মুক্তির লড়াই
সর্বশেষ

শেরপুরে ১৪ কোটি টাকার সার কালোবাজারি মামলায় ১৫ জন কারাগারে

শেরপুর জেলায় সরকারি বরাদ্দের প্রায় ১৪ কোটি টাকা মূল্যের সার কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ১০ জন বিসিআইসি সার ডিলারসহ ১৫ জনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।শেরপুরের জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ জহিরুল কবির আত্মসমর্পণকারী আসামিদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে বিকেলে তাঁদের জেলা কারাগারে নেওয়া হয়।কারাগারে পাঠানো ব্যক্তিরা হলেন, বিসিআইসি সার ডিলার মো. ফরহাদ আলী, মাজাহারুল ইসলাম, মো. রফিকুল ইসলাম, সুবর্ণা সাহা রায়, সুফিয়া বেগম, মরিয়ম আক্তার মুন্নী, তাপস নন্দী, সিরাজুল হক, ছামিদুল ইসলাম ফারাজী ও বোরহান উদ্দিন। এ ছাড়া ডিলারদের পরিচালনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আনোয়ার হোসেন, মনিরুজ্জামান মনির, প্রশান্ত সাহা, মো. বাদশা মিয়া ও জাকির হোসেন রতনকেও কারাগারে পাঠানো হয়েছে।মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ২২ জুলাই শেরপুর সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন বিশেষ ক্ষমতা আইনে সদর উপজেলার ১৫ জন সার ডিলারসহ মোট ২০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, সরকারি বরাদ্দের প্রায় ১৪ কোটি টাকা মূল্যের বিভিন্ন ধরনের সার অধিক মুনাফার আশায় কালোবাজারে বিক্রি করা হয়েছে। এতে কৃষকদের জন্য নির্ধারিত সারের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি হয় এবং অনেক কৃষক সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার কিনতে বাধ্য হন।মামলার তদন্তে সংশ্লিষ্ট ডিলারদের বিক্রয় রেজিস্টার, ক্যাশ মেমো ও অন্যান্য নথিপত্র যাচাই-বাছাই করে ব্যাপক অনিয়মের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।এর আগে আসামিরা উচ্চ আদালত থেকে আগাম জামিন নিয়েছিলেন। সেই জামিনের মেয়াদ শেষ হলে মঙ্গলবার তাঁরা শেরপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে পুনরায় জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাঁদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।শেরপুর জেলা আদালতের পুলিশ পরিদর্শক মো. জিয়াউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রাজউকের যেকোনো প্ল্যান ২৪ দিনের মধ্যে অনুমোদনের উদ্যোগ... গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী

রাজউক থেকে যেকোনো প্ল্যান ২৪ দিনের মধ্যে অনুমোদনের ব্যবস্থা করতে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন। একই সঙ্গে নারায়ণগঞ্জের উন্নয়নে রাজউকের বিদ্যমান মাস্টারপ্ল্যানের পাশাপাশি আলাদা বিশেষ মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কার্যালয় উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।জাকারিয়া তাহের সুমন বলেন, রাজউক এই সরকারেরই একটি অংশ, নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষও সরকারেরই অংশ। জনগণের জন্য যেটা ভালো হবে, সেটাই করা হবে।নারায়ণগঞ্জের জন্য বিশেষ মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, রাজউকের বিদ্যমান মাস্টারপ্ল্যানের পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জের জন্য আলাদা মাস্টারপ্ল্যান করা হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সীমানা আরো বাড়ানোর বিষয়টিও যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। ফতুল্লাসহ আশপাশের এলাকাগুলো অন্তর্ভুক্ত করার সম্ভাবনাও বিবেচনায় রয়েছে।রাজউকের দুর্নীতি ও সেবায় হয়রানির অভিযোগ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, রাজউকের আওতাধীন এলাকা বড় হওয়ায় প্রয়োজনের তুলনায় জনবল কম ছিল। এ কারণে গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠন করা হয়েছে, যাতে মানুষের কাছে সেবা আরো সহজে পৌঁছানো যায়। রাজউকের সেবায় ইতিমধ্যে বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আগের রাজউকের চেয়ে আগামী দিনের রাজউক অনেক ডিফারেন্ট হবে।'তিনি আরো বলেন, নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠনের মূল লক্ষ্য হলো নারায়ণগঞ্জবাসীকে আরো ভালো সেবা দেওয়া এবং একটি পরিকল্পিত নগর গড়ে তোলা।এ সময় উপস্থিত ছিলেন নবগঠিত এনডিএর চেয়ারম্যান মাসুকুল ইসলাম রাজীব, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান, নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেনসহ স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা

রাজউকের যেকোনো প্ল্যান ২৪ দিনের মধ্যে অনুমোদনের উদ্যোগ... গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী

পাবনায় এক নিষ্পাপ শিশুর শেষ সন্ধ্যা / ধর্ষণের মাত্র পনেরো মিনিটের মধ্যেই নিভে গেল কলির প্রাণ

পাবনার সদর উপজেলার দোগাছী ইউনিয়নের কুলোনিয়া গ্রামে যেন এক অন্ধকার ছায়া নেমে এসেছিল। মাত্র দশ বছরের ছোট্ট কামরুন্নাহার কলি—চতুর্থ শ্রেণির এক অসহায় ফুলের মতো শিশু। তার চোখে ছিল স্বপ্ন, হাতে ছিল খেলার আনন্দ। কিন্তু সেই সন্ধ্যায় সব শেষ হয়ে গেল।মাগরিবের নামাজ শেষ করে জায়নামাজ থেকে ওঠার পরই তাকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয় মুদি দোকানের পেছনের অন্ধকার কক্ষে। সেখানে তার ওপর নেমে আসে নৃশংসতা। ধর্ষণের পর মাত্র পনেরো মিনিটের মধ্যেই বালিশ চেপে তার শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়। এক নিষ্পাপ প্রাণ এভাবেই নিভে যায়।৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যার পর কলি নিখোঁজ হয়। সাত দিন ধরে পরিবারের চোখে ঘুম নেই, বুক ভরে আহাজারি। অবশেষে ১৬ সেপ্টেম্বর সকালে বাড়ির পাশের ডোবা থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় তার টুকরো টুকরো মরদেহ উদ্ধার হয়। দুর্গন্ধ আর কুকুরের তাড়ায় আসামিরা পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়—মরদেহ বাইরে নিতে পারেনি। স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। সেই মুহূর্তে গ্রামের বুক ফেটে যায়।গ্রেপ্তার হয় দুজন—মোস্তফা প্রামাণিক ও তার ভাড়াটিয়া ইয়াসিন আলী। রিমান্ডে মোস্তফা স্বীকার করেছে সেই ভয়ংকর সত্য। ঘটনার পর রাত দশটার দিকে সে আবার দোকান খুলে বসে, রক্তমাখা শরীর নিয়ে গোসল করে। এমনকি নিখোঁজ কলির পরিবারের সঙ্গে মিশে খোঁজার নাটকে অংশ নেয়। গভীর রাতে মোবাইলে খোঁজখবর রাখে, বিক্ষোভ ও মানববন্ধনেও যোগ দেয়। মরদেহ উদ্ধারের সময় সাংবাদিক ও পুলিশের পাশেই দাঁড়িয়ে থাকে সে—যেন কিছুই হয়নি।তদন্তকারী ডিবি পুলিশের এসআই বেনু রায় পিপিএম জানান, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় দ্রুত অভিযুক্তদের শনাক্ত করা হয়। মোস্তফার আচরণেই সন্দেহ জাগে। স্থানীয় এক মেম্বার তার হাত ধরতেই সে কাঁপতে শুরু করে। পুলিশ বুকে কান দিয়ে বুঝতে পারে—তাকে তৎক্ষণাৎ আটক করা হয়।ঘটনার দিন সকালেই কলি ভাইকে নিয়ে মোস্তফার দোকানে চিপস কিনতে যায়। সেখানে মোস্তফা মোবাইলে শিশুটির অসঙ্গতিপূর্ণ ছবি তোলে। সন্ধ্যায় দোকানের সামনে বেঞ্চে বসে থাকা কলিকে নামাজ শেষে পেছনের কক্ষে নিয়ে যায়। কয়েক দফা ধর্ষণের পর মাত্র পনেরো মিনিটের মধ্যেই হত্যা নিশ্চিত করে। মোস্তফার ফোনে আরও অসংখ্য উঠতি বয়সী মেয়ের আপত্তিকর ছবি পাওয়া গেছে—যা তার আগের দুশ্চরিত্রের ইঙ্গিত দেয়।মোস্তফা দাবি করে, দুজনে মিলে ধর্ষণ ও হত্যা করেছে। ইয়াসিন অস্বীকার করে বলে, সে শুধু হত্যার পর সহযোগিতা করেছে। ফরেনসিক পরীক্ষায় দুজনের বীর্যের আলামত পাওয়া গেলে সত্য আরও স্পষ্ট হবে। তদন্ত প্রায় শেষ; সোমবার আলামত রাজশাহী সিআইডিতে পাঠানো হবে।এদিকে নিহতের বাড়ি প্রায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে উত্তেজিত জনতার হাতে। আদালতে দ্রুত প্রতিবেদন দাখিলের দাবিতে মানুষ রাস্তায় নেমেছে। এক নিষ্পাপ শিশুর জীবন কেড়ে নেওয়ার এই নৃশংসতা পাবনার মাটিতে গভীর ক্ষত তৈরি করেছে—যে ক্ষত সহজে শুকোবে না। কলির চোখের স্বপ্ন আর কখনো ফিরবে না। শুধু রয়ে গেছে এক অসহায় মায়ের বুকের কান্না আর এক গ্রামের নিঃশব্দ আর্তনাদ।

ধর্ষণের মাত্র পনেরো মিনিটের মধ্যেই নিভে গেল কলির প্রাণ
শেরপুরে ১৪ কোটি টাকার সার কালোবাজারি মামলায় ১৫ জন কারাগারে

শেরপুরে ১৪ কোটি টাকার সার কালোবাজারি মামলায় ১৫ জন কারাগারে

শেরপুর জেলায় সরকারি বরাদ্দের প্রায় ১৪ কোটি টাকা মূল্যের সার কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ১০ জন বিসিআইসি সার ডিলারসহ ১৫ জনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।শেরপুরের জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ জহিরুল কবির আত্মসমর্পণকারী আসামিদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে বিকেলে তাঁদের জেলা কারাগারে নেওয়া হয়।কারাগারে পাঠানো ব্যক্তিরা হলেন, বিসিআইসি সার ডিলার মো. ফরহাদ আলী, মাজাহারুল ইসলাম, মো. রফিকুল ইসলাম, সুবর্ণা সাহা রায়, সুফিয়া বেগম, মরিয়ম আক্তার মুন্নী, তাপস নন্দী, সিরাজুল হক, ছামিদুল ইসলাম ফারাজী ও বোরহান উদ্দিন। এ ছাড়া ডিলারদের পরিচালনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আনোয়ার হোসেন, মনিরুজ্জামান মনির, প্রশান্ত সাহা, মো. বাদশা মিয়া ও জাকির হোসেন রতনকেও কারাগারে পাঠানো হয়েছে।মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ২২ জুলাই শেরপুর সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন বিশেষ ক্ষমতা আইনে সদর উপজেলার ১৫ জন সার ডিলারসহ মোট ২০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, সরকারি বরাদ্দের প্রায় ১৪ কোটি টাকা মূল্যের বিভিন্ন ধরনের সার অধিক মুনাফার আশায় কালোবাজারে বিক্রি করা হয়েছে। এতে কৃষকদের জন্য নির্ধারিত সারের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি হয় এবং অনেক কৃষক সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার কিনতে বাধ্য হন।মামলার তদন্তে সংশ্লিষ্ট ডিলারদের বিক্রয় রেজিস্টার, ক্যাশ মেমো ও অন্যান্য নথিপত্র যাচাই-বাছাই করে ব্যাপক অনিয়মের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।এর আগে আসামিরা উচ্চ আদালত থেকে আগাম জামিন নিয়েছিলেন। সেই জামিনের মেয়াদ শেষ হলে মঙ্গলবার তাঁরা শেরপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে পুনরায় জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাঁদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।শেরপুর জেলা আদালতের পুলিশ পরিদর্শক মো. জিয়াউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দুর্যোগের পর পুনর্গঠনে দীর্ঘমেয়াদি নীতির প্রয়োজন: চীনা গবেষক

প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি কমানো এবং পুনর্নির্মাণ প্রক্রিয়ায় কেবল সাময়িক ব্যবস্থাপনার ওপর নির্ভর না করে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা ও সমন্বিত নীতিমালা গ্রহণের প্রয়োজনের ওপর জোর দিয়েছেন বিশিষ্ট গবেষক ড. লি ছিওশান। তিনি সিছুয়ান বিশ্ববিদ্যালয় ও হংকং পলিটেকনিক বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ ‘ইনস্টিটিউট ফর ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড রিকনস্ট্রাকশন’ (আইডিএমআর)-এর সহযোগী গবেষণা ফেলো হিসেবে কর্মরত।সোমবার বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ-চীন শাসন অভিজ্ঞতা বিনিময়: দ্বিতীয় রাউন্ড টেবিল’-এর তৃতীয় পর্বের ‘দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস: চীন-বাংলাদেশ অভিজ্ঞতা ও সহযোগিতা’ অধিবেশনে বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।বক্তব্যে ড. লি ছিওশান বলেন, ‘দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেবল জরুরি সাড়াদানের শেষ ধাপ নয়, বরং এটি একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। ঘরবাড়ি ও অবকাঠামো পুনর্নির্মাণের নীতি একদিকে মানুষের জীবিকা রক্ষা করে, অন্যদিকে ভবিষ্যতে দুর্যোগের ঝুঁকি নির্ধারণ করে।’২০০৪ সালে শ্রীলঙ্কায় সুনামির পর উপকূলীয় বাফার জোন তৈরি এবং ২০০৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ অরলিন্সে হারিকেন ক্যাটরিনাপরবর্তী পরিস্থিতির উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, “ভুল পরিকল্পনার পুনর্বাসন স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সামাজিক সুরক্ষায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং ‘জেন্ট্রিফিকেশন’ বা কৃত্রিম জীবনযাত্রার ব্যয় মাথাচাড়া দেয়।”২০০৮ সালের সিছুয়ান ভূমিকম্পের ওপর পরিচালিত গবেষণার তথ্য তুলে ধরে তিনি প্রকল্পের দেখান যে, বাহ্যিক পুনর্নির্মাণ সফল মনে হলেও দীর্ঘমেয়াদে এলাকাগুলোয় গভীর অর্থনৈতিক বৈষম্য থেকে যায়। এমনকি একই নীতি সত্ত্বেও অঞ্চলভেদে পুনরুদ্ধারের গতি ভিন্ন হয়। ২০২০ সালের বাংলাদেশের বন্যার উদাহরণ দিয়ে তিনি জানান, এতে নিম্নআয়ের মানুষের আয়, স্বাস্থ্য ও খাবারের সংকট তীব্র হয়।ড. লি ছিওশান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় আবাসন, জীবিকা ও সামাজিক সেবাকে সমন্বিত করার আহ্বান জানান। তিনি কেবল ‘গড় অগ্রগতি’ না দেখে অঞ্চলভিত্তিক সুনির্দিষ্ট সংকট পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী নীতি পরিবর্তনের পরামর্শ দেন।সূত্র: লুৎফর, সাকিব, সিএমজি বাংলা।

বরুড়া উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি ও সিনিয়র সহ-সভাপতির দায়িত্বে রদবদল

কুমিল্লার বরুড়া উপজেলা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে সংগঠনের শীর্ষ দুই পদে দায়িত্ব পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে।রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বরুড়া উপজেলা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক কাজী মো. আলাউদ্দিন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি প্রবাসে অবস্থান করায় সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. মোরশেদ রাজু-কে বরুড়া উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতির দায়িত্ব এবং সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে মো. এনাম খন্দকার-কে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এ নির্দেশনা দিয়েছেন বরুড়ার বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের সাংগঠনিক অভিভাবক, গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী এবং সংসদ সদস্য জাকারিয়া তাহের সুমন।প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বরুড়া উপজেলা ছাত্রদল কমিটির অন্যান্য সব পদ-পদবি পূর্বের মতো বহাল ও স্বাভাবিক থাকবে।স্থানীয় রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে সাম্প্রতিক সংবাদেও বরুড়া উপজেলা ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের কর্মকাণ্ডের উল্লেখ পাওয়া যায়।

১৪ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৯ পিএম
চলতি এইচএসসি পরীক্ষায় পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ে প্রশ্নপত্রে ভুলের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন বলেছেন, প্রশ্ন আমরা তৈরি করিনি, বিগত সরকার করেছে। আপনি কি তাই মনে করেন?

চলতি এইচএসসি পরীক্ষায় পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ে প্রশ্নপত্রে ভুলের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন বলেছেন, প্রশ্ন আমরা তৈরি করিনি, বিগত সরকার করেছে। আপনি কি তাই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

বরুড়ায় এ কে এম আবু তাহের আন্ত উপজেলা ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

বরুড়া কুমিল্লা, বরুড়ায় এ কে এম আবু তাহের আন্ত-উপজেলা  ফুটবল টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। ২৩শে সেপ্টেম্বর বিকাল তিনটায় বরুড়া পৌরসভার তলাগ্রাম ত.চ. লাহা উচ্চ বিদ্যালয়ে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন সাবেক সাংসদ মরহুম এ কে এম আবু তাহেরের সন্তান কুমিল্লা দঃ জেলা বিএনপির সভাপতি ও গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের গৃহায়ণ ও  গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন। উল্লেখ্য এ কে এম আবু তাহের ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনায় কুমিল্লা  ইলেভেন স্টার ক্লাবের সার্বিক সহযোগীতায় বরুড়ার তলাগ্রাম ত.চ লাহা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ ও বরুড়া শহীদ স্মৃতি সরকারি কলেজ মাঠে একযোগে কুমিল্লা জেলার সকল উপজেলার একটি করে দল চার গ্রুপে বিভক্ত হয়ে অংশগ্রহন করবে।প্রাথমিক পর্বে সকল দলের মোট  ৩৬টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে এবং চার গ্রুপের চ্যান্পিয়ান ও রানারআপ দল কোয়াটার ফাইনালে উত্তির্ন হয়ে, সেমিফাইনাল  ও ফাইনাল মিলে সর্বমোট ৪২টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে এই টুর্নামেন্টে। আগামী ১৬ই অক্টোবর দুটি সেমিফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে এবং টুর্নামেন্ট চলাকালীন সময়ে ফাইনালের তারিখ জানিয়ে দেওয়া হবে।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বরুড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসাদুজ্জামান রনি, সহকারী কমিশনার ভুমি আহসান হাফিজ,  বরুড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি কায়সার আলম সেলিম,  সহসভাপতি সৈয়দ রেজাউল হক রেজু,সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ জহিরুল হক স্বপন,  বরুড়া পৌরসভার বিএনপির সভাপতি সাবেক মেয়র জসিম উদ্দিন পাটোয়ারী, সাধারণ সম্পাদক মোঃ মফিজুল ইসলাম সহ প্রমুখ।

কিশোরগঞ্জে মাদ্রাসায় ২৩ শিক্ষক-কর্মচারীর নিয়োগে জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে

কিশোরগঞ্জে মাদ্রাসায় ২৩ শিক্ষক-কর্মচারীর নিয়োগে জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জের বড়ভিটা আফজালুল উলুম ফাজিল মাদ্রাসায় ২৩ শিক্ষক-কর্মচারীর নিয়োগে জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। এর মধ্যে ১৮ জন ইতোমধ্যে এমপিওভুক্ত হয়েছেন। আর আগের নিয়োগ দেখিয়ে আরও পাঁচজনকে এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।অভিযোগকারীদের দাবি, ভুয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ও পত্রিকায় প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির নকল কাটিং তৈরি, নিয়োগ কমিটির সদস্যদের স্বাক্ষর জাল এবং প্রকৃত নিয়োগের সময়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ তারিখ দেখিয়ে কয়েকজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পরে এসব কাগজপত্রের ভিত্তিতে এমপিওভুক্তির জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে ফাইল পাঠানো হয়।স্থানীয় মোখলেছুর রহমান বলেন, মাদ্রাসাটিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। তাঁর দাবি, নিয়োগের কাগজপত্রে অসঙ্গতি ও জালিয়াতির বিষয়টি স্থানীয়ভাবে জানাজানি হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এতে প্রকৃত যোগ্য প্রার্থীরা বঞ্চিত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।অলিয়ার রহমান বলেন, তাঁর ছেলের চাকরির জন্য মাদ্রাসার অধ্যক্ষকে ১১ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছিল। তাঁর ভাষ্য, চাকরি হবে আশায় তাঁর ছেলে চার-পাঁচ বছর মাদ্রাসায় কাজ করলেও কোনো বেতন দেওয়া হয়নি। পরে চাকরি হবে না জানিয়ে তাঁকে বের করে দেওয়া হয়। এ সময় দেওয়া টাকার কিছু অংশ ফেরত দেওয়া হলেও পুরো টাকা ফেরত দেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।অভিযোগ রয়েছে, মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. অহিদুল ইসলাম ব্যাকডেটে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ভুয়া পেপার কাটিং তৈরি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের স্বাক্ষর জাল এবং নিবন্ধনহীন ব্যক্তিদের ২০০৫ সালের আগে ও জাল নিবন্ধনধারীদের ২০১৬ সালের আগে নিয়োগ দেখিয়েছেন। অভিযোগকারীদের দাবি, কর্মচারী পদে আট থেকে নয় লাখ টাকা এবং শিক্ষক পদে ১৪ থেকে ১৫ লাখ টাকা নেওয়ার পর এমপিওভুক্তির জন্য ফাইল পাঠানো হয়েছে। স্থানীয়দের চাকরি দেওয়ার কথা বলেও বিপুল অর্থ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে।চাকরিপ্রত্যাশী আরেক ব্যক্তি বলেন, ‘চাকরির জন্য আমিও ১০ লাখ টাকা দিয়েছি। পরে আমাকে চাকরি দেওয়া হয়নি। টাকাও এখনো ফেরত পাইনি। এলাকার আরও অনেকের কাছ থেকে অধ্যক্ষ টাকা নিয়েছেন। টাকা ফেরত দেওয়ার চাপের কারণে তিনি মাদ্রাসায় আসেন না।’স্থানীয়দের অভিযোগ, টাকা ফেরত না পাওয়ায় ক্ষুব্ধ চাকরিপ্রত্যাশীদের চাপের মুখে দীর্ঘদিন ধরে অধ্যক্ষ মাদ্রাসায় অনুপস্থিত রয়েছেন।অভিযোগের বিষয়ে জানতে মাদ্রাসায় গিয়ে অধ্যক্ষ মো. অহিদুল ইসলামকে পাওয়া যায়নি। তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।কিশোরগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আশরাফ-উজ-জামান সরকার বলেন, ‘মাদ্রাসাটির বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ করা হয়েছে, সেগুলোর সত্যতা পাওয়ার কথা জানা গেছে। তবে এটি ফাজিল মাদ্রাসা হওয়ায় এ বিষয়ে সরাসরি ব্যবস্থা নেওয়ার এখতিয়ার আমার নেই।’জানা গেছে, জাল নিয়োগ ও ভুয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে এমপিওভুক্তির অভিযোগে মাদ্রাসাটিতে একাধিকবার তদন্ত হয়েছে। শিক্ষা বোর্ডের তদন্তেও অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার কথা জানা গেছে। তবে তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পরও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, জাল কাগজপত্রের মাধ্যমে নিয়োগ ও এমপিওভুক্তির সুযোগ তৈরি করে একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে।

এনজিও ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যানের সাথে শেরপুরের সংস্থাসমূহের নির্বাহী পরিচালকগদের সাক্ষাৎ

এনজিও ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যানের সাথে শেরপুরের সংস্থাসমূহের নির্বাহী পরিচালকগদের সাক্ষাৎ

বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশনের শেরপুর জেলার সহযোগী সংস্থাসমূহের নির্বাহী পরিচালকগণ  ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান খোন্দকার মোঃ মোরতাজুল করিম বাদরুর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাৎকালে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, সহযোগী সংস্থাসমূহ দারিদ্র্য বিমোচনে স্বচ্ছতার সাথে কাজ করে  এনজিও ফাউন্ডেশনের সুনাম অক্ষুন্ন রাখবে। এ সময় সহযোগী সংস্থাসমূহের চেয়ারম্যানকে ক্রেষ্ট প্রদান করেন। আলাপকালে সংস্থাসমূহের প্রধান নির্বাহীরা  জানান তাঁরা স্বচ্ছতার সাথে ফাউন্ডেশনের অনুদানে গাভি পালন, ছাগল বিতরণ, স্যানিটেশন, মাদক নিরাময়সহ বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করেন।  এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে সমাজ থেকে যেমন দারিদ্র্য বিমোচন হচ্ছে তেমনি আত্ম-কর্মসংস্থানের মাধ্যমে সম্পদ সৃষ্টি করে আত্মমর্যাদাশীল জাতি গঠনে বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশন বিশেষ ভূমিকা রাখছে। এজন্য তারা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যানকে বিশেষ ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। সাক্ষাতে উপস্থিত সহযোগী সংস্থাসমূহের মধ্য সেন্টার ফর অ্যাডভান্সডমেন্ট প্রোগ্রাম (ক্যাপ), সেবা পরিষদ ( এসপি), সবুজ বাংলা গ্রামীণ উন্নয়ন সংস্থা, সুনীতি সংঘ, স্ব-নির্ভর নারী কল্যান সংস্থা, পল্লী উন্নয়ন সংস্থা, ভোরের আলো মহিলা সংস্থা, মহিলা ও শিশু পুনর্বাসন সংস্থা, দিশারী পৌর পল্লী সংস্থা, গ্রামীণ কল্যান সংস্থা, অভীষ্ঠ গণ উন্নয়ন সংস্থা, এক্স-সোলজার ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন।

বরুড়ায় বহু প্রতীক্ষিত মরহুম এ কে এম আবু তাহের ২০ শয্যা হাসপাতালের শুভ উদ্বোধন

বরুড়ায় বহু প্রতীক্ষিত মরহুম এ কে এম আবু তাহের ২০ শয্যা হাসপাতালের শুভ উদ্বোধন

কুমিল্লা জেলার বরুড়া উপজেলার আদ্রা ইউনিয়নের সোনাইমুড়ী গ্রামে বিষয়ভিত্তিক আধুনিক চিকিৎসাসেবায় সমৃদ্ধ *মরহুম এ কে এম আবু তাহের ২০ শয্যা হাসপাতালের* শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।বুধবার এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে হাসপাতালটির শুভ উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ সরকারের গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন এমপি।বরুড়া উপজেলার মানুষের জন্য উন্নত ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে হাসপাতালটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমরা আশাবাদী। বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের দোরগোড়ায় মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে এ ধরনের উদ্যোগ নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ।মরহুম এ কে এম আবু তাহে'র স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁর নামে প্রতিষ্ঠিত এই হাসপাতালের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছিন। একই সঙ্গে হাসপাতালটি যেন মানুষের কল্যাণে কার্যকর ও মানবিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রধান ডাঃ মোহাম্মদ জুলকারনাইন  মজুমদারের সভাপতিত্বে ও উপসহকারী মেডিকেল অফিসার এটিএম গোলাম কিবরিয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ রেজা মোহাম্মদ সারোয়ার আকবর, বরুড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসাদুজ্জামান রনি, বরুড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি কায়সার আলম সেলিম, সহসভাপতি সৈয়দ রেজাউল হক রেজু সহ গুরুত্বপূর্ণ নেতৃবৃন্দ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, মাদক একটি এলাকার সামাজিক পরিবেশ নষ্ট করে। তাই মাদক নির্মূলে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর নির্ভর না করে সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। পাড়া-মহল্লায় মাদকবিরোধী কমিটি গঠন করে মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের বিরুদ্ধে সামাজিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করতে হবে।তিনি বলেন, বরুড়ায় শিক্ষা ও অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যাপক পরিকল্পনা রয়েছে। স্কুল-কলেজের অবকাঠামো উন্নয়ন এবং পুরোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে এমপিওভুক্ত করার বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হবে। এলাকার উন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সহযোগিতাও প্রয়োজন।জাকারিয়া তাহের সুমন বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশের উন্নয়নের জন্য দিন-রাত এক করে কাজ করে যাচ্ছেন। আমাদের দিয়েও তিনি বিরতিহীনভাবে কাজ করিয়ে যাচ্ছেন এবং নিয়মিত কাজের খোঁজখবর নিচ্ছেন। আমরা বরুড়ার উন্নয়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি।”হাসপাতালটি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ কে এম আবু তাহের ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালটি দীর্ঘদিনের স্বপ্নের বাস্তবায়ন। প্রয়াত এ কে এম আবু তাহেরের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁর নামে প্রতিষ্ঠিত এই হাসপাতালের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন তিনি। হাসপাতালটি এলাকার মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও আশা প্রকাশ করেন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বরুড়ার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আহসান হাফিজ, বরুড়া থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী নাজমুল হকসহ চিকিৎসক, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। পরে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।হাসপাতাল-সংশ্লিষ্টরা জানান, বর্তমানে হাসপাতালে সরকারি পদায়নকৃত চিকিৎসক রয়েছেন একজন, সংযুক্ত চিকিৎসক দুইজন, সিনিয়র স্টাফ নার্স তিনজন, উপসহকারী মেডিকেল অফিসার দুইজন, ওয়ার্ডবয় একজন এবং ল্যাব অ্যাটেনডেন্ট একজন। সীমিত জনবল নিয়েই প্রাথমিকভাবে হাসপাতালের কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।সংশ্লিষ্টরা আরও জানান, শুরুর দিকে হাসপাতালে কোনো ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষার ব্যবস্থা থাকবে না এবং সার্জারি কার্যক্রমও চালু হচ্ছে না। প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা দেওয়ার মাধ্যমে হাসপাতালের কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে জনবল ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

কচুয়া  হাসপাতালে ৫০ বেডে ৮৮ রোগীর  চিকিৎসা চলছে!

কচুয়া হাসপাতালে ৫০ বেডে ৮৮ রোগীর চিকিৎসা চলছে!

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রোগীরা বিছানা (বেড) না পেয়ে বারান্দায়ও মেঝেতে চিকিৎসা নিচ্ছেন। শনিবার দুপুরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ গিয়ে এমন দৃশ্য দেখা যায়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে- চাঁদপুরের এ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর বেড রয়েছে মাত্র  ৫০ টি। কিন্তু  ওইদিন (সোমবার) ৮৮ জন রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন।তার মধ্যে পুরনো ভর্তি রোগীও ছিলো। অর্থাৎ গত ২৪ ঘন্টায় ৮৮ জন রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন। হাসপাতালে পর্যাপ্ত  বেড না থাকায় হসপিটাল কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয়ে বারান্দায় ও মেঝেতে চিকিৎসা দিচ্ছেন।সম্প্রতি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গুলোর ১০০ শয্যায় উন্নীতকরণ প্রকল্পের আওতায় সরকার এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও সম্প্রসারনের উদ্যোগ নিয়েছে । সরকারের এই প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন হলে এই উপজেলার মানুষের চিকিৎসা সেবার দুর্ভোগ লাগব হবে। প্রসঙ্গত :এই উপজেলায় প্রায় ৪ লাখ লোকের বসবাস রয়েছে।  কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ( ইউএইচও) ডাক্তার মোহাম্মদ সোহেল রানা জানিয়েছেন -এটা প্রায় প্রতিদিনকার চিত্র। তবুও তারা সাধ্যমত মানুষকে সেবা দেয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। গ্রামের সাধারণ মানুষদের শহরে গিয়ে চিকিৎসা সেবা কষ্টসাধ্য বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা: কচুয়ায় রেনেঁসা ও সেবা ডায়াগনস্টিককে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা

অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা: কচুয়ায় রেনেঁসা ও সেবা ডায়াগনস্টিককে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার সাচার বাজারে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫২ ধারায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে দুটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৬০,০০০/- (ষাট হাজার) টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমিত রায় এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।​অভিযানে লাইসেন্স বা মানদণ্ড ছাড়া চিকিৎসাকেন্দ্র পরিচালনা, অপারেশন থিয়েটারে বা হাসপাতালে চরম অস্বাস্থ্যকর ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশ রাখা, অযোগ্য ব্যক্তি কর্তৃক চিকিৎসা সেবা দেওয়ার দায়ে রেনেঁসা মেডিকেল সেন্টারকে ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) টাকা এবং সেবা ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ১০,০০০/- (দশ হাজার) টাকা জরিমানা করা হয়।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমিত রায় বলেন, সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য নিয়ে কোনো ধরনের অবহেলা বা প্রতারণা সহ্য করা হবে না। চিকিৎসাসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়মের মধ্যে থেকে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। জনস্বার্থ রক্ষায় এবং ভেজাল বা অনিয়ম রোধে আমাদের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আবু নাছির, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাঃ মোঃ  জাহিদ হোসাইন এবং সাচার পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা প্রমুখ।

শাহরাস্তি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা অবহেলায় রোগী মৃত্যুর অভিযোগ

শাহরাস্তি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা অবহেলায় রোগী মৃত্যুর অভিযোগ

চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসকের অবহেলায় হাজেরা বেগম (৪২) নামে এক রোগী মৃত্যুর অভিযোগ করেছে স্বজনরা। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মহিলা ওয়ার্ডে তার মৃত্যু হয়। নিহতের স্বজনরা জানায়, লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলার ভাটরা ইউনিয়নের জামালপুর গ্রামের শেখের বাড়ির আক্তার হোসেনের স্ত্রী হাজেরা বেগম দীর্ঘদিন ধরে লিভারের জটিল সমস্যায় ভুগছিলেন। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টায় তাকে শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। শুক্রবার রাত সাড়ে ১০ টার দিকে হাজেরা বেগমের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. প্রিয়াঙ্কাকে একাধিকবার রোগী দেখার অনুরোধ করেন। তিনি রোগী দেখতে স্বশরীরে ওয়ার্ডে না এসে নিজ কক্ষে অবস্থান করে মোবাইল স্ক্রলিংয়ে ব্যস্ত ছিলেন। ওই সময় তিনি রোগীকে তার কক্ষে নিয়ে আসার জন্য স্বজনদের বলেন।নিহতের স্বামী আক্তার হোসেন অসুস্থ রোগীকে একা ডাক্তারের কক্ষে নিয়ে আসা সম্ভব নয় জানালে তিনি রোগী না দেখেই অক্সিজেন দেয়ার পরামর্শ দেন। এর কিছুক্ষণ পর রাত ১২টার দিকে হাজেরা বেগমের মৃত্যু হয়। নিহতের স্বামী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, চিকিৎসককে বারবার অনুরোধ করার পরও তিনি রোগী দেখতে আসেননি। সময়মতো রোগী দেখে চিকিৎসা দিলে হয়তো এ ঘটনার শিকার হতে হতো না। অভিযুক্ত চিকিৎসকের বক্তব্য নিতে গেলে হাসপাতালের কার্ডিওলজি কনসালট্যান্ট ডা. জয়ন্ত মালাকার সাংবাদিকদের বক্তব্য সংগ্রহে বাঁধা প্রদান করেন। তিনি নিজেকে ষষ্ঠ গ্রেডের কর্মকর্তা এবং স্বাস্থ্য কর্মকর্তার দায়িত্বে রয়েছেন দাবি করে বলেন, অভিযুক্ত চিকিৎসকের পক্ষে তিনিই বক্তব্য দেবেন।তার দাবি, ওই রোগীর আইসিইউ (ICU) সাপোর্ট প্রয়োজন ছিল এবং লিভারের এ ধরনের জটিল রোগীর চিকিৎসা এ হাসপাতালে সম্ভব নয়। শাহরাস্তি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর মাহবুবুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ বিষয়ে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু নাছের শাকিল জানান, চিকিৎসকের কর্তব্যে অবহেলার বিষয়টি তদন্তে প্রমাণিত হলে ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

চাঁদপুরের  নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের নতুন বিচারক তাসনিম জোহরা

চাঁদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের নতুন বিচারক তাসনিম জোহরা

চাঁদপুরের  নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের নবনিযুক্ত বিচারক ( জেলা জজ)  হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন তাসনিম জোহরা আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেছেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের নতুন বিচারিক অভিজ্ঞতা সম্পন্ন তাসনিম জোহরা দীর্ঘ বিচারের অধিকারী একজন বিচারক তিনি। ২০১৫ সালে পদোন্নতি পেয়ে মাগুরায় যুগ্নু জেলা জলস হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ২০১৮ সালে খুলনায় যুগ্ন মহানগর দায়রা জজ আদালতে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে  পুনরায় পদোন্নতি পেয়ে ২০২০ সালে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জর্জ হন।২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে ঝালকাঠির চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। চাঁদপুরে যোগদানের আগে তিনি আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইনী কর্মকান্ডে সংযুক্ত ছিলেন। বিচারক তাসনিম  জোহরা ফরিদপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ঢাকার ভিকারুন্নিসা নুন কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে অস্ট্রেলিয়া সরকারের ব্যক্তি নিয়ে   স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক আহমদ জিয়াউর রহমানের সহধর্মিনী। চাঁদপুরের দায়িত্ব গ্রহণ এরপর তাসনিম যুহরা বলেন বিচার প্রার্থীদের দ্রুত সুস্থ নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করতে তিনি আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন। এজন্য তিনি সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন। যোগদানলগ্নে  চাঁদপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সেক্রেটারি সহ শুধু আইনজীবী রা তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ  করেন এবং ফুলেল শুভেচ্ছা  ও জানান।

বরুড়ায় বহু প্রতীক্ষিত মরহুম এ কে এম আবু তাহের ২০ শয্যা হাসপাতালের শুভ উদ্বোধন

বরুড়ায় বহু প্রতীক্ষিত মরহুম এ কে এম আবু তাহের ২০ শয্যা হাসপাতালের শুভ উদ্বোধন

কুমিল্লা জেলার বরুড়া উপজেলার আদ্রা ইউনিয়নের সোনাইমুড়ী গ্রামে বিষয়ভিত্তিক আধুনিক চিকিৎসাসেবায় সমৃদ্ধ *মরহুম এ কে এম আবু তাহের ২০ শয্যা হাসপাতালের* শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।বুধবার এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে হাসপাতালটির শুভ উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ সরকারের গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন এমপি।বরুড়া উপজেলার মানুষের জন্য উন্নত ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে হাসপাতালটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমরা আশাবাদী। বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের দোরগোড়ায় মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে এ ধরনের উদ্যোগ নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ।মরহুম এ কে এম আবু তাহে'র স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁর নামে প্রতিষ্ঠিত এই হাসপাতালের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছিন। একই সঙ্গে হাসপাতালটি যেন মানুষের কল্যাণে কার্যকর ও মানবিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রধান ডাঃ মোহাম্মদ জুলকারনাইন  মজুমদারের সভাপতিত্বে ও উপসহকারী মেডিকেল অফিসার এটিএম গোলাম কিবরিয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ রেজা মোহাম্মদ সারোয়ার আকবর, বরুড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসাদুজ্জামান রনি, বরুড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি কায়সার আলম সেলিম, সহসভাপতি সৈয়দ রেজাউল হক রেজু সহ গুরুত্বপূর্ণ নেতৃবৃন্দ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, মাদক একটি এলাকার সামাজিক পরিবেশ নষ্ট করে। তাই মাদক নির্মূলে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর নির্ভর না করে সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। পাড়া-মহল্লায় মাদকবিরোধী কমিটি গঠন করে মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের বিরুদ্ধে সামাজিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করতে হবে।তিনি বলেন, বরুড়ায় শিক্ষা ও অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যাপক পরিকল্পনা রয়েছে। স্কুল-কলেজের অবকাঠামো উন্নয়ন এবং পুরোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে এমপিওভুক্ত করার বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হবে। এলাকার উন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সহযোগিতাও প্রয়োজন।জাকারিয়া তাহের সুমন বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশের উন্নয়নের জন্য দিন-রাত এক করে কাজ করে যাচ্ছেন। আমাদের দিয়েও তিনি বিরতিহীনভাবে কাজ করিয়ে যাচ্ছেন এবং নিয়মিত কাজের খোঁজখবর নিচ্ছেন। আমরা বরুড়ার উন্নয়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি।”হাসপাতালটি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ কে এম আবু তাহের ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালটি দীর্ঘদিনের স্বপ্নের বাস্তবায়ন। প্রয়াত এ কে এম আবু তাহেরের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁর নামে প্রতিষ্ঠিত এই হাসপাতালের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন তিনি। হাসপাতালটি এলাকার মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও আশা প্রকাশ করেন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বরুড়ার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আহসান হাফিজ, বরুড়া থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী নাজমুল হকসহ চিকিৎসক, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। পরে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।হাসপাতাল-সংশ্লিষ্টরা জানান, বর্তমানে হাসপাতালে সরকারি পদায়নকৃত চিকিৎসক রয়েছেন একজন, সংযুক্ত চিকিৎসক দুইজন, সিনিয়র স্টাফ নার্স তিনজন, উপসহকারী মেডিকেল অফিসার দুইজন, ওয়ার্ডবয় একজন এবং ল্যাব অ্যাটেনডেন্ট একজন। সীমিত জনবল নিয়েই প্রাথমিকভাবে হাসপাতালের কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।সংশ্লিষ্টরা আরও জানান, শুরুর দিকে হাসপাতালে কোনো ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষার ব্যবস্থা থাকবে না এবং সার্জারি কার্যক্রমও চালু হচ্ছে না। প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা দেওয়ার মাধ্যমে হাসপাতালের কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে জনবল ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।