মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও পুনর্বাসনে পরিবারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ: পারিবারিক সভায় বক্তারা
মাদকাসক্তি কোনো অপরাধ বা ইচ্ছাশক্তির অভাব নয়; এটি একটি চিকিৎসাযোগ্য দীর্ঘমেয়াদি রোগ এবং একই সঙ্গে একটি পারিবারিক ব্যাধি। তাই একজন মাদকাসক্ত ব্যক্তি চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের মাধ্যমে সুস্থ হয়ে ওঠার পর তাকে স্বাভাবিক জীবনে ধরে রাখতে পরিবারের সক্রিয় সহযোগিতা, সহমর্মিতা এবং দায়িত্বশীল ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাজধানীর শ্যামলীতে অবস্থিত ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের নারী মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের উদ্যোগে আয়োজিত এক পারিবারিক সভায় এসব কথা বলা হয়। সভায় কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন ক্লায়েন্টদের অভিভাবকরা অংশগ্রহণ করেন।সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন লিভিং উইথ ওয়েলনেস-এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এবং লিড সাইকোলজিস্ট মিস মাহমুদা। তিনি বলেন, “নিরাময় কেন্দ্র থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার পর একজন ব্যক্তির পুনরায় মাদকে আসক্ত হওয়ার বা রিল্যাপসের ঝুঁকি অনেকাংশে নির্ভর করে তার পারিবারিক পরিবেশের ওপর। তাই সুস্থতার পথে থাকা ব্যক্তির ওপর কোনো ধরনের মানসিক চাপ সৃষ্টি না করে পরিবারের সদস্যদের সহমর্মিতার সঙ্গে পাশে থাকতে হবে।”তিনি আরও বলেন, চিকিৎসা-পরবর্তী সময়ে রোগীকে অতীতের ভুলের জন্য দোষারোপ করা, অতিরিক্ত সন্দেহ করা কিংবা নেতিবাচক আচরণ করা থেকে বিরত থাকতে হবে। বরং তাকে একটি নিরাপদ, চাপমুক্ত ও মাদকমুক্ত পারিবারিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। দীর্ঘমেয়াদি সুস্থতা বজায় রাখতে রোগীকে ইতিবাচক জীবনধারায় সম্পৃক্ত করা এবং কাউন্সেলর ও সাইকোলজিস্টদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও ফলো-আপ বজায় রাখাও জরুরি।সভায় বক্তারা বলেন, মাদকাসক্তি থেকে মুক্তি পাওয়ার প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি এবং চ্যালেঞ্জপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের পাশাপাশি পরিবারের সমর্থন একজন ব্যক্তির সুস্থতা ধরে রাখার অন্যতম প্রধান উপাদান। বিশেষ করে নারী মাদকাসক্তদের ক্ষেত্রে পরিবার ও সমাজের ইতিবাচক মনোভাব তাদের আত্মবিশ্বাস পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য সেক্টরের সিনিয়র সাইকোলজিস্ট রাখী গাঙ্গুলী, কেন্দ্র ব্যবস্থাপক লায়লা ইয়াসমিন, কেস ম্যানেজার আফসানা খাতুন এবং কেন্দ্রের কাউন্সেলরবৃন্দ।বক্তারা বলেন, ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজকে মাদকমুক্ত করতে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে। মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের পাশাপাশি পরিবারকে সচেতন ও সম্পৃক্ত করার উদ্যোগও প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পরিবারের সচেতনতা, গ্রহণযোগ্যতা এবং দায়িত্বশীল আচরণই একজন ব্যক্তিকে দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে রাখতে সহায়তা করতে পারে।
বঙ্গোপসাগরে সাবমেরিন মোতায়েনের পরিকল্পনা নিয়েছে পাকিস্তান
বাংলাদেশ: বঙ্গোপসাগরে সাবমেরিন মোতায়েন করার পরিকল্পনা নিয়েছে পাকিস্তান। দেশটির নৌবাহিনীর কর্মকর্তা কমোডর ওমর ফারুক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।সম্প্রতি পাকিস্তানের নৌবাহিনীর জন্য ‘পিএনএস হ্যাঙ্গর’ নামের একটি সাবমেরিন তৈরি করেছে চীন। পাকিস্তানের নৌবাহিনী ইতোমধ্যে সেই সাবমেরিনটিকে কমিশনও (আনুষ্ঠানিক অন্তর্ভুক্তি) করেছে। সাবমেরিনটিকে নিয়ে আসতে নৌবাহিনীর একটি বহর নিয়ে চীনে গিয়েছিলেন কমোডর ওমর ফারুক। ফিরে আসার পথে শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোতে যাত্রাবিরতি দেন তিনি। সেখানে শ্রীলঙ্কার দৈনিক দ্য মর্নিংকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ওমর ফারুক বলেন, হ্যাঙ্গর-শ্রেণির সাবমেরিন অন্তর্ভুক্তি পাকিস্তানকে বঙ্গোপসাগরে নিজেদের উপস্থিতি বজায় রাখার সক্ষমতা দেবে।“পিএনএস হ্যাঙ্গর সিরিজের আরও ৭টি সাবমেরিন শিগগিরই পাকস্তিানের নৌবাহিনীকে অন্তর্ভুক্ত হবে। এই সিরিজের সাবমেরিনগুলো বঙ্গোপসাগরে পাকিস্তানের উপস্থিতি বজায় রাখবে। ”, দ্য মর্নিংকে বলেছেন কমোডর ফারুক।১৯৭১ সালের আগ পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরে পাকিস্তানি সাবমেরিন মোতায়েন ছিল। সেটির নামও ছিল পিএনএস হ্যাঙ্গর। ১৯৭১ সালের যুদ্ধে বঙ্গোপসাগরে ভারতীয় নৌবাহিনীর সাবমেরিন আইএনএস খুকরিকে ডুবিয়ে দিয়েছিল পিএনএস হ্যাঙ্গর।তবে সেই যুদ্ধে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ বাহিনীর কাছে পরাজয়ের পর বঙ্গপোসাগর ছেড়ে চলে যায় পাকিস্তান। এতদিন মূলত উত্তর আরব সাগরেই সীমাবদ্ধ ছিল পাকিস্তানি নৌবাহিনীর উপস্থিতি।অন্যদিকে, বঙ্গোপসাগর ঐতিহ্যগতভাবে এমন একটি এলাকা যেখানে ভারত উল্লেখযোগ্য ভৌগোলিক এবং কৌশলগত সুবিধা ভোগ করে। বিশাখাপত্তনমে ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় নৌ কমান্ডের অবস্থান এবং আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের কাছাকাছি হওয়ায়, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পণ্য ও জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য বঙ্গোপসাগর ক্রমশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।এই বিস্তৃত জলরাশি, যার উপকূলবর্তী রাষ্ট্রগুলো হলো ভারত, বাংলাদেশ, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া এবং শ্রীলঙ্কা। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে প্রতিদ্বন্দ্বী অন্যান্য নৌ শক্তিগুলোর উত্থানের মধ্যেও এই দেশগুলোর ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব অনেক।এ কারণেই শ্রীলঙ্কায় পাকিস্তানি নৌবাহিনীর একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার করা মন্তব্যটি তাৎপর্যপূর্ণ।দ্য মর্নিংকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কমোডর ফারুক পিএনএস হ্যাঙ্গরকে একটি ‘গেম চেঞ্জার’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং উল্লেখ করেছেন যে, পাকিস্তান এই শ্রেণির আটটি সাবমেরিন অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা করছে।গত ৭ জুন এই সংবাদটি প্রকাশ করেছে দ্য মর্নিং।উল্লেখ্য, বঙ্গোপসাগর কোনো একটি দেশের আঞ্চলিক সমুদ্রসীমা নয়। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, উপকূলীয় রাষ্ট্রগুলো তাদের উপকূলরেখা থেকে ১২ নটিক্যাল মাইল (২২ কিমি) পর্যন্ত বিস্তৃত আঞ্চলিক সমুদ্রসীমার উপর সার্বভৌমত্ব এবং ২০০ নটিক্যাল মাইল (৩৭০ কিমি) পর্যন্ত বিস্তৃত একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চলের (এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোন) ওপর সার্বভৌম অধিকার প্রয়োগ করে।এই সীমার বাইরে রয়েছে আন্তর্জাতিক জলসীমা, যেখানে এমনকি বিদেশি সামরিক জাহাজগুলোও মূলত অবাধে চলাচল করতে পারে।গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন (Yao Wen)।আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুন ২০২৬) সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।বৈঠকের শুরুতে চীনের রাষ্ট্রদূত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ২০২৬ -২০২৭ সেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের প্রার্থী ড. খলিলুর রহমান নির্বাচিত হওয়ায় বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানান।বৈঠকে চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়।বিশেষ করে ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কারিগরি শিক্ষা এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।
অস্ট্রেলিয়ায় চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অনলাইনে প্রতারণা: গ্রেফতার দুই
অস্ট্রেলিয়ায় চাকরি ও স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে এক প্রবাসীর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় ০২ (দুই) জন প্রতারককে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।গ্রেফতারকৃতরা হলো- (১) মো. রাকিবুল হোসেন (২৬), পিতা- মো. আনিছুর রহমান, মাতা- মোছা. রশিদা বানু, সাং- আইসঢাল, হাজীপাড়া, ইউনিয়ন-কামারপুকুর, থানা-সৈয়দপুর, জেলা-নীলফামারী ও (২) মো. রনি ইসলাম @ খাজা মোহাম্মদ আলী (১৯), পিতা- মো. রফিকুল ইসলাম, মাতা- মোছা. ময়না খাতুন, স্থায়ী ঠিকানা- মৌলভীপাড়া, ডাকঘর-ফাজিলপুর, থানা-তারাগঞ্জ, জেলা-রংপুর। সাইবার পুলিশ সেন্টারের (সিপিসি) সাইবার ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড অপারেশনস এর একটি চৌকশ আভিযানিক দল গত ১৭/০৬/২০২৬ খ্রি. তারিখে নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর থানাধীন কামারপুকুর বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে অপরাধকার্যে ব্যবহৃত ০৬টি মোবাইল ফোন এবং ১২টি সিম কার্ড জব্দ করা হয়।মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বাদীর মামা ভুক্তভোগী একজন ওমান প্রবাসী। ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে ভুক্তভোগীর পূর্বপরিচিত এক ব্যক্তি তার সঙ্গে যোগাযোগ করে জানায় বাংলাদেশ থেকে লোক নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে থাকেন। যোগাযোগকারী পূর্ব পরিচিত ব্যক্তির ‘খাজা মোহাম্মদ আলী’ এক অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী বন্ধুও এ কাজের সাথে জড়িত রয়েছে মর্মে জানিয়ে তার সাথে যোগাযোগ করিয়ে দেন। পরবর্তীতে কথিত অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী বন্ধু ‘খাজা মোহাম্মদ আলী’ ভুক্তভোগীর সঙ্গে মোবাইল ফোন, ইমু, হোয়াটসঅ্যাপ ও মেসেঞ্জারের মাধ্যমে যোগাযোগ করে অস্ট্রেলিয়ায় নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় এবং বিভিন্ন প্রসেসিং, অনলাইন আবেদন, ফরম পূরণ ও ভিসা সংক্রান্ত খরচের কথা বলে অর্থ দাবি করে। প্রথম ধাপে সরল বিশ্বাসে ভুক্তভোগী ধাপে ধাপে বিভিন্ন বিকাশ নম্বরে মোট ১ লক্ষ ৪৬ হাজার ৪০০ টাকা প্রেরণ করেন। পরবর্তীতে আরও অর্থ আদায়ের উদ্দেশ্যে প্রতারক কর্তৃক একটি ব্যাংক হিসাব নম্বরও সরবরাহ করা হয়। কিন্তু দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ার পরও অস্ট্রেলিয়ায় যাওয়ার কোনো ব্যবস্থা করা হয়নি। বরং ‘খাজা মোহাম্মদ আলী’সহ অন্যান্য যোগাযোগকারীদের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরগুলো বন্ধ পাওয়া যায় এবং তাদের সঙ্গে ভুক্তভোগীর সকল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তখন ভুক্তভোগী বুঝতে পারেন যে তিনি একটি সংঘবদ্ধ পরিকল্পিত প্রতারণার শিকার হয়েছেন।এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে তার ভাগ্নে বাদী হয়ে যাত্রাবাড়ী (ডিএমপি) থানায় মামলা নং-০৪, তারিখ ০২/০৬/২০২৬ খ্রি., ধারা-৪০৬/৪২০ পেনাল কোডে মামলা দায়ের করেন। মামলাটির তদন্তে সিআইডি জানতে পারে যে, গ্রেফতারকৃত রনি ইসলাম নিজেকে ‘খাজা মোহাম্মদ আলী’ নামে অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী পরিচয় দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভুয়া ফেসবুক পেজ পরিচালনা করত। পেজটিতে অস্ট্রেলিয়ায় চাকরি, ওয়ার্ক পারমিট ও অভিবাসন সংক্রান্ত আকর্ষণীয় ভিডিওসহ প্রচারণা চালিয়ে সাধারণ মানুষকে প্রলুব্ধ করে আসছিল। একই সঙ্গে বিদেশি নম্বর ব্যবহার করে যোগাযোগের জন্য অনলাইনে অস্ট্রেলিয়ান নম্বরভিত্তিক ইমু অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা হতো, যাতে ভুক্তভোগীরা প্রক্রিয়াটি বিশ্বাসযোগ্য মনে করে সহজেই প্রতারণার ফাঁদে পা দেয়।তদন্তে আরও জানা যায়, গ্রেফতারকৃত রাকিবুল হোসেন প্রতারণার মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ বিভিন্ন মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টে গ্রহণ, স্থানান্তর এবং লেনদেন ব্যবস্থাপনায় সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করত। তারা পরস্পর যোগসাজশে দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে চাকরি দেওয়ার নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে আসছিল। পরবর্তীতে প্রাপ্ত তথ্য প্রযুক্তি দ্বারা বিশ্লেষণ ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্ত মো. রাকিবুল হোসেন ও মো. রনি ইসলামদ্বয়কে গ্রেফতার করে সিপিসি ।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রতারণামূলক কার্যক্রমে জড়িত থাকার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। মামলাটির তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং চক্রের অন্যান্য সদস্যদের সনাক্ত ও গ্রেফতারের লক্ষ্যে সিআইডির অভিযান চলমান রয়েছে। গ্রেফতারকৃতদেরকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলমান।বর্তমানে মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছে সাইবার পুলিশ সেন্টার (সিপিসি)।বিদেশে কর্মসংস্থান বা অভিবাসনের সুযোগের কথা বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কিংবা অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে প্রতারণার ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিদেশে চাকরি বা অভিবাসন সংক্রান্ত যেকোনো প্রস্তাব গ্রহণের পূর্বে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান, নিয়োগকারী সংস্থা এবং ভিসা প্রক্রিয়া সম্পর্কে যথাযথ যাচাই-বাছাই করার জন্য সিআইডির পক্ষ হতে জনগণকে অনুরোধ জানানো হচ্ছে।
বরুড়ায় কিশোর লাবিবকে নৃশংস ভাবে হত্যার চেষ্টা, আটক দুই
কানাডার স্বপ্ন দেখিয়ে কোটি টাকার প্রতারণা
বরুড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি জনি, সম্পাদক ইলিয়াছ ও সাংগঠনিক মহসিন নির্বাচিত
বরুড়ায় বিভিন্ন দল থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টিতে যোগদান
কুমিল্লায় প্রাইভেট কার ও কাভার্ডভ্যান সহ এক লক্ষ ষাট হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার।
মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও পুনর্বাসনে পরিবারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ: পারিবারিক সভায় বক্তারা
বঙ্গোপসাগরে সাবমেরিন মোতায়েনের পরিকল্পনা নিয়েছে পাকিস্তান
লালমনিরহাটে নেসকোর গাফিলতি ৭২ ঘন্টা বিদ্যুৎহীন ২৫০ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান
অর্থমন্ত্রী-গভর্নর র্যাব-পুলিশ দিয়ে মূল্যবৃদ্ধি ঠেকানো যাবে না, বেতন বাড়লে কমবে দুর্নীতি। আপনি কি তাই মনে করেন?
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগ নিয়ে প্রশ্ন / মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ নগরবাসী, কার্যকর পদক্ষেপের দাবি
ভালোবাসার স্পর্শে রঙিন হলো সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের ঈদ উৎসব
প্রবাসীকে ৮ টুকরা করে হত্যা, পরকীয়া প্রেমিকাকে গ্রেফতারের পর কারণ জানাল ডিএমপি
প্রযুক্তিনির্ভর সাংবাদিকতা গড়ে তুলতে জেএ টিভির প্রতিনিধি কর্মশালা অনুষ্টিত