ফায়ার সার্ভিস মহাপরিচালকের ক্যাশিয়ার রেজায়ে রাব্বি
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সাময়িক বরখাস্তকৃত ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর মোঃ রেজায়ে রাব্বীকে ঘিরে একের পর এক অভিযোগ, বিতর্ক ও প্রশাসনিক তৎপরতা নতুন করে আলোচনায় এসেছে। বিশেষ করে সরকারি কোয়ার্টার ভাড়া দেওয়া, প্রভাব খাটিয়ে পদায়ন বাণিজ্য এবং আন্দোলনকালীন ভূমিকা নিয়ে তার বিরুদ্ধে উঠেছে গুরুতর প্রশ্ন।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পিএন-১০০৩১৮ নম্বরধারী রেজায়ে রাব্বী দীর্ঘদিন ঢাকা অঞ্চলে ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৭ সালের ৮ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ৩০ আগস্ট পর্যন্ত তিনি ঢাকার বিভিন্ন লাইসেন্সিং এলাকায় কর্মরত ছিলেন। এই সময়েই তাকে ঘিরে নানা অনিয়ম ও বিতর্কের অভিযোগ সামনে আসে।অভিযোগ রয়েছে, রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে তিনি একাধিকবার বদলি ও পদায়নে সুবিধা নিয়েছেন। স্থানীয় ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় প্রশাসনিক সুবিধা ভোগের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। বিভিন্ন সময়ে আচরণগত কারণে বদলি করা হলেও রহস্যজনকভাবে তা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি বলেও দাবি সংশ্লিষ্টদের।২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় তার ভূমিকা নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। অভিযোগ অনুযায়ী, দায়িত্বস্থলে অনুপস্থিত থেকে তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। পরে এ ঘটনায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয় এবং রংপুরে পদায়ন দেওয়া হয়। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।সবচেয়ে আলোচিত অভিযোগগুলোর একটি সরকারি কোয়ার্টার নিয়ে। অভিযোগ আছে, নিজের নামে বরাদ্দ নেওয়া সরকারি বাসা তিনি নিজে ব্যবহার না করে ভাড়া দিয়ে নিয়মিত অর্থ আদায় করছেন। এমনকি চাকরিচ্যুত এক ফায়ার ফাইটার হান্নানের কাছে সেই কোয়ার্টার ভাড়া দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি ফায়ার সার্ভিসের অভ্যন্তরে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।এদিকে অভিযোগ রয়েছে, সম্প্রতি মহাপরিচালক জায়েদ কামালের ঘনিষ্ঠতা কাজে লাগিয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আবারও পদায়ন বাগিয়ে নিয়েছেন রেজায়ে রাব্বী। এতে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যেও।ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর কিছুদিন আত্মগোপনে থাকার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো তদন্তাধীন রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।
ঢাকা- কুমিল্লা বিকল্প মহাসড়ক নির্মানের প্রকল্প প্রস্তাবনা উপস্থাপন
কুমিল্লা ৬ আসনের এমপি মনিরুল হক চৌধুরীর আবেদনের প্রেক্ষিতে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার সুয়াগাজী হতে গোলাবাড়ি হয়ে আড়াইহাজার দিয়ে কুমিল্লা- ঢাকা বিকল্প মহাসড়ক নির্মানের লক্ষ্যে প্রকল্প প্রস্তাবনা উপস্থাপন করা হয়েছে। রোববার (১৭ মে) দুপুরে কুমিল্লা স্থানীয় সরকার দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এ প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়। পকল্প প্রস্থাপনা করেন সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী মেহেদি হাসান। প্রকল্প প্রস্তাবে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার সুয়াগাজী থকে গ্র্যান্ড ট্রাক রোড হয়ে গোলাবাড়ি দিয়ে গোমতীর উত্তর পাড় দিয়ে বুড়িচং এর পীড় যাত্রাপুর, দেবিদ্বার, কোম্পানিঞ্জ, মেটংঘর, শলপা, শ্রীকাইল, রামচন্দ্রপুর, রূপষদী হয়ে বাঞ্ছারামপুর এসে মিলিত হবে। আড়াই হাজার বাঞ্ছারামপুর প্রস্তাবিত মেঘনা সেতু দিয়ে কাঞ্চনব্রীজ হয়ে সড়কটি ৩০০ ফিট সড়কে সংযোগ হবে বলে উপস্থাপন করা হয়। এতে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কে চাপ কমবে, বিকল্প সড়কে কুমিল্লার উত্তরের জনপদের জনগণ রাজধানী ঢাকার সাথে যোগাযোগ স্থাপন করবে। ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের গৌরিপুর থেকে হোমনা হয়ে বাঞ্ছারামপুর বিকল্প সড়কে আলাদা সংযোগ স্থাপন হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে কুমিল্লা উত্তর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিস্তীর্ণ জনপদ সরাসরি বন্দর ও রাজধানীর সাথে সংযোগ স্থাপন হবে। এতে করে অত্র অঞ্চলে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি বাড়বে, কলকারখানা স্থাপন হবে, প্রস্তাবিত কসবা ইপিজেড এ সড়কের সুফল পাবে বলে প্রস্তাবনায় উল্লেখ করা হয়। প্রকল্প প্রস্তাব উপস্থাপনার বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা ৬ আসনের এমপি মনিরুল হক চৌধুরী, মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াশিম, স্থানীয় সরকার বিভাগ কুমিল্লার নির্বাহী প্রকৌশলী মফিজুল ইসলাম, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোজাহিদ চৌধুরী, লালমাই উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মীর ইউসুফ আলী পিন্টু এবং বিভিন্ন উপজেলা সহকারী প্রকৌশলীরা৷
জনগণ চাইলে কুমিল্লায় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভাগ গঠন করা হবে.. প্রধানমন্ত্রী
কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার লক্ষীপুর ইউনিয়ন খেলার মাঠে আয়োজিত এক জনসভায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছেন যে, পর্যায়ক্রমে কুমিল্লাকে বিভাগে উন্নীত করা হবে এবং কুমিল্লায় একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে। এ ঘোষণায় উপস্থিত জনতার মাঝে ব্যাপক উৎসাহ ও আনন্দের সৃষ্টি হয়।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন এমপি, । বক্তব্য রাখেন কৃষিমন্ত্রী আমিনুর রশিদ ইয়াছিন, , অধ্যক্ষ সেলিম ভুইয়া এমপি,উপজেলা বিএনপির সভাপতি কায়সার আলম সেলিম , সিনিয়র সহ-সভাপতি সৈয়দ রেজাউল হক, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ জহিরুল হক, এবং সাবেক মেয়র জসিম উদ্দিন পাটোয়ারী প্রমুখ।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, “দেশের মালিক জনগণ। আপনারা দায়িত্ব নিয়ে কাজ করুন, তাহলেই দেশ আরও এগিয়ে যাবে।” তিনি উন্নয়ন, শিক্ষা ও কৃষিখাতকে এগিয়ে নিতে সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন।জনসভাটি উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয় এবং বিভিন্ন এলাকা থেকে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ এতে অংশগ্রহণ করেন।সকাল ১১ টার আসার কথা থাকলেও প্রধান একটার সময় মাঠে আসেন। অনেক রুদ্র মাঝেও মাঠ কানায় কানায় ভরপুর ছিল।