মুক্তির লড়াই
সর্বশেষ

কুমিল্লায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে থ্রি-হুইলার আটকের জেরে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার নিমসার বাজার এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে থ্রি-হুইলার (অটোরিকশা) আটকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিবহন শ্রমিকদের সঙ্গে হাইওয়ে পুলিশের উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা হাইওয়ে পুলিশের একটি গাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে।মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে মহাসড়কের নিমসার বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে হাইওয়ে পুলিশ মহাসড়কে চলাচলরত একটি থ্রি-হুইলার আটক করে। এ নিয়ে চালক ও শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হলে ঘটনাস্থলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।এক পর্যায়ে কয়েকজন বিক্ষুব্ধ শ্রমিক হাইওয়ে পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে হামলা চালায় এবং গাড়িটির বিভিন্ন অংশ ভাঙচুর করে। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং কিছু সময়ের জন্য মহাসড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।ঘটনার খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, নিয়মিত আইন প্রয়োগ ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে একটি থ্রি-হুইলার আটক করা হয়েছিল। এর জের ধরে কিছু শ্রমিক উত্তেজিত হয়ে পুলিশের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়।তিনি আরও জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে কাজ চলছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।এদিকে, ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মহাসড়কে পুলিশের নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

হামে শিশু মৃত্যুর দায়: ড. ইউনূস ও নুরজাহান বেগমসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

দেশে চলমান হামের প্রকোপে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসায় ব্যর্থতা এবং আশঙ্কাজনক হারে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ সোমবার (৮ জুন) সকালে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে মামলাটি করেন কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল।মামলায় ড. মুহাম্মদ ইউনূস ছাড়াও অন্য যাদের আসামি করা হয়েছে তারা হলেন— সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম, সাবেক স্বাস্থ্য সচিব সাইদুর রহমান, ড. ইউনূসের তৎকালীন বিশেষ সহকারী ডা. সায়েদুর রহমান এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক ডা. আবু জাফর। মামলার আরজিতে বাদী অভিযোগ করেন, দেশে হামের টিকা সংকট মোকাবিলায় চরম উদাসীনতা এবং চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় নজিরবিহীন ব্যর্থতার কারণেই শত শত শিশুর অকাল মৃত্যু ঘটেছে। প্রশাসনের এই শীর্ষ কর্মকর্তাদের দায়িত্বে অবহেলাই এই মানবিক বিপর্যয়ের প্রধান কারণ।এর আগে গত ২০ মে জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক তহবিল (ইউনিসেফ) বাংলাদেশে হামের টিকা পরিস্থিতি নিয়ে একটি জরুরি সংবাদ সম্মেলন করে। সেখানে ইউনিসেফের প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স জানান, দেশে হামের টিকা সংকটের বিষয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে অন্তত ১০ বার মৌখিকভাবে সতর্ক করা হয়েছিল এবং এ বিষয়ে ৫টি আনুষ্ঠানিক চিঠিও দেওয়া হয়েছিল। তবে টিকা ক্রয়ের জন্য অর্থের কোনো সংকট ছিল না; মূলত সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তহীনতা এবং ক্রয়সংক্রান্ত আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণেই সময়মতো টিকা আনা সম্ভব হয়নি, যার খেসারত দিতে হচ্ছে শিশুদের।প্রসঙ্গত, দেশে হামের প্রাদুর্ভাব বর্তমানে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত দেশে হাম এবং হামজনিত বিভিন্ন উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬২০ জনে, যাদের বেশিরভাগই শিশু। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পরবর্তী তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে নির্দেশ দেবেন বলে আদালত সূত্রে জানা গেছে।

হামে শিশু মৃত্যুর দায়: ড. ইউনূস ও নুরজাহান বেগমসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরল ৪০২ প্রাণ, দুর্ঘটনার শীর্ষে মোটরসাইকেল

ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে দেশের সড়ক, রেল ও নৌপথে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনায় ৪৩৮ জনের প্রাণহানি হয়েছে। এর মধ্যে শুধু সড়ক দুর্ঘটনাতেই নিহত হয়েছেন ৪০২ জন এবং আহত হয়েছেন ১ হাজার ২৯৪ জন। বরাবরের মতো এবারও দুর্ঘটনার তালিকায় সবচেয়ে বেশি জড়িত ছিল মোটরসাইকেল।বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির সড়ক দুর্ঘটনা মনিটরিং সেলের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। রোববার রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেন।প্রতিবেদনে বলা হয়, ঈদযাত্রা শুরুর দিন ২১ মে থেকে কর্মস্থলে ফেরা ৪ জুন পর্যন্ত ১৫ দিনে সারাদেশে ৩৯৪টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪০২ জন নিহত ও ১ হাজার ২৯৪ জন আহত হন। একই সময়ে ৩১টি রেল দুর্ঘটনায় ২৩ জন নিহত ও ৩০ জন আহত এবং ১৭টি নৌ দুর্ঘটনায় ১৩ জন নিহত ও ১৬ জন আহত হয়েছেন। সব মিলিয়ে সড়ক, রেল ও নৌপথে ৪৪২টি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৪৩৮ জন, আহত হয়েছেন ১ হাজার ৩৪০ জন।প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোট সড়ক দুর্ঘটনার ৩৮ দশমিক ৮৩ শতাংশই মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা। ঈদের সময়ে ১৫৩টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৫৯ জন নিহত ও ১৮০ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া দুর্ঘটনায় জড়িত যানবাহনের মধ্যে মোটরসাইকেলের হার ছিল ২৮ দশমিক ৯০ শতাংশ, ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান ২১ শতাংশ, বাস ১৯ দশমিক ৫৬ শতাংশ, অবৈধ ব্যাটারিচালিত যান ১২ দশমিক ৩৪ শতাংশ, কার ও মাইক্রোবাস ৭ দশমিক ৮১ শতাংশ, নছিমন-করিমন ৬ দশমিক ৫৬ শতাংশ এবং সিএনজি অটোরিকশা ৬ দশমিক ৪০ শতাংশ।গত বছরের ঈদুল আজহার তুলনায় এবার সড়ক দুর্ঘটনা বেড়েছে ৩ দশমিক ৯৫ শতাংশ, প্রাণহানি ৩ দশমিক ০৭ শতাংশ এবং আহতের সংখ্যা ৯ দশমিক ৪৭ শতাংশ। ২০২৫ সালের ঈদুল আজহায় ৩৭৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৯০ জন নিহত এবং ১ হাজার ১৮২ জন আহত হয়েছিলেন।দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ৪৪ শতাংশ দুর্ঘটনা মুখোমুখি সংঘর্ষের কারণে, ২৯ দশমিক ১৮ শতাংশ গাড়িচাপা বা ধাক্কার ঘটনায়, ১৭ দশমিক ২৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এবং বাকিগুলো অন্যান্য কারণে সংঘটিত হয়েছে।স্থানভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, মোট দুর্ঘটনার ৫০ দশমিক ৫০ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে, ৩০ দশমিক ৭১ শতাংশ আঞ্চলিক মহাসড়কে এবং ১৪ দশমিক ৪৬ শতাংশ ফিডার সড়কে ঘটেছে। এছাড়া ঢাকা মহানগরে ২ দশমিক ৫৩ শতাংশ, চট্টগ্রাম মহানগরে শূন্য দশমিক ২৫ শতাংশ এবং রেলক্রসিংয়ে ১ দশমিক ৫২ শতাংশ দুর্ঘটনা সংঘটিত হয়েছে।সংবাদ সম্মেলনে মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, দেশের বিভিন্ন সড়ক-মহাসড়কে বৃষ্টির কারণে সৃষ্টি হওয়া গর্ত, ভাঙাচোরা অবকাঠামো, চালকদের আইন অমান্যের প্রবণতা এবং বেপরোয়া গতির মোটরসাইকেল চলাচল দুর্ঘটনা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। এছাড়া চালক সংকটের কারণে প্রায় ৮০ শতাংশ যানবাহন একটানা ও বিশ্রামহীনভাবে চালানো হয়েছে, যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বাড়িয়েছে।তিনি জানান, ঈদযাত্রায় দুর্ঘটনার পর ৮০ জন চালক জনরোষের শিকার হয়েছেন। নিহত ও আহতদের মধ্যে ৮৯ জন পরিবহন শ্রমিক, ৫৯ জন পথচারী, ৬৪ জন নারী, ৪৫ জন শিশু, ৬৬ জন শিক্ষার্থী, ৫ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, ৩ জন শিক্ষক, ১ জন চিকিৎসক এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী রয়েছেন।যাত্রী কল্যাণ সমিতির পর্যবেক্ষণে দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে— জাতীয় মহাসড়কে মোটরসাইকেল ও ব্যাটারিচালিত যানবাহনের অবাধ চলাচল, সড়কে রোড সাইন ও মার্কিংয়ের অভাব, মিডিয়ান ও ডিভাইডার না থাকা, নির্মাণ ত্রুটি, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অদক্ষ চালক, অতিরিক্ত যাত্রী বহন, উল্টোপথে যান চলাচল, চাঁদাবাজি এবং দীর্ঘ সময় বিরামহীনভাবে গাড়ি চালানো।প্রাণহানি কমাতে যাত্রী কল্যাণ সমিতি স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে। সংগঠনটি আধুনিক বাস নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা, প্রযুক্তিনির্ভর সড়ক ব্যবস্থাপনা চালু করা, চালকদের উন্নত প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করা, মহাসড়কে সার্ভিস লেন ও ফুটপাত নির্মাণ, নিয়মিত রোড সেফটি অডিট, ফিটনেস ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং পরিবহন খাতে কাঠামোগত সংস্কারের সুপারিশ করেছে।সংবাদ সম্মেলনে সরকারের সাবেক সচিব ড. এ ওয়াই এম একরামুল হক, যাত্রী কল্যাণ সমিতির যুগ্ম মহাসচিব অর্পনা রায় দাশ, অর্থ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান রাসেল, দপ্তর সম্পাদক আলমগীর কবির লিটুসহ সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরল ৪০২ প্রাণ, দুর্ঘটনার শীর্ষে মোটরসাইকেল
কুমিল্লায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে থ্রি-হুইলার আটকের জেরে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর

কুমিল্লায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে থ্রি-হুইলার আটকের জেরে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার নিমসার বাজার এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে থ্রি-হুইলার (অটোরিকশা) আটকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিবহন শ্রমিকদের সঙ্গে হাইওয়ে পুলিশের উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা হাইওয়ে পুলিশের একটি গাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে।মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে মহাসড়কের নিমসার বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে হাইওয়ে পুলিশ মহাসড়কে চলাচলরত একটি থ্রি-হুইলার আটক করে। এ নিয়ে চালক ও শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হলে ঘটনাস্থলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।এক পর্যায়ে কয়েকজন বিক্ষুব্ধ শ্রমিক হাইওয়ে পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে হামলা চালায় এবং গাড়িটির বিভিন্ন অংশ ভাঙচুর করে। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং কিছু সময়ের জন্য মহাসড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।ঘটনার খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, নিয়মিত আইন প্রয়োগ ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে একটি থ্রি-হুইলার আটক করা হয়েছিল। এর জের ধরে কিছু শ্রমিক উত্তেজিত হয়ে পুলিশের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়।তিনি আরও জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে কাজ চলছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।এদিকে, ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মহাসড়কে পুলিশের নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

চীন-উত্তর কোরিয়া মৈত্রী সময়ের সঙ্গে আরও শক্তিশালী হয়েছে: সি

৮জুন (সোমবার), উত্তর কোরিয়ায় রাষ্ট্রীয় সফরে যাওয়ার প্রাক্কালে, চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং, সেদেশের পত্রিকা 'লোডং সিনমুন'-এ ‘ঐতিহ্য উত্তরাধিকার ও ভবিষ্যতের পথে একসাথে এগিয়ে যাওয়া: চীন-উত্তর কোরিয়া ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্বের নতুন অধ্যায় রচনা’ শীর্ষক একটি নিবন্ধ লেখেন। নিবন্ধটিতে তিনি বলেছেন:“এ বছর ‘চীন-উত্তর কোরিয়া বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতা ও পারস্পরিক সহায়তা চুক্তি’ স্বাক্ষরের ৬৫তম বার্ষিকী। উত্তর কোরিয়ার লেবার পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও রাষ্ট্রীয় কমিশনের চেয়ারম্যান কমরেড কিম জং-উনের আমন্ত্রণে, আমি শীঘ্রই উত্তর কোরিয়ায় একটি রাষ্ট্রীয় সফর করব। এটি হবে সুন্দর উত্তর কোরিয়ায় ৭ বছর পর আমার আবার সফর। চীন ও উত্তর কোরিয়া পরস্পরের অভিন্ন কল্যাণের সমাজতান্ত্রিক বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিবেশীরাষ্ট্র। যুগ যতই পরিবর্তিত হোক না কেন, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি যতই পরিবর্তিত হোক না কেন, চীন-উত্তর কোরিয়া ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্ব সর্বদা অটুট এবং সময়ের সাথে সাথে দৃঢ় ও প্রাণশক্তিতে পরিপূর্ণ ছিল, আছে, ও থাকবে। সর্বোচ্চ স্তরের কৌশলগত নেতৃত্ব, চীন-উত্তর কোরিয়া সম্পর্কের সবচেয়ে বড় শক্তি। ইতিহাসে, চীন ও উত্তর কোরিয়ার প্রবীণ নেতারা পরস্পরকে জানতেন ও বুঝতেন এবং ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখতেন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে, আমি কিম জং-উনের সঙ্গে ৬ বার সাক্ষাত্ করেছি, ঘনিষ্ঠ কৌশলগত যোগাযোগ বজায় রেখেছি, এবং যৌথভাবে চীন-উত্তর কোরিয়া সম্পর্কের উন্নয়নের পরিকল্পনা তৈরি করেছি। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, চীন-উত্তর কোরিয়া সম্পর্কের নৌযান, সর্বোচ্চ নেতাদের নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনায়, নিশ্চয়ই বাতাস ও ঢেউ উপেক্ষা করে দৃঢ়ভাবে সামনে এগিয়ে যাবে। চীনা কমিউনিস্ট পার্টি ও উত্তর কোরিয়ার লেবার পার্টি মার্কসবাদী দুটি শাসকদল এবং চীন ও উত্তর কোরিয়া সমাজতন্ত্রের পথে একে অপরের সঙ্গী। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, উভয় পার্টি ও রাষ্ট্র যৌথভাবে, নিজ নিজ পার্টি ও রাষ্ট্রের উন্নয়নকাজ এগিয়ে নিয়ে যাবে এবং বাস্তবসম্মত বিনিময় ও সহযোগিতা জোরদার করবে। এতে দেশের সমৃদ্ধি ও শক্তিশালীকরণ এবং জনগণের সুখ ও নিরাপত্তাব্যবস্থা শক্তিশালী হবে এবং সমাজতন্ত্রের উল্লেখযোগ্য সুবিধা ও উজ্জ্বল সম্ভাবনা প্রদর্শিত হবে। উচ্চ পর্যায়ের কৌশলগত সহযোগিতা চীন-উত্তর কোরিয়া সম্পর্কের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ। আঞ্চলিক দীর্ঘমেয়াদী শান্তি এবং বিশ্বের শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রচার করা উভয় পার্টি ও রাষ্ট্র এবং উভয় দেশের জনগণের যৌথ লক্ষ্য। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, চীন ও উত্তর কোরিয়া ক্রমাগত কৌশলগত সহযোগিতা গভীর করলে, দু’দেশ নিশ্চয়ই শান্তিপূর্ণ উন্নয়ন ও পারস্পরিক কল্যাণকর সহযোগিতার সঠিক পথে একসাথে এগিয়ে যেতে পারবে।  সাম্প্রতিক বছরগুলোতে, দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্ব পরিস্থিতি এবং উত্থান-পতনে ভরা আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির মুখে, চীন ও উত্তর কোরিয়া নিজেদের কাজ ভালোভাবে করার দিকে মনোনিবেশ করেছে এবং সমাজতান্ত্রিক পথে কঠোর পরিশ্রম ও অবিরাম সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে। চীন ‘পঞ্চম পাঁচসালা পরিকল্পনা’ বাস্তবায়নের পথে একটি ভালো সূচনা করেছে এবং চীনা আধুনিকায়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচনের জন্য জোরালো প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে; দ্বিতীয় শত বছরের লক্ষ্য বাস্তবায়নের দিকে বড় পদক্ষেপে এগিয়ে চলেছে। এদিকে উত্তর কোরিয়ার লেবার পার্টি সফলভাবে নবম কংগ্রেস আয়োজন করেছে; কোরিয়ার দল ও রাষ্ট্রের উন্নয়নের জন্য কৌশলগত পরিকল্পনা ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে; এবং সমাজতন্ত্রের ব্যাপক উন্নয়নের একটি নতুন যুগের সূচনা করেছে। বর্তমানে, চীন-উত্তর কোরিয়া সম্পর্ক একটি নতুন ঐতিহাসিক সূচনাবিন্দুতে দাঁড়িয়ে আছে। চীন উত্তর কোরিয়ার সাথে, কৌশলগত উচ্চতা থেকে, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বুঝতে এবং সময়ের সাথে সাথে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বৃহত্তর উন্নয়ন এগিয়ে নিয়ে যেতে ইচ্ছুক। আর এর জন্য: - কৌশলগত যোগাযোগ আরও গভীর করতে হবে এবং চীন-উত্তর কোরিয়া সম্পর্কের উন্নয়নের সঠিক দিকনির্দেশনা দৃঢ়ভাবে উপলব্ধি করতে হবে। ‘চীন-উত্তর কোরিয়া বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতা ও পারস্পরিক সহায়তা চুক্তি’ স্বাক্ষরের ৬৫তম বার্ষিকীকে সুযোগ হিসেবে নিয়ে, পার্টি, সরকার ও সেনাবাহিনীর বিভিন্ন বিভাগ ও স্তরের মধ্যে যোগাযোগ ও বিনিময় জোরদার করতে হবে; উভয় পক্ষের গুরুত্বপূর্ণ ঐকমত্য বাস্তবায়ন করতে হবে এবং চীন-উত্তর কোরিয়া সম্পর্কের উন্নয়নে শক্তিশালী গতি সঞ্চার করতে হবে;  —বিনিময় ও পারস্পরিক শিক্ষা জোরদার করতে এবং যৌথভাবে উভয় দেশের সমাজতান্ত্রিক ক্যারিয়ারকে স্থিতিশীল ও দীর্ঘমেয়াদী করা জরুরি। পার্টির পূর্ণ নেতৃত্বে অটল ও শক্তিশালী থাকতে হবে, উভয় পার্টির মধ্যে বিনিময় ও সহযোগিতা প্রসারিত করতে হবে, পার্টি ও রাষ্ট্র শাসনের অভিজ্ঞতা বিনিময় ও পারস্পরিক শিক্ষা গভীর করতে হবে; —বাস্তবসম্মত সহযোগিতা প্রসারিত করতে এবং ক্রমাগতভাবে উভয় দেশের জনগণের কল্যাণ ও বন্ধুত্ব বৃদ্ধি করা দরকার। উভয় দেশের উন্নয়নকৌশলের সমন্বয়কাজ জোরদার করতে হবে; সব ক্ষেত্রে সহযোগিতার সম্ভাবনা উন্মোচন করতে হবে; সুযোগ ভাগ করে নিতে হবে; উন্নয়ন এগিয়ে যেতে হবে; এবং উভয় দেশের জনগণকে আরও ভালোভাবে সেবা দিতে হবে;  - বহুপাক্ষিক সহযোগিতা ঘনিষ্ঠ করা এবং আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার দৃঢ়ভাবে রক্ষা করা প্রয়োজন। কৌশলগত যোগাযোগ ও সমন্বয় জোরদার করতে হবে; জাতিসংঘকেন্দ্রিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা ও আন্তর্জাতিক আইনভিত্তিক আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলা যৌথভাবে রক্ষা করতে হবে; আধিপত্যবাদ ও শক্তির রাজনীতি এবং সামরিকবাদ পুনরুজ্জীবন ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা হুমকির মুখে ফেলে এমন সব আচরণের বিরোধিতা করতে হবে।  আমরা উত্তর কোরিয়ার কমরেডদের সাথে হাত মিলিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে ও নতুন অধ্যায় রচনা করতে চাই, যাতে চীন-উত্তর কোরিয়া ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্ব আরও উজ্জ্বল সময়ের আভা ছড়ায় এবং আঞ্চলিক ও বিশ্বের শান্তি, স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধিতে বৃহত্তর অবদান রাখতে পারে।” সূত্র:জিনিয়া-আলিম-তুহিনা,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

পাথরঘাটায় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোস্তফা গোলাম কবির আটক

বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো. মোস্তফা গোলাম কবির (৫৫) কে আটক করেছে পাথরঘাটা থানা পুলিশ।স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, সোমবার (০৯ জুন ২০২৬) বিকাল আনুমানিক ৬টার দিকে পাথরঘাটা উপজেলার একটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। আটক অভিযানের সময় পুলিশের একটি দল উপস্থিত ছিল। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তার বিরুদ্ধে কী ধরনের অভিযোগে বা কোন মামলায় তাকে আটক করা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।পাথরঘাটা থানার ডিউটি অফিসার  আখি জানান, “তাকে আটক করা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।” তবে তিনি এ বিষয়ে অতিরিক্ত কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।এদিকে স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, সাবেক এই জনপ্রতিনিধির আটকের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। অনেকেই বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন। তবে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক যাচাই-বাছাই শেষে তার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা বা অভিযোগ সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে তথ্য জানানো হতে পারে।ঘটনাটি ঘিরে পাথরঘাটা এলাকায় এখনো উত্তেজনা ও কৌতূহল বিরাজ করছে।

৭ জুন ২০২৬, ০৯:৩০ এএম
বিদ্যুৎ-জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিতে বাজারে বেশি প্রভাব ফেলবে না বলে মন্তব্য করেছেন উপদেষ্টা জাহেদ। আপনি ও কি তাই মনে করেন?

বিদ্যুৎ-জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিতে বাজারে বেশি প্রভাব ফেলবে না বলে মন্তব্য করেছেন উপদেষ্টা জাহেদ। আপনি ও কি তাই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন
শতবর্ষী বাংগরা উমালোচন উচ্চ বিদ্যালয়: পুনর্মিলনীর নামে 'ফান্ড রাইজিং', ৮ বছরেও মিলল না লাখ লাখ টাকার হিসাব

শতবর্ষী বাংগরা উমালোচন উচ্চ বিদ্যালয়: পুনর্মিলনীর নামে 'ফান্ড রাইজিং', ৮ বছরেও মিলল না লাখ লাখ টাকার হিসাব

১৫০ বছরের গৌরবময় ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ কুমিল্লার মুরাদনগরের 'বাংগরা উমালোচন উচ্চ বিদ্যালয়'। কিন্তু সেই দীর্ঘ ঐতিহ্যে এবার দাগ লাগতে বসেছে পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের নামে অর্থ আত্মসাতের এক ধোঁয়াশাপূর্ণ ঘটনায়। বিদ্যালয়ের ১৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ২০১৮ সালে একটি জাঁকজমকপূর্ণ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান করার কথা থাকলেও, দীর্ঘ ৮ বছর পার হয়ে গেলেও তা আজো আলোর মুখ দেখেনি। ফলে সাধারণ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে চরম ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।অনুসন্ধানে জানা যায়, পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান আয়োজনের লক্ষ্যে কয়েক হাজার সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ রেজিস্ট্রেশন ফি আদায় করা হয়। সাবেক শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে জনপ্রতি ১,০০০ টাকা এবং তৎকালীন অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে নেওয়া হয়েছিল। এমনকি বিদ্যালয়টিতে পড়ুয়া ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণীর কোনো শিক্ষার্থীই এর বাইরে ছিল না; তাদের জন্য এই রেজিস্ট্রেশন ছিল সম্পূর্ণ বাধ্যতামূলক। দেশ ছাড়িয়ে প্রবাসে থাকা প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের কাছ থেকেও মোটা অঙ্কের টাকা আসার সুস্পষ্ট আলামত মিলেছে।কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, সুদীর্ঘ ৮টি বছর পার হয়ে গেলেও আজ পর্যন্ত মোট কত টাকা উঠেছে তার সঠিক কোনো হিসাব খোদ অনুষ্ঠান কমিটির ট্রাস্টি মিজানুর রহমানও জানেন না। কর্তৃপক্ষের এমন উদাসীনতায় আদৌ এই পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান কোনোদিন হবে কি না, তা নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে গভীর ধোঁয়াশা। সাম্প্রতিক সময়ে এই অর্থ আদায় ও অনুষ্ঠান না হওয়ার বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়। এরপর থেকেই সংশ্লিষ্ট মহলে শুরু হয় তোলপাড়। একে অপরকে ফোন দেওয়া এবং নিজের দায় অন্যের ঘাড়ে চাপানোর এক নোংরা প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে।এদিকে ঘটনাটি নিয়ে ধোঁয়াশা আরও ঘনীভূত হয়েছে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহবুবুর রহমান সেলিমের বক্তব্যে। তিনি জানান, বিদ্যালয়ের বর্তমান শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে যে প্রায় ৬০-৭০ হাজার টাকা সংগ্রহ করা হয়েছিল, তা ব্যাংকে জমা আছে। তবে অন্যদের সংগৃহীত কোনো টাকা তার হাতে আসেনি।প্রধান শিক্ষক সরাসরি অভিযোগের আঙুল তুলে বলেন, "বাংগরা গ্রামের গাজী আক্তার, প্রাক্তন শিক্ষার্থী সাদেক ও মিজানসহ বেশ কয়েকজন এই টাকা সংগ্রহ করেছে। তাদের কাছ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো অর্থ বা হিসাব আমরা পাইনি।" কাঙ্ক্ষিত এই অনুষ্ঠানের বিষয়ে তিনি আরও বলেন, একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন না হওয়া পর্যন্ত এই বিষয়ে চূড়ান্ত কিছু বলা সম্ভব হচ্ছে না।অনুষ্ঠান কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গাজী আক্তার টাকা তোলার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন,"আমার কাছে সংগৃহীত মোট ৩৭ হাজার টাকা গচ্ছিত আছে। আরও কিছু ব্যক্তির কাছ থেকে অর্থ আসার কথা থাকলেও তা আমরা শেষ পর্যন্ত পাইনি। তাছাড়া, এতদিন পর্যন্ত কমিটির কেউ বা বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই বিষয়টি নিয়ে আমাদের সাথে কোনো যোগাযোগ বা কথা বলেনি। যে কারণে সংগৃহীত অর্থ এবং রেজিস্ট্রেশনের বই এখনো কাউকে বুঝিয়ে দেওয়া সম্ভব হয়নি।" তিনি আরও বলেন, "আমরা চাই দ্রুত এই অনুষ্ঠানটি সফল করার লক্ষ্যে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে।"এ বিষয়ে ট্রাস্টি মিজানুর রহমান জানান, অনুষ্ঠান কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক অগ্রণী ব্যাংকে একটি যৌথ হিসাব খোলা আছে। কিন্তু অত্যন্ত আশ্চর্যজনক বিষয় হলো, আজ পর্যন্ত সেই অ্যাকাউন্টে বিদ্যালয় কর্তৃক উত্তোলনকৃত টাকা ছাড়া আর কোন টাকা জমা হয়নি! উল্টো তিনি নিজের পকেট থেকে ৩০ হাজার টাকা খরচ করে রেখেছেন বলে দাবি করেন।দীর্ঘ ৮ বছর ধরে অনুষ্ঠান না হওয়া এবং লাখ লাখ টাকার হিসাব না পাওয়ায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা। ক্ষুব্ধ প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা বলেন, "বিদ্যালয়ের প্রতি আবেগের জায়গা থেকে আমরা দূর-দূরান্ত ও প্রবাস থেকেও রেজিস্ট্রেশন ফি পাঠিয়েছিলাম। অথচ সুনির্দিষ্ট হিসাব না দিয়ে এখন একে অপরের ওপর দায় চাপানোর নাটক চলছে। আমরা এই আর্থিক অনিয়মের সুষ্ঠু তদন্ত, টাকার সঠিক হিসাব এবং যেকোনো মূল্যে দ্রুত এই পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের বাস্তবায়ন চাই।

রাজধানীতে মানবাধিকার ও গণমাধ্যম কর্মীদের মাঝে সাদা সম্মাননা প্রদান

এশিয়া ছিন্নমূল মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে / রাজধানীতে মানবাধিকার ও গণমাধ্যম কর্মীদের মাঝে সাদা সম্মাননা প্রদান

এশিয়া ছিন্নমূল মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে রাজধানীতে মানবাধিকার ও গণমাধ্যম কর্মীদের মাঝে সাদা সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। রোববার সংগঠনটি চাঞ্চল্যকর অপরাধ প্রতিরোধে প্রশাসন ও গণমাধ্যমের ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা, গুণীজনদের সম্মাননা প্রদান ও মানবাধিকার কর্মীদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। রাজধানীর বাংলাদেশ শিশুকল্যাণ পরিষদে এ অনুষ্ঠানে মানবাধিকার ও গণমাধ্যম কর্মীদের মাঝে সাদা সম্মাননা  প্রদান করেছে এশিয়া ছিন্নমূল মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশন। সংগঠনের কেন্দ্রিয় চেয়ারম্যান মোঃ দুলাল মিয়ার সভাপতিত্বে সিনিয়র সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ দেলোয়ার হোসেন এর সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট লেখক, সাহিত্যিক সাবেক তথ্য ও সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ দীদার বখত। তিনি বলেন, আজকের প্রজন্ম জেগে উঠেছে, দেশের উন্নয়নে প্রেসক্লাব ইউনিটি ও হোসাইনিয়া পাক দরবার শরীফ আত্মনিবেদিত হয়ে বিশ্বমন্ডলে শান্তি কামনায় সম্মিলিত প্রচেষ্টা জাগ্রত করার আহ্বান জানান। সুপ্রিম কোর্ট সিনিয়র আইনজীবী লতিফুর রহমান সম্মিলিত মানবাধিকার কর্মীদের শপথ বাক্য পাঠ করান। ওয়ার্ল্ড মিডিয়া প্রেসক্লাব এর নতুন কমিটিকে সাথে নিয়ে ডা মাঈনুদ্দীন স্বেচ্ছাশ্রমে সাংবাদিকতা ও মানবাধিকার কাজে সম্পৃক্ত হতে ফুলেল শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন। উদ্ভাধনী আলোচনায় কেন্দ্রীয় প্রধান নির্বাহী পরিচালক ইন্জিনিয়র এম সোহেল আহমদ বলেন, দীর্ঘ সময়ে সংগঠনের সাথে রয়েছি, কখনো দায়িত্ব পালনে বিচলিত হইনি, আমৃত্যু আপনাদের পাশে থাকব ইনশাল্লাহ। এ সময় ঢাকা বিভাগীয় শাখা কমিটির নেতৃবৃন্দ তাদের হাততালিতে শুভেচ্ছা জানান। কেন্দ্রীয় সদস্য মোঃ শহীদুল ইসলাম, ফারুক আহমেদ মজুমদার, আনজার শাহ,আবু আহাদ আল মাহমুদ দীপু মীর, আলমগীর ওয়েচী, মোঃ জাকির হোসেন, আনছারুল হক, মোঃ শাকিল হাওলাদার স্বাধীন, বীরমুক্তিযোদ্ধা আমিনুল হক ভূঁইয়া, তাছলিমা আক্তার লিজা, হাসুরা বেগম, মোঃ মানিক মিয়া, ফুল চান্দ বাবু,নূরে আলম,নাছির উদ্দিন পলাশ,আহম উল্যাহ, কাজী নূরুল আজিম, মোঃ আবু সালেক ভূঁইয়া, এম জি বাবর ও  আবদুল কুদ্দুস প্রমুখ। সংগঠনের সাদা মনের সাদা সম্মাননা ১০ গুণীজনদের প্রদান শেষে সংগঠনের শুভাকাঙ্ক্ষীদের স্মরণ  ও জাতীর শান্তি কামনায় মিলাদ ও দোয়া কামনা করা হয়।

বরুড়ার সোনাইমুড়ী ২০ শয্যা হাসপাতালকে এ কে এম আবু তাহের এর  নামে’ ঘোষণা!

বরুড়ার সোনাইমুড়ী ২০ শয্যা হাসপাতালকে এ কে এম আবু তাহের এর নামে’ ঘোষণা!

বরুড়া উপজেলার সোনাইমুড়ী ২০ শয্যা হাসপাতালের নাম পরিবর্তন করে “এ কে এম আবু তাহের ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল” নামকরণের সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এ খবরে এলাকাবাসীর মধ্যে সন্তোষ প্রকাশের পাশাপাশি দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা হাসপাতালটি দ্রুত চালু করে সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার দাবি জোরালো হয়েছে।জানা যায়, মরহুম সংসদ সদস্য এ কে এম আবু তাহের ২০০১ সালে ক্ষমতায় থাকাকালীন সময় ব্যক্তিগত উদ্যোগে হাসপাতালটির জন্য জমি ক্রয় করে প্রদান করেন এবং হসপিটাল টি টেন্ডার করে কাজ শুরু করেন। ২০০৪ সালে তিনি মারা গেলে তার ছেলে বর্তমান গৃহায়ণ গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন উপ নির্বাচনে এমপি হন। পরবতী সরকার এসে কাজটি এগিয়ে না নেয়ার কারনে আলোর মুখ দেখেনি হসপিটাল টি।  যদিও প্রথমদিকে ২০০০ সালের দিকে পয়ালগাছা এলাকায় ২০ শয্যা হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনা ছিল তৎকালীন সরকারের মহিলা এমপি অধ্যাপিকা পান্না কায়সারের। পরবর্তীতে সেই স্থানে বর্তমানে একটি সরকারি টেকনিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং হাসপাতালটি সোনাইমুড়ী এলাকায় স্থানান্তরিত হয়ে নির্মিত হয়।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০৫ কিংবা ২০০৬ সালের দিকে হাসপাতালটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলেও নানা কারণে এটি আজও পূর্ণাঙ্গভাবে চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি। যদি ও এ হসপিটাল এর নামে ডাক্তার নিয়োগ রয়েছে।  অন্যান্য কর্মচারী নিয়োগ নেই।  ডাক্তাররা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এটাচম্যান্টে যোগদান করেন।  ফলে দীর্ঘ দুই দশক ধরে এলাকার মানুষ প্রত্যাশিত স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। এখনো আলোর মুখ দেখেনি এ হসপিটাল টি।আজ ৯ জুন ২৬ ইং  হাসপাতালটির নাম পরিবর্তন করে মরহুম এ কে এম আবু তাহেরের নামে সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি হওয়ায় নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে। এলাকাবাসীর বিশ্বাস, নামকরণের এই উদ্যোগের মাধ্যমে দীর্ঘদিন অবহেলিত হাসপাতালটি দ্রুত চালু হবে এবং বরুড়া উপজেলার দক্ষিণাঞ্চলের হাজার হাজার মানুষ আধুনিক চিকিৎসাসেবা পাওয়ার সুযোগ পাবে।স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, হাসপাতালটি দ্রুত চালু করা গেলে স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে এবং মরহুম এ কে এম আবু তাহেরের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের যথাযথ মূল্যায়ন হবে। গৃহায়ণ গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন এমপি আপ্রাণ চেষ্টার এ হসপিটাল টির আলোর মুখ দেখায় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা তাঁকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন।এ বিষয় উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সাজেদুর রহমান বলেন, কিছু জনবল নিয়োগ ও যন্ত্রপাতি ফেলে দ্রুত হসপিটাল টি চালু করা যাবে। মাননীয় গৃহায়ণ গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন স্যার কে এ বিষয় অবহিত করেছি।উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসাদুজ্জামান রনি বলেন, আজ ও হসপিটাল টি ভিজিট করেছি। ভবন আছে, লোকবল নেই। আশা করি দ্রুত এ বিষয় সমাধান হয়ে হসপিটাল টি চালু হবে।

বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তারদের অবহেলায় চিকিৎসা সেবা হচ্ছে ব্যাহত

বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তারদের অবহেলায় চিকিৎসা সেবা হচ্ছে ব্যাহত

কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার পাঁচ লক্ষাধিক মানুষের একমাত্র সরকারি হসপিটাল বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তারদের অবহেলায় স্বাস্থ্য সেবা মারাত্মক ভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ‎সকাল আটটা থেকে দুপুর দুইটা পর্যন্ত  হাসপাতালের আউটডোরের চেম্বারে উপস্থিত থেকে চিকিৎসা দেওয়ার কথা থাকলেও সকাল দশটার সময়ও অনেক চিকিৎসক থাকেন অনুপস্থিত। সরেজমিনে সকাল দশটায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গাইনী ও অবস কনসালটেন্ট ডাঃ শাহনাজ বেগমের চেম্বারের সামনে গিয়ে দেখা যায় প্রচুর নারী রোগী দাঁড়িয়ে আছেন সেবা গ্রহনের জন্য ডাক্তার চেম্বারে নেই, এছাড়াও এ সময় অনেক মেডিকেল অফিসারের কক্ষে গিয়ে দেখা যায় যে সকল ডাক্তারদের চেম্বারের সামনেই রোগী দাঁড়িয়ে আছেন কিন্তু ডাক্তারগন চেম্বারে নেই।‎এ সময় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রধান ডাঃ সাজেদুর রহমান কে মুঠো ফোনে কল দিলে তিনি জানান তিনি ৪র্থ তলায় আছেন, কল পাওয়ার পর পর তিনি দ্বিতীয় তলায় ও নিচ তলায় গিয়ে বিভিন্ন রুম ঘুরে দেখেন এবং সাংবাদিকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন। এ সময় সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে সকল ডাক্তার গন দ্রুত চেম্বারে এসে রোগী দেখা শুরু করেন।‎এ বিষয়ে বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রধান ডাক্তার সাজেদুর রহমান বলেন, যারা নির্ধারিত সময়ে হাসপাতালে আসেন নি তাদের কে কারণ দর্শানোর চিঠি দেওয়া হয়েছে এবং সকল আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান।‎এ বিষয়ে কুমিল্লা সিভিল সার্জন ডাঃ আলীনূর মুহাম্মদ বশির আহমেদ প্রতিবেদক কে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন সকল কথা শুনেন এবং যারা সময় মতো হাসপাতালে আসেন না তাদের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে জানান।‎

সিলেটে হাম উপসর্গে এবার নার্সের মৃত্যু : হাসপাতালে ভর্তি ৭৮ জন

সিলেটে হাম উপসর্গে এবার নার্সের মৃত্যু : হাসপাতালে ভর্তি ৭৮ জন

সিলেটে এবার হাম উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক নার্সের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১ জুন ২০২৬ইং) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২২ বছর বয়সী ওই নার্স তরুণীর মৃত্যু হয়। তিনি সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভপুর উপজেলার বাসিন্দা এবং সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মিডওয়াইফারি ইন্টার্ন হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, কয়েকদিন ধরে তিনি হামের উপসর্গে অসুস্থ ছিলেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে প্রথমে তাকে নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার আরও অবনতি হলে রোববার (৩১ মে) দুপুরে তাকে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ)- তে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় সোমবার সকালে তার মৃত্যু হয়।মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. মিজানুর রহমান। তিনি জানান, হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ চেষ্টা সত্ত্বেও ওই তরুণীকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।এদিকে এঘটনায় স্বাস্থ্য বিভাগ ও সহকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও তার অকাল মুত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তবে মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সংক্রান্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।এ ব্যাপারে সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডাঃ মাহবুবুল আলম বলেন, হামের উপসর্গ ছাড়াও ওই তরুণীর অন্যান্য জটিল সমস্যা ছিল। তবে এটি হচ্ছে হাম উপসর্গে সিলেট বিভাগের ২২ বছর বয়স্ক কারও মৃত্যুএর কারণ অনুসন্ধান করা হবে।এদিকে সিলেটে হাম উপসর্গে আরো এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধিন অবস্থায় প্রায় দেড় বছরের শিশু ইরফান সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারাবাজার উপজেলার বাসিন্দা। এনিয়ে সিলেট বিভাগে হামে ও উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬১ জনে।এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগে নতুন করে ল্যাব পরীক্ষায় কারও হাম শনাক্ত না হলেও এই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭৮ জন। সোমবার (১ জুন) এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মোঃ মাহবুবুল আলম।বিভাগীয় স্বাস্থ্য কার্যালয় সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন মোট ২৫৬ জন রোগী।স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারী থেকে ১ জুন পর্যন্ত সিলেট বিভাগে হামে ও উপসর্গে ৬১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে ৪ জনের হাম নিশ্চিত হলেও বাকীরা উপসর্গে মারা গেছেন। এদিকে বিভাগে এখন পর্যন্ত ১৬৫ জন ল্যাব-নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ৮৬ জন সুনামগঞ্জ জেলার, সিলেটের ৪২, হবিগঞ্জের ২১ ও  মৌলভীবাজারের ১৬।বর্তমানে সিলেট বিভাগে হাসপাতালে ভর্তিকৃত সন্দেহজনক ২৫৬ রোগীর মধ্যে- সর্বোচ্চ ৮৩ জন শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে, ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৭৫, উইমেন্স মেডিকেল হাসপাতালে ২, লায়ন্স শিশু হাসপাতালে ৩, রাগীব রাবেয়া মেডিকেল হাসপাতালে ১৬, মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে ৩, নর্থ ইস্ট হাসপাতালে ১৭, পার্কভিউ মেডিকেল হাসপাতালে ৪, শান্তিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩, সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ২২, হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ১৮ ও মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ১০ জন শিশু ভর্তি রয়েছেন।

আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নানামুখী সমস্যায় স্বাস্থ্যসেবা! বঞ্চিত সাধারণ মানুষ

আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নানামুখী সমস্যায় স্বাস্থ্যসেবা! বঞ্চিত সাধারণ মানুষ

নওগাঁর আত্রাই উপজেলার হাজার হাজার মানুষের একমাত্র সরকারি চিকিৎসাসেবার আশ্রয়স্থল আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। অথচ সেই হাসপাতালের জরুরি বিভাগেই নেই হৃদরোগ শনাক্তের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্র ইসিজি (ECG) ও ইকো( Echo) মেশিন। ফলে হৃদরোগ, বুকে ব্যথা, স্ট্রোকের ঝুঁকি কিংবা হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়া রোগীদের তাৎক্ষণিক পরীক্ষা ও চিকিৎসা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।স্থানীয়দের অভিযোগ, শুধু ইসিজি ও ইকো মেশিন নয়— হাসপাতালটিতে দীর্ঘদিন ধরেই চলছে ডাক্তার সংকট, ওষুধ সংকট, যন্ত্রপাতির অচলাবস্থা, রোগীদের প্রতি অবহেলা এবং বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তারা জানান—ইসিজি ও ইকো  মেশিনের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের একাধিকবার জানানো হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত নতুন কোনো মেশিন পাওয়া যায়নি।হাসপাতালে গিয়েও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসাসেবা : বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলের কোটি মানুষের কাছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সই শেষ ভরসা। একজন কৃষক, দিনমজুর, রিকশাচালক কিংবা নিম্ন আয়ের পরিবারের কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে তারা আশা নিয়ে ছুটে যান সরকারি হাসপাতালের দিকে। কারণ বেসরকারি হাসপাতালের ব্যয়বহুল চিকিৎসা বহন করার সামর্থ্য অধিকাংশ মানুষের নেই।কিন্তু বাস্তবে আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে অনেক রোগীকেই শুনতে হয়—মেশিন নষ্ট, এই পরীক্ষা এখানে হয় না, ডাক্তার নেই, ওষুধ বাইরে থেকে কিনতে হবে, অথবা “দ্রুত রাজশাহীতে নিয়ে যান।ফলে দরিদ্র রোগীরা বাধ্য হয়ে বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের দ্বারস্থ হচ্ছেন। অনেক পরিবার চিকিৎসার খরচ জোগাতে ঋণ করছেন, গবাদিপশু বিক্রি করছেন, আবার কেউ কেউ টাকার অভাবে বিনা চিকিৎসায় বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন।স্থানীয়দের অভিযোগ: মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, সরকারি হাসপাতালে গেলে মনে হয় শুধু নামেই চিকিৎসা হয়। ডাক্তাররা কিছু সাধারণ ওষুধ লিখে দেন, কিন্তু বেশিরভাগ ওষুধই বাইরে থেকে কিনে আনতে বলা হয়। গরিব মানুষ কোথায় যাবে? হাসপাতালে যদি ওষুধই না থাকে, তাহলে সাধারণ মানুষ সরকারি হাসপাতালের ওপর ভরসা করবে কীভাবে?তিনি আরও বলেন—অনেক সময় রোগী নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতে হয়। জরুরি রোগী হলেও দ্রুত সেবা পাওয়া যায় না। সাধারণ মানুষ অসহায় হয়ে পড়ে। মকবুল হোসেন বলেন—একটু জটিল রোগী হলেই বলা হয়— ‘দ্রুত রাজশাহীতে নিয়ে যান’। এখানে নাকি চিকিৎসা সম্ভব নয়। তাহলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সাধারণ মানুষ আসবে কেন?তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন—অনেক রোগীকে রাতের বেলা রাজশাহী নিতে গিয়ে রাস্তায় আরও খারাপ অবস্থায় পড়তে হয়। সময়মতো চিকিৎসা পেলে হয়তো অনেক জীবন বাঁচানো সম্ভব ছিল। আবুল কাশেম বলেন—অ্যাম্বুলেন্সে পর্যাপ্ত অক্সিজেন থাকে না— এমন অভিযোগ বহুদিনের। অনেক সময় রোগীর স্বজনদের আতঙ্ক নিয়ে হাসপাতালে থেকে বের হতে হয়।তিনি আরও বলেন—সরকার কোটি কোটি টাকা স্বাস্থ্যখাতে ব্যয় করছে, কিন্তু মাঠপর্যায়ে সাধারণ মানুষ সেই সেবার সুফল পাচ্ছে না। জরুরি মুহূর্তে যদি অক্সিজেন বা প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতিই না থাকে, তাহলে মানুষ বাঁচবে কীভাবে?এক নারী রোগীর স্বজন রতন মল্লিক  বলেন--রাতে মহিলা রোগী নিয়ে হাসপাতালে এলে খুব ভয় লাগে। পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নেই, নার্সও কম থাকে। রোগীর কষ্ট দেখেও অনেক সময় কেউ দ্রুত এগিয়ে আসে না। এক বৃদ্ধ রোগীর অভিযোগ—আজিম উদ্দিন মন্ডল (৬৯) বয়স হয়েছে, টাকা-পয়সাও নেই। সরকারি হাসপাতালে এসেছিলাম একটু ভালো চিকিৎসা পাবো বলে। কিন্তু এখানে এসে মনে হয়েছে গরিব মানুষের কষ্ট দেখার কেউ নেই।স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন—হাসপাতালে দীর্ঘদিন ধরেই নানা অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা চলছে। অনেক গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতি অচল অবস্থায় পড়ে থাকে, কিন্তু দ্রুত মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হয় না।তিনি আরও বলেন—কিছু অসাধু ব্যক্তি কৌশলে রোগীদের বাইরে পরীক্ষা করাতে উৎসাহিত করেন। এতে সাধারণ মানুষ অতিরিক্ত খরচের শিকার হন। সরকারি হাসপাতালে যেসব পরীক্ষা হওয়ার কথা, সেগুলোও অনেক সময় বাইরে করতে বাধ্য করা হয়। তার অভিযোগ—ওষুধ সরবরাহ নিয়েও নানা অভিযোগ রয়েছে। রোগীরা প্রায়ই বলেন, হাসপাতালে ওষুধ নেই। অথচ এসব বিষয়ে কার্যকর নজরদারি খুব কম।তিনি আরও বলেন—হাসপাতালে জনবল সংকট আছে ঠিকই, কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে দায়িত্বে অবহেলাও রয়েছে। গোপনে তদন্ত হলে অনেক অনিয়ম বেরিয়ে আসতে পারে। সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে কঠোর মনিটরিং অত্যন্ত জরুরি।উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ খাইরুল ইসলাম বলেন—পরীক্ষা-নিরীক্ষার গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতির সংকট, বিশেষজ্ঞ ডাক্তার সংকট এবং প্রয়োজনীয় জনবলের অভাবের কারণেই কাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত হচ্ছে। তিনি আরও জানান—ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে একাধিকবার লিখিত ও মৌখিকভাবে সমস্যাগুলো তুলে ধরা হয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদেরও অবহিত করা হয়েছে। কিন্তু এখনো অধিকাংশ সমস্যার কার্যকর সমাধান হয়নি।

বরুড়ার সোনাইমুড়ী ২০ শয্যা হাসপাতালকে এ কে এম আবু তাহের এর  নামে’ ঘোষণা!

বরুড়ার সোনাইমুড়ী ২০ শয্যা হাসপাতালকে এ কে এম আবু তাহের এর নামে’ ঘোষণা!

বরুড়া উপজেলার সোনাইমুড়ী ২০ শয্যা হাসপাতালের নাম পরিবর্তন করে “এ কে এম আবু তাহের ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল” নামকরণের সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এ খবরে এলাকাবাসীর মধ্যে সন্তোষ প্রকাশের পাশাপাশি দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা হাসপাতালটি দ্রুত চালু করে সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার দাবি জোরালো হয়েছে।জানা যায়, মরহুম সংসদ সদস্য এ কে এম আবু তাহের ২০০১ সালে ক্ষমতায় থাকাকালীন সময় ব্যক্তিগত উদ্যোগে হাসপাতালটির জন্য জমি ক্রয় করে প্রদান করেন এবং হসপিটাল টি টেন্ডার করে কাজ শুরু করেন। ২০০৪ সালে তিনি মারা গেলে তার ছেলে বর্তমান গৃহায়ণ গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন উপ নির্বাচনে এমপি হন। পরবতী সরকার এসে কাজটি এগিয়ে না নেয়ার কারনে আলোর মুখ দেখেনি হসপিটাল টি।  যদিও প্রথমদিকে ২০০০ সালের দিকে পয়ালগাছা এলাকায় ২০ শয্যা হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনা ছিল তৎকালীন সরকারের মহিলা এমপি অধ্যাপিকা পান্না কায়সারের। পরবর্তীতে সেই স্থানে বর্তমানে একটি সরকারি টেকনিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং হাসপাতালটি সোনাইমুড়ী এলাকায় স্থানান্তরিত হয়ে নির্মিত হয়।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০৫ কিংবা ২০০৬ সালের দিকে হাসপাতালটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলেও নানা কারণে এটি আজও পূর্ণাঙ্গভাবে চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি। যদি ও এ হসপিটাল এর নামে ডাক্তার নিয়োগ রয়েছে।  অন্যান্য কর্মচারী নিয়োগ নেই।  ডাক্তাররা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এটাচম্যান্টে যোগদান করেন।  ফলে দীর্ঘ দুই দশক ধরে এলাকার মানুষ প্রত্যাশিত স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। এখনো আলোর মুখ দেখেনি এ হসপিটাল টি।আজ ৯ জুন ২৬ ইং  হাসপাতালটির নাম পরিবর্তন করে মরহুম এ কে এম আবু তাহেরের নামে সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি হওয়ায় নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে। এলাকাবাসীর বিশ্বাস, নামকরণের এই উদ্যোগের মাধ্যমে দীর্ঘদিন অবহেলিত হাসপাতালটি দ্রুত চালু হবে এবং বরুড়া উপজেলার দক্ষিণাঞ্চলের হাজার হাজার মানুষ আধুনিক চিকিৎসাসেবা পাওয়ার সুযোগ পাবে।স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, হাসপাতালটি দ্রুত চালু করা গেলে স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে এবং মরহুম এ কে এম আবু তাহেরের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের যথাযথ মূল্যায়ন হবে। গৃহায়ণ গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন এমপি আপ্রাণ চেষ্টার এ হসপিটাল টির আলোর মুখ দেখায় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা তাঁকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন।এ বিষয় উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সাজেদুর রহমান বলেন, কিছু জনবল নিয়োগ ও যন্ত্রপাতি ফেলে দ্রুত হসপিটাল টি চালু করা যাবে। মাননীয় গৃহায়ণ গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন স্যার কে এ বিষয় অবহিত করেছি।উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসাদুজ্জামান রনি বলেন, আজ ও হসপিটাল টি ভিজিট করেছি। ভবন আছে, লোকবল নেই। আশা করি দ্রুত এ বিষয় সমাধান হয়ে হসপিটাল টি চালু হবে।