মুক্তির লড়াই
সর্বশেষ

জুলাই জাদুঘরে হেফাজত নেতাদের ভাস্কর্য নিয়ে আপত্তি, দ্রুত অপসারণ চান নায়েবে আমির

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি ধরে রাখতে গড়ে ওঠা জুলাই জাদুঘরে হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীদের নামে ও অবয়বে স্থাপিত ভাস্কর্য নিয়ে আপত্তি তুলেছেন সংগঠনটির নায়েবে আমির অধ্যক্ষ মুহাম্মদ মিজানুর রহমান চৌধুরী। তাঁর দাবি, ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী ভাস্কর্য নির্মাণ বৈধ নয়; তাই জাদুঘরে স্থাপিত এসব ভাস্কর্য দ্রুত সরিয়ে নিতে হবে।সোমবার (১০ আগস্ট) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ দাবি জানান কওমি মাদ্রাসা শিক্ষক পরিষদের সভাপতি মিজানুর রহমান চৌধুরী।বিবৃতিতে তিনি বলেন, কোনো ব্যক্তি, সংগঠন কিংবা ইসলামি দলের নেতাকর্মীর ভাস্কর্য নির্মাণ শরিয়তসম্মত নয়। কারও মর্যাদা, অবদান, রাজনৈতিক পরিচয় কিংবা সাংগঠনিক ভূমিকা এ বিধান পরিবর্তনের কারণ হতে পারে না।জুলাই জাদুঘরে হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীদের নামে বা অবয়বে ভাস্কর্য স্থাপনকে ‘দুঃখজনক ও অনভিপ্রেত’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, ইসলামি মূল্যবোধের পক্ষে যারা কথা বলেছেন, তাঁদের স্মৃতি সংরক্ষণেও এমন কোনো পদ্ধতি গ্রহণ করা উচিত নয়, যা ধর্মীয় বিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।তাঁর মতে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আন্দোলনকারীদের আত্মত্যাগ স্মরণে ভাস্কর্যের প্রয়োজন নেই। এর পরিবর্তে আলোকচিত্র, তথ্যচিত্র, লিখিত ইতিহাস, দলিলপত্র, সাক্ষাৎকার ও জাদুঘরভিত্তিক প্রদর্শনীর মাধ্যমে তাঁদের অবদান তুলে ধরা যেতে পারে। এতে ইতিহাস সংরক্ষণের পাশাপাশি ধর্মীয় মূল্যবোধও অক্ষুণ্ন থাকবে।হেফাজতের এই নেতা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, জুলাই জাদুঘরে হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীদের নামে বা অবয়বে স্থাপিত ভাস্কর্য দ্রুত অপসারণ করতে হবে। ভবিষ্যতে কোনো আলেম, ইসলামি ব্যক্তিত্ব বা ইসলামি দলের নেতাকর্মীর ভাস্কর্য নির্মাণ না করার বিষয়েও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।বিবৃতিতে মিজানুর রহমান চৌধুরী আরও বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস ও আত্মত্যাগকে যথাযথ সম্মান জানানো প্রয়োজন। তবে সেই সম্মান জানানোর পদ্ধতি অবশ্যই দেশের ধর্মীয় অনুভূতি ও মূল্যবোধের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া উচিত।তিনি দাবি করেন, স্বৈরাচারী আমলে ভাস্কর্যবিরোধী আন্দোলন করতে গিয়ে অনেক আলেম কারাবরণ ও শাহাদাতবরণ করেছেন। অথচ পরবর্তী সময়ে তাঁদেরই নাম বা অবয়বে ভাস্কর্য নির্মাণ করা হলে তা নীতিগতভাবে গ্রহণযোগ্য নয়।তাঁর ভাষ্য, ইতিহাস কখনো মুছে ফেলার বিষয় নয়; বরং সঠিক তথ্য, দলিল ও স্মৃতির মাধ্যমে তা প্রজন্মের কাছে তুলে ধরাই সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি। তাই জুলাই জাদুঘরে ভাস্কর্যের পরিবর্তে তথ্যনির্ভর ও দলিলভিত্তিক প্রদর্শনীর মাধ্যমে আন্দোলনের ইতিহাস সংরক্ষণের আহ্বান জানান তিনি।

‘র’ প্রধান পরাগ জৈন ঢাকায়

বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রচেষ্টার মধ্যে সরকারি সফরে ঢাকায় এসেছেন ভারতের বহিঃগোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং— ‘র’ প্রধান পরাগ জৈন।রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে এয়ার ইন্ডিয়ার একটি ফ্লাইটে চার সদস্যের প্রতিনিধি দলটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়।সরকারের একটি সূত্রের বরাতে অনলাইন গণমাধ্যম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।  প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আমন্ত্রণে চার সদস্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিয়ে তিনি ঢাকায় এসেছেন। গতকাল রোববার দুপুরে এয়ার ইন্ডিয়ার একটি ফ্লাইটে প্রতিনিধি দলটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। পরাগ জৈনের সঙ্গে প্রতিনিধি দলে রয়েছেন— অশ্বীন মুকুন্দ কোটনিস, রাহুল নেগি ও শৈবাল রায় চৌধুরী। সফরকালে তারা ঢাকার একটি হোটেলে অবস্থান করবেন।তবে ভারতীয় প্রতিনিধি দলের ঢাকা সফর নিয়ে বাংলাদেশ বা ভারত—কোনো পক্ষই এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।পরাগ জৈন ‘র’-এর সচিবের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ভারতের স্পেশাল প্রোটেকশন গ্রুপের (এসপিজি) বিশেষ সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। ঢাকায় আসার আগে পরাগ জৈন চীন সফর করেছেন বলেও জানা গেছে।

‘র’ প্রধান পরাগ জৈন ঢাকায়

প্রযুক্তি ও অংশীদারত্বে সিরামিক শিল্পের নতুন দিগন্ত উন্মোচনের প্রত্যাশা

প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন, দক্ষতা উন্নয়ন ও দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার মাধ্যমে বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ানোর আহ্বানের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘চায়না-বাংলাদেশ সিরামিকস অ্যানুয়াল কনফারেন্স’।বাংলাদেশ সিরামিক ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিসিএমইএ) ও চীনের ফোশান ইউনিসেরামিকস এক্সপোর যৌথ আয়োজনে শনিবার ঢাকার একটি হোটেলে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ‘এমপাওয়ারিং টেকনোলজি, উইনিং টুমরো টুগেদার’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত সম্মেলনে আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ও সিরামিক শিল্পের উদ্যোক্তারা অংশ নেন।অনুষ্ঠানে বিসিএমইএ মহাসচিব ও ফার সিরামিকস লিমিটেডের পরিচালক ইরফান উদ্দিন বলেন, ‘আধুনিক যুগে শিল্পের অগ্রগতি, অংশীদারত্ব ও সহযোগিতার সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত।’জ্ঞান বিনিময়, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে আরও শক্তিশালী ও প্রতিযোগিতামূলক সিরামিক শিল্প গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।ইউনিসিরামিকস চীনের ওভারসিজ বিজনেস ডিপার্টমেন্টের ব্যবস্থাপক ইভা ছেন বাংলাদেশের সিরামিক বাজারের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে বলেন, ‘বাংলাদেশে বর্তমানে মাথাপিছু সিরামিক পণ্যের ব্যবহার প্রায় এক বর্গমিটার, যেখানে চীনে সর্বোচ্চ ব্যবহার ছিল ৬ দশমিক ৯ বর্গমিটার। এ ব্যবধান বাংলাদেশের বাজারে বড় প্রবৃদ্ধির সুযোগ তৈরি করেছে।’বাংলাদেশ-চায়না চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (বিসিসিসিআই) সভাপতি মোহাম্মদ খোরশেদ আলম বলেন, ‘চীনা ব্যবসায়িক অংশীদারদের সঙ্গে সহযোগিতার মাধ্যমে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক উভয় বাজারে নতুন সুযোগ তৈরি করা সম্ভব।’এক্স সিরামিকস গ্রুপের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মামুনুর রশীদ বলেন, ‘সিরামিক শিল্প বাংলাদেশের অন্যতম সম্ভাবনাময় ও দ্রুত বিকাশমান উৎপাদন খাত। বাংলাদেশে বিশ্বমানের টেবিলওয়্যার, টাইলস ও স্যানিটারি ওয়্যার উৎপাদিত হচ্ছে, যা ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে রপ্তানি করা হচ্ছে।’বিসিএমইএ সভাপতি ও মন্নু গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান ময়নুল ইসলাম বলেন, ‘এটি শুধু একটি সম্মেলন নয়, বরং দুই দেশের শিল্প খাতের মধ্যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের একটি প্ল্যাটফর্ম।’শিল্পের প্রবৃদ্ধির জন্য চীনের উৎপাদন দক্ষতা ও উদ্ভাবনী প্রযুক্তি থেকে শিক্ষা নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।সূত্র: নাহার-লুৎফর, চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

প্রযুক্তি ও অংশীদারত্বে সিরামিক শিল্পের নতুন দিগন্ত উন্মোচনের প্রত্যাশা
‘র’ প্রধান পরাগ জৈন ঢাকায়

‘র’ প্রধান পরাগ জৈন ঢাকায়

বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রচেষ্টার মধ্যে সরকারি সফরে ঢাকায় এসেছেন ভারতের বহিঃগোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং— ‘র’ প্রধান পরাগ জৈন।রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে এয়ার ইন্ডিয়ার একটি ফ্লাইটে চার সদস্যের প্রতিনিধি দলটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়।সরকারের একটি সূত্রের বরাতে অনলাইন গণমাধ্যম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।  প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আমন্ত্রণে চার সদস্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিয়ে তিনি ঢাকায় এসেছেন। গতকাল রোববার দুপুরে এয়ার ইন্ডিয়ার একটি ফ্লাইটে প্রতিনিধি দলটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। পরাগ জৈনের সঙ্গে প্রতিনিধি দলে রয়েছেন— অশ্বীন মুকুন্দ কোটনিস, রাহুল নেগি ও শৈবাল রায় চৌধুরী। সফরকালে তারা ঢাকার একটি হোটেলে অবস্থান করবেন।তবে ভারতীয় প্রতিনিধি দলের ঢাকা সফর নিয়ে বাংলাদেশ বা ভারত—কোনো পক্ষই এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।পরাগ জৈন ‘র’-এর সচিবের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ভারতের স্পেশাল প্রোটেকশন গ্রুপের (এসপিজি) বিশেষ সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। ঢাকায় আসার আগে পরাগ জৈন চীন সফর করেছেন বলেও জানা গেছে।

চীনের উচ্চপ্রযুক্তি অর্থনীতিতে এআই ও রোবট শিল্পের উত্থান

চীনের শীর্ষ বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা শনিবার জানিয়েছে যে, চলতি বছরের প্রথমার্ধে নতুন জ্বালানিচালিত যানবাহন, ফটোভোলটাইক (সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তি) এবং লিথিয়াম ব্যাটারি খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোর সুশৃঙ্খল বিদায় বা তালিকা থেকে নাম প্রত্যাহারের ঘটনা ঘটেছে; অন্যদিকে উদীয়মান প্রযুক্তি খাতগুলোতে নতুন নতুন ব্যবসায়ের আগমন অব্যাহত আছে।বাজার নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, বছরের প্রথম ছয় মাসে নতুন জ্বালানিচালিত যানবাহন-সংশ্লিষ্ট ৭ হাজার ৬৩২টি প্রতিষ্ঠান, ৫ হাজার ৮৯টি ফটোভোলটাইক প্রতিষ্ঠান এবং ১৫৫টি লিথিয়াম ব্যাটারি প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছে। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় এই সংখ্যা যথাক্রমে ৪ দশমিক ৬ শতাংশ, ৮ দশমিক ৩ শতাংশ এবং ১২ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি।একই সময়ে, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি খাতগুলো শক্তিশালী গতি ধরে রেখেছে। প্রথমার্ধে উৎপাদনশীল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে ৫৫ হাজার নতুন কোম্পানি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় ২৮ শতাংশ বেশি।মানবসদৃশ রোবট খাতে আরও দ্রুত সম্প্রসারণ দেখা গেছে। এ সময় ১ লাখ ১৬ হাজারটি নতুন প্রতিষ্ঠান নিবন্ধিত হয়েছে, যা আগের বছরের চেয়ে ৯ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি। এই পরিসংখ্যান উদীয়মান শিল্পগুলোতে ক্রমবর্ধমান বিনিয়োগ ও উদ্যোক্তা কার্যক্রমকে তুলে ধরে, যা ভবিষ্যতে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির নতুন চালিকাশক্তি হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে।চীনের উচ্চ-প্রযুক্তিভিত্তিক উৎপাদন খাতের শক্তিও বেড়েছে। জুন মাসের শেষ নাগাদ দেশটিতে উচ্চ-প্রযুক্তি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৩০ হাজারে, যার মধ্যে বছরের প্রথম ছয় মাসে ১৫ হাজার নতুন প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে।সূত্র: হাশিম-লুৎফর, চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

জুলাই জাদুঘরে হেফাজত নেতাদের ভাস্কর্য নিয়ে আপত্তি, দ্রুত অপসারণ চান নায়েবে আমির

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি ধরে রাখতে গড়ে ওঠা জুলাই জাদুঘরে হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীদের নামে ও অবয়বে স্থাপিত ভাস্কর্য নিয়ে আপত্তি তুলেছেন সংগঠনটির নায়েবে আমির অধ্যক্ষ মুহাম্মদ মিজানুর রহমান চৌধুরী। তাঁর দাবি, ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী ভাস্কর্য নির্মাণ বৈধ নয়; তাই জাদুঘরে স্থাপিত এসব ভাস্কর্য দ্রুত সরিয়ে নিতে হবে।সোমবার (১০ আগস্ট) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ দাবি জানান কওমি মাদ্রাসা শিক্ষক পরিষদের সভাপতি মিজানুর রহমান চৌধুরী।বিবৃতিতে তিনি বলেন, কোনো ব্যক্তি, সংগঠন কিংবা ইসলামি দলের নেতাকর্মীর ভাস্কর্য নির্মাণ শরিয়তসম্মত নয়। কারও মর্যাদা, অবদান, রাজনৈতিক পরিচয় কিংবা সাংগঠনিক ভূমিকা এ বিধান পরিবর্তনের কারণ হতে পারে না।জুলাই জাদুঘরে হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীদের নামে বা অবয়বে ভাস্কর্য স্থাপনকে ‘দুঃখজনক ও অনভিপ্রেত’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, ইসলামি মূল্যবোধের পক্ষে যারা কথা বলেছেন, তাঁদের স্মৃতি সংরক্ষণেও এমন কোনো পদ্ধতি গ্রহণ করা উচিত নয়, যা ধর্মীয় বিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।তাঁর মতে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আন্দোলনকারীদের আত্মত্যাগ স্মরণে ভাস্কর্যের প্রয়োজন নেই। এর পরিবর্তে আলোকচিত্র, তথ্যচিত্র, লিখিত ইতিহাস, দলিলপত্র, সাক্ষাৎকার ও জাদুঘরভিত্তিক প্রদর্শনীর মাধ্যমে তাঁদের অবদান তুলে ধরা যেতে পারে। এতে ইতিহাস সংরক্ষণের পাশাপাশি ধর্মীয় মূল্যবোধও অক্ষুণ্ন থাকবে।হেফাজতের এই নেতা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, জুলাই জাদুঘরে হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীদের নামে বা অবয়বে স্থাপিত ভাস্কর্য দ্রুত অপসারণ করতে হবে। ভবিষ্যতে কোনো আলেম, ইসলামি ব্যক্তিত্ব বা ইসলামি দলের নেতাকর্মীর ভাস্কর্য নির্মাণ না করার বিষয়েও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।বিবৃতিতে মিজানুর রহমান চৌধুরী আরও বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস ও আত্মত্যাগকে যথাযথ সম্মান জানানো প্রয়োজন। তবে সেই সম্মান জানানোর পদ্ধতি অবশ্যই দেশের ধর্মীয় অনুভূতি ও মূল্যবোধের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া উচিত।তিনি দাবি করেন, স্বৈরাচারী আমলে ভাস্কর্যবিরোধী আন্দোলন করতে গিয়ে অনেক আলেম কারাবরণ ও শাহাদাতবরণ করেছেন। অথচ পরবর্তী সময়ে তাঁদেরই নাম বা অবয়বে ভাস্কর্য নির্মাণ করা হলে তা নীতিগতভাবে গ্রহণযোগ্য নয়।তাঁর ভাষ্য, ইতিহাস কখনো মুছে ফেলার বিষয় নয়; বরং সঠিক তথ্য, দলিল ও স্মৃতির মাধ্যমে তা প্রজন্মের কাছে তুলে ধরাই সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি। তাই জুলাই জাদুঘরে ভাস্কর্যের পরিবর্তে তথ্যনির্ভর ও দলিলভিত্তিক প্রদর্শনীর মাধ্যমে আন্দোলনের ইতিহাস সংরক্ষণের আহ্বান জানান তিনি।

১৪ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৯ পিএম
চলতি এইচএসসি পরীক্ষায় পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ে প্রশ্নপত্রে ভুলের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন বলেছেন, প্রশ্ন আমরা তৈরি করিনি, বিগত সরকার করেছে। আপনি কি তাই মনে করেন?

চলতি এইচএসসি পরীক্ষায় পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ে প্রশ্নপত্রে ভুলের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন বলেছেন, প্রশ্ন আমরা তৈরি করিনি, বিগত সরকার করেছে। আপনি কি তাই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

কচুয়ায় আরাফাত রহমান কোকো স্মরণে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার কড়ইয়া ইউনিয়নের সাহেদাপুরে মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর স্মরণে প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুরে পূর্ব সাহেদাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ​স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী, রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গের স্বতঃস্ফূর্ত হয়ে ওঠে পুরো মাঠ। ​টুর্নামেন্টের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ মনির হোসেন পাটোওয়ারীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, কচুয়া উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি  রফিকুল ইসলাম রনি তালুকদার ও কচুয়া উপজেলা বিএনপির মহিলা বিষয়ক সম্পাদক শান্তা ইসলাম পপি। বক্তারা বলেন, যুবসমাজকে মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধমূলক কার্যক্রম থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। এ ধরনের সুস্থ বিনোদনমূলক আয়োজন তরুণ সমাজের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক জুবায়ের আহমেদ রাসেল, কচুয়া উপজেলা যুবদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক টিপু সোলতান রিপন, কড়ইয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবুল হক, কড়ইয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি সাইফুল মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক এবং সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুল ইসলাম, ইউনিয়ন ছাত্রদলের  সাধারণ সম্পাদক পদ-প্রার্থী রনি ফরাজি সহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ-সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা।​খেলা শেষে অতিথিবৃন্দ বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের খেলোয়াড়দের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন। 

বরুড়ায়  ১২ স্কুলে এসএসসি'র ফলাফলে পাশের চেয়ে ফেল বেশি

বরুড়ায় ১২ স্কুলে এসএসসি'র ফলাফলে পাশের চেয়ে ফেল বেশি

কুমিল্লার বরুড়ায় এবারের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে ১২টি স্কুলে পাশের চেয়ে ফেল করেছেন বেশি শিক্ষার্থী। উপজেলার ৪৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফলাফল পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ১২টি বিদ্যালয়ে পাস করা শিক্ষার্থীর চেয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানে অর্ধেকেরও বেশি পরীক্ষার্থী ফেল করেছে। সবচেয়ে বেশি ফেল করেছে মহেশপুর আজিজিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে, ৬৭ জন।ফলাফল সিটের তথ্য অনুযায়ী মহেশপুর আজিজিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে মোট ১১৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৫১ জন। বিপরীতে ফেল করেছে ৬৭ জন।মুগগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১২ জন এবং ফেল করেছে ২৪ জন। বড় কৈয়ানী উচ্চ বিদ্যালয়ে ২২ জনের মধ্যে পাস ৬ জন, ফেল ১৬ জন। ভাতেশ্বর উচ্চ বিদ্যালয়ে ২৫ জনের মধ্যে পাস ৮ জন এবং ফেল ১৭ জন।হরিপুর আগানগর উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ২৭ জন, ফেল করেছে ৩৮ জন। জয়নগর সিডিউল কাস্ট উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪৪ জনের মধ্যে পাস করেছে ১৫ জন, আর ফেল করেছে ২৯ জন।কৃষ্ণপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ২৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১০ জন এবং ফেল করেছে ১৫ জন।মুগুজী মাষ্টার ছোবহান উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩৫ জনের মধ্যে পাস করেছে ১৩ জন, ফেল ২২ জন।এ ছাড়া নলুয়া মনোহরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ২৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১০ জন, ফেল ১৫ জন।নরিন্দ্রপুর নোয়াদ্দা উচ্চ বিদ্যালয়ে ২০ জনের মধ্যে পাস করেছে ৫ জন, ফেল করেছে ১৫ জন।শিলমুড়ী রাজ রাজেশ্বরী উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ২৪ জন, বিপরীতে ফেল করেছে ৩৮ জন।বরুড়া হাই স্কুলে ১৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৬ জন এবং ফেল করেছে ৯ জন।এ বিষয়ে বরুড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রতন কুমার সাহা বলেন, যেসব স্কুলে পাসের সংখ্যার চেয়ে ফেল বেশি হয়েছে, তাদের সঙ্গে আমরা কথা বলব এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেব। তবে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস থেকে সরাসরি কোনো ব্যবস্থা গ্রহণের সুযোগ নেই।

পুলিশের সামনেই সাংবাদিকদের ওপর হামলা, হুমকির মুখে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা

বিএনপি নেতা রাজেশের প্রত্যক্ষ মদদে সন্ত্রাসী মহড়া • মামলা সত্ত্বেও নীরব প্রশাসন / পুলিশের সামনেই সাংবাদিকদের ওপর হামলা, হুমকির মুখে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা

প্রকাশ্যে দিবালোকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতিতে সংবাদ সম্মেলনে সশস্ত্র তাণ্ডব চালিয়েছে একদল চিহ্নিত সন্ত্রাসী। অভিযোগ রয়েছে, বিএনপি নেতা রাজেশের প্রত্যক্ষ মদদে এই হামলা ও তাণ্ডব সংঘটিত হয়েছে। সংবাদ প্রকাশের জেরে ঘটা এই বর্বরোচিত হামলাকে দেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, আইনের শাসন এবং নাগরিকদের মৌলিক নিরাপত্তার ওপর চরম আঘাত বলে মনে করছেন সচেতন মহল ও সাংবাদিক সমাজ।​পুলিশের সামনেই সংবাদ সম্মেলনে সন্ত্রাসী তাণ্ডব: ​প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, প্রবাসী জুবায়ের আহমেদের মালিকানাধীন সম্পদ দখলচেষ্টায় ভূমিদস্যু চক্রের জালিয়াতির দালিলিক প্রমাণ তুলে ধরতে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন ওই বাড়ির সিকিউরিটি ইনচার্জ সোহাগ বিন সাইফুল্লাহ। খবর পেয়ে মোহনা টিভি, দেশ টিভি, গ্রীন টিভি, এশিয়ান টিভি, পাক্ষিক অপরাধ জগত, দৈনিক মুক্তির লড়াই, দৈনিক লাল সবুজের দেশ, দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার এবং দৈনিক ভোরের কাগজসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রায় ২৫-৩০ জন সংবাদকর্মী সেখানে উপস্থিত হন।​সংবাদ সম্মেলন চলাকালে সিকিউরিটি ইনচার্জ জালিয়াতির কাগজপত্র প্রদর্শন শুরু করা মাত্রই রাজেশের মদদপুষ্ট সন্ত্রাসী চক্রের ক্যাডাররা সাংবাদিকদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। ভিডিও ফুটেজে সুস্পষ্টভাবে দেখা যায়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতিতেই সন্ত্রাসীরা তাণ্ডব চালায়। পরবর্তীতে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠলে পুলিশ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাংবাদিক, নিরাপত্তা কর্মী ও ভাড়াটিয়াদের উদ্ধার করে।​মামলার পরও অধরা আসামিরা, প্রকাশ্যে অস্ত্র মহড়া: ​অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগে ১ জুলাই ২০২৬ তারিখে হামলা ও জখমের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় ২ জুলাই ২০২৬ তারিখে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানায় একটি মামলা (মামলা নম্বর: ১১) দায়ের করা হয়।​তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, বিএনপি নেতা রাজেশের প্রত্যক্ষ মদদে এবং গিয়াস উদ্দিন ও রেজাউল করিমের সক্রিয় অংশগ্রহণে এই অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে। মামলা সত্ত্বেও থানা পুলিশ এখন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। আসামিরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকায় তাদের অপরাধমূলক তাণ্ডব আরও বেড়ে যায়। গত ২৮ জুলাই ২০২৬ তারিখে রাজেশের প্রত্যক্ষ মদদে গিয়াস উদ্দিন ও রেজাউল করিমদের নেতৃত্বে প্রশাসনের সামনেই দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে দফায় দফায় মহড়া ও হামলা চালানো হয়।​দিনের আলোয় প্রশাসনের উপস্থিতিতে চিহ্নিত চক্রের এমন মুক্ত বিচরণ ও তাণ্ডবে স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে। সচেতন মহলের প্রশ্ন— আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কি তবে ভূমিদস্যু ও রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয়ে থাকা সন্ত্রাসীদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে?​স্থানীয় ও সাধারণ মানুষের ৩ দফা দাবি: ​এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং ভূমিদস্যুদের হাত থেকে সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে স্থানীয় বাসিন্দা ও সচেতন নাগরিক সমাজ প্রশাসনের কাছে ৩ দফা দাবি জানিয়েছেন: ​জালিয়াতির নিরপেক্ষ তদন্ত: ভুয়া বালাম বইয়ের মাধ্যমে প্রবাসী ও সাধারণ মানুষের জমি আত্মসাতের ঘটনায় নিরপেক্ষ ও পুঙ্খানুপুঙ্খ ফরেনসিক তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে।​মদদদাতা ও সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেপ্তার: জমি দখল ও হামলায় জড়িত অসাধু কর্মকর্তা এবং রাজেশের প্রত্যক্ষ মদদে তাণ্ডব চালানো গিয়াস উদ্দিন ভূইয়া ও রেজাউল করিমসহ সকল চিহ্নিত সন্ত্রাসীকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে।​এলাকাবাসী ও গণমাধ্যমের নিরাপত্তা: চিহ্নিত ভূমিদস্যুদের অস্ত্র মহড়া বন্ধ করে স্থানীয় সাধারণ মানুষের জানমালের সুরক্ষা দিতে হবে এবং সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ঠ তথ্য প্রকাশের পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

কালীগঞ্জে স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সরকারি বরাদ্দের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

কালীগঞ্জে স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সরকারি বরাদ্দের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আমানউল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে বিভিন্ন খাতে সরকারি বরাদ্দের টাকা আত্মসাৎ এবং নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। চলতি বছর জুন মাসে  যোগদানের পর ওই মাসের শেষে কোনো মালামাল না কিনে ভুয়া বিল ভাউচার তৈরি করে কয়েক লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেন দুর্নীতিপরায়ণ এই কর্মকর্তা । হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ২০২৫-'২৬ অর্থবছরে কালীগঞ্জ উপজেলা সরকারি হাসপাতালের বিভিন্ন খাতওয়ারী বরাদ্দের অর্থ ব্যয়ে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি করেছেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাক্তার মামুন।এরমধ্যে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বাবদ ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা, অন্যান্য মনিহারী বাবদ ১ লাখ ১০ হাজার টাকা, স্ট্যাম্প ও সীল বাবদ ২২ হাজার টাকা,অফিস সরঞ্জাম বাবদ ১৩ হাজার টাকা,, সেপটিক ট্যাংকি পরিষ্কার বাবদ ৩০ হাজার টাকা, আসবাবপত্র মেরামত বাবদ ৩০ হাজার টাকা, আসবাবপত্র ক্রয় বাবদ  ৫৫ হাজার টাকা, কম্পিউটার মেরামত বাবদ ৪৫ হাজার টাকা, পরিষ্কার সামগ্রী বাবদ ৮ হাজার টাকা এবং অন্যান্য মনিহারী বাবদ ৫০ হাজার  টাকা বিধি অনুযায়ী ব্যয় না করে ভুয়া বিল ভাউচার তৈরি করে নিজের পকেটস্থ করেছেন। স্বাস্থ্য কর্মকর্তার সীমাহীন এ দুর্নীতির তথ্য প্রমান এবং  অডিও ভিডিও  বক্তব্য ইতিমধ্যে এই প্রতিবেদকের হাতে এসে পৌঁছেছে। বরাদ্দের অর্থ দিয়ে মালামাল ক্রয় হয়েছে কিনা জানতে হাসপাতালে স্টোরের দায়িত্বে থাকা হারবাল অ্যাসিস্ট্যান্ট মাহবুবুর রহমানের সাথে দেখা করে মালামাল মজুদের বিষয়ে জানতে এবং দেখতে চাইলে তিনি বিল ভাউচারে ক্রয়কৃত কোনো মালামাল দেখাতে পারেননি। এ সময় তিনি বলেন,বরাদ্দ না থাকাই অল্প অল্প করে কোনরকমে চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। এ ব্যাপারে স্যার ভালো বলতে পারবেন। এদিকে প্রয়োজনীয় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন সামগ্রীর অভাবে হাসপাতালে ব্যাপক নোংরা অবস্থা বিরাজমান। বিভিন্ন বিভাগ থেকে প্রয়োজনীয় সামগ্রী চাহিদা দিলেও দীর্ঘদিন ধরে তা যথাযথভাবে সরবরাহ করা হচ্ছে না। কালীগঞ্জ হাসপাতালের এই দুর্নীতি পরায়ণ স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাক্তার আমানুল্লাহ আল মামুন যোগদানের পর থেকে একের পর এক দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনায় হাসপাতালটির প্রশাসনিক এবং সেবা দান প্রক্রিয়া সম্পূর্ণরূপে ভেঙে পড়েছে।   তিনি যোগদানের পর থেকেই নিয়মিতভাবে সহযোগীসহ হাসপাতালের রোগীর খাবার (৫ জন রোগীর তরকারী একা) খাওয়া শুরু করেন। সাংবাদিকদের হস্তক্ষেপে সেটি বন্ধ হয়। অস্বাস্থ্যকর নিম্নমানের এবং পরিমানে কম খাবার হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোগীদের সরবরাহ করা হলেও ঠিকাদারের বিরুদ্ধে তিনি কোনো ব্যবস্থা নেন না। সকাল ৮ টা ৩০ মিনিটে অফিসে যোগদানের সময় শুরু হলেও কোনোদিনও তাকে যথাসময়ে অফিসে উপস্থিত থাকতে দেখা যায় না। এমনকি হাসপাতালের অধিকাংশ ডাক্তার সকালে যথাসময়ে আসেন না। ২৫ জুলাই হাসপাতালের অফিস কক্ষে হারবাল অ্যাসিস্ট্যান্ট মাহবুবুর রহমান সহকর্মী মেডিকেল টেকনোলজিস্ট জামির হোসেন কে মেরে রক্তাক্ত করে। এ ঘটনার নেপথ্যের কারিগর স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বলেও অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী জামির হোসেন। শুধু তাই না মারামারি ঘটনাকে কেন্দ্র করে পালটা মামলা দেওয়ার ইন্ধনদাতা হিসেবেও নাম আসছে স্বাস্থ্য কর্মকর্তার। সম্প্রতি হাসপাতালের চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার অরুণ কুমার দাসের  অফিস ফাঁকি দিয়ে মাঠে গিয়ে বিক্রয় প্রতিনিধিদের  দিয়ে কাজ করানোর ভিডিও প্রতিবেদন ভাইরাল এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচার  হলেও তিনি তার বিরুদ্ধে  নেননি কোনো ব্যবস্থা,বরঞ্চ ওই ডাক্তারের পক্ষে হাসপাতালের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে ভালো প্রচারণামূলক পোস্ট করা হয়।  এমনকি হাসপাতালের এ্যাম্বুলেন্স  ভাড়াও সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফি এর বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হয় সাধারণ রোগীদের থেকে। এই বিষয়টি জেনেও তিনি রয়েছেন নির্বাক নিশ্চুপ। হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের নিকট থেকে আউটসোর্সিং এ কাজ করা ব্যক্তিরা টাকা আদায় করে থাকেন। হাসপাতালে ঔষধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের দৌরাত্মক কমাতে স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ভূমিকা নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। কালীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হিসাব রক্ষক আব্দুল আজিজ জানান,আমানুল্লাহ স্যার যোগদানের পর থেকে আমাকে  হিসাব বিভাগের সমস্ত কাজ করা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেন। যে কারণে আমি অফিসে যায় এবং আসি মাত্র। এর বাহিরে কোন কিছুই আমার জানা নেই। সকল প্রকার অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে জানতে এই প্রতিবেদক উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আমানুল্লাহ আল মামুনের মুখোমুখি হলে তিনি এর কোনো সদুত্ত দিতে পারেননি। তখন  তিনি বেশ কিছু সময় চুপ থেকে  বলেন, আপনি বললেন আমি খোঁজখবর নিয়ে দেখব কেনাকাটা হয়েছে কিনা, আর বিষয়টা আমি আমার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে জানাবো। এ ব্যাপারে ঝিনাইদহ জেলা সিভিল সার্জন ডাক্তার  কামরুজ্জামান বলেন, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা যদি সরকারি বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাৎ করে থাকে তাহলে অবশ্যই তদন্তপূর্বক প্রমাণ পেলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আমাকে কিংবা অন্যকে দোহাই দিয়ে অনিয়ম দুর্নীতি করে পার পাওয়ার সুযোগ নেয়।খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক ডা.শেখ মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন বলেন, অনিয়ম দুর্নীতি করলে তার বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। কালিগঞ্জ সরকারি হাসপাতাল সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পরিচালনা এবং সেবা-নিশ্চিতের জন্য তদন্তপূর্বক স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের  প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করে স্থানীয় সুধীসমাজ । 

বরুড়ায় পাগলা কুকুরের কামড়ে অন্তত ১৬ জন আহত

সরকারি হাসপাতালে নেই জলাতঙ্ক প্রতিরোধী ভ্যাকসিন / বরুড়ায় পাগলা কুকুরের কামড়ে অন্তত ১৬ জন আহত

কুমিল্লার  বরুড়া উপজেলার শাকপুর ইউনিয়নের বড় কৈয়নি ও শাকপুর গ্রামে পাগলা কুকুরের হামলায় অন্তত ১৬ জন আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (৩১ জুলাই) সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আহতদের মধ্যে বরুড়া সরকারি হাসপাতালে অন্তত ৮ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। গুরুতর আহতদের মধ্যে রয়েছেন রাফি (২০), পিতা- রশিদ, গ্রাম শাকপুর; আবুল হোসেন (৪০), পিতা- মনির হোসেন, শাকপুর; আনাস (৪ মাস), পিতা- রিয়াদ হোসেন, শাকপুর এবং সামিয়া (২৬ মাস), পিতা- মিল্লাত হোসেন, শাকপুর।এছাড়া উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে আয়ান (৩ মাস), পিতা- মো. বাহার, গ্রাম বামন্ডা, উপজেলা চান্দিনা; নিলুফা বেগম (৪০), স্বামী- ফরিদ উদ্দিন, মহেশপুর, বরুড়া; নিরুদা (৭০), স্বামী- মৃত সীতিম সরকার, শাকপুর, বরুড়া এবং কুহিনূর বেগম (৩৫), স্বামী- মো. বিল্লাল হোসেন, শাকপুরকে।এদিকে দুঃখজনক হলেও সত্য, আহতদের কাউকেই বরুড়া সরকারি হাসপাতালে জলাতঙ্ক (রেবিস) প্রতিরোধী ভ্যাকসিন দেওয়া সম্ভব হয়নি। কারণ হাসপাতালের ভ্যাকসিনের মজুত শেষ হয়ে গেছে। এতে দরিদ্র ও অসহায় রোগীদের মধ্যে চরম উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। সচেতন নাগরিকরা মনে করছেন, এ ধরনের জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় উপজেলা পর্যায়ের সরকারি হাসপাতালে সবসময় পর্যাপ্ত রেবিস ভ্যাকসিন মজুত থাকা অত্যন্ত জরুরি।এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাজেদুর রহমান বলেন, “রেবিস ভ্যাকসিনের মজুত শেষ হয়ে গেছে। আমরা ইতোমধ্যে চাহিদাপত্র পাঠিয়েছি। আশা করছি আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ভ্যাকসিন সংগ্রহ করা হবে।”স্থানীয়দের দাবি, ভবিষ্যতে এ ধরনের সংকট এড়াতে সরকারি হাসপাতালে নিয়মিতভাবে রেবিস ভ্যাকসিন সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন।

অল্প বৃষ্টিতেই আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জলাবদ্ধতা, মশা-মাছির উপদ্রব; চরম দুর্ভোগে রোগী ও স্বজনরা

অল্প বৃষ্টিতেই আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জলাবদ্ধতা, মশা-মাছির উপদ্রব; চরম দুর্ভোগে রোগী ও স্বজনরা

নওগাঁর আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সামান্য বৃষ্টিতেই ভয়াবহ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। হাসপাতালের বহির্বিভাগ, জরুরি বিভাগের প্রবেশপথ, অভ্যন্তরীণ সড়ক ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বৃষ্টির পানি জমে থাকায় বেড়েছে মশা-মাছির উপদ্রব। ফলে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোগী, তাদের স্বজন এবং হাসপাতালের চিকিৎসক-কর্মচারীদের চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে।সরেজমিনে দেখা যায়, অল্প সময়ের বৃষ্টিতেই হাসপাতাল চত্বরের বিভিন্ন স্থানে পানি জমে ছোট ছোট জলাশয়ের সৃষ্টি হয়। এতে জরুরি বিভাগে রোগী আনা-নেওয়া, বহির্বিভাগে চিকিৎসা গ্রহণ এবং ওয়ার্ডে যাতায়াতে মারাত্মক বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। বিশেষ করে শিশু, গর্ভবতী নারী, প্রবীণ ও শারীরিকভাবে দুর্বল রোগীদের জন্য এই পরিস্থিতি আরও কষ্টকর হয়ে উঠেছে।রোগীর স্বজনদের অভিযোগ, দীর্ঘ সময় পানি জমে থাকায় হাসপাতাল এলাকায় মশা-মাছির উপদ্রব আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। এতে ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া এবং অন্যান্য মশাবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের কারণে সংক্রমণের ঝুঁকিও বাড়ছে।হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা কয়েকজন রোগী জানান, সরকারি এই স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে প্রতিদিন উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে শত শত মানুষ চিকিৎসা নিতে আসেন। কিন্তু সামান্য বৃষ্টিতেই হাসপাতালের এমন নাজুক পরিস্থিতি অত্যন্ত হতাশাজনক।রোগীর স্বজন আব্দুল্লাহীল কাফী বলেন, "রোগী নিয়ে হাসপাতালে এসে দেখি চারদিকে পানি জমে আছে। জরুরি বিভাগে পৌঁছাতেই ভোগান্তির শিকার হতে হয়েছে। হাসপাতালের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠানে এমন অবস্থা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।"স্থানীয়দের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরেই হাসপাতালের ড্রেনেজ ব্যবস্থা অকার্যকর। নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার ও সংস্কারের অভাবে বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশন হতে পারে না। ফলে অল্প বৃষ্টিতেই হাসপাতাল চত্বর জলমগ্ন হয়ে পড়ে। বর্ষা মৌসুমে এই সমস্যা আরও প্রকট আকার ধারণ করে।স্বাস্থ্যসচেতন নাগরিকদের মতে, হাসপাতালের মতো সংবেদনশীল প্রতিষ্ঠানে জলাবদ্ধতা শুধু রোগীদের দুর্ভোগই বাড়ায় না, বরং জনস্বাস্থ্যের জন্যও বড় ধরনের ঝুঁকি সৃষ্টি করে। দ্রুত পানি নিষ্কাশন, কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা, নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার করা সময়ের দাবি।১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি উপজেলার প্রধান সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র। প্রতিদিন এখানে বহির্বিভাগ, জরুরি বিভাগ ও বিভিন্ন ওয়ার্ডে শত শত রোগী চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেন। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে অবকাঠামোগত বিভিন্ন সমস্যা, ড্রেনেজ ব্যবস্থার দুর্বলতা এবং প্রয়োজনীয় সংস্কারের অভাবে হাসপাতালের পরিবেশ দিন দিন অবনতির দিকে যাচ্ছে।এলাকাবাসীর দাবি, রোগীদের নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে হাসপাতালের ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, স্থায়ী পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা, নিচু স্থান ভরাট, নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এবং মশক নিধনে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি বর্ষা মৌসুমের আগেই প্রয়োজনীয় সংস্কারকাজ সম্পন্ন করারও দাবি জানান তারা।এ বিষয়ে আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোহাম্মদ  খায়রুল আলম বলেন, "জলাবদ্ধতার বিষয়টি ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। সমস্যাটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। স্থায়ী সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আশা করছি, খুব দ্রুতই এ সমস্যার সমাধান হবে।"স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নিলে হাসপাতালের জলাবদ্ধতা ও মশা-মাছির উপদ্রব থেকে মুক্তি মিলবে। এতে রোগী ও তাদের স্বজনদের দুর্ভোগ কমার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবার মানও আরও উন্নত হবে।

রোগীর আল্ট্রাসনোগ্রাম করার আগেই রিপোর্ট প্রিন্ট করে রাখার অভিযোগে

চাঁদপুর ফেমাস ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান / রোগীর আল্ট্রাসনোগ্রাম করার আগেই রিপোর্ট প্রিন্ট করে রাখার অভিযোগে

চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের পাশে অবস্থিত ফেমাস ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আল্ট্রাসনোগ্রাম করার আগেই রিপোর্ট তৈরি করে রাখার অভিযোগে অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানে বিভিন্ন অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী আক্তার জাহানকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের যৌথ উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন চাঁদপুর সদর উপজেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস.এম.এন. জামিউল হিকমা।অভিযানকালে ভ্রাম্যমাণ আদালত দেখতে পায়, রোগী আল্ট্রাসনোগ্রামের জন্য আসার আগেই বিভিন্ন ধরনের রিপোর্ট প্রিন্ট করে রাখা হতো। পরে রোগীর নাম ও পরিচয় যুক্ত করে তা সরবরাহ করা হতো বলে অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া যায়।এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানের ল্যাবে মেয়াদোত্তীর্ণ রিএজেন্ট ব্যবহার, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ইউরিনের নমুনা সংরক্ষণ এবং রেফ্রিজারেটরের তাপমাত্রা পরিমাপের জন্য প্রয়োজনীয় থার্মোমিটার না রাখাসহ আরও কয়েকটি অনিয়ম শনাক্ত করা হয়।অভিযানে চাঁদপুর সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ রফিকুল হাসান ফয়সালসহ স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় চাঁদপুর মডেল থানা পুলিশের সদস্যরাও সহযোগিতা করেন।জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাধারণ মানুষের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতে নিয়মিত তদারকি এবং অভিযান অব্যাহত থাকবে।

চাঁদপুরের  নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের নতুন বিচারক তাসনিম জোহরা

চাঁদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের নতুন বিচারক তাসনিম জোহরা

চাঁদপুরের  নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের নবনিযুক্ত বিচারক ( জেলা জজ)  হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন তাসনিম জোহরা আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেছেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের নতুন বিচারিক অভিজ্ঞতা সম্পন্ন তাসনিম জোহরা দীর্ঘ বিচারের অধিকারী একজন বিচারক তিনি। ২০১৫ সালে পদোন্নতি পেয়ে মাগুরায় যুগ্নু জেলা জলস হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ২০১৮ সালে খুলনায় যুগ্ন মহানগর দায়রা জজ আদালতে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে  পুনরায় পদোন্নতি পেয়ে ২০২০ সালে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জর্জ হন।২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে ঝালকাঠির চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। চাঁদপুরে যোগদানের আগে তিনি আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইনী কর্মকান্ডে সংযুক্ত ছিলেন। বিচারক তাসনিম  জোহরা ফরিদপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ঢাকার ভিকারুন্নিসা নুন কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে অস্ট্রেলিয়া সরকারের ব্যক্তি নিয়ে   স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক আহমদ জিয়াউর রহমানের সহধর্মিনী। চাঁদপুরের দায়িত্ব গ্রহণ এরপর তাসনিম যুহরা বলেন বিচার প্রার্থীদের দ্রুত সুস্থ নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করতে তিনি আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন। এজন্য তিনি সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন। যোগদানলগ্নে  চাঁদপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সেক্রেটারি সহ শুধু আইনজীবী রা তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ  করেন এবং ফুলেল শুভেচ্ছা  ও জানান।

কালীগঞ্জে স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সরকারি বরাদ্দের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

কালীগঞ্জে স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সরকারি বরাদ্দের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আমানউল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে বিভিন্ন খাতে সরকারি বরাদ্দের টাকা আত্মসাৎ এবং নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। চলতি বছর জুন মাসে  যোগদানের পর ওই মাসের শেষে কোনো মালামাল না কিনে ভুয়া বিল ভাউচার তৈরি করে কয়েক লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেন দুর্নীতিপরায়ণ এই কর্মকর্তা । হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ২০২৫-'২৬ অর্থবছরে কালীগঞ্জ উপজেলা সরকারি হাসপাতালের বিভিন্ন খাতওয়ারী বরাদ্দের অর্থ ব্যয়ে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি করেছেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাক্তার মামুন।এরমধ্যে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বাবদ ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা, অন্যান্য মনিহারী বাবদ ১ লাখ ১০ হাজার টাকা, স্ট্যাম্প ও সীল বাবদ ২২ হাজার টাকা,অফিস সরঞ্জাম বাবদ ১৩ হাজার টাকা,, সেপটিক ট্যাংকি পরিষ্কার বাবদ ৩০ হাজার টাকা, আসবাবপত্র মেরামত বাবদ ৩০ হাজার টাকা, আসবাবপত্র ক্রয় বাবদ  ৫৫ হাজার টাকা, কম্পিউটার মেরামত বাবদ ৪৫ হাজার টাকা, পরিষ্কার সামগ্রী বাবদ ৮ হাজার টাকা এবং অন্যান্য মনিহারী বাবদ ৫০ হাজার  টাকা বিধি অনুযায়ী ব্যয় না করে ভুয়া বিল ভাউচার তৈরি করে নিজের পকেটস্থ করেছেন। স্বাস্থ্য কর্মকর্তার সীমাহীন এ দুর্নীতির তথ্য প্রমান এবং  অডিও ভিডিও  বক্তব্য ইতিমধ্যে এই প্রতিবেদকের হাতে এসে পৌঁছেছে। বরাদ্দের অর্থ দিয়ে মালামাল ক্রয় হয়েছে কিনা জানতে হাসপাতালে স্টোরের দায়িত্বে থাকা হারবাল অ্যাসিস্ট্যান্ট মাহবুবুর রহমানের সাথে দেখা করে মালামাল মজুদের বিষয়ে জানতে এবং দেখতে চাইলে তিনি বিল ভাউচারে ক্রয়কৃত কোনো মালামাল দেখাতে পারেননি। এ সময় তিনি বলেন,বরাদ্দ না থাকাই অল্প অল্প করে কোনরকমে চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। এ ব্যাপারে স্যার ভালো বলতে পারবেন। এদিকে প্রয়োজনীয় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন সামগ্রীর অভাবে হাসপাতালে ব্যাপক নোংরা অবস্থা বিরাজমান। বিভিন্ন বিভাগ থেকে প্রয়োজনীয় সামগ্রী চাহিদা দিলেও দীর্ঘদিন ধরে তা যথাযথভাবে সরবরাহ করা হচ্ছে না। কালীগঞ্জ হাসপাতালের এই দুর্নীতি পরায়ণ স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাক্তার আমানুল্লাহ আল মামুন যোগদানের পর থেকে একের পর এক দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনায় হাসপাতালটির প্রশাসনিক এবং সেবা দান প্রক্রিয়া সম্পূর্ণরূপে ভেঙে পড়েছে।   তিনি যোগদানের পর থেকেই নিয়মিতভাবে সহযোগীসহ হাসপাতালের রোগীর খাবার (৫ জন রোগীর তরকারী একা) খাওয়া শুরু করেন। সাংবাদিকদের হস্তক্ষেপে সেটি বন্ধ হয়। অস্বাস্থ্যকর নিম্নমানের এবং পরিমানে কম খাবার হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোগীদের সরবরাহ করা হলেও ঠিকাদারের বিরুদ্ধে তিনি কোনো ব্যবস্থা নেন না। সকাল ৮ টা ৩০ মিনিটে অফিসে যোগদানের সময় শুরু হলেও কোনোদিনও তাকে যথাসময়ে অফিসে উপস্থিত থাকতে দেখা যায় না। এমনকি হাসপাতালের অধিকাংশ ডাক্তার সকালে যথাসময়ে আসেন না। ২৫ জুলাই হাসপাতালের অফিস কক্ষে হারবাল অ্যাসিস্ট্যান্ট মাহবুবুর রহমান সহকর্মী মেডিকেল টেকনোলজিস্ট জামির হোসেন কে মেরে রক্তাক্ত করে। এ ঘটনার নেপথ্যের কারিগর স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বলেও অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী জামির হোসেন। শুধু তাই না মারামারি ঘটনাকে কেন্দ্র করে পালটা মামলা দেওয়ার ইন্ধনদাতা হিসেবেও নাম আসছে স্বাস্থ্য কর্মকর্তার। সম্প্রতি হাসপাতালের চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার অরুণ কুমার দাসের  অফিস ফাঁকি দিয়ে মাঠে গিয়ে বিক্রয় প্রতিনিধিদের  দিয়ে কাজ করানোর ভিডিও প্রতিবেদন ভাইরাল এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচার  হলেও তিনি তার বিরুদ্ধে  নেননি কোনো ব্যবস্থা,বরঞ্চ ওই ডাক্তারের পক্ষে হাসপাতালের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে ভালো প্রচারণামূলক পোস্ট করা হয়।  এমনকি হাসপাতালের এ্যাম্বুলেন্স  ভাড়াও সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফি এর বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হয় সাধারণ রোগীদের থেকে। এই বিষয়টি জেনেও তিনি রয়েছেন নির্বাক নিশ্চুপ। হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের নিকট থেকে আউটসোর্সিং এ কাজ করা ব্যক্তিরা টাকা আদায় করে থাকেন। হাসপাতালে ঔষধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের দৌরাত্মক কমাতে স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ভূমিকা নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। কালীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হিসাব রক্ষক আব্দুল আজিজ জানান,আমানুল্লাহ স্যার যোগদানের পর থেকে আমাকে  হিসাব বিভাগের সমস্ত কাজ করা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেন। যে কারণে আমি অফিসে যায় এবং আসি মাত্র। এর বাহিরে কোন কিছুই আমার জানা নেই। সকল প্রকার অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে জানতে এই প্রতিবেদক উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আমানুল্লাহ আল মামুনের মুখোমুখি হলে তিনি এর কোনো সদুত্ত দিতে পারেননি। তখন  তিনি বেশ কিছু সময় চুপ থেকে  বলেন, আপনি বললেন আমি খোঁজখবর নিয়ে দেখব কেনাকাটা হয়েছে কিনা, আর বিষয়টা আমি আমার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে জানাবো। এ ব্যাপারে ঝিনাইদহ জেলা সিভিল সার্জন ডাক্তার  কামরুজ্জামান বলেন, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা যদি সরকারি বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাৎ করে থাকে তাহলে অবশ্যই তদন্তপূর্বক প্রমাণ পেলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আমাকে কিংবা অন্যকে দোহাই দিয়ে অনিয়ম দুর্নীতি করে পার পাওয়ার সুযোগ নেয়।খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক ডা.শেখ মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন বলেন, অনিয়ম দুর্নীতি করলে তার বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। কালিগঞ্জ সরকারি হাসপাতাল সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পরিচালনা এবং সেবা-নিশ্চিতের জন্য তদন্তপূর্বক স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের  প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করে স্থানীয় সুধীসমাজ ।