ঢাকা   রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
মুক্তির লড়াই
সর্বশেষ

ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথ: পর্যটনের আড়ালে ইয়াবা পাচারের ‘সেফ রুট’

ঢাকা-কক্সবাজার রুটে সরাসরি রেল যোগাযোগ চালু হওয়ার পর সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরলেও, শঙ্কা বাড়ছে মাদক পাচার নিয়ে।আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর তথ্যানুযায়ী, সড়কপথের কড়াকড়ি এড়াতে মাদক কারবারিরা এখন এই রেলপথকে ইয়াবা ও আইস (ক্রিস্টাল মেথ) পাচারের জন্য ‘নিরাপদ রুট’ হিসেবে বেছে নিচ্ছে।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাস বা ব্যক্তিগত গাড়িতে যাতায়াতের সময় ফেরিঘাট কিংবা হাইওয়ের বিভিন্ন চেকপোস্টে তল্লাশির মুখে পড়তে হয়। কিন্তু ট্রেনে একসঙ্গে কয়েকশ যাত্রী থাকায় এবং প্রতিটি ব্যাগ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তল্লাশির স্থায়ী ব্যবস্থা না থাকায় পাচারকারীরা এটিকে সহজ সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করছে।বিশেষ করে কক্সবাজার আইকনিক স্টেশন থেকে ট্রেন ছাড়ার পর যাত্রীবেশে মাদক বহন করে চট্টগ্রাম,রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।অনুসন্ধানে জানা গেছে, মাদক কারবারিরা এখন আর আগের মতো শরীরে ইয়াবা বহন করছে না। ট্রেনের টয়লেটের ফলস সিলিং, সিটের নিচে ‘বেওয়ারিশ’ ব্যাগ কিংবা খাবারের আড়ালে এসব মাদক বহন করা হচ্ছে।এমনকি কুরিয়ার সার্ভিসের পার্সেল ভ্যানও ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ট্রেনের ভেতরে নেটওয়ার্ক তৈরি করে পাচার চালানো হচ্ছে।রেলওয়ে পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আমরা মাঝেমধ্যেই ঝটিকা অভিযান চালিয়ে বড় চালান উদ্ধার করছি। তবে প্রতিদিনের বিশাল যাত্রীবাহিনীকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে স্ক্যান করা বড় চ্যালেঞ্জ। আধুনিক যন্ত্রপাতির সীমাবদ্ধতা এবং স্টেশনের খোলা প্রবেশপথগুলো মাদক কারবারিদের সুযোগ দিচ্ছে।মাদক ও নেশা নিরোধ সংস্থাগুলোর মতে, কক্সবাজার থেকে ঢাকা পর্যন্ত ট্রেন ভ্রমণ আরামদায়ক হওয়ায় পর্যটকের ছদ্মবেশে মাদক বহন সহজ হয়ে গেছে। তারা বলছে, বিমানবন্দরের মতো কঠোর স্ক্যানিং ও ডগ স্কোয়াড না থাকলে এই রেলপথটি অচিরেই মাদকের ‘মহাসড়কে’ পরিণত হতে পারে।মাদক নিয়ন্ত্রণ বিশেষজ্ঞরা এ রুটে পাচার রোধে তিনটি প্রস্তাব দিয়েছেন- ১. কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম স্টেশনে আধুনিক লাগেজ স্ক্যানার স্থাপন। ২. ট্রেনে ইউনিফর্মধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি। ৩. নিয়মিত ডগ স্কোয়াড দিয়ে তল্লাশি নিশ্চিত করা।রেলপথ দেশের পর্যটন ও অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করলেও, মাদকের এই অনুপ্রবেশ সেই অর্জনকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এখনই কঠোর ব্যবস্থা না নিলে এই গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ মাধ্যমটি বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

জিডিপিতে সেবা খাতের আধিপত্য, প্রবৃদ্ধিতে প্রধান ভূমিকা

সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ের প্রস্তাবিত এবং সাইনবোর্ড লাগানো  জমি  নীলফামারী  জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের নাজিরের   ব্যক্তিগত লীজের ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।নীলফামারী নার্সিং ট্রেনিং ইনস্টিটিউট সংলগ্ন পুরাতন তিস্তা ক্লিনিকের পাশে, নীলফামারী বাজার মৌজাধীন এস, এ ৪০৮নং খতিয়ানের ৩৪৯নং দাগের ১৫ শতক জমি দীর্ঘদিন ধরে সরকারি ব্যবহারেই ছিল। একসময় এটি মুখ্য পাট পরিদর্শকের কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হতো। পরে পাট অধিদপ্তর স্থানটি ছেড়ে দিলে ১০ জুন ২০২০ খ্রি. তারিখের ২৪.০১.৭৩০০.০০১.০০৬.০০১.২০-৬১ নং স্মারকে তৎকালীন সহকারী কমিশনার (ভূমি) বেলায়েত হোসেন ওই জায়গাটিকে সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ের জন্য নির্ধারণে উদ্যোগ নেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিষয়টি নিয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয় এবং সেখানে ‘প্রস্তাবিত ভূমি অফিস’ উল্লেখ করে সাইনবোর্ডও স্থাপন করা হয়েছিল। যদিও পরবর্তীতে সেটি ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যে জমি সরকারি অফিস স্থাপনের স্থান  ছিল, সেই জমিতেই চলতি বছরের ২৮ মার্চ থেকে ঘর নির্মাণকাজ শুরু হয়।নথি ঘেঁটে দেখা যায়, স্মারকনংঃ ০৫.৪৭.৭৩০০.০১৬.০৯.৫/৮৬-৯০ তারিখঃ ২৪ মার্চ ২০২৬খ্রি:   তারিখে স্বাক্ষরিত এক আদেশে জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের এস,এ শাখার রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর সুমনা পারভীন মিতা, একটি আবেদনের প্রেক্ষিতে ৪৪/-৬৮-৬৯ ভূক্ত বাজার মৌজাধীন এস,এ ৪০৮নং খতিয়ানের ৩৪৯নং দাগের ১৫ শতক জমিতে বকেয়া লীজমানি আদায়পূর্বক সেমি-পাকা অবকাঠামো নির্মাণের অনুমতি দেন। প্রশ্ন উঠেছে যে, জমি সরকারি প্রয়োজনে প্রস্তাবিত ছিল, সেটিকে কী প্রক্রিয়ায় সাধারণ লীজযোগ্য জমি হিসেবে বিবেচনা করা হলো? আরও উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এই লীজের সুবিধাভোগীদের পরিচয়। জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের নেজারেত ডেপুটি কালেক্টর শাখার নাজির মো. মমিন তার স্ত্রী মোছা. ইসরাত জাহান মিমের নামে রাস্তা-সংলগ্ন ৫ শতক জমি লীজ নেন। একইভাবে এস,এ শাখার নাজির মনিরুজ্জামান তার স্ত্রী মোছা. রুমা বেগমের নামে রাস্তা-সংলগ্ন পূর্ব পাশের ৫ শতক জমি লীজ নেন। এছাড়া শাহীপাড়ার বাসিন্দা মো. মুহীন আনছারী দক্ষিণ পাশে ৫ শতক জমি লীজ গ্রহণ করেন। জনমনে প্রশ্ন এটি কি নিছক কাকতালীয়, নাকি প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার। বিষয়টি আরও স্পর্শকাতর হয়ে উঠেছে সরকারি কর্মচারীদের আচরণবিধি ঘিরে।জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২০২৪ সালের নোটিশে সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯-এর ৩০ নং বিধিসহ সংশ্লিষ্ট বিধি যথাযথভাবে অনুসরণের নির্দেশনা রয়েছে। সেখানে সরকারি কর্মচারীর নিরপেক্ষতা, শৃঙ্খলা, ক্ষমতার সুষ্ঠু ব্যবহার এবং স্বার্থের সংঘাত এড়িয়ে চলার বাধ্যবাধকতা স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে। অথচ অভিযোগ উঠেছে, সেই বিধিমালাকেই কার্যত উপহাস করে প্রশাসনিক প্রভাব ও পদমর্যাদার সুবিধা ব্যবহার করে প্রস্তাবিত সরকারি জমি ব্যক্তিগত লীজে নেওয়া হয়েছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হচ্ছে সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ের প্রস্তাবিত জমি কীভাবে ব্যক্তিগত লীজে পরিণত হলো? কে বা কারা মাঠপর্যায়ে তদন্ত করলেন? কোন প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এই অনুমোদন দেওয়া হলো? জমির সরকারি প্রস্তাবনার তথ্য কি ইচ্ছাকৃতভাবে গোপন রাখা হয়েছিল? নাকি জেনেশুনেই ব্যক্তি-দখলের পথে ঠেলে দেওয়া হয়েছে?সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোছাঃ মলি আক্তার বলেন, জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) কে জানানো হয়েছে। বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ সাইদুল ইসলাম বলেন, লীজ বাতিল করা হবে এবং উক্ত জমিতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) সদরের সাইনবোর্ড স্থাপন করা হবে।

মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে বেইজিংয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা

সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ের প্রস্তাবিত এবং সাইনবোর্ড লাগানো  জমি  নীলফামারী  জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের নাজিরের   ব্যক্তিগত লীজের ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।নীলফামারী নার্সিং ট্রেনিং ইনস্টিটিউট সংলগ্ন পুরাতন তিস্তা ক্লিনিকের পাশে, নীলফামারী বাজার মৌজাধীন এস, এ ৪০৮নং খতিয়ানের ৩৪৯নং দাগের ১৫ শতক জমি দীর্ঘদিন ধরে সরকারি ব্যবহারেই ছিল। একসময় এটি মুখ্য পাট পরিদর্শকের কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হতো। পরে পাট অধিদপ্তর স্থানটি ছেড়ে দিলে ১০ জুন ২০২০ খ্রি. তারিখের ২৪.০১.৭৩০০.০০১.০০৬.০০১.২০-৬১ নং স্মারকে তৎকালীন সহকারী কমিশনার (ভূমি) বেলায়েত হোসেন ওই জায়গাটিকে সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ের জন্য নির্ধারণে উদ্যোগ নেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিষয়টি নিয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয় এবং সেখানে ‘প্রস্তাবিত ভূমি অফিস’ উল্লেখ করে সাইনবোর্ডও স্থাপন করা হয়েছিল। যদিও পরবর্তীতে সেটি ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যে জমি সরকারি অফিস স্থাপনের স্থান  ছিল, সেই জমিতেই চলতি বছরের ২৮ মার্চ থেকে ঘর নির্মাণকাজ শুরু হয়।নথি ঘেঁটে দেখা যায়, স্মারকনংঃ ০৫.৪৭.৭৩০০.০১৬.০৯.৫/৮৬-৯০ তারিখঃ ২৪ মার্চ ২০২৬খ্রি:   তারিখে স্বাক্ষরিত এক আদেশে জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের এস,এ শাখার রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর সুমনা পারভীন মিতা, একটি আবেদনের প্রেক্ষিতে ৪৪/-৬৮-৬৯ ভূক্ত বাজার মৌজাধীন এস,এ ৪০৮নং খতিয়ানের ৩৪৯নং দাগের ১৫ শতক জমিতে বকেয়া লীজমানি আদায়পূর্বক সেমি-পাকা অবকাঠামো নির্মাণের অনুমতি দেন। প্রশ্ন উঠেছে যে, জমি সরকারি প্রয়োজনে প্রস্তাবিত ছিল, সেটিকে কী প্রক্রিয়ায় সাধারণ লীজযোগ্য জমি হিসেবে বিবেচনা করা হলো? আরও উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এই লীজের সুবিধাভোগীদের পরিচয়। জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের নেজারেত ডেপুটি কালেক্টর শাখার নাজির মো. মমিন তার স্ত্রী মোছা. ইসরাত জাহান মিমের নামে রাস্তা-সংলগ্ন ৫ শতক জমি লীজ নেন। একইভাবে এস,এ শাখার নাজির মনিরুজ্জামান তার স্ত্রী মোছা. রুমা বেগমের নামে রাস্তা-সংলগ্ন পূর্ব পাশের ৫ শতক জমি লীজ নেন। এছাড়া শাহীপাড়ার বাসিন্দা মো. মুহীন আনছারী দক্ষিণ পাশে ৫ শতক জমি লীজ গ্রহণ করেন। জনমনে প্রশ্ন এটি কি নিছক কাকতালীয়, নাকি প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার। বিষয়টি আরও স্পর্শকাতর হয়ে উঠেছে সরকারি কর্মচারীদের আচরণবিধি ঘিরে।জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২০২৪ সালের নোটিশে সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯-এর ৩০ নং বিধিসহ সংশ্লিষ্ট বিধি যথাযথভাবে অনুসরণের নির্দেশনা রয়েছে। সেখানে সরকারি কর্মচারীর নিরপেক্ষতা, শৃঙ্খলা, ক্ষমতার সুষ্ঠু ব্যবহার এবং স্বার্থের সংঘাত এড়িয়ে চলার বাধ্যবাধকতা স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে। অথচ অভিযোগ উঠেছে, সেই বিধিমালাকেই কার্যত উপহাস করে প্রশাসনিক প্রভাব ও পদমর্যাদার সুবিধা ব্যবহার করে প্রস্তাবিত সরকারি জমি ব্যক্তিগত লীজে নেওয়া হয়েছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হচ্ছে সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ের প্রস্তাবিত জমি কীভাবে ব্যক্তিগত লীজে পরিণত হলো? কে বা কারা মাঠপর্যায়ে তদন্ত করলেন? কোন প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এই অনুমোদন দেওয়া হলো? জমির সরকারি প্রস্তাবনার তথ্য কি ইচ্ছাকৃতভাবে গোপন রাখা হয়েছিল? নাকি জেনেশুনেই ব্যক্তি-দখলের পথে ঠেলে দেওয়া হয়েছে?সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোছাঃ মলি আক্তার বলেন, জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) কে জানানো হয়েছে। বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ সাইদুল ইসলাম বলেন, লীজ বাতিল করা হবে এবং উক্ত জমিতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) সদরের সাইনবোর্ড স্থাপন করা হবে।

বৈশ্বিক প্রসারে চীনা অনলাইন সাহিত্যের শক্তিশালী অগ্রযাত্রা

সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ের প্রস্তাবিত এবং সাইনবোর্ড লাগানো  জমি  নীলফামারী  জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের নাজিরের   ব্যক্তিগত লীজের ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।নীলফামারী নার্সিং ট্রেনিং ইনস্টিটিউট সংলগ্ন পুরাতন তিস্তা ক্লিনিকের পাশে, নীলফামারী বাজার মৌজাধীন এস, এ ৪০৮নং খতিয়ানের ৩৪৯নং দাগের ১৫ শতক জমি দীর্ঘদিন ধরে সরকারি ব্যবহারেই ছিল। একসময় এটি মুখ্য পাট পরিদর্শকের কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হতো। পরে পাট অধিদপ্তর স্থানটি ছেড়ে দিলে ১০ জুন ২০২০ খ্রি. তারিখের ২৪.০১.৭৩০০.০০১.০০৬.০০১.২০-৬১ নং স্মারকে তৎকালীন সহকারী কমিশনার (ভূমি) বেলায়েত হোসেন ওই জায়গাটিকে সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ের জন্য নির্ধারণে উদ্যোগ নেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিষয়টি নিয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয় এবং সেখানে ‘প্রস্তাবিত ভূমি অফিস’ উল্লেখ করে সাইনবোর্ডও স্থাপন করা হয়েছিল। যদিও পরবর্তীতে সেটি ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যে জমি সরকারি অফিস স্থাপনের স্থান  ছিল, সেই জমিতেই চলতি বছরের ২৮ মার্চ থেকে ঘর নির্মাণকাজ শুরু হয়।নথি ঘেঁটে দেখা যায়, স্মারকনংঃ ০৫.৪৭.৭৩০০.০১৬.০৯.৫/৮৬-৯০ তারিখঃ ২৪ মার্চ ২০২৬খ্রি:   তারিখে স্বাক্ষরিত এক আদেশে জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের এস,এ শাখার রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর সুমনা পারভীন মিতা, একটি আবেদনের প্রেক্ষিতে ৪৪/-৬৮-৬৯ ভূক্ত বাজার মৌজাধীন এস,এ ৪০৮নং খতিয়ানের ৩৪৯নং দাগের ১৫ শতক জমিতে বকেয়া লীজমানি আদায়পূর্বক সেমি-পাকা অবকাঠামো নির্মাণের অনুমতি দেন। প্রশ্ন উঠেছে যে, জমি সরকারি প্রয়োজনে প্রস্তাবিত ছিল, সেটিকে কী প্রক্রিয়ায় সাধারণ লীজযোগ্য জমি হিসেবে বিবেচনা করা হলো? আরও উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এই লীজের সুবিধাভোগীদের পরিচয়। জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের নেজারেত ডেপুটি কালেক্টর শাখার নাজির মো. মমিন তার স্ত্রী মোছা. ইসরাত জাহান মিমের নামে রাস্তা-সংলগ্ন ৫ শতক জমি লীজ নেন। একইভাবে এস,এ শাখার নাজির মনিরুজ্জামান তার স্ত্রী মোছা. রুমা বেগমের নামে রাস্তা-সংলগ্ন পূর্ব পাশের ৫ শতক জমি লীজ নেন। এছাড়া শাহীপাড়ার বাসিন্দা মো. মুহীন আনছারী দক্ষিণ পাশে ৫ শতক জমি লীজ গ্রহণ করেন। জনমনে প্রশ্ন এটি কি নিছক কাকতালীয়, নাকি প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার। বিষয়টি আরও স্পর্শকাতর হয়ে উঠেছে সরকারি কর্মচারীদের আচরণবিধি ঘিরে।জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২০২৪ সালের নোটিশে সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯-এর ৩০ নং বিধিসহ সংশ্লিষ্ট বিধি যথাযথভাবে অনুসরণের নির্দেশনা রয়েছে। সেখানে সরকারি কর্মচারীর নিরপেক্ষতা, শৃঙ্খলা, ক্ষমতার সুষ্ঠু ব্যবহার এবং স্বার্থের সংঘাত এড়িয়ে চলার বাধ্যবাধকতা স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে। অথচ অভিযোগ উঠেছে, সেই বিধিমালাকেই কার্যত উপহাস করে প্রশাসনিক প্রভাব ও পদমর্যাদার সুবিধা ব্যবহার করে প্রস্তাবিত সরকারি জমি ব্যক্তিগত লীজে নেওয়া হয়েছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হচ্ছে সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ের প্রস্তাবিত জমি কীভাবে ব্যক্তিগত লীজে পরিণত হলো? কে বা কারা মাঠপর্যায়ে তদন্ত করলেন? কোন প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এই অনুমোদন দেওয়া হলো? জমির সরকারি প্রস্তাবনার তথ্য কি ইচ্ছাকৃতভাবে গোপন রাখা হয়েছিল? নাকি জেনেশুনেই ব্যক্তি-দখলের পথে ঠেলে দেওয়া হয়েছে?সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোছাঃ মলি আক্তার বলেন, জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) কে জানানো হয়েছে। বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ সাইদুল ইসলাম বলেন, লীজ বাতিল করা হবে এবং উক্ত জমিতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) সদরের সাইনবোর্ড স্থাপন করা হবে।

প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকায় ‘ক্রাইম রিপোর্টার’ নিয়োগ

প্রতিদিনের বাংলাদেশ

রাজশাহীকে চাঁদাবাজ ও ভূমিদস্যুমুক্ত করবেন - ভূমি মন্ত্রী মোঃ মিজানুর রহমান মিনু

রাজশাহীকে চাঁদাবাজ ও ভূমিদস্যুমুক্ত করবেন - ভূমি মন্ত্রী মোঃ মিজানুর রহমান মিনু

বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের দৃশ্যমান নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন চেয়ারম্যান আতাউর রহমান

বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের দৃশ্যমান নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন চেয়ারম্যান আতাউর রহমান

রাজশাহীতে মশার কারণে জন জীবন অতিষ্ঠ

রাজশাহীতে মশার কারণে জন জীবন অতিষ্ঠ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

চাঁপাইনবাবগঞ্জে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

অসহায়দের ইফতার সামগ্রী বিতরণ করল তালতলা দঃপাড়া একেএ সমাজ কল্যাণ সংঘ

অসহায়দের ইফতার সামগ্রী বিতরণ করল তালতলা দঃপাড়া একেএ সমাজ কল্যাণ সংঘ

হামাগুড়ি দিয়ে সামনে এলেন প্রতিবন্ধী কিশোর, হাত বুলালেন গৃহায়ণ ও গনপুর্ত মন্ত্রী

হামাগুড়ি দিয়ে সামনে এলেন প্রতিবন্ধী কিশোর, হাত বুলালেন গৃহায়ণ ও গনপুর্ত মন্ত্রী

চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবৈধ মাটি কাটার মহাউৎসব, রাতের আঁধারে চলছে লুটপাট

চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবৈধ মাটি কাটার মহাউৎসব, রাতের আঁধারে চলছে লুটপাট

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে নতুন অধ্যায়: মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমনের নেতৃত্বে পরিকল্পিত উন্নয়নের আশা

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে নতুন অধ্যায়: মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমনের নেতৃত্বে পরিকল্পিত উন্নয়নের আশা

নর্দান ইউনিভার্সিটিতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

নর্দান ইউনিভার্সিটিতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

বিয়ের ৮দিন পর গাজীপুরে গার্মেন্টস শ্রমিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

বিয়ের ৮দিন পর গাজীপুরে গার্মেন্টস শ্রমিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

বুড়িচংয়ে অকটেন ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধ, আগুনে পুড়ে ছাই দুই প্লাস্টিক ফ্যাক্টরি, দগ্ধ ৩

বুড়িচংয়ে অকটেন ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধ, আগুনে পুড়ে ছাই দুই প্লাস্টিক ফ্যাক্টরি, দগ্ধ ৩

ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথ: পর্যটনের আড়ালে ইয়াবা পাচারের ‘সেফ রুট’

ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথ: পর্যটনের আড়ালে ইয়াবা পাচারের ‘সেফ রুট’

লালমনিরহাটে নিখোঁজের কয়েক ঘণ্টা পর পুকুর থেকে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার

লালমনিরহাটে নিখোঁজের কয়েক ঘণ্টা পর পুকুর থেকে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার

বালিয়াডাঙ্গীতে শেয়ালের কামড়ে নারীর মৃত্যু, গ্রামজুড়ে আতঙ্ক

বালিয়াডাঙ্গীতে শেয়ালের কামড়ে নারীর মৃত্যু, গ্রামজুড়ে আতঙ্ক

খাল ও জলাশয় দখলমুক্ত রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে- আবুল কালাম এমপি

খাল ও জলাশয় দখলমুক্ত রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে- আবুল কালাম এমপি

দেশের শত করা ৭০ জন লোকই কৃষক, কৃষির বিকল্প নেই.... কৃষি মন্ত্রী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন

দেশের শত করা ৭০ জন লোকই কৃষক, কৃষির বিকল্প নেই.... কৃষি মন্ত্রী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন

বাগেরহাটে ব্রিজের নির্মাণকাজ শুরু ও প্রকৌশলীকে প্রত্যাহারের দাবি

বাগেরহাটে ব্রিজের নির্মাণকাজ শুরু ও প্রকৌশলীকে প্রত্যাহারের দাবি

কটিয়াদীতে সংস্কারের অভাবে সড়কের বেহাল অবস্থা

কটিয়াদীতে সংস্কারের অভাবে সড়কের বেহাল অবস্থা

ব্রাহ্মণপাড়ায় ১২ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২

ব্রাহ্মণপাড়ায় ১২ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২

ভোলায় প্রবাসীর স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, আহত শিশু হাসপাতালে

ভোলায় প্রবাসীর স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, আহত শিশু হাসপাতালে

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং বেগম জিয়ার সমাধিতে স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকারের শ্রদ্ধা

শুক্রবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নব নিযুক্ত স্পীকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম, এমপি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।এরপর জাতীয় সংসদের নব নিযুক্ত ডেপুটি স্পীকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।এসময় তাঁরা কিছুক্ষণ নিরবতা পালন  এবং রূহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করেন।শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পীকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম গণমাধ্যমকে বলেন, আজ এক ঐতিহাসিক মূহুর্তে আমরা উপনীত হয়েছি যখন দীর্ঘসংগ্রামের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুণঃস্থাপিত হয়েছে। মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যার নেতৃত্বে আমরা সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে দেশকে দখলমুক্ত করেছি এবং গণতন্ত্রের মহান নেত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যিনি সীমাহীন ত্যাগ তিতিক্ষার মাধ্যমে বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্রের পুনঃপ্রবর্তন করেছেন তাদের রূহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করেছি। স্পীকার বলেন, বাংলাদেশের বিচক্ষণ মানুষ বিএনপিকে দুই-তৃতীয়াংশ ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেছে যা গনতন্ত্রের পথকে সুগম করবে। সংসদে সরকার ও বিরোধী দলের সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে আমরা দল থেকে পদত্যাগ করে স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকারের পদে আসীন হয়েছি।অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব, সার্জেন্ট এ্যাট আর্মসসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা- কর্মচারীবৃন্দ ও বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

৭ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৪০ এএম
১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৩৮৭ টাকা বাড়িয়ে ১৭২৮ টাকা করেছে সরকার। এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে আপনি কি একমত?

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৩৮৭ টাকা বাড়িয়ে ১৭২৮ টাকা করেছে সরকার। এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে আপনি কি একমত?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন
adsfghfjklh;kgjfydhtrsdhjfkglh;j

গবেষণাগার থেকে মাঠে, বাণিজ্যিক পথে নতুন ধানের যাত্রা

চীনের উহান বিশ্ববিদ্যালয় এবং পাকিস্তানের ইউনিভার্সিটি অব পাঞ্জাবের যৌথ গবেষণায় ধানের এক সংকর প্রজাতির উদ্ভাবন করা হয়েছে। পাকিস্তানে ব্যাপক আকারে বাণিজ্যিক ব্যবহারের দিকে এগোচ্ছে নতুন প্রজাতির এই ধান। ইউনিভার্সিটি অব পাঞ্জাবের তথ্যমতে, প্রথমবারের মতো হোংলিয়ান-ধরনের সংকর প্রজাতির এই ধানের উন্নয়ন ঘটানো হয়েছে পাকিস্তানে, যা পিইউ-৭৮৬ নামে নিবন্ধিত হয়েছে। গত মার্চে বাণিজ্যিকীকরণের আগে চারটি প্রদেশে ধানটির পরীক্ষামূলক উৎপাদন হয়েছে। এর মাধ্যমে গবেষণাগার থেকে নয়া এই ধান বাজারে প্রবেশ করবে। প্রকল্পের প্রধান গবেষক পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মুহাম্মদ আশফাক বলেন, 'পিইউ-৭৮৬ উদ্ভাবনের আগে পাকিস্তানের ধান উৎপাদন খাত স্বল্প উৎপাদনশীলতা, কীটপতঙ্গের সংবেদনশীলতা, জলবায়ুর চাপ এবং রপ্তানি প্রতিযোগিতায় সীমাবদ্ধতা সংক্রান্ত নানা জটিলতায় ধুঁকছিল। কৃষকরাও ফসলের ভারসাম্যহীন ও উচ্চমাত্রার উৎপাদন খরচের মুখোমুখি হচ্ছিলেন, যা এই খাতের সম্ভাবনাকে ক্ষীণ করে রেখেছিল।''পিইউ-৭৮৬ উৎপাদনশীলতার বিচারে বৈশিষ্ট্যপূর্ণ, এক একর জমিতে ৫ দশমিক ৬ মেট্রিক টন পর্যন্ত ফসল হতে পারে, যেখানে দেশের পাশাপাশি রপ্তানি বাজারেও ভোগ্যপণ্য হিসেবে মানসম্পন্ন শস্যের তকমা পাবে', যোগ করেন অধ্যাপক আশফাক। তিনি আরো বলেন, 'এইসব পার্থক্য কেবল সংখ্যাতেই সীমাবদ্ধ নেই, স্বাস্থ্যকর এই শস্যে ঘটবে পূর্ণ মঞ্জুরী এবং এতে শস্যের গুণগত মান হবে আরো ভালো।'দুই দেশের এই উন্নয়নমূলক অংশীদারত্বের সূচনা ঘটে ২০১৮ সালে, যখন কলেজ অব লাইফ সায়েন্সেসের অধ্যাপক চু রেনশানের নেতৃত্বে উহান বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি দলের সঙ্গে কাজ শুরু করে ইউনিভার্সিটি অব পাঞ্জাব। ২০২১ সালে হুবেইয়ের হুয়াংগ্যাংয়েতে লুওটিয়ান-ভিত্তিক গবেষণাগারটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এই গবেষণাগার দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়। তখন থেকেই প্রকল্পটি ব্রিডিং, আঞ্চলিক আবহে পরীক্ষা, নিবন্ধন এবং বাণিজ্যিকীকরণের পথে এগিয়েছে। চীনের দীর্ঘমেয়াদি গবেষণার ঐতিহ্যগত পথ ধরেই পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে গবেষণাগারে ধানটির উদ্ভাবন ঘটেছে। চু বলেন, 'উহান বিশ্ববিদ্যালয়ে যুগেরও বেশি সময় ব্যয়ে হোংলিয়ান-ধরনের এই সংকর প্রজাতির ধানের গবেষণাকে এগিয়ে নেওয়া হয়েছে। এই প্রজাতি তার অভিযোজন যোগ্যতা, শক্ত প্রতিরোধী ক্ষমতা, স্থিতিশীল বীজ উৎপাদন এবং নাইট্রোজেন সারের কার্যকর ব্যবহারে উপযোগিতার জন্য সুপরিচিত। পাশাপাশি উচ্চ উৎপাদনশীল শস্যের গুণগতমানও খুবই ভালো। 'এই ধান চীনের ইয়াংজি নদীর অববাহিকায় ব্যাপকভাবে চাষ করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, এই ধান সমৃদ্ধির পথ দেখিয়েছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, দক্ষিণ এশিয়ায় এবং আফ্রিকায়', যোগ করেন চু। তথ্য ও ছবি: চায়না ডেইলি।

সব বিভাগের খবর

আনসার খেলোয়াড়দের অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযুক্ত রায়হান, কোরবান ও নির্মল এর বিরুদ্ধে (ভিডিও)

বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপির অ্যাথলেটদের জন্য বরাদ্দকৃত বিপুল পরিমাণ টাকা আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে বাহিনীর উপ-পরিচালক রায়হান ফকির এবং তায়কোয়ানডো কোচ মোঃ কোরবান আলী ও নির্মল চৌধুরীর বিরুদ্ধে। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিযোগিতার সম্মানী এবং প্রশিক্ষণের দৈনিক ভাতা না পাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চনার শিকার হয়ে আসছেন আনসার বাহিনীর তায়কোয়ানডো, করাতে ও জুডোর একাধিক তারকা খেলোয়াড়।অনুসন্ধানে জানা যায়, বিগত বিভিন্ন তায়কোয়ানডো গেমসে পদক জয়ী খেলোয়াড়দের সম্মানী এবং সাউথ এশিয়ান (এসএ) গেমসে প্রশিক্ষণরত খেলোয়াড়দের দৈনিক ভাতা সুকৌশলে হাতিয়ে নিয়েছে এই চক্রটি। বাহিনীর সাবেক ক্রীড়া শাখায় নিযুক্ত এবং বর্তমান উপ-পরিচালক রায়হান ফকিরের প্রত্যক্ষ মদদে কোচ কোরবান আলী ও নির্মল চৌধুরী এসব আর্থিক অনিয়ম নিয়ন্ত্রণ করতেন বলে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ।বাংলাদেশ তায়কোয়ানডো ফেডারেশনের বর্তমান অ্যাডহক কমিটির সদস্য ও আন্তর্জাতিক তায়কোয়ানডো খেলোয়াড়  নুরুদ্দিন হোসাইন তার সঙ্গে ঘটা জালিয়াতির চাঞ্চল্যকর বর্ণনা দিয়েছেন। তিনি জানান, প্রাপ্য টাকা আদায়ের জন্য তিনি বারবার রায়হান ফকিরকে এবং আনসার বাহিনীকে চিঠি দিলেও কোনো সমাধান পাননি। উল্টো তাকে প্রতারণার জালে ফেলা হয়।নুরুদ্দিন বলেন, "একদিন রায়হান ফকির সাহেব আমাকে ফোন করে জানতে চান আমি সম্মানী পেয়েছি কি না। আমি না বলায় তিনি আমাকে তার অফিসে ডাকেন। কিন্তু ফোন রাখার মাত্র ১০ মিনিট পরেই কোচ কোরবান আলী ও নির্মল চৌধুরী আমাকে ফোন দিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যেতে বলেন। তারা আমাকে নির্দেশ দেন কেউ ফোন করলে যেন বলি আমি সব টাকা বুঝে পেয়েছি।"পরবর্তীতে খেলোয়াড়দের আন্তর্জাতিক পদকের সম্মানী ভাতার ৫ লক্ষ টাকার একটি চেক নুরুদ্দিনের নামে ইস্যু করা হলেও তিনি তা উত্তোলন করতে পারেননি। অভিযোগ অনুযায়ী, কোচ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা নুরুদ্দিনকে দিয়ে চেকে স্বাক্ষর করিয়ে নিজেরাই রূপালী ব্যাংক এর খিলগাঁও শাখা থেকে ৫ লক্ষ টাকা উত্তোলন করেন। এরপর নুরুদ্দিনকে মাত্র ১ লক্ষ টাকা দিয়ে বাকি ৪ লক্ষ টাকা তারা নিজেরা ভাগাভাগি করে নেন।একইভাবে বঞ্চিত হওয়ার তালিকায় রয়েছেন তায়কোয়ানডো খেলোয়াড় তাবাসুম, রোমা, নাহার, ইলিয়াসসহ আরও অনেকে। এছাড়া ২০২২ সালের এশিয়ান গেমসে অংশগ্রহণের জন্য বিদেশ ভ্রমণের খরচ বাবদ জনপ্রতি ৫০০ ডলার করে দেওয়ার কথা থাকলেও আজ পর্যন্ত কোনো খেলোয়াড় সেই টাকা হাতে পাননি।দুর্নীতির এই জাল শুধু তায়কোয়ানডোতেই সীমাবদ্ধ নয়; জুডো ডিসিপ্লিনের অন্তরাসহ আরও অনেক খেলোয়াড়ও একইভাবে আর্থিক অনিয়মের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। দেশের জন্য সম্মান বয়ে আনা এসব ক্রীড়াবিদদের প্রাপ্য টাকা আত্মসাৎ হওয়ায় ক্রীড়াঙ্গনে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা বর্তমান প্রশাসনের কাছে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

রূপসায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট এর উদ্বোধন

রূপসা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ও টিএসবি ইউনিয়ন পর্যায়ের সকল প্রাথমিক বিদালয়ের আয়োজনে ৭ এপ্রিল মঙ্গলবার সকালে তালতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট বালক- বালিকা ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়।খেলায় অংশগ্রহন করে টিএসবি ইউনিয়নের উপজেলা সদর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বালক- বালিকা বনাম তিলক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বালক- বালিকা। কাজদিয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বালক- বালিকা বনাম উত্তর খাজাডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বালক- বালিকা। তালতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বালক- বালিকা বনাম সল্পবাহিরদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বালক- বালিকা। গিলাতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বালক- বালিকা বনাম দক্ষিন খাজাডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বালক- বালিকা। পাঁচানি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বালক- বালিকা বনাম পাথরঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বালক- বালিকা দল।খেলায় প্রধান অতিথী হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ আবুল কাশেম।টিএসবি ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আসাফুর রহমানের সভাপতিত্বে  বিশেষ অতিথী হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সহকারি শিক্ষা অফিসার মোঃ মাসুদ রানা, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি জিএম আসাদুজ্জামান, ক্রীড়া অনুরাগি মোঃ আনোয়ার হোসেন, মোঃ আজিজুর রহমান  সহ ইউনিয়নের প্রত্যেক প্রত্যেক প্রাথমিক  বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষকবৃন্দ।

সরাইলে জামির নোয়াব স্মৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার অরুয়াইল ইউনিয়নের ধামাউড়া দক্ষিণ পাড়া খেলার মাঠে জমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে “জামির নোয়াব স্মৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট”-এর ফাইনাল খেলা। শনিবার (২৮ মার্চ) বিকেলে এ খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।ফাইনাল ম্যাচে ধামাউড়া উত্তর মধ্যপাড়া ও দক্ষিণ মধ্যপাড়া দল অংশগ্রহণ করে। খেলায় প্রথমে ব্যাট করতে নেমে উত্তর মধ্যপাড়া দল নির্ধারিত ওভারে ১৪৩ রানের লক্ষ্য দাঁড় করায়। জবাবে ব্যাট করতে নেমে দক্ষিণ মধ্যপাড়া দল দারুণ নৈপুণ্য প্রদর্শন করে মাত্র ১ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় এবং চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।খেলা উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রমজান আলী ও খেলা পরিচালনা কমিটির সভাপতি জব্বার বকস। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমীর মাওলানা কুতুব উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অরুয়াইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূইয়া, সমাজসেবক মোহাম্মদ আলী এবং আলফাজ উদ্দিন সিরাজীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে ধামাউড়া গ্রামের ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরে এমন সুন্দর আয়োজনের জন্য আয়োজকদের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, খেলাধুলা যুব সমাজকে মাদক ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ ধরনের আয়োজন নিয়মিত হওয়া প্রয়োজন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।এছাড়া তিনি আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে সকলের দোয়া ও সমর্থন কামনা করেন।খেলা শেষে অতিথিবৃন্দ বিজয়ী ও রানারআপ দলের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন। চ্যাম্পিয়ন দক্ষিণ মধ্যপাড়া দলকে একটি ফ্রিজ এবং রানারআপ উত্তর মধ্যপাড়া দলকে একটি এলইডি টিভি প্রদান করা হয়।স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো আয়োজনটি উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়।

বুড়িচংয়ে মিনি ফুট বল টুর্নামেন্ট এর ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

শনিবার ১৭ জানুয়ারি  বিকালে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার পৌর সভার মরহুম আবিদ আলী মৌলভীর স্মৃতি স্মরনে পূর্ণমতি মকিম ভূইয়া বাড়ী সূর্যোদয় ক্লাবের উদ্যোগে  ডাবল এলইডি মিনি ফুট বল টুর্নামেন্ট ফাইনাল খেলা পূর্ণমতি ভূইয়া বাড়ি মাঠে  অনুষ্ঠিত হয়।এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবদলের আহবায়ক এবং সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ জাবেদ কাউসার সবুজ।প্রধান মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জাসাসের সভাপতি মোঃ ওমর ফারুক। প্রধান আকর্ষণ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা যুবদলের সদস্য আরিফুর রহমান সুমন।অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোঃ এনামুল হক, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক কমিটির সদস্য মোঃ আমিনুল ইসলাম মেম্বার,   সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মুমিনুল হক খান,উপজেলা জাসাসের যুগ্ম সম্পাদক  মোঃ ফয়েজ আহমেদ,  সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মোঃ মাহাবুব আলম, জেলা ইন্স্যুরেন্স্য কর্মকর্তা মোঃ বাচ্চু মিয়া,  মোঃ মন্তাজ উদ্দিন মেম্বার, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ জাহাঙ্গীর আলম।আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ছাত্র দলের আহবায়ক স্বপন আহাম্মদ পাখী, সদস্য সচিব মোঃ ইকবাল হোসেন ভূইয়া।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন যৌথ ভাবে  ক্লাবের উপদেষ্টা মোঃ তাজুল ইসলাম ভূইয়া উপদেষ্টা মোঃ মোজাম্মেল হক ভূইয়া   এবং পরিচালনা করেন মোঃ আবু কাউসার।খেলা উদ্বোধন করেন উপজেলা জাসাসের সভাপতি মোঃ ওমর ফারুক ও উপজেলা বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মোঃ নুরুল আমিন।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৪নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আলী আজম মাষ্টার, ৫নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি বাচ্চু মিয়া, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা যুবদলের সদস্য ইকরাম হোসেন ভূইয়া, ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল হক খোকন, সদর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ইকবাল হোসেন, তোফাজ্জল হোসেন পাখি ঠিকাদার, ওয়াসিম ঠিকাদার, ৫নং ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন, উপজেলা জাসাসের সদস্য কামাল হোসেন, আব্দুস সাত্তার সাবেক মেম্বার, ৪নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি নাজির হোসেন, ওয়ার্ড জাসদের সহসভাপতি মোঃ শামীম মিয়া, উপজেলা শ্রমিক দলের যুগ্ম সম্পাদক জহিরুল ইসলাম, সদর ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক সিরাজুল ইসলাম, সদর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা খোরশেদ আলম, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ অফিসার তানজিল ভূইয়া, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক লোটাস ভূইয়া, ফারুক আহমেদ ও মোঃ সাজু মিয়া চৌধুরী। খেলায় রেফারির দায়িত্বে ছিলেন হরিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শরীর চর্চা শিক্ষক মোঃ ইকবাল হোসেন।খেলার সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও  পরিচালনায় ছিলেন সেলিম ভূইয়া, মোশাররফ ভূইয়া, মাসুদ ভূইয়া, কাউসার ভূইয়া, জাবেদ ভূইয়া, হাসান ভূইয়া  নাঈম ভূইয়া ও ফয়সাল ভূইয়া প্রমূখ।খেলায় ব্রাহ্মণপাড়া  নাইঘর নোয়াপাড়া একাদশ বনাম পূর্ণমতি বাগান বাড়ী ফেন্স ক্লাবে খেলা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ব্রাহ্মণপাড়া  নাইঘর নোয়াপাড়া একাদশ চ্যাম্পিয়ান হন। পরে প্রধান মেহমান উপজেলা জাসাসের সভাপতি মোঃ ওমর ফারুক খেলায় বিজয়ীদের মাঝে এলইডি ডাবল টিভি বিতরণ করেন।

শাহরাস্তিতে প্রিমিয়ার লিগের পুরুস্কার বিতরণ

শাহরাস্তি প্রিমিয়ার লিগের প্রথম রাউন্ডের খেলায় পুরস্কার বিতরণ করেছেন চাঁদপুরের শাহরাস্তি প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ। সোমবার (৫ জানুয়ারি) বিকেলে সূচীপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম হারবিঞ্জাস ও নোয়াখালী আশিয়ান স্পোর্টিং ক্লাবের মধ্যে অনুষ্ঠিত ম্যাচটি উপভোগের পর খেলোয়াড়দের মাঝে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরস্কার তুলে দেন শাহরাস্তি প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. মঈনুল ইসলাম কাজল।‎খেলায় চট্টগ্রাম হারবিঞ্জাসকে ৫১ রানের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত করে আশিয়ান স্পোর্টিং ক্লাব নোয়াখালী জয়লাভ করে।জমজমাট এ ম্যাচে দর্শকদের উপচে পড়া ভিড় ও খেলোয়াড়দের নৈপুণ্যে মাঠজুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ।‎ম্যাচে আশিয়ান স্পোর্টিং ক্লাব নোয়াখালীর পক্ষে ফয়সাল অসাধারণ পারফরম্যান্স প্রদর্শন করে ‘গেম চেইনজার’ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। অপরদিকে দুর্দান্ত অলরাউন্ড নৈপুণ্যের জন্য জসিম ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ নির্বাচিত হন।‎পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক স্বপন কর্মকার মিঠুন, সিনিয়র সহ-সভাপতি সজল পাল, সাবেক সভাপতি ফারুক আহমেদ চৌধুরী, সদস্য জসিম উদ্দিন, হাসান আহমেদ, আবু মূসা আল শিহাব।‎উল্লেখ্য, খেলায় শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আধিপত্য বজায় রেখে আশিয়ান স্পোর্টিং ক্লাব নোয়াখালী ৫১ রানের বড় জয় নিশ্চিত করে। যা উপস্থিত দর্শক ও ক্রীড়ানুরাগীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস সৃষ্টি করে।

আইপিএলে বাদ মোস্তাফিজ, বাংলাদেশ ক্রিকেটের অপমান: রাজিন সালেহ (ভিডিও)

মোহাম্মদ আলী সুমন আসন্ন আইপিএল থেকে মোস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়ার ঘটনাকে ঘিরে বাংলাদেশ ক্রিকেটে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। ৯.২ কোটি রুপিতে কলকাতা নাইট রাইডার্সে চুক্তিবদ্ধ হলেও বিসিসিআইয়ের নির্দেশে শনিবার (৩ জানুয়ারি) তাকে ছেড়ে দেয় ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। https://youtu.be/4VXZlvahV3s?si=QAho6T9MgSac2V3J এ সিদ্ধান্তের সুনির্দিষ্ট কারণ জানায়নি বিসিসিআই। তবে ভারতীয় গণমাধ্যমে রাজনৈতিক ও সাম্প্রতিক বাংলাদেশ-ভারত পরিস্থিতির প্রসঙ্গ উঠে এসেছে। বিষয়টিকে দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাহমুদ সুজন। তিনি বলেন, রাজনৈতিক বা ধর্মভিত্তিক প্রভাব থাকলে তা অত্যন্ত হতাশাজনক। জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার রাজিন সালেহ আরও কড়া ভাষায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, “এটা শুধু মোস্তাফিজের নয়, পুরো বাংলাদেশ ক্রিকেটের অপমান। আইপিএলে নিজেকে প্রমাণ করা একজন খেলোয়াড়কে ডেকে আবার না নেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়।” তিনি নিরাপত্তা ইস্যু নিয়েও প্রশ্ন তুলে বলেন, আইপিএলে যদি একজন খেলোয়াড়কে নিরাপত্তা দেওয়া না যায়, তাহলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ দলের ভারত সফর ও বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়েও ভাবতে হবে।

চাঁদপুরে জাগরণ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ উদযাপিত

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) চাঁদপুর প্রেস ক্লাবে জাগরণ সাংস্কৃতিক  তৃতীয় বাঁশি, চিত্রাংকন ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ব্যারিস্টার জহির উদ্দিন বাবর। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন, প্রেস ক্লাবের সভাপতি সোহেল রুশদী,সাংস্কৃতিক চর্চা কেন্দ্রের আহ্বায়ক ও নাট্য ব্যক্তিত্ব শরীফ চৌধুরী, জাগরণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উপদেষ্টা এডভোকেট নুরুল হক কমল।সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের প্রাক্তন সহকারী রেজিস্টার ও সমাজসেবক ডাক্তার মোবারক হোসেন চৌধুরী।অনুষ্ঠানটিতে সভাপতিত্ব করেন বাঁশি উৎসবের উদ্যোক্তা জাগরণ সংস্কৃতি কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন। সঞ্চালনায় সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ মাসুদ রানা ও সাংবাদিক আশিক খান। বিজয়ী নারী উন্নয়ন সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা তানিয়া ইশতিয়াক খান সহ আরো গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও আমন্ত্রিত অতিথি এবং অভিভাবক বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ৭ জন বাঁশি শিল্পী অংশগ্রহণ করেন অনুষ্ঠানটিতে।অনুষ্ঠানটির প্রথম পর্বে পতাকা উত্তোলনের মধ্যে দিয়ে উদ্বোধনী পর্ব শুরু হয়। অনুষ্ঠানটিতে চমৎকার রূপে চিত্রাংকন, বাশির সুর এবং নিত্য ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান  অনুষ্ঠিত হয়। প্রত্যেক অতিথিবৃন্দ অনুষ্ঠানটিতে প্রশংসা ও মনমুগ্ধকর ভাষায় বক্তব্য প্রদান ও পুরস্কার বিতরণ করে  সমাপ্তি ঘোষনা করেন। 

গোলাম মোর্শেদের কথায় তরুণ মুন্সীর কণ্ঠে লাকী আখান্দের গান

সময়টা ১৯৯৮ সাল। দেশীয় সংগীত জগতের অন্যতম কিংবদন্তি লাকী আখান্দ তখন প্রায় নিয়মিতই সন্ধ্যার পরে গানের আড্ডায় মেতে উঠতেন ধানমন্ডির অফিসে। অফিসটি ছিল দেশের আরেক প্রথিতযশা গুণী গীতিকার গোলাম মোর্শেদের। সেখানেই কোন এক সন্ধ্যায় তারই জন্য লেখা গোলাম মোর্শেদের একটি গান সুর করেছিলেন এই কিংবদন্তি।  কিš‘ নানা কারণে আর গানটি তার গাওয়া হয়ে হয়ে উঠেনি।  ৩৪ বছর আগে লেখা ও সুর করা ‘যার কাছে মন রেখে’ সেই গানটিই এবার মুক্ত হলো জনপ্রিয় শিল্পী তরুণ মুন্সীর কণ্ঠে।  গানটি নিয়ে গোলাম মোর্শেদ বললেন,’আমার জীবনের একটা বড় অংশ জুড়ে আছেন লাকী ভাই। শুধু তাকে ভেবেই অনেক গান আমার লেখা হয়েছে।  ‘যার কাছে মন রেখে’ গানটি দেখার পর লাকী ভাই নিজেই সুর করেছিলেন সেসময়।  কিš‘ তার আর গাওয়া হয়ে উঠেনি।  তিনি চলে যাবার পর আমিও গানটি এভাবেই রেখে দিয়েছিলাম। তবে গানটি নিয়ে ভাবনা আমার মধ্যে ছিল সবসময়ই। একটা সময় এসে মনে হলো গানটি যদি প্রকাশ করতেই হয় লাকী ভাইয়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তবে তরুণ মুন্সীর চাইতে ভালো কেউ গাইতে পারবে না এটি।  আমার সেই বিশ্বাস তরুণ রেখেছে। অসাধারণ গেয়েছে সে গানটি ।  শ্রোতারাও আশা করি গানটি শোনার পর আমার সাথে একমত হবেন প্রত্যাশা করছি।’গানটির গায়ক তরুণ মুন্সী বললেন,’এ এক অন্যরকম অনুভূতি।  লাকী ভাইয়ের জন্য লেখা গান আমি কখনো গাইবো তা স্বপ্নেও ভাবিনি। আমাকে গোলাম মোর্শেদ ভাই যখন গানটির কথা বললেন আমি এক অদ্ভুত ভালো লাগায় ডুবে গিয়েছিলাম। ছোটবেলা থেকে যার গান শুনে বড় হয়েছি , যাকে অনুসরণ করেছি মিউজিকের জন্য তারই গান গেয়েছি -এটা আসলে বলে বোঝানো সম্ভব না। আমি বর্তমান সময়কে মাথায় রেখে লাকী ভাইয়ের কম্পোজিশন ঠিক রেখে নিজের মতো করে গেয়েছি গানটি। শ্রোতারা গানটি শুনবেন,তাদের মতামত জানাবেন -সেই অপেক্ষায় রইলাম।’প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান গান জানালা’র ইউটিউব চ্যানেলে অবমুক্ত হওয়া গানটির মিউজিক ভিডিওটি পরিচালনা করেছেন রুমকী রুসা ও মাশরুর হোসাইন ।

নিজের কিছু মৌলিক গান সৃষ্টি করতে চাই : অঞ্জনা

এই প্রজন্মের প্রতিভাবান সংগীতশিল্পী অঞ্জনা আক্তার। দৈনিক মুক্তির লড়াই পত্রিকার বিনোদন প্রতিবেদকের সাথে তার সমসাময়িক বিষয়বস্তু ও  ক্যারিয়ার নিয়ে কথা বলেছেন। সাক্ষাতকার গ্রহণ করেছেন-রিফাত সাইফুদ্দিন ইয়াহ্ইয়া। ১.গানের জগতে আসার শুরুটা কিভাবে?.*ছোট বেলা থেকেই বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গান করতাম ;সেখান থেকেই গানের প্রতি একটা নেশা হয়ে গেল। তারপর গানটাকে সন্তানের মতো লালন করতে করতে পেশাতে পরিনত হলো ২. মিডিয়াতে কাজ করতে পরিবারের সহযোগীতা কেমন পেয়েছেন?..*আমার পরিবার থেকে মা, ছেলে, ভাগ্নে , বোন সবার কাছ থেকে প্রচুর সহযোগিতা পেয়েছি ৩. আপনি  কোন ধরনের গান করতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন?..*ফোকের ভিতর সব ধরনের গান করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি ৪.  স্টেজ শো নাকি টিভি শো?..,কোনটায় স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন?*স্টেজ শো করতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি৫. বর্তমান ব্যস্ততা কি???*গান ও সংসার দুটোই ৬.  গান নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি?..★ভালো গান করতে চাইনিজের কিছু মৌলিক গান সৃষ্টি করতে চাই , যত দিন বাঁচব গানকে আঁকড়ে ধরে বেঁচে থাকতে চাই।

জ্বালানিনিরাপত্তা শক্তিশালী করতে দ্বিতীয় ইউনিট স্থাপনের পরিকল্পনা নিচ্ছে সরকার

দেশের একমাত্র সরকারি তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসির সক্ষমতা বাড়াতে এবং জ্বালানিনিরাপত্তা শক্তিশালী করতে দ্বিতীয় ইউনিট স্থাপনের পরিকল্পনা এগিয়ে নিচ্ছে সরকার। ২০২৯ সালে দ্বিতীয় ইউনিটের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চালু করা হবে। আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হবে আগামী মাসে। আজ শুক্রবার সকাল ১০টায় ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি পরিদর্শনে এসে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম এসব তথ্য জানান।প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের বর্তমান মেয়াদের মধ্যেই প্রকল্পটির বাস্তবায়ন দৃশ্যমান পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য রয়েছে। এই ইউনিট চালু হলে দেশে অপরিশোধিত তেল পরিশোধনের সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।অনিন্দ্য ইসলাম বলেন, নতুন ইউনিট চালু হলে জ্বালানি তেলের উৎস বহুমুখীকরণ সহজ হবে। মধ্যপ্রাচ্যনির্ভরতা কিছুটা কমিয়ে বিভিন্ন দেশ থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানি করে তা দেশেই পরিশোধনের সুযোগ তৈরি হবে। এতে বৈশ্বিক বাজারের অস্থিরতা বা আঞ্চলিক সংকটের প্রভাব তুলনামূলকভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ১৯৬৮ সালে যাত্রা শুরু করা ইস্টার্ন রিফাইনারি দেশের জ্বালানি সরবরাহব্যবস্থার অন্যতম ভিত্তি হিসেবে কাজ করে আসছে। বছরে প্রায় ১৫ লাখ মেট্রিক টন অপরিশোধিত তেল পরিশোধনের সক্ষমতা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির। এই তেলের বড় অংশ আসে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে, যা বাংলাদেশের জ্বালানি সরবরাহকে দীর্ঘদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যনির্ভর করে রেখেছে।ফেব্রুয়ারির শেষ দিক থেকে শুরু হওয়া মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার প্রভাব মার্চ ও এপ্রিলের তেল সরবরাহে পড়েছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তবে এটি কেবল বাংলাদেশের সমস্যা নয়৷ মধ্যপ্রাচ্যের ওপর নির্ভরশীল প্রায় সব দেশই একই চাপে রয়েছে।অনিন্দ্য ইসলাম জানান, বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহের উদ্যোগ ইতিমধ্যে নেওয়া হয়েছে। দেশে বর্তমানে পরিশোধিত জ্বালানির মজুত পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে স্বস্তিদায়ক। বিশেষ করে জেট ফুয়েলের ক্ষেত্রে প্রায় ছয় সপ্তাহের সমপরিমাণ মজুত রয়েছে। এপ্রিল ও মে মাসের চাহিদা মেটাতে সরকারের সক্ষমতা রয়েছে। এখন জুন মাসের সূচি প্রস্তুত করা হচ্ছে।রিফাইনারির উৎপাদন ধীরগতিতে চলছে উল্লেখ করে কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শরীফ হাসনাত বলেন, বর্তমানে দুটি ইউনিটের কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়েছে। তবে পেট্রল ও বিটুমিনের উৎপাদন চলছে। এ মাসে সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে একটি জাহাজে এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল আসবে। ইস্টার্ন রিফাইনারি পরিদর্শনে আরও উপস্থিত ছিলেন জ্বালানিসচিব মো. সাইফুল ইসলাম, যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী প্রমুখ।

দেশের নিরাপত্তা নিয়েও ভাবছে শিক্ষার্থীরা, এটাই বড় অগ্রগতি: এমপি মিলন

রাজশাহীর পবা উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত ৪৭তম বিজ্ঞান মেলায় শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রকল্পের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক া মিলন। তিনি বলেছেন, “একসময় বিজ্ঞান মেলায় শিক্ষার্থীরা সাধারণ বিষয় উপস্থাপন করত। এখন তারা দেশের নিরাপত্তা, জঙ্গি বিমান শনাক্তকরণ কিংবা জাতীয় হুমকি মোকাবিলায় প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে ভাবছে। এটাই বড় অগ্রগতি।” রোববার (১২ এপ্রিল) সকালে পবা উপজেলা পরিষদ চত্বরে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ, বিজ্ঞান মেলা ও ১০ম জাতীয় বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য অ্যাড. শফিকুল হক মিলন বলেন, স্বাধীনতার প্রায় ৫৫ বছর পূর্তির দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে এ ধরনের আয়োজন দেশের জন্য আশার বার্তা বহন করছে। তিনি বলেন, “আজকের শিক্ষার্থীরা শুধু বইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, তারা বাস্তব জীবনের সমস্যা, রাষ্ট্রের নিরাপত্তা এবং আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগ নিয়ে ভাবছে। এটি আমাদের ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক।” তিনি আরও বলেন, দেশের উন্নয়নে সবাইকে আরও বেশি পরিশ্রমী হতে হবে। বিদেশের তুলনায় দেশের মানুষের কম কাজ করার প্রবণতা থেকে বেরিয়ে এসে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে। তরুণ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বয়স্কদের তুলনায় তাদের মেধা বিকাশ অনেক বেশি স্বচ্ছ ও দ্রæত ঘটে। ফলে নতুন বিষয় আয়ত্ত করা, প্রযুক্তিকে কাজে লাগানো এবং উদ্ভাবনের পথে এগিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও তাদের মধ্যে বেশি। প্রধান অতিথি আরও বলেন, উন্নয়নশীল দেশগুলোর বড় শক্তি হলো ছাত্রসমাজ। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ শিক্ষার্থীদের মেধা ও সৃজনশীলতা বিকাশে সহায়ক ভূমিকা রাখছে। পবা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উদ্ভাবননির্ভর বাংলাদেশ গঠনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রতিপাদ্যে অনুষ্ঠিত এ মেলায় উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১৮টি স্টল স্থান পায়। স্টলগুলোতে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা, প্রযুক্তিনির্ভর উপস্থাপনা এবং ভবিষ্যতমুখী নানা ধারণা দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করে। অতিথিরা শিক্ষার্থীদের প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানান ও বিজ্ঞানমনস্ক প্রজন্ম গড়ে তুলতে এ ধরনের আয়োজনের গুরুত্ব তুলে ধরেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইবনুল আবেদীন। তিনি বলেন, “বিজ্ঞান মেলা কেবল একটি প্রতিযোগিতা নয়, এটি শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, কৌতূহল ও উদ্ভাবনী সক্ষমতা বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম।” তিনি আরও বলেন, এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বাস্তবমুখী জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পায়, যা ভবিষ্যতে বিজ্ঞানমনস্ক ও দক্ষ প্রজন্ম গঠনে সহায়ক হবে। দুইদিনব্যাপী এ বিজ্ঞান মেলা শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানমনস্ক হিসেবে গড়ে তুলতে এবং আগামী দিনের আধুনিক বাংলাদেশ নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ মেহেদী হাসান, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ওয়াদুদ হাসান পিন্টু, পবা উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব আব্দুর রাজ্জাক, যুগ্ম আহ্বায়ক সুলতান আহমেদ এবং নওহাটা পৌর বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিকসহ পবা উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিবৃন্দ, সাংবাদিক, বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থীবৃন্দ, এনজিও প্রতিনিধি এবং বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ।

রাজধানীতে এশিয়া ছিন্নমূল মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশনের সভা অনুষ্ঠিত

বুধবার সকালে রাজধানীর শিশু কল্যাণ পরিষদে আলোচনা সভা ও গুনীজন সম্মাননা প্রদান করেন এশিয়া ছিন্নমূল মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশন। সংগঠনের চেয়ারম্যান মোঃ দুলাল মিয়ার সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সুখ দুঃখ লাগবে সহযোগী হিসেবে প্রেসক্লাব ইউনিটি আত্মপ্রকাশ করেন। তথ্যবাংলা ফাউন্ডেশন, ওয়ার্ল্ড মিডিয়া ক্লাব ও এশিয়া ছিন্নমূল মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশন এর চেয়ারম্যান মোঃ দুলাল মিয়া আহবায়ক, দৈনিক নবজীবন পত্রিকা সম্পাদক নূরুন্নাহার সদস্য সচিব, সম্মিলিত সাংবাদিক সোসাইটি সভাপতি মোঃ দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া কার্যকরী সদস্য মনোনীত হন। কেন্দ্রিয় কার্যকরী পরিষদ ২৫ সদস্য বিভিন্ন পদে, জেলা উপজেলা সমন্বয়ক দ্বারা কেন্দ্রিয় কমিটি ১২৫ জন ও ৭ সদস্য উপদেষ্টা পরিষদ এর নাম ঘোষণা করা হয়। পুলিশ অফিসার জেলা পর্যায়ে ২ জন, সমাজ সেবক ২ জন ও অন্যান্য ধারায় মোট ২৮ গুনীজনকে মানবাধিকার সম্মাননা প্রদান করা হয়। হোসাইনিয়া পাক দরবার শরীফ তত্বাবধানে শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় দেশ জাতীর কল্যাণে মিলাদ ও বিশেষ দোয়া করেন মুফতি ফেরদাউস খান। সকলের মঙ্গল কামনায় বৈশাখী বর্যবরন আনন্দ আয়োজন করা হয়।

ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথ: পর্যটনের আড়ালে ইয়াবা পাচারের ‘সেফ রুট’

ঢাকা-কক্সবাজার রুটে সরাসরি রেল যোগাযোগ চালু হওয়ার পর সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরলেও, শঙ্কা বাড়ছে মাদক পাচার নিয়ে।আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর তথ্যানুযায়ী, সড়কপথের কড়াকড়ি এড়াতে মাদক কারবারিরা এখন এই রেলপথকে ইয়াবা ও আইস (ক্রিস্টাল মেথ) পাচারের জন্য ‘নিরাপদ রুট’ হিসেবে বেছে নিচ্ছে।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাস বা ব্যক্তিগত গাড়িতে যাতায়াতের সময় ফেরিঘাট কিংবা হাইওয়ের বিভিন্ন চেকপোস্টে তল্লাশির মুখে পড়তে হয়। কিন্তু ট্রেনে একসঙ্গে কয়েকশ যাত্রী থাকায় এবং প্রতিটি ব্যাগ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তল্লাশির স্থায়ী ব্যবস্থা না থাকায় পাচারকারীরা এটিকে সহজ সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করছে।বিশেষ করে কক্সবাজার আইকনিক স্টেশন থেকে ট্রেন ছাড়ার পর যাত্রীবেশে মাদক বহন করে চট্টগ্রাম,রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।অনুসন্ধানে জানা গেছে, মাদক কারবারিরা এখন আর আগের মতো শরীরে ইয়াবা বহন করছে না। ট্রেনের টয়লেটের ফলস সিলিং, সিটের নিচে ‘বেওয়ারিশ’ ব্যাগ কিংবা খাবারের আড়ালে এসব মাদক বহন করা হচ্ছে।এমনকি কুরিয়ার সার্ভিসের পার্সেল ভ্যানও ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ট্রেনের ভেতরে নেটওয়ার্ক তৈরি করে পাচার চালানো হচ্ছে।রেলওয়ে পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আমরা মাঝেমধ্যেই ঝটিকা অভিযান চালিয়ে বড় চালান উদ্ধার করছি। তবে প্রতিদিনের বিশাল যাত্রীবাহিনীকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে স্ক্যান করা বড় চ্যালেঞ্জ। আধুনিক যন্ত্রপাতির সীমাবদ্ধতা এবং স্টেশনের খোলা প্রবেশপথগুলো মাদক কারবারিদের সুযোগ দিচ্ছে।মাদক ও নেশা নিরোধ সংস্থাগুলোর মতে, কক্সবাজার থেকে ঢাকা পর্যন্ত ট্রেন ভ্রমণ আরামদায়ক হওয়ায় পর্যটকের ছদ্মবেশে মাদক বহন সহজ হয়ে গেছে। তারা বলছে, বিমানবন্দরের মতো কঠোর স্ক্যানিং ও ডগ স্কোয়াড না থাকলে এই রেলপথটি অচিরেই মাদকের ‘মহাসড়কে’ পরিণত হতে পারে।মাদক নিয়ন্ত্রণ বিশেষজ্ঞরা এ রুটে পাচার রোধে তিনটি প্রস্তাব দিয়েছেন- ১. কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম স্টেশনে আধুনিক লাগেজ স্ক্যানার স্থাপন। ২. ট্রেনে ইউনিফর্মধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি। ৩. নিয়মিত ডগ স্কোয়াড দিয়ে তল্লাশি নিশ্চিত করা।রেলপথ দেশের পর্যটন ও অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করলেও, মাদকের এই অনুপ্রবেশ সেই অর্জনকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এখনই কঠোর ব্যবস্থা না নিলে এই গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ মাধ্যমটি বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

পেপে দিয়ে ঘরোয়া রুপচর্চা

নিজেকে ভালো রাখার জন্য মানসিক ও শারীরিক যত্ন জরুরী।শারীরিক যত্নের ক্ষেত্রে কেউ পার্লারে যেতে পারে আবার‌ কেউ প্রাকৃতিক উপাদানে ঘরোয়া পদ্ধতিতে নিজেকে ভালো রাখতে পারে।আমাদের সবার পক্ষে পার্লারে যাওয়া সম্ভব হয় না।অনেকের পার্লারের প্রতি বিশ্বাস থাকে না।কিন্তু সুন্দর থাকতে সবাই চায়।সুন্দর থাকা মানা নিজেকে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন উজ্জ্বল রাখা।আর সেক্ষেত্রে চামরার উজ্জ্বলতা ও তরতাজা থাকা একটি জরুরী বিষয়।বয়সের সাথে সাথে চেহারাতে উজ্জ্বলতা কমে যাওয়ার ব্যাপারটি পরিলক্ষিত হয়।এই উজ্জ্বলতা ধরে রাখার জন্য ঘরোয়া পদ্ধতি ব্যবহার করা প্রয়োজন।যেমন পাকা পেঁপে এমন একটি ফল যা দৈনন্দিনভাবে শুধু পেস্ট করে যার যতটুকু প্রয়োজন ঠিক ততোটা লাগিয়ে অর্থাৎ পাকা পেঁপের পেস্ট দিয়ে মাসাজ করতে হবে শুকোনো পর্যন্ত চাইলে পাঁচ মিনিট বা আধাঘন্টা রাখতে পারেন।ধোঁয়ার নিয়ম: এক্ষেত্রে দুভাবে ধুয়ে ফেলতে পারেন -১.সাবান বা বডি ওয়াশের সাথে ছুবা ব্যবহার করতে করা।২.খালি জল দিয়েও ধুয়ে ফেলতে পারেন।এরপর বডি লোশন বা স্নানের পর যা ব্যবহার করেন সেটা দেবেন।বডিলোশন উত্তম বলে মনে হয়।এভাবে নিয়মিত পাকা পেঁপে দিয়ে নিযের যত্ন নিলে অবশ্যই তার উজ্জ্বলতা বজায় থাকবে। যদি কারও চামড়ার সমস্যা দেখা দেয় তাহলে বন্ধ করে দিতে হবে উপাদানটি।

পাহাড়ের বৈচিত্র্যে মানবিক ঐক্যের সুর

বসন্তের বিদায় আর নতুন বছরের আবাহনে মুখরিত হয়ে উঠেছে সবুজ পাহাড়ের প্রতিটি জনপদ। প্রকৃতির রুক্ষতা মুছে নতুন কুঁড়ির আগমনে সেজেছে অরণ্য। ঠিক এই সময়েই পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি বিভিন্ন সম্প্রদায়ের জীবনে বছরের শ্রেষ্ঠ সময়ের উপভোগ্য উৎসব বিজু, সাংগ্রাই, বিষু, চাংলান, চাংক্রান, বৈসু ইত্যাদি চৈত্র সংক্রান্তি ও বর্ষবরণ শুরু হচ্ছে। এ যেন পাহাড়ের বৈচিত্র্যে একই সুতোয় গাঁথা মানবিক ঐক্যের তান, লয় ও সুরের মূর্ছনা।নামের ভিন্নতা থাকলেও সুর একটাই- মৈত্রী, সম্প্রীতি আর উৎসব। চাকমাদের 'বিজু', মারমাদের 'সাংগ্রাই', ত্রিপুরাদের 'বৈসু', তঞ্চঙ্গ্যাদের 'বিষু', ম্রো ও চাকদের 'চাংক্রান'। বাঙালির নববর্ষ আর পাহাড়ের এই প্রাণের উৎসব মিলেমিশে একাকার হয়ে পাহাড়ের বুকে তৈরি করেছে এক অসাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মহোৎসব।রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি আর বান্দরবান-এই তিন পার্বত্য জেলায় এখন যেন দম ফেলার সময় নেই। শহরের বনরূপা, তবলছড়ি কিংবা রিজার্ভ বাজার থেকে শুরু করে দুর্গম পাহাড়ের ছোটো বাজারগুলোতেও মানুষের উপচে পড়া ভিড়। চাকমাদের ঐতিহ্যবাহী পিনোন-হাদি, মারমাদের থামি, আর ত্রিপুরাদের রিনাই-রিসার দোকানে তরুণ-তরুণীদের ভিড় চোখে পড়ার মতো। আধুনিকতার ছোঁয়ায় এখন এসব পোশাকে এসেছে নতুন নতুন নকশা, যা কেবল পাহাড়িদের নয়, পর্যটকদেরও ভীষণভাবে আকর্ষণ করছে।শুধু পোশাক নয়, পাহাড়ের বাজারে এখন সুবাস ছড়াচ্ছে বনজ সবজি। চৈত্র সংক্রান্তি আর বর্ষবরণের অপরিহার্য অনুষঙ্গ ‘পাঁজন’ রান্নার জন্য সংগ্রহ করা হচ্ছে বাঁশকোড়ল, তারা গাল্ল্যা, পাহাড়ি আলু আর হরেক রকমের বুনো সবজি। দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ আসছে উৎসবের প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহ করতে।পাহাড়ি সম্প্রদায়ের এই উৎসব সাধারণত তিন দিনব্যাপী চলে। তবে এর প্রস্তুতি চলে মাসজুড়ে। ১২ এপ্রিল ফুল বিজু ও বৈসু, এ সময়ে পাহাড়ি হ্রদে ফুল দিয়ে প্রার্থনা করা হয়, অনেকে বলে থাকে ফুল ভাসানো হয়, প্রকৃতপক্ষে চাকমা সম্প্রদায় ফুলকে শ্রদ্ধা করে, প্রণাম করে- একে ভাসায় না বরং গছিয়ে দেয়। ১৩ এপ্রিল ৩০ চৈত্র বাংলা বর্ষের শেষ দিন হলো মূল বিজু ও বৈসু। এদিনে নতুন কাপড় পরিধান করা হয়, এদিনে চাকমা সম্প্রদায় জুনিয়রদের সেলামি দিয়ে থাকে এবং বাড়িতে বাড়িতে পাজন রন্ধন (অনেক সবজির সমষ্টিতে বিশেষ খাবার) উৎসব উদযাপিত হয় এবং ১৪ এপ্রিল নববর্ষ বুদ্ধিস্ট সম্প্রদায় প্রার্থনার জন্য খেয়াং-এ আসেন এবং মারমা সম্প্রদায় সাংগ্রাই উৎসবে জলকেলি ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করে থাকে।উৎসবের প্রথম দিনকে বলা হয় ‘ফুল বিজু’। ১২ এপ্রিল ভোরে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে শিশু-কিশোর ও তরুণ-তরুণীরা পাহাড়ি ঝরনা বা হ্রদের তীরে ভিড় জমায়। তারা ফুল সংগ্রহ করে নদী বা কাপ্তাই হ্রদের শান্ত জলে ফুল সমপর্ণ করে প্রার্থনা করে। এটি পুরনো বছরের গ্লানি মুছে ফেলার এবং প্রকৃতির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানোর এক প্রতীকী আয়োজন। ঘরদোর ফুল দিয়ে সাজানো আর পবিত্র স্নানের মাধ্যমে তারা নতুন দিনকে স্বাগত জানায়।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং বেগম জিয়ার সমাধিতে স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকারের শ্রদ্ধা

শুক্রবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নব নিযুক্ত স্পীকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম, এমপি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।এরপর জাতীয় সংসদের নব নিযুক্ত ডেপুটি স্পীকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।এসময় তাঁরা কিছুক্ষণ নিরবতা পালন  এবং রূহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করেন।শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পীকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম গণমাধ্যমকে বলেন, আজ এক ঐতিহাসিক মূহুর্তে আমরা উপনীত হয়েছি যখন দীর্ঘসংগ্রামের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুণঃস্থাপিত হয়েছে। মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যার নেতৃত্বে আমরা সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে দেশকে দখলমুক্ত করেছি এবং গণতন্ত্রের মহান নেত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যিনি সীমাহীন ত্যাগ তিতিক্ষার মাধ্যমে বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্রের পুনঃপ্রবর্তন করেছেন তাদের রূহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করেছি। স্পীকার বলেন, বাংলাদেশের বিচক্ষণ মানুষ বিএনপিকে দুই-তৃতীয়াংশ ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেছে যা গনতন্ত্রের পথকে সুগম করবে। সংসদে সরকার ও বিরোধী দলের সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে আমরা দল থেকে পদত্যাগ করে স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকারের পদে আসীন হয়েছি।অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব, সার্জেন্ট এ্যাট আর্মসসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা- কর্মচারীবৃন্দ ও বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

ভোলায় প্রবাসীর স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, আহত শিশু হাসপাতালে

ভোলায় গভীর রাতে আলআমিন নামে এক প্রবাসীর স্ত্রী  নাসিমা বেগম(৩০) কে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। নিহত নাসিমা বেগম ২ সন্তানের জননী। ঘটনাটি সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নে ৬ নং ওয়ার্ডের শরীফ সরদার বাড়ীতে ঘটে।এ সময় দূর্বৃত্তদের হামলায় ১০ বছর বয়সী শিশুসন্তানকেও গুরুতর জখম হয়।নিহত নাসিমার পরিবারের সদস্যরা জানান শনিবার গভীর রাতে একদল দুর্বৃত্ত ঘরের দরজা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে ওই গৃহবধূকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে। একই সময় তার ১০ বছর বয়সী শিশুসন্তানকে কুপিয়ে জখম করে দুর্বৃত্তরা। দূর্বৃত্তররা মনে করেছে শিশুটি মারা গিয়েছে।কিন্তুু পরে স্থানীয়রা দেখতে পায় সে বেচে আছে ফলে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ভোলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শিশুটির অবস্থা গুরুতর। আহত শিশুটি বর্তমানে ভোলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ বিষয়টিকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চলের সৃষ্টি হয়েছে।ঘটনার কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পূর্ব বিরোধ বা ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে। নিহতের স্বামী আলআমিন বর্তমানে বিদেশে অবস্হান করছে।এবিষয় ভোলা সদর মডেল থানার ওসি মো. মনিরুল ইসলাম জানান - হত্যকান্ডটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।এ নৃশংস ঘটনার পর এলাকায় চরম আতঙ্ক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

কবি তরিকুল ইসলাম বিপুর / কিশোর মুক্তিযুদ্ধের গল্প "লাল সবুজের জন্য" মোড়ক উন্মোচন

চট্টগ্রাম স্বাধীনতা বইমেলায় প্রকাশিত হয়েছে কবি তরিকুল ইসলাম বিপুর নতুন কাব্যগ্রন্থ কিশোর মুক্তিযুদ্ধের গল্প "লাল সবুজের জন্য"। ১৪ এপ্রিল মঙ্গলবার মেলা প্রাঙ্গণের মোড়ক উন্মোচন মঞ্চে চমৎকার এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বইটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বইটির মোড়ক উন্মোচন করেন কবি, প্রাবন্ধিক ও সমাজচিন্তক মোঃ কামরুল ইসলাম। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, তরিকুল ইসলাম বিপুর লেখনীতে দেশপ্রেম ও সমকালীন ভাবনা চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে। 'লাল সবুজের জন্য' গ্রন্থটি পাঠকদের মনের খোরাক জোগাবে বলে আমার বিশ্বাস।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মানবিক ও ব্যবসায়িক সংগঠক লায়ন মোঃ জাহাঙ্গীর আলম। তিনি বইটির প্রশংসা করে বলেন, "লাল সবুজের জন্য" একটি চমৎকার বই। এর গল্প ও বিষয়বস্তু যেকোন বয়সী মানুষের ভালো লাগবে। আমি বইটির বহুল প্রচার ও সাফল্য কামনা করছি।অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন কবি রুহুল আমিন সালমান, কবি আফরোজা বেগম, বিশিষ্ট সমাজসেবক এ কিউ এম মোসলে উদ্দিন, জিল্লুর রহমান শাকিল। এছাড়াও মানবিক সংগঠন "বন্ধু মহল" চট্টগ্রাম ইউনিটের উপদেষ্টা আবু হানিফ, সভাপতি হেলাল উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমানসহ সংগঠনের সদস্য তাপস, ইঞ্জিনিয়ার মনিরুজ্জামান, ইঞ্জিনিয়ার শাহিনূর, শাহাদাত ও তুষার উপস্থিত ছিলেন। বিভিন্ন প্রকাশনা সংস্থার প্রতিনিধি এবং বইমেলা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি এক মিলনমেলায় পরিণত হয়।আলোচনা সভা শেষে অতিথিরা আনুষ্ঠানিকভাবে বইটির মোড়ক উন্মোচন করেন এবং লেখকের উজ্জ্বল সাহিত্যিক ভবিষ্যৎ কামনা করেন।

এবারের বইমেলায় তুলতুলের‎ নতুন বই গল্পে স্বপ্নে জিব্রাইল (আ.)

এবারের ‎অমর একুশে বইমেলায় চট্রগ্রামের তরুণ লেখক ও কথাসাহিত্যিক শাম্মী তুলতুলের নতুন বই গল্পে স্বপ্নে জিব্রাইল (আ.) প্রকাশিত হয়েছে। এটি একটি ইসলামিক শিশুকিশোর গল্পগ্রন্থ, যেখানে শিশুদের জন্য নৈতিকতা, মানবিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধভিত্তিক গল্প তুলে ধরা হয়েছে।‎বইটিতে দেশের বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত মোট ১৩টি নির্বাচিত গল্প স্থান পেয়েছে। এটি প্রকাশ করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান অনিন্দ্য প্রকাশ। প্রচ্ছদ এঁকেছেন  বাইজিদ আহমেদ। বইটির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২০০ টাকা। বইটি পাওয়া যাচ্ছে ৫৬৫/৫৬৯  নম্বর স্টলে।‎‎লেখালেখির পাশাপাশি শাম্মী তুলতুল  খবর পাঠ ও আবৃত্তি শিল্পের সাথে জড়িত।তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে চোরাবালির বাসিন্দা, গণিত মামার চামচ রহস্য, ভূত যখন বিজ্ঞানী, নান্টু ঝান্টুর বক্স রহস্য, একজন কুদ্দুস ও কবি নজরুল পাঠকপ্রিয়তা পেয়েছে । ২০২২ সালে কলকাতা বইমেলাতেও  তার অনুগল্পের বই  "নরকেআলিঙ্গন" প্রকাশিত হয়।‎‎নতুন বই প্রসঙ্গে শাম্মী তুলতুল বলেন,‎“আমি এবারের বইমেলায় একটি ইসলামিক গল্পের বই প্রকাশ করেছি। মুসলিম লেখকদের উচিত তাঁদের লেখনীর মাধ্যমে ইসলামের সঠিক শিক্ষা আরও বেশি করে ছড়িয়ে দেওয়া। বিশেষ করে  শিশুদের এসব জানা অত্যন্ত প্রয়োজন। ‎তিনি আরও বলেন,‎ এটি আমার ১৭তম বই। আমার প্রায় সব বই বেস্টসেলার হয়েছে। শিশুসাহিত্য লেখা সবচেয়ে কঠিন কাজ, কারণ শিশুদের মনের মতো করে লিখতে হয়। এই বই নিয়েও আমি পাঠক মহলে অনেক আশাবাদী।‎সামগ্রিকভাবে বলা যায়, "গল্পে স্বপ্নে জিব্রাইল (আ.)” শুধু একটি গল্পগ্রন্থ নয়; এটি শিশুদের নৈতিক শিক্ষা, ধর্মীয় চেতনা ও মানবিক মূল্যবোধ গঠনে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন।উল্লেখ্য শাম্মী তুলতুল চট্রগ্রামের সাহিত্যমোদী পরিবারের সন্তান। তিনি  প্রয়াত  বীর মুক্তিযোদ্ধার কন্যা।

রক্তে কেনা স্বাধীনতা

রক্তে কেনা স্বাধীনতা লাল সবুজের পতাকাশহীদদের রক্ত স্রোত নয় কোন রটনা,বিশ্বের সবচেয়ে বড় ঐতিহাসিক ঘটনাছাব্বিশে মার্চ মহান মুক্তিযুদ্ধের সূচনা।ঘর ছেড়ে সব তরুণ অস্ত্র হাতেনয় মাস জুড়ে যুদ্ধ করে,স্বাধীনতা এসেছে রক্তের স্রোত পেরিয়েবিজয় নিশান ওড়ে আকাশজুড়ে।স্বাধীনতা অন্যায়ের বিরুদ্ধে স্পর্ধিত উচ্চারণমানবিক মর্যাদা সাম্য সুশাসন জাগরণ,মানবিকতার আলোয় গড়ি ন্যায়ের বাংলাদেশরক্তে কেনা স্বাধীনতা হোক গৌরবের আবেশ।স্বাধীনতা শক্তি সাহস প্রেরণাত্যাগের মানসিকতা সদাচারণ উদারতা,স্বাধীনতার মর্যাদা রক্ষায় শপথ করিসবার জন্য মানবিক বাংলাদেশ গড়ি।লেখক পরিচিতি:লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল।শিক্ষক, কবি, কলাম লেখক, সমাজসেবক ও সংগঠক।