আবু সাঈদ হত্যা মামলাশ দুই পুলিশ সদস্যের মৃত্যুদণ্ড, তিনজনের যাবজ্জীবন
জুলাই আন্দোলনের সময় রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়–এর শিক্ষার্থী শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলায় বহুল আলোচিত রায় ঘোষণা করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। রায়ে দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ট্রাইব্যুনাল-২–এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী–এর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা শুরু করেন। প্যানেলের অপর দুই সদস্য ছিলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি হলেন পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়। তারা বর্তমানে গ্রেপ্তার অবস্থায় রয়েছেন।অন্যদিকে, যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত তিনজন হলেন পুলিশের সাবেক সহকারী কমিশনার মো. আরিফুজ্জামান, সাবেক পরিদর্শক (নিরস্ত্র) রবিউল ইসলাম এবং সাবেক উপপরিদর্শক (নিরস্ত্র) বিভূতিভূষণ রায়। তারা এখনো পলাতক।এই মামলায় মোট ৩০ জনকে আসামি করা হয়, যার মধ্যে ছয়জন গ্রেপ্তার এবং ২৪ জন পলাতক রয়েছেন। গ্রেপ্তার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান রাসেল, কর্মচারী মো. আনোয়ার পারভেজসহ আরও কয়েকজন। তাদের আদালতে হাজির করা হয়।পলাতক আসামিদের মধ্যে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য মো. হাসিবুর রশীদসহ একাধিক শিক্ষক, কর্মকর্তা এবং রংপুর মহানগর পুলিশের (আরপিএমপি) সাবেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এছাড়া নিষিদ্ধ ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাও এ মামলার পলাতক আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই রংপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন আবু সাঈদ। ঘটনাটি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। পরবর্তীতে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে তদন্ত শেষে গত বছরের ২৪ জুন ৩০ জনকে আসামি করে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।পর্যায়ক্রমে ৬ আগস্ট আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন, ২৭ আগস্ট সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন এবং সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে চলতি বছরের ১৪ জানুয়ারি বিচার কার্যক্রম শেষ হয়। সবশেষে ২৭ জানুয়ারি যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হওয়ার পর আজ এ বহুল প্রতীক্ষিত রায় ঘোষণা করা হলো।এই রায়কে ঘিরে দেশব্যাপী আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
জাতীয় নিরাপত্তা জোরদারে চীনের প্রতিরক্ষা ব্যয় বৃদ্ধি
বাংলাদেশে আবারও আশঙ্কাজনক হারে ছড়িয়ে পড়ছে প্রাণঘাতী সংক্রামক রোগ হাম, যা ইতোমধ্যেই জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় ধরনের সংকট হিসেবে দেখা দিয়েছে। একসময় নিয়ন্ত্রণে থাকা এই রোগ বর্তমানে নতুন করে ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে, বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পরিলক্ষিত হচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তর-এর সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, দেশে সন্দেহজনক হামের রোগীর সংখ্যা সাড়ে ৭ হাজার ছাড়িয়েছে। নিশ্চিত আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় হাজারের কাছাকাছি এবং মৃত্যুর সংখ্যা ইতোমধ্যে ১২০ অতিক্রম করেছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে, কারণ গ্রামাঞ্চলের অনেক রোগী এখনো পরিসংখ্যানের বাইরে রয়ে গেছে।হামের এই প্রাদুর্ভাবে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুরা। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বয়সের শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকায় এবং অনেক ক্ষেত্রে পূর্ণ ডোজ টিকা না পাওয়ায় তারা দ্রুত সংক্রমিত হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডগুলোতে এখন রোগীর চাপ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে। অনেক হাসপাতালে শয্যার তুলনায় কয়েকগুণ বেশি রোগী ভর্তি থাকছে, ফলে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে। আইসিইউ সুবিধার সীমাবদ্ধতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। নিউমোনিয়া, ডিহাইড্রেশন এবং মস্তিষ্কের সংক্রমণের মতো জটিলতা দেখা দেওয়ায় অনেক শিশুকে জীবন-মৃত্যুর লড়াই করতে হচ্ছে।সম্প্রতি চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও বরিশাল বিভাগে দুই দিনের ব্যবধানে অন্তত চার শিশুর মৃত্যুর ঘটনা নতুন করে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে অভিভাবকদের মধ্যে। চিকিৎসকদের মতে, টিকা না নেওয়া এবং দেরিতে হাসপাতালে আনা, এই দুই কারণেই মৃত্যুহার বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন মন্তব্য করেছেন, দেশে হামের বর্তমান পরিস্থিতি “বজ্রপাতের মতো” আঘাত হেনেছে। তিনি অভিযোগ করেন, মুহাম্মদ ইউনূস-এর নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় টিকাদান কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় না থাকায় আজকের এই সংকট তৈরি হয়েছে। তবে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এ পরিস্থিতি কোনো একক সময়ের ব্যর্থতা নয়; বরং দীর্ঘদিনের পরিকল্পনার ঘাটতি, স্বাস্থ্যখাতে বিনিয়োগের সীমাবদ্ধতা এবং বাস্তবায়ন দুর্বলতার সম্মিলিত ফল।বিশ্লেষকদের মতে, হামের এই বিস্তারের মূল কারণ টিকাদান কর্মসূচিতে বড় ধরনের ঘাটতি। হাম প্রতিরোধে অন্তত ৯৫ শতাংশ শিশুকে টিকার আওতায় আনা প্রয়োজন হলেও বাস্তবে সেই লক্ষ্য অর্জিত হয়নি। কোভিড-১৯ মহামারির সময় নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় বহু শিশু প্রথম বা দ্বিতীয় ডোজ থেকে বঞ্চিত হয়েছে। একই সঙ্গে টিকা নিয়ে গুজব, ভুল ধারণা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো বিভ্রান্তিকর তথ্য অনেক অভিভাবককে টিকা দিতে নিরুৎসাহিত করেছে। দুর্গম এলাকা, চরাঞ্চল ও ঘনবসতিপূর্ণ অঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবার সীমাবদ্ধতাও সংক্রমণ বিস্তারে বড় ভূমিকা রাখছে। অপুষ্টি ও দারিদ্র্য শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দিয়ে ঝুঁকি আরও বাড়িয়েছে।ক্রমবর্ধমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার ইতোমধ্যে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। গত ৫ এপ্রিল থেকে দেশের ১৮ জেলার ৩০টি উপজেলায় বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে, যা প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত পরিচালিত হচ্ছে। এই কর্মসূচির আওতায় ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের টিকা প্রদান করা হচ্ছে এবং আগে টিকা নেওয়া শিশুরাও পুনরায় টিকা নিতে পারবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। সংক্রমণ বেশি এমন এলাকাগুলোকে ‘হটস্পট’ হিসেবে চিহ্নিত করে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, শুধু স্বল্পমেয়াদি টিকাদান কর্মসূচি দিয়ে এই সংকট পুরোপুরি মোকাবিলা সম্ভব নয়। দীর্ঘমেয়াদে টিকাদান কর্মসূচির ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা, প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, শিশুদের জন্য আইসিইউ সুবিধা বৃদ্ধি, জনসচেতনতা বাড়ানো এবং টিকা সংক্রান্ত গুজব প্রতিরোধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যব্যবস্থার সক্ষমতা বাড়াতে পরিকল্পিত বিনিয়োগ ও তদারকি প্রয়োজন।বিশেষজ্ঞদের মতে, হাম অত্যন্ত সংক্রামক একটি রোগ, একজন আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে ১৫ থেকে ১৮ জন পর্যন্ত সংক্রমিত হতে পারে। ফলে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে এটি বড় ধরনের মহামারীতে রূপ নিতে পারে। সবকিছু বিবেচনায়, বাংলাদেশের বর্তমান হামের পরিস্থিতি কেবল একটি স্বাস্থ্যঝুঁকি নয়, বরং এটি দেশের সামগ্রিক স্বাস্থ্যব্যবস্থার সক্ষমতা ও প্রস্তুতির একটি কঠিন পরীক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখনই সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে প্রতিরোধযোগ্য এই রোগ আরও বহু প্রাণ কেড়ে নিতে পারে।লেখক : মোহাম্মদ আলী সুমন, সাংবাদিক ও সংগঠক।
নারী উন্নয়ন ও বৈশ্বিক সহযোগিতায় চীনের অঙ্গীকার
বাংলাদেশে আবারও আশঙ্কাজনক হারে ছড়িয়ে পড়ছে প্রাণঘাতী সংক্রামক রোগ হাম, যা ইতোমধ্যেই জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় ধরনের সংকট হিসেবে দেখা দিয়েছে। একসময় নিয়ন্ত্রণে থাকা এই রোগ বর্তমানে নতুন করে ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে, বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পরিলক্ষিত হচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তর-এর সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, দেশে সন্দেহজনক হামের রোগীর সংখ্যা সাড়ে ৭ হাজার ছাড়িয়েছে। নিশ্চিত আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় হাজারের কাছাকাছি এবং মৃত্যুর সংখ্যা ইতোমধ্যে ১২০ অতিক্রম করেছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে, কারণ গ্রামাঞ্চলের অনেক রোগী এখনো পরিসংখ্যানের বাইরে রয়ে গেছে।হামের এই প্রাদুর্ভাবে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুরা। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বয়সের শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকায় এবং অনেক ক্ষেত্রে পূর্ণ ডোজ টিকা না পাওয়ায় তারা দ্রুত সংক্রমিত হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডগুলোতে এখন রোগীর চাপ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে। অনেক হাসপাতালে শয্যার তুলনায় কয়েকগুণ বেশি রোগী ভর্তি থাকছে, ফলে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে। আইসিইউ সুবিধার সীমাবদ্ধতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। নিউমোনিয়া, ডিহাইড্রেশন এবং মস্তিষ্কের সংক্রমণের মতো জটিলতা দেখা দেওয়ায় অনেক শিশুকে জীবন-মৃত্যুর লড়াই করতে হচ্ছে।সম্প্রতি চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও বরিশাল বিভাগে দুই দিনের ব্যবধানে অন্তত চার শিশুর মৃত্যুর ঘটনা নতুন করে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে অভিভাবকদের মধ্যে। চিকিৎসকদের মতে, টিকা না নেওয়া এবং দেরিতে হাসপাতালে আনা, এই দুই কারণেই মৃত্যুহার বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন মন্তব্য করেছেন, দেশে হামের বর্তমান পরিস্থিতি “বজ্রপাতের মতো” আঘাত হেনেছে। তিনি অভিযোগ করেন, মুহাম্মদ ইউনূস-এর নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় টিকাদান কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় না থাকায় আজকের এই সংকট তৈরি হয়েছে। তবে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এ পরিস্থিতি কোনো একক সময়ের ব্যর্থতা নয়; বরং দীর্ঘদিনের পরিকল্পনার ঘাটতি, স্বাস্থ্যখাতে বিনিয়োগের সীমাবদ্ধতা এবং বাস্তবায়ন দুর্বলতার সম্মিলিত ফল।বিশ্লেষকদের মতে, হামের এই বিস্তারের মূল কারণ টিকাদান কর্মসূচিতে বড় ধরনের ঘাটতি। হাম প্রতিরোধে অন্তত ৯৫ শতাংশ শিশুকে টিকার আওতায় আনা প্রয়োজন হলেও বাস্তবে সেই লক্ষ্য অর্জিত হয়নি। কোভিড-১৯ মহামারির সময় নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় বহু শিশু প্রথম বা দ্বিতীয় ডোজ থেকে বঞ্চিত হয়েছে। একই সঙ্গে টিকা নিয়ে গুজব, ভুল ধারণা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো বিভ্রান্তিকর তথ্য অনেক অভিভাবককে টিকা দিতে নিরুৎসাহিত করেছে। দুর্গম এলাকা, চরাঞ্চল ও ঘনবসতিপূর্ণ অঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবার সীমাবদ্ধতাও সংক্রমণ বিস্তারে বড় ভূমিকা রাখছে। অপুষ্টি ও দারিদ্র্য শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দিয়ে ঝুঁকি আরও বাড়িয়েছে।ক্রমবর্ধমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার ইতোমধ্যে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। গত ৫ এপ্রিল থেকে দেশের ১৮ জেলার ৩০টি উপজেলায় বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে, যা প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত পরিচালিত হচ্ছে। এই কর্মসূচির আওতায় ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের টিকা প্রদান করা হচ্ছে এবং আগে টিকা নেওয়া শিশুরাও পুনরায় টিকা নিতে পারবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। সংক্রমণ বেশি এমন এলাকাগুলোকে ‘হটস্পট’ হিসেবে চিহ্নিত করে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, শুধু স্বল্পমেয়াদি টিকাদান কর্মসূচি দিয়ে এই সংকট পুরোপুরি মোকাবিলা সম্ভব নয়। দীর্ঘমেয়াদে টিকাদান কর্মসূচির ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা, প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, শিশুদের জন্য আইসিইউ সুবিধা বৃদ্ধি, জনসচেতনতা বাড়ানো এবং টিকা সংক্রান্ত গুজব প্রতিরোধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যব্যবস্থার সক্ষমতা বাড়াতে পরিকল্পিত বিনিয়োগ ও তদারকি প্রয়োজন।বিশেষজ্ঞদের মতে, হাম অত্যন্ত সংক্রামক একটি রোগ, একজন আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে ১৫ থেকে ১৮ জন পর্যন্ত সংক্রমিত হতে পারে। ফলে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে এটি বড় ধরনের মহামারীতে রূপ নিতে পারে। সবকিছু বিবেচনায়, বাংলাদেশের বর্তমান হামের পরিস্থিতি কেবল একটি স্বাস্থ্যঝুঁকি নয়, বরং এটি দেশের সামগ্রিক স্বাস্থ্যব্যবস্থার সক্ষমতা ও প্রস্তুতির একটি কঠিন পরীক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখনই সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে প্রতিরোধযোগ্য এই রোগ আরও বহু প্রাণ কেড়ে নিতে পারে।লেখক : মোহাম্মদ আলী সুমন, সাংবাদিক ও সংগঠক।
চতুর্দশ পাঁচসালা পরিকল্পনায় স্বাস্থ্যখাতে বড় অগ্রগতি
বাংলাদেশে আবারও আশঙ্কাজনক হারে ছড়িয়ে পড়ছে প্রাণঘাতী সংক্রামক রোগ হাম, যা ইতোমধ্যেই জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় ধরনের সংকট হিসেবে দেখা দিয়েছে। একসময় নিয়ন্ত্রণে থাকা এই রোগ বর্তমানে নতুন করে ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে, বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পরিলক্ষিত হচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তর-এর সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, দেশে সন্দেহজনক হামের রোগীর সংখ্যা সাড়ে ৭ হাজার ছাড়িয়েছে। নিশ্চিত আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় হাজারের কাছাকাছি এবং মৃত্যুর সংখ্যা ইতোমধ্যে ১২০ অতিক্রম করেছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে, কারণ গ্রামাঞ্চলের অনেক রোগী এখনো পরিসংখ্যানের বাইরে রয়ে গেছে।হামের এই প্রাদুর্ভাবে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুরা। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বয়সের শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকায় এবং অনেক ক্ষেত্রে পূর্ণ ডোজ টিকা না পাওয়ায় তারা দ্রুত সংক্রমিত হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডগুলোতে এখন রোগীর চাপ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে। অনেক হাসপাতালে শয্যার তুলনায় কয়েকগুণ বেশি রোগী ভর্তি থাকছে, ফলে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে। আইসিইউ সুবিধার সীমাবদ্ধতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। নিউমোনিয়া, ডিহাইড্রেশন এবং মস্তিষ্কের সংক্রমণের মতো জটিলতা দেখা দেওয়ায় অনেক শিশুকে জীবন-মৃত্যুর লড়াই করতে হচ্ছে।সম্প্রতি চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও বরিশাল বিভাগে দুই দিনের ব্যবধানে অন্তত চার শিশুর মৃত্যুর ঘটনা নতুন করে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে অভিভাবকদের মধ্যে। চিকিৎসকদের মতে, টিকা না নেওয়া এবং দেরিতে হাসপাতালে আনা, এই দুই কারণেই মৃত্যুহার বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন মন্তব্য করেছেন, দেশে হামের বর্তমান পরিস্থিতি “বজ্রপাতের মতো” আঘাত হেনেছে। তিনি অভিযোগ করেন, মুহাম্মদ ইউনূস-এর নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় টিকাদান কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় না থাকায় আজকের এই সংকট তৈরি হয়েছে। তবে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এ পরিস্থিতি কোনো একক সময়ের ব্যর্থতা নয়; বরং দীর্ঘদিনের পরিকল্পনার ঘাটতি, স্বাস্থ্যখাতে বিনিয়োগের সীমাবদ্ধতা এবং বাস্তবায়ন দুর্বলতার সম্মিলিত ফল।বিশ্লেষকদের মতে, হামের এই বিস্তারের মূল কারণ টিকাদান কর্মসূচিতে বড় ধরনের ঘাটতি। হাম প্রতিরোধে অন্তত ৯৫ শতাংশ শিশুকে টিকার আওতায় আনা প্রয়োজন হলেও বাস্তবে সেই লক্ষ্য অর্জিত হয়নি। কোভিড-১৯ মহামারির সময় নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় বহু শিশু প্রথম বা দ্বিতীয় ডোজ থেকে বঞ্চিত হয়েছে। একই সঙ্গে টিকা নিয়ে গুজব, ভুল ধারণা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো বিভ্রান্তিকর তথ্য অনেক অভিভাবককে টিকা দিতে নিরুৎসাহিত করেছে। দুর্গম এলাকা, চরাঞ্চল ও ঘনবসতিপূর্ণ অঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবার সীমাবদ্ধতাও সংক্রমণ বিস্তারে বড় ভূমিকা রাখছে। অপুষ্টি ও দারিদ্র্য শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দিয়ে ঝুঁকি আরও বাড়িয়েছে।ক্রমবর্ধমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার ইতোমধ্যে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। গত ৫ এপ্রিল থেকে দেশের ১৮ জেলার ৩০টি উপজেলায় বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে, যা প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত পরিচালিত হচ্ছে। এই কর্মসূচির আওতায় ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের টিকা প্রদান করা হচ্ছে এবং আগে টিকা নেওয়া শিশুরাও পুনরায় টিকা নিতে পারবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। সংক্রমণ বেশি এমন এলাকাগুলোকে ‘হটস্পট’ হিসেবে চিহ্নিত করে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, শুধু স্বল্পমেয়াদি টিকাদান কর্মসূচি দিয়ে এই সংকট পুরোপুরি মোকাবিলা সম্ভব নয়। দীর্ঘমেয়াদে টিকাদান কর্মসূচির ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা, প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, শিশুদের জন্য আইসিইউ সুবিধা বৃদ্ধি, জনসচেতনতা বাড়ানো এবং টিকা সংক্রান্ত গুজব প্রতিরোধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যব্যবস্থার সক্ষমতা বাড়াতে পরিকল্পিত বিনিয়োগ ও তদারকি প্রয়োজন।বিশেষজ্ঞদের মতে, হাম অত্যন্ত সংক্রামক একটি রোগ, একজন আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে ১৫ থেকে ১৮ জন পর্যন্ত সংক্রমিত হতে পারে। ফলে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে এটি বড় ধরনের মহামারীতে রূপ নিতে পারে। সবকিছু বিবেচনায়, বাংলাদেশের বর্তমান হামের পরিস্থিতি কেবল একটি স্বাস্থ্যঝুঁকি নয়, বরং এটি দেশের সামগ্রিক স্বাস্থ্যব্যবস্থার সক্ষমতা ও প্রস্তুতির একটি কঠিন পরীক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখনই সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে প্রতিরোধযোগ্য এই রোগ আরও বহু প্রাণ কেড়ে নিতে পারে।লেখক : মোহাম্মদ আলী সুমন, সাংবাদিক ও সংগঠক।
রাজশাহীকে চাঁদাবাজ ও ভূমিদস্যুমুক্ত করবেন - ভূমি মন্ত্রী মোঃ মিজানুর রহমান মিনু
বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের দৃশ্যমান নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন চেয়ারম্যান আতাউর রহমান
রাজশাহীতে মশার কারণে জন জীবন অতিষ্ঠ
চাঁপাইনবাবগঞ্জে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত
অসহায়দের ইফতার সামগ্রী বিতরণ করল তালতলা দঃপাড়া একেএ সমাজ কল্যাণ সংঘ
হামাগুড়ি দিয়ে সামনে এলেন প্রতিবন্ধী কিশোর, হাত বুলালেন গৃহায়ণ ও গনপুর্ত মন্ত্রী
চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবৈধ মাটি কাটার মহাউৎসব, রাতের আঁধারে চলছে লুটপাট
গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে নতুন অধ্যায়: মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমনের নেতৃত্বে পরিকল্পিত উন্নয়নের আশা
নর্দান ইউনিভার্সিটিতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত
বিয়ের ৮দিন পর গাজীপুরে গার্মেন্টস শ্রমিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
আবু সাঈদ হত্যা মামলাশ দুই পুলিশ সদস্যের মৃত্যুদণ্ড, তিনজনের যাবজ্জীবন
অবহেলা নয়—হাম প্রতিরোধে প্রয়োজন সচেতনতা
শাহরাস্তি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জ্বরের রোগীকে কুকুরের ভ্যাকসিন দেয়ার অভিযোগ
বরুড়ায় সরকারি স্কুল ফিডিং কার্যক্রমে চরম অনিয়ম, বিস্কুট উধাও, টিফিনে কাঁচা কলা
মুরাদনগরে কৃষককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে
অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে কুমিল্লার ১০০ শয্যার শিশু হাসপাতাল
লালমনিরহাটে ভারতীয় বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশী নিহত
কচুয়ায় এক অন্তঃসত্তা গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্য
শাহরাস্তিতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আটক ৩
কচুয়া বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষ্যে র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং বেগম জিয়ার সমাধিতে স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকারের শ্রদ্ধা
শুক্রবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নব নিযুক্ত স্পীকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম, এমপি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।এরপর জাতীয় সংসদের নব নিযুক্ত ডেপুটি স্পীকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।এসময় তাঁরা কিছুক্ষণ নিরবতা পালন এবং রূহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করেন।শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পীকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম গণমাধ্যমকে বলেন, আজ এক ঐতিহাসিক মূহুর্তে আমরা উপনীত হয়েছি যখন দীর্ঘসংগ্রামের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুণঃস্থাপিত হয়েছে। মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যার নেতৃত্বে আমরা সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে দেশকে দখলমুক্ত করেছি এবং গণতন্ত্রের মহান নেত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যিনি সীমাহীন ত্যাগ তিতিক্ষার মাধ্যমে বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্রের পুনঃপ্রবর্তন করেছেন তাদের রূহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করেছি। স্পীকার বলেন, বাংলাদেশের বিচক্ষণ মানুষ বিএনপিকে দুই-তৃতীয়াংশ ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেছে যা গনতন্ত্রের পথকে সুগম করবে। সংসদে সরকার ও বিরোধী দলের সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে আমরা দল থেকে পদত্যাগ করে স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকারের পদে আসীন হয়েছি।অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব, সার্জেন্ট এ্যাট আর্মসসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা- কর্মচারীবৃন্দ ও বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৩৮৭ টাকা বাড়িয়ে ১৭২৮ টাকা করেছে সরকার। এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে আপনি কি একমত?
শাহরাস্তি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জ্বরের রোগীকে কুকুরের ভ্যাকসিন দেয়ার অভিযোগ
শাহরাস্তি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জ্বরের রোগীকে কুকুরের ভ্যাকসিন দেয়ার অভিযোগ
অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে কুমিল্লার ১০০ শয্যার শিশু হাসপাতাল
অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে কুমিল্লার ১০০ শয্যার শিশু হাসপাতাল
প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করছেন ‘আন্ডা রফিক’, প্রশ্নের মুখে প্রশাসনের ভূমিকা
কুমিল্লার ডিসি এডিসি'র বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগ
নীলফামারীতে জাল ভিসা তৈরির অভিযোগে যুবক গ্রেফতার
মুরাদনগরের পীরকাশিমপুর পশ্চিম বিলে ফসলি জমির মাটি কাটছে ভূমিখেকু ইকবাল
সৈয়দপুরে অগ্রণী ব্যাংকের কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ৪৩ কোটি টাকা আত্মসাত এর অভিযোগ
নাঙ্গলকোট–লালমাই / কুমিল্লা-১০ আসনে বিএনপি প্রার্থী গফুর ভূঁইয়ার প্রার্থিতা বাতিল
শীর্ষ তিন পদেই শিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেল এগিয়ে / জকসুর ৮ কেন্দ্রের ফলাফলে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই
সুপ্রিম কোর্ট বার সভাপতির সঙ্গে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের মতবিনিময়
বুড়ি তিস্তা প্রকল্প ঘিরে ৭০০ কৃষকের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মশাল মিছিল