বিশেষ অতিথি হিসেবে ব্রিকস সম্মেলনে তারেক রহমানকে মোদির আমন্ত্রণ, দিল্লি সফর নিয়ে কূটনৈতিক গুরুত্ব
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এ সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য ভারতের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণপত্র ইতোমধ্যে ঢাকায় পৌঁছেছে।বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি জানান, ভারতের পাঠানো আমন্ত্রণপত্র পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। এখন প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা করা হচ্ছে।আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হবে ব্রিকসের ১৮তম শীর্ষ সম্মেলন। ব্রিকসের পূর্ণ সদস্য না হওয়া সত্ত্বেও আঞ্চলিক কূটনৈতিক গুরুত্ব বিবেচনায় বাংলাদেশকে বিশেষ অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত। এর অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সম্মেলনে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।এদিকে ভারতে চলমান ছাত্র আন্দোলন এবং সেখানে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সবসময় দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সহযোগিতার পরিবেশকে গুরুত্ব দেয়। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে ভারত দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই আমন্ত্রণ গ্রহণ করবেন কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সফরটি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং দক্ষিণ এশিয়ার কূটনৈতিক সমীকরণে তা একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করতে পারে।
রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করছেন? বঙ্গভবনে জোর আলোচনা, স্পিকারের কাছে পাঠানো হতে পারে পদত্যাগপত্র
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আজ শুক্রবার (২৪ জুলাই) পদত্যাগ করতে পারেন বলে বঙ্গভবনের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, শুক্রবার দুপুরের মধ্যেই তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে তার পদত্যাগপত্র পাঠাতে পারেন।২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে থাকা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক চলছিল। সংবিধান অনুযায়ী তার কাছেই ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সদস্যরা শপথ নেন। পরবর্তীতে ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনের পর বিএনপির নেতৃত্বে গঠিত নতুন সরকারও রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছ থেকেই শপথ গ্রহণ করে।গত দুই বছরে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), জামায়াতে ইসলামীসহ কয়েকটি রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন সংগঠন রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ বা অপসারণের দাবি জানালেও বিএনপি শুরুতে তার দায়িত্বে বহাল থাকার পক্ষেই অবস্থান নেয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সেই অবস্থানে পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে বলে রাজনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে।সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের ভাষ্য, চলতি মাসের শুরুতে সরকারিভাবে নয়, অনানুষ্ঠানিকভাবে রাষ্ট্রপতিকে দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর অনুরোধ জানানো হয়। তখন তিনি কিছু সময় চান। এরপর শুক্রবার পদত্যাগের সিদ্ধান্তের বিষয়টি বঙ্গভবনের কয়েকজন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন বলে দাবি করা হচ্ছে।রাষ্ট্রপতির পারিবারিক সূত্রের দাবি, তিনি দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) করা সিটি স্ক্যান ও এমআরআই পরীক্ষায় স্নায়ুবিষয়ক একটি জটিল সমস্যা শনাক্ত হয়েছে। চিকিৎসার জন্য স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে শিগগিরই সিঙ্গাপুরে যাওয়ার প্রস্তুতিও রয়েছে বলে জানা গেছে।অন্যদিকে, কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ৯ মে লন্ডনে অবস্থানকালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে রাষ্ট্রপতির টেলিফোনে কথা হয়েছিল। পরে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো বিষয়টি জানতে পারার পর তাকে পদত্যাগের বার্তা দেওয়া হয় বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে সরকার কিংবা বঙ্গভবনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেওয়া হয়নি।সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালন করতে অপারগ হলে তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন এবং পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
‘জনগণই প্রথম’ ধারণায় চীনের উন্নয়ন ও শাসনব্যবস্থা
দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বব্যাপী শিল্পায়ন ও বিশ্বায়নকে এগিয়ে নিয়েছে আধুনিকায়নের পাশ্চাত্য পথ। এটি মানবসভ্যতায় ইতিবাচক অবদান রেখেছে এবং আধুনিকায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ মডেল হিসেবেও কাজ করেছে। কিন্তু এর প্রভাবে অনেকের মধ্যে একটি বদ্ধমূল ধারণা তৈরি হয়েছে যে, আধুনিকায়নের জন্য শুধু একটি পূর্বনির্ধারিত নির্দিষ্ট পথই অনুসরণ করতে হবে।প্রকৃতপক্ষে, আধুনিকায়নের কোনো সর্বজনীন ছাঁচ কখনোই ছিল না। চীনের কমিউনিস্ট পার্টি নিজ দেশের বাস্তবতার ভিত্তিতে ‘জনগণই প্রথম’ - এই মূল মূল্যবোধকে বিকশিত করেছে এবং ‘আধুনিকায়ন মানেই পাশ্চাত্যায়ন’-এই ভ্রান্ত ধারণা ভেঙে দিয়েছে।চীনের হাজার বছরের শাসন-সংস্কৃতিতে প্রোথিত ‘জনগণই প্রথম’-এই আধুনিক মূল্যবোধ ১৪০ কোটিরও বেশি মানুষের জীবনে এনেছে গভীর পরিবর্তন। উন্নত দেশগুলোর যে অর্জনে শত শত বছর লেগেছে, চীন তা কয়েক দশকেই অর্জন করেছে। এমনকি এখন সবচেয়ে দুর্গম অঞ্চলের মানুষের কাছেও পৌঁছে গেছে বিদ্যুৎ, ইন্টারনেট ও মৌলিক স্বাস্থ্যসেবা।উন্নয়নে গতি সঞ্চার করা এই ধারণার সাংস্কৃতিক শিকড় খুঁজে পাওয়া যাবে হাজার বছর ধরে চলে আসা প্রাচীন চীনা প্রবাদ ও চিন্তাধারায়। ১০ কোটি মানুষকে দারিদ্র্য থেকে মুক্ত করার পথে দেখা গেছে এর বাস্তব প্রতিফলন। অনেক দেশ ইতোমধ্যেই এর বৈশ্বিক তাৎপর্য স্বীকার করেছে।‘জনগণই প্রথম’ ধারণার গঠন:‘জনগণই প্রথম’ হলো চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের একটি মূল ধারণা। এটি মার্ক্সবাদের জনগণভিত্তিক চিন্তাধারার সমকালীন উত্তরাধিকার ও সৃজনশীল বিকাশের প্রতিনিধিত্ব করে।প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই জনগণের সেবাকে মৌলিক নীতি হিসেবে গ্রহণ করেছে চীনের কমিউনিস্ট পার্টি। নতুন যুগের জন্য চীনা বৈশিষ্ট্যের সমাজতন্ত্রের ওপর সি চিন পিংয়ের চিন্তাধারার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে ‘জনগণই প্রথম’ কোনো বিমূর্ত রাজনৈতিক ঘোষণা নয়; বরং এটি একটি পূর্ণাঙ্গ আদর্শিক ব্যবস্থা, যেখানে তাত্ত্বিক উৎস, সাংস্কৃতিক শিকড়, বাস্তব যুক্তি ও বৈশ্বিক মূল্যবোধ একে অপরের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। ২০১২ সালে অনুষ্ঠিত সিপিসির ১৮তম জাতীয় কংগ্রেসের পর থেকে, সি চিন পিংকে কেন্দ্র করে সিপিসির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ‘আন্তরিকভাবে জনগণের সেবা করা’র মৌলিক নীতিকে সংস্কার ও উন্নয়ন, জনগণের জীবন-জীবিকার সুরক্ষা এবং সামাজিক শাসনের পুরো প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত করেছে। এর মাধ্যমেই গড়ে উঠেছে একটি জনকেন্দ্রিক উন্নয়ন দর্শন।‘জনগণই প্রথম’ ধারণার সাংস্কৃতিক শিকড়:‘জনগণই প্রথম’ ধারণাটি চীনের ঐতিহ্যবাহী জনমুখী চিন্তাধারার একটি সৃজনশীল রূপান্তর। হাজার বছর আগে ‘শাংশু’ গ্রন্থে বলা হয়েছিল, ‘জনগণই রাষ্ট্রের ভিত্তি; ভিত্তি শক্ত হলে রাষ্ট্র শান্তিতে থাকে।’প্রাচীন চীনা দার্শনিক মেংচি ব্যাখ্যা করেছিলেন, ‘জনগণ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, রাষ্ট্র তার পরে, শাসক সবচেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ।’ পরবর্তী প্রজন্মগুলো যেভাবে শাসন-জ্ঞান অর্জন করেছে সেটাকে বোঝানো যায় এই প্রবাদ দিয়ে—‘জল যেমন নৌকাকে ভাসাতে পারে, তেমনি ডুবিয়েও দিতে পারে’। অর্থাৎ সরকারের উত্থান সবসময় জনগণের সমর্থনের ওপরই নির্ভর করে।তবে ঐতিহ্যবাহী জনমুখী চিন্তাধারা মূলত শাসকের নিজের অবস্থান সুরক্ষিত রাখার জন্য জনগণকে নিয়ন্ত্রণ করার একটি শাসন কৌশল ছিল। সেখানে জনগণ শাসনের বিষয় না হয়ে সবসময় শাসনের বস্তু ছিল। চীনের কমিউনিস্ট পার্টির ‘জনগণই প্রথম’ ধারণা এই ঐতিহাসিক সীমাবদ্ধতাকে সম্পূর্ণভাবে ভেঙে দিয়েছে। এই ধারণা জনমুখী চিন্তাধারা থেকে জনগণকে গুরুত্ব দেওয়ার মূল ভাবনাটিকে গ্রহণ করেছে এবং তা মার্ক্সবাদের ‘জনগণই কর্তা’—এই অবস্থানের সঙ্গে নিজেকে গভীরভাবে যুক্তও করেছে। এর ফলে ‘শাসনের বস্তু’ থেকে জনগণ ‘দেশের মালিক’-এ পরিণত হয়েছে। হাজার বছর ধরে চলে আসা জনমুখী প্রজ্ঞা এই যুগে পেয়েছে নতুন প্রাণশক্তি। ‘দেশই জনগণ, জনগণই দেশ’—সি চিন পিংয়ের উত্থাপিত এই নতুন যুগের রাজনৈতিক ঘোষণা ‘জনগণই প্রথম’ নীতির মূল্যবোধের গভীর অনুসন্ধানকে তুলে ধরে।‘জনগণই প্রথম’ ধারণার বাস্তবায়ন:নতুন যুগের চীনের শাসনব্যবস্থায় ‘জনগণই প্রথম’ একটি মৌলিক মূল্যবোধ। জনগণের জীবন-জীবিকার সুরক্ষায় এই নীতির প্রতিফলন দেখা যায় প্রায় ১০ কোটি গ্রামীণ দরিদ্র মানুষকে দারিদ্র্য থেকে মুক্ত করার ঐতিহাসিক সাফল্যে। এর মাধ্যমেই হাজার বছর ধরে চীনকে জর্জরিত করে আসা চরম দারিদ্র্যের সমস্যার সমাধান হয়েছে। সেইসঙ্গে ১৪০ কোটি মানুষের জন্য বিশ্বের বৃহত্তম শিক্ষা ব্যবস্থা, চিকিৎসাব্যবস্থা ও সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে।জরুরি পরিস্থিতিতে ‘জীবন প্রথম’ নীতি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এর অর্থ হলো, জনস্বাস্থ্য সংক্রান্ত জরুরি অবস্থা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা অন্যান্য সংকটের সময় মানুষের জীবনের নিরাপত্তাকেই দেওয়া হবে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। সীমাবদ্ধতা যা-ই থাকুক না কেন, প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার রক্ষা করাই এই নীতির লক্ষ্য।সংস্কারের ক্ষেত্রে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, ‘সংস্কার ও উন্মুক্তকরণ মানুষের স্বার্থে’ কাজ করবে। সংস্কারমূলক পদক্ষেপগুলো বাস্তবে মানুষের কল্যাণে কাজ করছে কি না, মূল্যায়ন হবে সেটার ভিত্তিতেই।এই নীতি জনগণের উদ্বেগ ও দুশ্চিন্তার ওপর গুরুত্ব দেয় এবং নিশ্চিত করে যে সংস্কারের সুফল যেন সমাজের সবচেয়ে বেশি মানুষের কাছে পৌঁছায়।ক্ষমতা পরিচালনার ক্ষেত্রে ‘জনগণের কল্যাণ’কে সর্বোচ্চ রাজনৈতিক সাফল্য এবং ‘জনগণের সন্তুষ্টি’কে সর্বোচ্চ মূল্যায়নের মানদণ্ড বিবেচনা করা হয়। একই সঙ্গে জনগণের পূর্ণ অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি তদারকি ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়, যাতে ক্ষমতা সবসময় জনগণের কল্যাণে ব্যবহার করা হয়।‘জনগণই প্রথম’ ধারণার বৈশ্বিক তাৎপর্য:‘জনগণই প্রথম’ ধারণার বাস্তব তাৎপর্য অনেক আগেই চীনের সীমানা ছাড়িয়ে গেছে। বৈশ্বিক শাসনেও নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে ধারণাটি।দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিমা নেতৃত্বাধীন আধুনিকায়নের পথ গড়ে উঠেছে পুঁজির যুক্তিকে কেন্দ্র করে। এর ফলে সম্পদের বৈষম্য ও সামাজিক বিভাজন ক্রমে বেড়েছে। বিশ্বব্যাপী উন্নয়নের ব্যবধানও বেড়েছে। এর ফলে জাতিসংঘের ২০৩০ টেকসই উন্নয়ন কর্মসূচির অগ্রগতি গুরুতরভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।চীনের ‘জনগণই প্রথম’ নীতি প্রমাণ করেছে, কোনো দেশ পুঁজির মুনাফা ও সংখ্যালঘুদের স্বার্থের ঊর্ধ্বে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মৌলিক স্বার্থকে স্থান দিতে পারে। একই সঙ্গে দক্ষতা ও ন্যায্যতার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখে একটি নিজস্ব আধুনিকায়নের পথ তৈরি করতে পারে। এর মাধ্যমে ‘পুঁজির অগ্রাধিকার’-এর ফাঁদ থেকেও বেরিয়ে আসা সম্ভব।ধারণাটি উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ নতুন শাসন-সমাধানও তুলে ধরেছে। এটি বৈশ্বিক মানবাধিকার শাসনকে ‘সংখ্যালঘুদের জন্য ফাঁকা বুলি’ থেকে ‘উন্নয়নের মাধ্যমে মানবাধিকারের প্রসার’-এর বাস্তবমুখী পথে এগিয়ে নিতে সহায়তা করছে। চীনা মূল্যবোধের মাধ্যমে আরও ন্যায়সঙ্গত ও যুক্তিসংগত বৈশ্বিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও নতুন গতি এনেছে এ ধারণা।সূত্র:রুবি-ফয়সল-লাবণ্য,চায়না মিডিয়া গ্রুপ ।
কানাডার স্বপ্ন দেখিয়ে কোটি টাকার প্রতারণা
বরুড়ায় কিশোর লাবিবকে নৃশংস ভাবে হত্যার চেষ্টা, আটক দুই
বরুড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি জনি, সম্পাদক ইলিয়াছ ও সাংগঠনিক মহসিন নির্বাচিত
বরুড়ায় বিভিন্ন দল থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টিতে যোগদান
ভূমি দস্যুদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান ও সংবাদ প্রকাশ করায় সাংবাদিকদের ওপর হামলা: দোষীদের গ্রেফতারের দাবি
বরুড়ায় বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটে অগ্নিকাণ্ড, বসতঘর ও রান্নাঘর পুড়ে ছাই
বিশেষ অতিথি হিসেবে ব্রিকস সম্মেলনে তারেক রহমানকে মোদির আমন্ত্রণ, দিল্লি সফর নিয়ে কূটনৈতিক গুরুত্ব
চাঁপাইনবাবগঞ্জে দেড় কেজি গাঁজাসহ যুবক গ্রেপ্তার
চলতি এইচএসসি পরীক্ষায় পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ে প্রশ্নপত্রে ভুলের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন বলেছেন, প্রশ্ন আমরা তৈরি করিনি, বিগত সরকার করেছে। আপনি কি তাই মনে করেন?
গুলিস্তানে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে লাখ টাকা খোয়ালেন ব্যবসায়ী
এশিয়া ছিন্নমূল মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে / রাজধানীতে মানবাধিকার ও গণমাধ্যম কর্মীদের মাঝে সাদা সম্মাননা প্রদান
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগ নিয়ে প্রশ্ন / মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ নগরবাসী, কার্যকর পদক্ষেপের দাবি
ভালোবাসার স্পর্শে রঙিন হলো সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের ঈদ উৎসব