সিপিসির রাজনৈতিক মডেল নিয়ে বৈশ্বিক জরিপের ফল প্রকাশ
চীনা কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিসি) প্রতিষ্ঠার ১০৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে সম্প্রতি চায়না মিডিয়া গ্রুপ (সিএমজি)-র চায়না গ্লোবাল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক, বিশ্বজুড়ে ৪১টি দেশের উত্তরদাতাদের মধ্যে একটি জনমত জরিপ পরিচালনা করে, যেখানে ১১ হাজার ৫২১ জন উত্তরদাতা তাদের মতামত দেন।জরিপে অংশগ্রহণকারীরা বলছেন, চীনের নতুন ধরনের রাজনৈতিক দল ব্যবস্থা, উন্নততর রাজনৈতিক দলীয় মডেল অন্বেষণের জন্য, একটি চীনা সমাধান প্রদান করে। পশ্চিমা রাজনৈতিক দলীয় ব্যবস্থাগুলোর উন্মোচিত বিভিন্ন ত্রুটির তুলনায়, এর মূল সুবিধাগুলো আন্তর্জাতিক সমাজের কাছ থেকে ব্যাপক স্বীকৃতি লাভ করেছে।জরিপকৃত ৪১টি দেশের মধ্যে ৩০টি দেশের উত্তরদাতারা মনে করেন যে, পশ্চিমা রাজনৈতিক দলগুলোর তুলনায় সিপিসি জনগণের ব্যাপকতম অংশের মৌলিক স্বার্থের প্রতিনিধিত্ব করে, দেশের সামগ্রিক ও দীর্ঘমেয়াদী স্বার্থ নিশ্চিত করার জন্য অধিক সহায়ক। অংশগ্রহণকারী উত্তরদাতাদের ৬১.৩ শতাংশ মনে করেন, পশ্চিমা রাজনৈতিক দলগুলো কেবল ভোটারদের একটি অংশের স্বার্থের প্রতিনিধিত্ব করে, যা সহজেই স্বল্পমেয়াদী নীতি এবং সামাজিক বিভাজনের জন্ম দিতে পারে। ভারত, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং নাইজেরিয়ার উত্তরদাতাদের মধ্যে এই বিষয়ে একমত হওয়ার হার ছিল ৭০ শতাংশের বেশি। উন্নত দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের যথাক্রমে ৬২.৫ ও ৬১.৫ শতাংশ উত্তরদাতাও এ ব্যাপারে একমত পোষণ করেন। অংশগ্রহণকারী উত্তরদাতাদের ৫৮.৫ শতাংশ মনে করেন যে, ঘন ঘন অভ্যন্তরীণ বিভাজনে জর্জরিত পশ্চিমা রাজনৈতিক দলগুলোর তুলনায়, সিপিসির নেতৃত্বে বহুদলীয় সহযোগিতা ও রাজনৈতিক পরামর্শ ব্যবস্থা, জাতীয় নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের জন্য অধিক সহায়ক এবং জাতীয় শাসন ও জনস্বার্থের জন্য অধিকতর উপকারী। বড় ধরনের জরুরি অবস্থা মোকাবিলার ক্ষেত্রে, বিশ্বব্যাপী উত্তরদাতাদের ৪৩.৫ শতাংশ মনে করেন, সিপিসি’র পক্ষে ঐকমত্যে পৌঁছানো এবং সমন্বিত প্রচেষ্টা চালানো অধিকতর সহজ। উল্লেখ্য, সিজিটিএন এবং রেনমিন ইউনিভার্সিটি অফ চায়না-র নতুন যুগে আন্তর্জাতিক প্রচার গবেষণালয়ের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত জরিপটি, বিশ্বজুড়ে ৪১টি দেশের ১১ হাজার উত্তরদাতার মতামত তুলে ধরেছে। জরিপটি প্রধান উন্নত দেশ এবং ‘গ্লোবাল সাউথ’ দেশগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করেছিল, যেখানে উত্তরদাতারা ছিলেন ১৮ বছর বা আরো বেশি বয়সী সাধারণ নাগরিক।সূত্র:ছাই-আলিম-ওয়াং হাইমান,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।
দুর্যোগ প্রস্তুতি জোরদারে সি চিন পিংয়ের নির্দেশ
চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং, গত (মঙ্গলবার) বেইজিংয়ে, চীনা কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিসি)-র বন্যা নিয়ন্ত্রণ এবং খরা ত্রাণ কার্যক্রমসংশ্লিষ্ট এক সভায় সভাপতিত্ব করেন।সম্মেলনে জানানো হয়, চলতি বছর প্রধান বর্ষা মৌসুমে চীনে আরও চরম আবহাওয়া ও জলবায়ুগত ঘটনা ঘটবে, যেখানে খরা ও বন্যা উভয়ই প্রকট থাকবে। সকল অঞ্চল ও সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে বন্যা প্রতিরোধ, খরা ত্রাণ এবং দুর্যোগ ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সম্মেলনে জোর দিয়ে বলা হয়, সর্বদা জনগণের জীবনের নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে; পর্যবেক্ষণ ও পূর্বাভাসের নির্ভুলতা বাড়াতে হবে; দ্রুত ও দৃঢ়তার সাথে জনগণকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে; ব্যাপক প্রাণহানি কঠোরভাবে প্রতিরোধ করতে হবে; পানি সম্পদের সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও বণ্টন জোরদার করতে হবে; এবং কৃষি অবকাঠামো সুরক্ষাব্যবস্থা জোরদার করতে হবে।সম্মেলনে বলা হয়, আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সাথে দুর্যোগ ত্রাণ ও সহায়তার কাজ ভালোভাবে করতে হবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মৌলিক জীবনধারণের চাহিদা কার্যকরভাবে নিশ্চিত করতে হবে।পাশাপাশি, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও খরা ত্রাণের দায়িত্ব ব্যবস্থা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে; রাজ্য বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও খরা ত্রাণ সদর দপ্তরকে সার্বিক সমন্বয় ও পরিচালনা জোরদার করতে হবে; সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করতে হবে; তৃণমূল স্তরের দলীয় সংগঠন এবং বিপুলসংখ্যক দলীয় সদস্য ও কর্মীকে জনগণের জীবন ও সম্পত্তি কার্যকরভাবে রক্ষা করতে হবে এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে হবে।সূত্র:ছাই-আলিম-ওয়াং হাইমান,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।
জনগণের আস্থাই সিপিসির শক্তির উৎস: সি চিন পিং
"পরিবার, মানুষ ও কর্মজীবনের সমৃদ্ধি হোক; ভাগ্য, সম্পদ ও সৌভাগ্যের প্রসার হোক" গত ২৪ জুন, সিপিসি’র কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক, চীনের প্রেসিডেন্ট এবং কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের চেয়ারম্যান সি চিন পিং শানতুং প্রদেশের সি ইউ চিয়া গ্রাম পরিদর্শন করেছেন। গ্রামটির বাসিন্দাদের বাড়ির দরজার দু'পাশে লাগানো বসন্ত উৎসবের শ্লোক-এ লেখা ছিল—"পরিবার, মানুষ ও কর্মজীবনের সমৃদ্ধি হোক; ভাগ্য, সম্পদ ও সৌভাগ্যের প্রসার হোক।" চীনা ভাষায় লেখা এই বাক্যটি সাধারণ সম্পাদকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। তিনি বলেন, এটি হলো "জনগণের মনের সুন্দর প্রত্যাশা"।তিনি সবাইকে বলেন, গত ১০৫ বছরে সিপিসি দেশের আপামর জনগণকে নেতৃত্ব দিয়ে আসছে এবং সবার নিরলস প্রচেষ্টায় মহান সাফল্য অর্জিত হয়েছে বা হচ্ছে। বর্তমানে আমরা সার্বিকভাবে একটি সমাজতান্ত্রিক আধুনিক দেশ নির্মাণের নতুন অগ্রযাত্রায় দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছি। আমাদের উচিত ঐক্যবদ্ধভাবে এই নতুন অগ্রযাত্রায় সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া, আরও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ সৃষ্টি করা এবং সুন্দর জীবনের প্রতি জনগণের মনের আকাঙ্ক্ষা অব্যাহতভাবে পূরণ করা।তিনি আরও জানান, সিপিসি জনগণ থেকে এসেছে এবং জনগণের জন্যই এর জন্ম হয়েছে। জনগণের কারণেই সিপিসি সমৃদ্ধি লাভ করেছে, সিপিসি সবসময় জনগণের সাথে রয়েছে, জনগণের সাথে একযোগে সব কঠিন সময় অতিক্রম করেছে এবং জনগণের সাথে একযোগে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। অতীতের পথচলায় সিপিসি যেমন জনগণের ওপর নির্ভর করে কাজ করে এসেছে, ভবিষ্যতেও আগের মতোই জনগণের ওপর নির্ভর করে সিপিসি নতুন ঐতিহাসিক সাফল্য সৃষ্টি করবে।মন দিয়ে গণকল্যাণ বৃদ্ধিতে কাজ করা২০১৭ সালের অক্টোবরে, সাধারণ সম্পাদক সি চিন পিং গোটা পার্টিকে "প্রাথমিক লক্ষ্য কখনো ভুলে যেও না, মিশন মনে রাখো এবং চিরকাল সংগ্রাম করো"—এই মহান দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।সিপিসি সদস্যদের প্রাথমিক লক্ষ্য ও মিশন হচ্ছে চীনা জনগণের সুখ ও চীনা জাতির পুনরুজ্জীবন বাস্তবায়ন করা। জন্মের পর থেকে সিপিসি ‘জনগণ’ শব্দটিকে তাদের পতাকায় লিখে রেখেছে এবং নিজেদের রক্তে মিশিয়ে নিয়েছে।সাধারণ সম্পাদক সি চিন পিং জোর দিয়ে জানান, কোনো সময়েই আমরা আমাদের প্রাথমিক লক্ষ্য ভুলে যেতে পারব না, সবসময় মিশনটিকে মনে রাখতে হবে। জনগণই যে আমাদের মূল শেকড়, তা ভুলে যাওয়া চলবে না; চিরকাল জনগণকে সেবা প্রদান করতে হবে। সমৃদ্ধির স্বপ্ন, শক্তিশালী দেশের স্বপ্ন এবং চীনা স্বপ্ন—এসবের মূল বিষয়ই হচ্ছে জনসাধারণের সুখের স্বপ্ন। সিপিসি যেসব প্রচেষ্টা চালিয়েছে বা চালাবে, তার সবকিছুর উদ্দেশ্য হলো জনগণের সুখ অন্বেষণ করা।নতুন যুগে, কমরেড সি চিন পিংকে কেন্দ্র করে গঠিত সিপিসির কেন্দ্রীয় কমিটি সুন্দর জীবনের প্রতি জনগণের নতুন প্রত্যাশা বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে। তারা গণকল্যাণ উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে এবং মানুষের সার্বিক উন্নয়ন ও গোটা জনগণের অভিন্ন সমৃদ্ধি বাস্তবায়নে কাজ করে আসছে। কর্মসংস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, শিশু যত্ন, বয়স্কদের যত্ন, আবাসন এবং পরিবেশসহ জনসাধারণের প্রাত্যহিক জীবন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোকে দেশের উন্নয়নের শীর্ষ পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে জনগণের সুখ ও স্বাচ্ছন্দ্য অব্যাহতভাবে উন্নত হচ্ছে।সি চিন পিং জানান, "আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে জনসাধারণের আরও সুন্দর জীবনের প্রত্যাশা পূরণ করা।" জনগণের প্রতি ভালোবাসা পোষণ করা, জনগণকে মনে রাখা এবং জনগণের জন্য কাজ করার মাধ্যমে নতুন যুগে সিপিসি’র সদস্যরা গণকল্যাণ বৃদ্ধিতে বাস্তব পদক্ষেপ নিচ্ছেন। এর মধ্য দিয়ে জনগণের প্রতি তাদের গভীর ভালোবাসা ফুটে উঠেছে।সূত্র:আকাশ-তৌহিদ-শিশির,চায়না মিডিয়া গ্রুপ
স্বাস্থ্য খাতের মহাপতন-অবৈধ ক্লিনিকের বিষবৃক্ষ ও ভুল চিকিৎসার মৃত্যুফাঁদ
মোহাম্মদ আলী সুমন।
ডিজিটাল লোভের অন্ধকার জাল: অনলাইন জুয়ায় ধ্বংসোন্মুখ যুবসমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতিরোধ
মোহাম্মদ আলী সুমন।
রাষ্ট্রের অখণ্ডতা নিয়ে ছিনিমিনি বরদাশত করা হবে না: সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অবিলম্বে আইনি ব্যবস্থা চাই
শাহিন আলম আশিক,
অর্থমন্ত্রী-গভর্নর র্যাব-পুলিশ দিয়ে মূল্যবৃদ্ধি ঠেকানো যাবে না, বেতন বাড়লে কমবে দুর্নীতি। আপনি কি তাই মনে করেন?
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগ নিয়ে প্রশ্ন / মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ নগরবাসী, কার্যকর পদক্ষেপের দাবি
ভালোবাসার স্পর্শে রঙিন হলো সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের ঈদ উৎসব
প্রবাসীকে ৮ টুকরা করে হত্যা, পরকীয়া প্রেমিকাকে গ্রেফতারের পর কারণ জানাল ডিএমপি
প্রযুক্তিনির্ভর সাংবাদিকতা গড়ে তুলতে জেএ টিভির প্রতিনিধি কর্মশালা অনুষ্টিত
স্বাস্থ্য খাতের মহাপতন-অবৈধ ক্লিনিকের বিষবৃক্ষ ও ভুল চিকিৎসার মৃত্যুফাঁদ
ডিজিটাল লোভের অন্ধকার জাল: অনলাইন জুয়ায় ধ্বংসোন্মুখ যুবসমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতিরোধ
রাষ্ট্রের অখণ্ডতা নিয়ে ছিনিমিনি বরদাশত করা হবে না: সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অবিলম্বে আইনি ব্যবস্থা চাই
তরুণ প্রজন্মের ধ্বংস ও সম্মিলিত প্রতিরোধের অপরিহার্য আহ্বান / মাদকের বিষবাষ্পে নিমজ্জিত জাতি