মুক্তির লড়াই
সর্বশেষ

ফায়ার সার্ভিস মহাপরিচালকের ক্যাশিয়ার রেজায়ে রাব্বি

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সাময়িক বরখাস্তকৃত ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর মোঃ রেজায়ে রাব্বীকে ঘিরে একের পর এক অভিযোগ, বিতর্ক ও প্রশাসনিক তৎপরতা নতুন করে আলোচনায় এসেছে। বিশেষ করে সরকারি কোয়ার্টার ভাড়া দেওয়া, প্রভাব খাটিয়ে পদায়ন বাণিজ্য এবং আন্দোলনকালীন ভূমিকা নিয়ে তার বিরুদ্ধে উঠেছে গুরুতর প্রশ্ন।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পিএন-১০০৩১৮ নম্বরধারী রেজায়ে রাব্বী দীর্ঘদিন ঢাকা অঞ্চলে ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৭ সালের ৮ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ৩০ আগস্ট পর্যন্ত তিনি ঢাকার বিভিন্ন লাইসেন্সিং এলাকায় কর্মরত ছিলেন। এই সময়েই তাকে ঘিরে নানা অনিয়ম ও বিতর্কের অভিযোগ সামনে আসে।অভিযোগ রয়েছে, রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে তিনি একাধিকবার বদলি ও পদায়নে সুবিধা নিয়েছেন। স্থানীয় ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় প্রশাসনিক সুবিধা ভোগের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। বিভিন্ন সময়ে আচরণগত কারণে বদলি করা হলেও রহস্যজনকভাবে তা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি বলেও দাবি সংশ্লিষ্টদের।২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় তার ভূমিকা নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। অভিযোগ অনুযায়ী, দায়িত্বস্থলে অনুপস্থিত থেকে তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। পরে এ ঘটনায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয় এবং রংপুরে পদায়ন দেওয়া হয়। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।সবচেয়ে আলোচিত অভিযোগগুলোর একটি সরকারি কোয়ার্টার নিয়ে। অভিযোগ আছে, নিজের নামে বরাদ্দ নেওয়া সরকারি বাসা তিনি নিজে ব্যবহার না করে ভাড়া দিয়ে নিয়মিত অর্থ আদায় করছেন। এমনকি চাকরিচ্যুত এক ফায়ার ফাইটার হান্নানের কাছে সেই কোয়ার্টার ভাড়া দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি ফায়ার সার্ভিসের অভ্যন্তরে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।এদিকে অভিযোগ রয়েছে, সম্প্রতি মহাপরিচালক জায়েদ কামালের ঘনিষ্ঠতা কাজে লাগিয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আবারও পদায়ন বাগিয়ে নিয়েছেন রেজায়ে রাব্বী। এতে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যেও।ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর কিছুদিন আত্মগোপনে থাকার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো তদন্তাধীন রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।

ঢাকা- কুমিল্লা বিকল্প মহাসড়ক নির্মানের প্রকল্প প্রস্তাবনা উপস্থাপন

কুমিল্লা ৬ আসনের এমপি মনিরুল হক চৌধুরীর আবেদনের প্রেক্ষিতে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার সুয়াগাজী হতে গোলাবাড়ি হয়ে আড়াইহাজার দিয়ে কুমিল্লা- ঢাকা বিকল্প মহাসড়ক নির্মানের লক্ষ্যে প্রকল্প প্রস্তাবনা উপস্থাপন করা হয়েছে।  রোববার (১৭ মে) দুপুরে কুমিল্লা স্থানীয় সরকার দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এ প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়। পকল্প প্রস্থাপনা করেন সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী মেহেদি হাসান।  প্রকল্প প্রস্তাবে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার সুয়াগাজী থকে গ্র্যান্ড ট্রাক রোড হয়ে গোলাবাড়ি দিয়ে গোমতীর উত্তর পাড় দিয়ে বুড়িচং এর পীড় যাত্রাপুর, দেবিদ্বার, কোম্পানিঞ্জ, মেটংঘর, শলপা, শ্রীকাইল, রামচন্দ্রপুর, রূপষদী হয়ে বাঞ্ছারামপুর এসে মিলিত হবে। আড়াই হাজার বাঞ্ছারামপুর প্রস্তাবিত মেঘনা সেতু দিয়ে কাঞ্চনব্রীজ হয়ে সড়কটি ৩০০ ফিট সড়কে সংযোগ হবে বলে উপস্থাপন করা হয়। এতে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কে চাপ কমবে, বিকল্প সড়কে কুমিল্লার উত্তরের জনপদের জনগণ রাজধানী ঢাকার সাথে যোগাযোগ স্থাপন করবে। ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের গৌরিপুর থেকে হোমনা হয়ে বাঞ্ছারামপুর বিকল্প সড়কে আলাদা সংযোগ স্থাপন হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে কুমিল্লা উত্তর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিস্তীর্ণ জনপদ সরাসরি বন্দর ও রাজধানীর সাথে সংযোগ স্থাপন হবে।  এতে করে অত্র অঞ্চলে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি বাড়বে, কলকারখানা স্থাপন হবে, প্রস্তাবিত কসবা ইপিজেড এ সড়কের সুফল পাবে বলে প্রস্তাবনায় উল্লেখ করা হয়।  প্রকল্প প্রস্তাব উপস্থাপনার বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা ৬ আসনের এমপি মনিরুল হক চৌধুরী, মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াশিম, স্থানীয় সরকার বিভাগ কুমিল্লার নির্বাহী প্রকৌশলী মফিজুল ইসলাম, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোজাহিদ চৌধুরী, লালমাই উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মীর ইউসুফ আলী পিন্টু এবং বিভিন্ন উপজেলা সহকারী প্রকৌশলীরা৷ 

ঢাকা- কুমিল্লা বিকল্প মহাসড়ক নির্মানের প্রকল্প প্রস্তাবনা উপস্থাপন

জনগণ চাইলে কুমিল্লায় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভাগ গঠন করা হবে.. প্রধানমন্ত্রী

কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার লক্ষীপুর ইউনিয়ন খেলার মাঠে আয়োজিত এক জনসভায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী  ঘোষণা দিয়েছেন যে, পর্যায়ক্রমে কুমিল্লাকে বিভাগে উন্নীত করা হবে এবং কুমিল্লায় একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে। এ ঘোষণায় উপস্থিত জনতার মাঝে ব্যাপক উৎসাহ ও আনন্দের সৃষ্টি হয়।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী  জাকারিয়া তাহের সুমন এমপি, । বক্তব্য রাখেন কৃষিমন্ত্রী  আমিনুর রশিদ ইয়াছিন, , অধ্যক্ষ  সেলিম ভুইয়া এমপি,উপজেলা বিএনপির সভাপতি  কায়সার আলম সেলিম , সিনিয়র সহ-সভাপতি  সৈয়দ রেজাউল হক, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ জহিরুল হক,   এবং সাবেক মেয়র জসিম উদ্দিন পাটোয়ারী   প্রমুখ।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, “দেশের মালিক জনগণ। আপনারা দায়িত্ব নিয়ে কাজ করুন, তাহলেই দেশ আরও এগিয়ে যাবে।” তিনি উন্নয়ন, শিক্ষা ও কৃষিখাতকে এগিয়ে নিতে সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন।জনসভাটি উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয় এবং বিভিন্ন এলাকা থেকে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ এতে অংশগ্রহণ করেন।সকাল ১১ টার আসার কথা থাকলেও প্রধান একটার সময় মাঠে আসেন। অনেক রুদ্র মাঝেও মাঠ কানায় কানায় ভরপুর ছিল।

জনগণ চাইলে কুমিল্লায় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভাগ গঠন করা হবে.. প্রধানমন্ত্রী
ঢাকা- কুমিল্লা বিকল্প মহাসড়ক নির্মানের প্রকল্প প্রস্তাবনা উপস্থাপন

ঢাকা- কুমিল্লা বিকল্প মহাসড়ক নির্মানের প্রকল্প প্রস্তাবনা উপস্থাপন

কুমিল্লা ৬ আসনের এমপি মনিরুল হক চৌধুরীর আবেদনের প্রেক্ষিতে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার সুয়াগাজী হতে গোলাবাড়ি হয়ে আড়াইহাজার দিয়ে কুমিল্লা- ঢাকা বিকল্প মহাসড়ক নির্মানের লক্ষ্যে প্রকল্প প্রস্তাবনা উপস্থাপন করা হয়েছে।  রোববার (১৭ মে) দুপুরে কুমিল্লা স্থানীয় সরকার দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এ প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়। পকল্প প্রস্থাপনা করেন সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী মেহেদি হাসান।  প্রকল্প প্রস্তাবে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার সুয়াগাজী থকে গ্র্যান্ড ট্রাক রোড হয়ে গোলাবাড়ি দিয়ে গোমতীর উত্তর পাড় দিয়ে বুড়িচং এর পীড় যাত্রাপুর, দেবিদ্বার, কোম্পানিঞ্জ, মেটংঘর, শলপা, শ্রীকাইল, রামচন্দ্রপুর, রূপষদী হয়ে বাঞ্ছারামপুর এসে মিলিত হবে। আড়াই হাজার বাঞ্ছারামপুর প্রস্তাবিত মেঘনা সেতু দিয়ে কাঞ্চনব্রীজ হয়ে সড়কটি ৩০০ ফিট সড়কে সংযোগ হবে বলে উপস্থাপন করা হয়। এতে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কে চাপ কমবে, বিকল্প সড়কে কুমিল্লার উত্তরের জনপদের জনগণ রাজধানী ঢাকার সাথে যোগাযোগ স্থাপন করবে। ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের গৌরিপুর থেকে হোমনা হয়ে বাঞ্ছারামপুর বিকল্প সড়কে আলাদা সংযোগ স্থাপন হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে কুমিল্লা উত্তর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিস্তীর্ণ জনপদ সরাসরি বন্দর ও রাজধানীর সাথে সংযোগ স্থাপন হবে।  এতে করে অত্র অঞ্চলে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি বাড়বে, কলকারখানা স্থাপন হবে, প্রস্তাবিত কসবা ইপিজেড এ সড়কের সুফল পাবে বলে প্রস্তাবনায় উল্লেখ করা হয়।  প্রকল্প প্রস্তাব উপস্থাপনার বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা ৬ আসনের এমপি মনিরুল হক চৌধুরী, মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াশিম, স্থানীয় সরকার বিভাগ কুমিল্লার নির্বাহী প্রকৌশলী মফিজুল ইসলাম, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোজাহিদ চৌধুরী, লালমাই উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মীর ইউসুফ আলী পিন্টু এবং বিভিন্ন উপজেলা সহকারী প্রকৌশলীরা৷ 

চীন-যুক্তরাষ্ট্র সংলাপকে গুরুত্বপূর্ণ বলছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা

বেইজিংয়ে চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সদ্যসমাপ্ত বৈঠককে ‘তাত্পর্যপূর্ণ’ এবং ‘বিশ্বের শান্তি ও উন্নয়নের জন্য ইতিবাচক’ বলে আখ্যায়িত করেছেন আন্তর্জাতিক মহলের বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা বলছেন, এই বৈঠকে “চীন-যুক্তরাষ্ট্র গঠনমূলক কৌশলগত স্থিতিশীল সম্পর্ক”-কে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন অবস্থা হিসেবে নির্ধারণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই “গঠনমূলক কৌশলগত স্থিতিশীল সম্পর্ক” বিশ্বের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে সহায়ক প্রমাণিত হবে। মিয়ানমার স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ ইনস্টিটিউটের যুগ্ম মহাসচিব খিন মং য বলেন, “চীন-যুক্তরাষ্ট্র গঠনমূলক কৌশলগত স্থিতিশীল সম্পর্ক” অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর মূল বিষয় হলো, পারস্পরিক বিশ্বাস। চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সুসম্পর্ক শুধু দুই দেশের জন্য নয়, পুরো বিশ্বের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। এটি সংঘাত প্রশমিত করতে, সংঘর্ষ কমাতে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে সহায়তা করবে। সার্বিয়ার বেলগ্রেড “বেল্ট অ্যান্ড রোড” ইনস্টিটিউটের পরিচালক বোইয়ান লালিচ বলেন, “চীন-যুক্তরাষ্ট্র গঠনমূলক কৌশলগত স্থিতিশীল সম্পর্ক” বিশ্বের অস্থির পরিস্থিতিতে আরও নিশ্চিততা নিয়ে আসবে। বিশেষ করে, অর্থনীতি, নতুন প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে এটি স্থিতিশীলতা জোরদার করবে। এটি আমাদের দেশের জন্য এবং “বেল্ট অ্যান্ড রোড” সহযোগিতা এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জার্মান মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ফ্রিডরিখ বলেন, “আমার মতে, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধানদের বৈঠক এমন একটি অত্যন্ত ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে, যা বিশ্বে দ্বৈত-পরাজয়ের পরিবর্তে পারস্পরিক লাভজনক পরিস্থিতি গড়ে তুলতে আগ্রহী মানুষদের উত্সাহিত করবে এবং বিশ্বে প্রগতিশীল শক্তিগুলোকেও আরও শক্তিশালী করবে।” আলজেরিয়া-চীন মৈত্রী সমিতির চেয়ারম্যান ইসমাইল দেবেশ বলেন, “চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং যেমন বলেছেন, চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক আজকের বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক। তাই, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের সামগ্রিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং পারস্পরিক যোগাযোগ ও সংলাপ জোরদার করা বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের জন্য উপকারী। আমরা দেখছি, প্রেসিডেন্ট  সি চিন পিং বৈশ্বিক অভিন্ন সমৃদ্ধির আহ্বান জানিয়েছেন, টেকসই উন্নয়ন এগিয়ে নিচ্ছেন, এবং বিভিন্ন সভ্যতার মধ্যে বিনিময় ও পারস্পরিক শিক্ষাকে উৎসাহিত  করছেন।” সূত্র: শিশির-আলিম-আকাশ,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

বৈষম্যহীন ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে তরুণদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে... হাসনাত আব্দুল্লাহ

কুমিল্লার বুড়িচংয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আয়োজিত পথসভায় বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত ও তরুণবান্ধব বাংলাদেশ গঠনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন দলের দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ। তিনি বলেন, “তারুণ্যের শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করতে পারলেই দুর্নীতি, সিন্ডিকেট ও মাদকের বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।”সোমবার (১৮ মে) সন্ধ্যায় কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলা বাইপাস সড়কে “জনতার আশা, আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে” শীর্ষক পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। পথসভায় বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।বক্তব্যে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, “আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই যেখানে তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, ঘুষ ও তদবির ছাড়া মেধার মূল্যায়ন হবে এবং কোনো নাগরিক বৈষম্যের শিকার হবে না। জাতিগত, পারিবারিক কিংবা রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে মানুষকে বঞ্চিত করার সংস্কৃতি থেকে দেশকে বেরিয়ে আসতে হবে।”তিনি আরও বলেন, “এ দেশের তরুণ সমাজই আগামী দিনের নেতৃত্ব দেবে। তরুণরা যদি ঐক্যবদ্ধ থাকে, তাহলে দুর্নীতি ও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। আমরা এমন রাজনীতি চাই, যা মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করবে এবং সাধারণ মানুষের স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করবে।”নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “সাংগঠনিক নিয়মনীতি মেনে জনগণের পাশে থাকতে হবে। মাদক, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের এনসিপিতে কোনো স্থান নেই। জনগণের আস্থা অর্জনের মাধ্যমেই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে।”এসময় তিনি দেশের তরুণ সমাজকে বিভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “তারুণ্যের শক্তিই আগামীর বাংলাদেশ গড়বে। তাই সবাইকে দেশ গঠনের আন্দোলনে সম্পৃক্ত হতে হবে।”পথসভায় উপস্থিত ছিলেন এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব আলাউদ্দিন মোহাম্মদ, জাতীয় যুবশক্তির কেন্দ্রীয় সভাপতি অ্যাডভোকেট তরিকুল ইসলাম, এনসিপির কেন্দ্রীয় মুখ্য যুগ্ম সমন্বয়ক নাভিদ নওরোজ শাহ, কুমিল্লা জেলা সদস্য শরিফ হাসান, কেন্দ্রীয় সদস্য হাসান জামিল সৌরভ, যুবশক্তির সদস্য সচিব হাসান কিবরিয়া, বুড়িচং উপজেলা যুগ্ম সমন্বয়কারী সোহেল রানা, কাজী রবিউল ইসলাম, রবেল হোসেন, রুনাসহ দলীয় নেতাকর্মীরা।এর আগে একই দিনে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় আয়োজিত পদযাত্রায়ও প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ। 

১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

শেরপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন

শেরপুরে অত্যন্ত আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে জেলা শিক্ষা অফিসের আয়োজনে জেলা পর্যায়ে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা)-২০২৬ এর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।শনিবার ১৬ মে সকাল ১১ টায় শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি স্টেডিয়ামে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন করেন শেরপুর-১  আসনের সংসদ সদস্য হাফেজ মোঃ রাশেদুল ইসলাম রাশেদ।উক্ত ​অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ মিজানুর রহমান ভূঁঞা । অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শেরপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সাইফুল ইসলাম কমল।  উদ্বোধনী পর্ব শেষে মাঠের লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয় ঝিনাইগাতির উপজেলার চ্যাম্পিয়ন হাতিবান্ধা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দল বনাম নকলার উপজেলার চ্যাম্পিয়ন বাছুর আগলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দল।  এ সময় প্রধান অতিথি ও অন্যান্য বিশেষ অতিথিবৃন্দ গ্যালারিতে বসে ক্ষুদে ফুটবলারদের চমৎকার ক্রীড়া নৈপুণ্য উপভোগ করেন এবং তাদের করতালি দিয়ে উৎসাহিত করেন। ​টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে স্টেডিয়ামে স্থানীয় ক্রীড়ামোদী দর্শক, বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীগণ উপস্থিত ছিলেন।

২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ৭ জানুয়ারি, এইচএসসি ৬ জুন

২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ৭ জানুয়ারি, এইচএসসি ৬ জুন

২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ৭ জানুয়ারি এবং এইচএসসি ও সমমানেন পরীক্ষা ৬ জুন শুরু হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকেলে সচিবালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা জানুয়ারিতে নেওয়া হচ্ছে। এতে করে সেশন গ্যাপ কমে আসছে। এরা যখন এইচএসসি পরীক্ষা দেবে, তখন ডিসেম্বরেই এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া যাবে। কোনো গ্যাপ থাকবে না। সেজন্য আমরা বলছি, আর মাত্র দুই বছর পরই এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরে নিতে পারবো। তখন কারও আপত্তি থাকবে না।এদিকে শিক্ষা মন্ত্রীর এই ঘোষণার পরপরই দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড ২০২৭ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তাবিত বিস্তারিত সময়সূচি প্রকাশ করেছে।রুটিন অনুযায়ী, ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা ৭ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার বাংলা প্রথম পত্রের মাধ্যমে শুরু হবে। এরপর ৯ জানুয়ারি বাংলা দ্বিতীয় পত্র, ১১ ও ১৩ জানুয়ারি ইংরেজি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র এবং ১৬ জানুয়ারি গণিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের বিভিন্ন বিষয়ের তত্ত্বীয় পরীক্ষাগুলো শেষ হবে ৬ ফেব্রুয়ারি। আর তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষে ১১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সব বিষয়ের ব্যবহারিক পরীক্ষা সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বোর্ড জানিয়েছে, মোট ৩৩টি পত্রে এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে এবং পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে ১৫ দিন সময় প্রয়োজন হবে।অন্যদিকে, প্রস্তাবিত রুটিন অনুযায়ী উচ্চমাধ্যমিক বা এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হবে ৬ জুন (রোববার) থেকে। প্রথম দিন সকালে বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে ৮ জুন বাংলা দ্বিতীয় পত্র, ১০ জুন ইংরেজি প্রথম পত্র এবং ১২ জুন ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ১৪ জুন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি পরীক্ষা শেষে বিজ্ঞান ও অন্যান্য বিভাগের বিভাগীয় বিষয়গুলোর পরীক্ষা শুরু হবে। ১৩ জুলাই সমাজবিজ্ঞান ও সমাজকর্ম দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষার মাধ্যমে তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর ১৮ জুলাইয়ের মধ্যে সব বিষয়ের ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করে অনলাইনে নম্বর এন্ট্রি করার নির্দেশ দিয়েছে বোর্ডগুলো। এইচএসসিতে মোট ৭৭টি পত্রের পরীক্ষা সম্পন্ন করতে ২১ দিন সময় লাগবে বলে জানানো হয়েছে।

প্রযুক্তিনির্ভর সাংবাদিকতা গড়ে তুলতে জেএ টিভির প্রতিনিধি কর্মশালা অনুষ্টিত

প্রযুক্তিনির্ভর সাংবাদিকতা গড়ে তুলতে জেএ টিভির প্রতিনিধি কর্মশালা অনুষ্টিত

ঢাকায় সেগুনবাগিচায় কচি-কাঁচা মিলনায়তনে জেএ টিভি’র উদ্যোগে সকাল নয়টার হতে বিকাল দুই পর্যন্ত প্রতিনিধি কর্মশালা ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠান সফলভাবে সম্পন্ন হয়। ১৮ মে ২০২৬, সোমবার এই কর্মশালায় সাড়া দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত জেএ টিভি’র জেলা ও উপজেলার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেছেন তবে। আধুনিক সাংবাদিকতার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এ কর্মশালায় ওপেন সোর্স ইন্টেলিজেন্স (ওসিন্ট), জনস্বার্থে সাংবাদিকতা এবং মাল্টিমিডিয়া অনলাইন সাংবাদিকতা বিষয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।এই কর্মশালার ওসিন্ট সেশনে প্রতিনিধিদের শেখানো হয় কীভাবে ইন্টারনেটে উন্মুক্তভাবে পাওয়া তথ্য, ছবি ও ভিডিও বিশ্লেষণের মাধ্যমে সংবাদের সত্যতা যাচাই করতে হয়। এ সময় গুগল রিভার্স ইমেজ সার্চ, জিওলোকেশন যাচাই, সোশ্যাল মিডিয়া ভেরিফিকেশন এবং বিভিন্ন ফ্যাক্ট-চেকিং প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের ওপর ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।জনস্বার্থে সাংবাদিকতা বিষয়ক সেশনে দুর্নীতি, অনিয়ম ও সামাজিক অসঙ্গতির বিরুদ্ধে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন তৈরির কৌশল, সাংবাদিকদের আইনি সুরক্ষা, তথ্য সংগ্রহের নৈতিকতা এবং তথ্যসূত্রের গোপনীয়তা রক্ষার গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এছাড়া মাল্টিমিডিয়া অনলাইন সাংবাদিকতা সেশনে টেক্সট, ছবি, ভিডিও ও ইনফোগ্রাফিক সমন্বয়ে আকর্ষণীয় সংবাদ উপস্থাপন এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় কার্যকর সংবাদ পরিবেশনের আধুনিক কৌশল শেখানো হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যাস কমিউনিকেশন অ্যান্ড জার্নালিজম বিভাগের অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস। তিনি বলেন, “ডিজিটাল যুগে সাংবাদিকদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জন এখন সময়ের দাবি। তথ্যের সত্যতা যাচাই, বস্তুনিষ্ঠতা এবং জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সাংবাদিকতা করাই বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।”বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-৫ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ও সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়র আলহাজ্ব নবী উল্লাহ নবী।জেএ টিভি’র চেয়ারম্যান এম জি কিবরিয়া চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাভিশন অনলাইন অ্যান্ড ডিজিটালের নির্বাহী সম্পাদক বদরুল আলম নাবিল, দৈনিক কালবেলার হেড অব অনলাইন অমৃত মলঙ্গী এবং জেএ টিভি’র হেড অব ডিজিটাল জয় কর্মকার।এছাড়াও আমন্ত্রিত আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসমাইল হোসেন জাকির, মো: ফারুক হোসেন, মোঃ রফিকুল ইসলাম মানিক এবং আল মামুন এলিট সাগর। কর্মশালাজুড়ে অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সাংবাদিকতার বাস্তব অভিজ্ঞতা, চ্যালেঞ্জ এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। অংশগ্রহণকারীরা জানান, কর্মশালাটি তাদের পেশাগত দক্ষতা ও বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।অনুষ্ঠানের সার্বিক পরিকল্পনা ও তত্ত্বাবধানে ছিলেন জেএ টিভি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ হাসান আলী। তিনি প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন এবং বস্তুনিষ্ঠ, দায়িত্বশীল ও প্রযুক্তিনির্ভর সাংবাদিকতা চর্চার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জেএ টিভি’র হেড অব নিউজ ওমর ফারুক রবিন।অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন শিহাব শেখ কর্মশালা শেষে অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধিদের মধ্যে সনদ বিতরণ করা হয়। সবশেষে সভাপতির সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করেন জেএ টিভি’র চেয়ারম্যান এম জি কিবরিয়া চৌধুরী।

কালীগঞ্জে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

কালীগঞ্জে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

ঝিনাইদহ কালীগঞ্জ উপজেলার চাপালি  এলাকায় পল্লী মঙ্গল কর্মসূচী (পিএমকে) আয়োজিত বিনামূল্যের মেডিকেল ক্যাম্পে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে প্রায় পাঁচ শতাধিক অসহায় ও দরিদ্র মানুষ চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেছেন।‎ রবিবার  সকাল থেকে দিনব্যাপী কালীগঞ্জ  শাখা অফিস প্রাঙ্গণে এ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়। ‎ক্যাম্পে চক্ষু, মেডিসিন, গাইনি, চর্ম ও যৌন, শিশু এবং সার্জারি বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেন। পাশাপাশি বিনামূল্যে প্রেসক্রিপশন, ওষুধ, চক্ষুরোগীদের পাওয়ারের চশমা ও চোখের ড্রপ ও ওষুধ বিতরণ করা হয়।ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন ডেপুটি  প্রোগ্রাম ম্যানেজার অরুণ কুমার বিশ্বাস। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক  চিত্তরঞ্জন রায় ।‎বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা পল্লী মঙ্গল কর্মসূচীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।কালীগঞ্জ  শাখার  ব্যবস্থাপক চিত্তরঞ্জন রায়  বলেন, ১৯৮৭ সালের ২৭ নভেম্বর প্রতিষ্ঠার পর থেকে পল্লী মঙ্গল কর্মসূচী বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। মা ও শিশু স্বাস্থ্যসচেতনতা, চক্ষু চিকিৎসা এবং গর্ভবতী মায়েদের বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা ও ওষুধ প্রদান করা হচ্ছে।‎চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন ডা. আরশাফুল আলম। ডা.মোঃমিনহাজুল ইসলাম,ডা. চন্দন দেব বক্ষণ , ডা. মোঃ শহিদুল ইসলাম এবং মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ।

রাণীনগরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু

রাণীনগরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু

নওগাঁর রানীনগর উপজেলার মাস্টার পাড়া এলাকায় রাস্তার পাশে পড়ে থাকা এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করে রানীনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালে এই ঘটনাটি ঘটে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে ওই ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ সকাল আনুমান ৬:৩০ মিনিট  মাস্টার পাড়া এলাকায় এক ব্যক্তিকে রাস্তার পাশে পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক মনে হওয়ায় এলাকাবাসী দ্রুত তাকে উদ্ধার করে রানীনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগে ভর্তির কিছুক্ষণ পর পুষষ ওয়ার্ডে দেয়া হয় , চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০:১৫ মিনিটে  তার মৃত্যু হয়।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ওই ব্যক্তিকে যখন আনা হয়েছিল তখন তিনি অত্যন্ত দুর্বল ও অচেতন ছিলেন। প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হলেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। খবর পেয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ হাসপাতাল পরিদর্শন করেছে এবং মরদেহটি বর্তমানে পুলিশি হেফাজতে রয়েছে।এলাকার বাসিন্দারা জানান, মৃত ব্যক্তিকে তারা আগে কখনো এই এলাকায় দেখেননি। তার পরনে ছিল পাঞ্জাবী ও লুঙ্গি সাথে কোনো পরিচয়পত্র পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি বাইরে থেকে এই এলাকায় এসেছিলেন অথবা পথচারী ছিলেন।রানীনগর থানার পুলিশ জানিয়েছে, ওই ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করার জন্য আশপাশের থানাগুলোতে সংবাদ পাঠানো হয়েছে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তথ্য প্রচার করা হচ্ছে।

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

চোখের স্ট্রোকের জন্য কি হাইপারটেনশন দায়ী?চোখের চিকিৎসক ডা. সুমন মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘হাইপারটেনশনের কারণে চোখের একাধিক ক্ষতি হতে পারে।’ উচ্চ রক্তচাপে চোখের রেটিনার শিরায় ব্লকেজ তৈরি হয়। এর ফলে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। এই অবস্থাকে ‘সেন্টাল রেটিনাল ভেইন অকুলেশন’ বলা হয়। এটি শিরার পাশাপাশি ধমনীতেও হতে পারে বলে জানিয়েছেন ডা. মুখোপাধ্যায়। আসলে চলতি ভাষায় এই অবস্থাকেই চোখের স্ট্রোক বলা হয়।সিআরভিও-এ কি দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারেন?সিআরভিও-এর একাধিক উপসর্গ রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে কমন হলো- হঠাৎ করে একটা চোখের দৃষ্টি কমে যাওয়া। এছাড়া চোখে রক্তপাত হলে চোখের ভিতর কালো ঝুলের মতো অংশ দেখা যায়।‘সিআরভিও-এর চিকিৎসা হলো ইনজেকশন বা রেটিনাল লেজার’ বলেন ডা. মুখোপাধ্যায়। সিআরভিও হলে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া, ঝাপসা দৃষ্টি এবং দৃষ্টিশক্তি হারানোর মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কতটা ক্ষতিকর?ডা. মুখোপাধ্যায়ের সংযোজন, ‘প্রেশার খুব বেশি থাকলে চোখের ভিতর যে অপটিক নার্ভ থাকে, তারও মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।’ এই অবস্থায় চোখে রক্তপাতও হতে পারে। একে চিকিৎসার ভাষায় হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি বলা হয়।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কি গর্ভবতীদেরও হয়?হাইপারটেনশনে ভয় রয়েছে অন্তঃসত্ত্বা নারীদেরও। অনেক সময় গর্ভাবস্থায় হবু মায়ের ব্লাড প্রেশার অত্যধিক বেড়ে যায়। যাকে বলে প্রেগন্যান্সি হাইপারটেনশন বা ‘একলাম্পসিয়া’। এই অবস্থা তৈরি হলে মস্তিষ্কে রক্তপাত হয়। এই পর্যায়ে পৌঁছনোর ঠিক আগে চোখের উপর প্রভাব পড়ে। দৃষ্টিশক্তি কমে আসে। এই লক্ষণ দেখে বোঝা যায় যে, ‘একলাম্পসিয়া’ খারাপ দিকে এগোচ্ছে ‘অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার কন্ট্রোলে রাখা দরকার কেন?এছাড়া অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার বারবার যাচাই করা দরকার। অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ থাকা অবস্থায় অস্ত্রোপচার করলে চোখে রক্তপাত হতে পারে এবং চোখ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

রক্তচাপ কতটা বেড়ে গেলে হার্টঅ্যাটাক হতে পারে

রক্তচাপ কতটা বেড়ে গেলে হার্টঅ্যাটাক হতে পারে

প্রথমত, উচ্চ রক্তচাপ কখন হয় এবং এটি আসলে কী তা বোঝা গুরুত্বপূর্ণ। সহজ কথায়, এটি এমন একটি স্বাস্থ্যগত অবস্থা যেখানে রক্ত পাম্প করার জন্য হৃদপিণ্ডকে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি চাপ প্রয়োগ করতে হয়। এর ফলে, শিরাগুলির উপর চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়, যার কারণে তাদের দেয়াল ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করে। গুরুতর ক্ষেত্রে, শিরা ফেটে যেতে পারে, যা মারাত্মক হতে পারে।উচ্চ রক্তচাপের পরিসীমা কতযদি শরীরের রক্তচাপের পরিসীমা ১২০/৮০ মিমি এইচজি হয় তবে তাকে স্বাভাবিক রক্তচাপ বলা হয়। কিন্তু যখন এই পরিসীমা সিস্টোলিক ১৩০/১৩৯ এবং ডায়াস্টোলিক ৮০ থেকে ৯০ মিমি এইচজি-র মধ্যে পড়ে, তখন তাকে উচ্চ রক্তচাপের অবস্থা বলা হয়।রক্তচাপের কোন স্তরটি হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়বিশেষজ্ঞদের মতে, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যাও হার্টঅ্যাটাকের জন্য অনেকাংশে দায়ী। পরিসরের কথা বলতে গেলে, যদি রক্তচাপ ১৪০/৯০ মিমিএইচজি-র উপরে পৌঁছায়, তাহলে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে, আপনার অবিলম্বে আপনার ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা উচিত যাতে অবস্থা গুরুতর না হয়।দৃশ্যমান লক্ষণগুলি কী কীরক্তচাপের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো এটি কোনও গুরুতর লক্ষণ দেখায় না। এজন্যই একে 'নীরব ঘাতক' বলা হয়। তবে, কিছু ক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তি তীব্র মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, চোখ লাল হওয়া, বুকে ব্যথা, নাক দিয়ে রক্তপাত এবং বমি বমি ভাব অনুভব করতে পারেন। অতএব, যদি আপনার রক্তচাপের সমস্যা থাকে, তাহলে নিয়মিত আপনার রিডিং পরীক্ষা করে দেখুন এবং গুরুতর অবস্থার ক্ষেত্রে, অবিলম্বে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন।

কালীগঞ্জে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

কালীগঞ্জে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

ঝিনাইদহ কালীগঞ্জ উপজেলার চাপালি  এলাকায় পল্লী মঙ্গল কর্মসূচী (পিএমকে) আয়োজিত বিনামূল্যের মেডিকেল ক্যাম্পে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে প্রায় পাঁচ শতাধিক অসহায় ও দরিদ্র মানুষ চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেছেন।‎ রবিবার  সকাল থেকে দিনব্যাপী কালীগঞ্জ  শাখা অফিস প্রাঙ্গণে এ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়। ‎ক্যাম্পে চক্ষু, মেডিসিন, গাইনি, চর্ম ও যৌন, শিশু এবং সার্জারি বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেন। পাশাপাশি বিনামূল্যে প্রেসক্রিপশন, ওষুধ, চক্ষুরোগীদের পাওয়ারের চশমা ও চোখের ড্রপ ও ওষুধ বিতরণ করা হয়।ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন ডেপুটি  প্রোগ্রাম ম্যানেজার অরুণ কুমার বিশ্বাস। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক  চিত্তরঞ্জন রায় ।‎বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা পল্লী মঙ্গল কর্মসূচীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।কালীগঞ্জ  শাখার  ব্যবস্থাপক চিত্তরঞ্জন রায়  বলেন, ১৯৮৭ সালের ২৭ নভেম্বর প্রতিষ্ঠার পর থেকে পল্লী মঙ্গল কর্মসূচী বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। মা ও শিশু স্বাস্থ্যসচেতনতা, চক্ষু চিকিৎসা এবং গর্ভবতী মায়েদের বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা ও ওষুধ প্রদান করা হচ্ছে।‎চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন ডা. আরশাফুল আলম। ডা.মোঃমিনহাজুল ইসলাম,ডা. চন্দন দেব বক্ষণ , ডা. মোঃ শহিদুল ইসলাম এবং মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ।