মুক্তির লড়াই
সর্বশেষ

বঙ্গোপসাগরে সাবমেরিন মোতায়েনের পরিকল্পনা নিয়েছে পাকিস্তান

বাংলাদেশ: বঙ্গোপসাগরে সাবমেরিন মোতায়েন করার পরিকল্পনা নিয়েছে পাকিস্তান। দেশটির নৌবাহিনীর কর্মকর্তা কমোডর ওমর ফারুক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।সম্প্রতি পাকিস্তানের নৌবাহিনীর জন্য ‘পিএনএস হ্যাঙ্গর’ নামের একটি সাবমেরিন তৈরি করেছে চীন। পাকিস্তানের নৌবাহিনী ইতোমধ্যে সেই সাবমেরিনটিকে কমিশনও (আনুষ্ঠানিক অন্তর্ভুক্তি) করেছে। সাবমেরিনটিকে নিয়ে আসতে নৌবাহিনীর একটি বহর নিয়ে চীনে গিয়েছিলেন কমোডর ওমর ফারুক। ফিরে আসার পথে শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোতে যাত্রাবিরতি দেন তিনি। সেখানে শ্রীলঙ্কার দৈনিক দ্য মর্নিংকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ওমর ফারুক বলেন, হ্যাঙ্গর-শ্রেণির সাবমেরিন অন্তর্ভুক্তি পাকিস্তানকে বঙ্গোপসাগরে নিজেদের উপস্থিতি বজায় রাখার সক্ষমতা দেবে।“পিএনএস হ্যাঙ্গর সিরিজের আরও ৭টি সাবমেরিন শিগগিরই পাকস্তিানের নৌবাহিনীকে অন্তর্ভুক্ত হবে।  এই সিরিজের সাবমেরিনগুলো বঙ্গোপসাগরে পাকিস্তানের উপস্থিতি বজায় রাখবে। ”, দ্য মর্নিংকে বলেছেন কমোডর ফারুক।১৯৭১ সালের আগ পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরে পাকিস্তানি সাবমেরিন মোতায়েন ছিল। সেটির নামও ছিল পিএনএস হ্যাঙ্গর। ১৯৭১ সালের যুদ্ধে বঙ্গোপসাগরে ভারতীয় নৌবাহিনীর সাবমেরিন আইএনএস খুকরিকে ডুবিয়ে দিয়েছিল পিএনএস হ্যাঙ্গর।তবে সেই যুদ্ধে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ বাহিনীর কাছে পরাজয়ের পর বঙ্গপোসাগর ছেড়ে চলে যায় পাকিস্তান। এতদিন মূলত উত্তর আরব সাগরেই সীমাবদ্ধ ছিল পাকিস্তানি নৌবাহিনীর উপস্থিতি।অন্যদিকে, বঙ্গোপসাগর ঐতিহ্যগতভাবে এমন একটি এলাকা যেখানে ভারত উল্লেখযোগ্য ভৌগোলিক এবং কৌশলগত সুবিধা ভোগ করে। বিশাখাপত্তনমে ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় নৌ কমান্ডের অবস্থান এবং আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের কাছাকাছি হওয়ায়, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পণ্য ও জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য বঙ্গোপসাগর ক্রমশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।এই বিস্তৃত জলরাশি, যার উপকূলবর্তী রাষ্ট্রগুলো হলো ভারত, বাংলাদেশ, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া এবং শ্রীলঙ্কা। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে প্রতিদ্বন্দ্বী অন্যান্য নৌ শক্তিগুলোর উত্থানের মধ্যেও এই দেশগুলোর ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব অনেক।এ কারণেই শ্রীলঙ্কায় পাকিস্তানি নৌবাহিনীর একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার করা মন্তব্যটি তাৎপর্যপূর্ণ।দ্য মর্নিংকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কমোডর ফারুক পিএনএস হ্যাঙ্গরকে একটি ‘গেম চেঞ্জার’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং উল্লেখ করেছেন যে, পাকিস্তান এই শ্রেণির আটটি সাবমেরিন অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা করছে।গত ৭ জুন এই সংবাদটি প্রকাশ করেছে দ্য মর্নিং।উল্লেখ্য, বঙ্গোপসাগর কোনো একটি দেশের আঞ্চলিক সমুদ্রসীমা নয়। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, উপকূলীয় রাষ্ট্রগুলো তাদের উপকূলরেখা থেকে ১২ নটিক্যাল মাইল (২২ কিমি) পর্যন্ত বিস্তৃত আঞ্চলিক সমুদ্রসীমার উপর সার্বভৌমত্ব এবং ২০০ নটিক্যাল মাইল (৩৭০ কিমি) পর্যন্ত বিস্তৃত একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চলের (এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোন) ওপর সার্বভৌম অধিকার প্রয়োগ করে।এই সীমার বাইরে রয়েছে আন্তর্জাতিক জলসীমা, যেখানে এমনকি বিদেশি সামরিক জাহাজগুলোও মূলত অবাধে চলাচল করতে পারে।গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন (Yao Wen)।আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুন ২০২৬) সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।বৈঠকের শুরুতে চীনের রাষ্ট্রদূত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ২০২৬ -২০২৭ সেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের প্রার্থী ড. খলিলুর রহমান নির্বাচিত হওয়ায় বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানান।বৈঠকে চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়।বিশেষ করে ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কারিগরি শিক্ষা এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।

অস্ট্রেলিয়ায় চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অনলাইনে প্রতারণা: গ্রেফতার দুই

অস্ট্রেলিয়ায় চাকরি ও স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে এক প্রবাসীর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় ০২ (দুই) জন প্রতারককে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।গ্রেফতারকৃতরা হলো- (১) মো. রাকিবুল হোসেন (২৬), পিতা- মো. আনিছুর রহমান, মাতা- মোছা. রশিদা বানু, সাং- আইসঢাল, হাজীপাড়া, ইউনিয়ন-কামারপুকুর, থানা-সৈয়দপুর, জেলা-নীলফামারী ও (২) মো. রনি ইসলাম @ খাজা মোহাম্মদ আলী (১৯), পিতা- মো. রফিকুল ইসলাম, মাতা- মোছা. ময়না খাতুন, স্থায়ী ঠিকানা- মৌলভীপাড়া, ডাকঘর-ফাজিলপুর, থানা-তারাগঞ্জ, জেলা-রংপুর। সাইবার পুলিশ সেন্টারের (সিপিসি) সাইবার ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড অপারেশনস এর একটি চৌকশ আভিযানিক দল গত ১৭/০৬/২০২৬ খ্রি. তারিখে নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর থানাধীন কামারপুকুর বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে অপরাধকার্যে ব্যবহৃত ০৬টি মোবাইল ফোন এবং ১২টি সিম কার্ড জব্দ করা হয়।মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বাদীর মামা ভুক্তভোগী একজন ওমান প্রবাসী। ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে ভুক্তভোগীর পূর্বপরিচিত এক ব্যক্তি তার সঙ্গে যোগাযোগ করে জানায় বাংলাদেশ থেকে লোক নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে থাকেন। যোগাযোগকারী পূর্ব পরিচিত ব্যক্তির ‘খাজা মোহাম্মদ আলী’ এক অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী বন্ধুও এ কাজের সাথে জড়িত রয়েছে মর্মে জানিয়ে তার সাথে যোগাযোগ করিয়ে দেন। পরবর্তীতে কথিত অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী বন্ধু ‘খাজা মোহাম্মদ আলী’ ভুক্তভোগীর সঙ্গে মোবাইল ফোন, ইমু, হোয়াটসঅ্যাপ ও মেসেঞ্জারের মাধ্যমে যোগাযোগ করে অস্ট্রেলিয়ায় নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় এবং বিভিন্ন প্রসেসিং, অনলাইন আবেদন, ফরম পূরণ ও ভিসা সংক্রান্ত খরচের কথা বলে অর্থ দাবি করে। প্রথম ধাপে সরল বিশ্বাসে ভুক্তভোগী ধাপে ধাপে বিভিন্ন বিকাশ নম্বরে মোট ১ লক্ষ ৪৬ হাজার ৪০০ টাকা প্রেরণ করেন। পরবর্তীতে আরও অর্থ আদায়ের উদ্দেশ্যে প্রতারক কর্তৃক একটি ব্যাংক হিসাব নম্বরও সরবরাহ করা হয়। কিন্তু দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ার পরও অস্ট্রেলিয়ায় যাওয়ার কোনো ব্যবস্থা করা হয়নি। বরং ‘খাজা মোহাম্মদ আলী’সহ অন্যান্য যোগাযোগকারীদের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরগুলো বন্ধ পাওয়া যায় এবং তাদের সঙ্গে ভুক্তভোগীর সকল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তখন ভুক্তভোগী বুঝতে পারেন যে তিনি একটি সংঘবদ্ধ পরিকল্পিত প্রতারণার শিকার হয়েছেন।এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে তার ভাগ্নে বাদী হয়ে যাত্রাবাড়ী (ডিএমপি) থানায় মামলা নং-০৪, তারিখ ০২/০৬/২০২৬ খ্রি., ধারা-৪০৬/৪২০ পেনাল কোডে মামলা দায়ের করেন। মামলাটির তদন্তে সিআইডি জানতে পারে যে, গ্রেফতারকৃত রনি ইসলাম নিজেকে ‘খাজা মোহাম্মদ আলী’ নামে অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী পরিচয় দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভুয়া ফেসবুক পেজ পরিচালনা করত। পেজটিতে অস্ট্রেলিয়ায় চাকরি, ওয়ার্ক পারমিট ও অভিবাসন সংক্রান্ত আকর্ষণীয় ভিডিওসহ প্রচারণা চালিয়ে সাধারণ মানুষকে প্রলুব্ধ করে আসছিল। একই সঙ্গে বিদেশি নম্বর ব্যবহার করে যোগাযোগের জন্য অনলাইনে অস্ট্রেলিয়ান নম্বরভিত্তিক ইমু অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা হতো, যাতে ভুক্তভোগীরা প্রক্রিয়াটি বিশ্বাসযোগ্য মনে করে সহজেই প্রতারণার ফাঁদে পা দেয়।তদন্তে আরও জানা যায়, গ্রেফতারকৃত রাকিবুল হোসেন প্রতারণার মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ বিভিন্ন মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টে গ্রহণ, স্থানান্তর এবং লেনদেন ব্যবস্থাপনায় সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করত। তারা পরস্পর যোগসাজশে দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে চাকরি দেওয়ার নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে আসছিল। পরবর্তীতে প্রাপ্ত তথ্য প্রযুক্তি দ্বারা বিশ্লেষণ ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্ত মো. রাকিবুল হোসেন ও মো. রনি ইসলামদ্বয়কে গ্রেফতার করে সিপিসি ।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রতারণামূলক কার্যক্রমে জড়িত থাকার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। মামলাটির তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং চক্রের অন্যান্য সদস্যদের সনাক্ত ও গ্রেফতারের লক্ষ্যে সিআইডির অভিযান চলমান রয়েছে। গ্রেফতারকৃতদেরকে  বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলমান।বর্তমানে মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছে সাইবার পুলিশ সেন্টার (সিপিসি)।বিদেশে কর্মসংস্থান বা অভিবাসনের সুযোগের কথা বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কিংবা অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে প্রতারণার ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিদেশে চাকরি বা অভিবাসন সংক্রান্ত যেকোনো প্রস্তাব গ্রহণের পূর্বে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান, নিয়োগকারী সংস্থা এবং ভিসা প্রক্রিয়া সম্পর্কে যথাযথ যাচাই-বাছাই করার জন্য সিআইডির পক্ষ হতে জনগণকে অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

অস্ট্রেলিয়ায় চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অনলাইনে প্রতারণা: গ্রেফতার দুই

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটার রিচার্জ টাকেন নিয়ে চরম ভোগান্তি

সিলেটে বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটার রিচার্জ টাকেন নিয়ে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। টাকা রিচার্জের পর  দেওয়া হচ্ছে অস্বাভাবিক পরিমানের ডিজিট। রিচার্জের পর ৮০ থেকে ২৪০ সংখ্যার টোকেন নাম্বার আসছে। এতো বিপুল সংখ্যক নাম্বার তুলতে ভুল হচ্ছে বেশির ভাগের গ্রাহকরেই।নাম্বার তুলতে ভুল হওয়ায় অনেকের মিটার লকও হয়ে যাচ্ছে। মিটার সচল করতেও গুণতে হচ্ছে বাড়তি টাকা। এতে রয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগের অসহযোগীতার অভিযোগ।তবে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড বলছে, ইউনিট মূল্য নতুন ভাবে নির্ধারিত হওয়ায় এই ভোগান্তি। গ্রাহকদের সাধ্য অনুযায়ী সাহায্য করার কথা জানান তারা।গ্রাহকদের অভিযোগ, দীর্ঘ এই টোকেন নম্বর মিটারে প্রবেশ করাতে গিয়ে বারবার ভুল হচ্ছে। ফলে অনেক ক্ষেত্রে রিচার্জ সম্পন্ন হচ্ছে না, আবার কারও কারও মিটার লক হয়ে যাচ্ছে। এতে ভ্যাপসা গরমের মধ্যে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় কাটাতে হচ্ছে তাদের।এদিকে, হঠাৎ কর্তৃপক্ষের এমন সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেক গ্রাহকরা। ভুক্তভোগী কয়েকজন গ্রাহক জানান, রিচার্জের পর গ্রাহকদের মোবাইলে প্রায় ২০০ ডিজিটের টোকেন পাঠানো হচ্ছে। দীর্ঘ নম্বর মিটারে প্রবেশ করাতে গিয়ে অনেকেই একাধিকবার ভুল করছেন এবং এতে নতুন করে দুর্ভোগ তৈরি হয়েছে।গ্রাহকরা জানান, প্রিপেইড মিটার রিচার্ডের পর অস্বাভাবিক লম্বা ডিজিটের টোকেন আসছে মাসেজে। সংখ্যাটা ষাট থেকে দুশো চশ্লিশ পর্যন্ত। যা ইনস্টলেশনে ঘাম ঝড়াতে হচ্ছে দক্ষ গ্রাহকদেরই। আর, যারা একটু বয়স্ক কিংবা অনভিজ্ঞ তাদেরতো কথাই নেই। কখনো লক হয়ে যাচ্ছে মিটার। ফলে, তীব্র গরমে বিদ্যুৎহীন থাকতে হচ্ছে ঘন্টার পর ঘন্টা।নগরীর হবিনন্দী এলাকার বাসিন্দা ওয়াসিম আহমদ বলেন, মিটারে টাকা রিচার্জের পরে প্রায় ২৪০ ডিজিটের একটি টোকেন  দেওয়া হয়েছে। এই নম্বর কয়েকবার চেষ্টা করেও মিটারে ইনস্টল করতে পারিনি। সমস্যা যখন এতোটাই গভীর, তখন অভিযোগ, বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তাদের অসহযোগীতার।যদিও বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড বলছে, বিদ্যুতের মূল্যহার পরিবর্তন হওয়ায় আবাসিক প্রিপেইড মিটারে ৬টি ধাপে বিল হিসাব হয় এবং প্রতিটি ধাপের ইউনিট মূল্য নতুন ভাবে নির্ধারিত হয়েছে। মিটারে এই আপডেট কার্যকর করতে সাধারণ রিচার্জ  টোকেনের পাশাপাশি একটি অতিরিক্ত টোকেন পাঠানো হচ্ছে। তবে গ্রাহকদের সাধ্য অনুযায়ী সাহায্য করার কথা জানান এই কর্মকর্তা।সিলেট বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ -২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বৈদ্যুতিক মিটারের ট্যারিফ পরিবর্তন করার কারণে গ্রাহকদের একবার দীর্ঘ টোকেন ব্যবহার করতে হচ্ছে। একবার সতর্কতার সঙ্গে টোকেনটি সঠিকভাবে রিচার্জ করলে মিটার নতুন ট্যারিফ বুঝে যাবে। এবং পরবর্তী রিচার্জে পুনরায় স্বাভাবিক টোকেন পাওয়া যাবে।তিনি বলেন, এই সমস্যা নিয়ে যারা আমাদের কাছে সাহায্যের জন্য আসছেন তাদের সাধ্যমত সহায়তা করছি। এদিকে, বিদ্যুৎ বিতরণকারী সংস্থা নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসির (নেসকো) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এটি কোনো ত্রুটি বা অস্বাভাবিক ঘটনা নয়। নতুন বিদ্যুৎ ট্যারিফ কার্যকর করার জন্যই দেওয়া হচ্ছে অতিরিক্ত এই টোকেন।সংস্থাটি জানায়, আবাসিক প্রিপেইড মিটার গুলোতে ৬ ধাপে বিদ্যুৎ বিল হিসাব করা হয়। সরকারের সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রায় প্রতিটি ধাপের ইউনিট মূল্য পরিবর্তন হয়েছে। মিটারে নতুন মূল্যহার কার্যকর করতে গ্রাহকদের রিচার্জ টোকেনের সঙ্গে অতিরিক্ত টোকেন পাঠানো হচ্ছে।নেসকো কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই টোকেন পাওয়া মানেই মিটারে কোনো সমস্যা হয়েছে এমনটি নয়। বরং এটি নতুন ট্যারিফ হালনাগাদের একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। টোকেন প্রবেশ করানোর ক্ষেত্রেও বিশেষ নিয়ম অনুসরণ করতে হবে।কর্তৃপক্ষ আরো জানায়, এসএমএস বা সংশ্লিষ্ট পোর্টালে দেওয়া ২২০ ডিজিটের টোকেন প্রতি ২০ ডিজিট পরপর কমা (,) দিয়ে ভাগ করা থাকে। প্রাহকদের প্রথম ২০ ডিজিট মিটারে প্রবেশ করিয়ে সবুজ বাটন বা ‘এন্টার’ চাপতে হবে। এরপর পরবর্তী ২০ ডিজিট একইভাবে পর্যায়ক্রমে প্রবেশ করাতে হবে। সবগুলো অংশ সফল ভাবে প্রবেশ করানোর পর মিটারে ব্যালান্স যোগ হবে এবং নতুন বিদ্যুৎ ট্যারিফ কার্যকর হবে।

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটার রিচার্জ টাকেন নিয়ে চরম ভোগান্তি
বঙ্গোপসাগরে সাবমেরিন মোতায়েনের পরিকল্পনা নিয়েছে পাকিস্তান

বঙ্গোপসাগরে সাবমেরিন মোতায়েনের পরিকল্পনা নিয়েছে পাকিস্তান

বাংলাদেশ: বঙ্গোপসাগরে সাবমেরিন মোতায়েন করার পরিকল্পনা নিয়েছে পাকিস্তান। দেশটির নৌবাহিনীর কর্মকর্তা কমোডর ওমর ফারুক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।সম্প্রতি পাকিস্তানের নৌবাহিনীর জন্য ‘পিএনএস হ্যাঙ্গর’ নামের একটি সাবমেরিন তৈরি করেছে চীন। পাকিস্তানের নৌবাহিনী ইতোমধ্যে সেই সাবমেরিনটিকে কমিশনও (আনুষ্ঠানিক অন্তর্ভুক্তি) করেছে। সাবমেরিনটিকে নিয়ে আসতে নৌবাহিনীর একটি বহর নিয়ে চীনে গিয়েছিলেন কমোডর ওমর ফারুক। ফিরে আসার পথে শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোতে যাত্রাবিরতি দেন তিনি। সেখানে শ্রীলঙ্কার দৈনিক দ্য মর্নিংকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ওমর ফারুক বলেন, হ্যাঙ্গর-শ্রেণির সাবমেরিন অন্তর্ভুক্তি পাকিস্তানকে বঙ্গোপসাগরে নিজেদের উপস্থিতি বজায় রাখার সক্ষমতা দেবে।“পিএনএস হ্যাঙ্গর সিরিজের আরও ৭টি সাবমেরিন শিগগিরই পাকস্তিানের নৌবাহিনীকে অন্তর্ভুক্ত হবে।  এই সিরিজের সাবমেরিনগুলো বঙ্গোপসাগরে পাকিস্তানের উপস্থিতি বজায় রাখবে। ”, দ্য মর্নিংকে বলেছেন কমোডর ফারুক।১৯৭১ সালের আগ পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরে পাকিস্তানি সাবমেরিন মোতায়েন ছিল। সেটির নামও ছিল পিএনএস হ্যাঙ্গর। ১৯৭১ সালের যুদ্ধে বঙ্গোপসাগরে ভারতীয় নৌবাহিনীর সাবমেরিন আইএনএস খুকরিকে ডুবিয়ে দিয়েছিল পিএনএস হ্যাঙ্গর।তবে সেই যুদ্ধে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ বাহিনীর কাছে পরাজয়ের পর বঙ্গপোসাগর ছেড়ে চলে যায় পাকিস্তান। এতদিন মূলত উত্তর আরব সাগরেই সীমাবদ্ধ ছিল পাকিস্তানি নৌবাহিনীর উপস্থিতি।অন্যদিকে, বঙ্গোপসাগর ঐতিহ্যগতভাবে এমন একটি এলাকা যেখানে ভারত উল্লেখযোগ্য ভৌগোলিক এবং কৌশলগত সুবিধা ভোগ করে। বিশাখাপত্তনমে ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় নৌ কমান্ডের অবস্থান এবং আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের কাছাকাছি হওয়ায়, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পণ্য ও জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য বঙ্গোপসাগর ক্রমশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।এই বিস্তৃত জলরাশি, যার উপকূলবর্তী রাষ্ট্রগুলো হলো ভারত, বাংলাদেশ, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া এবং শ্রীলঙ্কা। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে প্রতিদ্বন্দ্বী অন্যান্য নৌ শক্তিগুলোর উত্থানের মধ্যেও এই দেশগুলোর ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব অনেক।এ কারণেই শ্রীলঙ্কায় পাকিস্তানি নৌবাহিনীর একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার করা মন্তব্যটি তাৎপর্যপূর্ণ।দ্য মর্নিংকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কমোডর ফারুক পিএনএস হ্যাঙ্গরকে একটি ‘গেম চেঞ্জার’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং উল্লেখ করেছেন যে, পাকিস্তান এই শ্রেণির আটটি সাবমেরিন অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা করছে।গত ৭ জুন এই সংবাদটি প্রকাশ করেছে দ্য মর্নিং।উল্লেখ্য, বঙ্গোপসাগর কোনো একটি দেশের আঞ্চলিক সমুদ্রসীমা নয়। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, উপকূলীয় রাষ্ট্রগুলো তাদের উপকূলরেখা থেকে ১২ নটিক্যাল মাইল (২২ কিমি) পর্যন্ত বিস্তৃত আঞ্চলিক সমুদ্রসীমার উপর সার্বভৌমত্ব এবং ২০০ নটিক্যাল মাইল (৩৭০ কিমি) পর্যন্ত বিস্তৃত একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চলের (এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোন) ওপর সার্বভৌম অধিকার প্রয়োগ করে।এই সীমার বাইরে রয়েছে আন্তর্জাতিক জলসীমা, যেখানে এমনকি বিদেশি সামরিক জাহাজগুলোও মূলত অবাধে চলাচল করতে পারে।গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন (Yao Wen)।আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুন ২০২৬) সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।বৈঠকের শুরুতে চীনের রাষ্ট্রদূত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ২০২৬ -২০২৭ সেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের প্রার্থী ড. খলিলুর রহমান নির্বাচিত হওয়ায় বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানান।বৈঠকে চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়।বিশেষ করে ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কারিগরি শিক্ষা এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।

জনগণের সুন্দর জীবনের স্বপ্ন বাস্তবায়নে অবিচল সি চিন পিং

১৯৭৪ সালে, তরুণ সি চিন পিং, শ্যানসি প্রদেশের লিয়াংচিয়াহে গ্রামে চীনা কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগ দেন এবং উত্পাদন ব্রিগেডের সিপিসি সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সে সময় লিয়াংচিয়াহের জমি ছিল অনুর্বর। সম্পাদক হওয়ার পর, তিনি গ্রামের মানুষের সঙ্গে মিলে পলি-ধারণ বাঁধ নির্মাণ করেন। তখন তিনি বলেছিলেন, “এখানে বাঁধ তৈরি হলে সেচযোগ্য জমির পরিমাণ অনেক বেড়ে যাবে; ভবিষ্যতে লিয়াংচিয়াহের প্রজন্মের পর প্রজন্ম এর সুফল ভোগ করবে।”লিয়াংচিয়াহেতে সাত বছরের সময়কালে তিনি গ্রামবাসীদের নিয়ে কূপ খনন, পলি-ধারণ বাঁধ নির্মাণ, টেরেসিং জমি তৈরি, বায়োগ্যাস পুল নির্মাণ এবং লৌহশিল্প সমবায়, বিক্রয়কেন্দ্র ও সেলাই সমবায় প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি গ্রামের মানুষের জন্য বহু কল্যাণকর ও বাস্তব কাজ করেছেন।১৯৮২ সালের মার্চ থেকে ১৯৮৫ সালের মে পর্যন্ত সি চিন পিং, হেপেই প্রদেশের চেংতিং জেলায় সিপিসির উপ-সম্পাদক ও পরে সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সেই সময়ের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, “১৯৮২ সালে আমি স্বেচ্ছায় কেন্দ্রীয় সংস্থা থেকে আবার তৃণমূল পর্যায়ে, জনগণের মাঝে কাজ করতে যাওয়ার আবেদন করি। আমি বলেছিলাম, জনগণকে আমি আমার বাবা-মায়ের মতোই ভালোবাসতে চাই।” তিনি আরও বলেন, তাঁর সবচেয়ে গভীর উপলব্ধি ছিল—সবচেয়ে কঠিন সময়ে জনগণই সবচেয়ে বড় ভরসা। ১৯৮৩ সালে, তত্কালীন চেং তিং জেলায় সিপিসির সম্পাদক হিসেবে সি চিন পিং রাস্তায় অস্থায়ীভাবে একটি টেবিল বসিয়ে সাধারণ মানুষের মতামত শুনছেনসময় বদলেছে, কিন্তু তাঁর আদর্শ বদলায়নি। ২০১৬ সালের পয়লা জুলাই, চীনা কমিউনিস্ট পার্টির ৯৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সাধারণ সম্পাদক সি চিন পিং জোর দিয়ে বলেন, পার্টির সদস্য ও কর্মকর্তাদের “সবসময় জনগণের প্রতি নির্মল ও আন্তরিক মনোভাব বজায় রাখতে হবে।”চীনা কমিউনিস্ট পার্টির ১৮তম জাতীয় কংগ্রেসের পর, সাধারণ সম্পাদক সি চিন পিং পাহাড়-পর্বত অতিক্রম করে, ১৪টি সংলগ্ন দারিদ্র্যপীড়িত অঞ্চলে সফর করেন এবং ৫০ বারেরও বেশি দারিদ্র্যবিমোচন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। “প্রকৃত দারিদ্র্যকে দেখতে হবে” থেকে “প্রকৃত দারিদ্র্যমুক্তি নিশ্চিত করতে হবে”—এই লক্ষ্য নিয়ে তিনি ঐতিহাসিক দায়িত্ব দৃঢ়ভাবে কাঁধে তুলে নেন। তিনি সবসময় বলেন, “গ্রামের মানুষ একদিনও দরিদ্র থাকলে, আমাকে জনগণের কাছে ও ইতিহাসের কাছে জবাবদিহি করতে হবে।”সি চিন পিংকে কেন্দ্র করে গঠিত পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির শক্তিশালী নেতৃত্বে, চীন প্রায় ১০ কোটি মানুষকে দারিদ্র্য থেকে মুক্ত করেছে; মধ্যম মানের সচ্ছল সমাজ গড়ে তুলেছে; এবং বিশ্বের বৃহত্তম শিক্ষাব্যবস্থা, সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা, স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা ও নগর আবাসন সুরক্ষা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেছে। জনগণের জীবনযাত্রার মান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হয়েছে।২০২১ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর, শ্যানসি প্রদেশের মিচি জেলার কাও সি কো গ্রামে পরিদর্শনে যাওয়ার পথে সাধারণ সম্পাদক সি চিন পিং সাময়িকভাবে গাড়ি থেকে নেমে ফসলের বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ করেন এবং মাঠে কাজ করা কৃষকদের সঙ্গে আন্তরিক আলাপ করেন।সাধারণ সম্পাদক সি চিন পিং বলেন, “জনগণই রাষ্ট্রের ভিত্তি। কমিউনিস্ট পার্টি রাষ্ট্র গড়েছে ও রক্ষা করছে—আসলে কী রক্ষা করছে? জনগণের হৃদয়ই রক্ষা করছে।”গত বছরের অক্টোবরে তিনি আবারও জোর দিয়ে বলেন, “প্রাথমিক লক্ষ্য কখনো ভুলে যাওয়া যাবে না, জনগণের অবস্থান থেকে সমস্যা বিবেচনা করতে হবে, উন্নয়নের মধ্য দিয়েই জনকল্যাণ নিশ্চিত ও উন্নত করতে হবে এবং ধাপে ধাপে অভিন্ন সমৃদ্ধি অর্জন করতে হবে।”২০২৬ সাল ‘পঞ্চদশ পাঁচসালা পরিকল্পনা’র সূচনাবর্ষ এবং সিপিসি প্রতিষ্ঠার ১০৫তম বার্ষিকী। এ বছরের জানুয়ারিতে সাধারণ সম্পাদক সি চিন পিং পার্টির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঠিক কর্মদৃষ্টিভঙ্গি প্রতিষ্ঠা ও বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে বলেন, “জনগণের জন্য কাজের সাফল্য অর্জন করতে হবে, বাস্তব কর্মের মাধ্যমে সাফল্য অর্জন করতে হবে।” ২০২৪ সালের ৩ এপ্রিল, রাজধানীতে স্বেচ্ছামূলক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে সাধারণ সম্পাদক সি চিন পিং কিশোর-কিশোরীদের সঙ্গে আন্তরিকভাবে কথা বলেন এবং তাদের অধ্যবসায়ের সঙ্গে পড়াশোনা, শরীরচর্চা, সুস্থ বিকাশ ও নৈতিকতা, বুদ্ধিমত্তা, শারীরিক সক্ষমতা, নান্দনিকতা এবং শ্রম—সব ক্ষেত্রে উন্নতির মাধ্যমে দেশের যোগ্য স্তম্ভ হয়ে ওঠার আহ্বান জানানতিনি বলেন, “এতো বড় একটি দেশের দায়িত্ব অত্যন্ত ভারী, কাজও অত্যন্ত কঠিন। আমি নিজেকে ভুলে গিয়ে জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ থাকতে চাই। জনগণ যা ভাবছে তা ভাবতে হবে, জনগণ যা প্রত্যাশা করে তা বাস্তবায়ন করতে হবে এবং জনগণের সুন্দর জীবনের আকাঙ্ক্ষাকে ক্রমাগত বাস্তবে রূপ দিতে হবে।” এসব বক্তব্য জনগণের প্রতি এক মহান নেতার গভীর ভালোবাসা এবং শতবর্ষী রাজনৈতিক দলের জনগণকেন্দ্রিক চেতনাকেই প্রতিফলিত করে। সূত্র: শিশির-আলিম-আকাশ,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ পরিবারের সদস্যকে ছাত্রদলের সহ-সভাপতি পদ দেওয়ায় তীব্র বিতর্ক

নরসিংদী জেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণার পর থেকেই সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে সহ-সভাপতি পদ পাওয়া নাইমুর রহমান মাসুমের নাম। স্থানীয় নেতাকর্মী ও বিভিন্ন সূত্রের দাবি, তার পরিবারের একাধিক সদস্য দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত থাকলেও তাকে ছাত্রদলের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় তৃণমূল বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।রায়পুরা থানা কৃষক ধলের যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল রোব সরকার ও রায়পুরা থানা কৃষক ধলের যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল রোব সরকার বলেন, মাসুমের ছোট ভাই জিসান মির্জানগর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সেক্রেটারি পদে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তার চাচা মুকুল উদ্দিন রায়পুরা থানা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ সম্পাদক হিসেবে সক্রিয় রয়েছেন। মাসুমের মা অতীতে উত্তর মির্জানগর ভোটকেন্দ্রে আওয়ামী লীগের এজেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। শুধু তাই নয়, নৌকা প্রতীকের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা ও মিছিলেও তাকে অংশ নিতে দেখা গেছে।এমন রাজনৈতিক পটভূমির একজনকে ছাত্রদলের গুরুত্বপূর্ণ পদে অন্তর্ভুক্ত করাকে “অত্যন্ত উদ্বেগজনক” বলে মনে করছেন বিএনপির ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীরা। তাদের প্রশ্ন, “যাদের পরিবারের সদস্যরা প্রকাশ্যে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত, তারা কীভাবে ছাত্রদলের নেতৃত্বে আসে?”তৃণমূল নেতাকর্মীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করা ত্যাগী কর্মীদের মূল্যায়ন না করে বিতর্কিত ব্যক্তিদের নেতৃত্বে আনা হলে সংগঠনের আদর্শিক অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়বে। এতে ভবিষ্যতে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনগুলো সাংগঠনিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন তারা।নেতাকর্মীরা অবিলম্বে বিষয়টি তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তারা বলেন, “দলের দুঃসময়ে যারা মাঠে ছিল, তাদের বাদ দিয়ে সুবিধাবাদীদের নেতৃত্বে আনা হলে সেটি সংগঠনের জন্য অশনিসংকেত হয়ে দাঁড়াবে।”এ বিষয়ে নাইমুর রহমান মাসুম বা সংশ্লিষ্ট নেতাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

১২ জুন ২০২৬, ০৭:৩৬ পিএম
অর্থমন্ত্রী-গভর্নর
র‍্যাব-পুলিশ দিয়ে মূল্যবৃদ্ধি ঠেকানো যাবে না, বেতন বাড়লে কমবে দুর্নীতি। আপনি কি তাই মনে করেন?

অর্থমন্ত্রী-গভর্নর র‍্যাব-পুলিশ দিয়ে মূল্যবৃদ্ধি ঠেকানো যাবে না, বেতন বাড়লে কমবে দুর্নীতি। আপনি কি তাই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

পবায় প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত

রাজশাহীর পবা উপজেলায় ২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলকে সামনে রেখে এক ব্যতিক্রমী ও উৎসবমুখর প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ১২ জুন (শুক্রবার) স্থানীয় সবসার উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এই ফুটবল লড়াই অনুষ্ঠিত হয়।বিশ্বকাপের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দল আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল সমর্থকদের উন্মাদনাকে মাঠের লড়াইয়ে রূপ দিতে এই ম্যাচের আয়োজন করেন স্থানীয় ক্রীড়ামোদী তরুণরা। খেলায় মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে নামে— 'বড় আমগাছী আর্জেন্টিনা সমর্থক দল' বনাম 'বড় আমগাছী ব্রাজিল সমর্থক দল'।উক্ত ফুটবল ম্যাচে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক কে এইচ রানা শেখ। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বড়গাছী ইউনিয়ন যুবদল নেতা মোঃ বাবুল হোসেন। এমতাবস্থায় উপস্থিত নওহাটা পৌরসভা স্বেচ্ছাসেবক  দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ সম্রাট আলী।বিশ্বকাপের এই চিরপরিচিত দ্বৈরথকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই সবসার উচ্চ বিদ্যালয় এলাকাসহ পুরো পবা জুড়ে এক উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। দুই দলের সমর্থকরাই তাদের প্রিয় দলের জার্সি পরে মাঠে এসে খেলোয়াড়দের অনুপ্রাণিত করেন।আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, খেলাটি অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। এলাকার সর্বস্তরের ফুটবলপ্রেমী ও সাধারণ দর্শক মাঠে উপস্থিত থেকে এই জমজমাট ম্যাচটি উপভোগ করেন।

আমতলীতে জীবনের ঝুঁকিতে শতাধিক শিক্ষার্থী, ঘটতে প্রতিষ্ঠার ৫০ বছরেও জোটেনি সরকারি কোনো ভবন

আমতলীতে জীবনের ঝুঁকিতে শতাধিক শিক্ষার্থী, ঘটতে প্রতিষ্ঠার ৫০ বছরেও জোটেনি সরকারি কোনো ভবন

প্রতিষ্ঠার ৫০ বছরেও জোটেনি সরকারি কোনো ভবন বা টিনের ঘর। উল্টো বিদ্যালয়ের মূল ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা না করেই দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলছে পাঠদান। পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থীদের নিয়ে চলমান বরগুনার আমতলী উপজেলার কুকুয়া আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বর্তমানে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তাতে যেকোনো সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯৮৫ সালের জগন্নাথ হল ট্র্যাজেডির চেয়েও ভয়াবহ দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টিতে দীর্ঘ পাঁচ দশক পেরিয়ে গেলেও অবকাঠামোগত কোনো উন্নয়ন হয়নি। শুরুর দিকে যে দ্বিতল ভবনটি দিয়ে কার্যক্রম শুরু হয়েছিল, বর্তমানে সেটি সম্পূর্ণ জরাজীর্ণ। এর পাশাপাশি পরবর্তীতে তৈরি করা ছোট দুটি হাফ বিল্ডিংয়ের অবস্থাও তথৈবচ।সরেজমিনে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের মূল ভবনের ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ছে, দেওয়ালে বিশাল ফাটল এবং রড বেরিয়ে আছে। বৃষ্টি হলে ছাদ চুইয়ে পানি পড়ে শ্রেণিকক্ষ হয়ে ওঠে পাঠদান অযোগ্য। অথচ বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় বাধ্য হয়েই শত শত শিক্ষার্থীকে প্রতিদিন মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে এই ভবনেই ক্লাস করতে হচ্ছে। অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, বিদ্যালয়টি অনেক আগেই পরিত্যক্ত ঘোষণা করা উচিৎ ছিল। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নতুন ভবন নির্মাণের কোনো উদ্যোগ না থাকায় শিক্ষকরা বাধ্য হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পাঠদান সহ কার্যক্রম পরিচালনা করায় যেকোনো সময় বড় ধরনের প্রাণহানির মতো দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। এ বিষয়ে দ্রুত সরকারি হস্তক্ষেপ ও নতুন ভবন নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ ও স্থানীয় এলাকাবাসী।

রাজধানীতে মানবাধিকার ও গণমাধ্যম কর্মীদের মাঝে সাদা সম্মাননা প্রদান

এশিয়া ছিন্নমূল মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে / রাজধানীতে মানবাধিকার ও গণমাধ্যম কর্মীদের মাঝে সাদা সম্মাননা প্রদান

এশিয়া ছিন্নমূল মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে রাজধানীতে মানবাধিকার ও গণমাধ্যম কর্মীদের মাঝে সাদা সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। রোববার সংগঠনটি চাঞ্চল্যকর অপরাধ প্রতিরোধে প্রশাসন ও গণমাধ্যমের ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা, গুণীজনদের সম্মাননা প্রদান ও মানবাধিকার কর্মীদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। রাজধানীর বাংলাদেশ শিশুকল্যাণ পরিষদে এ অনুষ্ঠানে মানবাধিকার ও গণমাধ্যম কর্মীদের মাঝে সাদা সম্মাননা  প্রদান করেছে এশিয়া ছিন্নমূল মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশন। সংগঠনের কেন্দ্রিয় চেয়ারম্যান মোঃ দুলাল মিয়ার সভাপতিত্বে সিনিয়র সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ দেলোয়ার হোসেন এর সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট লেখক, সাহিত্যিক সাবেক তথ্য ও সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ দীদার বখত। তিনি বলেন, আজকের প্রজন্ম জেগে উঠেছে, দেশের উন্নয়নে প্রেসক্লাব ইউনিটি ও হোসাইনিয়া পাক দরবার শরীফ আত্মনিবেদিত হয়ে বিশ্বমন্ডলে শান্তি কামনায় সম্মিলিত প্রচেষ্টা জাগ্রত করার আহ্বান জানান। সুপ্রিম কোর্ট সিনিয়র আইনজীবী লতিফুর রহমান সম্মিলিত মানবাধিকার কর্মীদের শপথ বাক্য পাঠ করান। ওয়ার্ল্ড মিডিয়া প্রেসক্লাব এর নতুন কমিটিকে সাথে নিয়ে ডা মাঈনুদ্দীন স্বেচ্ছাশ্রমে সাংবাদিকতা ও মানবাধিকার কাজে সম্পৃক্ত হতে ফুলেল শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন। উদ্ভাধনী আলোচনায় কেন্দ্রীয় প্রধান নির্বাহী পরিচালক ইন্জিনিয়র এম সোহেল আহমদ বলেন, দীর্ঘ সময়ে সংগঠনের সাথে রয়েছি, কখনো দায়িত্ব পালনে বিচলিত হইনি, আমৃত্যু আপনাদের পাশে থাকব ইনশাল্লাহ। এ সময় ঢাকা বিভাগীয় শাখা কমিটির নেতৃবৃন্দ তাদের হাততালিতে শুভেচ্ছা জানান। কেন্দ্রীয় সদস্য মোঃ শহীদুল ইসলাম, ফারুক আহমেদ মজুমদার, আনজার শাহ,আবু আহাদ আল মাহমুদ দীপু মীর, আলমগীর ওয়েচী, মোঃ জাকির হোসেন, আনছারুল হক, মোঃ শাকিল হাওলাদার স্বাধীন, বীরমুক্তিযোদ্ধা আমিনুল হক ভূঁইয়া, তাছলিমা আক্তার লিজা, হাসুরা বেগম, মোঃ মানিক মিয়া, ফুল চান্দ বাবু,নূরে আলম,নাছির উদ্দিন পলাশ,আহম উল্যাহ, কাজী নূরুল আজিম, মোঃ আবু সালেক ভূঁইয়া, এম জি বাবর ও  আবদুল কুদ্দুস প্রমুখ। সংগঠনের সাদা মনের সাদা সম্মাননা ১০ গুণীজনদের প্রদান শেষে সংগঠনের শুভাকাঙ্ক্ষীদের স্মরণ  ও জাতীর শান্তি কামনায় মিলাদ ও দোয়া কামনা করা হয়।

ঝিনাইদহ জেলা শহরে মেডিকেল কলেজ স্থাপনের দাবীতে মানববন্ধন

ঝিনাইদহ জেলা শহরে মেডিকেল কলেজ স্থাপনের দাবীতে মানববন্ধন

ঝিনাইদহ জেলা শহরে মেডিকেল কলেজ স্থাপনের দাবীতে মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়েছে। শুক্রবার সকালে শহরের পায়রা চত্বরে ‘আমরা ঝিনাইদহবাসী’র ব্যানারে এ কর্মসূচী পালিত হয়।এতে ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও নানা শ্রেণী পেশার মানুষ অংশ নেয়।ঘন্টাব্যাপী চলা এই কর্মসূচীতে ঝিনাইদহ ২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজম মো. আবু বকর, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর আব্দুল আলিম, সেক্রেটারী আব্দুল আওয়ালসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন।সেসময় বক্তারা বলেন, ঝিনাইদহ জেলা শহরে মেডিকেল কলেজ স্থাপনের জন্য জেলাবাসী দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছে। সম্প্রতি মেডিকেল কলেজ স্থাপনের জন্য প্রাথমিকভাবে জেলা শহর থেকে ১৫ কিলোমিটার দুরে শৈলকুপা উপজেলায় স্থান নির্বাচন করা হয়েছে। সেখানে করা হলে শুধুমাত্র একটি উপজেলার মানুষ স্বাস্থ্য সেবা পাবে। তাই জেলার কেন্দ্রস্থল শহরের পাশে মেডিকেল কলেজ স্থাপনের দাবী জানান বক্তারা।

নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ক্লোজড

নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ক্লোজড

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন। পরিদর্শনকালে হাসপাতাল পরিচালনায় ব্যর্থতার দায়ে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন চৌধুরীকে ক্লোজড করা হয়। একই সঙ্গে নোয়াখালীর সিভিল সার্জন ডা.আনার হোসেনকে হাসপাতালের অস্থায়ী তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করবেন।মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসপাতালে পৌঁছে চিকিৎসাসেবা, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি এবং সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা সরেজমিনে পর্যালোচনা করেন। হাসপাতালে প্রবেশের পরই তিনি হাজিরা খাতা ও ডিউটি রোস্টার যাচাই করেন। এ সময় বেশিরভাগ চিকিৎসক ও কর্মকর্তার কর্মস্থলে দেরিতে উপস্থিত হওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।মন্ত্রীর আগমনের খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনরা তার সঙ্গে কথা বলতে ভিড় করেন। তিনি তাদের কাছ থেকে হাসপাতালের সেবার মান, ভোগান্তি এবং বিভিন্ন সমস্যার বিষয়ে সরাসরি অভিযোগ শোনেন। এ সময় রোগী ও স্বজনরা হাসপাতালে কাঙ্ক্ষিত সেবা না পাওয়া, দালালচক্রের সীমাহীন দৌরাত্ম্য, রোগীদের জন্য সরবরাহ করা খাবারের নিম্নমান এবং টয়লেটের অব্যবস্থাপনার বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। কয়েকজন স্বজন অভিযোগ করেন, হাসপাতালে বিভিন্ন সেবা পেতে উঠতে-বসতে টাকা লাগে।পরিদর্শনের একপর্যায়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জরুরি বিভাগ, বহির্বিভাগ, প্যাথলজি ল্যাব, বিভিন্ন ওয়ার্ড এবং টয়লেট ঘুরে দেখেন। তিনি হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, ওষুধের মজুত এবং রোগীদের জন্য দেওয়া বিভিন্ন সেবার মানও খাবার পর্যবেক্ষণ করেন। হাসপাতালে অনিয়ম-অব্যবস্থাপনা দেখে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পরে তিনি দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন। মন্ত্রীর আকস্মিক উপস্থিতির পর হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগে তৎপরতা বেড়ে যায়। পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা তোড়জোড় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজে নেমে পড়েন।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেল ৩টার দিকে মন্ত্রী হাসপাতালের সাবেক তত্ত্বাবধায়ক মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন চৌধুরীর কক্ষ থেকে বের হলে তার সিন্ডিকেটের ১০০-১৫০ অনুসারী তাৎক্ষণিক হ্যান্ড মাইক নিয়ে এসে তার প্রত্যাহার বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ করে। এ সময় ধাক্কাধাক্কির মধ্যে মন্ত্রী হাসপাতাল থেকে চলে যান। রোগী ও স্বজনদের প্রত্যাশা, এই আকস্মিক পরিদর্শনের মাধ্যমে শুধু অনিয়ম চিহ্নিত করাই নয়, দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলোর স্থায়ী সমাধানেও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।  পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ১৭ বছর ধরে স্বৈরাচারী সরকারের শাসন ছিল। এরপর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ও প্রয়োজনীয় দক্ষতার অভাব দেখা গেছে। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার এমনকি তত্ত্বাবধায়ক সরকারও টিকাদান কার্যক্রমে যথাযথ উদ্যোগ নেয়নি। পরে অনেক কষ্ট করে টিকা সংগ্রহ করে আমরা শিশুদের টিকাদান নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছি। স্বাস্থ্য খাতে দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা, অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে এমন জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সারা দেশের হাসপাতালগুলোতেই আমরা নানা সমস্যা দেখতে পাচ্ছি; যেখানে হাত দিচ্ছি, সেখানেই ভয়াবহ চিত্র সামনে আসছে। নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে এসে অমানবিক পরিস্থিতি দেখেছি। এখানে নতুন একটি ভবনের নির্মাণকাজ চলছে, তবে এর অগ্রগতি অত্যন্ত ধীরগতির। আজ যেসব অব্যবস্থাপনা আমরা দেখেছি, সেগুলোর দায় তত্ত্বাবধায়ক এড়াতে পারেন না। এ কারণেই তাকে ক্লোজড করা হয়েছে।এ সময় উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, পুলিশ সুপার এন. এম. নাসিরুদ্দিন, জেলা সিভিল সার্জন ডা. আনার হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

জনবল সংকটে ধুঁকছে মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছে না রোগীরা

জনবল সংকটে ধুঁকছে মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছে না রোগীরা

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দীর্ঘদিন ধরে চলমান জনবল সংকট, চিকিৎসক ও টেকনিশিয়ানের অভাব এবং অবকাঠামোগত সমস্যার কারণে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ২২টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত প্রায় ৬ লাখ মানুষের এই বৃহৎ উপজেলার একমাত্র সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র বর্তমানে নানা সংকটে জর্জরিত।হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অনুমোদিত জনবলের সংখ্যা ২৮২ জন হলেও বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন মাত্র ১৭৩ জন। ফলে ১০৯টি পদ শূন্য রয়েছে। অনুমোদিত ১০ জন কনসালটেন্টের মধ্যে কর্মরত আছেন মাত্র ৫ জন এবং ৪৫ জন মেডিকেল অফিসারের বিপরীতে দায়িত্ব পালন করছেন মাত্র ২৩ জন। এছাড়া কয়েকজন চিকিৎসক বিনা অনুমতিতে অনুপস্থিত থাকায় এবং কয়েকজন প্রেষণে অন্যত্র কর্মরত থাকায় সংকট আরও তীব্র হয়েছে।* ১০৯ টি পদ শুন্য।*চিকিৎসক-নার্সের ঘাটতি।*বন্ধ এক্স-রে সেবা।* প্রতিদিন ভোগান্তিতে শত শত রোগী।নার্সিং সেবাতেও রয়েছে বড় ধরনের ঘাটতি। অনুমোদিত ৪২ জন নার্সের মধ্যে কর্মরত আছেন ২৮ জন। তৃতীয় শ্রেণির ১৫৬টি পদের বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন ১০২ জন এবং চতুর্থ শ্রেণির ২৯টি পদের বিপরীতে মাত্র ১৪ জন কর্মচারী দায়িত্ব পালন করছেন।জনবল সংকটের সরাসরি প্রভাব পড়েছে হাসপাতালের গুরুত্বপূর্ণ সেবাগুলোতে। নিরাপত্তাকর্মী রয়েছেন মাত্র একজন এবং পরিচ্ছন্নতাকর্মী আছেন দুইজন। ফলে বিশাল হাসপাতাল চত্বর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এক্স-রে টেকনিশিয়ানের অভাবে দীর্ঘদিন ধরে এক্স-রে সেবা কার্যত বন্ধ রয়েছে। একইভাবে প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় অপারেশন থিয়েটারের কার্যক্রমও সীমিত হয়ে পড়েছে। হাসপাতালে আল্ট্রাসনোগ্রাম মেশিন থাকলেও দক্ষ টেকনিশিয়ানের অভাবে রোগীরা সেই সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এত বড় একটি উপজেলার স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা এভাবে চলতে পারে না। দ্রুত শূন্য পদ পূরণ এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত উন্নয়ন না হলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়বে।এদিকে হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য পর্যাপ্ত আবাসন সুবিধাও নেই। বিদ্যমান আবাসন ভবনগুলো দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রায় দুই বছর আগে আবেদন করা হলেও এখনো কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ফলে পরিত্যক্ত ভবনগুলো হাসপাতাল চত্বরে অপরিচ্ছন্ন ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি করছে।হাসপাতাল সূত্র জানায়, প্রতিদিন গড়ে ৭০০ থেকে ৮০০ রোগী চিকিৎসাসেবা নিতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসেন। কিন্তু সীমিত জনবল নিয়ে তাদের কাঙ্ক্ষিত সেবা নিশ্চিত করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষকে।উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নুসরাত জাহান বলেন, “প্রয়োজনীয় জনবলের অভাবে সঠিকভাবে স্বাস্থ্যসেবা দিতে আমাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। শূন্য পদ পূরণসহ বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে একাধিকবার চিঠি দেওয়া হয়েছে। তবে এখনো কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।”এ বিষয়ে কুমিল্লার সিভিল সার্জন ডা. আলী নূর মোহাম্মদ বশির আহমেদ বলেন, “সরকার স্বাস্থ্য খাতে ৫ হাজার চিকিৎসক, নার্সসহ প্রায় এক লাখ জনবল নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে। আশা করছি আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে জনবল সংকট অনেকাংশে দূর হবে এবং স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নত হবে।”মুরাদনগরবাসীর দাবি, দ্রুত শূন্য পদে নিয়োগ, অচল সেবাগুলো পুনরায় চালু এবং আবাসন সংকট নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হলে উপজেলার লাখো মানুষ মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হতে থাকবে।

মে মাসে ১২হাজার রুগী স্বাস্থ্য সেবা নিয়েছেন বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে

মে মাসে ১২হাজার রুগী স্বাস্থ্য সেবা নিয়েছেন বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে

শুধু এক মাসেই ১২হাজার রুগী সেবা নিয়েছেন বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। হয়েছে ১২টি অপারেশন ও ৩৫টি নরমাল ডেলিভারি।সম্প্রতি কুমিল্লার বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন এমপির নির্দেশনায় বরুড়ার স্বাস্থ্যসেবা মান অনেকটাই উন্নত হচ্ছে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেবার মান, খাবার মান, বিদ্যুৎ সমস্যা, এম্বুলেন্স চালকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ আমলে নিয়ে গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রীর পরামর্শে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: মোহাম্মদ সাজেদুর রহমান স্বাস্থ্য সেবার মান উন্নত করতে নিরলস কাজ করছেন।তারই ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের মে মাসে বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আউটডোর এ ১১ হাজার ৩১১, জরুরি বিভাগে ৬৫৩ জন ও ভর্তি হয়ে ৪০০ রুগী সেবা গ্রহণ করেন। এছাড়া এসময়ে ১২ জন রুগীর বিভিন্ন অপারেশন, ৩৫ জন প্রসূতির নরমাল ডেলিভারি, ১৪৮জন রুগীকে এক্সরে, ১২১ জন রুগীকে ইসিজি, ১৬৫ জন রুগীকের আল্ট্র, একহাজার ৫০ জন রুগীকে প্যাথলজি ও ২১ টি এম্বুলেন্স সেবা দেয়া হয়।উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: মোহাম্মদ সাজেদুর রহমান বলেন, বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ক্যানসার স্কেনিং ও চক্ষু সেবার জন্য আধুনিক যন্ত্রপাতি রয়েছে। তিনি আরও বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে বরুড়ার সকল মানুষ এসকল সেবা বিনা মূল্যে নিতে পরাবেন। ২৪ ঘন্টা ইসিজি ও অফিস সময়ে অন্যান্য সেবা চালু রয়েছে। 

ঝিনাইদহ জেলা শহরে মেডিকেল কলেজ স্থাপনের দাবীতে মানববন্ধন

ঝিনাইদহ জেলা শহরে মেডিকেল কলেজ স্থাপনের দাবীতে মানববন্ধন

ঝিনাইদহ জেলা শহরে মেডিকেল কলেজ স্থাপনের দাবীতে মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়েছে। শুক্রবার সকালে শহরের পায়রা চত্বরে ‘আমরা ঝিনাইদহবাসী’র ব্যানারে এ কর্মসূচী পালিত হয়।এতে ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও নানা শ্রেণী পেশার মানুষ অংশ নেয়।ঘন্টাব্যাপী চলা এই কর্মসূচীতে ঝিনাইদহ ২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজম মো. আবু বকর, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর আব্দুল আলিম, সেক্রেটারী আব্দুল আওয়ালসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন।সেসময় বক্তারা বলেন, ঝিনাইদহ জেলা শহরে মেডিকেল কলেজ স্থাপনের জন্য জেলাবাসী দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছে। সম্প্রতি মেডিকেল কলেজ স্থাপনের জন্য প্রাথমিকভাবে জেলা শহর থেকে ১৫ কিলোমিটার দুরে শৈলকুপা উপজেলায় স্থান নির্বাচন করা হয়েছে। সেখানে করা হলে শুধুমাত্র একটি উপজেলার মানুষ স্বাস্থ্য সেবা পাবে। তাই জেলার কেন্দ্রস্থল শহরের পাশে মেডিকেল কলেজ স্থাপনের দাবী জানান বক্তারা।