মুক্তির লড়াই
সর্বশেষ

যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মরিয়ম বেগমের দুর্নীতির মহাকাব্য

রাজধানীর জনপদ মোড়ে অবস্থিত স্বনামধন্য ও সুপ্রতিষ্ঠিত যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজকে দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা ও অত্যাচারের সাম্রাজ্যে পরিণত করেছেন বর্তমান  অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মরিয়ম বেগম। দেশের প্রচলিত শিক্ষানীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে তার প্রবর্তিত অনিয়ম, দুর্নীতি , স্বেচ্ছাচারিতা, অত্যাচারিতা, নিজ নিজ খেয়াল - খুশি নীতিতে পরিচালিত হচ্ছে বর্তমান স্কুল এন্ড কলেজটি । তার হিংস্র থাবা থেকে মুক্তি পায়নি স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী , শিক্ষক-শিক্ষিকা , অভিভাবক, পিয়ন - আয়ারা পর্যন্ত । যে কারণে একাধিকবার তার বিরুদ্ধে শিক্ষা মন্ত্রণালয় , জেলা শিক্ষা অফিসে , থানা শিক্ষা অফিসে  অভিযোগ দায়ের করা হয় কিন্তু অদৃশ্য ছায়ার কল্যাণে বারবার তিনি মুক্তি পেয়ে যান । প্রাপ্ত সূত্রে , ১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এ প্রতিষ্ঠানটি সুনামের সহিত দক্ষ অধ্যক্ষ , শিক্ষক-শিক্ষিকা  ও প্রশাসনিক কর্মচারী- কর্মকর্তা  দ্বারা পরিচালিত হয়ে আসছিল । নিম্ন মাধ্যমিক থাকাকালীন ২০০৪ সালে তিনি  সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে উক্ত প্রতিষ্ঠানে যোগদান করেন । কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হল , প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী বা বিধি মোতাবেক নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সহকারি  প্রধান শিক্ষকের কোন পদ থাকে না । তাহলে তিনি কিভাবে এই পদে যোগদান করেন। তার উক্ত পদে যোগদান বিধি মোতাবেক  অবৈধ ও বিতর্কিত । কিন্তু  সুচতুর মরিয়ম বেগম রাজনীতির ছত্রছায়ায় থাকা গুরুত্বপূর্ণ এ বিতর্কিত কর্মকান্ডটি বস্তাবন্দী হয়ে যায় । ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের  নিকট আবেদনের প্রেক্ষিতে বিধি মোতাবেক উন্নতি লাভ করে মাধ্যমিকের রূপান্তরিত  ও ২০১০ সালে মাধ্যমিক বিদ্যালয় হিসেবে এমপিও ভুক্ত হয় । এখানে উল্লেখ্য , একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষকের চাকরির ক্ষেত্রে সরকারি বিধি মোতাবেক এসএসসি সহ সকল পরীক্ষায় নুন্যতম দ্বিতীয় বিভাগে উত্তীর্ণ হতে হয়।  তবে মরিয়ম বেগম ডিগ্রী পরীক্ষায় তৃতীয় বিভাগ উত্তীর্ণ সার্টিফিকেট জমা দিয়েছেন বলে বিদ্যালয়ের সূত্র হতে প্রাপ্ত ।  অভিযোগ থেকে আরো প্রকাশ , তার সকল অপকর্মে সর্বদা সহযোগিতা করেন উচ্চ বিদ্যালয়ের  পিয়ন মুসলেম যিনি অধ্যক্ষের অনেক অনুগত  ও আস্থাভাজন ।  মরিয়ম বেগম নিজেও ২০০৯ হতে ২০১৪ সাল পর্যন্ত দুর্নীতিতে সাব্যস্ত হওয়ায়  বরখাস্ত ছিলেন । আবার যখন পূর্ণবহাল হন তখন তিনি  বিগত দিনের একটি টাকা নিবেন না বলে মুচলেকা দেন । কিন্তু অভ্যাস এত সহজেই যায় না,  বরখাস্ত থেকে উদ্ধারের পর তিনি  নানা ফন্দি - ফিকির  করে ৪০ লক্ষ টাকা আদায় করেন । তার উক্ত দুর্নীতি ও অনিয়মে প্রশ্রয় না দেওয়ায় বিদ্যালয়ের প্রভাতী শাখায় ৬৭ জন , দিবা শাখা ৫৭ জন ও কলেজের ১৮ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা তার হিংস্র থাবায় জর্জরিত হন। উক্ত শিক্ষক - শিক্ষিকারা মাসের পর মাস যাবত বেতন ভাতা পাচ্ছেন না । অথচ তিনি নিয়মিত বেতন ভাতা নিয়ে যাচ্ছেন । বিদ্যালয়ের উত্তর পাশের কিছু জমি এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের জন্য সরকার কর্তৃক অধিগ্রহণ করা হয় । অধিগ্রহণের  ক্ষতিপূরণ বাবত বিদ্যালয় বরাবর চেকের মাধ্যমে যমুনা ব্যাংকের দিলকুশা শাখা, ঢাকা, ২৮-৪ -২২ ইং তারিখে ২ কোটি ও অগ্রণী ব্যাংক গুলশান শাখায় , ঢাকা ,  ১৮-৪-২২ ইং তারিখে  ৫ কোটি ৯০ লাখ ১৭ হাজার  ২৬০ টাকা সরকার কর্তৃক প্রদান করা হয় । কিন্তু এত বিশাল অংকের টাকার হিসাব  তিনি বিদ্যালয়ের শিক্ষক - শিক্ষিকা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দেখাতে পারছেন না । শুধু তাই নয় , চার বছরের সেশন চার্জের টাকা , বিদ্যালয় নিজস্ব জমিতে নির্মিত দোকানের  এডভান্স ও ভাড়া , প্রতিষ্ঠানের পুরাতন মালামাল বিক্রির টাকার কোন হাদিস নেই । উক্ত সকল অভিযোগের ব্যাপারে অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মরিয়ম বেগমের  মুঠো ফোনে একাধিকবার ফোন করা হলো তিনি রিসিভ  করেননি । এ ব্যাপারে সুশীলসমাজ, দেশের শিক্ষার ও বিদ্যালয়ের স্বার্থে মরিয়ম বেগমের যথাযথ শাস্তি হওয়া দরকার বলে মনে করেন ।  দুর্নীতিবাজ এই শিক্ষিকার ব্যাপারে এই প্রতিবেদকের তদন্ত অব্যহত আছে। 

গুলশান-বাড়িধারা লেকে দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণ পরিকল্পনা নিতে হবে... গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী

গুলশান-বাড়িধারা লেকে দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণ পরিকল্পনা নেয়া হবে বলে মন্তব্য করেছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন। রোববার গুলশান-বাড়িধারা লেকের সার্বিক উন্নয়ন, সৌন্দর্যবর্ধন, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত সভায় তিনি একথা বলেন। সভায় লেকের পানি দূষণ রোধ, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার, নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নয়ন, হাঁটার পথ ও বিনোদন সুবিধা বৃদ্ধি, সবুজায়ন সম্প্রসারণ এবং দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।গুলশান-বাড়িধারা লেক শুধু একটি জলাশয় নয়, এটি রাজধানীর পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং নগরবাসীর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উন্মুক্ত স্থান। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই লেককে আরও সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও প্রাণবন্ত করে গড়ে তোলা সম্ভব।সুন্দর, বাসযোগ্য ও পরিবেশবান্ধব ঢাকা গড়ার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা ও অংশগ্রহণ কামনা করেন।

গুলশান-বাড়িধারা লেকে দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণ পরিকল্পনা নিতে হবে... গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী

দুবাইয়ে গ্রেপ্তার সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ, দেশে ফেরাতে শুরু প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া

দুর্নীতি ও মানি লন্ডারিংসহ একাধিক মামলার আসামি সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ইন্টারপোলের সহায়তায় পরিচালিত এ অভিযানের মাধ্যমে তাকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ।রোববার (১৪ জুন) পুলিশ সদর দপ্তরের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, গত ১২ জুন সংযুক্ত আরব আমিরাত কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে বেনজীর আহমেদের গ্রেপ্তারের তথ্য জানিয়েছে। বর্তমানে তিনি দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে রয়েছেন।এ বিষয়ে সংসদে দেওয়া বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডাইরেক্টরেট জেনারেল অব ফেডারেল ক্রিমিনাল পুলিশ এবং ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি) আবুধাবি থেকে পাঠানো ই-মেইলের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।দেশে ফেরাতে কূটনৈতিক তৎপরতাস্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রচলিত আইন অনুযায়ী গ্রেপ্তারের ৩০ দিনের মধ্যে আনুষ্ঠানিক প্রত্যর্পণ (এক্সট্রাডিশন) আবেদন করতে হয়। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ সরকার প্রয়োজনীয় আইনি ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়া শুরু করেছে।তিনি বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলা, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ও তদন্ত-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রস্তুত করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রত্যর্পণ প্রস্তাব অনুমোদন করেছে এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তা ইউএই কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানোর কার্যক্রম চলছে। সবকিছু ঠিক থাকলে দ্রুতই তাকে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে।যেসব অভিযোগে মামলাবেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে প্রতারণা, জালিয়াতি, জাল দলিল ব্যবহার, অপরাধে সহায়তা, দুর্নীতি এবং মানি লন্ডারিংসহ একাধিক অভিযোগে মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এছাড়া পাসপোর্ট আইনের বিভিন্ন ধারায়ও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে।কীভাবে গ্রেপ্তার হলেন?স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই বেনজীর আহমেদকে গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে বাংলাদেশ পুলিশ ইন্টারপোলের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করে আসছিল। ২০২৫ সালের ১১ এপ্রিল তার বিরুদ্ধে ইন্টারপোলে আবেদন পাঠানো হয়। পরবর্তীতে ইন্টারপোল তার বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারি করে এবং সেই নোটিশের ভিত্তিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়।‘ঐতিহাসিক সাফল্য’ বলছে সরকারএই গ্রেপ্তারকে বাংলাদেশ পুলিশের একটি ‘ঐতিহাসিক সাফল্য’ হিসেবে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “এটি প্রমাণ করে যে অপরাধী যত প্রভাবশালীই হোক না কেন, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার পথে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।”দীর্ঘদিন ছিলেন লোকচক্ষুর আড়ালেআইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৪ মে বেনজীর আহমেদ দেশ ত্যাগ করেন। এরপর দীর্ঘ সময় তিনি জনসম্মুখে আসেননি এবং তার অবস্থান নিয়েও ছিল নানা জল্পনা-কল্পনা।উল্লেখ্য, বেনজীর আহমেদ ২০২০ সালের ১৫ এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার এবং র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) মহাপরিচালক হিসেবেও দায়িত্বে ছিলেন।মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে ২০২১ সালের ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র র‌্যাবের কয়েকজন বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। সে তালিকায় বেনজীর আহমেদের নামও ছিল। ওই সময় তিনি দেশের আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।দীর্ঘ এক বছরেরও বেশি সময় আত্মগোপনে থাকার পর দুবাইয়ে তার গ্রেপ্তারের খবর দেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

দুবাইয়ে গ্রেপ্তার সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ, দেশে ফেরাতে শুরু প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া
গুলশান-বাড়িধারা লেকে দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণ পরিকল্পনা নিতে হবে... গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী

গুলশান-বাড়িধারা লেকে দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণ পরিকল্পনা নিতে হবে... গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী

গুলশান-বাড়িধারা লেকে দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণ পরিকল্পনা নেয়া হবে বলে মন্তব্য করেছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন। রোববার গুলশান-বাড়িধারা লেকের সার্বিক উন্নয়ন, সৌন্দর্যবর্ধন, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত সভায় তিনি একথা বলেন। সভায় লেকের পানি দূষণ রোধ, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার, নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নয়ন, হাঁটার পথ ও বিনোদন সুবিধা বৃদ্ধি, সবুজায়ন সম্প্রসারণ এবং দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।গুলশান-বাড়িধারা লেক শুধু একটি জলাশয় নয়, এটি রাজধানীর পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং নগরবাসীর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উন্মুক্ত স্থান। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই লেককে আরও সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও প্রাণবন্ত করে গড়ে তোলা সম্ভব।সুন্দর, বাসযোগ্য ও পরিবেশবান্ধব ঢাকা গড়ার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা ও অংশগ্রহণ কামনা করেন।

টিওডোরো ও তাঁর পরিবারের ওপর ভ্রমণ ও লেনদেন নিষেধাজ্ঞা আরোপ বেইজিংয়ের

ফিলিপাইনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী গিলবার্তো টিওডোর চীনবিরোধী ভুল বক্তব্য প্রকাশ করেছেন, যা চীনের ন্যায্য স্বার্থ ক্ষুণ্ন করেছে এবং চীন-ফিলিপাইন দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নষ্ট করেছে। চীনের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও উন্নয়ন স্বার্থ রক্ষার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে চীন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, টিওডোরো এবং তার স্ত্রী-সন্তানদের চীনের মূল ভূখণ্ড, হংকং ও ম্যাকাওয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে।এ ছাড়া, চীন মূল ভূখণ্ডের প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের টিওডোরো ও তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কোনো ধরনের লেনদেন, সহযোগিতা বা ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করতেও নিষেধ করা হয়েছে।সূত্র:জিনিয়া-ফয়সল-তুহিনা,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ পরিবারের সদস্যকে ছাত্রদলের সহ-সভাপতি পদ দেওয়ায় তীব্র বিতর্ক

নরসিংদী জেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণার পর থেকেই সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে সহ-সভাপতি পদ পাওয়া নাইমুর রহমান মাসুমের নাম। স্থানীয় নেতাকর্মী ও বিভিন্ন সূত্রের দাবি, তার পরিবারের একাধিক সদস্য দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত থাকলেও তাকে ছাত্রদলের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় তৃণমূল বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।রায়পুরা থানা কৃষক ধলের যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল রোব সরকার ও রায়পুরা থানা কৃষক ধলের যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল রোব সরকার বলেন, মাসুমের ছোট ভাই জিসান মির্জানগর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সেক্রেটারি পদে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তার চাচা মুকুল উদ্দিন রায়পুরা থানা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ সম্পাদক হিসেবে সক্রিয় রয়েছেন। মাসুমের মা অতীতে উত্তর মির্জানগর ভোটকেন্দ্রে আওয়ামী লীগের এজেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। শুধু তাই নয়, নৌকা প্রতীকের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা ও মিছিলেও তাকে অংশ নিতে দেখা গেছে।এমন রাজনৈতিক পটভূমির একজনকে ছাত্রদলের গুরুত্বপূর্ণ পদে অন্তর্ভুক্ত করাকে “অত্যন্ত উদ্বেগজনক” বলে মনে করছেন বিএনপির ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীরা। তাদের প্রশ্ন, “যাদের পরিবারের সদস্যরা প্রকাশ্যে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত, তারা কীভাবে ছাত্রদলের নেতৃত্বে আসে?”তৃণমূল নেতাকর্মীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করা ত্যাগী কর্মীদের মূল্যায়ন না করে বিতর্কিত ব্যক্তিদের নেতৃত্বে আনা হলে সংগঠনের আদর্শিক অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়বে। এতে ভবিষ্যতে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনগুলো সাংগঠনিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন তারা।নেতাকর্মীরা অবিলম্বে বিষয়টি তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তারা বলেন, “দলের দুঃসময়ে যারা মাঠে ছিল, তাদের বাদ দিয়ে সুবিধাবাদীদের নেতৃত্বে আনা হলে সেটি সংগঠনের জন্য অশনিসংকেত হয়ে দাঁড়াবে।”এ বিষয়ে নাইমুর রহমান মাসুম বা সংশ্লিষ্ট নেতাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

১২ জুন ২০২৬, ০৭:৩৬ পিএম
অর্থমন্ত্রী-গভর্নর
র‍্যাব-পুলিশ দিয়ে মূল্যবৃদ্ধি ঠেকানো যাবে না, বেতন বাড়লে কমবে দুর্নীতি। আপনি কি তাই মনে করেন?

অর্থমন্ত্রী-গভর্নর র‍্যাব-পুলিশ দিয়ে মূল্যবৃদ্ধি ঠেকানো যাবে না, বেতন বাড়লে কমবে দুর্নীতি। আপনি কি তাই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

পবায় প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত

রাজশাহীর পবা উপজেলায় ২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলকে সামনে রেখে এক ব্যতিক্রমী ও উৎসবমুখর প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ১২ জুন (শুক্রবার) স্থানীয় সবসার উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এই ফুটবল লড়াই অনুষ্ঠিত হয়।বিশ্বকাপের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দল আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল সমর্থকদের উন্মাদনাকে মাঠের লড়াইয়ে রূপ দিতে এই ম্যাচের আয়োজন করেন স্থানীয় ক্রীড়ামোদী তরুণরা। খেলায় মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে নামে— 'বড় আমগাছী আর্জেন্টিনা সমর্থক দল' বনাম 'বড় আমগাছী ব্রাজিল সমর্থক দল'।উক্ত ফুটবল ম্যাচে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক কে এইচ রানা শেখ। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বড়গাছী ইউনিয়ন যুবদল নেতা মোঃ বাবুল হোসেন। এমতাবস্থায় উপস্থিত নওহাটা পৌরসভা স্বেচ্ছাসেবক  দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ সম্রাট আলী।বিশ্বকাপের এই চিরপরিচিত দ্বৈরথকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই সবসার উচ্চ বিদ্যালয় এলাকাসহ পুরো পবা জুড়ে এক উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। দুই দলের সমর্থকরাই তাদের প্রিয় দলের জার্সি পরে মাঠে এসে খেলোয়াড়দের অনুপ্রাণিত করেন।আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, খেলাটি অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। এলাকার সর্বস্তরের ফুটবলপ্রেমী ও সাধারণ দর্শক মাঠে উপস্থিত থেকে এই জমজমাট ম্যাচটি উপভোগ করেন।

যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মরিয়ম বেগমের দুর্নীতির মহাকাব্য

যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মরিয়ম বেগমের দুর্নীতির মহাকাব্য

রাজধানীর জনপদ মোড়ে অবস্থিত স্বনামধন্য ও সুপ্রতিষ্ঠিত যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজকে দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা ও অত্যাচারের সাম্রাজ্যে পরিণত করেছেন বর্তমান  অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মরিয়ম বেগম। দেশের প্রচলিত শিক্ষানীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে তার প্রবর্তিত অনিয়ম, দুর্নীতি , স্বেচ্ছাচারিতা, অত্যাচারিতা, নিজ নিজ খেয়াল - খুশি নীতিতে পরিচালিত হচ্ছে বর্তমান স্কুল এন্ড কলেজটি । তার হিংস্র থাবা থেকে মুক্তি পায়নি স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী , শিক্ষক-শিক্ষিকা , অভিভাবক, পিয়ন - আয়ারা পর্যন্ত । যে কারণে একাধিকবার তার বিরুদ্ধে শিক্ষা মন্ত্রণালয় , জেলা শিক্ষা অফিসে , থানা শিক্ষা অফিসে  অভিযোগ দায়ের করা হয় কিন্তু অদৃশ্য ছায়ার কল্যাণে বারবার তিনি মুক্তি পেয়ে যান । প্রাপ্ত সূত্রে , ১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এ প্রতিষ্ঠানটি সুনামের সহিত দক্ষ অধ্যক্ষ , শিক্ষক-শিক্ষিকা  ও প্রশাসনিক কর্মচারী- কর্মকর্তা  দ্বারা পরিচালিত হয়ে আসছিল । নিম্ন মাধ্যমিক থাকাকালীন ২০০৪ সালে তিনি  সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে উক্ত প্রতিষ্ঠানে যোগদান করেন । কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হল , প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী বা বিধি মোতাবেক নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সহকারি  প্রধান শিক্ষকের কোন পদ থাকে না । তাহলে তিনি কিভাবে এই পদে যোগদান করেন। তার উক্ত পদে যোগদান বিধি মোতাবেক  অবৈধ ও বিতর্কিত । কিন্তু  সুচতুর মরিয়ম বেগম রাজনীতির ছত্রছায়ায় থাকা গুরুত্বপূর্ণ এ বিতর্কিত কর্মকান্ডটি বস্তাবন্দী হয়ে যায় । ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের  নিকট আবেদনের প্রেক্ষিতে বিধি মোতাবেক উন্নতি লাভ করে মাধ্যমিকের রূপান্তরিত  ও ২০১০ সালে মাধ্যমিক বিদ্যালয় হিসেবে এমপিও ভুক্ত হয় । এখানে উল্লেখ্য , একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষকের চাকরির ক্ষেত্রে সরকারি বিধি মোতাবেক এসএসসি সহ সকল পরীক্ষায় নুন্যতম দ্বিতীয় বিভাগে উত্তীর্ণ হতে হয়।  তবে মরিয়ম বেগম ডিগ্রী পরীক্ষায় তৃতীয় বিভাগ উত্তীর্ণ সার্টিফিকেট জমা দিয়েছেন বলে বিদ্যালয়ের সূত্র হতে প্রাপ্ত ।  অভিযোগ থেকে আরো প্রকাশ , তার সকল অপকর্মে সর্বদা সহযোগিতা করেন উচ্চ বিদ্যালয়ের  পিয়ন মুসলেম যিনি অধ্যক্ষের অনেক অনুগত  ও আস্থাভাজন ।  মরিয়ম বেগম নিজেও ২০০৯ হতে ২০১৪ সাল পর্যন্ত দুর্নীতিতে সাব্যস্ত হওয়ায়  বরখাস্ত ছিলেন । আবার যখন পূর্ণবহাল হন তখন তিনি  বিগত দিনের একটি টাকা নিবেন না বলে মুচলেকা দেন । কিন্তু অভ্যাস এত সহজেই যায় না,  বরখাস্ত থেকে উদ্ধারের পর তিনি  নানা ফন্দি - ফিকির  করে ৪০ লক্ষ টাকা আদায় করেন । তার উক্ত দুর্নীতি ও অনিয়মে প্রশ্রয় না দেওয়ায় বিদ্যালয়ের প্রভাতী শাখায় ৬৭ জন , দিবা শাখা ৫৭ জন ও কলেজের ১৮ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা তার হিংস্র থাবায় জর্জরিত হন। উক্ত শিক্ষক - শিক্ষিকারা মাসের পর মাস যাবত বেতন ভাতা পাচ্ছেন না । অথচ তিনি নিয়মিত বেতন ভাতা নিয়ে যাচ্ছেন । বিদ্যালয়ের উত্তর পাশের কিছু জমি এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের জন্য সরকার কর্তৃক অধিগ্রহণ করা হয় । অধিগ্রহণের  ক্ষতিপূরণ বাবত বিদ্যালয় বরাবর চেকের মাধ্যমে যমুনা ব্যাংকের দিলকুশা শাখা, ঢাকা, ২৮-৪ -২২ ইং তারিখে ২ কোটি ও অগ্রণী ব্যাংক গুলশান শাখায় , ঢাকা ,  ১৮-৪-২২ ইং তারিখে  ৫ কোটি ৯০ লাখ ১৭ হাজার  ২৬০ টাকা সরকার কর্তৃক প্রদান করা হয় । কিন্তু এত বিশাল অংকের টাকার হিসাব  তিনি বিদ্যালয়ের শিক্ষক - শিক্ষিকা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দেখাতে পারছেন না । শুধু তাই নয় , চার বছরের সেশন চার্জের টাকা , বিদ্যালয় নিজস্ব জমিতে নির্মিত দোকানের  এডভান্স ও ভাড়া , প্রতিষ্ঠানের পুরাতন মালামাল বিক্রির টাকার কোন হাদিস নেই । উক্ত সকল অভিযোগের ব্যাপারে অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মরিয়ম বেগমের  মুঠো ফোনে একাধিকবার ফোন করা হলো তিনি রিসিভ  করেননি । এ ব্যাপারে সুশীলসমাজ, দেশের শিক্ষার ও বিদ্যালয়ের স্বার্থে মরিয়ম বেগমের যথাযথ শাস্তি হওয়া দরকার বলে মনে করেন ।  দুর্নীতিবাজ এই শিক্ষিকার ব্যাপারে এই প্রতিবেদকের তদন্ত অব্যহত আছে। 

রাজধানীতে মানবাধিকার ও গণমাধ্যম কর্মীদের মাঝে সাদা সম্মাননা প্রদান

এশিয়া ছিন্নমূল মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে / রাজধানীতে মানবাধিকার ও গণমাধ্যম কর্মীদের মাঝে সাদা সম্মাননা প্রদান

এশিয়া ছিন্নমূল মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে রাজধানীতে মানবাধিকার ও গণমাধ্যম কর্মীদের মাঝে সাদা সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। রোববার সংগঠনটি চাঞ্চল্যকর অপরাধ প্রতিরোধে প্রশাসন ও গণমাধ্যমের ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা, গুণীজনদের সম্মাননা প্রদান ও মানবাধিকার কর্মীদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। রাজধানীর বাংলাদেশ শিশুকল্যাণ পরিষদে এ অনুষ্ঠানে মানবাধিকার ও গণমাধ্যম কর্মীদের মাঝে সাদা সম্মাননা  প্রদান করেছে এশিয়া ছিন্নমূল মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশন। সংগঠনের কেন্দ্রিয় চেয়ারম্যান মোঃ দুলাল মিয়ার সভাপতিত্বে সিনিয়র সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ দেলোয়ার হোসেন এর সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট লেখক, সাহিত্যিক সাবেক তথ্য ও সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ দীদার বখত। তিনি বলেন, আজকের প্রজন্ম জেগে উঠেছে, দেশের উন্নয়নে প্রেসক্লাব ইউনিটি ও হোসাইনিয়া পাক দরবার শরীফ আত্মনিবেদিত হয়ে বিশ্বমন্ডলে শান্তি কামনায় সম্মিলিত প্রচেষ্টা জাগ্রত করার আহ্বান জানান। সুপ্রিম কোর্ট সিনিয়র আইনজীবী লতিফুর রহমান সম্মিলিত মানবাধিকার কর্মীদের শপথ বাক্য পাঠ করান। ওয়ার্ল্ড মিডিয়া প্রেসক্লাব এর নতুন কমিটিকে সাথে নিয়ে ডা মাঈনুদ্দীন স্বেচ্ছাশ্রমে সাংবাদিকতা ও মানবাধিকার কাজে সম্পৃক্ত হতে ফুলেল শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন। উদ্ভাধনী আলোচনায় কেন্দ্রীয় প্রধান নির্বাহী পরিচালক ইন্জিনিয়র এম সোহেল আহমদ বলেন, দীর্ঘ সময়ে সংগঠনের সাথে রয়েছি, কখনো দায়িত্ব পালনে বিচলিত হইনি, আমৃত্যু আপনাদের পাশে থাকব ইনশাল্লাহ। এ সময় ঢাকা বিভাগীয় শাখা কমিটির নেতৃবৃন্দ তাদের হাততালিতে শুভেচ্ছা জানান। কেন্দ্রীয় সদস্য মোঃ শহীদুল ইসলাম, ফারুক আহমেদ মজুমদার, আনজার শাহ,আবু আহাদ আল মাহমুদ দীপু মীর, আলমগীর ওয়েচী, মোঃ জাকির হোসেন, আনছারুল হক, মোঃ শাকিল হাওলাদার স্বাধীন, বীরমুক্তিযোদ্ধা আমিনুল হক ভূঁইয়া, তাছলিমা আক্তার লিজা, হাসুরা বেগম, মোঃ মানিক মিয়া, ফুল চান্দ বাবু,নূরে আলম,নাছির উদ্দিন পলাশ,আহম উল্যাহ, কাজী নূরুল আজিম, মোঃ আবু সালেক ভূঁইয়া, এম জি বাবর ও  আবদুল কুদ্দুস প্রমুখ। সংগঠনের সাদা মনের সাদা সম্মাননা ১০ গুণীজনদের প্রদান শেষে সংগঠনের শুভাকাঙ্ক্ষীদের স্মরণ  ও জাতীর শান্তি কামনায় মিলাদ ও দোয়া কামনা করা হয়।

মে মাসে ১২হাজার রুগী স্বাস্থ্য সেবা নিয়েছেন বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে

মে মাসে ১২হাজার রুগী স্বাস্থ্য সেবা নিয়েছেন বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে

শুধু এক মাসেই ১২হাজার রুগী সেবা নিয়েছেন বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। হয়েছে ১২টি অপারেশন ও ৩৫টি নরমাল ডেলিভারি।সম্প্রতি কুমিল্লার বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন এমপির নির্দেশনায় বরুড়ার স্বাস্থ্যসেবা মান অনেকটাই উন্নত হচ্ছে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেবার মান, খাবার মান, বিদ্যুৎ সমস্যা, এম্বুলেন্স চালকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ আমলে নিয়ে গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রীর পরামর্শে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: মোহাম্মদ সাজেদুর রহমান স্বাস্থ্য সেবার মান উন্নত করতে নিরলস কাজ করছেন।তারই ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের মে মাসে বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আউটডোর এ ১১ হাজার ৩১১, জরুরি বিভাগে ৬৫৩ জন ও ভর্তি হয়ে ৪০০ রুগী সেবা গ্রহণ করেন। এছাড়া এসময়ে ১২ জন রুগীর বিভিন্ন অপারেশন, ৩৫ জন প্রসূতির নরমাল ডেলিভারি, ১৪৮জন রুগীকে এক্সরে, ১২১ জন রুগীকে ইসিজি, ১৬৫ জন রুগীকের আল্ট্র, একহাজার ৫০ জন রুগীকে প্যাথলজি ও ২১ টি এম্বুলেন্স সেবা দেয়া হয়।উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: মোহাম্মদ সাজেদুর রহমান বলেন, বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ক্যানসার স্কেনিং ও চক্ষু সেবার জন্য আধুনিক যন্ত্রপাতি রয়েছে। তিনি আরও বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে বরুড়ার সকল মানুষ এসকল সেবা বিনা মূল্যে নিতে পরাবেন। ২৪ ঘন্টা ইসিজি ও অফিস সময়ে অন্যান্য সেবা চালু রয়েছে। 

বরুড়ার সোনাইমুড়ী ২০ শয্যা হাসপাতালকে এ কে এম আবু তাহের এর  নামে’ ঘোষণা!

বরুড়ার সোনাইমুড়ী ২০ শয্যা হাসপাতালকে এ কে এম আবু তাহের এর নামে’ ঘোষণা!

বরুড়া উপজেলার সোনাইমুড়ী ২০ শয্যা হাসপাতালের নাম পরিবর্তন করে “এ কে এম আবু তাহের ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল” নামকরণের সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এ খবরে এলাকাবাসীর মধ্যে সন্তোষ প্রকাশের পাশাপাশি দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা হাসপাতালটি দ্রুত চালু করে সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার দাবি জোরালো হয়েছে।জানা যায়, মরহুম সংসদ সদস্য এ কে এম আবু তাহের ২০০১ সালে ক্ষমতায় থাকাকালীন সময় ব্যক্তিগত উদ্যোগে হাসপাতালটির জন্য জমি ক্রয় করে প্রদান করেন এবং হসপিটাল টি টেন্ডার করে কাজ শুরু করেন। ২০০৪ সালে তিনি মারা গেলে তার ছেলে বর্তমান গৃহায়ণ গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন উপ নির্বাচনে এমপি হন। পরবতী সরকার এসে কাজটি এগিয়ে না নেয়ার কারনে আলোর মুখ দেখেনি হসপিটাল টি।  যদিও প্রথমদিকে ২০০০ সালের দিকে পয়ালগাছা এলাকায় ২০ শয্যা হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনা ছিল তৎকালীন সরকারের মহিলা এমপি অধ্যাপিকা পান্না কায়সারের। পরবর্তীতে সেই স্থানে বর্তমানে একটি সরকারি টেকনিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং হাসপাতালটি সোনাইমুড়ী এলাকায় স্থানান্তরিত হয়ে নির্মিত হয়।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০৫ কিংবা ২০০৬ সালের দিকে হাসপাতালটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলেও নানা কারণে এটি আজও পূর্ণাঙ্গভাবে চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি। যদি ও এ হসপিটাল এর নামে ডাক্তার নিয়োগ রয়েছে।  অন্যান্য কর্মচারী নিয়োগ নেই।  ডাক্তাররা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এটাচম্যান্টে যোগদান করেন।  ফলে দীর্ঘ দুই দশক ধরে এলাকার মানুষ প্রত্যাশিত স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। এখনো আলোর মুখ দেখেনি এ হসপিটাল টি।আজ ৯ জুন ২৬ ইং  হাসপাতালটির নাম পরিবর্তন করে মরহুম এ কে এম আবু তাহেরের নামে সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি হওয়ায় নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে। এলাকাবাসীর বিশ্বাস, নামকরণের এই উদ্যোগের মাধ্যমে দীর্ঘদিন অবহেলিত হাসপাতালটি দ্রুত চালু হবে এবং বরুড়া উপজেলার দক্ষিণাঞ্চলের হাজার হাজার মানুষ আধুনিক চিকিৎসাসেবা পাওয়ার সুযোগ পাবে।স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, হাসপাতালটি দ্রুত চালু করা গেলে স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে এবং মরহুম এ কে এম আবু তাহেরের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের যথাযথ মূল্যায়ন হবে। গৃহায়ণ গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন এমপি আপ্রাণ চেষ্টার এ হসপিটাল টির আলোর মুখ দেখায় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা তাঁকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন।এ বিষয় উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সাজেদুর রহমান বলেন, কিছু জনবল নিয়োগ ও যন্ত্রপাতি ফেলে দ্রুত হসপিটাল টি চালু করা যাবে। মাননীয় গৃহায়ণ গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন স্যার কে এ বিষয় অবহিত করেছি।উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসাদুজ্জামান রনি বলেন, আজ ও হসপিটাল টি ভিজিট করেছি। ভবন আছে, লোকবল নেই। আশা করি দ্রুত এ বিষয় সমাধান হয়ে হসপিটাল টি চালু হবে।

বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তারদের অবহেলায় চিকিৎসা সেবা হচ্ছে ব্যাহত

বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তারদের অবহেলায় চিকিৎসা সেবা হচ্ছে ব্যাহত

কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার পাঁচ লক্ষাধিক মানুষের একমাত্র সরকারি হসপিটাল বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তারদের অবহেলায় স্বাস্থ্য সেবা মারাত্মক ভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ‎সকাল আটটা থেকে দুপুর দুইটা পর্যন্ত  হাসপাতালের আউটডোরের চেম্বারে উপস্থিত থেকে চিকিৎসা দেওয়ার কথা থাকলেও সকাল দশটার সময়ও অনেক চিকিৎসক থাকেন অনুপস্থিত। সরেজমিনে সকাল দশটায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গাইনী ও অবস কনসালটেন্ট ডাঃ শাহনাজ বেগমের চেম্বারের সামনে গিয়ে দেখা যায় প্রচুর নারী রোগী দাঁড়িয়ে আছেন সেবা গ্রহনের জন্য ডাক্তার চেম্বারে নেই, এছাড়াও এ সময় অনেক মেডিকেল অফিসারের কক্ষে গিয়ে দেখা যায় যে সকল ডাক্তারদের চেম্বারের সামনেই রোগী দাঁড়িয়ে আছেন কিন্তু ডাক্তারগন চেম্বারে নেই।‎এ সময় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রধান ডাঃ সাজেদুর রহমান কে মুঠো ফোনে কল দিলে তিনি জানান তিনি ৪র্থ তলায় আছেন, কল পাওয়ার পর পর তিনি দ্বিতীয় তলায় ও নিচ তলায় গিয়ে বিভিন্ন রুম ঘুরে দেখেন এবং সাংবাদিকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন। এ সময় সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে সকল ডাক্তার গন দ্রুত চেম্বারে এসে রোগী দেখা শুরু করেন।‎এ বিষয়ে বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রধান ডাক্তার সাজেদুর রহমান বলেন, যারা নির্ধারিত সময়ে হাসপাতালে আসেন নি তাদের কে কারণ দর্শানোর চিঠি দেওয়া হয়েছে এবং সকল আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান।‎এ বিষয়ে কুমিল্লা সিভিল সার্জন ডাঃ আলীনূর মুহাম্মদ বশির আহমেদ প্রতিবেদক কে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন সকল কথা শুনেন এবং যারা সময় মতো হাসপাতালে আসেন না তাদের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে জানান।‎

সিলেটে হাম উপসর্গে এবার নার্সের মৃত্যু : হাসপাতালে ভর্তি ৭৮ জন

সিলেটে হাম উপসর্গে এবার নার্সের মৃত্যু : হাসপাতালে ভর্তি ৭৮ জন

সিলেটে এবার হাম উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক নার্সের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১ জুন ২০২৬ইং) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২২ বছর বয়সী ওই নার্স তরুণীর মৃত্যু হয়। তিনি সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভপুর উপজেলার বাসিন্দা এবং সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মিডওয়াইফারি ইন্টার্ন হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, কয়েকদিন ধরে তিনি হামের উপসর্গে অসুস্থ ছিলেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে প্রথমে তাকে নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার আরও অবনতি হলে রোববার (৩১ মে) দুপুরে তাকে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ)- তে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় সোমবার সকালে তার মৃত্যু হয়।মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. মিজানুর রহমান। তিনি জানান, হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ চেষ্টা সত্ত্বেও ওই তরুণীকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।এদিকে এঘটনায় স্বাস্থ্য বিভাগ ও সহকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও তার অকাল মুত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তবে মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সংক্রান্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।এ ব্যাপারে সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডাঃ মাহবুবুল আলম বলেন, হামের উপসর্গ ছাড়াও ওই তরুণীর অন্যান্য জটিল সমস্যা ছিল। তবে এটি হচ্ছে হাম উপসর্গে সিলেট বিভাগের ২২ বছর বয়স্ক কারও মৃত্যুএর কারণ অনুসন্ধান করা হবে।এদিকে সিলেটে হাম উপসর্গে আরো এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধিন অবস্থায় প্রায় দেড় বছরের শিশু ইরফান সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারাবাজার উপজেলার বাসিন্দা। এনিয়ে সিলেট বিভাগে হামে ও উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬১ জনে।এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগে নতুন করে ল্যাব পরীক্ষায় কারও হাম শনাক্ত না হলেও এই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭৮ জন। সোমবার (১ জুন) এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মোঃ মাহবুবুল আলম।বিভাগীয় স্বাস্থ্য কার্যালয় সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন মোট ২৫৬ জন রোগী।স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারী থেকে ১ জুন পর্যন্ত সিলেট বিভাগে হামে ও উপসর্গে ৬১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে ৪ জনের হাম নিশ্চিত হলেও বাকীরা উপসর্গে মারা গেছেন। এদিকে বিভাগে এখন পর্যন্ত ১৬৫ জন ল্যাব-নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ৮৬ জন সুনামগঞ্জ জেলার, সিলেটের ৪২, হবিগঞ্জের ২১ ও  মৌলভীবাজারের ১৬।বর্তমানে সিলেট বিভাগে হাসপাতালে ভর্তিকৃত সন্দেহজনক ২৫৬ রোগীর মধ্যে- সর্বোচ্চ ৮৩ জন শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে, ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৭৫, উইমেন্স মেডিকেল হাসপাতালে ২, লায়ন্স শিশু হাসপাতালে ৩, রাগীব রাবেয়া মেডিকেল হাসপাতালে ১৬, মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে ৩, নর্থ ইস্ট হাসপাতালে ১৭, পার্কভিউ মেডিকেল হাসপাতালে ৪, শান্তিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩, সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ২২, হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ১৮ ও মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ১০ জন শিশু ভর্তি রয়েছেন।

মে মাসে ১২হাজার রুগী স্বাস্থ্য সেবা নিয়েছেন বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে

মে মাসে ১২হাজার রুগী স্বাস্থ্য সেবা নিয়েছেন বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে

শুধু এক মাসেই ১২হাজার রুগী সেবা নিয়েছেন বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। হয়েছে ১২টি অপারেশন ও ৩৫টি নরমাল ডেলিভারি।সম্প্রতি কুমিল্লার বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন এমপির নির্দেশনায় বরুড়ার স্বাস্থ্যসেবা মান অনেকটাই উন্নত হচ্ছে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেবার মান, খাবার মান, বিদ্যুৎ সমস্যা, এম্বুলেন্স চালকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ আমলে নিয়ে গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রীর পরামর্শে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: মোহাম্মদ সাজেদুর রহমান স্বাস্থ্য সেবার মান উন্নত করতে নিরলস কাজ করছেন।তারই ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের মে মাসে বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আউটডোর এ ১১ হাজার ৩১১, জরুরি বিভাগে ৬৫৩ জন ও ভর্তি হয়ে ৪০০ রুগী সেবা গ্রহণ করেন। এছাড়া এসময়ে ১২ জন রুগীর বিভিন্ন অপারেশন, ৩৫ জন প্রসূতির নরমাল ডেলিভারি, ১৪৮জন রুগীকে এক্সরে, ১২১ জন রুগীকে ইসিজি, ১৬৫ জন রুগীকের আল্ট্র, একহাজার ৫০ জন রুগীকে প্যাথলজি ও ২১ টি এম্বুলেন্স সেবা দেয়া হয়।উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: মোহাম্মদ সাজেদুর রহমান বলেন, বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ক্যানসার স্কেনিং ও চক্ষু সেবার জন্য আধুনিক যন্ত্রপাতি রয়েছে। তিনি আরও বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে বরুড়ার সকল মানুষ এসকল সেবা বিনা মূল্যে নিতে পরাবেন। ২৪ ঘন্টা ইসিজি ও অফিস সময়ে অন্যান্য সেবা চালু রয়েছে।