে এমনকি বিদেশি সামরিক জাহাজগুলোও মূলত অবাধে চলাচল করতে পারে।গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন (Yao Wen)।আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুন ২০২৬) সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।বৈঠকের শুরুতে চীনের রাষ্ট্রদূত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ২০২৬ -২০২৭ সেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের প্রার্থী ড. খলিলুর রহমান নির্বাচিত হওয়ায় বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানান।বৈঠকে চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়।বিশেষ করে ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কারিগরি শিক্ষা এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্রের অখণ্ডতা নিয়ে ছিনিমিনি বরদাশত করা হবে না: সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অবিলম্বে আইনি ব্যবস্থা চাই
শাহিন আলম আশিক,
তরুণ প্রজন্মের ধ্বংস ও সম্মিলিত প্রতিরোধের অপরিহার্য আহ্বান / মাদকের বিষবাষ্পে নিমজ্জিত জাতি
মোহাম্মদ আলী সুমন।
বাংলাদেশ আমাদের / ঐক্য ও সম্প্রীতিই হোক ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে বড়ো হাতিয়ার
শাহিন আলম আশিক,
অর্থমন্ত্রী-গভর্নর র্যাব-পুলিশ দিয়ে মূল্যবৃদ্ধি ঠেকানো যাবে না, বেতন বাড়লে কমবে দুর্নীতি। আপনি কি তাই মনে করেন?
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগ নিয়ে প্রশ্ন / মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ নগরবাসী, কার্যকর পদক্ষেপের দাবি
ভালোবাসার স্পর্শে রঙিন হলো সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের ঈদ উৎসব
প্রবাসীকে ৮ টুকরা করে হত্যা, পরকীয়া প্রেমিকাকে গ্রেফতারের পর কারণ জানাল ডিএমপি
প্রযুক্তিনির্ভর সাংবাদিকতা গড়ে তুলতে জেএ টিভির প্রতিনিধি কর্মশালা অনুষ্টিত
রাষ্ট্রের অখণ্ডতা নিয়ে ছিনিমিনি বরদাশত করা হবে না: সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অবিলম্বে আইনি ব্যবস্থা চাই
তরুণ প্রজন্মের ধ্বংস ও সম্মিলিত প্রতিরোধের অপরিহার্য আহ্বান / মাদকের বিষবাষ্পে নিমজ্জিত জাতি
বাংলাদেশ আমাদের / ঐক্য ও সম্প্রীতিই হোক ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে বড়ো হাতিয়ার
রেমিট্যান্সের প্রশংসা দেশের অর্থনীতির নীরব নায়ক প্রবাসীরা কতটা নিরাপদ