আদ-দ্বীন হাসপাতালে ৬ শিশু মৃত্যুর খবর, ঘটনাস্থলে পুলিশ
ঘুম ভাঙতেই রাজধানীতে শোকের ছায়া— মগবাজারের আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একসঙ্গে ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। রহস্যঘেরা এই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পরপরই হাসপাতালে ছুটে যায় থানা পুলিশ ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ঘটনাস্থলে যান ডিএমপির রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) শেখ জাহিদুল ইসলাম।বুধবার (২৭ মে) সকালে তিনি জানান, আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছয় শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তবে ঠিক কী কারণে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।পুলিশ জানিয়েছে, পুরো ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। হাসপাতালজুড়ে বিরাজ করছে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা।
ঈদের আগে বেতন-বোনাসের দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ, সোনারগাঁয়ে ৮ কিমি যানজটে জনদুর্ভোগ
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে -এ বেতন-বোনাসের দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন একটি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা। মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে উপজেলার চৈতী ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক এলাকার শ্রমিকরা মহাসড়কে নেমে এ আন্দোলন শুরু করলে মেঘনা টোল প্লাজা থেকে মদনপুর পর্যন্ত প্রায় ৮ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে ঈদে ঘরমুখো হাজারো যাত্রী চরম ভোগান্তিতে পড়েন।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুরের পর নারী-পুরুষ শ্রমিকরা একযোগে মহাসড়কে অবস্থান নিলে যান চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘ যানজটে আটকা পড়ে দূরপাল্লার বাস, ব্যক্তিগত যানবাহন, এমনকি রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্সও। ভোগান্তিতে পড়েন শিশু ও বৃদ্ধ যাত্রীরাও।বিক্ষুব্ধ শ্রমিকদের অভিযোগ, সরকার ঈদের আগে শ্রমিকদের ২০ দিনের বেতন ও বোনাস পরিশোধের নির্দেশনা দিলেও কারখানা কর্তৃপক্ষ তা মানেনি। তাদের দাবি, প্রায় ২৫ হাজার টাকা পাওনার বিপরীতে মাত্র ৬ হাজার টাকা পরিশোধ করা হয়েছে এবং বাকি অর্থ ঈদের পর দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।এক নারী শ্রমিক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “ঈদের আগে পরিবার নিয়ে বাজার করব কীভাবে? বাচ্চাদের নতুন কাপড় কিনব কী দিয়ে? বাধ্য হয়েই আমরা রাস্তায় নেমেছি।”পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সোনারগাঁও পুলিশ স্টেশন-এর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে শ্রমিকদের মহাসড়ক ছাড়ার অনুরোধ জানায়। তবে বকেয়া বেতন ও বোনাস পরিশোধের নিশ্চয়তা না পাওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন শ্রমিকরা।চৈতী গার্মেন্টসের ম্যানেজার মিজানুর রহমান মিজানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।কাঁচপুর হাইওয়ে পুলিশ স্টেশন এর ওসি শামীম শেখ জানান, মহাসড়ক অবরোধের কারণে মেঘনা টোল প্লাজা থেকে মদনপুর পর্যন্ত দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক করতে কাজ চলছে।
লাব্বাইক ধ্বনিতে কাঁপছে আরাফাত: ১৬ লাখ মুসল্লির অশ্রুসিক্ত প্রার্থনায় পবিত্র হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন
বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর সবচেয়ে পবিত্র ও আবেগঘন মুহূর্তগুলোর একটি—পবিত্র হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা আজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে সৌদি আরবের ঐতিহাসিক আরাফাতের ময়দানে। ৯ জিলহজ মঙ্গলবার ভোর থেকেই বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে আসা ১৬ লাখেরও বেশি মুসল্লির উপস্থিতিতে মুখর হয়ে ওঠে আরাফাত। চারদিকে ধ্বনিত হতে থাকে—“লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক”।সাদা ইহরামে আবৃত লাখো ধর্মপ্রাণ মুসল্লি দিনভর ইবাদত, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির ও কান্নাভেজা দোয়ায় মগ্ন রয়েছেন। পবিত্র এই ময়দানে দাঁড়িয়ে আল্লাহর রহমত, ক্ষমা ও শান্তি কামনায় হাত তুলেছেন হাজিরা। সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) জানিয়েছে, এবার আরাফাতে সমবেত হয়েছেন ১৬ লাখেরও বেশি হজযাত্রী।ইসলামী শরিয়ত অনুযায়ী, আরাফাতে অবস্থান হজের অন্যতম প্রধান ফরজ। সোমবার মিনায় অবস্থানের মধ্য দিয়ে হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। মঙ্গলবার ফজরের নামাজের পর হাজিরা মিনার বিশাল তাঁবু নগরী থেকে আরাফাতের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন।আজ মসজিদে নামিরা থেকে হজের খুতবা প্রদান করবেন মসজিদে নববির প্রবীণ ইমাম ও খতিব শায়খ আলী বিন আবদুর রহমান আল-হুজাইফি। খুতবার পর হাজিরা একসঙ্গে জোহর ও আসরের নামাজ আদায় করবেন।সূর্যাস্তের পর হাজিরা মুজদালিফার পথে রওনা হবেন। সেখানে খোলা আকাশের নিচে রাত যাপনের পর মিনায় ফিরে শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ, পশু কোরবানি ও তাওয়াফসহ হজের বাকি আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবেন।সৌদি হজ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ১৫ লাখের বেশি নিবন্ধিত হজযাত্রী সৌদি আরবে গেছেন। বাংলাদেশ থেকে অংশ নিয়েছেন প্রায় ৭৮ হাজার ৫০০ জন। এছাড়া সৌদি আরবের অভ্যন্তরীণ হজযাত্রীদের মিলিয়ে আরাফাতে উপস্থিত মুসল্লির সংখ্যা ১৬ লাখ ছাড়িয়েছে।মক্কা নগরী থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত ঐতিহাসিক আরাফাতের ময়দান ‘জাবালে রহমত’ বা রহমতের পাহাড়কে ঘিরে বিস্তৃত। ৬৩২ খ্রিস্টাব্দে বিদায় হজের সময় মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এখানেই মানবতার মুক্তি, সাম্য ও ন্যায়ের ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেছিলেন।
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?
ঐশ্বরিক আনুগত্যের মহোৎসব বনাম সংশয়বাদের ব্যবচ্ছেদ / জিলহজ্জের সমাজতাত্ত্বিক দর্শন ও শ্বাশত শিক্ষা
সাম্য ও মানবতার কবি কাজী নজরুল ইসলাম
বিচারহীনতার সংস্কৃতি বনাম জননিরাপত্তা / রামিসা হত্যা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মনোবল ফিরিয়ে আনার লড়াই
অবক্ষয়ের কালবেলা ও বিপন্ন শৈশব / বিচারহীনতার সংস্কৃতি আর কত কাড়বে রামিসা-আছিয়াদের প্রাণ?