মুক্তির লড়াই
সর্বশেষ

বিএনপি সরকার ব্যার্থ হওয়ার জন্য আসেনি- সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী

বিএনপি সরকার ব্যার্থ হওয়ার জন্য আসেনি| এই সরকার সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার| তাই আমরা ব্যার্থ হব না| আমরা দেশকে নতুন করে ঢেলে সাজাবো| ব্যার্থতার জায়গাগুলোকে আমরা চিহ্নিত করে জঞ্জাল পরিস্কার করে নতুন বাংলাদেশ ˆতরী করব বলে জানিয়েছে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী এ্যাড নিতাই রায় চৌধুরী| শুক্রবার সকালে ঝিনাইদহ জেলা পরিষদ ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে বৃক্ষরোপন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন|মন্ত্রী বলেন, বিগত ১৮ বছরে দেশের শিক্ষা, সংস্কৃতি, আইন, আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ সকল প্রতিষ্ঠান ধংস করা হয়েছিলো| সেগুলো নতুন জাগানোর চেষ্টা করা হচ্ছে| আমরা সেই জায়গাগুলোতে কাজ করছি| এদেশের সংস্কৃতি রক্ষায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে আমাদের কাজ চলছে|জেলার শিল্পকলা একাডেমীতে নতুন করে সুস্থ ধারার যাত্রা আবারো শুরু হচ্ছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বিগত দিনের অশ্লীল যাত্রা বাদ দিয়ে জীবনমুখী যাত্রা আমরা শুরু করতে যাচ্ছি|পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলার সাংস্কৃতিক কর্মীদের সাথে মতবিনিময় করেন মন্ত্রী| জেলা প্রশাসক নোমান হোসেন, জেলা পরিষদের প্রশাসক এ্যাড. এম এ মজিদ, পুলিশ সুপার মিয়া মোহাম্মদসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন|

ডিজিটাল লোভের অন্ধকার জাল: অনলাইন জুয়ায় ধ্বংসোন্মুখ যুবসমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতিরোধ

অনলাইন জুয়া আজ বাংলাদেশের প্রতিটি শহর-গ্রাম, ধনী-গরিব, শিক্ষিত-অশিক্ষিতের জীবনকে গ্রাস করছে। স্মার্টফোনের একটি অ্যাপ, কয়েক ক্লিক আর লোভের জাল-এতেই লাখ লাখ মানুষ সর্বস্বান্ত হয়ে পথে বসছেন। পরিবার ভেঙে যাচ্ছে, যুবসমাজ ধ্বংস হচ্ছে, অর্থ পাচার হচ্ছে বিদেশে। এই সর্বনাশা খেলার বিরুদ্ধে সরকার অবশেষে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। ‘জুয়া প্রতিরোধ বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে উত্থাপিত হয়েছে, যেখানে অনলাইন জুয়া ও বেটিংয়ে সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ড এবং পাঁচ কোটি টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৬-এর আওতায়ও এটিকে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে-এই আইন কতটা যৌক্তিক এবং বাস্তবে অনলাইন জুয়া বন্ধ করতে পারবে কি?সম্প্রতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সংসদে বিলটি উত্থাপন করেন। বিলে সাধারণ জুয়ায় দুই বছর কারাদণ্ড বা দুই লাখ টাকা জরিমানা, অনলাইন জুয়ায় পাঁচ বছর বা এক কোটি টাকা, এবং অনলাইন বেটিং ও ম্যাচ ফিক্সিংয়ে সাত বছর বা পাঁচ কোটি টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে। ম্যাচ ফিক্সিং, স্পট ফিক্সিং, ভিপিএন-মিরর সাইট ব্যবহার, ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন, ভুয়া সিম-এমএফএস অ্যাকাউন্টসহ সংঘবদ্ধ অপরাধে আরও কঠোর শাস্তির কথা বলা হয়েছে। বিলটি পাবলিক গ্যাম্বলিং অ্যাক্ট ১৮৬৭-কে রহিত করে নতুন যুগোপযোগী আইন প্রণয়নের প্রস্তাব করে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, ৫৫ হাজার এমএফএস অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছে অনলাইন জুয়া ও হুন্ডির সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে। সাইবার নিরাপত্তা আইনের ২০ ধারায় অনলাইন জুয়াকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করা হয়েছে।এই আইনের যৌক্তিকতা নিয়ে বিশেষজ্ঞরা মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন। অনেকে মনে করেন, পুরোনো ১৮৬৭ সালের আইনের তুলনায় এটি অনেক বেশি কঠোর এবং প্রাসঙ্গিক। সাংবিধানিক অনুচ্ছেদ ১৮(২) অনুসারে জুয়া নিরোধ রাষ্ট্রের দায়িত্ব। ডিজিটাল যুগে ভিপিএন, ক্রিপ্টো এবং এআই-চালিত অ্যাপের মাধ্যমে জুয়ার বিস্তার রোধে কঠোর দণ্ড অপরিহার্য। তবে বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ বড়। আইনজীবী ও সাইবার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আইন প্রয়োগে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং সামাজিক সচেতনতা ছাড়া শুধু দণ্ড দিয়ে সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়। জাতীয় ডিজিটাল ব্ল্যাকলিস্ট, এআই মনিটরিং, ডিপ প্যাকেট ইন্সপেকশন এবং এনআইডি-সিম লিংকিংয়ের মতো প্রস্তাবগুলো ইতিবাচক, কিন্তু এগুলোর কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।বাস্তব চিত্র ভয়াবহ। যশোরের ঝিকরগাছায় দিনমজুর, ব্যবসায়ী, হোমিও চিকিৎসকসহ সাধারণ মানুষ অনলাইন ক্যাসিনোতে আসক্ত হয়ে সর্বস্ব হারিয়েছেন। এক হোমিও চিকিৎসক তাঁর পৈত্রিক সম্পত্তি ও উপার্জিত অর্থ খুইয়ে দাম্পত্য ও পারিবারিক জীবন ধ্বংসের কথা জানিয়েছেন। কুমিল্লার হোমনায় প্রবাসী মেরাজুল ইসলাম ২২ লাখ টাকা হারিয়ে মানসিক অবসাদে কীটনাশক খেয়ে আত্মহত্যা করেছেন। সাতক্ষীরা, নারায়ণগঞ্জ, ঝিনাইদহসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটছে। মেধাবী শিক্ষার্থী ফ্রি ফায়ার খেলতে গিয়ে মানসিক প্রতিবন্ধী হয়ে গেছে। ব্যবসায়ীরা পুঁজি হারিয়ে দোকান বন্ধ করছেন, কর্মজীবী যুবক অলস হয়ে পরিবারে অশান্তি ছড়াচ্ছেন।এই জুয়ার পেছনে আন্তর্জাতিক ও দেশীয় প্রতারক চক্র রয়েছে। এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে লোভ দেখিয়ে প্রথমে সামান্য লাভ দিয়ে পরে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়। সোশ্যাল মিডিয়া, ইনফ্লুয়েন্সার এবং অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে প্রচার চলে। হুন্ডি, ক্রিপ্টো ও এমএফএসের মাধ্যমে অর্থ পাচার হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা এবং বিএফআইইউর নজরদারি সত্ত্বেও চক্রগুলো মিরর সাইট ও ভিপিএনের মাধ্যমে চলমান রাখছে।আইনের সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। শুধু দণ্ড দিয়ে ডিজিটাল অপরাধ দমন কঠিন। আন্তর্জাতিক সার্ভার, অফশোর কোম্পানি এবং ক্রিপ্টোকারেন্সির অস্বচ্ছতা চ্যালেঞ্জ তৈরি করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশে কঠোর আইনের পাশাপাশি শিক্ষা, কাউন্সেলিং এবং পুনর্বাসন কর্মসূচি চালু রয়েছে। বাংলাদেশেও শুধু দমন নয়, প্রতিরোধ ও পুনর্বাসনের উপর জোর দিতে হবে। স্কুল-কলেজে সচেতনতা ক্যাম্পেইন, হেল্পলাইন এবং অ্যাডিকশন ট্রিটমেন্ট সেন্টার জরুরি।তবু এই বিলকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা উচিত। এটি সরকারের সদিচ্ছার প্রমাণ। জাতীয় ডিজিটাল ব্ল্যাকলিস্ট, এআই মনিটরিং এবং মোবাইল কোর্টের বিধান কার্যকর হলে অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। কিন্তু সবচেয়ে বড় দায়িত্ব সমাজের। পরিবার, শিক্ষক, ধর্মীয় নেতা, গণমাধ্যম এবং সুশীল সমাজকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। যুবকদের খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও দক্ষতা উন্নয়নে আকৃষ্ট করতে হবে।অনলাইন জুয়া শুধু আর্থিক ক্ষতি নয়, নৈতিক ও সামাজিক ধ্বংস। এটি যুবশক্তিকে নিষ্ক্রিয় করে জাতীয় উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করে। সরকারের আইনি পদক্ষেপের পাশাপাশি সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। প্রত্যেক নাগরিককে সচেতন হতে হবে-এক ক্লিকে লোভের ফাঁদে পা দেওয়া মানে নিজের ও পরিবারের ভবিষ্যৎ ধ্বংস করা।আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে আরও সক্রিয় হতে হবে। সাইবার ট্রাইব্যুনালের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টি করে যুবকদের বিকল্প কর্মসংস্থানের দিকে নিয়ে যেতে হবে।অনলাইন জুয়া বন্ধ না হলে দেশের অর্থনীতি, সমাজ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্ম বিপন্ন। ‘জুয়া প্রতিরোধ বিল, ২০২৬’ সঠিক দিকে একটি পদক্ষেপ। এখন দরকার কঠোর বাস্তবায়ন, সামাজিক ঐক্য এবং অব্যাহত সচেতনতা। শুধু আইন নয়, মানুষের মনে পরিবর্তন আনতে হবে। তবেই এই সর্বনাশা ফাঁদ থেকে জাতি মুক্তি পাবে।লেখক: সাংবাদিক ও সংগঠক। 

ডিজিটাল লোভের অন্ধকার জাল: অনলাইন জুয়ায় ধ্বংসোন্মুখ যুবসমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতিরোধ

বাংলাদেশিদের জন্য ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা চালু

প্রায় দুই বছর পর বাংলাদেশিদের জন্য ট্যুরিস্ট ভিসা চালুর ঘোষণা দিয়েছে ভারত সরকার। আগামী ২৮ জুন থেকে থেকে ট্যুরিস্ট ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন বাংলাদেশি নাগরিকরা।বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে যমুনা ফিউচার পার্কে অবস্থিত ভারতীয় ভিসা কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী এ ঘোষণা দেন।ভারতীয় হাইকমিশনার জানান, প্রাথমিক পর্যায়ে ৫টি ভিসা কেন্দ্র থেকে দেওয়া হবে ট্যুরিস্ট ভিসা। বাকিগুলো ধাপে ধাপে চালু হবে। ভিসা সেন্টারগুলো হলো— ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, সিলেট ও রাজশাহী।এ সময় মেডিকেল ভিসার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে উল্লেখ করে এর পরিধি আরও বাড়ানো হবে বলেও জানান দিনেশ ত্রিবেদী।এর আগে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশজুড়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট থেকে সবগুলো ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার সাময়িকভাবে বন্ধ করে ভারত।পরবর্তীতে কূটনৈতিক ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটায় গত বছরের ২১ ডিসেম্বর থেকে ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রেরকার্যক্রম এবং ট্যুরিস্ট ভিসা পুরোপুরি বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

বাংলাদেশিদের জন্য ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা চালু
বাংলাদেশিদের জন্য ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা চালু

বাংলাদেশিদের জন্য ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা চালু

প্রায় দুই বছর পর বাংলাদেশিদের জন্য ট্যুরিস্ট ভিসা চালুর ঘোষণা দিয়েছে ভারত সরকার। আগামী ২৮ জুন থেকে থেকে ট্যুরিস্ট ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন বাংলাদেশি নাগরিকরা।বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে যমুনা ফিউচার পার্কে অবস্থিত ভারতীয় ভিসা কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী এ ঘোষণা দেন।ভারতীয় হাইকমিশনার জানান, প্রাথমিক পর্যায়ে ৫টি ভিসা কেন্দ্র থেকে দেওয়া হবে ট্যুরিস্ট ভিসা। বাকিগুলো ধাপে ধাপে চালু হবে। ভিসা সেন্টারগুলো হলো— ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, সিলেট ও রাজশাহী।এ সময় মেডিকেল ভিসার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে উল্লেখ করে এর পরিধি আরও বাড়ানো হবে বলেও জানান দিনেশ ত্রিবেদী।এর আগে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশজুড়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট থেকে সবগুলো ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার সাময়িকভাবে বন্ধ করে ভারত।পরবর্তীতে কূটনৈতিক ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটায় গত বছরের ২১ ডিসেম্বর থেকে ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রেরকার্যক্রম এবং ট্যুরিস্ট ভিসা পুরোপুরি বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

তারেক রহমানের চীন সফরে সম্পর্কের নতুন উচ্চতার প্রত্যাশা

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চলমান চীন সফর দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের সাবেক রাষ্ট্রদূত লি চিমিং । তিনি বলেছেন, ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ক বর্তমানে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে।সোমবার চীনের ইয়ুননান প্রদেশে অবস্থিত ইয়ুননান বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ থেকে যাওয়া তরুণ নেতাদের এক বিশেষ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।দীর্ঘ সময় বাংলাদেশে দায়িত্ব পালন করা সাবেক এই রাষ্ট্রদূত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এ সফরকে ‘অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ’ বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, "এই সফরের মধ্য দিয়ে দু'দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের এক নতুন অধ্যায় রচিত হবে এবং উভয় দেশ একটি ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে যাচ্ছে।"বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনকালীন নিজের অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে লি চিমিং আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, "আমি বাংলাদেশের জনগণের সাহস ও অধ্যাবসায়ের সাক্ষী হওয়ার সুযোগ পেয়েছিলাম। আমার মেয়াদকালেই বাংলাদেশের অর্থনীতি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করে, যা নিজ চোখে দেখার সৌভাগ্য আমার হয়েছে। সে কারণেই নিজেকে আমি বাংলাদেশের একজন প্রকৃত বন্ধু মনে করি এবং চীনের বিভিন্ন সভা ও জনপরিসরে সবসময় বাংলাদেশের প্রশংসা করি।"বক্তব্য শেষে চীনের প্রতিষ্ঠাতা মাও সেতুংয়ের একটি বিখ্যাত উক্তি তুলে ধরে তিনি বাংলাদেশের তরুণ প্রতিনিধিদের উদ্দেশে বলেন, পৃথিবীর ভবিষ্যৎ শেষপর্যন্ত তরুণদের কাঁধেই ন্যস্ত। বাংলাদেশের উন্নয়ন এবং দুই দেশের বন্ধুত্বের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎও এই তরুণদের ওপরই নির্ভর করছে।সেন্টার ফর চায়না স্টাডিজ (সিসিএস) এবং শাংহাই ইনস্টিটিউটস ফর ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ (এসআইএস)-এর আমন্ত্রণে গত ২১ জুন থেকে ১০ দিনের সফরে বাংলাদেশে ২২ সদস্যের একটি তরুণ প্রতিনিধি দল বর্তমানে চীনে অবস্থান করছে। ইয়ুননানের খুনমিংয়ে স্থানীয় সময় দুপুর ২টায় ইয়ুননান বিশ্ববিদ্যালয়ের হুইচ্য হলে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।অনুষ্ঠানে এসআইএসের সভাপতি ছেন তোংসিয়াও বলেন, "বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার পর থেকে পারস্পরিক সম্মান, সহযোগিতা ও সমর্থনের ভিত্তিতে এই সম্পর্ক ক্রমাগত মজবুত হয়েছে, যা আজ দক্ষিণ এশিয়ায় সহযোগিতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।"তিনি আরও যোগ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফর দু'দেশের কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারিত্বে নতুন গতি সঞ্চার করবে। সিসিএস গত এক বছরে বাংলাদেশি তরুণ নেতা ও কূটনীতিকদের চীন সফরের আয়োজন করে টেকসই উন্নয়নে দারুণ ভূমিকা রাখছে।অনুষ্ঠানে ইয়ুননান বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশ স্টাডিজের প্রধান চু সিয়ংকুয়াং দুই দেশের দীর্ঘদিনের সম্পর্ককে আরও গভীর করতে ভাষা, শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর জোর দেন। তিনি উল্লেখ করেন, দুই দেশের এই সম্পর্ক কেবল কূটনৈতিক ফল নয়, বরং হাজার বছরের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত।তিনি জানান, বর্তমানে প্রায় ২০ হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থী চীনে পড়াশোনা করছেন, যার মধ্যে শুধু ইয়ুননান প্রদেশেই রয়েছেন প্রায় ২ হাজার শিক্ষার্থী।অনুষ্ঠানটিতে সভাপতিত্ব করেন ইয়ুননান বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও বিনিময় কার্যালয়ের পরিচালক উ ইয়ুন।বাংলাদেশি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে আছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের প্রভাষক আগা মোস্তাফিজুর রহমান। এ ছাড়া দলে আছেন বাংলাদেশ স্পেশাল ব্রাঞ্চের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাওন শায়লা,অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার ফজলুল করিম, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সিনিয়র রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট ফখরুদ্দিন আল কবিরসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সাংবাদিক প্রতিনিধি। তথ্য ও ছবি- সিএমজি বাংলা।

কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে: নাজমুন নাহার বেবী

​২০২৫-২৬ অর্থবছরের খরিপ-২ মৌসুমের কৃষি পুনর্বাসন ও প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় চাঁদপুরের কচুয়ায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে রোপা আমন বীজ, সার ও ফলজ চারা বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া কুমিল্লা অঞ্চলে টেকসই কৃষি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় ৮৬ জন কৃষকের মাঝে আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ করা হয়।​শুক্রবার (২৬ জুন) দুপুরে কচুয়া উপজেলা কৃষি অফিস প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বিএনপি'র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও কেন্দ্রীয় মহিলা দলের সহ-সভাপতি নাজমুন নাহার বেবী। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, বর্তমান সরকার কৃষকবান্ধব সরকার। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ও কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এই প্রণোদনা প্রকৃত কৃষকদের মাঝে সঠিকভাবে পৌঁছে দেয়ার মাধ্যমেই কচুয়াসহ সারা দেশে কৃষিখাতে সমৃদ্ধি আসবে। তিনি আরও বলেন, কৃষি উপকরণের পাশাপাশি আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে উৎপাদন বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।​উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান রাসেলের সভাপতিত্বে ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তপু আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি খায়রুল আবেদীন স্বপন, সাধারণ সম্পাদক মাসুদ এলাহী সুবাস, কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুল ইসলাম।কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, কচুয়া উপজেলার মোট ১৩শ জন কৃষককে রোপা আমন ধানের বীজ, সার এবং বিভিন্ন প্রকার ফলজ ও বনজ চারা বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি টেকসই কৃষি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় ৮৬ জন কৃষকের হাতে হ্যান্ড স্প্রে মেশিন, ফিতা পাইপ, এলএলপি, রাইস ট্রান্সপ্লান্টার (ধান কাটার যন্ত্র), ভুট্টা মাড়াই যন্ত্র, ফুট পাম্প ও ধান মাড়াই যন্ত্র তুলে দেওয়া হয়।​এ সময় উপস্থিত ছিলেন, কচুয়া উত্তর অঞ্চলের সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মিয়াজী, উপজেলা যুবদলের সভাপতি আব্দুস সালাম শান্ত, সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর নবী সুমন, ছাত্রদলের উপজেলা সাধারণ সম্পাদক সম্রাট রইসুদ্দিন চৌধুরী, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার পাটোয়ারীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় কৃষকরা।ছবি: কৃষকের মাঝে কৃষি উপকরণ বিতরন করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও কেন্দ্রীয় মহিলা দলের সহ-সভাপতি নাজমুন নাহার বেবী।

১২ জুন ২০২৬, ০৭:৩৬ পিএম
অর্থমন্ত্রী-গভর্নর
র‍্যাব-পুলিশ দিয়ে মূল্যবৃদ্ধি ঠেকানো যাবে না, বেতন বাড়লে কমবে দুর্নীতি। আপনি কি তাই মনে করেন?

অর্থমন্ত্রী-গভর্নর র‍্যাব-পুলিশ দিয়ে মূল্যবৃদ্ধি ঠেকানো যাবে না, বেতন বাড়লে কমবে দুর্নীতি। আপনি কি তাই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

ঝিনাইদহে জমকালো আয়োজনে পর্দা উঠলো জেলা পরিষদ প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট

বিশ্বকাপ ফুটবলের উন্মাদনার মাঝেই ঝিনাইদহে জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে জেলা পরিষদ প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট। শুক্রবার বিকেলে শহরের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান স্টেডিয়ামে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করা হয়।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতীয় সংগীতের সঙ্গে জাতীয় পতাকা ও টুর্নামেন্টের পতাকা উত্তোলন, বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী এ্যাড. নিতাই রায় চৌধুরী। সেসময় জেলা প্রশাসক নোমান হোসেন, জেলা পরিষদ প্রশাসক এ্যাড. এম এ মজিদসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হয় কুষ্টিয়ার পোড়াদহ ওয়ান্ডার্স ক্লাব ও শেরপুর ফুটবল একাডেমী। খেলা দেখতে স্টেডিয়ামে বিভিন্ন বয়সী শত শত দর্শকের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তীব্র প্রতিযোগিতাপুর্ণ এ খেলায় শেরপুরকে ৩-০ গোলে পরাজিত করে কুষ্টিয়ার পোড়াদহ ওয়ান্ডার্স ক্লাব।চলো যাই খেলা দেখি-মাদক’কে না বলি’ এই শ্লোগানে ঝিনাইদহ জেলা পরিষদের আয়োজনে এই প্রতিযোগিতায় কুষ্টিয়া, সিরাজগঞ্জ, রাজশাহী, নীলফামারীসহ দেশের ৮ টি জেলার ফুটবল দল অংশ নিবে।

ভিক্টোরিয়া কলেজস্থ বরুড়া স্টুডেন্ট'স এসোসিয়েশনের উদ্যোগে নবীন বরণ ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

ভিক্টোরিয়া কলেজস্থ বরুড়া স্টুডেন্ট'স এসোসিয়েশনের উদ্যোগে নবীন বরণ ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজস্থ বরুড়া স্টুডেন্ট'স এসোসিয়েশনের উদ্যোগে বরুড়া উপজেলার ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে ভর্তিকৃত নবীন শিক্ষার্থীদের "নবীন বরণ ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা-২০২৬" জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মূল্যবান বক্তব্য প্রদান করেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আবুল বাসার ভূঁঞা। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন এবং তাদেরকে নৈতিকতা, অধ্যবসায় ও সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আবদুল মজিদ, শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক জনাব গাজী মো. গোলাম সোহরাব হাসান, আরবি ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ড. মো. মোশারফ হোসাইন, উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জনাব মাহমুদা আক্তার, রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জনাব মিহির রঞ্জন ভৌমিক, কুমিল্লা কমার্স কলেজের অধ্যক্ষ জনাব হুমায়ুন কবির মাসুদ, শিক্ষক পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক জনাব ওমর ফারুক মজুমদার, কোষাধ্যক্ষ জনাব ইমাম হোসেন এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক জনাব আবদুল কুদ্দুস রাফাত।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ভিক্টোরিয়া কলেজস্থ বরুড়া স্টুডেন্ট'স এসোসিয়েশনের সভাপতি মো. মোমরেজ হোসেন মোল্লা। অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক ও সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কাজী মহিন উদ্দিন স্বাগত বক্তব্যে সংগঠনের কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন।অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনের প্রচার সম্পাদক আবু সাঈদ এবং অর্থ সম্পাদক ফয়সাল মাহমুদ।এ সময় নবীন শিক্ষার্থীদের ফুলেল শুভেচ্ছার মাধ্যমে বরণ করে নেওয়া হয় এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৃতিত্ব অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। বক্তারা শিক্ষার্থীদের মেধা, মনন ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।অনুষ্ঠানটি উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয় এবং এতে বরুড়া উপজেলার বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শুভানুধ্যায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

রাজধানীতে মানবাধিকার ও গণমাধ্যম কর্মীদের মাঝে সাদা সম্মাননা প্রদান

এশিয়া ছিন্নমূল মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে / রাজধানীতে মানবাধিকার ও গণমাধ্যম কর্মীদের মাঝে সাদা সম্মাননা প্রদান

এশিয়া ছিন্নমূল মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে রাজধানীতে মানবাধিকার ও গণমাধ্যম কর্মীদের মাঝে সাদা সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। রোববার সংগঠনটি চাঞ্চল্যকর অপরাধ প্রতিরোধে প্রশাসন ও গণমাধ্যমের ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা, গুণীজনদের সম্মাননা প্রদান ও মানবাধিকার কর্মীদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। রাজধানীর বাংলাদেশ শিশুকল্যাণ পরিষদে এ অনুষ্ঠানে মানবাধিকার ও গণমাধ্যম কর্মীদের মাঝে সাদা সম্মাননা  প্রদান করেছে এশিয়া ছিন্নমূল মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশন। সংগঠনের কেন্দ্রিয় চেয়ারম্যান মোঃ দুলাল মিয়ার সভাপতিত্বে সিনিয়র সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ দেলোয়ার হোসেন এর সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট লেখক, সাহিত্যিক সাবেক তথ্য ও সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ দীদার বখত। তিনি বলেন, আজকের প্রজন্ম জেগে উঠেছে, দেশের উন্নয়নে প্রেসক্লাব ইউনিটি ও হোসাইনিয়া পাক দরবার শরীফ আত্মনিবেদিত হয়ে বিশ্বমন্ডলে শান্তি কামনায় সম্মিলিত প্রচেষ্টা জাগ্রত করার আহ্বান জানান। সুপ্রিম কোর্ট সিনিয়র আইনজীবী লতিফুর রহমান সম্মিলিত মানবাধিকার কর্মীদের শপথ বাক্য পাঠ করান। ওয়ার্ল্ড মিডিয়া প্রেসক্লাব এর নতুন কমিটিকে সাথে নিয়ে ডা মাঈনুদ্দীন স্বেচ্ছাশ্রমে সাংবাদিকতা ও মানবাধিকার কাজে সম্পৃক্ত হতে ফুলেল শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন। উদ্ভাধনী আলোচনায় কেন্দ্রীয় প্রধান নির্বাহী পরিচালক ইন্জিনিয়র এম সোহেল আহমদ বলেন, দীর্ঘ সময়ে সংগঠনের সাথে রয়েছি, কখনো দায়িত্ব পালনে বিচলিত হইনি, আমৃত্যু আপনাদের পাশে থাকব ইনশাল্লাহ। এ সময় ঢাকা বিভাগীয় শাখা কমিটির নেতৃবৃন্দ তাদের হাততালিতে শুভেচ্ছা জানান। কেন্দ্রীয় সদস্য মোঃ শহীদুল ইসলাম, ফারুক আহমেদ মজুমদার, আনজার শাহ,আবু আহাদ আল মাহমুদ দীপু মীর, আলমগীর ওয়েচী, মোঃ জাকির হোসেন, আনছারুল হক, মোঃ শাকিল হাওলাদার স্বাধীন, বীরমুক্তিযোদ্ধা আমিনুল হক ভূঁইয়া, তাছলিমা আক্তার লিজা, হাসুরা বেগম, মোঃ মানিক মিয়া, ফুল চান্দ বাবু,নূরে আলম,নাছির উদ্দিন পলাশ,আহম উল্যাহ, কাজী নূরুল আজিম, মোঃ আবু সালেক ভূঁইয়া, এম জি বাবর ও  আবদুল কুদ্দুস প্রমুখ। সংগঠনের সাদা মনের সাদা সম্মাননা ১০ গুণীজনদের প্রদান শেষে সংগঠনের শুভাকাঙ্ক্ষীদের স্মরণ  ও জাতীর শান্তি কামনায় মিলাদ ও দোয়া কামনা করা হয়।

বরুড়া উপজেলা জনকল্যাণ সমিতির উদ্যোগে ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

বরুড়া উপজেলা জনকল্যাণ সমিতির উদ্যোগে ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

কুমিল্লার বরুড়া উপজেলা জনকল্যাণ সমিতির উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার ২৬ জুন উপজেলার ঝলম ইউনিয়নের মহিদপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বরুড়া উপজেলা জনকল্যাণ সমিতি, ঢাকা কৰ্তৃক আয়োজিত বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা, স্বাস্থ্য সেবা ও রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। চক্ষু চিকিৎসা সেবা কার্যক্রমে সার্বিক সহযোগিতা করছেন বাংলাদেশ জাতীয় অন্ধকল্যাণ সমিতি, কুমিল্লা ও শংকর হাসপাতাল। আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতা করেছে ফ্রেন্ডস ব্লাড ব্যাংক, মহিদপুর গ্রামবাসী এবং প্রফেসর ডাক্তার রুহুল আমিন রুরাল ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির অধ্যক্ষ ইয়াসিন মিয়া ও শিক্ষার্থীরা। এসময় উপস্থিত ছিলেন, সমিতির সভাপতি ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অতিরিক্ত সচিব মো. শাহ আলম, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মনির হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুস সামাদ, সাবেক সহ সভাপতি আলহাজ্ব মো.আমির হোসেন ভূঁইয়া,  সহ-সভাপতি মো. মিজানুর রহমান জেড. এইচ. জহির, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুল আমিন, দপ্তর সম্পাদক মো. কামাল হোসেন, শিক্ষা ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মেহেদী হাসান শিশির, কার্যনির্বাহী সদস্য মো. কামাল হোসেন ভূঁইয়া, মেহেদী হাসান, ইঞ্জিনিয়ার আবুল কালাম আজাদ, আজীবন সদস্য ও সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার মোশাররফ হোসেন, ডাক্তার মোঃ মুজাহিদুল ইসলাম এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবৰ্গরা উপস্থিত ছিলেন।এদিন প্রায় সহস্রাধিক রোগী বিনামূল্যে চিকিৎসা সহযোগিতা পাওয়ার পাশাপাশি ১৩২ জন রোগীর ছানি অপারেশন করার ব্যবস্থা করা হয়।

বরুড়ায় ৭৩ হাজার শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে

বরুড়ায় ৭৩ হাজার শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে

আগামী ২৮ জুন কুমিল্লার বরুড়ায়  ৭৩ হাজার শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।বৃহস্পতিবার জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কতৃক আয়োজিত এক প্রস্তুতি সভায় এ তথ্য জানানো হয়।সভায় আরো জানানো হয়, এবছর ৬ থেকে ১১ মাস বয়সের ৮ হাজার ৯০০ শিশু ও ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সের ৬৪ হাজার ৩০০ শিশুকে ৪০৮ টি ইপিআই সাবব্লক, ১ টি স্থায়ী কেন্দ্র সহ মোট ৪০৯ টি টিকা কেন্দ্রে ভিটামিন এ খাওয়ানো হবে।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান রনি"র সভাপতিত্বে এসব কথা বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মো: মাজেদুর রহমান। সভা অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বরুড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি কামরুজ্জামান জনি, সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াছ আহমদ সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।

বরুড়ায় ২৬ জুন বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা শিবির, অপারেশনসহ থাকবে নানা সুবিধা

বরুড়ায় ২৬ জুন বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা শিবির, অপারেশনসহ থাকবে নানা সুবিধা

আগামী ২৬ জুন ২০২৬, শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার ঝলম ইউনিয়নের মহিদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একটি বিনামূল্যের চক্ষু চিকিৎসা শিবির অনুষ্ঠিত হবে।বাংলাদেশ অন্ধকল্যাণ সমিতি, কুমিল্লা ও চক্ষু হাসপাতাল শংকর, আলেখারচর, বিশ্বরোড, কুমিল্লার পরিচালনায় এবং বরুড়া উপজেলা জনকল্যাণ সমিতি, ঢাকার ব্যবস্থাপনায় এই চিকিৎসা শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে।শিবিরে চক্ষু রোগীদের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় ঔষধ প্রদান করা হবে। এছাড়াও যেসব রোগীর অপারেশনের প্রয়োজন হবে, তাদেরকে সেদিনই চক্ষু হাসপাতালের নিজস্ব গাড়িতে কুমিল্লায় নিয়ে যাওয়া হবে। রোগীদের জন্য যাতায়াত, থাকা-খাওয়া, সেবাযত্ন এবং চশমা প্রদানের ব্যবস্থাও বিনামূল্যে করা হবে বলে আয়োজকরা জানিয়েছেন।আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে বরুড়া উপজেলার প্রায় প্রতিটি গ্রামে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন গড়ে উঠেছে। এসব সংগঠনের সদস্যরা যদি নিজ নিজ এলাকার চক্ষু রোগীদের সংগঠিত করে চিকিৎসা শিবিরে নিয়ে আসেন, তাহলে অধিকসংখ্যক রোগী চিকিৎসাসেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন এবং মানবিক কাজে অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি হবে।এ বিষয়ে বরুড়া উপজেলা জনকল্যাণ সমিতি, ঢাকার সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবদুস সামাদ সকল স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সংগঠনের সদস্যদের নিজ নিজ এলাকার চক্ষু রোগীদের চিকিৎসা শিবিরে নিয়ে আসার জন্য বিনীত আহ্বান জানিয়েছেন।যোগাযোগ:মোঃ আবদুস সামাদসাবেক সাধারণ সম্পাদকবরুড়া উপজেলা জনকল্যাণ সমিতি, ঢাকামোবাইল: ০১৭১৮-৫৬৯৭৮০

ঝিনাইদহ জেলা শহরে মেডিকেল কলেজ স্থাপনের দাবীতে মানববন্ধন

ঝিনাইদহ জেলা শহরে মেডিকেল কলেজ স্থাপনের দাবীতে মানববন্ধন

ঝিনাইদহ জেলা শহরে মেডিকেল কলেজ স্থাপনের দাবীতে মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়েছে। শুক্রবার সকালে শহরের পায়রা চত্বরে ‘আমরা ঝিনাইদহবাসী’র ব্যানারে এ কর্মসূচী পালিত হয়।এতে ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও নানা শ্রেণী পেশার মানুষ অংশ নেয়।ঘন্টাব্যাপী চলা এই কর্মসূচীতে ঝিনাইদহ ২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজম মো. আবু বকর, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর আব্দুল আলিম, সেক্রেটারী আব্দুল আওয়ালসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন।সেসময় বক্তারা বলেন, ঝিনাইদহ জেলা শহরে মেডিকেল কলেজ স্থাপনের জন্য জেলাবাসী দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছে। সম্প্রতি মেডিকেল কলেজ স্থাপনের জন্য প্রাথমিকভাবে জেলা শহর থেকে ১৫ কিলোমিটার দুরে শৈলকুপা উপজেলায় স্থান নির্বাচন করা হয়েছে। সেখানে করা হলে শুধুমাত্র একটি উপজেলার মানুষ স্বাস্থ্য সেবা পাবে। তাই জেলার কেন্দ্রস্থল শহরের পাশে মেডিকেল কলেজ স্থাপনের দাবী জানান বক্তারা।

বরুড়া উপজেলা জনকল্যাণ সমিতির উদ্যোগে ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

বরুড়া উপজেলা জনকল্যাণ সমিতির উদ্যোগে ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

কুমিল্লার বরুড়া উপজেলা জনকল্যাণ সমিতির উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার ২৬ জুন উপজেলার ঝলম ইউনিয়নের মহিদপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বরুড়া উপজেলা জনকল্যাণ সমিতি, ঢাকা কৰ্তৃক আয়োজিত বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা, স্বাস্থ্য সেবা ও রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। চক্ষু চিকিৎসা সেবা কার্যক্রমে সার্বিক সহযোগিতা করছেন বাংলাদেশ জাতীয় অন্ধকল্যাণ সমিতি, কুমিল্লা ও শংকর হাসপাতাল। আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতা করেছে ফ্রেন্ডস ব্লাড ব্যাংক, মহিদপুর গ্রামবাসী এবং প্রফেসর ডাক্তার রুহুল আমিন রুরাল ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির অধ্যক্ষ ইয়াসিন মিয়া ও শিক্ষার্থীরা। এসময় উপস্থিত ছিলেন, সমিতির সভাপতি ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অতিরিক্ত সচিব মো. শাহ আলম, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মনির হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুস সামাদ, সাবেক সহ সভাপতি আলহাজ্ব মো.আমির হোসেন ভূঁইয়া,  সহ-সভাপতি মো. মিজানুর রহমান জেড. এইচ. জহির, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুল আমিন, দপ্তর সম্পাদক মো. কামাল হোসেন, শিক্ষা ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মেহেদী হাসান শিশির, কার্যনির্বাহী সদস্য মো. কামাল হোসেন ভূঁইয়া, মেহেদী হাসান, ইঞ্জিনিয়ার আবুল কালাম আজাদ, আজীবন সদস্য ও সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার মোশাররফ হোসেন, ডাক্তার মোঃ মুজাহিদুল ইসলাম এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবৰ্গরা উপস্থিত ছিলেন।এদিন প্রায় সহস্রাধিক রোগী বিনামূল্যে চিকিৎসা সহযোগিতা পাওয়ার পাশাপাশি ১৩২ জন রোগীর ছানি অপারেশন করার ব্যবস্থা করা হয়।