মুক্তির লড়াই
সর্বশেষ

৫ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানদের সঙ্গে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রীর বৈঠক

দেশের ৫ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানদের সঙ্গে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমনের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার সচিবালয়ে কুমিল্লা, ময়মনসিংহ, বরিশাল, রংপুর ও নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যানদের সঙ্গে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহেরের নেতৃত্বে এ গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।বৈঠকে দেশের পরিকল্পিত নগরায়ন, আধুনিক অবকাঠামো উন্নয়ন, নাগরিক সেবার মানোন্নয়ন এবং টেকসই উন্নয়নের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়। এ সময় মন্ত্রী জনগণের প্রত্যাশা পূরণে আন্তরিকতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, নবগঠিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষগুলোর কার্যক্রম দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পরিকল্পিত ও টেকসই উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে এবং নাগরিকদের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মরিয়ম বেগমের দুর্নীতির মহাকাব্য

রাজধানীর জনপদ মোড়ে অবস্থিত স্বনামধন্য ও সুপ্রতিষ্ঠিত যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজকে দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা ও অত্যাচারের সাম্রাজ্যে পরিণত করেছেন বর্তমান  অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মরিয়ম বেগম। দেশের প্রচলিত শিক্ষানীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে তার প্রবর্তিত অনিয়ম, দুর্নীতি , স্বেচ্ছাচারিতা, অত্যাচারিতা, নিজ নিজ খেয়াল - খুশি নীতিতে পরিচালিত হচ্ছে বর্তমান স্কুল এন্ড কলেজটি । তার হিংস্র থাবা থেকে মুক্তি পায়নি স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী , শিক্ষক-শিক্ষিকা , অভিভাবক, পিয়ন - আয়ারা পর্যন্ত । যে কারণে একাধিকবার তার বিরুদ্ধে শিক্ষা মন্ত্রণালয় , জেলা শিক্ষা অফিসে , থানা শিক্ষা অফিসে  অভিযোগ দায়ের করা হয় কিন্তু অদৃশ্য ছায়ার কল্যাণে বারবার তিনি মুক্তি পেয়ে যান । প্রাপ্ত সূত্রে , ১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এ প্রতিষ্ঠানটি সুনামের সহিত দক্ষ অধ্যক্ষ , শিক্ষক-শিক্ষিকা  ও প্রশাসনিক কর্মচারী- কর্মকর্তা  দ্বারা পরিচালিত হয়ে আসছিল । নিম্ন মাধ্যমিক থাকাকালীন ২০০৪ সালে তিনি  সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে উক্ত প্রতিষ্ঠানে যোগদান করেন । কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হল , প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী বা বিধি মোতাবেক নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সহকারি  প্রধান শিক্ষকের কোন পদ থাকে না । তাহলে তিনি কিভাবে এই পদে যোগদান করেন। তার উক্ত পদে যোগদান বিধি মোতাবেক  অবৈধ ও বিতর্কিত । কিন্তু  সুচতুর মরিয়ম বেগম রাজনীতির ছত্রছায়ায় থাকা গুরুত্বপূর্ণ এ বিতর্কিত কর্মকান্ডটি বস্তাবন্দী হয়ে যায় । ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের  নিকট আবেদনের প্রেক্ষিতে বিধি মোতাবেক উন্নতি লাভ করে মাধ্যমিকের রূপান্তরিত  ও ২০১০ সালে মাধ্যমিক বিদ্যালয় হিসেবে এমপিও ভুক্ত হয় । এখানে উল্লেখ্য , একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষকের চাকরির ক্ষেত্রে সরকারি বিধি মোতাবেক এসএসসি সহ সকল পরীক্ষায় নুন্যতম দ্বিতীয় বিভাগে উত্তীর্ণ হতে হয়।  তবে মরিয়ম বেগম ডিগ্রী পরীক্ষায় তৃতীয় বিভাগ উত্তীর্ণ সার্টিফিকেট জমা দিয়েছেন বলে বিদ্যালয়ের সূত্র হতে প্রাপ্ত ।  অভিযোগ থেকে আরো প্রকাশ , তার সকল অপকর্মে সর্বদা সহযোগিতা করেন উচ্চ বিদ্যালয়ের  পিয়ন মুসলেম যিনি অধ্যক্ষের অনেক অনুগত  ও আস্থাভাজন ।  মরিয়ম বেগম নিজেও ২০০৯ হতে ২০১৪ সাল পর্যন্ত দুর্নীতিতে সাব্যস্ত হওয়ায়  বরখাস্ত ছিলেন । আবার যখন পূর্ণবহাল হন তখন তিনি  বিগত দিনের একটি টাকা নিবেন না বলে মুচলেকা দেন । কিন্তু অভ্যাস এত সহজেই যায় না,  বরখাস্ত থেকে উদ্ধারের পর তিনি  নানা ফন্দি - ফিকির  করে ৪০ লক্ষ টাকা আদায় করেন । তার উক্ত দুর্নীতি ও অনিয়মে প্রশ্রয় না দেওয়ায় বিদ্যালয়ের প্রভাতী শাখায় ৬৭ জন , দিবা শাখা ৫৭ জন ও কলেজের ১৮ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা তার হিংস্র থাবায় জর্জরিত হন। উক্ত শিক্ষক - শিক্ষিকারা মাসের পর মাস যাবত বেতন ভাতা পাচ্ছেন না । অথচ তিনি নিয়মিত বেতন ভাতা নিয়ে যাচ্ছেন । বিদ্যালয়ের উত্তর পাশের কিছু জমি এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের জন্য সরকার কর্তৃক অধিগ্রহণ করা হয় । অধিগ্রহণের  ক্ষতিপূরণ বাবত বিদ্যালয় বরাবর চেকের মাধ্যমে যমুনা ব্যাংকের দিলকুশা শাখা, ঢাকা, ২৮-৪ -২২ ইং তারিখে ২ কোটি ও অগ্রণী ব্যাংক গুলশান শাখায় , ঢাকা ,  ১৮-৪-২২ ইং তারিখে  ৫ কোটি ৯০ লাখ ১৭ হাজার  ২৬০ টাকা সরকার কর্তৃক প্রদান করা হয় । কিন্তু এত বিশাল অংকের টাকার হিসাব  তিনি বিদ্যালয়ের শিক্ষক - শিক্ষিকা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দেখাতে পারছেন না । শুধু তাই নয় , চার বছরের সেশন চার্জের টাকা , বিদ্যালয় নিজস্ব জমিতে নির্মিত দোকানের  এডভান্স ও ভাড়া , প্রতিষ্ঠানের পুরাতন মালামাল বিক্রির টাকার কোন হাদিস নেই । উক্ত সকল অভিযোগের ব্যাপারে অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মরিয়ম বেগমের  মুঠো ফোনে একাধিকবার ফোন করা হলো তিনি রিসিভ  করেননি । এ ব্যাপারে সুশীলসমাজ, দেশের শিক্ষার ও বিদ্যালয়ের স্বার্থে মরিয়ম বেগমের যথাযথ শাস্তি হওয়া দরকার বলে মনে করেন ।  দুর্নীতিবাজ এই শিক্ষিকার ব্যাপারে এই প্রতিবেদকের তদন্ত অব্যহত আছে। 

যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মরিয়ম বেগমের দুর্নীতির মহাকাব্য

গুলশান-বাড়িধারা লেকে দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণ পরিকল্পনা নিতে হবে... গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী

গুলশান-বাড়িধারা লেকে দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণ পরিকল্পনা নেয়া হবে বলে মন্তব্য করেছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন। রোববার গুলশান-বাড়িধারা লেকের সার্বিক উন্নয়ন, সৌন্দর্যবর্ধন, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত সভায় তিনি একথা বলেন। সভায় লেকের পানি দূষণ রোধ, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার, নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নয়ন, হাঁটার পথ ও বিনোদন সুবিধা বৃদ্ধি, সবুজায়ন সম্প্রসারণ এবং দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।গুলশান-বাড়িধারা লেক শুধু একটি জলাশয় নয়, এটি রাজধানীর পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং নগরবাসীর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উন্মুক্ত স্থান। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই লেককে আরও সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও প্রাণবন্ত করে গড়ে তোলা সম্ভব।সুন্দর, বাসযোগ্য ও পরিবেশবান্ধব ঢাকা গড়ার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা ও অংশগ্রহণ কামনা করেন।

গুলশান-বাড়িধারা লেকে দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণ পরিকল্পনা নিতে হবে... গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী
৫ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানদের সঙ্গে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রীর বৈঠক

৫ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানদের সঙ্গে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রীর বৈঠক

দেশের ৫ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানদের সঙ্গে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমনের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার সচিবালয়ে কুমিল্লা, ময়মনসিংহ, বরিশাল, রংপুর ও নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যানদের সঙ্গে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহেরের নেতৃত্বে এ গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।বৈঠকে দেশের পরিকল্পিত নগরায়ন, আধুনিক অবকাঠামো উন্নয়ন, নাগরিক সেবার মানোন্নয়ন এবং টেকসই উন্নয়নের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়। এ সময় মন্ত্রী জনগণের প্রত্যাশা পূরণে আন্তরিকতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, নবগঠিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষগুলোর কার্যক্রম দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পরিকল্পিত ও টেকসই উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে এবং নাগরিকদের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

জনগণের সুন্দর জীবনের স্বপ্ন বাস্তবায়নে অবিচল সি চিন পিং

১৯৭৪ সালে, তরুণ সি চিন পিং, শ্যানসি প্রদেশের লিয়াংচিয়াহে গ্রামে চীনা কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগ দেন এবং উত্পাদন ব্রিগেডের সিপিসি সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সে সময় লিয়াংচিয়াহের জমি ছিল অনুর্বর। সম্পাদক হওয়ার পর, তিনি গ্রামের মানুষের সঙ্গে মিলে পলি-ধারণ বাঁধ নির্মাণ করেন। তখন তিনি বলেছিলেন, “এখানে বাঁধ তৈরি হলে সেচযোগ্য জমির পরিমাণ অনেক বেড়ে যাবে; ভবিষ্যতে লিয়াংচিয়াহের প্রজন্মের পর প্রজন্ম এর সুফল ভোগ করবে।”লিয়াংচিয়াহেতে সাত বছরের সময়কালে তিনি গ্রামবাসীদের নিয়ে কূপ খনন, পলি-ধারণ বাঁধ নির্মাণ, টেরেসিং জমি তৈরি, বায়োগ্যাস পুল নির্মাণ এবং লৌহশিল্প সমবায়, বিক্রয়কেন্দ্র ও সেলাই সমবায় প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি গ্রামের মানুষের জন্য বহু কল্যাণকর ও বাস্তব কাজ করেছেন।১৯৮২ সালের মার্চ থেকে ১৯৮৫ সালের মে পর্যন্ত সি চিন পিং, হেপেই প্রদেশের চেংতিং জেলায় সিপিসির উপ-সম্পাদক ও পরে সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সেই সময়ের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, “১৯৮২ সালে আমি স্বেচ্ছায় কেন্দ্রীয় সংস্থা থেকে আবার তৃণমূল পর্যায়ে, জনগণের মাঝে কাজ করতে যাওয়ার আবেদন করি। আমি বলেছিলাম, জনগণকে আমি আমার বাবা-মায়ের মতোই ভালোবাসতে চাই।” তিনি আরও বলেন, তাঁর সবচেয়ে গভীর উপলব্ধি ছিল—সবচেয়ে কঠিন সময়ে জনগণই সবচেয়ে বড় ভরসা। ১৯৮৩ সালে, তত্কালীন চেং তিং জেলায় সিপিসির সম্পাদক হিসেবে সি চিন পিং রাস্তায় অস্থায়ীভাবে একটি টেবিল বসিয়ে সাধারণ মানুষের মতামত শুনছেনসময় বদলেছে, কিন্তু তাঁর আদর্শ বদলায়নি। ২০১৬ সালের পয়লা জুলাই, চীনা কমিউনিস্ট পার্টির ৯৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সাধারণ সম্পাদক সি চিন পিং জোর দিয়ে বলেন, পার্টির সদস্য ও কর্মকর্তাদের “সবসময় জনগণের প্রতি নির্মল ও আন্তরিক মনোভাব বজায় রাখতে হবে।”চীনা কমিউনিস্ট পার্টির ১৮তম জাতীয় কংগ্রেসের পর, সাধারণ সম্পাদক সি চিন পিং পাহাড়-পর্বত অতিক্রম করে, ১৪টি সংলগ্ন দারিদ্র্যপীড়িত অঞ্চলে সফর করেন এবং ৫০ বারেরও বেশি দারিদ্র্যবিমোচন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। “প্রকৃত দারিদ্র্যকে দেখতে হবে” থেকে “প্রকৃত দারিদ্র্যমুক্তি নিশ্চিত করতে হবে”—এই লক্ষ্য নিয়ে তিনি ঐতিহাসিক দায়িত্ব দৃঢ়ভাবে কাঁধে তুলে নেন। তিনি সবসময় বলেন, “গ্রামের মানুষ একদিনও দরিদ্র থাকলে, আমাকে জনগণের কাছে ও ইতিহাসের কাছে জবাবদিহি করতে হবে।”সি চিন পিংকে কেন্দ্র করে গঠিত পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির শক্তিশালী নেতৃত্বে, চীন প্রায় ১০ কোটি মানুষকে দারিদ্র্য থেকে মুক্ত করেছে; মধ্যম মানের সচ্ছল সমাজ গড়ে তুলেছে; এবং বিশ্বের বৃহত্তম শিক্ষাব্যবস্থা, সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা, স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা ও নগর আবাসন সুরক্ষা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেছে। জনগণের জীবনযাত্রার মান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হয়েছে।২০২১ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর, শ্যানসি প্রদেশের মিচি জেলার কাও সি কো গ্রামে পরিদর্শনে যাওয়ার পথে সাধারণ সম্পাদক সি চিন পিং সাময়িকভাবে গাড়ি থেকে নেমে ফসলের বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ করেন এবং মাঠে কাজ করা কৃষকদের সঙ্গে আন্তরিক আলাপ করেন।সাধারণ সম্পাদক সি চিন পিং বলেন, “জনগণই রাষ্ট্রের ভিত্তি। কমিউনিস্ট পার্টি রাষ্ট্র গড়েছে ও রক্ষা করছে—আসলে কী রক্ষা করছে? জনগণের হৃদয়ই রক্ষা করছে।”গত বছরের অক্টোবরে তিনি আবারও জোর দিয়ে বলেন, “প্রাথমিক লক্ষ্য কখনো ভুলে যাওয়া যাবে না, জনগণের অবস্থান থেকে সমস্যা বিবেচনা করতে হবে, উন্নয়নের মধ্য দিয়েই জনকল্যাণ নিশ্চিত ও উন্নত করতে হবে এবং ধাপে ধাপে অভিন্ন সমৃদ্ধি অর্জন করতে হবে।”২০২৬ সাল ‘পঞ্চদশ পাঁচসালা পরিকল্পনা’র সূচনাবর্ষ এবং সিপিসি প্রতিষ্ঠার ১০৫তম বার্ষিকী। এ বছরের জানুয়ারিতে সাধারণ সম্পাদক সি চিন পিং পার্টির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঠিক কর্মদৃষ্টিভঙ্গি প্রতিষ্ঠা ও বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে বলেন, “জনগণের জন্য কাজের সাফল্য অর্জন করতে হবে, বাস্তব কর্মের মাধ্যমে সাফল্য অর্জন করতে হবে।” ২০২৪ সালের ৩ এপ্রিল, রাজধানীতে স্বেচ্ছামূলক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে সাধারণ সম্পাদক সি চিন পিং কিশোর-কিশোরীদের সঙ্গে আন্তরিকভাবে কথা বলেন এবং তাদের অধ্যবসায়ের সঙ্গে পড়াশোনা, শরীরচর্চা, সুস্থ বিকাশ ও নৈতিকতা, বুদ্ধিমত্তা, শারীরিক সক্ষমতা, নান্দনিকতা এবং শ্রম—সব ক্ষেত্রে উন্নতির মাধ্যমে দেশের যোগ্য স্তম্ভ হয়ে ওঠার আহ্বান জানানতিনি বলেন, “এতো বড় একটি দেশের দায়িত্ব অত্যন্ত ভারী, কাজও অত্যন্ত কঠিন। আমি নিজেকে ভুলে গিয়ে জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ থাকতে চাই। জনগণ যা ভাবছে তা ভাবতে হবে, জনগণ যা প্রত্যাশা করে তা বাস্তবায়ন করতে হবে এবং জনগণের সুন্দর জীবনের আকাঙ্ক্ষাকে ক্রমাগত বাস্তবে রূপ দিতে হবে।” এসব বক্তব্য জনগণের প্রতি এক মহান নেতার গভীর ভালোবাসা এবং শতবর্ষী রাজনৈতিক দলের জনগণকেন্দ্রিক চেতনাকেই প্রতিফলিত করে। সূত্র: শিশির-আলিম-আকাশ,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ পরিবারের সদস্যকে ছাত্রদলের সহ-সভাপতি পদ দেওয়ায় তীব্র বিতর্ক

নরসিংদী জেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণার পর থেকেই সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে সহ-সভাপতি পদ পাওয়া নাইমুর রহমান মাসুমের নাম। স্থানীয় নেতাকর্মী ও বিভিন্ন সূত্রের দাবি, তার পরিবারের একাধিক সদস্য দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত থাকলেও তাকে ছাত্রদলের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় তৃণমূল বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।রায়পুরা থানা কৃষক ধলের যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল রোব সরকার ও রায়পুরা থানা কৃষক ধলের যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল রোব সরকার বলেন, মাসুমের ছোট ভাই জিসান মির্জানগর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সেক্রেটারি পদে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তার চাচা মুকুল উদ্দিন রায়পুরা থানা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ সম্পাদক হিসেবে সক্রিয় রয়েছেন। মাসুমের মা অতীতে উত্তর মির্জানগর ভোটকেন্দ্রে আওয়ামী লীগের এজেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। শুধু তাই নয়, নৌকা প্রতীকের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা ও মিছিলেও তাকে অংশ নিতে দেখা গেছে।এমন রাজনৈতিক পটভূমির একজনকে ছাত্রদলের গুরুত্বপূর্ণ পদে অন্তর্ভুক্ত করাকে “অত্যন্ত উদ্বেগজনক” বলে মনে করছেন বিএনপির ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীরা। তাদের প্রশ্ন, “যাদের পরিবারের সদস্যরা প্রকাশ্যে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত, তারা কীভাবে ছাত্রদলের নেতৃত্বে আসে?”তৃণমূল নেতাকর্মীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করা ত্যাগী কর্মীদের মূল্যায়ন না করে বিতর্কিত ব্যক্তিদের নেতৃত্বে আনা হলে সংগঠনের আদর্শিক অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়বে। এতে ভবিষ্যতে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনগুলো সাংগঠনিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন তারা।নেতাকর্মীরা অবিলম্বে বিষয়টি তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তারা বলেন, “দলের দুঃসময়ে যারা মাঠে ছিল, তাদের বাদ দিয়ে সুবিধাবাদীদের নেতৃত্বে আনা হলে সেটি সংগঠনের জন্য অশনিসংকেত হয়ে দাঁড়াবে।”এ বিষয়ে নাইমুর রহমান মাসুম বা সংশ্লিষ্ট নেতাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

১২ জুন ২০২৬, ০৭:৩৬ পিএম
অর্থমন্ত্রী-গভর্নর
র‍্যাব-পুলিশ দিয়ে মূল্যবৃদ্ধি ঠেকানো যাবে না, বেতন বাড়লে কমবে দুর্নীতি। আপনি কি তাই মনে করেন?

অর্থমন্ত্রী-গভর্নর র‍্যাব-পুলিশ দিয়ে মূল্যবৃদ্ধি ঠেকানো যাবে না, বেতন বাড়লে কমবে দুর্নীতি। আপনি কি তাই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

পবায় প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত

রাজশাহীর পবা উপজেলায় ২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলকে সামনে রেখে এক ব্যতিক্রমী ও উৎসবমুখর প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ১২ জুন (শুক্রবার) স্থানীয় সবসার উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এই ফুটবল লড়াই অনুষ্ঠিত হয়।বিশ্বকাপের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দল আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল সমর্থকদের উন্মাদনাকে মাঠের লড়াইয়ে রূপ দিতে এই ম্যাচের আয়োজন করেন স্থানীয় ক্রীড়ামোদী তরুণরা। খেলায় মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে নামে— 'বড় আমগাছী আর্জেন্টিনা সমর্থক দল' বনাম 'বড় আমগাছী ব্রাজিল সমর্থক দল'।উক্ত ফুটবল ম্যাচে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক কে এইচ রানা শেখ। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বড়গাছী ইউনিয়ন যুবদল নেতা মোঃ বাবুল হোসেন। এমতাবস্থায় উপস্থিত নওহাটা পৌরসভা স্বেচ্ছাসেবক  দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ সম্রাট আলী।বিশ্বকাপের এই চিরপরিচিত দ্বৈরথকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই সবসার উচ্চ বিদ্যালয় এলাকাসহ পুরো পবা জুড়ে এক উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। দুই দলের সমর্থকরাই তাদের প্রিয় দলের জার্সি পরে মাঠে এসে খেলোয়াড়দের অনুপ্রাণিত করেন।আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, খেলাটি অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। এলাকার সর্বস্তরের ফুটবলপ্রেমী ও সাধারণ দর্শক মাঠে উপস্থিত থেকে এই জমজমাট ম্যাচটি উপভোগ করেন।

যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মরিয়ম বেগমের দুর্নীতির মহাকাব্য

যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মরিয়ম বেগমের দুর্নীতির মহাকাব্য

রাজধানীর জনপদ মোড়ে অবস্থিত স্বনামধন্য ও সুপ্রতিষ্ঠিত যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজকে দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা ও অত্যাচারের সাম্রাজ্যে পরিণত করেছেন বর্তমান  অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মরিয়ম বেগম। দেশের প্রচলিত শিক্ষানীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে তার প্রবর্তিত অনিয়ম, দুর্নীতি , স্বেচ্ছাচারিতা, অত্যাচারিতা, নিজ নিজ খেয়াল - খুশি নীতিতে পরিচালিত হচ্ছে বর্তমান স্কুল এন্ড কলেজটি । তার হিংস্র থাবা থেকে মুক্তি পায়নি স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী , শিক্ষক-শিক্ষিকা , অভিভাবক, পিয়ন - আয়ারা পর্যন্ত । যে কারণে একাধিকবার তার বিরুদ্ধে শিক্ষা মন্ত্রণালয় , জেলা শিক্ষা অফিসে , থানা শিক্ষা অফিসে  অভিযোগ দায়ের করা হয় কিন্তু অদৃশ্য ছায়ার কল্যাণে বারবার তিনি মুক্তি পেয়ে যান । প্রাপ্ত সূত্রে , ১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এ প্রতিষ্ঠানটি সুনামের সহিত দক্ষ অধ্যক্ষ , শিক্ষক-শিক্ষিকা  ও প্রশাসনিক কর্মচারী- কর্মকর্তা  দ্বারা পরিচালিত হয়ে আসছিল । নিম্ন মাধ্যমিক থাকাকালীন ২০০৪ সালে তিনি  সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে উক্ত প্রতিষ্ঠানে যোগদান করেন । কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হল , প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী বা বিধি মোতাবেক নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সহকারি  প্রধান শিক্ষকের কোন পদ থাকে না । তাহলে তিনি কিভাবে এই পদে যোগদান করেন। তার উক্ত পদে যোগদান বিধি মোতাবেক  অবৈধ ও বিতর্কিত । কিন্তু  সুচতুর মরিয়ম বেগম রাজনীতির ছত্রছায়ায় থাকা গুরুত্বপূর্ণ এ বিতর্কিত কর্মকান্ডটি বস্তাবন্দী হয়ে যায় । ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের  নিকট আবেদনের প্রেক্ষিতে বিধি মোতাবেক উন্নতি লাভ করে মাধ্যমিকের রূপান্তরিত  ও ২০১০ সালে মাধ্যমিক বিদ্যালয় হিসেবে এমপিও ভুক্ত হয় । এখানে উল্লেখ্য , একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষকের চাকরির ক্ষেত্রে সরকারি বিধি মোতাবেক এসএসসি সহ সকল পরীক্ষায় নুন্যতম দ্বিতীয় বিভাগে উত্তীর্ণ হতে হয়।  তবে মরিয়ম বেগম ডিগ্রী পরীক্ষায় তৃতীয় বিভাগ উত্তীর্ণ সার্টিফিকেট জমা দিয়েছেন বলে বিদ্যালয়ের সূত্র হতে প্রাপ্ত ।  অভিযোগ থেকে আরো প্রকাশ , তার সকল অপকর্মে সর্বদা সহযোগিতা করেন উচ্চ বিদ্যালয়ের  পিয়ন মুসলেম যিনি অধ্যক্ষের অনেক অনুগত  ও আস্থাভাজন ।  মরিয়ম বেগম নিজেও ২০০৯ হতে ২০১৪ সাল পর্যন্ত দুর্নীতিতে সাব্যস্ত হওয়ায়  বরখাস্ত ছিলেন । আবার যখন পূর্ণবহাল হন তখন তিনি  বিগত দিনের একটি টাকা নিবেন না বলে মুচলেকা দেন । কিন্তু অভ্যাস এত সহজেই যায় না,  বরখাস্ত থেকে উদ্ধারের পর তিনি  নানা ফন্দি - ফিকির  করে ৪০ লক্ষ টাকা আদায় করেন । তার উক্ত দুর্নীতি ও অনিয়মে প্রশ্রয় না দেওয়ায় বিদ্যালয়ের প্রভাতী শাখায় ৬৭ জন , দিবা শাখা ৫৭ জন ও কলেজের ১৮ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা তার হিংস্র থাবায় জর্জরিত হন। উক্ত শিক্ষক - শিক্ষিকারা মাসের পর মাস যাবত বেতন ভাতা পাচ্ছেন না । অথচ তিনি নিয়মিত বেতন ভাতা নিয়ে যাচ্ছেন । বিদ্যালয়ের উত্তর পাশের কিছু জমি এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের জন্য সরকার কর্তৃক অধিগ্রহণ করা হয় । অধিগ্রহণের  ক্ষতিপূরণ বাবত বিদ্যালয় বরাবর চেকের মাধ্যমে যমুনা ব্যাংকের দিলকুশা শাখা, ঢাকা, ২৮-৪ -২২ ইং তারিখে ২ কোটি ও অগ্রণী ব্যাংক গুলশান শাখায় , ঢাকা ,  ১৮-৪-২২ ইং তারিখে  ৫ কোটি ৯০ লাখ ১৭ হাজার  ২৬০ টাকা সরকার কর্তৃক প্রদান করা হয় । কিন্তু এত বিশাল অংকের টাকার হিসাব  তিনি বিদ্যালয়ের শিক্ষক - শিক্ষিকা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দেখাতে পারছেন না । শুধু তাই নয় , চার বছরের সেশন চার্জের টাকা , বিদ্যালয় নিজস্ব জমিতে নির্মিত দোকানের  এডভান্স ও ভাড়া , প্রতিষ্ঠানের পুরাতন মালামাল বিক্রির টাকার কোন হাদিস নেই । উক্ত সকল অভিযোগের ব্যাপারে অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মরিয়ম বেগমের  মুঠো ফোনে একাধিকবার ফোন করা হলো তিনি রিসিভ  করেননি । এ ব্যাপারে সুশীলসমাজ, দেশের শিক্ষার ও বিদ্যালয়ের স্বার্থে মরিয়ম বেগমের যথাযথ শাস্তি হওয়া দরকার বলে মনে করেন ।  দুর্নীতিবাজ এই শিক্ষিকার ব্যাপারে এই প্রতিবেদকের তদন্ত অব্যহত আছে। 

রাজধানীতে মানবাধিকার ও গণমাধ্যম কর্মীদের মাঝে সাদা সম্মাননা প্রদান

এশিয়া ছিন্নমূল মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে / রাজধানীতে মানবাধিকার ও গণমাধ্যম কর্মীদের মাঝে সাদা সম্মাননা প্রদান

এশিয়া ছিন্নমূল মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে রাজধানীতে মানবাধিকার ও গণমাধ্যম কর্মীদের মাঝে সাদা সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। রোববার সংগঠনটি চাঞ্চল্যকর অপরাধ প্রতিরোধে প্রশাসন ও গণমাধ্যমের ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা, গুণীজনদের সম্মাননা প্রদান ও মানবাধিকার কর্মীদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। রাজধানীর বাংলাদেশ শিশুকল্যাণ পরিষদে এ অনুষ্ঠানে মানবাধিকার ও গণমাধ্যম কর্মীদের মাঝে সাদা সম্মাননা  প্রদান করেছে এশিয়া ছিন্নমূল মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশন। সংগঠনের কেন্দ্রিয় চেয়ারম্যান মোঃ দুলাল মিয়ার সভাপতিত্বে সিনিয়র সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ দেলোয়ার হোসেন এর সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট লেখক, সাহিত্যিক সাবেক তথ্য ও সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ দীদার বখত। তিনি বলেন, আজকের প্রজন্ম জেগে উঠেছে, দেশের উন্নয়নে প্রেসক্লাব ইউনিটি ও হোসাইনিয়া পাক দরবার শরীফ আত্মনিবেদিত হয়ে বিশ্বমন্ডলে শান্তি কামনায় সম্মিলিত প্রচেষ্টা জাগ্রত করার আহ্বান জানান। সুপ্রিম কোর্ট সিনিয়র আইনজীবী লতিফুর রহমান সম্মিলিত মানবাধিকার কর্মীদের শপথ বাক্য পাঠ করান। ওয়ার্ল্ড মিডিয়া প্রেসক্লাব এর নতুন কমিটিকে সাথে নিয়ে ডা মাঈনুদ্দীন স্বেচ্ছাশ্রমে সাংবাদিকতা ও মানবাধিকার কাজে সম্পৃক্ত হতে ফুলেল শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন। উদ্ভাধনী আলোচনায় কেন্দ্রীয় প্রধান নির্বাহী পরিচালক ইন্জিনিয়র এম সোহেল আহমদ বলেন, দীর্ঘ সময়ে সংগঠনের সাথে রয়েছি, কখনো দায়িত্ব পালনে বিচলিত হইনি, আমৃত্যু আপনাদের পাশে থাকব ইনশাল্লাহ। এ সময় ঢাকা বিভাগীয় শাখা কমিটির নেতৃবৃন্দ তাদের হাততালিতে শুভেচ্ছা জানান। কেন্দ্রীয় সদস্য মোঃ শহীদুল ইসলাম, ফারুক আহমেদ মজুমদার, আনজার শাহ,আবু আহাদ আল মাহমুদ দীপু মীর, আলমগীর ওয়েচী, মোঃ জাকির হোসেন, আনছারুল হক, মোঃ শাকিল হাওলাদার স্বাধীন, বীরমুক্তিযোদ্ধা আমিনুল হক ভূঁইয়া, তাছলিমা আক্তার লিজা, হাসুরা বেগম, মোঃ মানিক মিয়া, ফুল চান্দ বাবু,নূরে আলম,নাছির উদ্দিন পলাশ,আহম উল্যাহ, কাজী নূরুল আজিম, মোঃ আবু সালেক ভূঁইয়া, এম জি বাবর ও  আবদুল কুদ্দুস প্রমুখ। সংগঠনের সাদা মনের সাদা সম্মাননা ১০ গুণীজনদের প্রদান শেষে সংগঠনের শুভাকাঙ্ক্ষীদের স্মরণ  ও জাতীর শান্তি কামনায় মিলাদ ও দোয়া কামনা করা হয়।

জনবল সংকটে ধুঁকছে মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছে না রোগীরা

জনবল সংকটে ধুঁকছে মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছে না রোগীরা

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দীর্ঘদিন ধরে চলমান জনবল সংকট, চিকিৎসক ও টেকনিশিয়ানের অভাব এবং অবকাঠামোগত সমস্যার কারণে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ২২টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত প্রায় ৬ লাখ মানুষের এই বৃহৎ উপজেলার একমাত্র সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র বর্তমানে নানা সংকটে জর্জরিত।হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অনুমোদিত জনবলের সংখ্যা ২৮২ জন হলেও বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন মাত্র ১৭৩ জন। ফলে ১০৯টি পদ শূন্য রয়েছে। অনুমোদিত ১০ জন কনসালটেন্টের মধ্যে কর্মরত আছেন মাত্র ৫ জন এবং ৪৫ জন মেডিকেল অফিসারের বিপরীতে দায়িত্ব পালন করছেন মাত্র ২৩ জন। এছাড়া কয়েকজন চিকিৎসক বিনা অনুমতিতে অনুপস্থিত থাকায় এবং কয়েকজন প্রেষণে অন্যত্র কর্মরত থাকায় সংকট আরও তীব্র হয়েছে।* ১০৯ টি পদ শুন্য।*চিকিৎসক-নার্সের ঘাটতি।*বন্ধ এক্স-রে সেবা।* প্রতিদিন ভোগান্তিতে শত শত রোগী।নার্সিং সেবাতেও রয়েছে বড় ধরনের ঘাটতি। অনুমোদিত ৪২ জন নার্সের মধ্যে কর্মরত আছেন ২৮ জন। তৃতীয় শ্রেণির ১৫৬টি পদের বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন ১০২ জন এবং চতুর্থ শ্রেণির ২৯টি পদের বিপরীতে মাত্র ১৪ জন কর্মচারী দায়িত্ব পালন করছেন।জনবল সংকটের সরাসরি প্রভাব পড়েছে হাসপাতালের গুরুত্বপূর্ণ সেবাগুলোতে। নিরাপত্তাকর্মী রয়েছেন মাত্র একজন এবং পরিচ্ছন্নতাকর্মী আছেন দুইজন। ফলে বিশাল হাসপাতাল চত্বর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এক্স-রে টেকনিশিয়ানের অভাবে দীর্ঘদিন ধরে এক্স-রে সেবা কার্যত বন্ধ রয়েছে। একইভাবে প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় অপারেশন থিয়েটারের কার্যক্রমও সীমিত হয়ে পড়েছে। হাসপাতালে আল্ট্রাসনোগ্রাম মেশিন থাকলেও দক্ষ টেকনিশিয়ানের অভাবে রোগীরা সেই সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এত বড় একটি উপজেলার স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা এভাবে চলতে পারে না। দ্রুত শূন্য পদ পূরণ এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত উন্নয়ন না হলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়বে।এদিকে হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য পর্যাপ্ত আবাসন সুবিধাও নেই। বিদ্যমান আবাসন ভবনগুলো দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রায় দুই বছর আগে আবেদন করা হলেও এখনো কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ফলে পরিত্যক্ত ভবনগুলো হাসপাতাল চত্বরে অপরিচ্ছন্ন ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি করছে।হাসপাতাল সূত্র জানায়, প্রতিদিন গড়ে ৭০০ থেকে ৮০০ রোগী চিকিৎসাসেবা নিতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসেন। কিন্তু সীমিত জনবল নিয়ে তাদের কাঙ্ক্ষিত সেবা নিশ্চিত করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষকে।উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নুসরাত জাহান বলেন, “প্রয়োজনীয় জনবলের অভাবে সঠিকভাবে স্বাস্থ্যসেবা দিতে আমাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। শূন্য পদ পূরণসহ বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে একাধিকবার চিঠি দেওয়া হয়েছে। তবে এখনো কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।”এ বিষয়ে কুমিল্লার সিভিল সার্জন ডা. আলী নূর মোহাম্মদ বশির আহমেদ বলেন, “সরকার স্বাস্থ্য খাতে ৫ হাজার চিকিৎসক, নার্সসহ প্রায় এক লাখ জনবল নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে। আশা করছি আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে জনবল সংকট অনেকাংশে দূর হবে এবং স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নত হবে।”মুরাদনগরবাসীর দাবি, দ্রুত শূন্য পদে নিয়োগ, অচল সেবাগুলো পুনরায় চালু এবং আবাসন সংকট নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হলে উপজেলার লাখো মানুষ মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হতে থাকবে।

মে মাসে ১২হাজার রুগী স্বাস্থ্য সেবা নিয়েছেন বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে

মে মাসে ১২হাজার রুগী স্বাস্থ্য সেবা নিয়েছেন বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে

শুধু এক মাসেই ১২হাজার রুগী সেবা নিয়েছেন বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। হয়েছে ১২টি অপারেশন ও ৩৫টি নরমাল ডেলিভারি।সম্প্রতি কুমিল্লার বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন এমপির নির্দেশনায় বরুড়ার স্বাস্থ্যসেবা মান অনেকটাই উন্নত হচ্ছে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেবার মান, খাবার মান, বিদ্যুৎ সমস্যা, এম্বুলেন্স চালকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ আমলে নিয়ে গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রীর পরামর্শে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: মোহাম্মদ সাজেদুর রহমান স্বাস্থ্য সেবার মান উন্নত করতে নিরলস কাজ করছেন।তারই ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের মে মাসে বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আউটডোর এ ১১ হাজার ৩১১, জরুরি বিভাগে ৬৫৩ জন ও ভর্তি হয়ে ৪০০ রুগী সেবা গ্রহণ করেন। এছাড়া এসময়ে ১২ জন রুগীর বিভিন্ন অপারেশন, ৩৫ জন প্রসূতির নরমাল ডেলিভারি, ১৪৮জন রুগীকে এক্সরে, ১২১ জন রুগীকে ইসিজি, ১৬৫ জন রুগীকের আল্ট্র, একহাজার ৫০ জন রুগীকে প্যাথলজি ও ২১ টি এম্বুলেন্স সেবা দেয়া হয়।উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: মোহাম্মদ সাজেদুর রহমান বলেন, বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ক্যানসার স্কেনিং ও চক্ষু সেবার জন্য আধুনিক যন্ত্রপাতি রয়েছে। তিনি আরও বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে বরুড়ার সকল মানুষ এসকল সেবা বিনা মূল্যে নিতে পরাবেন। ২৪ ঘন্টা ইসিজি ও অফিস সময়ে অন্যান্য সেবা চালু রয়েছে। 

বরুড়ার সোনাইমুড়ী ২০ শয্যা হাসপাতালকে এ কে এম আবু তাহের এর  নামে’ ঘোষণা!

বরুড়ার সোনাইমুড়ী ২০ শয্যা হাসপাতালকে এ কে এম আবু তাহের এর নামে’ ঘোষণা!

বরুড়া উপজেলার সোনাইমুড়ী ২০ শয্যা হাসপাতালের নাম পরিবর্তন করে “এ কে এম আবু তাহের ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল” নামকরণের সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এ খবরে এলাকাবাসীর মধ্যে সন্তোষ প্রকাশের পাশাপাশি দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা হাসপাতালটি দ্রুত চালু করে সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার দাবি জোরালো হয়েছে।জানা যায়, মরহুম সংসদ সদস্য এ কে এম আবু তাহের ২০০১ সালে ক্ষমতায় থাকাকালীন সময় ব্যক্তিগত উদ্যোগে হাসপাতালটির জন্য জমি ক্রয় করে প্রদান করেন এবং হসপিটাল টি টেন্ডার করে কাজ শুরু করেন। ২০০৪ সালে তিনি মারা গেলে তার ছেলে বর্তমান গৃহায়ণ গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন উপ নির্বাচনে এমপি হন। পরবতী সরকার এসে কাজটি এগিয়ে না নেয়ার কারনে আলোর মুখ দেখেনি হসপিটাল টি।  যদিও প্রথমদিকে ২০০০ সালের দিকে পয়ালগাছা এলাকায় ২০ শয্যা হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনা ছিল তৎকালীন সরকারের মহিলা এমপি অধ্যাপিকা পান্না কায়সারের। পরবর্তীতে সেই স্থানে বর্তমানে একটি সরকারি টেকনিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং হাসপাতালটি সোনাইমুড়ী এলাকায় স্থানান্তরিত হয়ে নির্মিত হয়।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০৫ কিংবা ২০০৬ সালের দিকে হাসপাতালটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলেও নানা কারণে এটি আজও পূর্ণাঙ্গভাবে চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি। যদি ও এ হসপিটাল এর নামে ডাক্তার নিয়োগ রয়েছে।  অন্যান্য কর্মচারী নিয়োগ নেই।  ডাক্তাররা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এটাচম্যান্টে যোগদান করেন।  ফলে দীর্ঘ দুই দশক ধরে এলাকার মানুষ প্রত্যাশিত স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। এখনো আলোর মুখ দেখেনি এ হসপিটাল টি।আজ ৯ জুন ২৬ ইং  হাসপাতালটির নাম পরিবর্তন করে মরহুম এ কে এম আবু তাহেরের নামে সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি হওয়ায় নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে। এলাকাবাসীর বিশ্বাস, নামকরণের এই উদ্যোগের মাধ্যমে দীর্ঘদিন অবহেলিত হাসপাতালটি দ্রুত চালু হবে এবং বরুড়া উপজেলার দক্ষিণাঞ্চলের হাজার হাজার মানুষ আধুনিক চিকিৎসাসেবা পাওয়ার সুযোগ পাবে।স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, হাসপাতালটি দ্রুত চালু করা গেলে স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে এবং মরহুম এ কে এম আবু তাহেরের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের যথাযথ মূল্যায়ন হবে। গৃহায়ণ গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন এমপি আপ্রাণ চেষ্টার এ হসপিটাল টির আলোর মুখ দেখায় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা তাঁকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন।এ বিষয় উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সাজেদুর রহমান বলেন, কিছু জনবল নিয়োগ ও যন্ত্রপাতি ফেলে দ্রুত হসপিটাল টি চালু করা যাবে। মাননীয় গৃহায়ণ গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন স্যার কে এ বিষয় অবহিত করেছি।উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসাদুজ্জামান রনি বলেন, আজ ও হসপিটাল টি ভিজিট করেছি। ভবন আছে, লোকবল নেই। আশা করি দ্রুত এ বিষয় সমাধান হয়ে হসপিটাল টি চালু হবে।

বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তারদের অবহেলায় চিকিৎসা সেবা হচ্ছে ব্যাহত

বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তারদের অবহেলায় চিকিৎসা সেবা হচ্ছে ব্যাহত

কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার পাঁচ লক্ষাধিক মানুষের একমাত্র সরকারি হসপিটাল বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তারদের অবহেলায় স্বাস্থ্য সেবা মারাত্মক ভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ‎সকাল আটটা থেকে দুপুর দুইটা পর্যন্ত  হাসপাতালের আউটডোরের চেম্বারে উপস্থিত থেকে চিকিৎসা দেওয়ার কথা থাকলেও সকাল দশটার সময়ও অনেক চিকিৎসক থাকেন অনুপস্থিত। সরেজমিনে সকাল দশটায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গাইনী ও অবস কনসালটেন্ট ডাঃ শাহনাজ বেগমের চেম্বারের সামনে গিয়ে দেখা যায় প্রচুর নারী রোগী দাঁড়িয়ে আছেন সেবা গ্রহনের জন্য ডাক্তার চেম্বারে নেই, এছাড়াও এ সময় অনেক মেডিকেল অফিসারের কক্ষে গিয়ে দেখা যায় যে সকল ডাক্তারদের চেম্বারের সামনেই রোগী দাঁড়িয়ে আছেন কিন্তু ডাক্তারগন চেম্বারে নেই।‎এ সময় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রধান ডাঃ সাজেদুর রহমান কে মুঠো ফোনে কল দিলে তিনি জানান তিনি ৪র্থ তলায় আছেন, কল পাওয়ার পর পর তিনি দ্বিতীয় তলায় ও নিচ তলায় গিয়ে বিভিন্ন রুম ঘুরে দেখেন এবং সাংবাদিকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন। এ সময় সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে সকল ডাক্তার গন দ্রুত চেম্বারে এসে রোগী দেখা শুরু করেন।‎এ বিষয়ে বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রধান ডাক্তার সাজেদুর রহমান বলেন, যারা নির্ধারিত সময়ে হাসপাতালে আসেন নি তাদের কে কারণ দর্শানোর চিঠি দেওয়া হয়েছে এবং সকল আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান।‎এ বিষয়ে কুমিল্লা সিভিল সার্জন ডাঃ আলীনূর মুহাম্মদ বশির আহমেদ প্রতিবেদক কে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন সকল কথা শুনেন এবং যারা সময় মতো হাসপাতালে আসেন না তাদের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে জানান।‎

জনবল সংকটে ধুঁকছে মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছে না রোগীরা

জনবল সংকটে ধুঁকছে মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছে না রোগীরা

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দীর্ঘদিন ধরে চলমান জনবল সংকট, চিকিৎসক ও টেকনিশিয়ানের অভাব এবং অবকাঠামোগত সমস্যার কারণে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ২২টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত প্রায় ৬ লাখ মানুষের এই বৃহৎ উপজেলার একমাত্র সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র বর্তমানে নানা সংকটে জর্জরিত।হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অনুমোদিত জনবলের সংখ্যা ২৮২ জন হলেও বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন মাত্র ১৭৩ জন। ফলে ১০৯টি পদ শূন্য রয়েছে। অনুমোদিত ১০ জন কনসালটেন্টের মধ্যে কর্মরত আছেন মাত্র ৫ জন এবং ৪৫ জন মেডিকেল অফিসারের বিপরীতে দায়িত্ব পালন করছেন মাত্র ২৩ জন। এছাড়া কয়েকজন চিকিৎসক বিনা অনুমতিতে অনুপস্থিত থাকায় এবং কয়েকজন প্রেষণে অন্যত্র কর্মরত থাকায় সংকট আরও তীব্র হয়েছে।* ১০৯ টি পদ শুন্য।*চিকিৎসক-নার্সের ঘাটতি।*বন্ধ এক্স-রে সেবা।* প্রতিদিন ভোগান্তিতে শত শত রোগী।নার্সিং সেবাতেও রয়েছে বড় ধরনের ঘাটতি। অনুমোদিত ৪২ জন নার্সের মধ্যে কর্মরত আছেন ২৮ জন। তৃতীয় শ্রেণির ১৫৬টি পদের বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন ১০২ জন এবং চতুর্থ শ্রেণির ২৯টি পদের বিপরীতে মাত্র ১৪ জন কর্মচারী দায়িত্ব পালন করছেন।জনবল সংকটের সরাসরি প্রভাব পড়েছে হাসপাতালের গুরুত্বপূর্ণ সেবাগুলোতে। নিরাপত্তাকর্মী রয়েছেন মাত্র একজন এবং পরিচ্ছন্নতাকর্মী আছেন দুইজন। ফলে বিশাল হাসপাতাল চত্বর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এক্স-রে টেকনিশিয়ানের অভাবে দীর্ঘদিন ধরে এক্স-রে সেবা কার্যত বন্ধ রয়েছে। একইভাবে প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় অপারেশন থিয়েটারের কার্যক্রমও সীমিত হয়ে পড়েছে। হাসপাতালে আল্ট্রাসনোগ্রাম মেশিন থাকলেও দক্ষ টেকনিশিয়ানের অভাবে রোগীরা সেই সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এত বড় একটি উপজেলার স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা এভাবে চলতে পারে না। দ্রুত শূন্য পদ পূরণ এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত উন্নয়ন না হলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়বে।এদিকে হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য পর্যাপ্ত আবাসন সুবিধাও নেই। বিদ্যমান আবাসন ভবনগুলো দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রায় দুই বছর আগে আবেদন করা হলেও এখনো কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ফলে পরিত্যক্ত ভবনগুলো হাসপাতাল চত্বরে অপরিচ্ছন্ন ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি করছে।হাসপাতাল সূত্র জানায়, প্রতিদিন গড়ে ৭০০ থেকে ৮০০ রোগী চিকিৎসাসেবা নিতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসেন। কিন্তু সীমিত জনবল নিয়ে তাদের কাঙ্ক্ষিত সেবা নিশ্চিত করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষকে।উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নুসরাত জাহান বলেন, “প্রয়োজনীয় জনবলের অভাবে সঠিকভাবে স্বাস্থ্যসেবা দিতে আমাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। শূন্য পদ পূরণসহ বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে একাধিকবার চিঠি দেওয়া হয়েছে। তবে এখনো কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।”এ বিষয়ে কুমিল্লার সিভিল সার্জন ডা. আলী নূর মোহাম্মদ বশির আহমেদ বলেন, “সরকার স্বাস্থ্য খাতে ৫ হাজার চিকিৎসক, নার্সসহ প্রায় এক লাখ জনবল নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে। আশা করছি আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে জনবল সংকট অনেকাংশে দূর হবে এবং স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নত হবে।”মুরাদনগরবাসীর দাবি, দ্রুত শূন্য পদে নিয়োগ, অচল সেবাগুলো পুনরায় চালু এবং আবাসন সংকট নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হলে উপজেলার লাখো মানুষ মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হতে থাকবে।