মুক্তির লড়াই
সর্বশেষ

সিপিসির রাজনৈতিক মডেল নিয়ে বৈশ্বিক জরিপের ফল প্রকাশ

চীনা কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিসি) প্রতিষ্ঠার ১০৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে সম্প্রতি চায়না মিডিয়া গ্রুপ (সিএমজি)-র চায়না গ্লোবাল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক, বিশ্বজুড়ে ৪১টি দেশের উত্তরদাতাদের মধ্যে একটি জনমত জরিপ পরিচালনা করে, যেখানে ১১ হাজার ৫২১ জন উত্তরদাতা তাদের মতামত দেন।জরিপে অংশগ্রহণকারীরা বলছেন, চীনের নতুন ধরনের রাজনৈতিক দল ব্যবস্থা, উন্নততর রাজনৈতিক দলীয় মডেল অন্বেষণের জন্য, একটি চীনা সমাধান প্রদান করে। পশ্চিমা রাজনৈতিক দলীয় ব্যবস্থাগুলোর উন্মোচিত বিভিন্ন ত্রুটির তুলনায়, এর মূল সুবিধাগুলো আন্তর্জাতিক সমাজের কাছ থেকে ব্যাপক স্বীকৃতি লাভ করেছে।জরিপকৃত ৪১টি দেশের মধ্যে ৩০টি দেশের উত্তরদাতারা মনে করেন যে, পশ্চিমা রাজনৈতিক দলগুলোর তুলনায় সিপিসি জনগণের ব্যাপকতম অংশের মৌলিক স্বার্থের প্রতিনিধিত্ব করে, দেশের সামগ্রিক ও দীর্ঘমেয়াদী স্বার্থ নিশ্চিত করার জন্য অধিক সহায়ক। অংশগ্রহণকারী উত্তরদাতাদের ৬১.৩ শতাংশ মনে করেন, পশ্চিমা রাজনৈতিক দলগুলো কেবল ভোটারদের একটি অংশের স্বার্থের প্রতিনিধিত্ব করে, যা সহজেই স্বল্পমেয়াদী নীতি এবং সামাজিক বিভাজনের জন্ম দিতে পারে। ভারত, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং নাইজেরিয়ার উত্তরদাতাদের মধ্যে এই বিষয়ে একমত হওয়ার হার ছিল ৭০ শতাংশের বেশি। উন্নত দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের যথাক্রমে ৬২.৫ ও ৬১.৫ শতাংশ উত্তরদাতাও এ ব্যাপারে একমত পোষণ করেন। অংশগ্রহণকারী উত্তরদাতাদের ৫৮.৫ শতাংশ মনে করেন যে, ঘন ঘন অভ্যন্তরীণ বিভাজনে জর্জরিত পশ্চিমা রাজনৈতিক দলগুলোর তুলনায়, সিপিসির নেতৃত্বে বহুদলীয় সহযোগিতা ও রাজনৈতিক পরামর্শ ব্যবস্থা, জাতীয় নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের জন্য অধিক সহায়ক এবং জাতীয় শাসন ও জনস্বার্থের জন্য অধিকতর উপকারী। বড় ধরনের জরুরি অবস্থা মোকাবিলার ক্ষেত্রে, বিশ্বব্যাপী উত্তরদাতাদের ৪৩.৫ শতাংশ মনে করেন, সিপিসি’র পক্ষে ঐকমত্যে পৌঁছানো এবং সমন্বিত প্রচেষ্টা চালানো অধিকতর সহজ। উল্লেখ্য, সিজিটিএন এবং রেনমিন ইউনিভার্সিটি অফ চায়না-র নতুন যুগে আন্তর্জাতিক প্রচার গবেষণালয়ের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত জরিপটি, বিশ্বজুড়ে ৪১টি দেশের ১১ হাজার উত্তরদাতার মতামত তুলে ধরেছে। জরিপটি প্রধান উন্নত দেশ এবং ‘গ্লোবাল সাউথ’ দেশগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করেছিল, যেখানে উত্তরদাতারা ছিলেন ১৮ বছর বা আরো বেশি বয়সী সাধারণ নাগরিক।সূত্র:ছাই-আলিম-ওয়াং হাইমান,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

দুর্যোগ প্রস্তুতি জোরদারে সি চিন পিংয়ের নির্দেশ

চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং, গত (মঙ্গলবার) বেইজিংয়ে, চীনা কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিসি)-র বন্যা নিয়ন্ত্রণ এবং খরা ত্রাণ কার্যক্রমসংশ্লিষ্ট এক সভায় সভাপতিত্ব করেন।সম্মেলনে জানানো হয়, চলতি বছর প্রধান বর্ষা মৌসুমে চীনে আরও চরম আবহাওয়া ও জলবায়ুগত ঘটনা ঘটবে, যেখানে খরা ও বন্যা উভয়ই প্রকট থাকবে। সকল অঞ্চল ও সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে বন্যা প্রতিরোধ, খরা ত্রাণ এবং দুর্যোগ ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সম্মেলনে জোর দিয়ে বলা হয়, সর্বদা জনগণের জীবনের নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে; পর্যবেক্ষণ ও পূর্বাভাসের নির্ভুলতা বাড়াতে হবে; দ্রুত ও দৃঢ়তার সাথে জনগণকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে; ব্যাপক প্রাণহানি কঠোরভাবে প্রতিরোধ করতে হবে; পানি সম্পদের সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও বণ্টন জোরদার করতে হবে; এবং কৃষি অবকাঠামো সুরক্ষাব্যবস্থা জোরদার করতে হবে।সম্মেলনে বলা হয়, আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সাথে দুর্যোগ ত্রাণ ও সহায়তার কাজ ভালোভাবে করতে হবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মৌলিক জীবনধারণের চাহিদা কার্যকরভাবে নিশ্চিত করতে হবে।পাশাপাশি, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও খরা ত্রাণের দায়িত্ব ব্যবস্থা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে; রাজ্য বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও খরা ত্রাণ সদর দপ্তরকে সার্বিক সমন্বয় ও পরিচালনা জোরদার করতে হবে; সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করতে হবে; তৃণমূল স্তরের দলীয় সংগঠন এবং বিপুলসংখ্যক দলীয় সদস্য ও কর্মীকে জনগণের জীবন ও সম্পত্তি কার্যকরভাবে রক্ষা করতে হবে এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে হবে।সূত্র:ছাই-আলিম-ওয়াং হাইমান,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

দুর্যোগ প্রস্তুতি জোরদারে সি চিন পিংয়ের নির্দেশ

জনগণের আস্থাই সিপিসির শক্তির উৎস: সি চিন পিং

"পরিবার, মানুষ ও কর্মজীবনের সমৃদ্ধি হোক; ভাগ্য, সম্পদ ও সৌভাগ্যের প্রসার হোক" গত ২৪ জুন, সিপিসি’র কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক, চীনের প্রেসিডেন্ট এবং কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের চেয়ারম্যান সি চিন পিং শানতুং প্রদেশের সি ইউ চিয়া গ্রাম পরিদর্শন করেছেন। গ্রামটির বাসিন্দাদের বাড়ির দরজার দু'পাশে লাগানো বসন্ত উৎসবের শ্লোক-এ লেখা ছিল—"পরিবার, মানুষ ও কর্মজীবনের সমৃদ্ধি হোক; ভাগ্য, সম্পদ ও সৌভাগ্যের প্রসার হোক।" চীনা ভাষায় লেখা এই বাক্যটি সাধারণ সম্পাদকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। তিনি বলেন, এটি হলো "জনগণের মনের সুন্দর প্রত্যাশা"।তিনি সবাইকে বলেন, গত ১০৫ বছরে সিপিসি দেশের আপামর জনগণকে নেতৃত্ব দিয়ে আসছে এবং সবার নিরলস প্রচেষ্টায় মহান সাফল্য অর্জিত হয়েছে বা হচ্ছে। বর্তমানে আমরা সার্বিকভাবে একটি সমাজতান্ত্রিক আধুনিক দেশ নির্মাণের নতুন অগ্রযাত্রায় দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছি। আমাদের উচিত ঐক্যবদ্ধভাবে এই নতুন অগ্রযাত্রায় সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া, আরও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ সৃষ্টি করা এবং সুন্দর জীবনের প্রতি জনগণের মনের আকাঙ্ক্ষা অব্যাহতভাবে পূরণ করা।তিনি আরও জানান, সিপিসি জনগণ থেকে এসেছে এবং জনগণের জন্যই এর জন্ম হয়েছে। জনগণের কারণেই সিপিসি সমৃদ্ধি লাভ করেছে, সিপিসি সবসময় জনগণের সাথে রয়েছে, জনগণের সাথে একযোগে সব কঠিন সময় অতিক্রম করেছে এবং জনগণের সাথে একযোগে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। অতীতের পথচলায় সিপিসি যেমন জনগণের ওপর নির্ভর করে কাজ করে এসেছে, ভবিষ্যতেও আগের মতোই জনগণের ওপর নির্ভর করে সিপিসি নতুন ঐতিহাসিক সাফল্য সৃষ্টি করবে।মন দিয়ে গণকল্যাণ বৃদ্ধিতে কাজ করা২০১৭ সালের অক্টোবরে, সাধারণ সম্পাদক সি চিন পিং গোটা পার্টিকে "প্রাথমিক লক্ষ্য কখনো ভুলে যেও না, মিশন মনে রাখো এবং চিরকাল সংগ্রাম করো"—এই মহান দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।সিপিসি সদস্যদের প্রাথমিক লক্ষ্য ও মিশন হচ্ছে চীনা জনগণের সুখ ও চীনা জাতির পুনরুজ্জীবন বাস্তবায়ন করা। জন্মের পর থেকে সিপিসি ‘জনগণ’ শব্দটিকে তাদের পতাকায় লিখে রেখেছে এবং নিজেদের রক্তে মিশিয়ে নিয়েছে।সাধারণ সম্পাদক সি চিন পিং জোর দিয়ে জানান, কোনো সময়েই আমরা আমাদের প্রাথমিক লক্ষ্য ভুলে যেতে পারব না, সবসময় মিশনটিকে মনে রাখতে হবে। জনগণই যে আমাদের মূল শেকড়, তা ভুলে যাওয়া চলবে না; চিরকাল জনগণকে সেবা প্রদান করতে হবে। সমৃদ্ধির স্বপ্ন, শক্তিশালী দেশের স্বপ্ন এবং চীনা স্বপ্ন—এসবের মূল বিষয়ই হচ্ছে জনসাধারণের সুখের স্বপ্ন। সিপিসি যেসব প্রচেষ্টা চালিয়েছে বা চালাবে, তার সবকিছুর উদ্দেশ্য হলো জনগণের সুখ অন্বেষণ করা।নতুন যুগে, কমরেড সি চিন পিংকে কেন্দ্র করে গঠিত সিপিসির কেন্দ্রীয় কমিটি সুন্দর জীবনের প্রতি জনগণের নতুন প্রত্যাশা বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে। তারা গণকল্যাণ উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে এবং মানুষের সার্বিক উন্নয়ন ও গোটা জনগণের অভিন্ন সমৃদ্ধি বাস্তবায়নে কাজ করে আসছে। কর্মসংস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, শিশু যত্ন, বয়স্কদের যত্ন, আবাসন এবং পরিবেশসহ জনসাধারণের প্রাত্যহিক জীবন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোকে দেশের উন্নয়নের শীর্ষ পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে জনগণের সুখ ও স্বাচ্ছন্দ্য অব্যাহতভাবে উন্নত হচ্ছে।সি চিন পিং জানান, "আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে জনসাধারণের আরও সুন্দর জীবনের প্রত্যাশা পূরণ করা।" জনগণের প্রতি ভালোবাসা পোষণ করা, জনগণকে মনে রাখা এবং জনগণের জন্য কাজ করার মাধ্যমে নতুন যুগে সিপিসি’র সদস্যরা গণকল্যাণ বৃদ্ধিতে বাস্তব পদক্ষেপ নিচ্ছেন। এর মধ্য দিয়ে জনগণের প্রতি তাদের গভীর ভালোবাসা ফুটে উঠেছে।সূত্র:আকাশ-তৌহিদ-শিশির,চায়না মিডিয়া গ্রুপ

জনগণের আস্থাই সিপিসির শক্তির উৎস: সি চিন পিং
সংসদ ভিজিটে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছায় উচ্ছ্বসিত মনোহরগঞ্জের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা

সংসদ ভিজিটে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছায় উচ্ছ্বসিত মনোহরগঞ্জের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা

কুমিল্লা জেলার মনোহরগঞ্জ উপজেলার চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৬৫ জন শিক্ষার্থী ও ৪ জন শিক্ষক আজ (রবিবার) প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের গণতন্ত্রের প্রাণকেন্দ্র জাতীয় সংসদ ভবন পরিদর্শনের সুযোগ লাভ করেন। জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের ভিজিট শাখার উদ্যোগে আয়োজিত এ শিক্ষা সফর প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য এক স্মরণীয়, অনুপ্রেরণাদায়ী ও স্বপ্নপূরণের অভিজ্ঞতায় পরিণত হয়।সফরের অন্যতম আকর্ষণ ছিল সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা বিনিময়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আন্তরিকভাবে কথা বলেন এবং লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও সৃজনশীল চর্চার প্রতি সমান গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি নিজ হাতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সেলফি তোলেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এ স্মরণীয় মুহূর্ত ধারণ করতে পেরে শিক্ষার্থীরা উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠে এবং এটিকে তাদের সংসদ ভিজিটের অন্যতম সেরা প্রাপ্তি হিসেবে উল্লেখ করে।পরিদর্শনকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—মনোহরগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, নীলকান্ত সরকারি কলেজ, নাথেরপেটুয়া ডিগ্রি কলেজ এবং শাহ শরীফ ডিগ্রি কলেজ।জাতীয় সংসদ ভবনে পৌঁছে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা প্রথমে এলডি হল পরিদর্শন করেন। এরপর বিশ্বখ্যাত স্থপতি লুই আই কানের নকশায় নির্মিত সংসদ ভবনের নান্দনিক স্থাপত্য ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ঘুরে দেখেন। পরিদর্শনের অংশ হিসেবে তারা চলমান বাজেট অধিবেশন সরাসরি উপভোগ করেন। পাশাপাশি সংসদের উত্তর ও দক্ষিণ প্লাজা, মনোরম ক্রিসেন্ট লেক, অধিবেশন কক্ষ এবং সমৃদ্ধ সংসদ গ্রন্থাগার (লাইব্রেরি) পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা মনোহরগঞ্জের কৃতী সন্তান, জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মোঃ গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়ার সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও ফটোসেশনে অংশগ্রহণ করেন।সংসদ ভবনে আয়োজিত ব্রিফিং সেশনে জাতীয় সংসদ ভবনের ইতিহাস, স্থাপত্যশৈলী ও সংসদীয় কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা লাভ করে শিক্ষার্থীরা গভীর আগ্রহ ও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে।পরিদর্শনের অংশ হিসেবে জাতীয় সংসদ ভবনে আয়োজিত "শুভেচ্ছা বিনিময়" অনুষ্ঠানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় সংসদ সদস্য মোঃ আবুল কালাম, এমপি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মোঃ গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া।অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, জাতীয় সংসদ ভবন কেবল একটি স্থাপত্য নিদর্শন নয়; এটি বাংলাদেশের গণতন্ত্র, সাংবিধানিক মূল্যবোধ এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। নতুন প্রজন্মকে রাষ্ট্র পরিচালনা, সংসদীয় গণতন্ত্র ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে বাস্তবভিত্তিক ধারণা দিতে এ ধরনের শিক্ষা সফরের গুরুত্ব অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। একই সঙ্গে তারা শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেম, সততা, নৈতিকতা ও নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জনের আহ্বান জানান।সফরের অংশ হিসেবে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাফেটেরিয়ায় মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন।অনেক শিক্ষার্থী জানান, এতদিন তারা জাতীয় সংসদ ভবন সম্পর্কে শুধু পাঠ্যপুস্তক, সংবাদমাধ্যম ও টেলিভিশনের মাধ্যমে জেনেছেন; বাস্তবে সংসদ ভবনে এসে ঘুরে দেখার সুযোগ তাদের কাছে আজীবন মনে রাখার মতো এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা। প্রত্যন্ত গ্রামের সাধারণ পরিবারের সন্তানদের জন্য এই সফর ভবিষ্যৎ জীবনে দেশ ও রাষ্ট্র সম্পর্কে জানার আগ্রহ বৃদ্ধি করবে এবং বড় স্বপ্ন দেখার অনুপ্রেরণা জোগাবে।বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে সফররত শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দ এবং বিভিন্ন সংসদ সদস্যকে সরাসরি দেখার বিরল সুযোগ পান। প্রতিনিধি দলের ভাষ্য অনুযায়ী, মনোহরগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, নীলকান্ত সরকারি কলেজ, নাথেরপেটুয়া ডিগ্রি কলেজ এবং শাহ শরীফ ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থীদের জীবনের অন্যতম স্মরণীয় ও ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতা হয়ে থাকবে এই শিক্ষা সফর।পরিদর্শন শেষে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা জাতীয় সংসদ সচিবালয় এবং সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতেও দেশের বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য এ ধরনের শিক্ষামূলক ও রাষ্ট্রপরিচয়মূলক কর্মসূচি নিয়মিত আয়োজনের আহ্বান জানান।

সিপিসির রাজনৈতিক মডেল নিয়ে বৈশ্বিক জরিপের ফল প্রকাশ

চীনা কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিসি) প্রতিষ্ঠার ১০৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে সম্প্রতি চায়না মিডিয়া গ্রুপ (সিএমজি)-র চায়না গ্লোবাল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক, বিশ্বজুড়ে ৪১টি দেশের উত্তরদাতাদের মধ্যে একটি জনমত জরিপ পরিচালনা করে, যেখানে ১১ হাজার ৫২১ জন উত্তরদাতা তাদের মতামত দেন।জরিপে অংশগ্রহণকারীরা বলছেন, চীনের নতুন ধরনের রাজনৈতিক দল ব্যবস্থা, উন্নততর রাজনৈতিক দলীয় মডেল অন্বেষণের জন্য, একটি চীনা সমাধান প্রদান করে। পশ্চিমা রাজনৈতিক দলীয় ব্যবস্থাগুলোর উন্মোচিত বিভিন্ন ত্রুটির তুলনায়, এর মূল সুবিধাগুলো আন্তর্জাতিক সমাজের কাছ থেকে ব্যাপক স্বীকৃতি লাভ করেছে।জরিপকৃত ৪১টি দেশের মধ্যে ৩০টি দেশের উত্তরদাতারা মনে করেন যে, পশ্চিমা রাজনৈতিক দলগুলোর তুলনায় সিপিসি জনগণের ব্যাপকতম অংশের মৌলিক স্বার্থের প্রতিনিধিত্ব করে, দেশের সামগ্রিক ও দীর্ঘমেয়াদী স্বার্থ নিশ্চিত করার জন্য অধিক সহায়ক। অংশগ্রহণকারী উত্তরদাতাদের ৬১.৩ শতাংশ মনে করেন, পশ্চিমা রাজনৈতিক দলগুলো কেবল ভোটারদের একটি অংশের স্বার্থের প্রতিনিধিত্ব করে, যা সহজেই স্বল্পমেয়াদী নীতি এবং সামাজিক বিভাজনের জন্ম দিতে পারে। ভারত, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং নাইজেরিয়ার উত্তরদাতাদের মধ্যে এই বিষয়ে একমত হওয়ার হার ছিল ৭০ শতাংশের বেশি। উন্নত দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের যথাক্রমে ৬২.৫ ও ৬১.৫ শতাংশ উত্তরদাতাও এ ব্যাপারে একমত পোষণ করেন। অংশগ্রহণকারী উত্তরদাতাদের ৫৮.৫ শতাংশ মনে করেন যে, ঘন ঘন অভ্যন্তরীণ বিভাজনে জর্জরিত পশ্চিমা রাজনৈতিক দলগুলোর তুলনায়, সিপিসির নেতৃত্বে বহুদলীয় সহযোগিতা ও রাজনৈতিক পরামর্শ ব্যবস্থা, জাতীয় নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের জন্য অধিক সহায়ক এবং জাতীয় শাসন ও জনস্বার্থের জন্য অধিকতর উপকারী। বড় ধরনের জরুরি অবস্থা মোকাবিলার ক্ষেত্রে, বিশ্বব্যাপী উত্তরদাতাদের ৪৩.৫ শতাংশ মনে করেন, সিপিসি’র পক্ষে ঐকমত্যে পৌঁছানো এবং সমন্বিত প্রচেষ্টা চালানো অধিকতর সহজ। উল্লেখ্য, সিজিটিএন এবং রেনমিন ইউনিভার্সিটি অফ চায়না-র নতুন যুগে আন্তর্জাতিক প্রচার গবেষণালয়ের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত জরিপটি, বিশ্বজুড়ে ৪১টি দেশের ১১ হাজার উত্তরদাতার মতামত তুলে ধরেছে। জরিপটি প্রধান উন্নত দেশ এবং ‘গ্লোবাল সাউথ’ দেশগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করেছিল, যেখানে উত্তরদাতারা ছিলেন ১৮ বছর বা আরো বেশি বয়সী সাধারণ নাগরিক।সূত্র:ছাই-আলিম-ওয়াং হাইমান,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে: নাজমুন নাহার বেবী

​২০২৫-২৬ অর্থবছরের খরিপ-২ মৌসুমের কৃষি পুনর্বাসন ও প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় চাঁদপুরের কচুয়ায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে রোপা আমন বীজ, সার ও ফলজ চারা বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া কুমিল্লা অঞ্চলে টেকসই কৃষি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় ৮৬ জন কৃষকের মাঝে আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ করা হয়।​শুক্রবার (২৬ জুন) দুপুরে কচুয়া উপজেলা কৃষি অফিস প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বিএনপি'র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও কেন্দ্রীয় মহিলা দলের সহ-সভাপতি নাজমুন নাহার বেবী। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, বর্তমান সরকার কৃষকবান্ধব সরকার। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ও কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এই প্রণোদনা প্রকৃত কৃষকদের মাঝে সঠিকভাবে পৌঁছে দেয়ার মাধ্যমেই কচুয়াসহ সারা দেশে কৃষিখাতে সমৃদ্ধি আসবে। তিনি আরও বলেন, কৃষি উপকরণের পাশাপাশি আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে উৎপাদন বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।​উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান রাসেলের সভাপতিত্বে ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তপু আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি খায়রুল আবেদীন স্বপন, সাধারণ সম্পাদক মাসুদ এলাহী সুবাস, কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুল ইসলাম।কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, কচুয়া উপজেলার মোট ১৩শ জন কৃষককে রোপা আমন ধানের বীজ, সার এবং বিভিন্ন প্রকার ফলজ ও বনজ চারা বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি টেকসই কৃষি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় ৮৬ জন কৃষকের হাতে হ্যান্ড স্প্রে মেশিন, ফিতা পাইপ, এলএলপি, রাইস ট্রান্সপ্লান্টার (ধান কাটার যন্ত্র), ভুট্টা মাড়াই যন্ত্র, ফুট পাম্প ও ধান মাড়াই যন্ত্র তুলে দেওয়া হয়।​এ সময় উপস্থিত ছিলেন, কচুয়া উত্তর অঞ্চলের সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মিয়াজী, উপজেলা যুবদলের সভাপতি আব্দুস সালাম শান্ত, সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর নবী সুমন, ছাত্রদলের উপজেলা সাধারণ সম্পাদক সম্রাট রইসুদ্দিন চৌধুরী, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার পাটোয়ারীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় কৃষকরা।ছবি: কৃষকের মাঝে কৃষি উপকরণ বিতরন করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও কেন্দ্রীয় মহিলা দলের সহ-সভাপতি নাজমুন নাহার বেবী।

১২ জুন ২০২৬, ০৭:৩৬ পিএম
অর্থমন্ত্রী-গভর্নর
র‍্যাব-পুলিশ দিয়ে মূল্যবৃদ্ধি ঠেকানো যাবে না, বেতন বাড়লে কমবে দুর্নীতি। আপনি কি তাই মনে করেন?

অর্থমন্ত্রী-গভর্নর র‍্যাব-পুলিশ দিয়ে মূল্যবৃদ্ধি ঠেকানো যাবে না, বেতন বাড়লে কমবে দুর্নীতি। আপনি কি তাই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

সিলেটে বিশ্ব কাপ ফুটবল খেলা দেখাকে কেন্দ্র করে ভাইয়ের হাতে ভাই খুন

সিলেটের জকিগঞ্জে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখাকে কেন্দ্র করে কথাকাটাকাটির জেরে চাচাতো ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছেন আরেক ভাই। ঘটনার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে এবং হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করেছে। পরে পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট ওসমানী  মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। বুধবার (১লা জুলাই) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার খলাছড়া ইউনিয়নের লামারগ্রামে এ ঘটনা ঘটে।নিহত আলম আহমদ (২৮) লামারগ্রামের ওয়ারিছ আলীর ছেলে। তিনি পেশায় একজন রিকশাচালক ছিলেন। গ্রেফতারকৃত পারভেজ আহমদ (৩২) একই গ্রামের মোস্তকিন আলীর ছেলে এবং নিহতের চাচাতো ভাই।জকিগঞ্জ থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখার সময় চিৎকার করাকে কেন্দ্র করে পারভেজ আহমদ ও আলম আহমদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে পারভেজ আহমদ ছুরি দিয়ে আলমকে আঘাত করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় আলম আহমদকে উদ্ধার করে জকিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে  গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।ঘটনার খবর পেয়ে জকিগঞ্জ থানা পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে ঘাতক পারভেজ আহমদকে খলাছড়া ইউনিয়নের মাদারখাল গ্রামের নানাবাড়ি থেকে গ্রেফতার করে। এ সময় তার কাছ থেকে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ছুরিও উদ্ধার করা হয়।জকিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক বলেন, খেলা দেখার সময় চিৎকার করাকে কেন্দ্র করে দুই চাচাতো ভাইয়ের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এর জের ধরেই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত আলামত উদ্ধার করেছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

বুড়িচংয়ে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায়  প্রথম দিনে অনুপস্থিত ৬৯ জন

বুড়িচংয়ে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় প্রথম দিনে অনুপস্থিত ৬৯ জন

বৃহস্পতিবার  ২ জুলাই থেকে সারাদেশের ন্যায় কুমিল্লার শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা  অনুপস্থিত ৬৯ জন পরীক্ষার্থী।  প্রথম দিনের পরীক্ষায় উপজেলার পরীক্ষা কেন্দ্রে কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। পরীক্ষার পরিবেশ ছিল শান্ত সুশৃঙ্খল।উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৩ হাজার ১১৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬৯ জন ছিল অনুপস্থিত।  ইতোমধ্যে সুষ্ঠু, সুন্দর ও নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা গ্রহণে উপজেলা প্রশাসন ও শিক্ষা বিভাগের পক্ষ থেকে সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছিল।বুড়িচং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লা  শিক্ষা বোর্ডের অধীনে প্রথম দিনে বাংলা প্রথম পত্র, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের আলিম পরীক্ষায় কোরআন মাজিদ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার নির্ধারিত বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।উপজেলায় কুমিল্লা  শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১০টি কলেজের মোট ২ হাজার ৬৭৩ জন পরীক্ষার্থী ৫টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবেন। এর মধ্যে ছাত্র ১ হাজার ৩০১ জন এবং ছাত্রী ১ হাজার ৩৭২ জন।এর মধ্যে অনুপস্থিত ছিল ৪৫ জন পরীক্ষার্থী।মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে উপজেলার ১৫টি মাদ্রাসার ৩২০ জন পরীক্ষার্থী ২টি কেন্দ্রে আলিম পরীক্ষার্থীর  মধ্যে ছাত্র ১৩৯ জন এবং ছাত্রী ১৮১ জন। এর অনুপস্থিত ছিল ২১ জন।এছাড়া কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ফজলুর রহমান মেমোরিয়াল কলেজ অব টেকনোলজি কেন্দ্রে এইচএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় ১২৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্র ৮৬ জন এবং ছাত্রী ৩৯ জন। এর অনুপস্থিত ছিল ৩ জন।কোরপাই কাকিয়ার চর ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে পরিদর্শনে আসেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুল মান্নান, উপজেলা সহকারী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ আজিজুর রহমান, কেন্দ্র ভারপ্রাপ্ত  কর্মকর্তা মাওলানা অধ্যক্ষ সফিকুর রহমান সরকার, হলসুপার মাওলানা অধ্যক্ষ মুহাম্মদ রুহুল আমিন।পারুয়ারা আব্দুল মতিন খসরু কলেজে পরিদর্শন করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি, ফাবলিহা আনবার, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন অধ্যক্ষ আবু ইউসুফ ভূইয়া, উপজেলা প্রোগ্রামার মইন আল রশিদ।এদিকে বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা  মোঃ তানভীর হোসেন  বুড়িচং এরশাদ ডিগ্রী কলেজ, ফজলুর রহমান মেমোরিয়াল কলেজ অব টেকনোলজি সহ বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রে পরিদর্শন করে তিনি কেন্দ্রের পরিবেশ দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন। এসময় ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ,ফাবলিহা আনবার,উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুল মান্নান, বুড়িচং থানার ওসি মোহাম্মদ লুতফুর রহমান।

রাজধানীতে মানবাধিকার ও গণমাধ্যম কর্মীদের মাঝে সাদা সম্মাননা প্রদান

এশিয়া ছিন্নমূল মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে / রাজধানীতে মানবাধিকার ও গণমাধ্যম কর্মীদের মাঝে সাদা সম্মাননা প্রদান

এশিয়া ছিন্নমূল মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে রাজধানীতে মানবাধিকার ও গণমাধ্যম কর্মীদের মাঝে সাদা সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। রোববার সংগঠনটি চাঞ্চল্যকর অপরাধ প্রতিরোধে প্রশাসন ও গণমাধ্যমের ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা, গুণীজনদের সম্মাননা প্রদান ও মানবাধিকার কর্মীদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। রাজধানীর বাংলাদেশ শিশুকল্যাণ পরিষদে এ অনুষ্ঠানে মানবাধিকার ও গণমাধ্যম কর্মীদের মাঝে সাদা সম্মাননা  প্রদান করেছে এশিয়া ছিন্নমূল মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশন। সংগঠনের কেন্দ্রিয় চেয়ারম্যান মোঃ দুলাল মিয়ার সভাপতিত্বে সিনিয়র সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ দেলোয়ার হোসেন এর সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট লেখক, সাহিত্যিক সাবেক তথ্য ও সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ দীদার বখত। তিনি বলেন, আজকের প্রজন্ম জেগে উঠেছে, দেশের উন্নয়নে প্রেসক্লাব ইউনিটি ও হোসাইনিয়া পাক দরবার শরীফ আত্মনিবেদিত হয়ে বিশ্বমন্ডলে শান্তি কামনায় সম্মিলিত প্রচেষ্টা জাগ্রত করার আহ্বান জানান। সুপ্রিম কোর্ট সিনিয়র আইনজীবী লতিফুর রহমান সম্মিলিত মানবাধিকার কর্মীদের শপথ বাক্য পাঠ করান। ওয়ার্ল্ড মিডিয়া প্রেসক্লাব এর নতুন কমিটিকে সাথে নিয়ে ডা মাঈনুদ্দীন স্বেচ্ছাশ্রমে সাংবাদিকতা ও মানবাধিকার কাজে সম্পৃক্ত হতে ফুলেল শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন। উদ্ভাধনী আলোচনায় কেন্দ্রীয় প্রধান নির্বাহী পরিচালক ইন্জিনিয়র এম সোহেল আহমদ বলেন, দীর্ঘ সময়ে সংগঠনের সাথে রয়েছি, কখনো দায়িত্ব পালনে বিচলিত হইনি, আমৃত্যু আপনাদের পাশে থাকব ইনশাল্লাহ। এ সময় ঢাকা বিভাগীয় শাখা কমিটির নেতৃবৃন্দ তাদের হাততালিতে শুভেচ্ছা জানান। কেন্দ্রীয় সদস্য মোঃ শহীদুল ইসলাম, ফারুক আহমেদ মজুমদার, আনজার শাহ,আবু আহাদ আল মাহমুদ দীপু মীর, আলমগীর ওয়েচী, মোঃ জাকির হোসেন, আনছারুল হক, মোঃ শাকিল হাওলাদার স্বাধীন, বীরমুক্তিযোদ্ধা আমিনুল হক ভূঁইয়া, তাছলিমা আক্তার লিজা, হাসুরা বেগম, মোঃ মানিক মিয়া, ফুল চান্দ বাবু,নূরে আলম,নাছির উদ্দিন পলাশ,আহম উল্যাহ, কাজী নূরুল আজিম, মোঃ আবু সালেক ভূঁইয়া, এম জি বাবর ও  আবদুল কুদ্দুস প্রমুখ। সংগঠনের সাদা মনের সাদা সম্মাননা ১০ গুণীজনদের প্রদান শেষে সংগঠনের শুভাকাঙ্ক্ষীদের স্মরণ  ও জাতীর শান্তি কামনায় মিলাদ ও দোয়া কামনা করা হয়।

কচুয়ায় প্রবাসী ফোরামের উদ্যোগে ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স প্রদান

কচুয়ায় প্রবাসী ফোরামের উদ্যোগে ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স প্রদান

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার সাধারণ মানুষের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। উপজেলার  বিতারা ইউনিয়ন জাতীয়তাবাদী প্রবাসী ফোরামের অর্থায়নে বিনামূল্যে  একটি অ্যাম্বুলেন্স  প্রদান  করা হয়েছে। ​শনিবার (২৭ জুন ২০২৬) বিকেলে এ উপলক্ষ্যে স্থানীয় মাঝিগাছা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এম্বুলেন্স  হস্তান্তর করা হয়। মানবিক এই মহতি উদ্যোগটির অর্থায়নে ছিলেন স্থানীয় মাঝিগাছা গ্রামের অধিবাসী  মো. কামরুজ্জামান মজুমদার (জামাল)।বিতারা ইউনিয়ন জাতীয়তাবাদী প্রবাসী ফোরামের উপদেষ্টা শাহজাহান চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সংগঠনের সহ-সভাপতি মো. তাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উক্ত হস্তান্তর অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও মহিলা কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি নাজমুন নাহার বেবী। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, প্রবাসী ভাইদের এই উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। দুর্যোগ ও জরুরি মুহূর্তে এই অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস এলাকার মানুষের চিকিৎসাসেবা প্রাপ্তিতে বড় ভূমিকা রাখবে। তিনি আরও বলেন, অত্র এলাকার অসহায় ও দুস্থ রোগীদের জরুরি প্রয়োজনে এই অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস ২৪ ঘণ্টা সেবা প্রদান করবে। স্থানীয়রা জানান, স্পেন প্রবাসী, বিতারা ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী কামরুজ্জামান মজুমদার মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে একটি অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু করেছে। এই অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে স্বল্প খরচে বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্তে রোগী পরিবহন করা যাবে। বিশেষ করে অসহায়, দরিদ্র, গর্ভবতী মা, জরুরি রোগী ও বিপদগ্রস্ত মানুষের জন্য এই সেবা হবে আশার আলো। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কচুয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. খায়রুল আবেদীন স্বপন, সাধারণ সম্পাদক মো. মাসুদ এলাহি সুভাস, সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার (কচুয়া সার্কেল)মোঃ আব্দুল হাই চৌধুরী, কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আজিজুল ইসলাম, উত্তর কচুয়া বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. ইউসুফ মিয়াজী, কচুয়া উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর আলম মজুমদার, মো. মকবুল হোসেন পাটোয়ারী এবং মো. ইউসুফ খানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা।

বরুড়া উপজেলা জনকল্যাণ সমিতির উদ্যোগে ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

বরুড়া উপজেলা জনকল্যাণ সমিতির উদ্যোগে ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

কুমিল্লার বরুড়া উপজেলা জনকল্যাণ সমিতির উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার ২৬ জুন উপজেলার ঝলম ইউনিয়নের মহিদপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বরুড়া উপজেলা জনকল্যাণ সমিতি, ঢাকা কৰ্তৃক আয়োজিত বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা, স্বাস্থ্য সেবা ও রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। চক্ষু চিকিৎসা সেবা কার্যক্রমে সার্বিক সহযোগিতা করছেন বাংলাদেশ জাতীয় অন্ধকল্যাণ সমিতি, কুমিল্লা ও শংকর হাসপাতাল। আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতা করেছে ফ্রেন্ডস ব্লাড ব্যাংক, মহিদপুর গ্রামবাসী এবং প্রফেসর ডাক্তার রুহুল আমিন রুরাল ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির অধ্যক্ষ ইয়াসিন মিয়া ও শিক্ষার্থীরা। এসময় উপস্থিত ছিলেন, সমিতির সভাপতি ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অতিরিক্ত সচিব মো. শাহ আলম, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মনির হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুস সামাদ, সাবেক সহ সভাপতি আলহাজ্ব মো.আমির হোসেন ভূঁইয়া,  সহ-সভাপতি মো. মিজানুর রহমান জেড. এইচ. জহির, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুল আমিন, দপ্তর সম্পাদক মো. কামাল হোসেন, শিক্ষা ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মেহেদী হাসান শিশির, কার্যনির্বাহী সদস্য মো. কামাল হোসেন ভূঁইয়া, মেহেদী হাসান, ইঞ্জিনিয়ার আবুল কালাম আজাদ, আজীবন সদস্য ও সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার মোশাররফ হোসেন, ডাক্তার মোঃ মুজাহিদুল ইসলাম এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবৰ্গরা উপস্থিত ছিলেন।এদিন প্রায় সহস্রাধিক রোগী বিনামূল্যে চিকিৎসা সহযোগিতা পাওয়ার পাশাপাশি ১৩২ জন রোগীর ছানি অপারেশন করার ব্যবস্থা করা হয়।

বরুড়ায় ৭৩ হাজার শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে

বরুড়ায় ৭৩ হাজার শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে

আগামী ২৮ জুন কুমিল্লার বরুড়ায়  ৭৩ হাজার শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।বৃহস্পতিবার জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কতৃক আয়োজিত এক প্রস্তুতি সভায় এ তথ্য জানানো হয়।সভায় আরো জানানো হয়, এবছর ৬ থেকে ১১ মাস বয়সের ৮ হাজার ৯০০ শিশু ও ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সের ৬৪ হাজার ৩০০ শিশুকে ৪০৮ টি ইপিআই সাবব্লক, ১ টি স্থায়ী কেন্দ্র সহ মোট ৪০৯ টি টিকা কেন্দ্রে ভিটামিন এ খাওয়ানো হবে।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান রনি"র সভাপতিত্বে এসব কথা বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মো: মাজেদুর রহমান। সভা অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বরুড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি কামরুজ্জামান জনি, সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াছ আহমদ সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।

বরুড়ায় ২৬ জুন বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা শিবির, অপারেশনসহ থাকবে নানা সুবিধা

বরুড়ায় ২৬ জুন বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা শিবির, অপারেশনসহ থাকবে নানা সুবিধা

আগামী ২৬ জুন ২০২৬, শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার ঝলম ইউনিয়নের মহিদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একটি বিনামূল্যের চক্ষু চিকিৎসা শিবির অনুষ্ঠিত হবে।বাংলাদেশ অন্ধকল্যাণ সমিতি, কুমিল্লা ও চক্ষু হাসপাতাল শংকর, আলেখারচর, বিশ্বরোড, কুমিল্লার পরিচালনায় এবং বরুড়া উপজেলা জনকল্যাণ সমিতি, ঢাকার ব্যবস্থাপনায় এই চিকিৎসা শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে।শিবিরে চক্ষু রোগীদের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় ঔষধ প্রদান করা হবে। এছাড়াও যেসব রোগীর অপারেশনের প্রয়োজন হবে, তাদেরকে সেদিনই চক্ষু হাসপাতালের নিজস্ব গাড়িতে কুমিল্লায় নিয়ে যাওয়া হবে। রোগীদের জন্য যাতায়াত, থাকা-খাওয়া, সেবাযত্ন এবং চশমা প্রদানের ব্যবস্থাও বিনামূল্যে করা হবে বলে আয়োজকরা জানিয়েছেন।আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে বরুড়া উপজেলার প্রায় প্রতিটি গ্রামে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন গড়ে উঠেছে। এসব সংগঠনের সদস্যরা যদি নিজ নিজ এলাকার চক্ষু রোগীদের সংগঠিত করে চিকিৎসা শিবিরে নিয়ে আসেন, তাহলে অধিকসংখ্যক রোগী চিকিৎসাসেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন এবং মানবিক কাজে অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি হবে।এ বিষয়ে বরুড়া উপজেলা জনকল্যাণ সমিতি, ঢাকার সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবদুস সামাদ সকল স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সংগঠনের সদস্যদের নিজ নিজ এলাকার চক্ষু রোগীদের চিকিৎসা শিবিরে নিয়ে আসার জন্য বিনীত আহ্বান জানিয়েছেন।যোগাযোগ:মোঃ আবদুস সামাদসাবেক সাধারণ সম্পাদকবরুড়া উপজেলা জনকল্যাণ সমিতি, ঢাকামোবাইল: ০১৭১৮-৫৬৯৭৮০

কচুয়ায় প্রবাসী ফোরামের উদ্যোগে ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স প্রদান

কচুয়ায় প্রবাসী ফোরামের উদ্যোগে ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স প্রদান

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার সাধারণ মানুষের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। উপজেলার  বিতারা ইউনিয়ন জাতীয়তাবাদী প্রবাসী ফোরামের অর্থায়নে বিনামূল্যে  একটি অ্যাম্বুলেন্স  প্রদান  করা হয়েছে। ​শনিবার (২৭ জুন ২০২৬) বিকেলে এ উপলক্ষ্যে স্থানীয় মাঝিগাছা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এম্বুলেন্স  হস্তান্তর করা হয়। মানবিক এই মহতি উদ্যোগটির অর্থায়নে ছিলেন স্থানীয় মাঝিগাছা গ্রামের অধিবাসী  মো. কামরুজ্জামান মজুমদার (জামাল)।বিতারা ইউনিয়ন জাতীয়তাবাদী প্রবাসী ফোরামের উপদেষ্টা শাহজাহান চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সংগঠনের সহ-সভাপতি মো. তাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উক্ত হস্তান্তর অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও মহিলা কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি নাজমুন নাহার বেবী। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, প্রবাসী ভাইদের এই উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। দুর্যোগ ও জরুরি মুহূর্তে এই অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস এলাকার মানুষের চিকিৎসাসেবা প্রাপ্তিতে বড় ভূমিকা রাখবে। তিনি আরও বলেন, অত্র এলাকার অসহায় ও দুস্থ রোগীদের জরুরি প্রয়োজনে এই অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস ২৪ ঘণ্টা সেবা প্রদান করবে। স্থানীয়রা জানান, স্পেন প্রবাসী, বিতারা ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী কামরুজ্জামান মজুমদার মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে একটি অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু করেছে। এই অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে স্বল্প খরচে বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্তে রোগী পরিবহন করা যাবে। বিশেষ করে অসহায়, দরিদ্র, গর্ভবতী মা, জরুরি রোগী ও বিপদগ্রস্ত মানুষের জন্য এই সেবা হবে আশার আলো। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কচুয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. খায়রুল আবেদীন স্বপন, সাধারণ সম্পাদক মো. মাসুদ এলাহি সুভাস, সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার (কচুয়া সার্কেল)মোঃ আব্দুল হাই চৌধুরী, কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আজিজুল ইসলাম, উত্তর কচুয়া বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. ইউসুফ মিয়াজী, কচুয়া উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর আলম মজুমদার, মো. মকবুল হোসেন পাটোয়ারী এবং মো. ইউসুফ খানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা।