মুক্তির লড়াই
সর্বশেষ

জনগণ চাইলে কুমিল্লায় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভাগ গঠন করা হবে.. প্রধানমন্ত্রী

কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার লক্ষীপুর ইউনিয়ন খেলার মাঠে আয়োজিত এক জনসভায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী  ঘোষণা দিয়েছেন যে, পর্যায়ক্রমে কুমিল্লাকে বিভাগে উন্নীত করা হবে এবং কুমিল্লায় একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে। এ ঘোষণায় উপস্থিত জনতার মাঝে ব্যাপক উৎসাহ ও আনন্দের সৃষ্টি হয়।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী  জাকারিয়া তাহের সুমন এমপি, । বক্তব্য রাখেন কৃষিমন্ত্রী  আমিনুর রশিদ ইয়াছিন, , অধ্যক্ষ  সেলিম ভুইয়া এমপি,উপজেলা বিএনপির সভাপতি  কায়সার আলম সেলিম , সিনিয়র সহ-সভাপতি  সৈয়দ রেজাউল হক, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ জহিরুল হক,   এবং সাবেক মেয়র জসিম উদ্দিন পাটোয়ারী   প্রমুখ।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, “দেশের মালিক জনগণ। আপনারা দায়িত্ব নিয়ে কাজ করুন, তাহলেই দেশ আরও এগিয়ে যাবে।” তিনি উন্নয়ন, শিক্ষা ও কৃষিখাতকে এগিয়ে নিতে সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন।জনসভাটি উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয় এবং বিভিন্ন এলাকা থেকে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ এতে অংশগ্রহণ করেন।সকাল ১১ টার আসার কথা থাকলেও প্রধান একটার সময় মাঠে আসেন। অনেক রুদ্র মাঝেও মাঠ কানায় কানায় ভরপুর ছিল।

২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ৭ জানুয়ারি, এইচএসসি ৬ জুন

২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ৭ জানুয়ারি এবং এইচএসসি ও সমমানেন পরীক্ষা ৬ জুন শুরু হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকেলে সচিবালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা জানুয়ারিতে নেওয়া হচ্ছে। এতে করে সেশন গ্যাপ কমে আসছে। এরা যখন এইচএসসি পরীক্ষা দেবে, তখন ডিসেম্বরেই এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া যাবে। কোনো গ্যাপ থাকবে না। সেজন্য আমরা বলছি, আর মাত্র দুই বছর পরই এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরে নিতে পারবো। তখন কারও আপত্তি থাকবে না।এদিকে শিক্ষা মন্ত্রীর এই ঘোষণার পরপরই দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড ২০২৭ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তাবিত বিস্তারিত সময়সূচি প্রকাশ করেছে।রুটিন অনুযায়ী, ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা ৭ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার বাংলা প্রথম পত্রের মাধ্যমে শুরু হবে। এরপর ৯ জানুয়ারি বাংলা দ্বিতীয় পত্র, ১১ ও ১৩ জানুয়ারি ইংরেজি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র এবং ১৬ জানুয়ারি গণিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের বিভিন্ন বিষয়ের তত্ত্বীয় পরীক্ষাগুলো শেষ হবে ৬ ফেব্রুয়ারি। আর তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষে ১১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সব বিষয়ের ব্যবহারিক পরীক্ষা সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বোর্ড জানিয়েছে, মোট ৩৩টি পত্রে এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে এবং পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে ১৫ দিন সময় প্রয়োজন হবে।অন্যদিকে, প্রস্তাবিত রুটিন অনুযায়ী উচ্চমাধ্যমিক বা এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হবে ৬ জুন (রোববার) থেকে। প্রথম দিন সকালে বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে ৮ জুন বাংলা দ্বিতীয় পত্র, ১০ জুন ইংরেজি প্রথম পত্র এবং ১২ জুন ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ১৪ জুন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি পরীক্ষা শেষে বিজ্ঞান ও অন্যান্য বিভাগের বিভাগীয় বিষয়গুলোর পরীক্ষা শুরু হবে। ১৩ জুলাই সমাজবিজ্ঞান ও সমাজকর্ম দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষার মাধ্যমে তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর ১৮ জুলাইয়ের মধ্যে সব বিষয়ের ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করে অনলাইনে নম্বর এন্ট্রি করার নির্দেশ দিয়েছে বোর্ডগুলো। এইচএসসিতে মোট ৭৭টি পত্রের পরীক্ষা সম্পন্ন করতে ২১ দিন সময় লাগবে বলে জানানো হয়েছে।

২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ৭ জানুয়ারি, এইচএসসি ৬ জুন

২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা ৩১ ডিসেম্বরের, ফেব্রুয়ারিতে শেষ

দীর্ঘ টানাপড়েনের পর একটি মধ্যপন্থী সমাধানের দিকে হাঁটছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হতে পারে ৩১ ডিসেম্বর — বছরের একেবারে শেষ দিনে। আর শেষ হবে ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে।বুধবার শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামত নিয়ে এই প্রাথমিক সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হয়েছে। তবে বিষয়টি এখনও চূড়ান্ত নয়, আগামী দু-একদিনের মধ্যে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসবে।যে কারণে ৩১ ডিসেম্বরশিক্ষামন্ত্রী বারবার ডিসেম্বরে এসএসসি নেওয়ার কথা বলে আসছিলেন। অন্যদিকে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা হঠাৎ পরীক্ষা এগিয়ে আনার বিপক্ষে — তাদের দাবি ছিল জানুয়ারিতে পরীক্ষা নেওয়া হোক। দুই পক্ষের দাবির মাঝামাঝি জায়গা হিসেবেই বেছে নেওয়া হয়েছে ডিসেম্বরের ৩১ তারিখ। এতে মন্ত্রীর প্রতিশ্রুতিও থাকছে, শিক্ষার্থীদের চাওয়াও মিলছে।পরীক্ষার সময়সূচির খসড়াপ্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী — • ৩১ ডিসেম্বর: লিখিত পরীক্ষা শুরু • ৩১ জানুয়ারি: লিখিত পরীক্ষা শেষ • ১–৭ ফেব্রুয়ারি: ব্যবহারিক পরীক্ষাসম্ভাব্য রোজার ছুটি ৮-৯ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে পারে — তার ঠিক আগেই পরীক্ষা গুছিয়ে নেওয়াই মূল লক্ষ্য।নতুন মাত্রা: এবার অভিন্ন প্রশ্নপত্র২০২৭ সালের এসএসসিতে প্রথমবারের মতো সারা দেশে একই প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে — যা বাংলাদেশের পাবলিক পরীক্ষার ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এসএসসি পরীক্ষার সময়সূচি স্থায়ীভাবে ডিসেম্বরে আনতে দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনাও তৈরি হচ্ছে।

২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা ৩১ ডিসেম্বরের, ফেব্রুয়ারিতে শেষ
শাহরাস্তিতে খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

শাহরাস্তিতে খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারের লক্ষ্যে দেশব্যাপী নদী-নালা ও খাল পুনঃখনন কর্মসূচির অংশ হিসেবে চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার (১৬ মে) দুপুরে শাহরাস্তির টামটা দক্ষিণ ইউনিয়নের ওয়ারুক বাজার এলাকায় খোদ্দ খাল পুনঃখননের মাধ্যমে তিনি এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। অনুষ্ঠানে জলাধার সংরক্ষণ, পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা তুলে ধরা হয়েছে।জানা যায়, শাহরাস্তি উপজেলার টামটা দক্ষিণ ইউনিয়নের ওয়ারুক বাজারস্থ প্রায় সাড়ে ১৩ কিলোমিটার দীর্ঘ খোদ্দ খাল পুনঃখননের মাধ্যমে জেলায় এ কর্মসূচির সূচনা করা হয়। পরে চাঁদপুর সদর উপজেলার ঘোষেরহাট বিশ্বখাল পুনঃখনন কার্যক্রমেরও উদ্বোধন করার কথা রয়েছে।প্রসঙ্গত, ১৯৭৭-৭৮ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছিলেন। ওই সময় তিনি খোদ্দ খাল খনন কার্যক্রমে অংশ নেন। ৪৮ বছর পর বাবার স্মৃতি বিজড়িত সেই খাল পুনঃখননের কাজ শুরু করেন তাঁরই পুত্র বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের।এ প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে প্রায় ২৪১ হেক্টর কৃষি জমি নতুন প্রাণ ফিরে পাবে বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা। পাশাপাশি ২ হাজার ৭৮৮ কৃষক পরিবার সেচ সুবিধা ও মৎস্য চাষে উপকৃত হবে, যা স্থানীয় কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।তারেক রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে শাহরাস্তি, হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর সদরসহ আশপাশের এলাকার নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তাঁর ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।

চীনের উন্মুক্তকরণে আস্থা বাড়ছে মার্কিন ব্যবসায়ী মহলে

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নয় বছর পর পুনরায় চীন সফর সর্বমহলে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। তাঁর সাথে আসা বড় আকারের বাণিজ্যিক প্রতিনিধিদল থেকে বোঝা যায়, অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক ইস্যুগুলো এই সফরের অন্যতম প্রধান ফোকাস হয়ে উঠেছে। চায়না মিডিয়া গ্রুপের (সিএমজি) সাংবাদিকরা দুজন আমেরিকান ব্যবসায়ীর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন, যারা চীন-মার্কিন অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতায় ৪০ বছরেরও বেশি সময় ধরে গভীরভাবে জড়িত। তাঁরা চীনের সংস্কার ও উন্মুক্তকরণ এবং চীন-মার্কিন অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতার ক্রমাগত বৃদ্ধির সাক্ষী হয়েছেন। তাঁদের মতে, চীন ও যুক্তরাষ্ট্র একসঙ্গে কাজ করলে উভয় পক্ষই উপকৃত হয় এবং তাঁরা আশা করেন যে, এই সফর দ্বিপাক্ষিক অর্থনীতি ও বাণিজ্য এবং চীন-মার্কিন সম্পর্কের স্থিতিশীল উন্নয়নে আরও ইতিবাচক ফলাফল বয়ে আনবে।ম্যানি বি. মেনেন্দেজ হলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এমসিএম হোল্ডিং গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও)। তিনি সংস্কার ও উন্মুক্তকরণের শুরুতে চীনে আসা প্রথম দিকের মার্কিন ব্যবসায়ীদের একজন। তিনি চীনা উদ্যোগ ও বিশ্বের শীর্ষ ৫০০টি কোম্পানির মধ্যে প্রথম চীন-মার্কিন যৌথ উদ্যোগ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। ম্যানি সবসময় চীন-মার্কিন অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতাকে এগিয়ে নেওয়াকে নিজের লক্ষ্য হিসেবে দেখেন। গত ৪০ বছরেরও বেশি সময়ে তিনি নিজের চোখে চীনের ব্যবসায়িক পরিবেশের ক্রমাগত উন্নতি এবং উন্মুক্তকরণের দ্রুত অগ্রগতি প্রত্যক্ষ করেছেন। তিনি চীনের "শান্তিতে মিলেমিশে থাকার" মূল্যবোধ এবং পাঁচসালা পরিকল্পনার সুসংহত অগ্রগতির প্রশংসা করেন। তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন যে, "পঞ্চদশ পাঁচসালা পরিকল্পনা" চীন-মার্কিন সহযোগিতার জন্য বিশাল সুযোগ সৃষ্টি করবে।'গ্রেট ওয়াল ফ্রেন্ডশিপ অ্যাওয়ার্ড' বিজয়ী বারবারা স্টলজ ৪৭ বছর ধরে চীন-মার্কিন চিকিৎসা সহযোগিতায় গভীরভাবে কাজ করছেন। সংস্কার ও উন্মুক্তকরণের শুরুতে চীনের সম্ভাবনায় বিশ্বাস করে তিনি বেইজিং আসেন এবং সে সময় চীনের চিকিৎসা শিল্পে প্রথম আলট্রাসাউন্ড, প্রথম এমআরআই এবং প্রথম বেডসাইড মনিটরিং সরঞ্জাম নিয়ে আসেন। বর্তমানে তিনি আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন চায়নার বোর্ড সদস্য এবং ইউনাইটেড ফ্যামিলি হেলথকেয়ারের প্রতিষ্ঠাতা। তিনি মনে করেন, চীন শুধু বিশ্বের বৃহত্তম স্বাস্থ্য নিরাপত্তা জালই তৈরি করেনি, বরং ধীরে ধীরে জৈব চিকিৎসা উদ্ভাবনের ক্ষেত্রেও নেতৃত্ব দিচ্ছে। চীন-মার্কিন চিকিৎসা খাতে সহযোগিতার বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে।অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা হলো চীন-মার্কিন সম্পর্কের "ভিত্তি"। বিশ্বের দুই বৃহত্তম অর্থনীতি হিসেবে, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মোট অর্থনৈতিক আকার বিশ্বের এক-তৃতীয়াংশের বেশি এবং পণ্য বাণিজ্যের পরিমাণ বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ। চীন-মার্কিন পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়া উভয় দেশের এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। কিছু থিংক ট্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালে চীন-মার্কিন বাণিজ্যের ওঠানামা বিশ্ব বাণিজ্যের প্রবৃদ্ধি সরাসরি প্রায় ১০ শতাংশ কমিয়ে দিয়েছে। চীনে অবস্থিত মার্কিন ব্যবসায়ী মহল জোর দিয়ে বলে, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মতপার্থক্য থাকলেও কেবল বিনিময় ও সহযোগিতার মাধ্যমেই তারা আরও বিস্তৃত উন্নয়ন সম্ভাবনা অর্জন করতে পারে।৯ বছর পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের পুনরায় চীন সফর উপলক্ষে তাঁরা আশা প্রকাশ করেন যে, উভয় পক্ষ অর্থনীতি ও বাণিজ্যে অগ্রগতি অর্জন করতে পারবে, বিশেষ করে শুল্ক ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে। এ ছাড়া, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) শাসনব্যবস্থা নিয়েও দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ জোরদার হওয়া উচিত বলে তাঁরা মনে করেন। সুত্র:স্বর্ণা-তৌহিদ-লিলি,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

বরুড়ায় প্রধানমন্ত্রীর পথসভা থেকে শতাধিক মোবাইল চুরি

বরুড়ার লক্ষীপুর ইউনিয়ন খেলার মাঠে আজ ১৬ মে অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর পথসভা জনসমুদ্রে রূপ নেয়। চাঁদপুর যাওয়ার পথে আয়োজিত এ পথসভায় হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা উৎসবমুখর পরিবেশে পরিণত হয়। তবে আনন্দঘন এই আয়োজনের মাঝেই ঘটে এক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা।সভাস্থল ও আশপাশের এলাকায় মোবাইল চুরির হিড়িক পড়ে যায় বলে অভিযোগ উঠেছে। বিএনপির নেতাকর্মীসহ বহু মানুষ নিজেদের মোবাইল ফোন হারিয়ে হতাশায় পড়েন। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, মানুষের অতিরিক্ত ভিড় ও ঠেলাঠেলির সুযোগ নিয়ে সংঘবদ্ধ চক্র মোবাইল চুরির ঘটনা ঘটিয়েছে।মোবাইল হারিয়ে ফেলা অনেকের মুখে ছিল হতাশার ছাপ। কেউ কেউ সভা শেষে দীর্ঘ সময় ধরে হারানো ফোন খুঁজতে ব্যস্ত ছিলেন। এমন পরিস্থিতিতে জনসচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা।বিশেষজ্ঞদের মতে, বড় জনসমাগমে ব্যক্তিগত জিনিসপত্র বিশেষ করে মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে রাখতে হবে। বরুড়াবাসীর জন্য এটি ছিল নতুন ও তিক্ত এক অভিজ্ঞতা।বরুড়া কলেজ শাখা ছাত্রদল নেতা ইমন পাটোয়ারী জানান, প্রধান আসার সাথে একটু ঠেলাঠেলি হলো আর মোবাইল টি কে জানি নিয়ে গেলো। পরে শুনি অনেকের মোবাইল নেই।পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি মাছুম শরীফ ভূঁইয়া জানান, আমার ওয়ার্ডের যুবদলের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ হাসান এর মোবাইল হারিয়ে যায়। নতুন অভিজ্ঞতা ফেলাম।

১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

শেরপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন

শেরপুরে অত্যন্ত আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে জেলা শিক্ষা অফিসের আয়োজনে জেলা পর্যায়ে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা)-২০২৬ এর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।শনিবার ১৬ মে সকাল ১১ টায় শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি স্টেডিয়ামে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন করেন শেরপুর-১  আসনের সংসদ সদস্য হাফেজ মোঃ রাশেদুল ইসলাম রাশেদ।উক্ত ​অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ মিজানুর রহমান ভূঁঞা । অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শেরপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সাইফুল ইসলাম কমল।  উদ্বোধনী পর্ব শেষে মাঠের লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয় ঝিনাইগাতির উপজেলার চ্যাম্পিয়ন হাতিবান্ধা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দল বনাম নকলার উপজেলার চ্যাম্পিয়ন বাছুর আগলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দল।  এ সময় প্রধান অতিথি ও অন্যান্য বিশেষ অতিথিবৃন্দ গ্যালারিতে বসে ক্ষুদে ফুটবলারদের চমৎকার ক্রীড়া নৈপুণ্য উপভোগ করেন এবং তাদের করতালি দিয়ে উৎসাহিত করেন। ​টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে স্টেডিয়ামে স্থানীয় ক্রীড়ামোদী দর্শক, বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীগণ উপস্থিত ছিলেন।

২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ৭ জানুয়ারি, এইচএসসি ৬ জুন

২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ৭ জানুয়ারি, এইচএসসি ৬ জুন

২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ৭ জানুয়ারি এবং এইচএসসি ও সমমানেন পরীক্ষা ৬ জুন শুরু হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকেলে সচিবালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা জানুয়ারিতে নেওয়া হচ্ছে। এতে করে সেশন গ্যাপ কমে আসছে। এরা যখন এইচএসসি পরীক্ষা দেবে, তখন ডিসেম্বরেই এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া যাবে। কোনো গ্যাপ থাকবে না। সেজন্য আমরা বলছি, আর মাত্র দুই বছর পরই এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরে নিতে পারবো। তখন কারও আপত্তি থাকবে না।এদিকে শিক্ষা মন্ত্রীর এই ঘোষণার পরপরই দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড ২০২৭ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তাবিত বিস্তারিত সময়সূচি প্রকাশ করেছে।রুটিন অনুযায়ী, ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা ৭ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার বাংলা প্রথম পত্রের মাধ্যমে শুরু হবে। এরপর ৯ জানুয়ারি বাংলা দ্বিতীয় পত্র, ১১ ও ১৩ জানুয়ারি ইংরেজি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র এবং ১৬ জানুয়ারি গণিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের বিভিন্ন বিষয়ের তত্ত্বীয় পরীক্ষাগুলো শেষ হবে ৬ ফেব্রুয়ারি। আর তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষে ১১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সব বিষয়ের ব্যবহারিক পরীক্ষা সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বোর্ড জানিয়েছে, মোট ৩৩টি পত্রে এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে এবং পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে ১৫ দিন সময় প্রয়োজন হবে।অন্যদিকে, প্রস্তাবিত রুটিন অনুযায়ী উচ্চমাধ্যমিক বা এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হবে ৬ জুন (রোববার) থেকে। প্রথম দিন সকালে বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে ৮ জুন বাংলা দ্বিতীয় পত্র, ১০ জুন ইংরেজি প্রথম পত্র এবং ১২ জুন ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ১৪ জুন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি পরীক্ষা শেষে বিজ্ঞান ও অন্যান্য বিভাগের বিভাগীয় বিষয়গুলোর পরীক্ষা শুরু হবে। ১৩ জুলাই সমাজবিজ্ঞান ও সমাজকর্ম দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষার মাধ্যমে তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর ১৮ জুলাইয়ের মধ্যে সব বিষয়ের ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করে অনলাইনে নম্বর এন্ট্রি করার নির্দেশ দিয়েছে বোর্ডগুলো। এইচএসসিতে মোট ৭৭টি পত্রের পরীক্ষা সম্পন্ন করতে ২১ দিন সময় লাগবে বলে জানানো হয়েছে।

মুগদায় ফুলের হাসি স্কুলের উদ্বোধন

“যার নাই শিক্ষা, তার নাই রক্ষা”এই স্লোগানে / মুগদায় ফুলের হাসি স্কুলের উদ্বোধন

রাজধানীর মুগদায় জে.এস গ্রামার হাইস্কুল প্রাঙ্গণে উৎসবমুখর পরিবেশ ও জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদ্বোধন করা হয়,সুবিধাবঞ্চিত ও বয়স্ক মানুষদের জন্য ব্যতিক্রমধর্মী শিক্ষা কার্যক্রম “ফুলের হাসি স্কুল”-এর দ্বিতীয় শাখা। একই সঙ্গে মানবিক সংগঠন “সুফিয়া খাতুন ফাউন্ডেশন”-এর কার্যক্রমেরও শুভ সূচনা করা হয়।“যার নাই শিক্ষা, তার নাই রক্ষা সৎ পথে চলবো, সুন্দর জীবন গড়বো” স্লোগানকে সামনে তসলিম হাসান হৃদয়ের সঞ্চালনায় । অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও ফুলের হাসি স্কুলের উপদেষ্টা রবি চৌধুরী।প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন অর্থনীতিবিদ এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কার্যালয়ের সাবেক পলিটিকাল উইং কর্মকর্তা ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি মোঃ মনিরুজ্জামান (মনির) মাতুব্বর।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্যাপ্টেন মহসিন আলম, মহিউদ্দিন আমিন, সংগীতশিল্পী ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর আকাশ ইসলাম, রাব্বি গ্রুপের ন্যাশনাল সেলস ম্যানেজার মোঃ শওকতুজ্জামান খান, বাংলাদেশের অন্যতম সর্বোচ্চ সংখ্যক রক্তাদাতা রক্তদাতা ও সমাজকর্মী জাভেদ নাছিম, জে.এস গ্রামার হাইস্কুলের চেয়ারম্যান মোঃ শামসুজ্জাহান, অ্যাডভোকেট তানভীর হোসেন খান, সিড ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক আরিফুল ইসলাম, হোপ অ্যালায়েন্স অব বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জনাব কামরুল হাসান মেহেদি সহ, বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও মানবিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা।প্রধান অতিথির বক্তব্যে রবি চৌধুরী বলেন,“শিক্ষাই মানুষের জীবনের সবচেয়ে বড় শক্তি। সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ও অবহেলিত মানুষদের জন্য ‘ফুলের হাসি স্কুল’ যে মানবিক ও ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, তা সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক। শুধু শিক্ষা নয়, মানুষকে স্বপ্ন দেখানো এবং আত্মমর্যাদার সঙ্গে বাঁচতে শেখানোই এই প্রতিষ্ঠানের সবচেয়ে বড় সাফল্য।”সভাপতির বক্তব্যে মারুফ সিকদার বলেন,“মানবতার কল্যাণে ফুলের হাসি স্কুলের পাশে সবসময় থাকবে সুফিয়া খাতুন ফাউন্ডেশন। শিক্ষা ও মানবিক উন্নয়নে আমরা একসঙ্গে কাজ করে যেতে চাই।”ফুলের হাসি ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান তসলিম হাসান হৃদয় বলেন,“ফুলের হাসি স্কুল দেশের একমাত্র ব্যতিক্রমধর্মী শিক্ষা কার্যক্রম, যেখানে শিক্ষার বিনিময়ে খাদ্য প্রদান করা হয়। আমরা বিশ্বাস করি, শিক্ষা মানুষের আত্মমর্যাদা ও বেঁচে থাকার শক্তি জোগায়। চট্টগ্রামের পাশাপাশি ঢাকাতেও এই মানবিক কার্যক্রম বিস্তৃত করতে চাই।”অনুষ্ঠানে মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে বিশেষ অবদানের জন্য সিড ফাউন্ডেশন, হোপ অ্যালায়েন্স অব বাংলাদেশ, পথের ইশকুল, শুভ চন্দ্র লাল সবুজের পতাকা স্কুল এবং Nobody To Somebody-কে সম্মাননা প্রদান করা হয়।এছাড়াও শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য জে.এস গ্রামার হাইস্কুল, সমাজসেবা ও রক্তদানে বিশেষ ভূমিকার জন্য জাভেদ নাছিম এবং লেখালেখি ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে অবদানের জন্য মিজানুর রহমানকে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।

রাণীনগরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু

রাণীনগরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু

নওগাঁর রানীনগর উপজেলার মাস্টার পাড়া এলাকায় রাস্তার পাশে পড়ে থাকা এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করে রানীনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালে এই ঘটনাটি ঘটে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে ওই ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ সকাল আনুমান ৬:৩০ মিনিট  মাস্টার পাড়া এলাকায় এক ব্যক্তিকে রাস্তার পাশে পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক মনে হওয়ায় এলাকাবাসী দ্রুত তাকে উদ্ধার করে রানীনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগে ভর্তির কিছুক্ষণ পর পুষষ ওয়ার্ডে দেয়া হয় , চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০:১৫ মিনিটে  তার মৃত্যু হয়।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ওই ব্যক্তিকে যখন আনা হয়েছিল তখন তিনি অত্যন্ত দুর্বল ও অচেতন ছিলেন। প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হলেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। খবর পেয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ হাসপাতাল পরিদর্শন করেছে এবং মরদেহটি বর্তমানে পুলিশি হেফাজতে রয়েছে।এলাকার বাসিন্দারা জানান, মৃত ব্যক্তিকে তারা আগে কখনো এই এলাকায় দেখেননি। তার পরনে ছিল পাঞ্জাবী ও লুঙ্গি সাথে কোনো পরিচয়পত্র পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি বাইরে থেকে এই এলাকায় এসেছিলেন অথবা পথচারী ছিলেন।রানীনগর থানার পুলিশ জানিয়েছে, ওই ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করার জন্য আশপাশের থানাগুলোতে সংবাদ পাঠানো হয়েছে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তথ্য প্রচার করা হচ্ছে।

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

চোখের স্ট্রোকের জন্য কি হাইপারটেনশন দায়ী?চোখের চিকিৎসক ডা. সুমন মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘হাইপারটেনশনের কারণে চোখের একাধিক ক্ষতি হতে পারে।’ উচ্চ রক্তচাপে চোখের রেটিনার শিরায় ব্লকেজ তৈরি হয়। এর ফলে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। এই অবস্থাকে ‘সেন্টাল রেটিনাল ভেইন অকুলেশন’ বলা হয়। এটি শিরার পাশাপাশি ধমনীতেও হতে পারে বলে জানিয়েছেন ডা. মুখোপাধ্যায়। আসলে চলতি ভাষায় এই অবস্থাকেই চোখের স্ট্রোক বলা হয়।সিআরভিও-এ কি দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারেন?সিআরভিও-এর একাধিক উপসর্গ রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে কমন হলো- হঠাৎ করে একটা চোখের দৃষ্টি কমে যাওয়া। এছাড়া চোখে রক্তপাত হলে চোখের ভিতর কালো ঝুলের মতো অংশ দেখা যায়।‘সিআরভিও-এর চিকিৎসা হলো ইনজেকশন বা রেটিনাল লেজার’ বলেন ডা. মুখোপাধ্যায়। সিআরভিও হলে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া, ঝাপসা দৃষ্টি এবং দৃষ্টিশক্তি হারানোর মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কতটা ক্ষতিকর?ডা. মুখোপাধ্যায়ের সংযোজন, ‘প্রেশার খুব বেশি থাকলে চোখের ভিতর যে অপটিক নার্ভ থাকে, তারও মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।’ এই অবস্থায় চোখে রক্তপাতও হতে পারে। একে চিকিৎসার ভাষায় হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি বলা হয়।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কি গর্ভবতীদেরও হয়?হাইপারটেনশনে ভয় রয়েছে অন্তঃসত্ত্বা নারীদেরও। অনেক সময় গর্ভাবস্থায় হবু মায়ের ব্লাড প্রেশার অত্যধিক বেড়ে যায়। যাকে বলে প্রেগন্যান্সি হাইপারটেনশন বা ‘একলাম্পসিয়া’। এই অবস্থা তৈরি হলে মস্তিষ্কে রক্তপাত হয়। এই পর্যায়ে পৌঁছনোর ঠিক আগে চোখের উপর প্রভাব পড়ে। দৃষ্টিশক্তি কমে আসে। এই লক্ষণ দেখে বোঝা যায় যে, ‘একলাম্পসিয়া’ খারাপ দিকে এগোচ্ছে ‘অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার কন্ট্রোলে রাখা দরকার কেন?এছাড়া অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার বারবার যাচাই করা দরকার। অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ থাকা অবস্থায় অস্ত্রোপচার করলে চোখে রক্তপাত হতে পারে এবং চোখ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

রক্তচাপ কতটা বেড়ে গেলে হার্টঅ্যাটাক হতে পারে

রক্তচাপ কতটা বেড়ে গেলে হার্টঅ্যাটাক হতে পারে

প্রথমত, উচ্চ রক্তচাপ কখন হয় এবং এটি আসলে কী তা বোঝা গুরুত্বপূর্ণ। সহজ কথায়, এটি এমন একটি স্বাস্থ্যগত অবস্থা যেখানে রক্ত পাম্প করার জন্য হৃদপিণ্ডকে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি চাপ প্রয়োগ করতে হয়। এর ফলে, শিরাগুলির উপর চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়, যার কারণে তাদের দেয়াল ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করে। গুরুতর ক্ষেত্রে, শিরা ফেটে যেতে পারে, যা মারাত্মক হতে পারে।উচ্চ রক্তচাপের পরিসীমা কতযদি শরীরের রক্তচাপের পরিসীমা ১২০/৮০ মিমি এইচজি হয় তবে তাকে স্বাভাবিক রক্তচাপ বলা হয়। কিন্তু যখন এই পরিসীমা সিস্টোলিক ১৩০/১৩৯ এবং ডায়াস্টোলিক ৮০ থেকে ৯০ মিমি এইচজি-র মধ্যে পড়ে, তখন তাকে উচ্চ রক্তচাপের অবস্থা বলা হয়।রক্তচাপের কোন স্তরটি হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়বিশেষজ্ঞদের মতে, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যাও হার্টঅ্যাটাকের জন্য অনেকাংশে দায়ী। পরিসরের কথা বলতে গেলে, যদি রক্তচাপ ১৪০/৯০ মিমিএইচজি-র উপরে পৌঁছায়, তাহলে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে, আপনার অবিলম্বে আপনার ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা উচিত যাতে অবস্থা গুরুতর না হয়।দৃশ্যমান লক্ষণগুলি কী কীরক্তচাপের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো এটি কোনও গুরুতর লক্ষণ দেখায় না। এজন্যই একে 'নীরব ঘাতক' বলা হয়। তবে, কিছু ক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তি তীব্র মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, চোখ লাল হওয়া, বুকে ব্যথা, নাক দিয়ে রক্তপাত এবং বমি বমি ভাব অনুভব করতে পারেন। অতএব, যদি আপনার রক্তচাপের সমস্যা থাকে, তাহলে নিয়মিত আপনার রিডিং পরীক্ষা করে দেখুন এবং গুরুতর অবস্থার ক্ষেত্রে, অবিলম্বে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন।

রক্তচাপ কতটা বেড়ে গেলে হার্টঅ্যাটাক হতে পারে

রক্তচাপ কতটা বেড়ে গেলে হার্টঅ্যাটাক হতে পারে

প্রথমত, উচ্চ রক্তচাপ কখন হয় এবং এটি আসলে কী তা বোঝা গুরুত্বপূর্ণ। সহজ কথায়, এটি এমন একটি স্বাস্থ্যগত অবস্থা যেখানে রক্ত পাম্প করার জন্য হৃদপিণ্ডকে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি চাপ প্রয়োগ করতে হয়। এর ফলে, শিরাগুলির উপর চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়, যার কারণে তাদের দেয়াল ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করে। গুরুতর ক্ষেত্রে, শিরা ফেটে যেতে পারে, যা মারাত্মক হতে পারে।উচ্চ রক্তচাপের পরিসীমা কতযদি শরীরের রক্তচাপের পরিসীমা ১২০/৮০ মিমি এইচজি হয় তবে তাকে স্বাভাবিক রক্তচাপ বলা হয়। কিন্তু যখন এই পরিসীমা সিস্টোলিক ১৩০/১৩৯ এবং ডায়াস্টোলিক ৮০ থেকে ৯০ মিমি এইচজি-র মধ্যে পড়ে, তখন তাকে উচ্চ রক্তচাপের অবস্থা বলা হয়।রক্তচাপের কোন স্তরটি হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়বিশেষজ্ঞদের মতে, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যাও হার্টঅ্যাটাকের জন্য অনেকাংশে দায়ী। পরিসরের কথা বলতে গেলে, যদি রক্তচাপ ১৪০/৯০ মিমিএইচজি-র উপরে পৌঁছায়, তাহলে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে, আপনার অবিলম্বে আপনার ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা উচিত যাতে অবস্থা গুরুতর না হয়।দৃশ্যমান লক্ষণগুলি কী কীরক্তচাপের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো এটি কোনও গুরুতর লক্ষণ দেখায় না। এজন্যই একে 'নীরব ঘাতক' বলা হয়। তবে, কিছু ক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তি তীব্র মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, চোখ লাল হওয়া, বুকে ব্যথা, নাক দিয়ে রক্তপাত এবং বমি বমি ভাব অনুভব করতে পারেন। অতএব, যদি আপনার রক্তচাপের সমস্যা থাকে, তাহলে নিয়মিত আপনার রিডিং পরীক্ষা করে দেখুন এবং গুরুতর অবস্থার ক্ষেত্রে, অবিলম্বে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন।

রাণীনগরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু

রাণীনগরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু

নওগাঁর রানীনগর উপজেলার মাস্টার পাড়া এলাকায় রাস্তার পাশে পড়ে থাকা এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করে রানীনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালে এই ঘটনাটি ঘটে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে ওই ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ সকাল আনুমান ৬:৩০ মিনিট  মাস্টার পাড়া এলাকায় এক ব্যক্তিকে রাস্তার পাশে পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক মনে হওয়ায় এলাকাবাসী দ্রুত তাকে উদ্ধার করে রানীনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগে ভর্তির কিছুক্ষণ পর পুষষ ওয়ার্ডে দেয়া হয় , চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০:১৫ মিনিটে  তার মৃত্যু হয়।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ওই ব্যক্তিকে যখন আনা হয়েছিল তখন তিনি অত্যন্ত দুর্বল ও অচেতন ছিলেন। প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হলেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। খবর পেয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ হাসপাতাল পরিদর্শন করেছে এবং মরদেহটি বর্তমানে পুলিশি হেফাজতে রয়েছে।এলাকার বাসিন্দারা জানান, মৃত ব্যক্তিকে তারা আগে কখনো এই এলাকায় দেখেননি। তার পরনে ছিল পাঞ্জাবী ও লুঙ্গি সাথে কোনো পরিচয়পত্র পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি বাইরে থেকে এই এলাকায় এসেছিলেন অথবা পথচারী ছিলেন।রানীনগর থানার পুলিশ জানিয়েছে, ওই ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করার জন্য আশপাশের থানাগুলোতে সংবাদ পাঠানো হয়েছে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তথ্য প্রচার করা হচ্ছে।