মুক্তির লড়াই
সর্বশেষ

২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা ৩১ ডিসেম্বরের, ফেব্রুয়ারিতে শেষ

দীর্ঘ টানাপড়েনের পর একটি মধ্যপন্থী সমাধানের দিকে হাঁটছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হতে পারে ৩১ ডিসেম্বর — বছরের একেবারে শেষ দিনে। আর শেষ হবে ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে।বুধবার শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামত নিয়ে এই প্রাথমিক সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হয়েছে। তবে বিষয়টি এখনও চূড়ান্ত নয়, আগামী দু-একদিনের মধ্যে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসবে।যে কারণে ৩১ ডিসেম্বরশিক্ষামন্ত্রী বারবার ডিসেম্বরে এসএসসি নেওয়ার কথা বলে আসছিলেন। অন্যদিকে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা হঠাৎ পরীক্ষা এগিয়ে আনার বিপক্ষে — তাদের দাবি ছিল জানুয়ারিতে পরীক্ষা নেওয়া হোক। দুই পক্ষের দাবির মাঝামাঝি জায়গা হিসেবেই বেছে নেওয়া হয়েছে ডিসেম্বরের ৩১ তারিখ। এতে মন্ত্রীর প্রতিশ্রুতিও থাকছে, শিক্ষার্থীদের চাওয়াও মিলছে।পরীক্ষার সময়সূচির খসড়াপ্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী — • ৩১ ডিসেম্বর: লিখিত পরীক্ষা শুরু • ৩১ জানুয়ারি: লিখিত পরীক্ষা শেষ • ১–৭ ফেব্রুয়ারি: ব্যবহারিক পরীক্ষাসম্ভাব্য রোজার ছুটি ৮-৯ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে পারে — তার ঠিক আগেই পরীক্ষা গুছিয়ে নেওয়াই মূল লক্ষ্য।নতুন মাত্রা: এবার অভিন্ন প্রশ্নপত্র২০২৭ সালের এসএসসিতে প্রথমবারের মতো সারা দেশে একই প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে — যা বাংলাদেশের পাবলিক পরীক্ষার ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এসএসসি পরীক্ষার সময়সূচি স্থায়ীভাবে ডিসেম্বরে আনতে দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনাও তৈরি হচ্ছে।

বিকেএসপি কোচ মোঃ রাশিদুল হাসানের বিরুদ্ধে মানবপাচার, স্বাক্ষর জালিয়াতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (বিকেএসপি) তায়কোয়ানডো বিভাগের কোচ মোঃ রাশিদুল হাসানের বিরুদ্ধে প্রশিক্ষণের আড়ালে নারী পাচার, উদীয়মান খেলোয়াড়দের অর্থ আত্মসাৎ এবং স্বাক্ষর জালিয়াতির মাধ্যমে প্রশাসনিক প্রতারণার পাহাড়সমান অভিযোগ উঠেছে। গত অক্টোবর ২০২৪-এ দক্ষিণ কোরিয়ায় অনুষ্ঠিত "The Global Think Tank Summit"-এ তায়কোয়ানডো সংশ্লিষ্ট পরিচয়ে তাজনূর আক্তার ও ফারজানা জান্নাত রুমা নামের দুই নারীকে সাথে নিয়ে গিয়ে সেখানে অবৈধভাবে রেখে আসার মাধ্যমে তিনি সরাসরি মানবপাচারের মতো জঘন্য অপরাধের সাথে জড়িয়ে পড়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এই কোচ নিজেই কোরিয়ার আয়োজক কমিটির কাছে লিখিত চিঠিতে ওই দুই নারীর অবৈধ অবস্থানের বিষয়টি স্বীকার করেছেন, যা দালিলিক প্রমাণ হিসেবে বর্তমানে তদন্তকারী সংস্থাগুলোর হাতে এসেছে। কেবল বিদেশে লোক পাচারই নয়, আন্তর্জাতিক'কুক্কিয়ন ড্যান' সার্টিফিকেট পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ৪ জন খেলোয়াড়ের কাছ থেকে সর্বমোট ৭১,৪৬০ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও তার বিরুদ্ধে প্রমাণিত হয়েছে। খেলোয়াড় ও কর্মকর্তার দাবি, টাকা নেওয়ার পর তিনি সনদ প্রদান করেননি এবং টাকা ফেরত চাইলে তাদের সাথে চরম অপেশাদার ও অশালীন আচরণ করেন।মোঃ রাশিদুল হাসানের অপরাধের মাত্রা আরও ভয়াবহ রূপ নেয় যখন তিনি তায়কোয়ানডো ইউনিয়নের  সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল মান্নানের ডিজিটাল স্বাক্ষর জালিয়াতি করে ২ লক্ষ ১৪ হাজার টাকা বকেয়া আদায়ের উদ্দেশ্যে একটি ভুয়া দাপ্তরিক চিঠি ইস্যু করেন বাংলাদেশ তায়কোয়ানডো ফেডারেশনে। এই জালিয়াতির ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে এবং অপরাধের দায়ভার থেকে বাঁচতে মোঃ আব্দুল মান্নান ০৮ই মার্চ ২০২৬ইং তারিখে এবং মুমিত হাসান ১১ই মে ২০২৬ইং তারিখে পদত্যাগ করেন। এছাড়া, বিকেএসপির একজন স্থায়ী বেতনভুক্ত কোচ হওয়া সত্ত্বেও যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই 'বাংলাদেশ তায়কোয়ানডো ইউনিয়ন'-এর নীতিনির্ধারণী পদ টেকনিক্যাল কমিটির চেয়ারম্যান পদবি ব্যবহার করে তিনি চাকুরির শৃঙ্খলা বিধি চরমভাবে লঙ্ঘন করেছেন। বর্তমানে এই সকল অপকর্মের নথিপত্র তায়কোয়ানডো ফেডারেশন বরাবর পাঠানো হয়েছে। তায়কোয়ানডো ফেডারেশনের ফেসবুক পেজ থেকে জানা যায় মোঃ রাশিদুল হাসান কে ফেডারেশন থেকে ১বছর আগেই বহিস্কার করা হয়েছে। এ বিষয়গুলি জানার পরে ক্রীড়া সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, একজন বিকেএসপি কোচের এমন অনৈতিক কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশের মর্যাদা ধুলিসাৎ করছে এবং অবিলম্বে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা সময়ের দাবি।

বিকেএসপি কোচ মোঃ রাশিদুল হাসানের বিরুদ্ধে মানবপাচার, স্বাক্ষর জালিয়াতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

ফিরছে হারানো ইতিহাস / পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছেন খালেদা জিয়া ও বরেণ্য ব্যক্তিবর্গ

দেশের মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যবইয়ে এক বিশাল পরিবর্তনের পথে হাঁটছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। ২০২৭ সালের শিক্ষাবর্ষকে সামনে রেখে ‘ইতিহাস’ এবং ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’ (বিজিএস) বইয়ে এই ঐতিহাসিক সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যেখানে দীর্ঘদিনের আংশিক বা বিতর্কিত ইতিহাসের অবসান ঘটিয়ে বস্তুনিষ্ঠ ও পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস তুলে ধরার চেষ্টা করা হচ্ছে।পড়ুয়ারা জানবে ‘আপসহীন’ খালেদা জিয়ার অবদানএই সংস্কারের অন্যতম আলোচিত দিক হলো—সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ১৯৯০-পরবর্তী রাজনৈতিক ভূমিকা পাঠ্যবইয়ে অন্তর্ভুক্ত করা। বিশেষ করে ‘আপসহীন নেত্রী’ হিসেবে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলন এবং সংসদীয় গণতন্ত্রে উত্তরণে তাঁর ঐতিহাসিক অবদান এখন থেকে নতুন প্রজন্মের পাঠ্যতালিকায় স্থান পাবে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনৈতিক উত্তরণ বুঝতে বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকা পাঠ করা অপরিহার্য।৭ নভেম্বরের প্রেক্ষাপট ও ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান ২০২৪পাঠ্যবইয়ে এবার গুরুত্বের সাথে ফিরছে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ‘বিপ্লব ও সংহতি দিবস’-এর ঐতিহাসিক ও সামরিক প্রেক্ষাপট। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের ইতিহাসের এই গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়টি দীর্ঘ সময় পাঠ্যসূচিতে অনুপস্থিত ছিল। এর পাশাপাশি সমসাময়িক ইতিহাসের অংশ হিসেবে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পটভূমি, এর প্রভাব এবং আন্দোলনের বীরত্বগাথাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে, যা শিক্ষার্থীদের বাস্তবমুখী ইতিহাস সচেতনতা তৈরি করবে।ইতিহাসের পাতায় সম্রাট গোপাল থেকে জিয়াউর রহমানবিজিএস বইয়ে এবার ইতিহাসের নিরবচ্ছিন্ন ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে একটি বিশেষ অধ্যায় যুক্ত করা হচ্ছে। যেখানে প্রাচীন বাংলার সম্রাট গোপাল (পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা) থেকে শুরু করে আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান পর্যন্ত ১০-১২ জন ক্ষণজন্মা পুরুষের জীবনী ও অবদান বর্ণনা করা হবে। এই তালিকায় সুলতান শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক এবং মজলুম জননেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর মতো বরেণ্য ব্যক্তিদের জীবনী ও রাজনৈতিক দর্শনও স্থান পাচ্ছে।ভারী বোঝা কমিয়ে ‘আনন্দময় শিক্ষা’ বা লার্নিং জয়এনসিটিবি কেবল তথ্য পরিবর্তন নয়, বরং পাঠ্যবইয়ের উপস্থাপনা ও ভাষাতেও আমূল পরিবর্তন আনছে। বর্তমানের জটিল ও মুখস্থনির্ভর পদ্ধতির বদলে ‘লার্নিং জয়’ বা আনন্দময় শিক্ষার ধারণা প্রবর্তন করা হচ্ছে। অপ্রাসঙ্গিক ও কঠিন তথ্যের চাপ কমিয়ে ভাষাকে করা হচ্ছে সহজবোধ্য ও প্রাণবন্ত। এ বিষয়ে এনসিটিবি সদস্য (শিক্ষাক্রম) অধ্যাপক ড. এ কে এম মাসুদুল হক জানান, লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীরা যেন পড়ার চাপে পিষ্ট না হয়ে আনন্দের সাথে দেশের প্রকৃত ইতিহাস ও বাস্তবতা শিখতে পারে।লক্ষ্য: জানুয়ারি ২০২৭-এর নতুন বইএনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, পরিমার্জন ও সম্পাদনার কাজ বর্তমানে পুরোদমে চলমান। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সকল কাজ শেষ করে ২০২৭ সালের জানুয়ারিতেই শিক্ষার্থীদের হাতে এই বস্তুনিষ্ঠ ও পরিমার্জিত বইগুলো তুলে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই উদ্যোগ কেবল একটি পাঠ্যবই সংস্কার নয়, বরং এটি নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক, সামাজিক ও ঐতিহাসিক সত্যকে কোনো দলীয় দৃষ্টিভঙ্গি ছাড়া নিরপেক্ষভাবে তুলে ধরার একটি প্রয়াস।

পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছেন খালেদা জিয়া ও বরেণ্য ব্যক্তিবর্গ
বিকেএসপি কোচ মোঃ রাশিদুল হাসানের বিরুদ্ধে মানবপাচার, স্বাক্ষর জালিয়াতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

বিকেএসপি কোচ মোঃ রাশিদুল হাসানের বিরুদ্ধে মানবপাচার, স্বাক্ষর জালিয়াতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (বিকেএসপি) তায়কোয়ানডো বিভাগের কোচ মোঃ রাশিদুল হাসানের বিরুদ্ধে প্রশিক্ষণের আড়ালে নারী পাচার, উদীয়মান খেলোয়াড়দের অর্থ আত্মসাৎ এবং স্বাক্ষর জালিয়াতির মাধ্যমে প্রশাসনিক প্রতারণার পাহাড়সমান অভিযোগ উঠেছে। গত অক্টোবর ২০২৪-এ দক্ষিণ কোরিয়ায় অনুষ্ঠিত "The Global Think Tank Summit"-এ তায়কোয়ানডো সংশ্লিষ্ট পরিচয়ে তাজনূর আক্তার ও ফারজানা জান্নাত রুমা নামের দুই নারীকে সাথে নিয়ে গিয়ে সেখানে অবৈধভাবে রেখে আসার মাধ্যমে তিনি সরাসরি মানবপাচারের মতো জঘন্য অপরাধের সাথে জড়িয়ে পড়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এই কোচ নিজেই কোরিয়ার আয়োজক কমিটির কাছে লিখিত চিঠিতে ওই দুই নারীর অবৈধ অবস্থানের বিষয়টি স্বীকার করেছেন, যা দালিলিক প্রমাণ হিসেবে বর্তমানে তদন্তকারী সংস্থাগুলোর হাতে এসেছে। কেবল বিদেশে লোক পাচারই নয়, আন্তর্জাতিক'কুক্কিয়ন ড্যান' সার্টিফিকেট পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ৪ জন খেলোয়াড়ের কাছ থেকে সর্বমোট ৭১,৪৬০ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও তার বিরুদ্ধে প্রমাণিত হয়েছে। খেলোয়াড় ও কর্মকর্তার দাবি, টাকা নেওয়ার পর তিনি সনদ প্রদান করেননি এবং টাকা ফেরত চাইলে তাদের সাথে চরম অপেশাদার ও অশালীন আচরণ করেন।মোঃ রাশিদুল হাসানের অপরাধের মাত্রা আরও ভয়াবহ রূপ নেয় যখন তিনি তায়কোয়ানডো ইউনিয়নের  সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল মান্নানের ডিজিটাল স্বাক্ষর জালিয়াতি করে ২ লক্ষ ১৪ হাজার টাকা বকেয়া আদায়ের উদ্দেশ্যে একটি ভুয়া দাপ্তরিক চিঠি ইস্যু করেন বাংলাদেশ তায়কোয়ানডো ফেডারেশনে। এই জালিয়াতির ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে এবং অপরাধের দায়ভার থেকে বাঁচতে মোঃ আব্দুল মান্নান ০৮ই মার্চ ২০২৬ইং তারিখে এবং মুমিত হাসান ১১ই মে ২০২৬ইং তারিখে পদত্যাগ করেন। এছাড়া, বিকেএসপির একজন স্থায়ী বেতনভুক্ত কোচ হওয়া সত্ত্বেও যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই 'বাংলাদেশ তায়কোয়ানডো ইউনিয়ন'-এর নীতিনির্ধারণী পদ টেকনিক্যাল কমিটির চেয়ারম্যান পদবি ব্যবহার করে তিনি চাকুরির শৃঙ্খলা বিধি চরমভাবে লঙ্ঘন করেছেন। বর্তমানে এই সকল অপকর্মের নথিপত্র তায়কোয়ানডো ফেডারেশন বরাবর পাঠানো হয়েছে। তায়কোয়ানডো ফেডারেশনের ফেসবুক পেজ থেকে জানা যায় মোঃ রাশিদুল হাসান কে ফেডারেশন থেকে ১বছর আগেই বহিস্কার করা হয়েছে। এ বিষয়গুলি জানার পরে ক্রীড়া সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, একজন বিকেএসপি কোচের এমন অনৈতিক কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশের মর্যাদা ধুলিসাৎ করছে এবং অবিলম্বে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা সময়ের দাবি।

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ভারসাম্যে চীনের প্রভাব বাড়ছে: পাকিস্তানি গণমাধ্যম

সম্প্রতি, 'পাকিস্তান সেন্টার ফর নলেজ অ্যান্ড পাবলিক পলিসি'-এর চেয়ারম্যান মাহমুদ উল হাসান খান 'দ্য পাকিস্তান অবজারভার' পত্রিকায় "নতুন বিশ্ব বিশৃঙ্খলা: চীনের নিরাপত্তা লভ্যাংশ" শিরোনামে একটি প্রবন্ধ প্রকাশ করেছেন। এতে তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্ব বর্তমানে শান্তি ও অব্যাহত অস্থিতিশীলতার মাঝে এক অচলাবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে চীন তার আর্থিক সংযোগ, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি ও শিল্পশক্তির অনন্য সমন্বয়ের মাধ্যমে একটি স্থিতিশীল শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। "বৈশ্বিক নিরাপত্তা লভ্যাংশ" হিসেবে চীনের ভূমিকা কোনো তাত্ত্বিক বিষয় নয়, বরং একটি বাস্তব সত্য।প্রবন্ধটিতে যুক্তি দেওয়া হয়েছে, চীন বৈশ্বিক অর্থনীতির নতুন কাঠামোর নেতৃত্ব দিচ্ছে। আধুনিক বন্দর ও লজিস্টিক করিডোর দ্বারা সমর্থিত 'বেল্ট অ্যান্ড রোড' উদ্যোগ (বিআরআই) বিশ্বের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য সংযোগ সমাধান প্রদান করছে। 'আরএমবি আন্তঃসীমান্ত পেমেন্ট ব্যবস্থা'র দ্রুত উন্নয়ন বৈশ্বিক অর্থব্যবস্থায় একটি কাঠামোগত সমন্বয়কে প্রতিফলিত করে, যা প্রমাণ করে যে একক ব্যবস্থার ওপর নির্ভরতা ধীরে ধীরে একটি বহুকেন্দ্রিক কাঠামোর দিকে সরে যাচ্ছে।প্রবন্ধটিতে বিশেষভবে উল্লেখ করা হয়েছে, চীনের সৌর, বায়ু এবং ব্যাটারি প্রযুক্তি বৈশ্বিক জ্বালানি রূপান্তরের জন্য কার্যকর ও ক্রমবর্ধমান গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প সরবরাহ করছে। যে দেশগুলো এসব প্রযুক্তি গ্রহণ করছে, তারা কেবল পণ্যই কিনছে না; বরং দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা, সামর্থ্য এবং জীবাশ্ম জ্বালানি বাজারের ওঠানামা থেকে সুরক্ষাও নিশ্চিত করছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানির এই সরবরাহ শৃঙ্খল একটি বৈশ্বিক জীবনরেখায় পরিণত হচ্ছে, যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও পরিবেশগত স্থায়িত্ব—উভয়কেই সমর্থন করছে।প্রবন্ধটিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, চীনের সমন্বিত শিল্প ইকোসিস্টেম শক্তিশালী স্থিতিস্থাপকতা প্রদর্শন করে। একটি সুগঠিত সরবরাহ শৃঙ্খল, বিশাল অভ্যন্তরীণ বাজার এবং ধারাবাহিক নীতিগত সমর্থন—চীনকে বৈশ্বিক সংকটের সময়েও উৎপাদন ও পণ্য সরবরাহ বজায় রাখতে সক্ষম করেছে। এই নির্ভরযোগ্যতাই চীনকে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ ও সহযোগিতার জন্য একটি চমৎকার গন্তব্যে পরিণত করেছে।প্রবন্ধটির সারসংক্ষেপে বলা হয়েছে, একটি নির্ভরযোগ্য আর্থিক ব্যবস্থা, টেকসই জ্বালানি সমাধান এবং একটি স্থিতিস্থাপক শিল্প নেটওয়ার্কের মাধ্যমে চীন বর্তমানের খণ্ডিত বৈশ্বিক ব্যবস্থায় স্থিতিশীলতা প্রদান করছে। এটি কেবল ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার ঝুঁকিই হ্রাস করছে না, বরং আরও ভারসাম্যপূর্ণ ও নিরাপদ আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক পরিমণ্ডলের ভিত্তিও স্থাপন করছে। তাই 'বৈশ্বিক নিরাপত্তার লভ্যাংশ' হিসেবে চীনের ভূমিকা ক্রমশ আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে।সূত্র:লিলি-তৌহিদ-স্বর্ণা, চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ পরিবারের সদস্যকে ছাত্রদলের সহ-সভাপতি পদ দেওয়ায় তীব্র বিতর্ক

নরসিংদী জেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণার পর থেকেই সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে সহ-সভাপতি পদ পাওয়া নাইমুর রহমান মাসুমের নাম। স্থানীয় নেতাকর্মী ও বিভিন্ন সূত্রের দাবি, তার পরিবারের একাধিক সদস্য দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত থাকলেও তাকে ছাত্রদলের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় তৃণমূল বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।রায়পুরা থানা কৃষক ধলের যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল রোব সরকার ও রায়পুরা থানা কৃষক ধলের যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল রোব সরকার বলেন, মাসুমের ছোট ভাই জিসান মির্জানগর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সেক্রেটারি পদে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তার চাচা মুকুল উদ্দিন রায়পুরা থানা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ সম্পাদক হিসেবে সক্রিয় রয়েছেন। মাসুমের মা অতীতে উত্তর মির্জানগর ভোটকেন্দ্রে আওয়ামী লীগের এজেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। শুধু তাই নয়, নৌকা প্রতীকের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা ও মিছিলেও তাকে অংশ নিতে দেখা গেছে।এমন রাজনৈতিক পটভূমির একজনকে ছাত্রদলের গুরুত্বপূর্ণ পদে অন্তর্ভুক্ত করাকে “অত্যন্ত উদ্বেগজনক” বলে মনে করছেন বিএনপির ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীরা। তাদের প্রশ্ন, “যাদের পরিবারের সদস্যরা প্রকাশ্যে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত, তারা কীভাবে ছাত্রদলের নেতৃত্বে আসে?”তৃণমূল নেতাকর্মীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করা ত্যাগী কর্মীদের মূল্যায়ন না করে বিতর্কিত ব্যক্তিদের নেতৃত্বে আনা হলে সংগঠনের আদর্শিক অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়বে। এতে ভবিষ্যতে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনগুলো সাংগঠনিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন তারা।নেতাকর্মীরা অবিলম্বে বিষয়টি তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তারা বলেন, “দলের দুঃসময়ে যারা মাঠে ছিল, তাদের বাদ দিয়ে সুবিধাবাদীদের নেতৃত্বে আনা হলে সেটি সংগঠনের জন্য অশনিসংকেত হয়ে দাঁড়াবে।”এ বিষয়ে নাইমুর রহমান মাসুম বা সংশ্লিষ্ট নেতাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

বিকেএসপি কোচ মোঃ রাশিদুল হাসানের বিরুদ্ধে মানবপাচার, স্বাক্ষর জালিয়াতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (বিকেএসপি) তায়কোয়ানডো বিভাগের কোচ মোঃ রাশিদুল হাসানের বিরুদ্ধে প্রশিক্ষণের আড়ালে নারী পাচার, উদীয়মান খেলোয়াড়দের অর্থ আত্মসাৎ এবং স্বাক্ষর জালিয়াতির মাধ্যমে প্রশাসনিক প্রতারণার পাহাড়সমান অভিযোগ উঠেছে। গত অক্টোবর ২০২৪-এ দক্ষিণ কোরিয়ায় অনুষ্ঠিত "The Global Think Tank Summit"-এ তায়কোয়ানডো সংশ্লিষ্ট পরিচয়ে তাজনূর আক্তার ও ফারজানা জান্নাত রুমা নামের দুই নারীকে সাথে নিয়ে গিয়ে সেখানে অবৈধভাবে রেখে আসার মাধ্যমে তিনি সরাসরি মানবপাচারের মতো জঘন্য অপরাধের সাথে জড়িয়ে পড়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এই কোচ নিজেই কোরিয়ার আয়োজক কমিটির কাছে লিখিত চিঠিতে ওই দুই নারীর অবৈধ অবস্থানের বিষয়টি স্বীকার করেছেন, যা দালিলিক প্রমাণ হিসেবে বর্তমানে তদন্তকারী সংস্থাগুলোর হাতে এসেছে। কেবল বিদেশে লোক পাচারই নয়, আন্তর্জাতিক'কুক্কিয়ন ড্যান' সার্টিফিকেট পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ৪ জন খেলোয়াড়ের কাছ থেকে সর্বমোট ৭১,৪৬০ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও তার বিরুদ্ধে প্রমাণিত হয়েছে। খেলোয়াড় ও কর্মকর্তার দাবি, টাকা নেওয়ার পর তিনি সনদ প্রদান করেননি এবং টাকা ফেরত চাইলে তাদের সাথে চরম অপেশাদার ও অশালীন আচরণ করেন।মোঃ রাশিদুল হাসানের অপরাধের মাত্রা আরও ভয়াবহ রূপ নেয় যখন তিনি তায়কোয়ানডো ইউনিয়নের  সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল মান্নানের ডিজিটাল স্বাক্ষর জালিয়াতি করে ২ লক্ষ ১৪ হাজার টাকা বকেয়া আদায়ের উদ্দেশ্যে একটি ভুয়া দাপ্তরিক চিঠি ইস্যু করেন বাংলাদেশ তায়কোয়ানডো ফেডারেশনে। এই জালিয়াতির ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে এবং অপরাধের দায়ভার থেকে বাঁচতে মোঃ আব্দুল মান্নান ০৮ই মার্চ ২০২৬ইং তারিখে এবং মুমিত হাসান ১১ই মে ২০২৬ইং তারিখে পদত্যাগ করেন। এছাড়া, বিকেএসপির একজন স্থায়ী বেতনভুক্ত কোচ হওয়া সত্ত্বেও যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই 'বাংলাদেশ তায়কোয়ানডো ইউনিয়ন'-এর নীতিনির্ধারণী পদ টেকনিক্যাল কমিটির চেয়ারম্যান পদবি ব্যবহার করে তিনি চাকুরির শৃঙ্খলা বিধি চরমভাবে লঙ্ঘন করেছেন। বর্তমানে এই সকল অপকর্মের নথিপত্র তায়কোয়ানডো ফেডারেশন বরাবর পাঠানো হয়েছে। তায়কোয়ানডো ফেডারেশনের ফেসবুক পেজ থেকে জানা যায় মোঃ রাশিদুল হাসান কে ফেডারেশন থেকে ১বছর আগেই বহিস্কার করা হয়েছে। এ বিষয়গুলি জানার পরে ক্রীড়া সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, একজন বিকেএসপি কোচের এমন অনৈতিক কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশের মর্যাদা ধুলিসাৎ করছে এবং অবিলম্বে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা সময়ের দাবি।

আইএসইউতে 'স্প্রিং-২০২৬' সেমিস্টারের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

আইএসইউতে 'স্প্রিং-২০২৬' সেমিস্টারের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

নবীন শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণ, বর্ণিল আয়োজন এবং মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইউনিভার্সিটি (আইএসইউ)-তে অনুষ্ঠিত হয়েছে "স্প্রিং-২০২৬" সেমিস্টারের নবীনবরণ। বৃহস্পতিবার আইএসইউ'র মহাখালী ক্যাম্পাসের অডিটোরিয়ামে উপাচার্য প্রফেসর ড. আব্দুল আউয়াল খানের সভাপতিত্বে এ আয়োজনে গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের মেম্বার সেক্রেটারি হাসনাত মোশাররফ।উপাচার্য প্রফেসর ড. আবদুল আউয়াল খান বলেন, আইএসইউ সবসময়ই মানসম্মত শিক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এ প্রতিষ্ঠান কেবল দক্ষ শিক্ষার্থীই নয়, দায়িত্বশীল ও মানবিক মানুষ গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি শিক্ষার্থীদের সুশৃঙ্খল জীবনযাপন, নিয়ম-শৃঙ্খলা মেনে চলা এবং নিজেদের দেশ ও সমাজের প্রতি দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শুরু থেকেই গবেষণামূলক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হওয়া শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও দক্ষতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এসময় তিনি প্রযুক্তিনির্ভর বর্তমান বিশ্বে সময়োপযোগী দক্ষতা অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।হাসনাত মোশাররফ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় জীবন কেবল ভালো ফলাফল অর্জনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয় বরং সমাজে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি, নেতৃত্বগুণ বিকাশ এবং অন্যদের ক্ষমতায়নের মানসিকতা গড়ে তোলাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তিনি শিক্ষার্থীদের পারস্পরিক সহযোগিতা, সততা ও বিশ্বাসের পরিবেশ তৈরির আহ্বান জানান। পাশাপাশি প্রযুক্তিনির্ভর এই সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ নতুন জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনে আজীবন শেখার মানসিকতা ধরে রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা, একাডেমিক কার্যক্রম ও সহশিক্ষা কার্যক্রম সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়। এছাড়াও অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা সংগীত, নৃত্য ও দলীয় পরিবেশনার মাধ্যমে নিজেদের সৃজনশীল প্রতিভা তুলে ধরেন। শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত পরিবেশনায় পুরো অডিটোরিয়াম উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। উৎসবমূখর এ আয়োজনে আরও উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মনজুর মোর্শেদ মাহমুদ, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক মোঃ আবুল কাশেম,আইকিউএসি পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ একরামুল হক, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক প্রফেসর মোহাম্মদ আলী, রেজিস্ট্রার মো: ফাইজুল্লাহ কৌশিকসহ বিভিন্ন বিভাগের প্রধান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা।

বসুন্ধরা সিটিতে ৯৪ কোটি টাকার স্বর্ণ আত্মসাৎ: সাবেক সেলসম্যান গ্রেফতার

বসুন্ধরা সিটিতে ৯৪ কোটি টাকার স্বর্ণ আত্মসাৎ: সাবেক সেলসম্যান গ্রেফতার

রাজধানীর বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স-এ অবস্থিত স্বর্ণালঙ্কারের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে দীর্ঘ সময় ধরে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ আত্মসাতের ঘটনায় প্রতিষ্ঠানের সাবেক এক সেলসম্যানকে গ্রেফতার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। আত্মসাৎকৃত উক্ত স্বর্ণের অর্থে নিজে হয়েছেন জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানের মালিক, কিনেছেন ফ্ল্যাট-গাড়ি এবং করেছেন পুঁজিবাজারেও বিনিয়োগ। গত ১২/০৫/২০২৬ খ্রি. দুপুরে তেজগাঁও থানাধীন বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স-এর সামনের সড়ক হতে সিআইডির ঢাকা মেট্রো পশ্চিম বিভাগের একটি আভিযানিক দল তাকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম কৃষ্ণ বসাক ওরফে স্বপন বশাক (৪৭), পিতা-গৌর চন্দ্র বশাক, মাতা- চপলা রানী বশাক, সাং- রামচন্দ্রপুর, দৌলতপুর, মানিকগঞ্জ এবং সে উক্ত জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে সেলসম্যান হিসেবে কর্মরত ছিলেন। প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য কর্মচারীর সহযোগীতায় প্রায় ৯৪ কোটি টাকার স্বর্ণ আত্মসাৎ করেছে মর্মে তেজগাঁও (ডিএমপি) থানার মামলা নং- ১৪, তারিখ- ২৬/০৯/২০২৪ খ্রি. ধারা- ৪০৮/৪২০/৩৪ পেনাল কোড- ১৮৬০ রুজু করা হয়। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বাদীর পিতা বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স এর একটি জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স এ প্রতিষ্ঠানটির একাধিক জুয়েলারি দোকান রয়েছে। প্রতিষ্ঠানের স্টক যাচাই-বাছাইয়ের সময় দেখা যায় যে, গত ২০১৯ সালের জানুয়ারি হতে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে দোকান হতে মোট ৭ হাজার ৫৫০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার (যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৯৪ কোটি ৩৭ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। মামলাটির তদন্তে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত অভিযুক্ত কৃষ্ণ বসাক ওরফে স্বপন বশাক বাদীর পিতার প্রতিষ্ঠানে সেলসম্যান হিসেবে কর্মরত ছিলেন। দায়িত্বে থাকাকালীন তিনি অন্যান্য সহযোগীদের সঙ্গে যোগসাজসে প্রতিষ্ঠানের মালিকের সঙ্গে বিশ্বাসভঙ্গ করে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ আত্মসাৎ করেন। তদন্তকালে আয়কর নথি ও আর্থিক লেনদেন পর্যালোচনায় আরও জানা যায়, গ্রেফতারকৃত অভিযুক্ত কৃষ্ণ বসাক ওরফে স্বপন বশাক সেলসম্যান হিসেবে মাসিক আনুমানিক ১০-১৫ হাজার টাকা বেতনে চাকরি করলেও তার বিপুল পরিমাণ সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। অভিযুক্ত একটি জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানের মালিক হিসেবে প্রায় ৩৩ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ, ৪৪ লক্ষ ৫৫ হাজার মূল্যের একটি ফ্ল্যাট ও কার পার্কিং, পুঁজিবাজারে ১৬ লক্ষ ৭৮ হাজার ২৯৩ টাকার শেয়ার এবং আয়কর নথিতে ৫০ ভরি স্বর্ণ প্রদর্শনের তথ্য পাওয়া যায়, যা আত্মসাৎকৃত স্বর্ণের অংশ হতে পারে মর্মে  প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে।এছাড়াও গ্রেফতারকৃত অভিযুক্ত কৃষ্ণ বসাক ওরফে স্বপন বশাক এর ব্যাংক হিসাব পর্যালোচনায় অ্যাকাউন্টে অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্যও পাওয়া গেছে। আত্মসাৎকৃত স্বর্ণ উদ্ধার ও ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য আসামিদের তথ্য উদঘাটনের স্বার্থে আদালতে সোপর্দপূর্বক পুলিশ রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে।উল্লেখ্য যে, ইতোপূর্বে এই মামলায় এজাহারভুক্ত এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হলে বিজ্ঞ আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।বর্তমানে মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম সিআইডির ঢাকা মেট্রো পশ্চিম বিভাগ পরিচালনা করছে। অপরাধের পূর্ণাঙ্গ তথ্য উদঘাটন ও অন্যান্য অভিযুক্তদের গ্রেফতার করার স্বার্থে সিআইডির তদন্ত ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

রাণীনগরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু

রাণীনগরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু

নওগাঁর রানীনগর উপজেলার মাস্টার পাড়া এলাকায় রাস্তার পাশে পড়ে থাকা এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করে রানীনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালে এই ঘটনাটি ঘটে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে ওই ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ সকাল আনুমান ৬:৩০ মিনিট  মাস্টার পাড়া এলাকায় এক ব্যক্তিকে রাস্তার পাশে পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক মনে হওয়ায় এলাকাবাসী দ্রুত তাকে উদ্ধার করে রানীনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগে ভর্তির কিছুক্ষণ পর পুষষ ওয়ার্ডে দেয়া হয় , চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০:১৫ মিনিটে  তার মৃত্যু হয়।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ওই ব্যক্তিকে যখন আনা হয়েছিল তখন তিনি অত্যন্ত দুর্বল ও অচেতন ছিলেন। প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হলেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। খবর পেয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ হাসপাতাল পরিদর্শন করেছে এবং মরদেহটি বর্তমানে পুলিশি হেফাজতে রয়েছে।এলাকার বাসিন্দারা জানান, মৃত ব্যক্তিকে তারা আগে কখনো এই এলাকায় দেখেননি। তার পরনে ছিল পাঞ্জাবী ও লুঙ্গি সাথে কোনো পরিচয়পত্র পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি বাইরে থেকে এই এলাকায় এসেছিলেন অথবা পথচারী ছিলেন।রানীনগর থানার পুলিশ জানিয়েছে, ওই ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করার জন্য আশপাশের থানাগুলোতে সংবাদ পাঠানো হয়েছে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তথ্য প্রচার করা হচ্ছে।

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

চোখের স্ট্রোকের জন্য কি হাইপারটেনশন দায়ী?চোখের চিকিৎসক ডা. সুমন মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘হাইপারটেনশনের কারণে চোখের একাধিক ক্ষতি হতে পারে।’ উচ্চ রক্তচাপে চোখের রেটিনার শিরায় ব্লকেজ তৈরি হয়। এর ফলে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। এই অবস্থাকে ‘সেন্টাল রেটিনাল ভেইন অকুলেশন’ বলা হয়। এটি শিরার পাশাপাশি ধমনীতেও হতে পারে বলে জানিয়েছেন ডা. মুখোপাধ্যায়। আসলে চলতি ভাষায় এই অবস্থাকেই চোখের স্ট্রোক বলা হয়।সিআরভিও-এ কি দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারেন?সিআরভিও-এর একাধিক উপসর্গ রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে কমন হলো- হঠাৎ করে একটা চোখের দৃষ্টি কমে যাওয়া। এছাড়া চোখে রক্তপাত হলে চোখের ভিতর কালো ঝুলের মতো অংশ দেখা যায়।‘সিআরভিও-এর চিকিৎসা হলো ইনজেকশন বা রেটিনাল লেজার’ বলেন ডা. মুখোপাধ্যায়। সিআরভিও হলে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া, ঝাপসা দৃষ্টি এবং দৃষ্টিশক্তি হারানোর মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কতটা ক্ষতিকর?ডা. মুখোপাধ্যায়ের সংযোজন, ‘প্রেশার খুব বেশি থাকলে চোখের ভিতর যে অপটিক নার্ভ থাকে, তারও মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।’ এই অবস্থায় চোখে রক্তপাতও হতে পারে। একে চিকিৎসার ভাষায় হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি বলা হয়।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কি গর্ভবতীদেরও হয়?হাইপারটেনশনে ভয় রয়েছে অন্তঃসত্ত্বা নারীদেরও। অনেক সময় গর্ভাবস্থায় হবু মায়ের ব্লাড প্রেশার অত্যধিক বেড়ে যায়। যাকে বলে প্রেগন্যান্সি হাইপারটেনশন বা ‘একলাম্পসিয়া’। এই অবস্থা তৈরি হলে মস্তিষ্কে রক্তপাত হয়। এই পর্যায়ে পৌঁছনোর ঠিক আগে চোখের উপর প্রভাব পড়ে। দৃষ্টিশক্তি কমে আসে। এই লক্ষণ দেখে বোঝা যায় যে, ‘একলাম্পসিয়া’ খারাপ দিকে এগোচ্ছে ‘অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার কন্ট্রোলে রাখা দরকার কেন?এছাড়া অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার বারবার যাচাই করা দরকার। অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ থাকা অবস্থায় অস্ত্রোপচার করলে চোখে রক্তপাত হতে পারে এবং চোখ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

রক্তচাপ কতটা বেড়ে গেলে হার্টঅ্যাটাক হতে পারে

রক্তচাপ কতটা বেড়ে গেলে হার্টঅ্যাটাক হতে পারে

প্রথমত, উচ্চ রক্তচাপ কখন হয় এবং এটি আসলে কী তা বোঝা গুরুত্বপূর্ণ। সহজ কথায়, এটি এমন একটি স্বাস্থ্যগত অবস্থা যেখানে রক্ত পাম্প করার জন্য হৃদপিণ্ডকে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি চাপ প্রয়োগ করতে হয়। এর ফলে, শিরাগুলির উপর চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়, যার কারণে তাদের দেয়াল ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করে। গুরুতর ক্ষেত্রে, শিরা ফেটে যেতে পারে, যা মারাত্মক হতে পারে।উচ্চ রক্তচাপের পরিসীমা কতযদি শরীরের রক্তচাপের পরিসীমা ১২০/৮০ মিমি এইচজি হয় তবে তাকে স্বাভাবিক রক্তচাপ বলা হয়। কিন্তু যখন এই পরিসীমা সিস্টোলিক ১৩০/১৩৯ এবং ডায়াস্টোলিক ৮০ থেকে ৯০ মিমি এইচজি-র মধ্যে পড়ে, তখন তাকে উচ্চ রক্তচাপের অবস্থা বলা হয়।রক্তচাপের কোন স্তরটি হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়বিশেষজ্ঞদের মতে, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যাও হার্টঅ্যাটাকের জন্য অনেকাংশে দায়ী। পরিসরের কথা বলতে গেলে, যদি রক্তচাপ ১৪০/৯০ মিমিএইচজি-র উপরে পৌঁছায়, তাহলে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে, আপনার অবিলম্বে আপনার ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা উচিত যাতে অবস্থা গুরুতর না হয়।দৃশ্যমান লক্ষণগুলি কী কীরক্তচাপের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো এটি কোনও গুরুতর লক্ষণ দেখায় না। এজন্যই একে 'নীরব ঘাতক' বলা হয়। তবে, কিছু ক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তি তীব্র মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, চোখ লাল হওয়া, বুকে ব্যথা, নাক দিয়ে রক্তপাত এবং বমি বমি ভাব অনুভব করতে পারেন। অতএব, যদি আপনার রক্তচাপের সমস্যা থাকে, তাহলে নিয়মিত আপনার রিডিং পরীক্ষা করে দেখুন এবং গুরুতর অবস্থার ক্ষেত্রে, অবিলম্বে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন।

রক্তচাপ কতটা বেড়ে গেলে হার্টঅ্যাটাক হতে পারে

রক্তচাপ কতটা বেড়ে গেলে হার্টঅ্যাটাক হতে পারে

প্রথমত, উচ্চ রক্তচাপ কখন হয় এবং এটি আসলে কী তা বোঝা গুরুত্বপূর্ণ। সহজ কথায়, এটি এমন একটি স্বাস্থ্যগত অবস্থা যেখানে রক্ত পাম্প করার জন্য হৃদপিণ্ডকে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি চাপ প্রয়োগ করতে হয়। এর ফলে, শিরাগুলির উপর চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়, যার কারণে তাদের দেয়াল ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করে। গুরুতর ক্ষেত্রে, শিরা ফেটে যেতে পারে, যা মারাত্মক হতে পারে।উচ্চ রক্তচাপের পরিসীমা কতযদি শরীরের রক্তচাপের পরিসীমা ১২০/৮০ মিমি এইচজি হয় তবে তাকে স্বাভাবিক রক্তচাপ বলা হয়। কিন্তু যখন এই পরিসীমা সিস্টোলিক ১৩০/১৩৯ এবং ডায়াস্টোলিক ৮০ থেকে ৯০ মিমি এইচজি-র মধ্যে পড়ে, তখন তাকে উচ্চ রক্তচাপের অবস্থা বলা হয়।রক্তচাপের কোন স্তরটি হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়বিশেষজ্ঞদের মতে, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যাও হার্টঅ্যাটাকের জন্য অনেকাংশে দায়ী। পরিসরের কথা বলতে গেলে, যদি রক্তচাপ ১৪০/৯০ মিমিএইচজি-র উপরে পৌঁছায়, তাহলে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে, আপনার অবিলম্বে আপনার ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা উচিত যাতে অবস্থা গুরুতর না হয়।দৃশ্যমান লক্ষণগুলি কী কীরক্তচাপের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো এটি কোনও গুরুতর লক্ষণ দেখায় না। এজন্যই একে 'নীরব ঘাতক' বলা হয়। তবে, কিছু ক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তি তীব্র মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, চোখ লাল হওয়া, বুকে ব্যথা, নাক দিয়ে রক্তপাত এবং বমি বমি ভাব অনুভব করতে পারেন। অতএব, যদি আপনার রক্তচাপের সমস্যা থাকে, তাহলে নিয়মিত আপনার রিডিং পরীক্ষা করে দেখুন এবং গুরুতর অবস্থার ক্ষেত্রে, অবিলম্বে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন।

রাণীনগরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু

রাণীনগরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু

নওগাঁর রানীনগর উপজেলার মাস্টার পাড়া এলাকায় রাস্তার পাশে পড়ে থাকা এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করে রানীনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালে এই ঘটনাটি ঘটে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে ওই ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ সকাল আনুমান ৬:৩০ মিনিট  মাস্টার পাড়া এলাকায় এক ব্যক্তিকে রাস্তার পাশে পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক মনে হওয়ায় এলাকাবাসী দ্রুত তাকে উদ্ধার করে রানীনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগে ভর্তির কিছুক্ষণ পর পুষষ ওয়ার্ডে দেয়া হয় , চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০:১৫ মিনিটে  তার মৃত্যু হয়।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ওই ব্যক্তিকে যখন আনা হয়েছিল তখন তিনি অত্যন্ত দুর্বল ও অচেতন ছিলেন। প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হলেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। খবর পেয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ হাসপাতাল পরিদর্শন করেছে এবং মরদেহটি বর্তমানে পুলিশি হেফাজতে রয়েছে।এলাকার বাসিন্দারা জানান, মৃত ব্যক্তিকে তারা আগে কখনো এই এলাকায় দেখেননি। তার পরনে ছিল পাঞ্জাবী ও লুঙ্গি সাথে কোনো পরিচয়পত্র পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি বাইরে থেকে এই এলাকায় এসেছিলেন অথবা পথচারী ছিলেন।রানীনগর থানার পুলিশ জানিয়েছে, ওই ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করার জন্য আশপাশের থানাগুলোতে সংবাদ পাঠানো হয়েছে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তথ্য প্রচার করা হচ্ছে।