ভোটের নিরাপত্তায় ৯ লাখ যৌথ সদস্য, মাঠে ১ হাজার ৫১ ম্যাজিস্ট্রেট
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে সারাদেশে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর অংশ হিসেবে সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ইতোমধ্যে মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন।ইসি সূত্র জানায়, আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা ও নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে মাঠে থাকবেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। একইসঙ্গে নির্বাচন আচরণবিধি বাস্তবায়ন ও অপরাধ দমনে দায়িত্ব পালন করবেন ১ হাজার ৫১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।রোববার রাজধানীর নির্বাচন ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার মো. আব্দুর রহমানেল মাছউদ এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, সেনাবাহিনী আগে থেকেই বিভিন্ন এলাকায় মোতায়েন থাকলেও আজ থেকে তাদের টহল ও কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে দায়িত্ব পালন করবে।তিনি আরও জানান, সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে নির্বাচন কমিশনের কেন্দ্রীয় সমন্বয় সেল সার্বক্ষণিক সক্রিয় থাকবে। পাশাপাশি ‘সুরক্ষা’ অ্যাপের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের তথ্য দ্রুত আদান-প্রদান নিশ্চিত করা হবে।বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নির্বাচন আয়োজনের জন্য অনুকূলে রয়েছে উল্লেখ করে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠকের পর কমিশন পরিস্থিতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে। এবারের নির্বাচনে সব মিলিয়ে প্রায় ৯ লাখ নিরাপত্তা সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।এর মধ্যে আনসার ও ভিডিপির প্রায় সাড়ে ৫ লাখ, পুলিশের ১ লাখ ৫০ হাজার, সশস্ত্র বাহিনীর ১ লাখ এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ৩৫ হাজার সদস্য রয়েছেন। এ ছাড়া র্যাব, এপিবিএন ও কোস্টগার্ডের সদস্যরা মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে বিভিন্ন এলাকায় মোতায়েন থাকবেন।নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সাধারণ ও ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্র বিবেচনায় নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ভিন্নতা আনা হয়েছে। মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে সাধারণ কেন্দ্রে ১৬ থেকে ১৭ জন এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১৭ থেকে ১৮ জন নিরাপত্তা সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। মেট্রোপলিটন এলাকায় সাধারণ কেন্দ্রে ১৬ জন এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১৭ জন সদস্য মোতায়েন থাকবে। পাশাপাশি দুর্গম এলাকার ভোটকেন্দ্রগুলোতে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের ২৯৯টি সংসদীয় আসনে একযোগে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা শেষ করতে হবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টার মধ্যে। এবারের নির্বাচনে মোট ২ হাজার ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ১৩ কোটি ভোটারের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোটকেন্দ্র।সব মিলিয়ে উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
তারা নিজেদের মধ্যে চাঁদাবাজি ও ভাগাভাগি নিয়ে মারামারি করে.. ডাকসুর জিএস, এস.এম ফরহাদ
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আগামীদিনের রাজনীতি হবে দেশ গঠনের রাজনীতি। তিনি বলেন, “আমার প্রথম ঠিকানা বাংলাদেশ, শেষ ঠিকানাও বাংলাদেশ।” জনগণের হারিয়ে যাওয়া ভোটাধিকার পুনরুদ্ধার এবং দেশ পুনর্গঠনই বিএনপির মূল লক্ষ্য বলে মন্তব্য করেন তিনি।শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নীলফামারী বড় মাঠে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তারেক রহমান।তিনি বলেন, গত ১৬ বছরে যারা ভোটাধিকার আদায়ের সংগ্রামে জীবন দিয়েছেন, তারা স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য আত্মত্যাগ করেছেন। এবারের নির্বাচন শুধু জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের নয়, এটি জাতি পুনর্গঠনের নির্বাচন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।নীলফামারী ও উত্তরাঞ্চলের উন্নয়ন পরিকল্পনাতারেক রহমান নীলফামারীর উন্নয়ন প্রসঙ্গে বলেন, এ জেলার ইপিজেড (রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল) সম্প্রসারণ করা হবে। নীলফামারীতে একটি মেডিকেল কলেজ স্থাপন, বিভিন্ন কারিগরি ও পেশাভিত্তিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলার মাধ্যমে বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।তিনি আরও জানান, কিশোরগঞ্জ ও সৈয়দপুরকে জেলা হিসেবে বিবেচনায় রেখে শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলা হবে। সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের অঙ্গীকারউত্তরবঙ্গের মানুষের প্রাণের দাবি হিসেবে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, বিএনপি সরকার গঠন করলে যত দ্রুত সম্ভব তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে ইনশাআল্লাহ। পাশাপাশি উত্তরা ইপিজেড সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।কৃষকদের উন্নয়নের বিষয়ে তিনি বলেন, প্রত্যেক কৃষককে কৃষি কার্ড দেওয়া হবে। এই কার্ডের মাধ্যমে সার, বীজ ও কীটনাশক সহজে ও স্বল্পমূল্যে কেনা যাবে। কৃষকদের জন্য ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ এবং এনজিও থেকে নেওয়া ক্ষুদ্রঋণ সরকারের পক্ষ থেকে পরিশোধের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।নারী উন্নয়নের বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, নারীকে স্বাবলম্বী করতে প্রত্যেক নারীকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। নারীদের কর্মসংস্থান ও শিক্ষায় সম্পৃক্ত না করলে দেশ এগোবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার শাসনামলে নারীদের বিনামূল্যে শিক্ষার যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।যুবকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যুব সমাজকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করা হবে, যাতে তারা দেশ গঠনের কাজে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে পারে।ভোটাধিকার প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, “একটি দল আপনাদের ভোটের অধিকার ডাকাতি করে নিয়ে গিয়েছিল। আবারও সেই অধিকার ফিরে পাওয়ার সুযোগ এসেছে।” শুধু ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট দিলেই দায়িত্ব শেষ নয়, দেশ গড়ার কাজে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।তিনি আরও বলেন, “১৯৭১ সালে যেভাবে আমরা যুদ্ধে অংশ নিয়ে দেশ স্বাধীন করেছি, ঠিক সেভাবেই ২০২৪ সালেও স্বৈরাচার বিদায়ের যুদ্ধে জনগণ অংশ নিয়েছে। বিএনপি সরকার গঠন করলে বাংলাদেশের সকল ধর্মের মানুষের জন্য সমানভাবে কাজ করবে।”জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মীর সেলিম ফারুকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন— নীলফামারী-১ আসনে বিএনপির শরিক দল জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মনোনীত প্রার্থী মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দি, নীলফামারী-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন, নীলফামারী-৩ আসনে আলহাজ্ব সৈয়দ আলী এবং নীলফামারী-৪ আসনে আব্দুল গফুর সরকারসহ জেলা ও উপজেলা বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।বক্তব্যের শেষাংশে তারেক রহমান বলেন, “মানুষকে সঙ্গে নিয়েই আমরা দেশ পুনর্গঠন করতে চাই। আগামী দিনের রাজনীতি হবে দেশ গঠনের রাজনীতি।”
লালমনিরহাটে চোর চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার, ৩টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আগামীদিনের রাজনীতি হবে দেশ গঠনের রাজনীতি। তিনি বলেন, “আমার প্রথম ঠিকানা বাংলাদেশ, শেষ ঠিকানাও বাংলাদেশ।” জনগণের হারিয়ে যাওয়া ভোটাধিকার পুনরুদ্ধার এবং দেশ পুনর্গঠনই বিএনপির মূল লক্ষ্য বলে মন্তব্য করেন তিনি।শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নীলফামারী বড় মাঠে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তারেক রহমান।তিনি বলেন, গত ১৬ বছরে যারা ভোটাধিকার আদায়ের সংগ্রামে জীবন দিয়েছেন, তারা স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য আত্মত্যাগ করেছেন। এবারের নির্বাচন শুধু জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের নয়, এটি জাতি পুনর্গঠনের নির্বাচন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।নীলফামারী ও উত্তরাঞ্চলের উন্নয়ন পরিকল্পনাতারেক রহমান নীলফামারীর উন্নয়ন প্রসঙ্গে বলেন, এ জেলার ইপিজেড (রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল) সম্প্রসারণ করা হবে। নীলফামারীতে একটি মেডিকেল কলেজ স্থাপন, বিভিন্ন কারিগরি ও পেশাভিত্তিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলার মাধ্যমে বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।তিনি আরও জানান, কিশোরগঞ্জ ও সৈয়দপুরকে জেলা হিসেবে বিবেচনায় রেখে শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলা হবে। সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের অঙ্গীকারউত্তরবঙ্গের মানুষের প্রাণের দাবি হিসেবে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, বিএনপি সরকার গঠন করলে যত দ্রুত সম্ভব তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে ইনশাআল্লাহ। পাশাপাশি উত্তরা ইপিজেড সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।কৃষকদের উন্নয়নের বিষয়ে তিনি বলেন, প্রত্যেক কৃষককে কৃষি কার্ড দেওয়া হবে। এই কার্ডের মাধ্যমে সার, বীজ ও কীটনাশক সহজে ও স্বল্পমূল্যে কেনা যাবে। কৃষকদের জন্য ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ এবং এনজিও থেকে নেওয়া ক্ষুদ্রঋণ সরকারের পক্ষ থেকে পরিশোধের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।নারী উন্নয়নের বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, নারীকে স্বাবলম্বী করতে প্রত্যেক নারীকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। নারীদের কর্মসংস্থান ও শিক্ষায় সম্পৃক্ত না করলে দেশ এগোবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার শাসনামলে নারীদের বিনামূল্যে শিক্ষার যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।যুবকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যুব সমাজকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করা হবে, যাতে তারা দেশ গঠনের কাজে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে পারে।ভোটাধিকার প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, “একটি দল আপনাদের ভোটের অধিকার ডাকাতি করে নিয়ে গিয়েছিল। আবারও সেই অধিকার ফিরে পাওয়ার সুযোগ এসেছে।” শুধু ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট দিলেই দায়িত্ব শেষ নয়, দেশ গড়ার কাজে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।তিনি আরও বলেন, “১৯৭১ সালে যেভাবে আমরা যুদ্ধে অংশ নিয়ে দেশ স্বাধীন করেছি, ঠিক সেভাবেই ২০২৪ সালেও স্বৈরাচার বিদায়ের যুদ্ধে জনগণ অংশ নিয়েছে। বিএনপি সরকার গঠন করলে বাংলাদেশের সকল ধর্মের মানুষের জন্য সমানভাবে কাজ করবে।”জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মীর সেলিম ফারুকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন— নীলফামারী-১ আসনে বিএনপির শরিক দল জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মনোনীত প্রার্থী মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দি, নীলফামারী-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন, নীলফামারী-৩ আসনে আলহাজ্ব সৈয়দ আলী এবং নীলফামারী-৪ আসনে আব্দুল গফুর সরকারসহ জেলা ও উপজেলা বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।বক্তব্যের শেষাংশে তারেক রহমান বলেন, “মানুষকে সঙ্গে নিয়েই আমরা দেশ পুনর্গঠন করতে চাই। আগামী দিনের রাজনীতি হবে দেশ গঠনের রাজনীতি।”
দর্শকদের মানসম্মত গান উপহার দিতে চায় মমতাজ রহমান লাবনী
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আগামীদিনের রাজনীতি হবে দেশ গঠনের রাজনীতি। তিনি বলেন, “আমার প্রথম ঠিকানা বাংলাদেশ, শেষ ঠিকানাও বাংলাদেশ।” জনগণের হারিয়ে যাওয়া ভোটাধিকার পুনরুদ্ধার এবং দেশ পুনর্গঠনই বিএনপির মূল লক্ষ্য বলে মন্তব্য করেন তিনি।শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নীলফামারী বড় মাঠে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তারেক রহমান।তিনি বলেন, গত ১৬ বছরে যারা ভোটাধিকার আদায়ের সংগ্রামে জীবন দিয়েছেন, তারা স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য আত্মত্যাগ করেছেন। এবারের নির্বাচন শুধু জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের নয়, এটি জাতি পুনর্গঠনের নির্বাচন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।নীলফামারী ও উত্তরাঞ্চলের উন্নয়ন পরিকল্পনাতারেক রহমান নীলফামারীর উন্নয়ন প্রসঙ্গে বলেন, এ জেলার ইপিজেড (রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল) সম্প্রসারণ করা হবে। নীলফামারীতে একটি মেডিকেল কলেজ স্থাপন, বিভিন্ন কারিগরি ও পেশাভিত্তিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলার মাধ্যমে বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।তিনি আরও জানান, কিশোরগঞ্জ ও সৈয়দপুরকে জেলা হিসেবে বিবেচনায় রেখে শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলা হবে। সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের অঙ্গীকারউত্তরবঙ্গের মানুষের প্রাণের দাবি হিসেবে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, বিএনপি সরকার গঠন করলে যত দ্রুত সম্ভব তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে ইনশাআল্লাহ। পাশাপাশি উত্তরা ইপিজেড সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।কৃষকদের উন্নয়নের বিষয়ে তিনি বলেন, প্রত্যেক কৃষককে কৃষি কার্ড দেওয়া হবে। এই কার্ডের মাধ্যমে সার, বীজ ও কীটনাশক সহজে ও স্বল্পমূল্যে কেনা যাবে। কৃষকদের জন্য ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ এবং এনজিও থেকে নেওয়া ক্ষুদ্রঋণ সরকারের পক্ষ থেকে পরিশোধের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।নারী উন্নয়নের বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, নারীকে স্বাবলম্বী করতে প্রত্যেক নারীকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। নারীদের কর্মসংস্থান ও শিক্ষায় সম্পৃক্ত না করলে দেশ এগোবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার শাসনামলে নারীদের বিনামূল্যে শিক্ষার যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।যুবকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যুব সমাজকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করা হবে, যাতে তারা দেশ গঠনের কাজে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে পারে।ভোটাধিকার প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, “একটি দল আপনাদের ভোটের অধিকার ডাকাতি করে নিয়ে গিয়েছিল। আবারও সেই অধিকার ফিরে পাওয়ার সুযোগ এসেছে।” শুধু ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট দিলেই দায়িত্ব শেষ নয়, দেশ গড়ার কাজে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।তিনি আরও বলেন, “১৯৭১ সালে যেভাবে আমরা যুদ্ধে অংশ নিয়ে দেশ স্বাধীন করেছি, ঠিক সেভাবেই ২০২৪ সালেও স্বৈরাচার বিদায়ের যুদ্ধে জনগণ অংশ নিয়েছে। বিএনপি সরকার গঠন করলে বাংলাদেশের সকল ধর্মের মানুষের জন্য সমানভাবে কাজ করবে।”জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মীর সেলিম ফারুকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন— নীলফামারী-১ আসনে বিএনপির শরিক দল জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মনোনীত প্রার্থী মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দি, নীলফামারী-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন, নীলফামারী-৩ আসনে আলহাজ্ব সৈয়দ আলী এবং নীলফামারী-৪ আসনে আব্দুল গফুর সরকারসহ জেলা ও উপজেলা বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।বক্তব্যের শেষাংশে তারেক রহমান বলেন, “মানুষকে সঙ্গে নিয়েই আমরা দেশ পুনর্গঠন করতে চাই। আগামী দিনের রাজনীতি হবে দেশ গঠনের রাজনীতি।”
প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকায় ‘ক্রাইম রিপোর্টার’ নিয়োগ
প্রতিদিনের বাংলাদেশ
বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের দৃশ্যমান নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন চেয়ারম্যান আতাউর রহমান
রাণীনগর- আদমদীঘি সীমান্ত রেখার ডোবা থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার
নির্বাচনে সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকের কার্ড পেতে যা করতে হবে
স্টকহোমে চীন-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠক: অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে নতুন অগ্রগতি
রাজশাহীর পেয়ারা বাগান থেকে গাঁজা গাছ সহ আটক ১
নির্বাচনে সাংবাদিক কার্ডের নামে যত ধরনের আবেদন চলছে সবই ভুয়া
বরুড়ায় বিএনপির দু গ্রুপের সংঘর্ষ একজনের মৃত্যু, আহত ৪ (ভিডিও)
ঈশ্বরদীতে ভাড়া বাসা থেকে ছাত্রদল নেতার মরদেহ উদ্ধার
ছাত্রীকে নিয়ে প্রধান শিক্ষক উধাও, মাদরাসায় অগ্নিসংযোগ
চাঁদপুর জেলা আইনজীবী সমিতির ফ্যামিলি ডে ও পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত
ডোমারে ছাত্রশিবিরের ‘হ্যাঁ’ ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত
আমি এমপি নির্বাচিত হলে কচুয়া থেকে দুর্নীতির মুলোৎপাটন করা হবে.... এহছানুল হক মিলন
পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিলেন চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের ৩৪৬ বন্দী
ভোটের নিরাপত্তায় ৯ লাখ যৌথ সদস্য, মাঠে ১ হাজার ৫১ ম্যাজিস্ট্রেট
নীলফামারীতে বিএনপি কর্মীর ওপর হামলার অভিযোগ
হাদির হত্যাকাণ্ড: সুষ্ঠু তদন্তে জাতিসংঘের সহায়তা চাইল সরকার
নীলফামারীতে পল্লী বিদ্যুতের জিএমের বিরুদ্ধে নির্বাচনী পক্ষপাতের অভিযোগ
কোটচাঁদপুরে জামায়াতের নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত
শৈলকুপায় সড়ক নির্মাণে অনিয়ম
কালীগঞ্জে পরিত্যক্ত অবস্থায় আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার
ভোটের নিরাপত্তায় ৯ লাখ যৌথ সদস্য, মাঠে ১ হাজার ৫১ ম্যাজিস্ট্রেট
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে সারাদেশে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর অংশ হিসেবে সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ইতোমধ্যে মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন।ইসি সূত্র জানায়, আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা ও নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে মাঠে থাকবেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। একইসঙ্গে নির্বাচন আচরণবিধি বাস্তবায়ন ও অপরাধ দমনে দায়িত্ব পালন করবেন ১ হাজার ৫১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।রোববার রাজধানীর নির্বাচন ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার মো. আব্দুর রহমানেল মাছউদ এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, সেনাবাহিনী আগে থেকেই বিভিন্ন এলাকায় মোতায়েন থাকলেও আজ থেকে তাদের টহল ও কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে দায়িত্ব পালন করবে।তিনি আরও জানান, সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে নির্বাচন কমিশনের কেন্দ্রীয় সমন্বয় সেল সার্বক্ষণিক সক্রিয় থাকবে। পাশাপাশি ‘সুরক্ষা’ অ্যাপের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের তথ্য দ্রুত আদান-প্রদান নিশ্চিত করা হবে।বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নির্বাচন আয়োজনের জন্য অনুকূলে রয়েছে উল্লেখ করে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠকের পর কমিশন পরিস্থিতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে। এবারের নির্বাচনে সব মিলিয়ে প্রায় ৯ লাখ নিরাপত্তা সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।এর মধ্যে আনসার ও ভিডিপির প্রায় সাড়ে ৫ লাখ, পুলিশের ১ লাখ ৫০ হাজার, সশস্ত্র বাহিনীর ১ লাখ এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ৩৫ হাজার সদস্য রয়েছেন। এ ছাড়া র্যাব, এপিবিএন ও কোস্টগার্ডের সদস্যরা মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে বিভিন্ন এলাকায় মোতায়েন থাকবেন।নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সাধারণ ও ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্র বিবেচনায় নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ভিন্নতা আনা হয়েছে। মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে সাধারণ কেন্দ্রে ১৬ থেকে ১৭ জন এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১৭ থেকে ১৮ জন নিরাপত্তা সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। মেট্রোপলিটন এলাকায় সাধারণ কেন্দ্রে ১৬ জন এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১৭ জন সদস্য মোতায়েন থাকবে। পাশাপাশি দুর্গম এলাকার ভোটকেন্দ্রগুলোতে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের ২৯৯টি সংসদীয় আসনে একযোগে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা শেষ করতে হবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টার মধ্যে। এবারের নির্বাচনে মোট ২ হাজার ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ১৩ কোটি ভোটারের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোটকেন্দ্র।সব মিলিয়ে উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
বিবিসি বাংলা'র প্রতিবেদন। চাপের মুখেই কি দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগ থাকা প্রার্থীদের বৈধ করলো ইসি
আটকে আছে ১৪২ জাহাজ; হুমকিতে বাণিজ্য ও বাজার / অনির্দিষ্টকালের শ্রমিক কর্মবিরতিতে অচল চট্টগ্রাম বন্দর
চট্টগ্রাম মহানগর ও পার্বত্য চট্টগ্রাম মিলিয়ে সাতটি বাণিজ্যিক আদালত, প্রজ্ঞাপন জারি
পণ্যের কৃত্রিম সংকট ও মূল্যের অস্থিতিশীলতা রোধে যৌথ অভিযান
চট্টগ্রামের শীর্ষ ব্যবসায়ী কারাবন্দি কেডিএস গ্রুপের খলিলুর রহমানের জামিন নাকচ
ফতুল্লায় শুল্ক কর ফাঁকি দিয়ে আসা সোয়া ১ কোটি টাকা মূল্যের ভারতীয় শাড়িসহ পাচারকারীকে আটক
কালীগঞ্জে ব্যাংকের ভেতর থেকে টাকা চুরির অভিযোগ
পরিবারসহ নিরাপত্তাহীনতায় তারেক সরকারের মানববন্ধন / শিবপুরে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বিল্লাল সরকারের হাত থেকে বাঁচার আকুতি
মহেশখালীতে ডাকাতের কবলে পড়া ৯ জেলে উদ্ধার, একজন আটক
প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ দাবি / ব্রাহ্মণপাড়ায় অবৈধ ড্রেজারে সয়লাব কৃষিজমি ও পরিবেশ হুমকির মুখে