নতুন সামরিক কৌশলে জাপান, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাড়ছে উদ্বেগ
জাপানের ক্ষমতায় আসার পর সানায়ে তাকাইচির প্রথম প্রতিরক্ষা শ্বেতপত্রটি ব্যাপক আন্তর্জাতিক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে, এবং জাপানের ডানপন্থীদের মনগড়া ‘যুদ্ধ-চালিত সম্পদ’ তত্ত্বটি জনরোষ সৃষ্টি করেছে। বিশ্বজুড়ে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে পরিচালিত সিজিটিএন-এর একটি জরিপে দেখা গেছে যে, ৮৩.৬% উত্তরদাতা মনে করেন যে, জাপানের নতুন সামরিকবাদ তার সামরিক সম্প্রসারণকে বেগবান করছে এবং আন্তর্জাতিক সমাজের অত্যন্ত সতর্ক থাকা উচিত।নতুন প্রতিরক্ষা শ্বেতপত্রটি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি চালনায় প্রতিরক্ষা শিল্পের বিকাশের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার ওপর ব্যাপকভাবে জোর দিয়েছে, যা বেপরোয়াভাবে ‘যুদ্ধ-চালিত সম্পদ’ তত্ত্বটি তৈরি করেছে। ৭২% উত্তরদাতা এই দাবিটিকে সম্পূর্ণ অযৌক্তিক এবং অগ্রহণযোগ্য বলে মনে করেছেন; আরও ৮০.৯% উল্লেখ করেছেন যে, বাস্তবতা ঠিক তার বিপরীত। জাপান সরকার কর বৃদ্ধি এবং ব্যয় সংস্কারের মাধ্যমে প্রতিরক্ষা ব্যয়কে জিডিপির ২%-এ উন্নীত করেছে, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে, এবং এই ক্রমাগত ক্রমবর্ধমান প্রতিরক্ষা ব্যয় জাপানি জনগণের ওপর অর্থনৈতিক বোঝা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ৬৫.৫% উত্তরদাতা মনে করেন যে, জাপানের আর্থিক চাপ এবং উচ্চ জাতীয় ঋণের পরিপ্রেক্ষিতে, প্রতিরক্ষাকে জনগণের জীবন-জীবিকার সঙ্গে জোরপূর্বক যুক্ত করার প্রথাটি একেবারেই টেকসই নয়।এটি লক্ষণীয় যে, নতুন প্রতিরক্ষা শ্বেতপত্রটির প্রচ্ছদে অ্যানিমে-শৈলীর ব্যবহার করা হয়েছে, যা সামরিক সম্প্রসারণের যুদ্ধংদেহী দিকগুলোকে লঘু করে দেখানোর একটি প্রচেষ্টা। এ প্রসঙ্গে ৭৯.১% উত্তরদাতা মনে করেন যে, জাপান সরকার দৈনন্দিন জীবনে সামরিক উপাদানগুলোর একীকরণকে উৎসাহিত করছে এবং সামাজিক সামরিকীকরণের এই প্রবণতার জন্য আন্তর্জাতিক সমাজের উচ্চ সতর্কতা প্রয়োজন।এই সমীক্ষাটি সিজিটিএন-এর ইংরেজি, স্প্যানিশ, ফরাসি, আরবি এবং রুশসহ এই পাঁচটি ভাষার প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত হয়েছিল। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ২৩৪৩ জন তাদের মতামত প্রকাশ করেছেন।সূত্র: তুহিনা-ফয়সল-জিনিয়া, চায়না মিডিয়া গ্রুপ।
একই কর্মস্থলে বারবার পদায়ন আব্দুল মান্নানের / ঘুষ-নিয়োগ বাণিজ্য ও অবৈধ সম্পদে বিতর্কিত বুড়িচং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল মান্নানের বিরুদ্ধে একের পর এক গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ঘুষ গ্রহণ, শিক্ষক নিয়োগ বাণিজ্য, এমপিওভুক্তিতে অনিয়ম, শিক্ষকদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, বিদ্যালয় পরিদর্শনের নামে অর্থ আদায়, একই কর্মস্থলে বারবার পদায়ন এবং জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ক্ষোভ বিরাজ করছে শিক্ষক সমাজ, অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন মহলে।অভিযোগ রয়েছে, একজন উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা হয়েও তিনি কুমিল্লা নগরীর ঠাকুরপাড়ায় তিনটি ফ্ল্যাট ও দুটি প্লটের মালিক হয়েছেন। স্থানীয়দের দাবি, এসব সম্পদের উৎস ও বৈধতা খতিয়ে দেখতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তদন্ত প্রয়োজন।স্থানীয়দের অভিযোগ, ২০২০ সালের ১৫ জানুয়ারি থেকে ২০২৩ সালের ১১ এপ্রিল পর্যন্ত বুড়িচংয়ে দায়িত্ব পালনের পর অল্প সময়ের ব্যবধানে আবারও একই উপজেলায় ফিরে আসেন তিনি। পরে ২০২৬ সালের ২৫ এপ্রিল পুনরায় বুড়িচংয়ে যোগদান করেন। একই কর্মস্থলে বারবার পদায়নের নেপথ্যে কী কারণ—তা নিয়ে নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে শিক্ষক সমাজ ও স্থানীয়দের মধ্যে।অভিযোগ রয়েছে, ২০২২ সালে বুড়িচং কালীনারায়ণ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে নিজের স্ত্রী খন্দকার উম্মে সালমাকে সহকারী প্রধান শিক্ষিকা পদে নিয়োগে প্রভাব খাটান আব্দুল মান্নান। অভিযোগকারীদের দাবি, যোগ্যতা ও কাগজপত্র নিয়ে প্রশ্ন থাকা সত্ত্বেও প্রভাব বিস্তার করে নিয়োগ এবং পরবর্তীতে এমপিওভুক্তির ব্যবস্থা করা হয়।জামাল মামুন নামে এক শিক্ষক অভিযোগ করে বলেন, শিক্ষকতার চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তার কাছ থেকে চুক্তি অনুযায়ী অগ্রিম অর্থ নেওয়া হলেও চাকরি দেওয়া হয়নি এবং অর্থও ফেরত দেওয়া হয়নি।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রধান শিক্ষক অভিযোগ করেন, ২০২২ সালে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির অনুমোদনের জন্য গেলে আব্দুল মান্নান বলেন, “বিএনপির কারও নাম নিয়ে আমার কাছে আসবেন না।” পরে অন্য একজনের নাম প্রস্তাব করার পর অনুমোদন দেওয়া হয় বলে তিনি দাবি করেন।আরেকজন প্রধান শিক্ষক অভিযোগ করেন, বিদ্যালয় পরিদর্শনে এসে কর্মকর্তা বিদায়ের সময় ‘খাম’ বা ‘তেল খরচ’ বাবদ প্রায় ৫ হাজার টাকা প্রত্যাশা করেন। টাকা দিতে দেরি হলে বিভিন্ন অজুহাতে বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে আপত্তি তুলে হয়রানি করা হয় বলেও তিনি দাবি করেন।বুড়িচং উপজেলার এক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক বলেন, “দায়িত্ব পালনকালে আব্দুল মান্নানের বিপুল সম্পদের মালিক হওয়ার বিষয়ে এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা রয়েছে। এখন আবার একই উপজেলায় ফিরে আসায় শিক্ষক সমাজের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।”অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান বলেন, “আমার বিরুদ্ধে অনেকেই বিভিন্ন মিথ্যা অভিযোগ করছে। সব অভিযোগ সঠিক নয়। আমার চাকরি আর বেশি দিন নেই।” তিনি আরও বলেন জামাল মামুন নামে কাউকে আমি চিনি। এই সমস্ত অভিযোগ হল কাল্পনিক ভিত্তিহীন। নিয়োগের বিষয় হল বিদ্যালের ম্যানেজিং কমিটির লোকজনের। আমি সরকারি চাকুরী করি আমাদের একটা বাইন্ডিং রয়েছে এর বাহিরে যাওয়া যায় না।এ বিষয়ে কুমিল্লা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, “এখন পর্যন্ত আমার কাছে কোনো লিখিত অভিযোগ আসেনি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”শিক্ষক ও সচেতন মহলের দাবি, অভিযোগগুলো যেহেতু দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন মহলে আলোচিত, তাই নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন করা এখন সময়ের দাবি। তারা বলছেন, শিক্ষা প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে প্রয়োজন হলে দুদক, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের যৌথ তদন্ত হওয়া উচিত। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
বাগেরহাটে একটি বসতঘর থেকে একই পরিবারের ৩ জনের গলিত লাশ উদ্ধার
বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার রাড়িপাড়া ইউনিয়নের পশ্চিম চান্দেরকোলা গ্রামে একটি বসতঘর থেকে একই পরিবারের তিনজনের গলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশগুলো উদ্ধার করে।নিহত ব্যক্তিরা হলেন আহাত হাওলাদার (২২), তার বাবা আব্দার হাওলাদার; মনিরা বেগম (৫৫), তার বাবা রশিদ শেখ; এবং রাশিদা বেগম (৮৫), তার স্বামী মৃত রশিদ শেখ।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক দিন ধরে ওই ঘর থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছিল। পরে বিষয়টি প্রতিবেশীদের নজরে আসে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের ভেতর তিনজনের গলিত লাশ দেখতে পায়।পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের প্রাথমিক ধারণা, কয়েক দিন আগে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও শ্বাসরোধ করে তাদের হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। লাশে পচন ধরায় হত্যাকাণ্ডটি কয়েক দিন আগে ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।খবর পেয়ে কচুয়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে ঘটনাস্থল ঘিরে রাখা হয় এবং সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি নৃশংস হত্যাকাণ্ড বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর লাশগুলো ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ ও এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো।
ইউএনও কার্যালয়ের সামনে বিএনপির মানববন্ধন; যোগদানপত্র প্রত্যাহারের দাবি, আইনের সমতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন কেন্দ্রীয় নেতা সাইদুর রহমান লিটল / হত্যা মামলার আসামি চেয়ারম্যানের যোগদান ঘিরে উত্তাল দেবিদ্বার
হাবিবুর রহমানের খোঁজখবর নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, ত্যাগীদের মূল্যায়নের আশ্বাস
কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজশাহী মহানগর বিএনপির শোক পালন
বাগেরহাটে বিএনপি নেতার মরদেহ উদ্ধার
চলতি এইচএসসি পরীক্ষায় পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ে প্রশ্নপত্রে ভুলের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন বলেছেন, প্রশ্ন আমরা তৈরি করিনি, বিগত সরকার করেছে। আপনি কি তাই মনে করেন?
অপরাধ অনুসন্ধান পত্রিকা’র উদ্যোগে জাঁকজমকপূর্ণ ফল উৎসব অনুষ্ঠিত
প্রশিক্ষণ শেষে ৩০ প্রান্তিক পেশাজীবীর হাতে ১৮ হাজার টাকা করে অনুদান, মিলল সনদও
গুলিস্তানে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে লাখ টাকা খোয়ালেন ব্যবসায়ী
এশিয়া ছিন্নমূল মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে / রাজধানীতে মানবাধিকার ও গণমাধ্যম কর্মীদের মাঝে সাদা সম্মাননা প্রদান