জ্বালানি সংকটে অন্ধকারে চট্টগ্রাম: ৬ বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ, লোডশেডিং ছাড়াল ২৫০ মেগাওয়াট
জ্বালানি সংকটের ধাক্কায় চট্টগ্রামে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে গিয়ে লোডশেডিং ২৫০ মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে। ছয়টি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। ফলে দিনের বড় অংশজুড়ে বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় নগরজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে, আর রাত নামলেই ভোগান্তি কয়েকগুণ বেড়ে যাচ্ছে।বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) সূত্রে জানা গেছে, ১৫ এপ্রিল সকাল ও সন্ধ্যার হিসাবে চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে বড় ধরনের ব্যবধান তৈরি হয়েছে। বেলা ১১টায় বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১,৩৮৪ মেগাওয়াট, যা সন্ধ্যা ৭টায় বেড়ে দাঁড়ায় ১,৪৩২ দশমিক ৭৩ মেগাওয়াটে। বিপরীতে সরবরাহ ছিল সকাল ১১টায় ১,০৯৫ দশমিক ৯৬ মেগাওয়াট এবং সন্ধ্যায় ১,৪৭০ মেগাওয়াট। এই হিসাবে লোডশেডিং দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৮১ দশমিক ৮২ মেগাওয়াট।তবে আরেক হিসাবে দেখা যায়, মোট চাহিদা ১,৩৮৪ দশমিক ৯ মেগাওয়াটের বিপরীতে সরবরাহ ছিল ১,০৯৫ দশমিক ৯৬ মেগাওয়াট। এর মধ্যে জাতীয় গ্রিডে পাঠানো হয়েছে ২৮৮ দশমিক ১৩ মেগাওয়াট এবং লোডশেডিং দেখানো হয়েছে ১১১ দশমিক ৯ মেগাওয়াট।বন্ধ ছয় কেন্দ্র, উৎপাদনে বড় ঘাটতিচট্টগ্রামের দক্ষিণাঞ্চলের ২৮টি কেন্দ্রের মধ্যে জ্বালানি সংকটের কারণে ছয়টি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ রয়েছে। এর মধ্যে কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ইউনিট ২ (৪৬ মেগাওয়াট), ৩ (৫০ মেগাওয়াট) ও ৫ (৫০ মেগাওয়াট) বন্ধ। এছাড়া রাউজান-১ ও রাউজান-২ (প্রতিটি ২১০ মেগাওয়াট) এবং জুডিয়াকের ৫৪ মেগাওয়াট কেন্দ্রও বন্ধ রয়েছে।সচল কেন্দ্রগুলোর মধ্যে কাপ্তাই-৪ ইউনিট থেকে ৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে। এছাড়া আনোয়ারা ইউনাইটেড, মিরসরাইয়ের বিআর পাওয়ার, বারাকা গ্রুপের বিভিন্ন কেন্দ্র, দোহাজারী, হাটহাজারী ও এনার্জিপ্যাকসহ একাধিক কেন্দ্র আংশিক উৎপাদনে রয়েছে।বড় কেন্দ্রগুলোর মধ্যে মাতারবাড়ি বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ৩২০ মেগাওয়াট, শিকলবাহা কেন্দ্র থেকে ৪২৭ মেগাওয়াট এবং বাঁশখালীর এস আলম বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ৯০২ মেগাওয়াট উৎপাদন হয়েছে।নগরজীবনে নাভিশ্বাসঘন ঘন লোডশেডিংয়ে নগরীর চকবাজার, বহদ্দারহাট, পাঁচলাইশ, আগ্রাবাদ, হালিশহরসহ বিভিন্ন এলাকায় মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। একবার বিদ্যুৎ চলে গেলে তা ফিরতে সময় লাগছে দুই থেকে তিন ঘণ্টা, যা রাতে আরও অসহনীয় হয়ে উঠছে।ভ্যাপসা গরমে বিদ্যুৎ না থাকায় বাসাবাড়িতে পানির সংকটও দেখা দিয়েছে। ওয়াসার পানি সংরক্ষণে সমস্যা হওয়ায় অনেকেই চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থদের ঝুঁকি বেড়ে গেছে।জ্বালানি সংকটই মূল কারণজ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত গরম বাড়ার সঙ্গে বিদ্যুতের চাহিদাও বেড়ে যায়। তবে চলমান জ্বালানি সংকট পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করে তুলেছে।চট্টগ্রাম পিডিবির সুপারভাইজরি কন্ট্রোল অ্যান্ড ডাটা অ্যাকুইজিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী ফাহমিদা জামান বলেন, গ্যাসের চাপ কম এবং জ্বালানি তেলের সংকটের কারণে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো বন্ধ থাকছে। এতে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে এবং লোডশেডিং বাড়ছে।তিনি জানান, সরবরাহ পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে লোডশেডিংয়ের মাত্রা ওঠানামা করছে। পরিস্থিতির উন্নতি সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।সামনে আরও খারাপ সময়?জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকার অফিস সময় কমানো ও শপিং মল দ্রুত বন্ধ করার মতো পদক্ষেপ নিয়েছে।তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত না হলে চট্টগ্রামে বিদ্যুৎ সংকট ও লোডশেডিং আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে।
জিডিপিতে সেবা খাতের আধিপত্য, প্রবৃদ্ধিতে প্রধান ভূমিকা
জমি অধিগ্রহণ জটিলতার কারণে থমকে গেছে ঝিনাইদহ-যশোর মহাসড়ক ছয় লেন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ| প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হতে আর মাত্র কয়েক মাস বাকি থাকলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়েছে মাত্র ৪ থেকে ৫ শতাংশ| ফলে গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়ক দিয়ে চলাচলকারী লাখো মানুষ প্রতিদিন চরম দুর্ভোগে পড়ছেন|জানা যায়, ২০২০ সালের ২৪ নভে¤^র একনেক সভায় ওয়েস্টার্ন ইকোনমিক করিডোর (উইকেয়ার) ফেজ-১-এর আওতায় ঝিনাইদহ-যশোর মহাসড়ক ছয় লেন উন্নয়ন প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়| সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে চলমান এই প্রকল্পটির মেয়াদ চলতি বছরের ডিসে¤^র পর্যন্ত নির্ধারিত রয়েছে| মেয়াদ আর কয়েকমাস হলেও এখন পর্যন্ত কাজ হয়েছে ৪ থেকে ৫ শতাংশ|জানা যায়, ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে প্রকল্পটির কাজ শুরু হলেও এখনো মূল সড়ক উন্নয়ন কাজ শুরুই করা যায়নি।ঝিনাইদহ শহরের বাইপাসের চুটলিয়া মোড় এলাকায় ফ্লাইওভারের আংশিক কাজ শেষ হয়েছে| এছাড়া ধোপাঘাটা সেতুর জন্য ব্রিজের গার্ডার নির্মাণ এবং কয়েকটি কালভার্টের আংশিক কাজ সম্পন্ন হয়েছে| তবে সড়কের মূল অংশে কোনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি নেই|কালীগঞ্জ থেকে ঝিনাইদহগামী ইজিবাইক চালক রাশেদ উদ্দিন জানান, সড়কটি প্রকল্পের আওতায় যাওয়ার পর থেকে নিয়মিত মেরামত বন্ধ হয়ে গেছে| ফলে সড়কের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে খানাখন্দ, ধুলাবালি আর ভাঙাচোরা অবস্থা| এতে যান চলাচল হয়ে পড়েছে ধীরগতির ও ঝুঁকিপূর্ণ| প্রতিদিন যাত্রী ও চালকদের ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করছে|মাজেদা খাতুন নামের এক সরকারি কর্মচারী বলেন, আমাকে প্রতিদিন কালীগঞ্জ থেকে ঝিনাইদহ যেতে হয়| বাস বা ইজিবাইকে উঠলে চলাচল করতে খুব কষ্ট হয়| সারা রাস্তা ভাঙ্গাচোরা| এভাবে আর কতদিন চলতে হবে তার কোন ঠিক নেই| আমাদের ছয় লেন দরকার নেই| দুইলেন ছিলো সেটাই ভালো| আমরা রাস্তা ভালো চাই|ঝিনাইদহ উন্নয়ন সংগ্রাম সমš^য় কমিটির সভাপতি আশরাফুল আলম অভিযোগ করেন, মহাসড়কটি ছয় লেনে উন্নীতকরণের পরিকল্পনা থাকলেও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া খুবই হতাশাজনক| তিন বছরে মাত্র ২% অগ্রগতি হয়েছে| এখন ভিক্ষা চাই না কুকুর ঠেকা অবস্থা হয়ে গেছে।উইকেয়ার ফেজ-১’র উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী নিলন আলী বলেন, জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়ায় আমরা নির্ধারিত জায়গায় কাজ শুরু করতে পারছি না| যেসব স্থানে জমি বুঝে পেয়েছি, সেখানে আংশিক কাজ চলছে| জমি হস্তান্তর পেলে দ্রুতগতিতে বাকি কাজ এগিয়ে নেওয়া হবে|এ ব্যাপারে ঝিনাইদহের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমান বলেন, প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণের কাজ চলমান রয়েছে| কিছু জটিলতা থাকলেও সেগুলো দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে| আশা করছি, অল্প সময়ের মধ্যেই জমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন হবে এবং প্রকল্পের কাজ পুরোদমে শুরু করা যাবে|
মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে বেইজিংয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা
জমি অধিগ্রহণ জটিলতার কারণে থমকে গেছে ঝিনাইদহ-যশোর মহাসড়ক ছয় লেন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ| প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হতে আর মাত্র কয়েক মাস বাকি থাকলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়েছে মাত্র ৪ থেকে ৫ শতাংশ| ফলে গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়ক দিয়ে চলাচলকারী লাখো মানুষ প্রতিদিন চরম দুর্ভোগে পড়ছেন|জানা যায়, ২০২০ সালের ২৪ নভে¤^র একনেক সভায় ওয়েস্টার্ন ইকোনমিক করিডোর (উইকেয়ার) ফেজ-১-এর আওতায় ঝিনাইদহ-যশোর মহাসড়ক ছয় লেন উন্নয়ন প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়| সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে চলমান এই প্রকল্পটির মেয়াদ চলতি বছরের ডিসে¤^র পর্যন্ত নির্ধারিত রয়েছে| মেয়াদ আর কয়েকমাস হলেও এখন পর্যন্ত কাজ হয়েছে ৪ থেকে ৫ শতাংশ|জানা যায়, ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে প্রকল্পটির কাজ শুরু হলেও এখনো মূল সড়ক উন্নয়ন কাজ শুরুই করা যায়নি।ঝিনাইদহ শহরের বাইপাসের চুটলিয়া মোড় এলাকায় ফ্লাইওভারের আংশিক কাজ শেষ হয়েছে| এছাড়া ধোপাঘাটা সেতুর জন্য ব্রিজের গার্ডার নির্মাণ এবং কয়েকটি কালভার্টের আংশিক কাজ সম্পন্ন হয়েছে| তবে সড়কের মূল অংশে কোনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি নেই|কালীগঞ্জ থেকে ঝিনাইদহগামী ইজিবাইক চালক রাশেদ উদ্দিন জানান, সড়কটি প্রকল্পের আওতায় যাওয়ার পর থেকে নিয়মিত মেরামত বন্ধ হয়ে গেছে| ফলে সড়কের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে খানাখন্দ, ধুলাবালি আর ভাঙাচোরা অবস্থা| এতে যান চলাচল হয়ে পড়েছে ধীরগতির ও ঝুঁকিপূর্ণ| প্রতিদিন যাত্রী ও চালকদের ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করছে|মাজেদা খাতুন নামের এক সরকারি কর্মচারী বলেন, আমাকে প্রতিদিন কালীগঞ্জ থেকে ঝিনাইদহ যেতে হয়| বাস বা ইজিবাইকে উঠলে চলাচল করতে খুব কষ্ট হয়| সারা রাস্তা ভাঙ্গাচোরা| এভাবে আর কতদিন চলতে হবে তার কোন ঠিক নেই| আমাদের ছয় লেন দরকার নেই| দুইলেন ছিলো সেটাই ভালো| আমরা রাস্তা ভালো চাই|ঝিনাইদহ উন্নয়ন সংগ্রাম সমš^য় কমিটির সভাপতি আশরাফুল আলম অভিযোগ করেন, মহাসড়কটি ছয় লেনে উন্নীতকরণের পরিকল্পনা থাকলেও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া খুবই হতাশাজনক| তিন বছরে মাত্র ২% অগ্রগতি হয়েছে| এখন ভিক্ষা চাই না কুকুর ঠেকা অবস্থা হয়ে গেছে।উইকেয়ার ফেজ-১’র উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী নিলন আলী বলেন, জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়ায় আমরা নির্ধারিত জায়গায় কাজ শুরু করতে পারছি না| যেসব স্থানে জমি বুঝে পেয়েছি, সেখানে আংশিক কাজ চলছে| জমি হস্তান্তর পেলে দ্রুতগতিতে বাকি কাজ এগিয়ে নেওয়া হবে|এ ব্যাপারে ঝিনাইদহের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমান বলেন, প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণের কাজ চলমান রয়েছে| কিছু জটিলতা থাকলেও সেগুলো দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে| আশা করছি, অল্প সময়ের মধ্যেই জমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন হবে এবং প্রকল্পের কাজ পুরোদমে শুরু করা যাবে|
বৈশ্বিক প্রসারে চীনা অনলাইন সাহিত্যের শক্তিশালী অগ্রযাত্রা
জমি অধিগ্রহণ জটিলতার কারণে থমকে গেছে ঝিনাইদহ-যশোর মহাসড়ক ছয় লেন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ| প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হতে আর মাত্র কয়েক মাস বাকি থাকলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়েছে মাত্র ৪ থেকে ৫ শতাংশ| ফলে গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়ক দিয়ে চলাচলকারী লাখো মানুষ প্রতিদিন চরম দুর্ভোগে পড়ছেন|জানা যায়, ২০২০ সালের ২৪ নভে¤^র একনেক সভায় ওয়েস্টার্ন ইকোনমিক করিডোর (উইকেয়ার) ফেজ-১-এর আওতায় ঝিনাইদহ-যশোর মহাসড়ক ছয় লেন উন্নয়ন প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়| সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে চলমান এই প্রকল্পটির মেয়াদ চলতি বছরের ডিসে¤^র পর্যন্ত নির্ধারিত রয়েছে| মেয়াদ আর কয়েকমাস হলেও এখন পর্যন্ত কাজ হয়েছে ৪ থেকে ৫ শতাংশ|জানা যায়, ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে প্রকল্পটির কাজ শুরু হলেও এখনো মূল সড়ক উন্নয়ন কাজ শুরুই করা যায়নি।ঝিনাইদহ শহরের বাইপাসের চুটলিয়া মোড় এলাকায় ফ্লাইওভারের আংশিক কাজ শেষ হয়েছে| এছাড়া ধোপাঘাটা সেতুর জন্য ব্রিজের গার্ডার নির্মাণ এবং কয়েকটি কালভার্টের আংশিক কাজ সম্পন্ন হয়েছে| তবে সড়কের মূল অংশে কোনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি নেই|কালীগঞ্জ থেকে ঝিনাইদহগামী ইজিবাইক চালক রাশেদ উদ্দিন জানান, সড়কটি প্রকল্পের আওতায় যাওয়ার পর থেকে নিয়মিত মেরামত বন্ধ হয়ে গেছে| ফলে সড়কের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে খানাখন্দ, ধুলাবালি আর ভাঙাচোরা অবস্থা| এতে যান চলাচল হয়ে পড়েছে ধীরগতির ও ঝুঁকিপূর্ণ| প্রতিদিন যাত্রী ও চালকদের ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করছে|মাজেদা খাতুন নামের এক সরকারি কর্মচারী বলেন, আমাকে প্রতিদিন কালীগঞ্জ থেকে ঝিনাইদহ যেতে হয়| বাস বা ইজিবাইকে উঠলে চলাচল করতে খুব কষ্ট হয়| সারা রাস্তা ভাঙ্গাচোরা| এভাবে আর কতদিন চলতে হবে তার কোন ঠিক নেই| আমাদের ছয় লেন দরকার নেই| দুইলেন ছিলো সেটাই ভালো| আমরা রাস্তা ভালো চাই|ঝিনাইদহ উন্নয়ন সংগ্রাম সমš^য় কমিটির সভাপতি আশরাফুল আলম অভিযোগ করেন, মহাসড়কটি ছয় লেনে উন্নীতকরণের পরিকল্পনা থাকলেও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া খুবই হতাশাজনক| তিন বছরে মাত্র ২% অগ্রগতি হয়েছে| এখন ভিক্ষা চাই না কুকুর ঠেকা অবস্থা হয়ে গেছে।উইকেয়ার ফেজ-১’র উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী নিলন আলী বলেন, জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়ায় আমরা নির্ধারিত জায়গায় কাজ শুরু করতে পারছি না| যেসব স্থানে জমি বুঝে পেয়েছি, সেখানে আংশিক কাজ চলছে| জমি হস্তান্তর পেলে দ্রুতগতিতে বাকি কাজ এগিয়ে নেওয়া হবে|এ ব্যাপারে ঝিনাইদহের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমান বলেন, প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণের কাজ চলমান রয়েছে| কিছু জটিলতা থাকলেও সেগুলো দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে| আশা করছি, অল্প সময়ের মধ্যেই জমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন হবে এবং প্রকল্পের কাজ পুরোদমে শুরু করা যাবে|
রাজশাহীকে চাঁদাবাজ ও ভূমিদস্যুমুক্ত করবেন - ভূমি মন্ত্রী মোঃ মিজানুর রহমান মিনু
বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের দৃশ্যমান নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন চেয়ারম্যান আতাউর রহমান
রাজশাহীতে মশার কারণে জন জীবন অতিষ্ঠ
চাঁপাইনবাবগঞ্জে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত
অসহায়দের ইফতার সামগ্রী বিতরণ করল তালতলা দঃপাড়া একেএ সমাজ কল্যাণ সংঘ
হামাগুড়ি দিয়ে সামনে এলেন প্রতিবন্ধী কিশোর, হাত বুলালেন গৃহায়ণ ও গনপুর্ত মন্ত্রী
চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবৈধ মাটি কাটার মহাউৎসব, রাতের আঁধারে চলছে লুটপাট
গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে নতুন অধ্যায়: মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমনের নেতৃত্বে পরিকল্পিত উন্নয়নের আশা
নর্দান ইউনিভার্সিটিতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত
বিয়ের ৮দিন পর গাজীপুরে গার্মেন্টস শ্রমিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
বিস্কুট ও আইসক্রিমের প্রলোভন দেখিয়ে শিশু ধর্ষণ
জ্বালানি সংকটে অন্ধকারে চট্টগ্রাম: ৬ বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ, লোডশেডিং ছাড়াল ২৫০ মেগাওয়াট
মসজিদে ৫ওয়াক্ত নামাজ পড়লেই তিন বেলা খাবার ফ্রি
জ্বালানিনিরাপত্তা শক্তিশালী করতে দ্বিতীয় ইউনিট স্থাপনের পরিকল্পনা নিচ্ছে সরকার
শাহরাস্তিতে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার অভিযোগ
গবেষণাগার থেকে মাঠে, বাণিজ্যিক পথে নতুন ধানের যাত্রা
বাকিতে চা না দেওয়ার দ্বন্দ্বে দু’পক্ষের সংঘর্ষে ১০ জন আহত
১৭ই এপ্রিল: মুজিবনগর সরকার দিবস; রাষ্ট্রের জন্মলগ্নের প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি
নওগাঁয় ‘দৈনিক আজকালের কণ্ঠ’র ৫ম বর্ষে পদার্পণ উদযাপন
ষড়যন্ত্রের জালে ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক: লক্ষ্য পদোন্নতি বঞ্চিত করা
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং বেগম জিয়ার সমাধিতে স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকারের শ্রদ্ধা
শুক্রবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নব নিযুক্ত স্পীকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম, এমপি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।এরপর জাতীয় সংসদের নব নিযুক্ত ডেপুটি স্পীকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।এসময় তাঁরা কিছুক্ষণ নিরবতা পালন এবং রূহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করেন।শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পীকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম গণমাধ্যমকে বলেন, আজ এক ঐতিহাসিক মূহুর্তে আমরা উপনীত হয়েছি যখন দীর্ঘসংগ্রামের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুণঃস্থাপিত হয়েছে। মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যার নেতৃত্বে আমরা সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে দেশকে দখলমুক্ত করেছি এবং গণতন্ত্রের মহান নেত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যিনি সীমাহীন ত্যাগ তিতিক্ষার মাধ্যমে বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্রের পুনঃপ্রবর্তন করেছেন তাদের রূহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করেছি। স্পীকার বলেন, বাংলাদেশের বিচক্ষণ মানুষ বিএনপিকে দুই-তৃতীয়াংশ ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেছে যা গনতন্ত্রের পথকে সুগম করবে। সংসদে সরকার ও বিরোধী দলের সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে আমরা দল থেকে পদত্যাগ করে স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকারের পদে আসীন হয়েছি।অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব, সার্জেন্ট এ্যাট আর্মসসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা- কর্মচারীবৃন্দ ও বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৩৮৭ টাকা বাড়িয়ে ১৭২৮ টাকা করেছে সরকার। এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে আপনি কি একমত?