মুক্তির লড়াই
সর্বশেষ

গণপূর্তের ‘লটারি বদলি’ মডেল- / দুর্নীতির দুষ্টচক্র ভাঙতে মন্ত্রীর সাহসী উদ্যোগ এখন সারা সরকারে ছড়িয়ে পড়ছে

গণপূর্তের ‘লটারি বদলি’ মডেল এখন সারা সরকারে ছড়িয়ে পড়ছে। বদলি বাণিজ্যের অভিযোগে দীর্ঘদিন ধরে কলঙ্কিত এক খাতে প্রথমবারের মতো সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের। লটারির মাধ্যমে প্রকৌশলীদের বদলি-পদায়নের যে সিদ্ধান্ত তিনি গত জুলাইয়ে বাস্তবায়ন করেন, তা কেবল মন্ত্রণালয়ের ভেতরেই নয়—সরকারের সর্বস্তরে প্রশংসিত হয়েছে। বিশেষ করে যেসব দপ্তরে বদলি বাণিজ্যের অভিযোগ বেশি প্রতিষ্ঠিত, সেখানেই আগে শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে আইন মন্ত্রণালয় গত সপ্তাহে সাবরেজিস্ট্রার পদে লটারির মাধ্যমে বদলি কার্যক্রম শুরু করেছে। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই উদ্যোগও সাধারণ মানুষের কাছ থেকে সাধুবাদ পাচ্ছে।শনিবার এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের বলেন, ‘দায়িত্ব নেওয়ার শুরু থেকেই জেনেছি—মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থায় বদলি-পদায়নের ক্ষেত্রে অনিয়ম, দুর্নীতি ও তদবিরের একটা দুষ্টচক্র রয়েছে। যারা কথিত “প্রাইজ পোস্টিং” হাতিয়ে নিতে প্রভাবশালী মহলকে ব্যবহার করেন। এ কারণে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ে। কিন্তু আমি মন্ত্রী থাকাবস্থায় এসব আর চলবে না। জিরো টলারেন্সের নীতি নিয়েছি। বদলি বাণিজ্য নির্মূল করতে লটারির মাধ্যমে পদায়নের ব্যবস্থা করেছি।’ তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রতিটি দপ্তরে এই কার্যক্রম বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে কাজের স্বচ্ছতা আরও সহজ হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুশাসন ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার বাস্তবায়নে অন্যান্য মন্ত্রণালয়ও লটারি পদ্ধতি অনুসরণ করছে জেনে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।গণপূর্ত অধিদপ্তরের উপসহকারী, সহকারী ও উপবিভাগীয় প্রকৌশলীদের বদলিতে এই পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়। তিন দফায় মোট এক হাজার ৪৩০ জন প্রকৌশলীকে লটারির মাধ্যমে বদলি করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩০ জুলাই ৭৬৭ জন উপসহকারী প্রকৌশলী, ৩ আগস্ট আরও ২৫৪ জন উপসহকারী প্রকৌশলী এবং ১৬ আগস্ট ৪০৯ জন সহকারী ও উপবিভাগীয় প্রকৌশলীকে বদলি করা হয়। এই ৪০৯ জনের মধ্যে সিভিল সহকারী প্রকৌশলী ছিলেন ১৫২ জন, ই/এম সহকারী ৬৭ জন, সিভিল উপবিভাগীয় ১৩৫ জন এবং ই/এম উপবিভাগীয় ৫৫ জন। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে নির্বাহী প্রকৌশলী ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীসহ উচ্চতর পদগুলোতেও লটারির মাধ্যমে বদলি ও পদায়ন হবে—বিশেষ করে যেসব পদে ‘কাঙ্ক্ষিত কর্মস্থল’ নিয়ে প্রতিযোগিতা বেশি।পূর্ত মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা মনে করেন, লটারির মাধ্যমে বদলি প্রক্রিয়া স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির এক নতুন দৃষ্টান্ত। তদবিরের বিপরীতে এই উন্মুক্ত পদ্ধতি সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নকে সহজ করবে। তবে তারা সতর্ক করে বলেন—লটারির পাশাপাশি যোগ্যতা, জ্যেষ্ঠতা, প্রশাসনিক প্রয়োজন, পারিবারিক পরিস্থিতি ও সংশ্লিষ্ট বিধিমালাও বিবেচনায় রাখতে হবে। কারণ সব বদলি এক রকম নয়। লটারিকে কার্যকর করতে যোগ্য কর্মকর্তাদের পরিধি নির্ধারণ ও স্পষ্ট নীতিমালা জরুরি। মন্ত্রণালয় এই বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করছে। সবচেয়ে বড় তাৎপর্য হলো—বদলি-পদায়নের মতো সংবেদনশীল সিদ্ধান্তে প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতাকে দৃশ্যমান করা। একজন কর্মকর্তা কোথায় যাবেন—এ সিদ্ধান্ত যদি নির্দিষ্ট নীতিমালা ও উন্মুক্ত লটারির মাধ্যমে হয়, তাহলে ব্যক্তিগত যোগাযোগ ও তদবিরের সুযোগ অনেক কমে আসে। একই সঙ্গে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে সিদ্ধান্তের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ে। সরকারি ব্যবস্থাপনায় সুশাসনের মূল উপাদান হলো স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও ন্যায্যতা। গণপূর্তের ‘লটারি বদলি মডেল’ সেই নীতিগুলো বাস্তবায়নের একটি শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক হাতিয়ার হিসেবে এখন সারা সরকারে ছড়িয়ে পড়ছে।

রামপালে ঘুষ বানিজ্যের ভিডিও ভাইরাল, জেলা প্রশাসকের চিঠি

বাগেরহাটের রামপাল উপজেলা ভূমি অফিসে নামজারি'সহ বিভিন্ন  ঘুষ বানিজ্যর কোনোভাবেই লাগাম টেনে ধরা যাচ্ছে না। গোপন বা প্রকাশ্যে এসব ঘুষ বানিজ্য মনে হয় হাতের মোহা। ফলে সেবা প্রত্যাশিরা পড়ছে চরম বিড়ম্বনায়। আশেপাশে ঘাপটি মেরে থাকা দালাল চক্রের দৌরাত্ম্যের ফলে হারাচ্ছেন হাজার হাজার টাকা।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ভুক্তভোগী জানান, শ্রেণীভেদে নামজারি'সহ বিভিন্ন কাজে দিতে হয় বিশাল অংকের টাকা। রামপাল ভূমি অফিসের এইসব ঘুষ বানিজ্যের চিত্র দীর্ঘদিনের। তবে এসব বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভিজিৎ চক্রবর্তী কঠোর হস্তে ব্যবস্থা নিচ্ছেন বলে জানান তিনি। সম্প্রতি নামজারি করতে আসা এক ভুক্তভোগীর কাছ থেক কানুনগো নিয়েছেন মোটা অংকের টাকা। যা ভিডিওতে ধারণ করেন ভুক্তভোগী এক ব্যক্তি। এরপর জানাজানি হলে বিষয়টি নিয়ে চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হয় উপজেলাজুড়ে। ঘুষ বানিজ্যের বিষয়টি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভিজিৎ চক্রবর্তী'র নজরে আসলে গত ৬ আগস্ট ২০২৬ কানুনগো মোঃ আবুল বশারের বিরুদ্ধে দেওয়া হয় কারণ দর্শানোর নোটিশ। ওই নোটিশে তিনি উল্লেখ করেন, দাপ্তরিক দায়িত্ব পালনকালে নিজ অফিস কক্ষে বসে নামজারি কেসের প্রতিবেদন প্রদানের বিনিময়ে সেবা গ্রহীতাদের নিকট হতে নিয়মবহির্ভূতভাবে নগদ অর্থ গ্রহণ করেছে, যার ৩ (তিন) মিনিট ৫৬ (ছাপ্পান্ন) সেকেন্ড এবং ৫ (পাঁচ) মিনিট ২২ (বাইশ) সেকেন্ড দৈর্ঘ্যের ২ (দুই)টি ভিডিও ক্লিপের তথ্য পেয়েছে সংশ্লিষ্ট দপ্তর। উক্ত ভিডিও ক্লিপসের বিষয়ে নোটিশে সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হওয়ায় সরকারী সেবা প্রদানের বিনিময়ে উৎকোচ গ্রহণ করার দায় সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপীল) বিধিমালা, ২০১৮ - এর বিধি ৩(খ) মোতাবেক 'অসদাচরণ' এর দায়ে কানুনগো মোঃ আবুল বশারের বিরুদ্ধে অভিযুক্ত গঠন করে উপজেলা ভূমি অফিস।পরবর্তীতে গত ১২ আগষ্ট তথ্য'সহ বাগেরহাট জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযুক্ত কানুনগো মোঃ আবুল বাশারের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে দেওয়া হয় আরেকটি চিঠি। ওই চিঠির আলোকে গত ৮ সেপ্টেম্বর-০৫.৪৪.০১০০.০১৪.১৯.২০,২৬- নং স্মারকে বাগেরহাট জেলা প্রশাসক গোলাম মোঃ বাতেন অভিযুক্ত কানুনগো মোঃ আবুল বশারের বিরুদ্ধে মামলা রুজুর আর্জি জানিয়ে খুলনা বিভাগীয় কমিশনার বরাবর দিয়েছেন চিঠি। তবে দীর্ঘ প্রায় ৩ মাস অতিবাহিত হলেও আলোচিত এবিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তর কোনো ব্যবস্থা গ্রহন না করায় তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন সাধারণ সেবাগ্রহীতারা।অন্যদিকে কানুনগো মোঃ আবুল বাশারের উৎকোচ নেওয়া এই ভিডিওকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে নামধারী কিছু সাংবাদিক নিয়েছেন বিশেষ সুবিধাও। এমনকি ঘুষ বানিজ্যের ভাইরাল ভিডিও ও বিভাগীয় মামলা নিতে বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের চিঠিকেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে তাঁর ব্যক্তিগত সম্মানহানি ও সামাজিক মর্যাদা ক্ষুন্ন হয়েছে বলে উল্লেখ্য করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। বিষয়টি জানাজানি বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করা হলে মুষল ধারার সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হচ্ছে।এখন প্রশ্ন হলো - এই ঘুষ বানিজ্যের ভাইরাল ভিডিও ও বিভাগীয় মামলা নিতে বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের চিঠি'টা  আসলেই কি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)'এর ব্যবহার না-কি কোনো ধোঁয়ার জাল বা কুয়াশা আক্রমণ❓এ বিষয়ে একাধিক ভূমি অফিসে তাদের কাঙ্খিত সেবা নিতে আশা একাধিক সেবা গ্রহীতারাজানান, সরকারি নিয়মের বাইরে অনৈতিকভাবে বিভিন্ন কলাকৌশলে আমাদের কাছ থেকে হাতিয়ে নেওয়া হয় বড়ো অংকের টাকা। এইসব টাকা দিতে অপারগতা জানালে সৃষ্টি হয় বিভিন্ন  বাহানা বা অজুহাত। তখন বলা হয় আমার কাগজে বিভিন্ন সমস্যা। তবে ওই একই আবেদনের ফাইল টাকা দিলে হয়ে যায় সব ঠিকঠাক। সেবা গ্রহীতারা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে আরও জানান, আমরা শুনেছি এই চিটিতে নাকি কানুনগোকে কিছুই করতে পারবে না। তিনি বলাবলি করেন উপরে সব ম্যানেজ হয়ে গেছে। এসব ছোটখাটো বিষয়। তার হাত অনেক লম্বা। দীর্ঘদিন দালানচক্র চুষে খাচ্ছে আমাদের। আমরা ঘুষখোর ওই কানুনগো মোঃ আবুল বাশারের অপসারণ চাই, শাস্তি চাই।এ অভিযোগের ব্যাপারে  অভিযুক কানুনগো মোঃ আবুল বশারের কাছে ঘুষ নেওয়ার বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি কি বলবো আপনি এসিল্যান্ড স্যারদের কাছে শোনেন বলেই ফোনকলটির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।এ বিষয়ে রামপাল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভিজিৎ চক্রবর্তী জানান, বিষয়টি ঘটনার তিনদিন পর আমার কানে আসে। এরপর ওইদিনই তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেই এবং সেটি সন্তোষজনক না হওয়ায় জেলা প্রশাসন বরাবর অভিযুক্ত গঠন করে চিঠি দিয়েছি। আমি রামপাল উপজেলা ভূমি অফিসকে দূর্নীতিমুক্ত করতে বন্ধপরিকর। এবং যাহারা এই অপকর্মের সাথে জড়িত তাদের কোনো পরিচয় নেই তারা অপরাধী। আমি তাদের বিরুদ্ধে শক্ত হাতে ব্যবস্থা নিচ্ছি বা নেবো।

রামপালে ঘুষ বানিজ্যের ভিডিও ভাইরাল, জেলা প্রশাসকের চিঠি

কুমিল্লায় তাজমিন হত্যাকাণ্ড: চট্টগ্রাম থেকে একজন গ্রেপ্তার, সিএনজি চালক সুমনের সন্ধানে তদন্ত জোরদার

কুমিল্লার লালমাইয়ের ধানক্ষেতে পাওয়া সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) রহস্যময় মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশ একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাকে চট্টগ্রাম থেকে ধরা হয়েছে। তবে তার পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।বৃহস্পতিবার ভোরে কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশের জাত্রাপুর গ্রামের একটি ধানক্ষেত থেকে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহের পাশেই পড়ে ছিল একটি পরিত্যক্ত সিএনজিচালিত অটোরিকশা। অটোরিকশাটির মালিক নিশ্চিত করেছেন, চালক ছিলেন সুমন।পুলিশ ইতোমধ্যে সুমনকে শনাক্ত করেছে। তার বাড়ি চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায়। তিনি লালমাইয়ের বাগমারা দক্ষিণের জয়নগর গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে থাকতেন। প্রায় এক মাস আগে বসতঘর বিক্রি করে সেখান থেকে চলে যান। সূত্র বলছে, তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন। সুমনকে ধরতে অভিযান শুরু করে পুলিশ বৃহস্পতিবার তার বোন, বোনের স্বামী ও খালাশাশুড়িকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেয়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই অভিযান চালানো হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সুমনের একটি রিলও ছড়িয়ে পড়েছে।সিসিটিভিতে শেষ রাতের চলাচলপুলিশ তাজমিনের মৃত্যুর আগের রাতের কিছু সিসিটিভি ফুটেজ হাতে পেয়েছে। ফুটেজে দেখা যায়, বুধবার রাত পৌনে ১২টার দিকে কক্সবাজার থেকে ফেরা আইকনিক পরিবহনের একটি বাস থেকে কুমিল্লার পদুয়ার বাজারে নূরজাহান হোটেলের সামনে নামেন তাজমিন। এরপর তিনি হোটেলের পাশের খাবারের দোকান ও পশ্চিম পাশের কয়েকটি স্টেশনারি দোকানের দিকে যান। একটি দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে দোকানির সঙ্গে কথা বলেন এবং কিছু দেখান বা দিকনির্দেশনা নেন। রাত ১২টার দিকে সেখান থেকে সরে অন্য পাশে যান। সোয়া ১২টার দিকে নূরজাহান হোটেল এলাকা ছেড়ে একটি সিএনজিতে ওঠেন।বাবাকে পাঠানো লাইভ লোকেশনতাজমিনের বাবা আবদুল আলীম জানান, ৪ অক্টোবর কুমিল্লা নগরীর রেসকোর্স এলাকার ধানমন্ডিপাড়ার ভাড়া বাসা থেকে বের হন তাঁর একমাত্র মেয়ে। শহরে এক বান্ধবীর বাসায় যাওয়ার কথা বলেছিলেন। পরে ওই বান্ধবীর সঙ্গে কক্সবাজারে যান। বুধবার রাতে কুমিল্লার উদ্দেশে রওনা হন।রাত আনুমানিক পৌনে ২টার দিকে মেয়ে মোবাইলে একটি বার্তা ও লাইভ লোকেশন পাঠান। বার্তায় গিয়ে নিয়ে আসতে বলেন। আলীম বলেন, ‘তখন আমি ঘুমে ছিলাম। সকালে মেসেজ দেখি। তারপর লাইভ লোকেশনে এসে মেয়ের মরদেহ উদ্ধার হচ্ছে দেখতে পাই।’মৃত্যুর কারণ এখনো অজানালালমাই থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, তাজমিনের মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। প্রথমে মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরে পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। তিনি জানান, ঘটনা কীভাবে ঘটেছে এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা উদ্ঘাটনে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে। সিএনজি চালক সুমন মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন না এবং তাঁর জাতীয় পরিচয়পত্র নেই বলেও জানা গেছে।তদন্ত চলছে। পুলিশ আরও তথ্য জানাতে চাইছে।

কুমিল্লায় তাজমিন হত্যাকাণ্ড: চট্টগ্রাম থেকে একজন গ্রেপ্তার, সিএনজি চালক সুমনের সন্ধানে তদন্ত জোরদার
দুর্নীতির দুষ্টচক্র ভাঙতে মন্ত্রীর সাহসী উদ্যোগ এখন সারা সরকারে ছড়িয়ে পড়ছে

গণপূর্তের ‘লটারি বদলি’ মডেল- / দুর্নীতির দুষ্টচক্র ভাঙতে মন্ত্রীর সাহসী উদ্যোগ এখন সারা সরকারে ছড়িয়ে পড়ছে

গণপূর্তের ‘লটারি বদলি’ মডেল এখন সারা সরকারে ছড়িয়ে পড়ছে। বদলি বাণিজ্যের অভিযোগে দীর্ঘদিন ধরে কলঙ্কিত এক খাতে প্রথমবারের মতো সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের। লটারির মাধ্যমে প্রকৌশলীদের বদলি-পদায়নের যে সিদ্ধান্ত তিনি গত জুলাইয়ে বাস্তবায়ন করেন, তা কেবল মন্ত্রণালয়ের ভেতরেই নয়—সরকারের সর্বস্তরে প্রশংসিত হয়েছে। বিশেষ করে যেসব দপ্তরে বদলি বাণিজ্যের অভিযোগ বেশি প্রতিষ্ঠিত, সেখানেই আগে শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে আইন মন্ত্রণালয় গত সপ্তাহে সাবরেজিস্ট্রার পদে লটারির মাধ্যমে বদলি কার্যক্রম শুরু করেছে। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই উদ্যোগও সাধারণ মানুষের কাছ থেকে সাধুবাদ পাচ্ছে।শনিবার এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের বলেন, ‘দায়িত্ব নেওয়ার শুরু থেকেই জেনেছি—মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থায় বদলি-পদায়নের ক্ষেত্রে অনিয়ম, দুর্নীতি ও তদবিরের একটা দুষ্টচক্র রয়েছে। যারা কথিত “প্রাইজ পোস্টিং” হাতিয়ে নিতে প্রভাবশালী মহলকে ব্যবহার করেন। এ কারণে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ে। কিন্তু আমি মন্ত্রী থাকাবস্থায় এসব আর চলবে না। জিরো টলারেন্সের নীতি নিয়েছি। বদলি বাণিজ্য নির্মূল করতে লটারির মাধ্যমে পদায়নের ব্যবস্থা করেছি।’ তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রতিটি দপ্তরে এই কার্যক্রম বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে কাজের স্বচ্ছতা আরও সহজ হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুশাসন ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার বাস্তবায়নে অন্যান্য মন্ত্রণালয়ও লটারি পদ্ধতি অনুসরণ করছে জেনে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।গণপূর্ত অধিদপ্তরের উপসহকারী, সহকারী ও উপবিভাগীয় প্রকৌশলীদের বদলিতে এই পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়। তিন দফায় মোট এক হাজার ৪৩০ জন প্রকৌশলীকে লটারির মাধ্যমে বদলি করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩০ জুলাই ৭৬৭ জন উপসহকারী প্রকৌশলী, ৩ আগস্ট আরও ২৫৪ জন উপসহকারী প্রকৌশলী এবং ১৬ আগস্ট ৪০৯ জন সহকারী ও উপবিভাগীয় প্রকৌশলীকে বদলি করা হয়। এই ৪০৯ জনের মধ্যে সিভিল সহকারী প্রকৌশলী ছিলেন ১৫২ জন, ই/এম সহকারী ৬৭ জন, সিভিল উপবিভাগীয় ১৩৫ জন এবং ই/এম উপবিভাগীয় ৫৫ জন। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে নির্বাহী প্রকৌশলী ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীসহ উচ্চতর পদগুলোতেও লটারির মাধ্যমে বদলি ও পদায়ন হবে—বিশেষ করে যেসব পদে ‘কাঙ্ক্ষিত কর্মস্থল’ নিয়ে প্রতিযোগিতা বেশি।পূর্ত মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা মনে করেন, লটারির মাধ্যমে বদলি প্রক্রিয়া স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির এক নতুন দৃষ্টান্ত। তদবিরের বিপরীতে এই উন্মুক্ত পদ্ধতি সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নকে সহজ করবে। তবে তারা সতর্ক করে বলেন—লটারির পাশাপাশি যোগ্যতা, জ্যেষ্ঠতা, প্রশাসনিক প্রয়োজন, পারিবারিক পরিস্থিতি ও সংশ্লিষ্ট বিধিমালাও বিবেচনায় রাখতে হবে। কারণ সব বদলি এক রকম নয়। লটারিকে কার্যকর করতে যোগ্য কর্মকর্তাদের পরিধি নির্ধারণ ও স্পষ্ট নীতিমালা জরুরি। মন্ত্রণালয় এই বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করছে। সবচেয়ে বড় তাৎপর্য হলো—বদলি-পদায়নের মতো সংবেদনশীল সিদ্ধান্তে প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতাকে দৃশ্যমান করা। একজন কর্মকর্তা কোথায় যাবেন—এ সিদ্ধান্ত যদি নির্দিষ্ট নীতিমালা ও উন্মুক্ত লটারির মাধ্যমে হয়, তাহলে ব্যক্তিগত যোগাযোগ ও তদবিরের সুযোগ অনেক কমে আসে। একই সঙ্গে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে সিদ্ধান্তের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ে। সরকারি ব্যবস্থাপনায় সুশাসনের মূল উপাদান হলো স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও ন্যায্যতা। গণপূর্তের ‘লটারি বদলি মডেল’ সেই নীতিগুলো বাস্তবায়নের একটি শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক হাতিয়ার হিসেবে এখন সারা সরকারে ছড়িয়ে পড়ছে।

বেইজিং থেকে শাংহাই: চীনা ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা স্কুলের নবযাত্রা

চীনের আন্তর্জাতিক পরিষেবা বাণিজ্য মেলায়, বেইজিং ইউনিভার্সিটি অফ চায়নিজ মেডিসিনের বুথে, এক মিটারেরও বেশি লম্বা একটি মানবাকৃতির বুদ্ধিমান রোবট, একটি ম্যানিকুইনকে কাঁধে মাসাজ দিচ্ছিল, যার নড়াচড়া ছিল বেশ জীবন্ত। এটি বিপুলসংখ্যক দর্শনার্থীকে আকৃষ্ট করে।বুথটির কর্মী চাং লু চেং বলেন, দক্ষ হাত ও শরীরের সাথে সংযুক্ত একটি বাহুর ওপর ভিত্তি করে, রোবটটি প্রাথমিক মাসাজ-কৌশল অনুকরণ করতে পারে। রোবটটিতে একটি মাসাজ বিশেষজ্ঞ মডেলও সমন্বিত রয়েছে, যা রোগ নির্ণয়ে সক্ষম।চীনা ওষুধের ক্রমবর্ধমান ফার্মেসির জন্য এআই-চালিত বিতরণ মান নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা, প্রখ্যাত টিসিএম চিকিৎসকদের বৈশিষ্ট্যযুক্ত এআই-চালিত স্মার্ট চশমা, এবং স্ব-পরিষেবা টিসিএম রোগ নির্ণয় যন্ত্রসহ একাধিক উদ্ভাবনী পণ্য, টিসিএম শিক্ষাদান ও গবেষণার সাথে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার গভীর একীকরণের একটি ঝলক তুলে ধরে।বেইজিং ইউনিভার্সিটি অফ চায়নিজ মেডিসিনের চীনা কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিসি)-র সম্পাদক ওয়াং ইয়াও ছি সাংবাদিককে বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শিক্ষাব্যবস্থাকে নতুন রূপ দিচ্ছে। ডিজিটাল রূপান্তরের ধারার সাথে খাপ খাইয়ে নিতে হবে; ঐতিহ্যবাহী চীনা চিকিৎসাবিদ্যার ঐতিহ্য ও উদ্ভাবনের সাথে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে সক্রিয়ভাবে একীভূত করে শিক্ষা সংস্কারের চাহিদা মেটাতে হবে; এবং ঐতিহ্যকে সমুন্নত রেখে উদ্ভাবনের মাধ্যমে শিক্ষার একটি নতুন দৃষ্টান্ত অন্বেষণ করতে হবে।এদিকে, বেইজিং ইউনিভার্সিটি অফ চায়নিজ মেডিসিনের নেতৃত্বে পরিচালিত টিসিএম শিক্ষার ‘চীনা চিকিৎসার মশাল হস্তান্তর’ কাঠামোটি একটি ‘ইলেকট্রনিক শিক্ষণ সহকারী’ হিসেবে কাজ করে, যা যেকোনো সময়, যেকোনো স্থানে শিক্ষার্থীদের প্রশ্নের উত্তর দেয়।বিশ্ববিদ্যালয়টির একাডেমিক বিষয়ক পরিচালক লিউ থিয়ে কাং বলেন, বড় মডেলটি বিপুল পরিমাণ ঐতিহ্যবাহী চীনা ওষুধের শাস্ত্রীয় গ্রন্থ, তত্ত্ব, শিক্ষামূলক কোর্স, ভেষজ জ্ঞান, ব্যবস্থাপত্র পদ্ধতি এবং অন্যান্য বহুমাত্রিক তথ্য সম্পদকে সমন্বিত করেছে। এটি শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক জেনারেটিভ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-ভিত্তিক শিক্ষা-কেন্দ্রিক প্রথম ব্যাচের বড় মডেল নির্মাণ প্রকল্পগুলোর অন্যতম হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।বর্তমানে ঐতিহ্যবাহী চীনা চিকিৎসায় বিশেষায়িত অনেক বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ এমন উদ্ভাবনী প্রতিভা গড়ে তোলার ওপর মনোযোগ দিচ্ছে, যারা এই চিকিৎসায় পারদর্শী ও ডিজিটাল সাক্ষরতার অধিকারী।শাংহাই ইউনিভার্সিটি অফ ট্র্যাডিশনাল চায়নিজ মেডিসিন ঐতিহ্যবাহী চীনা চিকিৎসায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছে। কুয়াংচৌ ইউনিভার্সিটি অফ চায়নিজ মেডিসিন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ে একটি স্নাতক মেজর চালু করেছে। বেইজিং ইউনিভার্সিটি অফ চায়নিজ মেডিসিন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে গভীরভাবে সমন্বিত করে একাধিক কোর্স চালু করেছে। এর মধ্যে রয়েছে ইন্টেলিজেন্ট টিসিএম ডায়াগনস্টিকস, আইডেন্টিফিকেশন অ্যান্ড ইন্টেলিজেন্ট কম্প্যাটিবিলিটি অফ চায়নিজ হার্বাল প্রপার্টিজ, এবং মেরিডিয়ান ডায়াগনোসিস অ্যান্ড ট্রিটমেন্ট দ্যাট কম্বাইনস সাইকোলজিক্যাল অ্যান্ড ফিজিক্যাল আসপেক্টস।কুয়াংচৌ ইউনিভার্সিটি অফ চায়নিজ মেডিসিনের ডক্টরাল শিক্ষার্থী লি চি ইউয়ান বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ঐতিহ্যবাহী চীনা চিকিৎসা-পদ্ধতির বহু অভিজ্ঞতাকে এমন জ্ঞানে রূপান্তরিত করতে পারে, যা শেখা ও পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব। তবে, এটি টিসিএম-এর সিনড্রোম পৃথকীকরণ ও চিকিৎসার মূল চিন্তাধারাকে প্রতিস্থাপন করতে পারে না।শাংহাই ঐতিহ্যবাহী চীনা চিকিৎসা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান চি কুয়াং বলেন, এই বছর চীনে ঐতিহ্যবাহী চীনা চিকিৎসাবিদ্যায় উচ্চশিক্ষার ৭০তম বার্ষিকী পালিত হচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ঐতিহ্যবাহী চীনা চিকিৎসাকে একটি সম্পূর্ণ নতুন 'জ্ঞানীয় দৃষ্টিকোণ' প্রদান করছে।সূত্র: ছাই-আলিম-ওয়াং হাইমান,চায়না মিডিয়া গ্রুপ

চাঁদপুর জেলা বিএনপির তিন সংগঠনের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত

চাঁদপুর জেলা বিএনপির তিন সংগঠনের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৫ সেপ্টেম্বর( শুক্রবার ) চাঁদপুর জেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে মিছিল পূর্ব সংক্ষিপ্ত বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে চাঁদপুরে এ বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছেন বলে জানিয়েছেন জেলা যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল। অনুষ্ঠিত মিছিল পূর্ব সংক্ষিপ্ত বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর ৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমদ মানিক। সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমদ মানিক বলেন, চাঁদপুর জেলায় যারা  শান্তিতে ঘুমিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত  সংগঠনের মিছিলে যোগদান করেন তারা এখনো বোকার স্বর্গে বাস করতেছেন ।আপনারা যারা নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন  ঘোষিত নানা দাবী করেন তাদেরকে প্রতিহত করার জন্য যা যা দরকার আমরা তাই করবো। চাঁদপুর জেলা যুবদলের সভাপতি মানিকুর রহমান মানিকের সভাপতিত্ব এবং জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদকের এডভোকেট নুরুল আমিন খান আকাশ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব সিনিয়র শামসুল আরেফিন খানের যৌথ পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট সলিমুল্লাহ সেলিম, চাঁদপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোঃ মাসুদুর রহমান মাঝি ,পৌর যুবদলের খোকা, চাঁদপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক আব্দুল মান্নান খান কাজল ,সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শামসুল আলম সূর্য ,,সদর উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল মান্নান খান কাজল, সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আবু হানিফ কাকন পুরুষ স্বেচ্ছাসেবক দলের  আহ্বায়ক শফিউদ্দিন বাবলু প্রমুখ। আরো  উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি খলিলুর রহমান গাজী ,পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক  এডভোকেট হারুনুর রশিদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি আফজাল হোসেন বেপারী সাংগঠনিক সম্পাদক শরিফ উদ্দিন পলাশ ,জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ফয়সালা আহমেদ বাহার ,জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ইসমাইল হোসেন পাটোয়ারী  ,সদস্য সচিব জিয়াউর রহমান সোহাগসহ বিএনপি যুবদল স্বেচ্ছাসেবক দল ছাত্রদল ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠন নেতাকর্মীরা। পরিশেষে জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল চাঁদপুর শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে মিছিলটি আবার পুনরায় চাঁদপুর জেলা বিএনপির কার্যালয়ে ফিরে আসেন এবং শেষ করেন।

১৪ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৯ পিএম
চলতি এইচএসসি পরীক্ষায় পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ে প্রশ্নপত্রে ভুলের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন বলেছেন, প্রশ্ন আমরা তৈরি করিনি, বিগত সরকার করেছে। আপনি কি তাই মনে করেন?

চলতি এইচএসসি পরীক্ষায় পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ে প্রশ্নপত্রে ভুলের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন বলেছেন, প্রশ্ন আমরা তৈরি করিনি, বিগত সরকার করেছে। আপনি কি তাই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ৩ জন

বরুড়ায় এ কে এম আবু তাহের আন্ত উপজেলা ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

বরুড়া কুমিল্লা, বরুড়ায় এ কে এম আবু তাহের আন্ত-উপজেলা  ফুটবল টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। ২৩শে সেপ্টেম্বর বিকাল তিনটায় বরুড়া পৌরসভার তলাগ্রাম ত.চ. লাহা উচ্চ বিদ্যালয়ে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন সাবেক সাংসদ মরহুম এ কে এম আবু তাহেরের সন্তান কুমিল্লা দঃ জেলা বিএনপির সভাপতি ও গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের গৃহায়ণ ও  গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন। উল্লেখ্য এ কে এম আবু তাহের ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনায় কুমিল্লা  ইলেভেন স্টার ক্লাবের সার্বিক সহযোগীতায় বরুড়ার তলাগ্রাম ত.চ লাহা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ ও বরুড়া শহীদ স্মৃতি সরকারি কলেজ মাঠে একযোগে কুমিল্লা জেলার সকল উপজেলার একটি করে দল চার গ্রুপে বিভক্ত হয়ে অংশগ্রহন করবে।প্রাথমিক পর্বে সকল দলের মোট  ৩৬টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে এবং চার গ্রুপের চ্যান্পিয়ান ও রানারআপ দল কোয়াটার ফাইনালে উত্তির্ন হয়ে, সেমিফাইনাল  ও ফাইনাল মিলে সর্বমোট ৪২টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে এই টুর্নামেন্টে। আগামী ১৬ই অক্টোবর দুটি সেমিফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে এবং টুর্নামেন্ট চলাকালীন সময়ে ফাইনালের তারিখ জানিয়ে দেওয়া হবে।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বরুড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসাদুজ্জামান রনি, সহকারী কমিশনার ভুমি আহসান হাফিজ,  বরুড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি কায়সার আলম সেলিম,  সহসভাপতি সৈয়দ রেজাউল হক রেজু,সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ জহিরুল হক স্বপন,  বরুড়া পৌরসভার বিএনপির সভাপতি সাবেক মেয়র জসিম উদ্দিন পাটোয়ারী, সাধারণ সম্পাদক মোঃ মফিজুল ইসলাম সহ প্রমুখ।

জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক নির্বাচিত হলেন হাজীগঞ্জের আনিসুর রহমান

জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক নির্বাচিত হলেন হাজীগঞ্জের আনিসুর রহমান

জাতীয় শিক্ষক দিবস ২০২৬ উপলক্ষে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ গুণী ও শিক্ষক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার উচ্চগা, ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষক ও গণিত বিষয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ আনিসুর রহমান মজুমদার। শিক্ষা ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান দায়িত্বশীলতা ও গুণগত শিক্ষাদানে ভূমিকার স্বীকৃতি স্বরূপ তাকে জাতীয় পর্যায়ে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়। জাতীয় শিক্ষক দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে তিনি শ্রেষ্ঠত্বের সনদ ও মেডেল গ্রহণ করেন।হাজীগঞ্জের শিক্ষাঙ্গনে তারে অর্জনে শিক্ষক শিক্ষার্থী ,অভিভাবক ও স্থানীয়দের মাঝে আনন্দ ও গর্বের অনুভূতি সৃষ্টি হয়েছে ।তার এই সম্মাননা হাজীগঞ্জের শিক্ষাঙ্গনের জন্য একটি গৌরবের অর্জন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এনজিও ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যানের সাথে শেরপুরের সংস্থাসমূহের নির্বাহী পরিচালকগদের সাক্ষাৎ

এনজিও ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যানের সাথে শেরপুরের সংস্থাসমূহের নির্বাহী পরিচালকগদের সাক্ষাৎ

বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশনের শেরপুর জেলার সহযোগী সংস্থাসমূহের নির্বাহী পরিচালকগণ  ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান খোন্দকার মোঃ মোরতাজুল করিম বাদরুর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাৎকালে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, সহযোগী সংস্থাসমূহ দারিদ্র্য বিমোচনে স্বচ্ছতার সাথে কাজ করে  এনজিও ফাউন্ডেশনের সুনাম অক্ষুন্ন রাখবে। এ সময় সহযোগী সংস্থাসমূহের চেয়ারম্যানকে ক্রেষ্ট প্রদান করেন। আলাপকালে সংস্থাসমূহের প্রধান নির্বাহীরা  জানান তাঁরা স্বচ্ছতার সাথে ফাউন্ডেশনের অনুদানে গাভি পালন, ছাগল বিতরণ, স্যানিটেশন, মাদক নিরাময়সহ বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করেন।  এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে সমাজ থেকে যেমন দারিদ্র্য বিমোচন হচ্ছে তেমনি আত্ম-কর্মসংস্থানের মাধ্যমে সম্পদ সৃষ্টি করে আত্মমর্যাদাশীল জাতি গঠনে বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশন বিশেষ ভূমিকা রাখছে। এজন্য তারা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যানকে বিশেষ ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। সাক্ষাতে উপস্থিত সহযোগী সংস্থাসমূহের মধ্য সেন্টার ফর অ্যাডভান্সডমেন্ট প্রোগ্রাম (ক্যাপ), সেবা পরিষদ ( এসপি), সবুজ বাংলা গ্রামীণ উন্নয়ন সংস্থা, সুনীতি সংঘ, স্ব-নির্ভর নারী কল্যান সংস্থা, পল্লী উন্নয়ন সংস্থা, ভোরের আলো মহিলা সংস্থা, মহিলা ও শিশু পুনর্বাসন সংস্থা, দিশারী পৌর পল্লী সংস্থা, গ্রামীণ কল্যান সংস্থা, অভীষ্ঠ গণ উন্নয়ন সংস্থা, এক্স-সোলজার ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন।

কীট সংকটে কালীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু পরীক্ষা বন্ধ

কীট সংকটে কালীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু পরীক্ষা বন্ধ

ঝিনাইদহ কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু শনাক্তের কীট সংকট দেখা দেওয়ায় গত ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ডেঙ্গু পরীক্ষা সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রয়েছে। এতে ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আসা সাধারণ রোগীরা পরীক্ষা-নিরীক্ষার সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বাধ্য হয়ে অনেক রোগীকে বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যেতে হচ্ছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মোট ২৮২ জন রোগীর ডেঙ্গু পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৭ জনের ডেঙ্গু পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। ৩৪ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।➡️ সাধারণ রোগীরা সেবা বঞ্চিত➡️  বাড়তি খরচে ➡ বেসরকারি হাসপাতালে যেতে হচ্ছে➡️ কীট না থাকায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা প্রমাণিত সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু পরীক্ষার ক্ষেত্রে রোগীদের তুলনামূলক কম খরচ হয়। এনএস ১ ধরনের ডেঙ্গু পরীক্ষা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে করা হয়। এছাড়া আইজিএমও আইজিজি ধরনের ডেঙ্গু পরীক্ষা সরকারি নির্ধারিত ১০০ টাকা ফি দিয়ে করা যায়। অন্যদিকে, বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে একই ধরনের ডেঙ্গু পরীক্ষা করতে রোগীদের প্রায় ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত খরচ হচ্ছে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সরকার ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে চিকিৎসা ও প্রতিরোধ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অথচ কালীগঞ্জ হাসপাতালে দুই দিন যাবত কীটের অভাবে ডেঙ্গু রোগ পরীক্ষা বন্ধ থাকলেও স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা.আমানুল্লাহ আল মামুন   এ ব্যাপারে নেননি  কোন ব্যবস্থা। সঙ্গত কারণেই এই কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। হাসপাতালের প্যাথলজী বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিয়মিত ডেঙ্গু পরীক্ষা করা হয়েছে। তবে কীটের মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে পরীক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না। বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও এখনো নতুন করে কীট সরবরাহ করা হয়নি।ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে পরীক্ষা করাতে আসা রোগী শাহাদত হোসেন বলেন, “চিকিৎসক ডেঙ্গু পরীক্ষা করতে বলেছেন। কিন্তু ল্যাবে কীট না থাকায় পরীক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না।” ডেঙ্গু নিয়ে সরকার চিন্তিত হলেও কালীগঞ্জ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এক্ষেত্রে দায়িত্ব পালনে যারা শিথিলতা দেখিয়েছেন তাদেরকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা জরুরী বলে আমি মনে করি। এ বিষয়ে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আমানুল্লাহ আল মামুন বলেন, “আমাদেরও পর্যাপ্ত কীট ছিল। সেখান থেকে কিছু কীট অন্য উপজেলায় ধার হিসেবে দেওয়া হয়েছে। এ কারণে বর্তমানে সংকট দেখা দিয়েছে। আশা করছি, দ্রুত সময়ের মধ্যে আবার কীটের মজুত হবে এবং ডেঙ্গু পরীক্ষা স্বাভাবিকভাবে শুরু করা সম্ভব হবে।”

বরুড়ায় বহু প্রতীক্ষিত মরহুম এ কে এম আবু তাহের ২০ শয্যা হাসপাতালের শুভ উদ্বোধন

বরুড়ায় বহু প্রতীক্ষিত মরহুম এ কে এম আবু তাহের ২০ শয্যা হাসপাতালের শুভ উদ্বোধন

কুমিল্লা জেলার বরুড়া উপজেলার আদ্রা ইউনিয়নের সোনাইমুড়ী গ্রামে বিষয়ভিত্তিক আধুনিক চিকিৎসাসেবায় সমৃদ্ধ *মরহুম এ কে এম আবু তাহের ২০ শয্যা হাসপাতালের* শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।বুধবার এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে হাসপাতালটির শুভ উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ সরকারের গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন এমপি।বরুড়া উপজেলার মানুষের জন্য উন্নত ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে হাসপাতালটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমরা আশাবাদী। বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের দোরগোড়ায় মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে এ ধরনের উদ্যোগ নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ।মরহুম এ কে এম আবু তাহে'র স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁর নামে প্রতিষ্ঠিত এই হাসপাতালের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছিন। একই সঙ্গে হাসপাতালটি যেন মানুষের কল্যাণে কার্যকর ও মানবিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রধান ডাঃ মোহাম্মদ জুলকারনাইন  মজুমদারের সভাপতিত্বে ও উপসহকারী মেডিকেল অফিসার এটিএম গোলাম কিবরিয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ রেজা মোহাম্মদ সারোয়ার আকবর, বরুড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসাদুজ্জামান রনি, বরুড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি কায়সার আলম সেলিম, সহসভাপতি সৈয়দ রেজাউল হক রেজু সহ গুরুত্বপূর্ণ নেতৃবৃন্দ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, মাদক একটি এলাকার সামাজিক পরিবেশ নষ্ট করে। তাই মাদক নির্মূলে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর নির্ভর না করে সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। পাড়া-মহল্লায় মাদকবিরোধী কমিটি গঠন করে মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের বিরুদ্ধে সামাজিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করতে হবে।তিনি বলেন, বরুড়ায় শিক্ষা ও অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যাপক পরিকল্পনা রয়েছে। স্কুল-কলেজের অবকাঠামো উন্নয়ন এবং পুরোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে এমপিওভুক্ত করার বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হবে। এলাকার উন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সহযোগিতাও প্রয়োজন।জাকারিয়া তাহের সুমন বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশের উন্নয়নের জন্য দিন-রাত এক করে কাজ করে যাচ্ছেন। আমাদের দিয়েও তিনি বিরতিহীনভাবে কাজ করিয়ে যাচ্ছেন এবং নিয়মিত কাজের খোঁজখবর নিচ্ছেন। আমরা বরুড়ার উন্নয়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি।”হাসপাতালটি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ কে এম আবু তাহের ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালটি দীর্ঘদিনের স্বপ্নের বাস্তবায়ন। প্রয়াত এ কে এম আবু তাহেরের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁর নামে প্রতিষ্ঠিত এই হাসপাতালের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন তিনি। হাসপাতালটি এলাকার মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও আশা প্রকাশ করেন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বরুড়ার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আহসান হাফিজ, বরুড়া থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী নাজমুল হকসহ চিকিৎসক, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। পরে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।হাসপাতাল-সংশ্লিষ্টরা জানান, বর্তমানে হাসপাতালে সরকারি পদায়নকৃত চিকিৎসক রয়েছেন একজন, সংযুক্ত চিকিৎসক দুইজন, সিনিয়র স্টাফ নার্স তিনজন, উপসহকারী মেডিকেল অফিসার দুইজন, ওয়ার্ডবয় একজন এবং ল্যাব অ্যাটেনডেন্ট একজন। সীমিত জনবল নিয়েই প্রাথমিকভাবে হাসপাতালের কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।সংশ্লিষ্টরা আরও জানান, শুরুর দিকে হাসপাতালে কোনো ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষার ব্যবস্থা থাকবে না এবং সার্জারি কার্যক্রমও চালু হচ্ছে না। প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা দেওয়ার মাধ্যমে হাসপাতালের কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে জনবল ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

কচুয়া  হাসপাতালে ৫০ বেডে ৮৮ রোগীর  চিকিৎসা চলছে!

কচুয়া হাসপাতালে ৫০ বেডে ৮৮ রোগীর চিকিৎসা চলছে!

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রোগীরা বিছানা (বেড) না পেয়ে বারান্দায়ও মেঝেতে চিকিৎসা নিচ্ছেন। শনিবার দুপুরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ গিয়ে এমন দৃশ্য দেখা যায়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে- চাঁদপুরের এ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর বেড রয়েছে মাত্র  ৫০ টি। কিন্তু  ওইদিন (সোমবার) ৮৮ জন রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন।তার মধ্যে পুরনো ভর্তি রোগীও ছিলো। অর্থাৎ গত ২৪ ঘন্টায় ৮৮ জন রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন। হাসপাতালে পর্যাপ্ত  বেড না থাকায় হসপিটাল কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয়ে বারান্দায় ও মেঝেতে চিকিৎসা দিচ্ছেন।সম্প্রতি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গুলোর ১০০ শয্যায় উন্নীতকরণ প্রকল্পের আওতায় সরকার এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও সম্প্রসারনের উদ্যোগ নিয়েছে । সরকারের এই প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন হলে এই উপজেলার মানুষের চিকিৎসা সেবার দুর্ভোগ লাগব হবে। প্রসঙ্গত :এই উপজেলায় প্রায় ৪ লাখ লোকের বসবাস রয়েছে।  কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ( ইউএইচও) ডাক্তার মোহাম্মদ সোহেল রানা জানিয়েছেন -এটা প্রায় প্রতিদিনকার চিত্র। তবুও তারা সাধ্যমত মানুষকে সেবা দেয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। গ্রামের সাধারণ মানুষদের শহরে গিয়ে চিকিৎসা সেবা কষ্টসাধ্য বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা: কচুয়ায় রেনেঁসা ও সেবা ডায়াগনস্টিককে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা

অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা: কচুয়ায় রেনেঁসা ও সেবা ডায়াগনস্টিককে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার সাচার বাজারে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫২ ধারায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে দুটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৬০,০০০/- (ষাট হাজার) টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমিত রায় এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।​অভিযানে লাইসেন্স বা মানদণ্ড ছাড়া চিকিৎসাকেন্দ্র পরিচালনা, অপারেশন থিয়েটারে বা হাসপাতালে চরম অস্বাস্থ্যকর ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশ রাখা, অযোগ্য ব্যক্তি কর্তৃক চিকিৎসা সেবা দেওয়ার দায়ে রেনেঁসা মেডিকেল সেন্টারকে ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) টাকা এবং সেবা ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ১০,০০০/- (দশ হাজার) টাকা জরিমানা করা হয়।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমিত রায় বলেন, সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য নিয়ে কোনো ধরনের অবহেলা বা প্রতারণা সহ্য করা হবে না। চিকিৎসাসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়মের মধ্যে থেকে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। জনস্বার্থ রক্ষায় এবং ভেজাল বা অনিয়ম রোধে আমাদের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আবু নাছির, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাঃ মোঃ  জাহিদ হোসাইন এবং সাচার পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা প্রমুখ।

চাঁদপুরের  নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের নতুন বিচারক তাসনিম জোহরা

চাঁদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের নতুন বিচারক তাসনিম জোহরা

চাঁদপুরের  নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের নবনিযুক্ত বিচারক ( জেলা জজ)  হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন তাসনিম জোহরা আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেছেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের নতুন বিচারিক অভিজ্ঞতা সম্পন্ন তাসনিম জোহরা দীর্ঘ বিচারের অধিকারী একজন বিচারক তিনি। ২০১৫ সালে পদোন্নতি পেয়ে মাগুরায় যুগ্নু জেলা জলস হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ২০১৮ সালে খুলনায় যুগ্ন মহানগর দায়রা জজ আদালতে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে  পুনরায় পদোন্নতি পেয়ে ২০২০ সালে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জর্জ হন।২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে ঝালকাঠির চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। চাঁদপুরে যোগদানের আগে তিনি আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইনী কর্মকান্ডে সংযুক্ত ছিলেন। বিচারক তাসনিম  জোহরা ফরিদপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ঢাকার ভিকারুন্নিসা নুন কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে অস্ট্রেলিয়া সরকারের ব্যক্তি নিয়ে   স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক আহমদ জিয়াউর রহমানের সহধর্মিনী। চাঁদপুরের দায়িত্ব গ্রহণ এরপর তাসনিম যুহরা বলেন বিচার প্রার্থীদের দ্রুত সুস্থ নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করতে তিনি আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন। এজন্য তিনি সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন। যোগদানলগ্নে  চাঁদপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সেক্রেটারি সহ শুধু আইনজীবী রা তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ  করেন এবং ফুলেল শুভেচ্ছা  ও জানান।

কীট সংকটে কালীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু পরীক্ষা বন্ধ

কীট সংকটে কালীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু পরীক্ষা বন্ধ

ঝিনাইদহ কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু শনাক্তের কীট সংকট দেখা দেওয়ায় গত ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ডেঙ্গু পরীক্ষা সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রয়েছে। এতে ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আসা সাধারণ রোগীরা পরীক্ষা-নিরীক্ষার সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বাধ্য হয়ে অনেক রোগীকে বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যেতে হচ্ছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মোট ২৮২ জন রোগীর ডেঙ্গু পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৭ জনের ডেঙ্গু পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। ৩৪ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।➡️ সাধারণ রোগীরা সেবা বঞ্চিত➡️  বাড়তি খরচে ➡ বেসরকারি হাসপাতালে যেতে হচ্ছে➡️ কীট না থাকায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা প্রমাণিত সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু পরীক্ষার ক্ষেত্রে রোগীদের তুলনামূলক কম খরচ হয়। এনএস ১ ধরনের ডেঙ্গু পরীক্ষা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে করা হয়। এছাড়া আইজিএমও আইজিজি ধরনের ডেঙ্গু পরীক্ষা সরকারি নির্ধারিত ১০০ টাকা ফি দিয়ে করা যায়। অন্যদিকে, বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে একই ধরনের ডেঙ্গু পরীক্ষা করতে রোগীদের প্রায় ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত খরচ হচ্ছে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সরকার ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে চিকিৎসা ও প্রতিরোধ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অথচ কালীগঞ্জ হাসপাতালে দুই দিন যাবত কীটের অভাবে ডেঙ্গু রোগ পরীক্ষা বন্ধ থাকলেও স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা.আমানুল্লাহ আল মামুন   এ ব্যাপারে নেননি  কোন ব্যবস্থা। সঙ্গত কারণেই এই কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। হাসপাতালের প্যাথলজী বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিয়মিত ডেঙ্গু পরীক্ষা করা হয়েছে। তবে কীটের মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে পরীক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না। বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও এখনো নতুন করে কীট সরবরাহ করা হয়নি।ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে পরীক্ষা করাতে আসা রোগী শাহাদত হোসেন বলেন, “চিকিৎসক ডেঙ্গু পরীক্ষা করতে বলেছেন। কিন্তু ল্যাবে কীট না থাকায় পরীক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না।” ডেঙ্গু নিয়ে সরকার চিন্তিত হলেও কালীগঞ্জ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এক্ষেত্রে দায়িত্ব পালনে যারা শিথিলতা দেখিয়েছেন তাদেরকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা জরুরী বলে আমি মনে করি। এ বিষয়ে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আমানুল্লাহ আল মামুন বলেন, “আমাদেরও পর্যাপ্ত কীট ছিল। সেখান থেকে কিছু কীট অন্য উপজেলায় ধার হিসেবে দেওয়া হয়েছে। এ কারণে বর্তমানে সংকট দেখা দিয়েছে। আশা করছি, দ্রুত সময়ের মধ্যে আবার কীটের মজুত হবে এবং ডেঙ্গু পরীক্ষা স্বাভাবিকভাবে শুরু করা সম্ভব হবে।”