মুক্তির লড়াই
সর্বশেষ

ক্ষমতার রাজনীতির বাইরে সিপিসির অবস্থান: লি চুনরু

চীনের কমিউনিস্ট পার্টি-সিপিসির ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিশিষ্ট চীনা বিশেষজ্ঞ বলেছেন যে, প্রকৃতি ও উদ্দেশ্যের দিক থেকে সিপিসি পশ্চিমা রাজনৈতিক দলগুলো থেকে মৌলিকভাবে ভিন্ন। এক শতাব্দীর বেশি সময় ধরে দলটির টিকে থাকা এবং এর গতিশীলতা বজায় রাখার বিষয়টি নির্ভর করে এর মূল আকাঙ্ক্ষা ও প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যের প্রতি অবিচল এবং জনগণের বিশাল অংশের স্বার্থ রক্ষায় নিবেদিত থাকার ওপর।সিপিসি’র কেন্দ্রীয় কমিটির পার্টি স্কুলের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট লি চুনরু 'দ্য পাওয়ার অফ আইডিয়াস' শীর্ষক অনুষ্ঠানে দলের মূল বৈশিষ্ট্যগুলো তুলে ধরেন। চায়না গ্লোবাল টেলিভিশন নেটওয়ার্কের (সিজিটিএন) এই বিশেষ বক্তৃতা-মালার মূল লক্ষ্য হলো চীনের উন্নয়ন ও বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থাকে রূপদানকারী বিভিন্ন ধারণা বা চিন্তাধারা নিয়ে আলোচনা করা।সিপিসি’র ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর ঠিক আগের দিন, অর্থাৎ মঙ্গলবার প্রচারিত সিজিটিএনের ওই অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তৃতায় লি দলটির ঐতিহাসিক উৎপত্তি এবং এর স্বতন্ত্র রাজনৈতিক পরিচিতি সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রদান করেন।তিনি উল্লেখ করেন যে, পশ্চিমা রাজনৈতিক দলগুলো মূলত ক্ষমতার লড়াইয়ে লিপ্ত হওয়ার নির্বাচনী হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে; অন্যদিকে সিপিসি সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রকৃতির একটি দল।তিনি বলেন, "জাতীয় জাগরণ ও নবজাগরণের প্রেক্ষাপটে মার্কসবাদ- লেনিনবাদের সাথে চীনা শ্রমিক আন্দোলনের সমন্বয়ের মধ্য দিয়ে সিপিসির জন্ম হয়েছিল। ঐতিহাসিকভাবেই চীনা জনগণ 'দল' বলতে এমন কোনো গোষ্ঠীকে বোঝাতে অভ্যস্ত নয় যা কেবল মুষ্টিমেয় কিছু মানুষ নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিল ও ক্ষমতার লড়াইয়ের জন্য গঠন করে। 'কমিউনিস্ট ইশতেহার'-এর নীতিমালার ভিত্তিতে সিপিসি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, যার লক্ষ্য ছিল জনগণের বিশাল অংশের কল্যাণ সাধন। একইসাথে দলটির প্রতিষ্ঠার মূল নীতিগুলো চীনের চমৎকার ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির শিক্ষার সাথেও গভীরভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল। যদিও সিপিসির ইংরেজি অনুবাদে 'পার্টি' (দল) শব্দটি ব্যবহার করা হয়, তবুও এর অন্তর্নিহিত অর্থ বা তাৎপর্য সম্পূর্ণ ভিন্ন।"লি জোর দিয়ে বলেন যে, জনগণের কাছে দলের দীর্ঘস্থায়ী শক্তি ও বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখার স্বার্থে, দলের সদস্যদের মধ্যে ক্ষমতা ও বিশেষ সুবিধার যে ক্ষতিকর প্রলোভন কাজ করে, তার বিরুদ্ধে লড়াই করার দৃঢ় সংকল্প সিপিসি’র থাকতে হবে।তিনি বলেন, "চীনা জনগণের সুখ ও চীনা জাতির পুনরুজ্জীবন নিশ্চিত করাই কমিউনিস্ট পার্টি অফ চায়নার মূল লক্ষ্য ও প্রতিষ্ঠার আদর্শ। একই সাথে, সিপিসির সদস্যরা ভালোভাবেই জানেন যে সামনের পথ ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জে পূর্ণ। ক্ষমতাসীন দল হিসেবে, দলের সদস্য ও কর্মকর্তাদের মধ্যে ক্ষমতা ও ব্যক্তিগত লাভের যে দ্বৈত ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে পারে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকা এখন আরও বেশি জরুরি। তাই, সাধারণ সম্পাদক সি চিন পিং যেমনটি বলেছেন- কেবল নিজেদের মূল লক্ষ্যের প্রতি অবিচল থেকে, প্রতিষ্ঠার আদর্শকে দৃঢ়ভাবে মনে রেখে এবং নিরলসভাবে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার মাধ্যমেই কমিউনিস্ট পার্টি অফ চায়না চিরকাল তারুণ্যদীপ্ত ও প্রাণবন্ত থাকতে পারে।"তথ্য ও ছবি: সিসিটিভি।

সিপিসির উদ্যোগে সি চিন পিংয়ের চিন্তাধারার প্রদর্শনী

চীনের প্রেসিডেন্ট ও কমিউনিস্ট পার্টি-সিপিসি’র কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক সি চিন পিংয়ের নতুন যুগে চীনা বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন সমাজতন্ত্র বিষয়ক চিন্তাধারাকে তুলে ধরতে একটি বৃহৎ প্রামাণ্য প্রদর্শনীর উদ্বোধন হয়েছে।‘নতুন যাত্রায় অগ্রযাত্রা - নতুন যুগে চীনা বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন সমাজতন্ত্র বিষয়ে সি চিন পিং চিন্তাধারা বিষয়ক প্রামাণ্য প্রদর্শনী’ শীর্ষক এই আয়োজন সোমবার উদ্বোধন করে সিপিসি’র কেন্দ্রীয় কমিটির পার্টি ইতিহাস ও সাহিত্য ইনস্টিটিউট।এ প্রদর্শনীতে জায়গা করে নিয়েছে ২০ হাজারেরও বেশি উপকরণ। এতে আছে মূল নথিপত্র, সচিত্র প্রদর্শনী প্যানেল, ডিজিটাল ইন্টারঅ্যাকটিভ প্রযুক্তি, মাল্টিমিডিয়া অডিও ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনা এবং বিভিন্ন ভাষায় প্রকাশিত গবেষণা ও তথ্য ভাণ্ডার।এতে সি চিন পিংয়ের গুরুত্বপূর্ণ রচনা, তার চিন্তাধারা নিয়ে একাডেমিক ও তাত্ত্বিক গবেষণা, বিভিন্ন অঞ্চলের পার্টির ইতিহাস বিষয়ক অর্জন, গবেষণা, অনুবাদ এবং প্রচার কার্যক্রম বিস্তরভাবে তুলে ধরা হয়েছে।এ প্রদর্শনী দর্শনার্থীদের জন্য প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের চিন্তাধারার বিকাশ, এর তাত্ত্বিক ভিত্তি এবং চীনের আধুনিকায়ন প্রক্রিয়ায় ভূমিকা নিয়ে সমন্বিত ধারণা দেওয়ার লক্ষ্য নিয়েই আয়োজন করা হয়েছে।তথ্য ও ছবি: সিসিটিভি

সিপিসির উদ্যোগে সি চিন পিংয়ের চিন্তাধারার প্রদর্শনী

শিক্ষার আলো বনাম ডিজিটাল অন্ধকার: এহসানুল হক মিলনের সংস্কারের পথে ট্রলের বিষাক্ত ছায়া

সম্প্রতি কয়কমাস আগে থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বক্তব্য ভাইরাল হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেছেন, “এই তোমরা কেমন আছ? ঠিকমতো পড়াশোনা কর তো? পড়তে হবে, নকল আর হবে না।” এই সরল, স্পষ্ট ও দায়িত্বশীল আহ্বানকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে তীব্র ট্রল, মিম ও ব্যঙ্গ-বিদ্রূপের ঝড়। স্কুলপড়ুয়া শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে নানা বয়সের মানুষ এই বক্তব্যকে বিকৃত করে রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত আক্রমণে পরিণত করেছেন। এই ঘটনা শুধু একজন মন্ত্রীর সম্মানহানি নয়, বরং আমাদের সমাজের নৈতিক অবক্ষয়, পারিবারিক শিক্ষার অভাব এবং ডিজিটাল সংস্কৃতির অপব্যবহারের এক ভয়াবহ প্রতিফলন। ট্রলিংয়ের ইতিহাস ইন্টারনেটের প্রথম দিনগুলোতে ফিরে যায়। তখন ফোরাম ও চ্যাটরুমে কিছু ব্যবহারকারী ইচ্ছাকৃত উসকানিমূলক মন্তব্য করে প্রতিক্রিয়া আদায় করতেন। কলিন্স ডিকশনারি অনুসারে, অনলাইনে অহেতুক, বিরক্তিকর ও বিষয়বহির্ভূত কথা বলে পাঠককে উসকে দেওয়াই ট্রলিং। সময়ের সঙ্গে এটি মিম কালচারে রূপ নিয়েছে। ফেসবুক, এক্স (সাবেক টুইটার) ও টিকটকের অ্যালগরিদম দ্রুত প্রতিক্রিয়া সৃষ্টিকারী বিতর্কিত কনটেন্টকে বেশি ছড়িয়ে দেয়। হিব্রু ইউনিভার্সিটির গবেষক লিমর শিফম্যানের মতে, মিম হলো এমন ডিজিটাল উপাদান যা মানুষ অনুকরণ করে, ছড়ায় এবং নতুন রূপ দেয়। রিচার্ড ডকিন্স ১৯৭৬ সালে ‘দ্য সেলফিশ জিন’ বইয়ে ‘মিম’ ধারণাটি প্রবর্তন করেন-যা অনুকরণযোগ্য আইডিয়া বা আচরণ হিসেবে ভাইরাল হয়। কিন্তু ট্রলের পেছনে মনস্তাত্ত্বিক কারণগুলো আরও গভীর। ফেডারেশন ইউনিভার্সিটি অস্ট্রেলিয়ার গবেষক এভিটা মার্চের ‘লস অ্যান্ড দ্য ডার্ক টেট্রাড’ গবেষণায় দেখা গেছে, ট্রলারদের মধ্যে স্যাডিজমের প্রবণতা প্রবল-অন্যকে মানসিক আঘাত দিয়ে তারা আনন্দ পান। অনলাইনের নিরাপদ দূরত্ব পরিচয় গোপন করে সীমা লঙ্ঘনকে সহজ করে দেয়। তবে ট্রল সবসময় নেতিবাচক নয়। অনেক ক্ষেত্রে এটি সামাজিক সমালোচনার হাতিয়ার হয়ে ওঠে-রাস্তার খারাপ অবস্থা বা যানজট নিয়ে মিম ভাইরাল হয়ে কর্তৃপক্ষের নজর কাড়ে। কিন্তু যখন তা ব্যক্তিগত আক্রমণ, অপমান বা ঘৃণায় পরিণত হয়, তখন তা সাইবার বুলিংয়ের রূপ নেয়, যা মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক।বর্তমান ক্ষেত্রে শিক্ষামন্ত্রীকে নিয়ে ট্রলিংয়ের মাত্রা সীমা ছাড়িয়ে গেছে। “এই তোমরা কেমন আছো, পড়তে হবে, নকল আর চলবে না, তোমরা বড় হয়ে কার রাজনীতি করবা জাইমা রহমানের”-এমন বিকৃত সংস্করণ ছড়িয়ে শিক্ষার্থীরা শুধু একজন জনপ্রতিনিধিকে নয়, গুরুজন ও শিক্ষক  সমাজের প্রতি সম্মানকেও ক্ষুন্ন করছে। এটি অন্ধ অনুকরণ ও দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয়। সম্মানহানি আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। সাইবার বুলিং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এর বিরুদ্ধে কঠোর আইন রয়েছে-যুক্তরাজ্যের ম্যালিসিয়াস কমিউনিকেশনস অ্যাক্ট, সিঙ্গাপুরের প্রটেকশন ফ্রম হ্যারাসমেন্ট অ্যাক্ট, আয়ারল্যান্ডের হ্যারাসমেন্ট অ্যাক্ট ইত্যাদি। বাংলাদেশেও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন আছে, যদিও প্রয়োগ নিয়ে বিতর্ক রয়েছে।শিক্ষামন্ত্রী ড. মিলন কোনো সাধারণ ব্যক্তি নন। তিনি ২০০১-২০০৬ সালে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নকলবিরোধী অভিযানে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করে দেশব্যাপী সাড়া ফেলেছিলেন। পরীক্ষা কেন্দ্রে নকলমুক্ত পরিবেশ ফিরিয়ে আনা তাঁর সেই সময়ের অন্যতম মাইলফলক। বর্তমান দায়িত্বে এসেও তিনি একই দৃঢ়তা দেখাচ্ছেন। কোনো প্রতিষ্ঠানে নকল ধরা পড়লে প্রতিষ্ঠান প্রধানকেই দায় নিতে হবে এবং প্রয়োজনে আইনের আওতায় আনা হবে বলে ঘোষণা করেছেন। প্রশ্নফাঁস রোধে একক প্রশ্নপত্র, ইন-হাউজ কোচিং নিশ্চিতকরণ এবং শিক্ষকদের অযাচিত মামলার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন। তাঁর যুগান্তকারী উদ্যোগগুলো আরও ব্যাপক। ২০২৭ সাল থেকে জানুয়ারিতে এসএসসি এবং জুলাইয়ের মধ্যে এইচএসসি ফল প্রকাশের পরিকল্পনা, সেশনজট নিরসন এবং শিক্ষার্থীদের সময়ের অপচয় রোধে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ২০২৮ সাল থেকে নতুন জাতীয় শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন। প্রাথমিক থেকেই মিড-ডে মিল, ইউনিফর্ম, খেলাধুলাভিত্তিক আনন্দময় শিক্ষা চালু, ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে কারিগরি শিক্ষার জোরদার, কোচিং নির্ভরতা কমানো এবং শ্রেণিকক্ষভিত্তিক শিক্ষার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। কারিগরি ও প্রকৌশল শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে দেশের বিপুল জনসংখ্যাকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তরের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। বুয়েট, বুটেক্সসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে এআই ল্যাব, গবেষণা বৃদ্ধি, অবকাঠামো সম্প্রসারণ এবং দেশীয় প্রকৌশলীদের নেতৃত্ব নিশ্চিত করার উদ্যোগ চলছে। শিক্ষকদের স্থানীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে স্পষ্ট নির্দেশ-শিক্ষকতা পেশা ছেড়ে রাজনীতি করতে হবে, যাতে শিক্ষার মানোন্নয়ন ব্যাহত না হয়। এই উদ্যোগগুলো বাংলাদেশকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় এগিয়ে নেবে। টেক্সটাইল খাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ সেক্টরে দক্ষ জনশক্তি তৈরি, ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড কাজে লাগানো এবং আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। মন্ত্রী মিলনের অতীত অভিজ্ঞতা ও বর্তমান দৃষ্টিভঙ্গি এসব সংস্কারকে বাস্তবায়নযোগ্য করে তুলেছে।কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে, এই ইতিবাচক পদক্ষেপের পরিবর্তে ট্রলের মাধ্যমে ব্যক্তিগত আক্রমণ চলছে। এটি শুধু শিক্ষার্থীদের নয়, পুরো সমাজের নৈতিক অবক্ষয়ের লক্ষণ। পারিবারিক শিক্ষা, গুরুজনদের প্রতি সম্মান এবং দায়িত্ববোধের অভাব এখানে স্পষ্ট। হংকং ইউনিভার্সিটির গবেষকদের মতে, মিম শিক্ষার্থীদের চাপ কমাতে সাহায্য করতে পারে, কিন্তু যখন তা ঘৃণা ও অপমানের হাতিয়ার হয়, তখন তা বিপরীত ফল দেয়। সেলিব্রিটি ও জনপ্রিয় ব্যক্তিরা বেশি ট্রলের শিকার হন কারণ ট্রলাররা প্রতিক্রিয়া ও মনোযোগ চায়। নার্সিসিজম ও রিলেটিভ ডিপ্রাইভেশনও এর পেছনে কাজ করে।আমাদের সময় এসেছে এই অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নৈতিক শিক্ষা জোরদার, পারিবারিক মূল্যবোধ পুনরুজ্জীবিত এবং সোশ্যাল মিডিয়ার দায়িত্বশীল ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। ট্রল যদি সৃজনশীল সমালোচনায় পরিণত হয়, তাহলে ভালো। কিন্তু ব্যক্তিগত আক্রমণ কখনো গ্রহণযোগ্য নয়।ড. এহসানুল হক মিলনের নেতৃত্বে শিক্ষা খাতের এই রূপান্তর যুগান্তকারী। নকলমুক্ত, কোচিংমুক্ত, দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে তাঁর দৃঢ় পদক্ষেপ অব্যাহত রাখা উচিত। সমাজকে এই ইতিবাচক যাত্রায় সহযোগিতা করতে হবে, ট্রল করে বাধা সৃষ্টি নয়। ডিজিটাল যুগে এক ক্লিকে বিনোদন তৈরি হয়, আঘাতও তৈরি হয়। তাই ট্রল করার আগে ভাবুন-এটি কি শুধু মজা, নাকি কারও সম্মান ও সমাজের ভবিষ্যতের প্রতি অন্যায়?শিক্ষা আমাদের জাতির ভিত্তি। এই ভিত্তিকে মজবুত করতে মন্ত্রী মিলনের সংস্কারের সঙ্গে আমাদের সবাইকে হাত মেলাতে হবে। ট্রলের অন্ধকার ছেড়ে শিক্ষার আলোয় ফিরে আসুন। নতুন প্রজন্মকে সত্যিকারের দক্ষ, নৈতিক ও আত্মনির্ভরশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে এটাই সময়। লেখক :  সাংবাদিক ও সংগঠক। 

শিক্ষার আলো বনাম ডিজিটাল অন্ধকার: এহসানুল হক মিলনের সংস্কারের পথে ট্রলের বিষাক্ত ছায়া
সিলেট-ম্যানচেস্টার সরাসরি ফ্লাইট চালু

সিলেট-ম্যানচেস্টার সরাসরি ফ্লাইট চালু

অবশেষে সিলেট-ম্যানচেস্টার সরাসরি ফ্লাইট চালু হচ্ছে।  দীর্ঘ দিনের দাবি ও প্রত্যাশার অবসান ঘটিয়ে  ফের চালু হলো বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সিলেট-ম্যানচেস্টার সরাসরি ফ্লাইট। যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাংলাদেশিদের, বিশেষ করে সিলেটি কমিউনিটির অন্যতম প্রাণের দাবি পূরণে এই ররুটটি ফের চালু করা হয়েছে।আর সেই দাবিকে বাস্তবে রূপ দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন প্রধানমন্ত্রীর বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এবং বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির।বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইট নম্বর ইএ-২০৮ সোমবার (৬ জুলাই) সকাল ১১টা ৫০ মিনিটে ম্যানচেস্টার থেকে সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছাবে জানা গেছে। ফ্লাইটটির যাত্রীদের স্বাগত জানাতে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের বিমানবন্দরে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।গত ২৯ জানুয়ারি যুক্তরাজ্য বিএনপির নেতৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে অন্তর্বরতী সরকারের সাবেক নিরাপত্তা উপদেষ্টা এবং বিমান বাংলাদেশের পরিচালক ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন হুমায়ুন কবির।বৈঠকে ফ্লাইটটি বন্ধ হওয়ার কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা এবং রুটটি পুনরায় চালুর জন্য জোরালো দাবি উত্থাপন করা হয়। পরবর্তীতে জাতীয় নির্বাচনের মাত্র আট দিন আগে, ৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে হুমায়ুন কবির ঘোষণা দিয়ে ছিলেন, বিএনপি সরকার গঠন করলে সিলেট-ম্যানচেস্টার ফ্লাইট পুনরায় চালু করা হবে।নতুন সরকার গঠনের চার মাসের মাথায় এই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হলো। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর হুমায়ুন কবির বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিয়ে ধারাবাহিক সমন্বয় বজায় রাখেন।সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা, প্রতিমন্ত্রী রাশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং প্রধানমন্ত্রীর সদিচ্ছার ফলেই বহু প্রতীক্ষিত এই ফ্লাইটটি পুনরায় চালু করা সম্ভব হয়েছে।যুক্তরাজ্যে বসবাসরত সিলেটিদের জন্য এই রুট শুধু একটি বিমান যোগাযোগ নয়, এটি পরিবার-পরিজনের সঙ্গে সংযোগ, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং আবেগের এক গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধ। ফলে ফ্লাইটটি পুণরায় চালুর খবরে প্রবাসী সিলেটিদের মধ্যে স্বস্তি, আনন্দ ও উচ্ছ্বাসের সৃষ্টি হয়েছে।05/07/26, 12:37:2

ক্ষমতার রাজনীতির বাইরে সিপিসির অবস্থান: লি চুনরু

চীনের কমিউনিস্ট পার্টি-সিপিসির ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিশিষ্ট চীনা বিশেষজ্ঞ বলেছেন যে, প্রকৃতি ও উদ্দেশ্যের দিক থেকে সিপিসি পশ্চিমা রাজনৈতিক দলগুলো থেকে মৌলিকভাবে ভিন্ন। এক শতাব্দীর বেশি সময় ধরে দলটির টিকে থাকা এবং এর গতিশীলতা বজায় রাখার বিষয়টি নির্ভর করে এর মূল আকাঙ্ক্ষা ও প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যের প্রতি অবিচল এবং জনগণের বিশাল অংশের স্বার্থ রক্ষায় নিবেদিত থাকার ওপর।সিপিসি’র কেন্দ্রীয় কমিটির পার্টি স্কুলের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট লি চুনরু 'দ্য পাওয়ার অফ আইডিয়াস' শীর্ষক অনুষ্ঠানে দলের মূল বৈশিষ্ট্যগুলো তুলে ধরেন। চায়না গ্লোবাল টেলিভিশন নেটওয়ার্কের (সিজিটিএন) এই বিশেষ বক্তৃতা-মালার মূল লক্ষ্য হলো চীনের উন্নয়ন ও বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থাকে রূপদানকারী বিভিন্ন ধারণা বা চিন্তাধারা নিয়ে আলোচনা করা।সিপিসি’র ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর ঠিক আগের দিন, অর্থাৎ মঙ্গলবার প্রচারিত সিজিটিএনের ওই অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তৃতায় লি দলটির ঐতিহাসিক উৎপত্তি এবং এর স্বতন্ত্র রাজনৈতিক পরিচিতি সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রদান করেন।তিনি উল্লেখ করেন যে, পশ্চিমা রাজনৈতিক দলগুলো মূলত ক্ষমতার লড়াইয়ে লিপ্ত হওয়ার নির্বাচনী হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে; অন্যদিকে সিপিসি সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রকৃতির একটি দল।তিনি বলেন, "জাতীয় জাগরণ ও নবজাগরণের প্রেক্ষাপটে মার্কসবাদ- লেনিনবাদের সাথে চীনা শ্রমিক আন্দোলনের সমন্বয়ের মধ্য দিয়ে সিপিসির জন্ম হয়েছিল। ঐতিহাসিকভাবেই চীনা জনগণ 'দল' বলতে এমন কোনো গোষ্ঠীকে বোঝাতে অভ্যস্ত নয় যা কেবল মুষ্টিমেয় কিছু মানুষ নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিল ও ক্ষমতার লড়াইয়ের জন্য গঠন করে। 'কমিউনিস্ট ইশতেহার'-এর নীতিমালার ভিত্তিতে সিপিসি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, যার লক্ষ্য ছিল জনগণের বিশাল অংশের কল্যাণ সাধন। একইসাথে দলটির প্রতিষ্ঠার মূল নীতিগুলো চীনের চমৎকার ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির শিক্ষার সাথেও গভীরভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল। যদিও সিপিসির ইংরেজি অনুবাদে 'পার্টি' (দল) শব্দটি ব্যবহার করা হয়, তবুও এর অন্তর্নিহিত অর্থ বা তাৎপর্য সম্পূর্ণ ভিন্ন।"লি জোর দিয়ে বলেন যে, জনগণের কাছে দলের দীর্ঘস্থায়ী শক্তি ও বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখার স্বার্থে, দলের সদস্যদের মধ্যে ক্ষমতা ও বিশেষ সুবিধার যে ক্ষতিকর প্রলোভন কাজ করে, তার বিরুদ্ধে লড়াই করার দৃঢ় সংকল্প সিপিসি’র থাকতে হবে।তিনি বলেন, "চীনা জনগণের সুখ ও চীনা জাতির পুনরুজ্জীবন নিশ্চিত করাই কমিউনিস্ট পার্টি অফ চায়নার মূল লক্ষ্য ও প্রতিষ্ঠার আদর্শ। একই সাথে, সিপিসির সদস্যরা ভালোভাবেই জানেন যে সামনের পথ ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জে পূর্ণ। ক্ষমতাসীন দল হিসেবে, দলের সদস্য ও কর্মকর্তাদের মধ্যে ক্ষমতা ও ব্যক্তিগত লাভের যে দ্বৈত ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে পারে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকা এখন আরও বেশি জরুরি। তাই, সাধারণ সম্পাদক সি চিন পিং যেমনটি বলেছেন- কেবল নিজেদের মূল লক্ষ্যের প্রতি অবিচল থেকে, প্রতিষ্ঠার আদর্শকে দৃঢ়ভাবে মনে রেখে এবং নিরলসভাবে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার মাধ্যমেই কমিউনিস্ট পার্টি অফ চায়না চিরকাল তারুণ্যদীপ্ত ও প্রাণবন্ত থাকতে পারে।"তথ্য ও ছবি: সিসিটিভি।

কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে: নাজমুন নাহার বেবী

​২০২৫-২৬ অর্থবছরের খরিপ-২ মৌসুমের কৃষি পুনর্বাসন ও প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় চাঁদপুরের কচুয়ায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে রোপা আমন বীজ, সার ও ফলজ চারা বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া কুমিল্লা অঞ্চলে টেকসই কৃষি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় ৮৬ জন কৃষকের মাঝে আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ করা হয়।​শুক্রবার (২৬ জুন) দুপুরে কচুয়া উপজেলা কৃষি অফিস প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বিএনপি'র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও কেন্দ্রীয় মহিলা দলের সহ-সভাপতি নাজমুন নাহার বেবী। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, বর্তমান সরকার কৃষকবান্ধব সরকার। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ও কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এই প্রণোদনা প্রকৃত কৃষকদের মাঝে সঠিকভাবে পৌঁছে দেয়ার মাধ্যমেই কচুয়াসহ সারা দেশে কৃষিখাতে সমৃদ্ধি আসবে। তিনি আরও বলেন, কৃষি উপকরণের পাশাপাশি আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে উৎপাদন বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।​উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান রাসেলের সভাপতিত্বে ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তপু আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি খায়রুল আবেদীন স্বপন, সাধারণ সম্পাদক মাসুদ এলাহী সুবাস, কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুল ইসলাম।কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, কচুয়া উপজেলার মোট ১৩শ জন কৃষককে রোপা আমন ধানের বীজ, সার এবং বিভিন্ন প্রকার ফলজ ও বনজ চারা বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি টেকসই কৃষি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় ৮৬ জন কৃষকের হাতে হ্যান্ড স্প্রে মেশিন, ফিতা পাইপ, এলএলপি, রাইস ট্রান্সপ্লান্টার (ধান কাটার যন্ত্র), ভুট্টা মাড়াই যন্ত্র, ফুট পাম্প ও ধান মাড়াই যন্ত্র তুলে দেওয়া হয়।​এ সময় উপস্থিত ছিলেন, কচুয়া উত্তর অঞ্চলের সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মিয়াজী, উপজেলা যুবদলের সভাপতি আব্দুস সালাম শান্ত, সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর নবী সুমন, ছাত্রদলের উপজেলা সাধারণ সম্পাদক সম্রাট রইসুদ্দিন চৌধুরী, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার পাটোয়ারীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় কৃষকরা।ছবি: কৃষকের মাঝে কৃষি উপকরণ বিতরন করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও কেন্দ্রীয় মহিলা দলের সহ-সভাপতি নাজমুন নাহার বেবী।

১২ জুন ২০২৬, ০৭:৩৬ পিএম
অর্থমন্ত্রী-গভর্নর
র‍্যাব-পুলিশ দিয়ে মূল্যবৃদ্ধি ঠেকানো যাবে না, বেতন বাড়লে কমবে দুর্নীতি। আপনি কি তাই মনে করেন?

অর্থমন্ত্রী-গভর্নর র‍্যাব-পুলিশ দিয়ে মূল্যবৃদ্ধি ঠেকানো যাবে না, বেতন বাড়লে কমবে দুর্নীতি। আপনি কি তাই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

জার্সি উন্মোচনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করল ‘চকবাজার কিংস

রাজধানীর ক্রীড়াঙ্গনে নতুন সম্ভাবনার বার্তা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করেছে চকবাজার কিংস। জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে সংগঠনটির নতুন জার্সি উন্মোচন করা হয়। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথিবৃন্দ, ক্রীড়া সংগঠক, সমাজের বিশিষ্টজন, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং সংগঠনের সদস্যদের উপস্থিতিতে উৎসবের আমেজ বিরাজ করে।অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, তরুণ সমাজকে সুস্থ ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে খেলাধুলার গুরুত্ব অপরিসীম। নিয়মিত ক্রীড়াচর্চা শুধু শারীরিক সক্ষমতা বাড়ায় না, বরং শৃঙ্খলা, নেতৃত্বের গুণাবলি, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং সামাজিক দায়বদ্ধতাও গড়ে তোলে। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করবে চকবাজার কিংস।সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জানান, জার্সি উন্মোচনের এই আয়োজন একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা। ভবিষ্যতে বিভিন্ন ফুটবল টুর্নামেন্ট, যুব উন্নয়নমূলক কর্মসূচি, সমাজসেবা এবং মানবিক কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে সংগঠনটি তরুণদের জন্য একটি ইতিবাচক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।অনুষ্ঠান সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথিবৃন্দ, আমন্ত্রিত অতিথি, শুভাকাঙ্ক্ষী, সংগঠনের সদস্য এবং সার্বিকভাবে সহযোগিতাকারী সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন আয়োজকরা।এ সময় বিশেষভাবে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয় জনাব আলহাজ হামিদুর রহমান, সংসদ সদস্য (ঢাকা-৭) এবং হাজী মোঃ টিপু সুলতান, প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক, চকবাজার কিংস-এর প্রতি। তাঁদের মূল্যবান দিকনির্দেশনা, নিরবচ্ছিন্ন সহযোগিতা এবং অনুপ্রেরণায় সংগঠনের এ আয়োজন সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলে জানানো হয়।বক্তারা আরও বলেন, খেলাধুলার মাধ্যমে একটি সুস্থ, মাদকমুক্ত ও সম্প্রীতিপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। তাই ক্রীড়াকে কেন্দ্র করে তরুণদের ঐক্যবদ্ধ করার পাশাপাশি সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডেও নিয়মিত ভূমিকা রাখবে চকবাজার কিংস।আয়োজকদের বিশ্বাস, ধারাবাহিক ক্রীড়া আয়োজন, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং মানবিক উদ্যোগের মাধ্যমে চকবাজার কিংস অচিরেই দেশের অন্যতম সম্ভাবনাময় যুব ক্রীড়া সংগঠন হিসেবে নিজস্ব অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।

বুড়িচংয়ে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায়  প্রথম দিনে অনুপস্থিত ৬৯ জন

বুড়িচংয়ে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় প্রথম দিনে অনুপস্থিত ৬৯ জন

বৃহস্পতিবার  ২ জুলাই থেকে সারাদেশের ন্যায় কুমিল্লার শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা  অনুপস্থিত ৬৯ জন পরীক্ষার্থী।  প্রথম দিনের পরীক্ষায় উপজেলার পরীক্ষা কেন্দ্রে কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। পরীক্ষার পরিবেশ ছিল শান্ত সুশৃঙ্খল।উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৩ হাজার ১১৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬৯ জন ছিল অনুপস্থিত।  ইতোমধ্যে সুষ্ঠু, সুন্দর ও নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা গ্রহণে উপজেলা প্রশাসন ও শিক্ষা বিভাগের পক্ষ থেকে সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছিল।বুড়িচং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লা  শিক্ষা বোর্ডের অধীনে প্রথম দিনে বাংলা প্রথম পত্র, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের আলিম পরীক্ষায় কোরআন মাজিদ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার নির্ধারিত বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।উপজেলায় কুমিল্লা  শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১০টি কলেজের মোট ২ হাজার ৬৭৩ জন পরীক্ষার্থী ৫টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবেন। এর মধ্যে ছাত্র ১ হাজার ৩০১ জন এবং ছাত্রী ১ হাজার ৩৭২ জন।এর মধ্যে অনুপস্থিত ছিল ৪৫ জন পরীক্ষার্থী।মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে উপজেলার ১৫টি মাদ্রাসার ৩২০ জন পরীক্ষার্থী ২টি কেন্দ্রে আলিম পরীক্ষার্থীর  মধ্যে ছাত্র ১৩৯ জন এবং ছাত্রী ১৮১ জন। এর অনুপস্থিত ছিল ২১ জন।এছাড়া কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ফজলুর রহমান মেমোরিয়াল কলেজ অব টেকনোলজি কেন্দ্রে এইচএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় ১২৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্র ৮৬ জন এবং ছাত্রী ৩৯ জন। এর অনুপস্থিত ছিল ৩ জন।কোরপাই কাকিয়ার চর ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে পরিদর্শনে আসেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুল মান্নান, উপজেলা সহকারী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ আজিজুর রহমান, কেন্দ্র ভারপ্রাপ্ত  কর্মকর্তা মাওলানা অধ্যক্ষ সফিকুর রহমান সরকার, হলসুপার মাওলানা অধ্যক্ষ মুহাম্মদ রুহুল আমিন।পারুয়ারা আব্দুল মতিন খসরু কলেজে পরিদর্শন করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি, ফাবলিহা আনবার, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন অধ্যক্ষ আবু ইউসুফ ভূইয়া, উপজেলা প্রোগ্রামার মইন আল রশিদ।এদিকে বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা  মোঃ তানভীর হোসেন  বুড়িচং এরশাদ ডিগ্রী কলেজ, ফজলুর রহমান মেমোরিয়াল কলেজ অব টেকনোলজি সহ বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রে পরিদর্শন করে তিনি কেন্দ্রের পরিবেশ দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন। এসময় ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ,ফাবলিহা আনবার,উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুল মান্নান, বুড়িচং থানার ওসি মোহাম্মদ লুতফুর রহমান।

রাজধানীতে মানবাধিকার ও গণমাধ্যম কর্মীদের মাঝে সাদা সম্মাননা প্রদান

এশিয়া ছিন্নমূল মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে / রাজধানীতে মানবাধিকার ও গণমাধ্যম কর্মীদের মাঝে সাদা সম্মাননা প্রদান

এশিয়া ছিন্নমূল মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে রাজধানীতে মানবাধিকার ও গণমাধ্যম কর্মীদের মাঝে সাদা সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। রোববার সংগঠনটি চাঞ্চল্যকর অপরাধ প্রতিরোধে প্রশাসন ও গণমাধ্যমের ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা, গুণীজনদের সম্মাননা প্রদান ও মানবাধিকার কর্মীদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। রাজধানীর বাংলাদেশ শিশুকল্যাণ পরিষদে এ অনুষ্ঠানে মানবাধিকার ও গণমাধ্যম কর্মীদের মাঝে সাদা সম্মাননা  প্রদান করেছে এশিয়া ছিন্নমূল মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশন। সংগঠনের কেন্দ্রিয় চেয়ারম্যান মোঃ দুলাল মিয়ার সভাপতিত্বে সিনিয়র সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ দেলোয়ার হোসেন এর সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট লেখক, সাহিত্যিক সাবেক তথ্য ও সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ দীদার বখত। তিনি বলেন, আজকের প্রজন্ম জেগে উঠেছে, দেশের উন্নয়নে প্রেসক্লাব ইউনিটি ও হোসাইনিয়া পাক দরবার শরীফ আত্মনিবেদিত হয়ে বিশ্বমন্ডলে শান্তি কামনায় সম্মিলিত প্রচেষ্টা জাগ্রত করার আহ্বান জানান। সুপ্রিম কোর্ট সিনিয়র আইনজীবী লতিফুর রহমান সম্মিলিত মানবাধিকার কর্মীদের শপথ বাক্য পাঠ করান। ওয়ার্ল্ড মিডিয়া প্রেসক্লাব এর নতুন কমিটিকে সাথে নিয়ে ডা মাঈনুদ্দীন স্বেচ্ছাশ্রমে সাংবাদিকতা ও মানবাধিকার কাজে সম্পৃক্ত হতে ফুলেল শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন। উদ্ভাধনী আলোচনায় কেন্দ্রীয় প্রধান নির্বাহী পরিচালক ইন্জিনিয়র এম সোহেল আহমদ বলেন, দীর্ঘ সময়ে সংগঠনের সাথে রয়েছি, কখনো দায়িত্ব পালনে বিচলিত হইনি, আমৃত্যু আপনাদের পাশে থাকব ইনশাল্লাহ। এ সময় ঢাকা বিভাগীয় শাখা কমিটির নেতৃবৃন্দ তাদের হাততালিতে শুভেচ্ছা জানান। কেন্দ্রীয় সদস্য মোঃ শহীদুল ইসলাম, ফারুক আহমেদ মজুমদার, আনজার শাহ,আবু আহাদ আল মাহমুদ দীপু মীর, আলমগীর ওয়েচী, মোঃ জাকির হোসেন, আনছারুল হক, মোঃ শাকিল হাওলাদার স্বাধীন, বীরমুক্তিযোদ্ধা আমিনুল হক ভূঁইয়া, তাছলিমা আক্তার লিজা, হাসুরা বেগম, মোঃ মানিক মিয়া, ফুল চান্দ বাবু,নূরে আলম,নাছির উদ্দিন পলাশ,আহম উল্যাহ, কাজী নূরুল আজিম, মোঃ আবু সালেক ভূঁইয়া, এম জি বাবর ও  আবদুল কুদ্দুস প্রমুখ। সংগঠনের সাদা মনের সাদা সম্মাননা ১০ গুণীজনদের প্রদান শেষে সংগঠনের শুভাকাঙ্ক্ষীদের স্মরণ  ও জাতীর শান্তি কামনায় মিলাদ ও দোয়া কামনা করা হয়।

কচুয়ায় প্রবাসী ফোরামের উদ্যোগে ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স প্রদান

কচুয়ায় প্রবাসী ফোরামের উদ্যোগে ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স প্রদান

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার সাধারণ মানুষের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। উপজেলার  বিতারা ইউনিয়ন জাতীয়তাবাদী প্রবাসী ফোরামের অর্থায়নে বিনামূল্যে  একটি অ্যাম্বুলেন্স  প্রদান  করা হয়েছে। ​শনিবার (২৭ জুন ২০২৬) বিকেলে এ উপলক্ষ্যে স্থানীয় মাঝিগাছা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এম্বুলেন্স  হস্তান্তর করা হয়। মানবিক এই মহতি উদ্যোগটির অর্থায়নে ছিলেন স্থানীয় মাঝিগাছা গ্রামের অধিবাসী  মো. কামরুজ্জামান মজুমদার (জামাল)।বিতারা ইউনিয়ন জাতীয়তাবাদী প্রবাসী ফোরামের উপদেষ্টা শাহজাহান চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সংগঠনের সহ-সভাপতি মো. তাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উক্ত হস্তান্তর অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও মহিলা কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি নাজমুন নাহার বেবী। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, প্রবাসী ভাইদের এই উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। দুর্যোগ ও জরুরি মুহূর্তে এই অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস এলাকার মানুষের চিকিৎসাসেবা প্রাপ্তিতে বড় ভূমিকা রাখবে। তিনি আরও বলেন, অত্র এলাকার অসহায় ও দুস্থ রোগীদের জরুরি প্রয়োজনে এই অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস ২৪ ঘণ্টা সেবা প্রদান করবে। স্থানীয়রা জানান, স্পেন প্রবাসী, বিতারা ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী কামরুজ্জামান মজুমদার মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে একটি অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু করেছে। এই অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে স্বল্প খরচে বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্তে রোগী পরিবহন করা যাবে। বিশেষ করে অসহায়, দরিদ্র, গর্ভবতী মা, জরুরি রোগী ও বিপদগ্রস্ত মানুষের জন্য এই সেবা হবে আশার আলো। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কচুয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. খায়রুল আবেদীন স্বপন, সাধারণ সম্পাদক মো. মাসুদ এলাহি সুভাস, সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার (কচুয়া সার্কেল)মোঃ আব্দুল হাই চৌধুরী, কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আজিজুল ইসলাম, উত্তর কচুয়া বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. ইউসুফ মিয়াজী, কচুয়া উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর আলম মজুমদার, মো. মকবুল হোসেন পাটোয়ারী এবং মো. ইউসুফ খানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা।

বরুড়া উপজেলা জনকল্যাণ সমিতির উদ্যোগে ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

বরুড়া উপজেলা জনকল্যাণ সমিতির উদ্যোগে ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

কুমিল্লার বরুড়া উপজেলা জনকল্যাণ সমিতির উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার ২৬ জুন উপজেলার ঝলম ইউনিয়নের মহিদপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বরুড়া উপজেলা জনকল্যাণ সমিতি, ঢাকা কৰ্তৃক আয়োজিত বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা, স্বাস্থ্য সেবা ও রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। চক্ষু চিকিৎসা সেবা কার্যক্রমে সার্বিক সহযোগিতা করছেন বাংলাদেশ জাতীয় অন্ধকল্যাণ সমিতি, কুমিল্লা ও শংকর হাসপাতাল। আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতা করেছে ফ্রেন্ডস ব্লাড ব্যাংক, মহিদপুর গ্রামবাসী এবং প্রফেসর ডাক্তার রুহুল আমিন রুরাল ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির অধ্যক্ষ ইয়াসিন মিয়া ও শিক্ষার্থীরা। এসময় উপস্থিত ছিলেন, সমিতির সভাপতি ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অতিরিক্ত সচিব মো. শাহ আলম, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মনির হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুস সামাদ, সাবেক সহ সভাপতি আলহাজ্ব মো.আমির হোসেন ভূঁইয়া,  সহ-সভাপতি মো. মিজানুর রহমান জেড. এইচ. জহির, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুল আমিন, দপ্তর সম্পাদক মো. কামাল হোসেন, শিক্ষা ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মেহেদী হাসান শিশির, কার্যনির্বাহী সদস্য মো. কামাল হোসেন ভূঁইয়া, মেহেদী হাসান, ইঞ্জিনিয়ার আবুল কালাম আজাদ, আজীবন সদস্য ও সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার মোশাররফ হোসেন, ডাক্তার মোঃ মুজাহিদুল ইসলাম এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবৰ্গরা উপস্থিত ছিলেন।এদিন প্রায় সহস্রাধিক রোগী বিনামূল্যে চিকিৎসা সহযোগিতা পাওয়ার পাশাপাশি ১৩২ জন রোগীর ছানি অপারেশন করার ব্যবস্থা করা হয়।

বরুড়ায় ৭৩ হাজার শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে

বরুড়ায় ৭৩ হাজার শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে

আগামী ২৮ জুন কুমিল্লার বরুড়ায়  ৭৩ হাজার শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।বৃহস্পতিবার জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কতৃক আয়োজিত এক প্রস্তুতি সভায় এ তথ্য জানানো হয়।সভায় আরো জানানো হয়, এবছর ৬ থেকে ১১ মাস বয়সের ৮ হাজার ৯০০ শিশু ও ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সের ৬৪ হাজার ৩০০ শিশুকে ৪০৮ টি ইপিআই সাবব্লক, ১ টি স্থায়ী কেন্দ্র সহ মোট ৪০৯ টি টিকা কেন্দ্রে ভিটামিন এ খাওয়ানো হবে।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান রনি"র সভাপতিত্বে এসব কথা বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মো: মাজেদুর রহমান। সভা অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বরুড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি কামরুজ্জামান জনি, সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াছ আহমদ সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।

বরুড়ায় ২৬ জুন বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা শিবির, অপারেশনসহ থাকবে নানা সুবিধা

বরুড়ায় ২৬ জুন বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা শিবির, অপারেশনসহ থাকবে নানা সুবিধা

আগামী ২৬ জুন ২০২৬, শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার ঝলম ইউনিয়নের মহিদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একটি বিনামূল্যের চক্ষু চিকিৎসা শিবির অনুষ্ঠিত হবে।বাংলাদেশ অন্ধকল্যাণ সমিতি, কুমিল্লা ও চক্ষু হাসপাতাল শংকর, আলেখারচর, বিশ্বরোড, কুমিল্লার পরিচালনায় এবং বরুড়া উপজেলা জনকল্যাণ সমিতি, ঢাকার ব্যবস্থাপনায় এই চিকিৎসা শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে।শিবিরে চক্ষু রোগীদের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় ঔষধ প্রদান করা হবে। এছাড়াও যেসব রোগীর অপারেশনের প্রয়োজন হবে, তাদেরকে সেদিনই চক্ষু হাসপাতালের নিজস্ব গাড়িতে কুমিল্লায় নিয়ে যাওয়া হবে। রোগীদের জন্য যাতায়াত, থাকা-খাওয়া, সেবাযত্ন এবং চশমা প্রদানের ব্যবস্থাও বিনামূল্যে করা হবে বলে আয়োজকরা জানিয়েছেন।আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে বরুড়া উপজেলার প্রায় প্রতিটি গ্রামে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন গড়ে উঠেছে। এসব সংগঠনের সদস্যরা যদি নিজ নিজ এলাকার চক্ষু রোগীদের সংগঠিত করে চিকিৎসা শিবিরে নিয়ে আসেন, তাহলে অধিকসংখ্যক রোগী চিকিৎসাসেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন এবং মানবিক কাজে অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি হবে।এ বিষয়ে বরুড়া উপজেলা জনকল্যাণ সমিতি, ঢাকার সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবদুস সামাদ সকল স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সংগঠনের সদস্যদের নিজ নিজ এলাকার চক্ষু রোগীদের চিকিৎসা শিবিরে নিয়ে আসার জন্য বিনীত আহ্বান জানিয়েছেন।যোগাযোগ:মোঃ আবদুস সামাদসাবেক সাধারণ সম্পাদকবরুড়া উপজেলা জনকল্যাণ সমিতি, ঢাকামোবাইল: ০১৭১৮-৫৬৯৭৮০

কচুয়ায় প্রবাসী ফোরামের উদ্যোগে ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স প্রদান

কচুয়ায় প্রবাসী ফোরামের উদ্যোগে ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স প্রদান

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার সাধারণ মানুষের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। উপজেলার  বিতারা ইউনিয়ন জাতীয়তাবাদী প্রবাসী ফোরামের অর্থায়নে বিনামূল্যে  একটি অ্যাম্বুলেন্স  প্রদান  করা হয়েছে। ​শনিবার (২৭ জুন ২০২৬) বিকেলে এ উপলক্ষ্যে স্থানীয় মাঝিগাছা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এম্বুলেন্স  হস্তান্তর করা হয়। মানবিক এই মহতি উদ্যোগটির অর্থায়নে ছিলেন স্থানীয় মাঝিগাছা গ্রামের অধিবাসী  মো. কামরুজ্জামান মজুমদার (জামাল)।বিতারা ইউনিয়ন জাতীয়তাবাদী প্রবাসী ফোরামের উপদেষ্টা শাহজাহান চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সংগঠনের সহ-সভাপতি মো. তাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উক্ত হস্তান্তর অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও মহিলা কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি নাজমুন নাহার বেবী। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, প্রবাসী ভাইদের এই উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। দুর্যোগ ও জরুরি মুহূর্তে এই অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস এলাকার মানুষের চিকিৎসাসেবা প্রাপ্তিতে বড় ভূমিকা রাখবে। তিনি আরও বলেন, অত্র এলাকার অসহায় ও দুস্থ রোগীদের জরুরি প্রয়োজনে এই অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস ২৪ ঘণ্টা সেবা প্রদান করবে। স্থানীয়রা জানান, স্পেন প্রবাসী, বিতারা ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী কামরুজ্জামান মজুমদার মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে একটি অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু করেছে। এই অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে স্বল্প খরচে বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্তে রোগী পরিবহন করা যাবে। বিশেষ করে অসহায়, দরিদ্র, গর্ভবতী মা, জরুরি রোগী ও বিপদগ্রস্ত মানুষের জন্য এই সেবা হবে আশার আলো। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কচুয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. খায়রুল আবেদীন স্বপন, সাধারণ সম্পাদক মো. মাসুদ এলাহি সুভাস, সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার (কচুয়া সার্কেল)মোঃ আব্দুল হাই চৌধুরী, কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আজিজুল ইসলাম, উত্তর কচুয়া বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. ইউসুফ মিয়াজী, কচুয়া উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর আলম মজুমদার, মো. মকবুল হোসেন পাটোয়ারী এবং মো. ইউসুফ খানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা।