গণপূর্তের ‘লটারি বদলি’ মডেল- / দুর্নীতির দুষ্টচক্র ভাঙতে মন্ত্রীর সাহসী উদ্যোগ এখন সারা সরকারে ছড়িয়ে পড়ছে
গণপূর্তের ‘লটারি বদলি’ মডেল এখন সারা সরকারে ছড়িয়ে পড়ছে। বদলি বাণিজ্যের অভিযোগে দীর্ঘদিন ধরে কলঙ্কিত এক খাতে প্রথমবারের মতো সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের। লটারির মাধ্যমে প্রকৌশলীদের বদলি-পদায়নের যে সিদ্ধান্ত তিনি গত জুলাইয়ে বাস্তবায়ন করেন, তা কেবল মন্ত্রণালয়ের ভেতরেই নয়—সরকারের সর্বস্তরে প্রশংসিত হয়েছে। বিশেষ করে যেসব দপ্তরে বদলি বাণিজ্যের অভিযোগ বেশি প্রতিষ্ঠিত, সেখানেই আগে শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে আইন মন্ত্রণালয় গত সপ্তাহে সাবরেজিস্ট্রার পদে লটারির মাধ্যমে বদলি কার্যক্রম শুরু করেছে। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই উদ্যোগও সাধারণ মানুষের কাছ থেকে সাধুবাদ পাচ্ছে।শনিবার এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের বলেন, ‘দায়িত্ব নেওয়ার শুরু থেকেই জেনেছি—মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থায় বদলি-পদায়নের ক্ষেত্রে অনিয়ম, দুর্নীতি ও তদবিরের একটা দুষ্টচক্র রয়েছে। যারা কথিত “প্রাইজ পোস্টিং” হাতিয়ে নিতে প্রভাবশালী মহলকে ব্যবহার করেন। এ কারণে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ে। কিন্তু আমি মন্ত্রী থাকাবস্থায় এসব আর চলবে না। জিরো টলারেন্সের নীতি নিয়েছি। বদলি বাণিজ্য নির্মূল করতে লটারির মাধ্যমে পদায়নের ব্যবস্থা করেছি।’ তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রতিটি দপ্তরে এই কার্যক্রম বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে কাজের স্বচ্ছতা আরও সহজ হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুশাসন ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার বাস্তবায়নে অন্যান্য মন্ত্রণালয়ও লটারি পদ্ধতি অনুসরণ করছে জেনে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।গণপূর্ত অধিদপ্তরের উপসহকারী, সহকারী ও উপবিভাগীয় প্রকৌশলীদের বদলিতে এই পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়। তিন দফায় মোট এক হাজার ৪৩০ জন প্রকৌশলীকে লটারির মাধ্যমে বদলি করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩০ জুলাই ৭৬৭ জন উপসহকারী প্রকৌশলী, ৩ আগস্ট আরও ২৫৪ জন উপসহকারী প্রকৌশলী এবং ১৬ আগস্ট ৪০৯ জন সহকারী ও উপবিভাগীয় প্রকৌশলীকে বদলি করা হয়। এই ৪০৯ জনের মধ্যে সিভিল সহকারী প্রকৌশলী ছিলেন ১৫২ জন, ই/এম সহকারী ৬৭ জন, সিভিল উপবিভাগীয় ১৩৫ জন এবং ই/এম উপবিভাগীয় ৫৫ জন। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে নির্বাহী প্রকৌশলী ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীসহ উচ্চতর পদগুলোতেও লটারির মাধ্যমে বদলি ও পদায়ন হবে—বিশেষ করে যেসব পদে ‘কাঙ্ক্ষিত কর্মস্থল’ নিয়ে প্রতিযোগিতা বেশি।পূর্ত মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা মনে করেন, লটারির মাধ্যমে বদলি প্রক্রিয়া স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির এক নতুন দৃষ্টান্ত। তদবিরের বিপরীতে এই উন্মুক্ত পদ্ধতি সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নকে সহজ করবে। তবে তারা সতর্ক করে বলেন—লটারির পাশাপাশি যোগ্যতা, জ্যেষ্ঠতা, প্রশাসনিক প্রয়োজন, পারিবারিক পরিস্থিতি ও সংশ্লিষ্ট বিধিমালাও বিবেচনায় রাখতে হবে। কারণ সব বদলি এক রকম নয়। লটারিকে কার্যকর করতে যোগ্য কর্মকর্তাদের পরিধি নির্ধারণ ও স্পষ্ট নীতিমালা জরুরি। মন্ত্রণালয় এই বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করছে। সবচেয়ে বড় তাৎপর্য হলো—বদলি-পদায়নের মতো সংবেদনশীল সিদ্ধান্তে প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতাকে দৃশ্যমান করা। একজন কর্মকর্তা কোথায় যাবেন—এ সিদ্ধান্ত যদি নির্দিষ্ট নীতিমালা ও উন্মুক্ত লটারির মাধ্যমে হয়, তাহলে ব্যক্তিগত যোগাযোগ ও তদবিরের সুযোগ অনেক কমে আসে। একই সঙ্গে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে সিদ্ধান্তের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ে। সরকারি ব্যবস্থাপনায় সুশাসনের মূল উপাদান হলো স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও ন্যায্যতা। গণপূর্তের ‘লটারি বদলি মডেল’ সেই নীতিগুলো বাস্তবায়নের একটি শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক হাতিয়ার হিসেবে এখন সারা সরকারে ছড়িয়ে পড়ছে।
রামপালে ঘুষ বানিজ্যের ভিডিও ভাইরাল, জেলা প্রশাসকের চিঠি
বাগেরহাটের রামপাল উপজেলা ভূমি অফিসে নামজারি'সহ বিভিন্ন ঘুষ বানিজ্যর কোনোভাবেই লাগাম টেনে ধরা যাচ্ছে না। গোপন বা প্রকাশ্যে এসব ঘুষ বানিজ্য মনে হয় হাতের মোহা। ফলে সেবা প্রত্যাশিরা পড়ছে চরম বিড়ম্বনায়। আশেপাশে ঘাপটি মেরে থাকা দালাল চক্রের দৌরাত্ম্যের ফলে হারাচ্ছেন হাজার হাজার টাকা।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ভুক্তভোগী জানান, শ্রেণীভেদে নামজারি'সহ বিভিন্ন কাজে দিতে হয় বিশাল অংকের টাকা। রামপাল ভূমি অফিসের এইসব ঘুষ বানিজ্যের চিত্র দীর্ঘদিনের। তবে এসব বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভিজিৎ চক্রবর্তী কঠোর হস্তে ব্যবস্থা নিচ্ছেন বলে জানান তিনি। সম্প্রতি নামজারি করতে আসা এক ভুক্তভোগীর কাছ থেক কানুনগো নিয়েছেন মোটা অংকের টাকা। যা ভিডিওতে ধারণ করেন ভুক্তভোগী এক ব্যক্তি। এরপর জানাজানি হলে বিষয়টি নিয়ে চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হয় উপজেলাজুড়ে। ঘুষ বানিজ্যের বিষয়টি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভিজিৎ চক্রবর্তী'র নজরে আসলে গত ৬ আগস্ট ২০২৬ কানুনগো মোঃ আবুল বশারের বিরুদ্ধে দেওয়া হয় কারণ দর্শানোর নোটিশ। ওই নোটিশে তিনি উল্লেখ করেন, দাপ্তরিক দায়িত্ব পালনকালে নিজ অফিস কক্ষে বসে নামজারি কেসের প্রতিবেদন প্রদানের বিনিময়ে সেবা গ্রহীতাদের নিকট হতে নিয়মবহির্ভূতভাবে নগদ অর্থ গ্রহণ করেছে, যার ৩ (তিন) মিনিট ৫৬ (ছাপ্পান্ন) সেকেন্ড এবং ৫ (পাঁচ) মিনিট ২২ (বাইশ) সেকেন্ড দৈর্ঘ্যের ২ (দুই)টি ভিডিও ক্লিপের তথ্য পেয়েছে সংশ্লিষ্ট দপ্তর। উক্ত ভিডিও ক্লিপসের বিষয়ে নোটিশে সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হওয়ায় সরকারী সেবা প্রদানের বিনিময়ে উৎকোচ গ্রহণ করার দায় সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপীল) বিধিমালা, ২০১৮ - এর বিধি ৩(খ) মোতাবেক 'অসদাচরণ' এর দায়ে কানুনগো মোঃ আবুল বশারের বিরুদ্ধে অভিযুক্ত গঠন করে উপজেলা ভূমি অফিস।পরবর্তীতে গত ১২ আগষ্ট তথ্য'সহ বাগেরহাট জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযুক্ত কানুনগো মোঃ আবুল বাশারের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে দেওয়া হয় আরেকটি চিঠি। ওই চিঠির আলোকে গত ৮ সেপ্টেম্বর-০৫.৪৪.০১০০.০১৪.১৯.২০,২৬- নং স্মারকে বাগেরহাট জেলা প্রশাসক গোলাম মোঃ বাতেন অভিযুক্ত কানুনগো মোঃ আবুল বশারের বিরুদ্ধে মামলা রুজুর আর্জি জানিয়ে খুলনা বিভাগীয় কমিশনার বরাবর দিয়েছেন চিঠি। তবে দীর্ঘ প্রায় ৩ মাস অতিবাহিত হলেও আলোচিত এবিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তর কোনো ব্যবস্থা গ্রহন না করায় তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন সাধারণ সেবাগ্রহীতারা।অন্যদিকে কানুনগো মোঃ আবুল বাশারের উৎকোচ নেওয়া এই ভিডিওকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে নামধারী কিছু সাংবাদিক নিয়েছেন বিশেষ সুবিধাও। এমনকি ঘুষ বানিজ্যের ভাইরাল ভিডিও ও বিভাগীয় মামলা নিতে বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের চিঠিকেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে তাঁর ব্যক্তিগত সম্মানহানি ও সামাজিক মর্যাদা ক্ষুন্ন হয়েছে বলে উল্লেখ্য করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। বিষয়টি জানাজানি বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করা হলে মুষল ধারার সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হচ্ছে।এখন প্রশ্ন হলো - এই ঘুষ বানিজ্যের ভাইরাল ভিডিও ও বিভাগীয় মামলা নিতে বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের চিঠি'টা আসলেই কি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)'এর ব্যবহার না-কি কোনো ধোঁয়ার জাল বা কুয়াশা আক্রমণ❓এ বিষয়ে একাধিক ভূমি অফিসে তাদের কাঙ্খিত সেবা নিতে আশা একাধিক সেবা গ্রহীতারাজানান, সরকারি নিয়মের বাইরে অনৈতিকভাবে বিভিন্ন কলাকৌশলে আমাদের কাছ থেকে হাতিয়ে নেওয়া হয় বড়ো অংকের টাকা। এইসব টাকা দিতে অপারগতা জানালে সৃষ্টি হয় বিভিন্ন বাহানা বা অজুহাত। তখন বলা হয় আমার কাগজে বিভিন্ন সমস্যা। তবে ওই একই আবেদনের ফাইল টাকা দিলে হয়ে যায় সব ঠিকঠাক। সেবা গ্রহীতারা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে আরও জানান, আমরা শুনেছি এই চিটিতে নাকি কানুনগোকে কিছুই করতে পারবে না। তিনি বলাবলি করেন উপরে সব ম্যানেজ হয়ে গেছে। এসব ছোটখাটো বিষয়। তার হাত অনেক লম্বা। দীর্ঘদিন দালানচক্র চুষে খাচ্ছে আমাদের। আমরা ঘুষখোর ওই কানুনগো মোঃ আবুল বাশারের অপসারণ চাই, শাস্তি চাই।এ অভিযোগের ব্যাপারে অভিযুক কানুনগো মোঃ আবুল বশারের কাছে ঘুষ নেওয়ার বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি কি বলবো আপনি এসিল্যান্ড স্যারদের কাছে শোনেন বলেই ফোনকলটির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।এ বিষয়ে রামপাল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভিজিৎ চক্রবর্তী জানান, বিষয়টি ঘটনার তিনদিন পর আমার কানে আসে। এরপর ওইদিনই তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেই এবং সেটি সন্তোষজনক না হওয়ায় জেলা প্রশাসন বরাবর অভিযুক্ত গঠন করে চিঠি দিয়েছি। আমি রামপাল উপজেলা ভূমি অফিসকে দূর্নীতিমুক্ত করতে বন্ধপরিকর। এবং যাহারা এই অপকর্মের সাথে জড়িত তাদের কোনো পরিচয় নেই তারা অপরাধী। আমি তাদের বিরুদ্ধে শক্ত হাতে ব্যবস্থা নিচ্ছি বা নেবো।
কুমিল্লায় তাজমিন হত্যাকাণ্ড: চট্টগ্রাম থেকে একজন গ্রেপ্তার, সিএনজি চালক সুমনের সন্ধানে তদন্ত জোরদার
কুমিল্লার লালমাইয়ের ধানক্ষেতে পাওয়া সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) রহস্যময় মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশ একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাকে চট্টগ্রাম থেকে ধরা হয়েছে। তবে তার পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।বৃহস্পতিবার ভোরে কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশের জাত্রাপুর গ্রামের একটি ধানক্ষেত থেকে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহের পাশেই পড়ে ছিল একটি পরিত্যক্ত সিএনজিচালিত অটোরিকশা। অটোরিকশাটির মালিক নিশ্চিত করেছেন, চালক ছিলেন সুমন।পুলিশ ইতোমধ্যে সুমনকে শনাক্ত করেছে। তার বাড়ি চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায়। তিনি লালমাইয়ের বাগমারা দক্ষিণের জয়নগর গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে থাকতেন। প্রায় এক মাস আগে বসতঘর বিক্রি করে সেখান থেকে চলে যান। সূত্র বলছে, তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন। সুমনকে ধরতে অভিযান শুরু করে পুলিশ বৃহস্পতিবার তার বোন, বোনের স্বামী ও খালাশাশুড়িকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেয়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই অভিযান চালানো হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সুমনের একটি রিলও ছড়িয়ে পড়েছে।সিসিটিভিতে শেষ রাতের চলাচলপুলিশ তাজমিনের মৃত্যুর আগের রাতের কিছু সিসিটিভি ফুটেজ হাতে পেয়েছে। ফুটেজে দেখা যায়, বুধবার রাত পৌনে ১২টার দিকে কক্সবাজার থেকে ফেরা আইকনিক পরিবহনের একটি বাস থেকে কুমিল্লার পদুয়ার বাজারে নূরজাহান হোটেলের সামনে নামেন তাজমিন। এরপর তিনি হোটেলের পাশের খাবারের দোকান ও পশ্চিম পাশের কয়েকটি স্টেশনারি দোকানের দিকে যান। একটি দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে দোকানির সঙ্গে কথা বলেন এবং কিছু দেখান বা দিকনির্দেশনা নেন। রাত ১২টার দিকে সেখান থেকে সরে অন্য পাশে যান। সোয়া ১২টার দিকে নূরজাহান হোটেল এলাকা ছেড়ে একটি সিএনজিতে ওঠেন।বাবাকে পাঠানো লাইভ লোকেশনতাজমিনের বাবা আবদুল আলীম জানান, ৪ অক্টোবর কুমিল্লা নগরীর রেসকোর্স এলাকার ধানমন্ডিপাড়ার ভাড়া বাসা থেকে বের হন তাঁর একমাত্র মেয়ে। শহরে এক বান্ধবীর বাসায় যাওয়ার কথা বলেছিলেন। পরে ওই বান্ধবীর সঙ্গে কক্সবাজারে যান। বুধবার রাতে কুমিল্লার উদ্দেশে রওনা হন।রাত আনুমানিক পৌনে ২টার দিকে মেয়ে মোবাইলে একটি বার্তা ও লাইভ লোকেশন পাঠান। বার্তায় গিয়ে নিয়ে আসতে বলেন। আলীম বলেন, ‘তখন আমি ঘুমে ছিলাম। সকালে মেসেজ দেখি। তারপর লাইভ লোকেশনে এসে মেয়ের মরদেহ উদ্ধার হচ্ছে দেখতে পাই।’মৃত্যুর কারণ এখনো অজানালালমাই থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, তাজমিনের মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। প্রথমে মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরে পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। তিনি জানান, ঘটনা কীভাবে ঘটেছে এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা উদ্ঘাটনে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে। সিএনজি চালক সুমন মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন না এবং তাঁর জাতীয় পরিচয়পত্র নেই বলেও জানা গেছে।তদন্ত চলছে। পুলিশ আরও তথ্য জানাতে চাইছে।
চলতি এইচএসসি পরীক্ষায় পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ে প্রশ্নপত্রে ভুলের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন বলেছেন, প্রশ্ন আমরা তৈরি করিনি, বিগত সরকার করেছে। আপনি কি তাই মনে করেন?
কদমতলী থানা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত
ব্রাহ্মণপাড়ায় ছাত্রলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন মিশন গ্রেফতার
বিএনপি নেতা রাজেশের প্রত্যক্ষ মদদে সন্ত্রাসী মহড়া • মামলা সত্ত্বেও নীরব প্রশাসন / পুলিশের সামনেই সাংবাদিকদের ওপর হামলা, হুমকির মুখে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা
অপরাধ অনুসন্ধান পত্রিকা’র উদ্যোগে জাঁকজমকপূর্ণ ফল উৎসব অনুষ্ঠিত