ঢাকা   বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মুক্তির লড়াই
সর্বশেষ

প্রশ্নের মুখে পুলিশের ভূমিকা / নির্বাচন উপলক্ষে গাড়ি রিকুইজিশন : বাড়ছে অসন্তোষ

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার প্রস্তুতিতে সারাদেশে বিপুল সংখ্যক যানবাহন রিকুইজিশন করা হচ্ছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এই প্রক্রিয়া নিয়ে ব্যক্তিগত ও বাণিজ্যিক যানবাহনের মালিকদের মধ্যে ক্রমেই ক্ষোভ বাড়ছে। বিবিসি বাংলার এক সরজমিন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমনই চিত্র।বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী, জরুরি রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনে কিংবা জনস্বার্থে বাস, মাইক্রোবাস, লেগুনা ও পিকআপের মতো যানবাহন সাময়িকভাবে অধিগ্রহণের ক্ষমতা প্রশাসন ও পুলিশের রয়েছে। তবে ২০২২ সালে হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায়ের পর থেকে ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রাইভেটকার, ট্যাক্সি ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা সাধারণত রিকুইজিশন করার বিধান নেই।এবারের নির্বাচনে ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণের দিনসহ সাপ্তাহিক ও সরকার ঘোষিত ছুটি মিলিয়ে মোট চারদিন ছুটি থাকছে। ফলে এই সময়ে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সরকারি গাড়ি ব্যবহারহীন থাকার কথা। তা সত্ত্বেও ব্যক্তিগত ও ভাড়াভিত্তিক গাড়ি কেন রিকুইজিশন করা হচ্ছে—নির্বাচনের দেড় সপ্তাহ আগে সেই প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।গাড়ি অধিগ্রহণ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রতিবাদের সুর স্পষ্ট। অনেকেই ফেসবুক পোস্ট ও গ্রুপ আলোচনায় নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরছেন। একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য তার একমাত্র পিকআপ গাড়ি রিকুইজিশন করা হয়েছে, যা দিয়ে বহু মানুষের জীবিকা চলে। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন—কোন আইনে একটি গাড়ি দীর্ঘ সময়ের জন্য নিয়ে নেওয়া হচ্ছে।আরেকজন অভিযোগ করেন, হাইওয়ে পুলিশ তার ব্যক্তিমালিকানাধীন নোয়াহ গাড়ি আটকে কাগজপত্র ও চালকের লাইসেন্স জমা নিয়ে নির্বাচন শেষ হওয়া পর্যন্ত রিকুইজিশন দিয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এতদিন গাড়ি দেওয়া বা চালকের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়।ফেসবুকভিত্তিক ‘ট্রাফিক অ্যালার্ট’ গ্রুপেও গাড়ি রিকুইজিশন নিয়ে সতর্কতা ছড়াচ্ছেন ব্যবহারকারীরা। কোন কোন এলাকায় গাড়ি নিয়ে চলাচলে বেশি ঝুঁকি—সে নিয়েও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। শাহবাগ, রামপুরা, মহাখালী ও বাংলামোটরের মতো এলাকাগুলোর নাম ঘুরেফিরে আসছে আলোচনায়।এদিকে রেন্ট-এ-কার খাতের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, পুলিশ সরাসরি প্রাইভেটকার নিচ্ছে না বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রে মালিক ও চালকের সম্মতি ছাড়াই গাড়ি অধিগ্রহণ করা হচ্ছে। এক পরিবহন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা জানান, তাদের গাড়ি জোরপূর্বক নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নিয়ে নেওয়া হয়েছে, যেখানে মালিক পক্ষ কোনো আর্থিক ক্ষতিপূরণের নিশ্চয়তা পাচ্ছেন না।একই অভিযোগ করেন চট্টগ্রাম ভিত্তিক একটি পরিবহন প্রতিষ্ঠানের মালিক। তার দাবি, এ পর্যন্ত সাতটি নোয়াহ ও হায়েস গাড়ি রিকুইজিশনে নেওয়া হয়েছে। ড্রাইভারদের জন্য পর্যাপ্ত থাকার ব্যবস্থা না থাকা এবং ক্ষতিপূরণ অনিশ্চিত থাকায় তারা বড় ক্ষতির মুখে পড়ছেন।এই পরিস্থিতিতে উদ্বেগ জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি। সংগঠনটির মহাসচিব মো. সাইফুল আলম জানান, নির্বাচন উপলক্ষে ইতোমধ্যে প্রায় ২০ হাজার দূরপাল্লার যানবাহন রিকুইজিশন করা হয়েছে এবং এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। তার অভিযোগ, গাড়ির ভাড়া, চালক ও সহকারীদের বেতন এবং জ্বালানি খরচ কীভাবে পরিশোধ হবে—সে বিষয়ে কোনো স্পষ্ট নির্দেশনা নেই।গাড়ি রিকুইজিশন সংক্রান্ত ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে অতীতে হাইকোর্টে রিট দায়ের হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০২২ সালের রায়ে আদালত ১১ দফা নির্দেশনা দেয়। এতে স্পষ্টভাবে বলা হয়—প্রাইভেটকার, ট্যাক্সি ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা রিকুইজিশন করা যাবে না এবং কোনো গাড়ি একটানা সাত দিনের বেশি অধিগ্রহণ করা নিষিদ্ধ।সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মনজিল মোরসেদ এ প্রসঙ্গে বলেন, রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনে গাড়ি নেওয়া গেলেও তা জোরপূর্বক হতে পারে না এবং গাড়ির মালিক ও চালকদের সকল ক্ষতিপূরণ রাষ্ট্রকেই বহন করতে হবে।অন্যদিকে, পুলিশ সদর দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে—সরকারি গাড়ির সীমাবদ্ধতার কারণে নির্বাচন কমিশনের চাহিদা অনুযায়ী সাময়িকভাবে এসব যানবাহন ব্যবহার করা হচ্ছে। নির্বাচনকালীন সময়ে প্রায় ১৬ লাখ মানুষ দায়িত্ব পালন করবেন বলেও উল্লেখ করা হয়।তবে আইন ও বাস্তবতার এই ব্যবধান দূর না হলে, নির্বাচন সামনে রেখে গাড়ি রিকুইজিশন নিয়ে বিতর্ক আরও বাড়বে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

গালাকে বিশ্বে চীনের চেতনাবাহী মঞ্চ হিসেবে বর্ণনা করলেন দক্ষিণ আফ্রিকার সাংসদ

ফেনী-৩ আসনে বিএনপি প্রার্থী ও দলের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, “যতদিন আমি বেঁচে থাকব, ততদিন জামায়াতে ইসলামিকে বাংলাদেশের ক্ষমতায় আসতে দেব না। তিনি জামায়াতকে মুনাফেকের দল আখ্যা দিয়ে বলেন, এরা দেশের উন্নয়ন নয়, বরং সংঘাত ও অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চায়।মঙ্গলবার (৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সোনাগাজী পৌরসভা চত্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনি পথসভায় মিন্টু বলেন, জামায়াত সুযোগসন্ধানী রাজনীতিতে বিশ্বাসী। এরা কখনো উন্নয়ন করবে না; বরং দেশকে সিরিয়া-লেবাননের মতো অস্থিতিশীল করে তুলতে চায়,-মন্তব্য করেন তিনি।তিনি ভোটারদের উদ্দেশে আহ্বান জানিয়ে বলেন, কোনোভাবেই যেন জামায়াতের কেউ জনপ্রতিনিধি হতে না পারে-এমনকি মেম্বারও নয়।দাগনভূঞা ও সোনাগাজীতে আর তাদের সুযোগ দেওয়া হবে না বলেও দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন মিন্টু।বিএনপির নির্বাচনী প্রতীক ধানের শীষে ভোট চেয়ে তিনি বলেন, ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিএনপিকে রাষ্ট্রক্ষমতায় আনতে পারলে এবং তারেক রহমান সরকারপ্রধান হলে, আল্লাহর রহমতে বাংলাদেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাবে।পথসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন-কেন্দ্রীয় মহিলা দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহেনা আক্তার শানু, ফেনী জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক গাজী হাবিব উল্যাহ মানিক, সোনাগাজী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক জায়নাল আবেদীন বাবলু, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জামাল উদ্দিন সেন্টু, সদস্যসচিব সৈয়দ আলম ভুঁইয়া, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক খুরশিদ আলম ভুঁইয়াসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

ভবিষ্যতের অলিম্পিকেও বেইজিংয়ের টেকসই ধারণা অনুসৃত হবে:আইওসি

ফেনী-৩ আসনে বিএনপি প্রার্থী ও দলের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, “যতদিন আমি বেঁচে থাকব, ততদিন জামায়াতে ইসলামিকে বাংলাদেশের ক্ষমতায় আসতে দেব না। তিনি জামায়াতকে মুনাফেকের দল আখ্যা দিয়ে বলেন, এরা দেশের উন্নয়ন নয়, বরং সংঘাত ও অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চায়।মঙ্গলবার (৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সোনাগাজী পৌরসভা চত্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনি পথসভায় মিন্টু বলেন, জামায়াত সুযোগসন্ধানী রাজনীতিতে বিশ্বাসী। এরা কখনো উন্নয়ন করবে না; বরং দেশকে সিরিয়া-লেবাননের মতো অস্থিতিশীল করে তুলতে চায়,-মন্তব্য করেন তিনি।তিনি ভোটারদের উদ্দেশে আহ্বান জানিয়ে বলেন, কোনোভাবেই যেন জামায়াতের কেউ জনপ্রতিনিধি হতে না পারে-এমনকি মেম্বারও নয়।দাগনভূঞা ও সোনাগাজীতে আর তাদের সুযোগ দেওয়া হবে না বলেও দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন মিন্টু।বিএনপির নির্বাচনী প্রতীক ধানের শীষে ভোট চেয়ে তিনি বলেন, ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিএনপিকে রাষ্ট্রক্ষমতায় আনতে পারলে এবং তারেক রহমান সরকারপ্রধান হলে, আল্লাহর রহমতে বাংলাদেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাবে।পথসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন-কেন্দ্রীয় মহিলা দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহেনা আক্তার শানু, ফেনী জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক গাজী হাবিব উল্যাহ মানিক, সোনাগাজী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক জায়নাল আবেদীন বাবলু, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জামাল উদ্দিন সেন্টু, সদস্যসচিব সৈয়দ আলম ভুঁইয়া, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক খুরশিদ আলম ভুঁইয়াসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

টেলিকম জালিয়াতি বন্ধে মিয়ানমার-চীন যৌথ উদ্যোগে দৃশ্যমান সাফল্য

ফেনী-৩ আসনে বিএনপি প্রার্থী ও দলের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, “যতদিন আমি বেঁচে থাকব, ততদিন জামায়াতে ইসলামিকে বাংলাদেশের ক্ষমতায় আসতে দেব না। তিনি জামায়াতকে মুনাফেকের দল আখ্যা দিয়ে বলেন, এরা দেশের উন্নয়ন নয়, বরং সংঘাত ও অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চায়।মঙ্গলবার (৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সোনাগাজী পৌরসভা চত্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনি পথসভায় মিন্টু বলেন, জামায়াত সুযোগসন্ধানী রাজনীতিতে বিশ্বাসী। এরা কখনো উন্নয়ন করবে না; বরং দেশকে সিরিয়া-লেবাননের মতো অস্থিতিশীল করে তুলতে চায়,-মন্তব্য করেন তিনি।তিনি ভোটারদের উদ্দেশে আহ্বান জানিয়ে বলেন, কোনোভাবেই যেন জামায়াতের কেউ জনপ্রতিনিধি হতে না পারে-এমনকি মেম্বারও নয়।দাগনভূঞা ও সোনাগাজীতে আর তাদের সুযোগ দেওয়া হবে না বলেও দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন মিন্টু।বিএনপির নির্বাচনী প্রতীক ধানের শীষে ভোট চেয়ে তিনি বলেন, ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিএনপিকে রাষ্ট্রক্ষমতায় আনতে পারলে এবং তারেক রহমান সরকারপ্রধান হলে, আল্লাহর রহমতে বাংলাদেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাবে।পথসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন-কেন্দ্রীয় মহিলা দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহেনা আক্তার শানু, ফেনী জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক গাজী হাবিব উল্যাহ মানিক, সোনাগাজী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক জায়নাল আবেদীন বাবলু, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জামাল উদ্দিন সেন্টু, সদস্যসচিব সৈয়দ আলম ভুঁইয়া, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক খুরশিদ আলম ভুঁইয়াসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকায় ‘ক্রাইম রিপোর্টার’ নিয়োগ

প্রতিদিনের বাংলাদেশ

বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের দৃশ্যমান নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন চেয়ারম্যান আতাউর রহমান

বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের দৃশ্যমান নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন চেয়ারম্যান আতাউর রহমান

রাণীনগর- আদমদীঘি সীমান্ত রেখার  ডোবা থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

রাণীনগর- আদমদীঘি সীমান্ত রেখার ডোবা থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

নির্বাচনে সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকের কার্ড পেতে যা করতে হবে

নির্বাচনে সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকের কার্ড পেতে যা করতে হবে

স্টকহোমে চীন-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠক: অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে নতুন অগ্রগতি

স্টকহোমে চীন-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠক: অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে নতুন অগ্রগতি

রাজশাহীর পেয়ারা বাগান থেকে গাঁজা গাছ সহ আটক ১

রাজশাহীর পেয়ারা বাগান থেকে গাঁজা গাছ সহ আটক ১

নির্বাচনে সাংবাদিক কার্ডের নামে যত ধরনের আবেদন চলছে সবই ভুয়া

নির্বাচনে সাংবাদিক কার্ডের নামে যত ধরনের আবেদন চলছে সবই ভুয়া

বরুড়ায় বিএনপির দু গ্রুপের সংঘর্ষ একজনের মৃত্যু, আহত ৪ (ভিডিও)

বরুড়ায় বিএনপির দু গ্রুপের সংঘর্ষ একজনের মৃত্যু, আহত ৪ (ভিডিও)

ছাত্রীকে নিয়ে প্রধান শিক্ষক উধাও, মাদরাসায় অগ্নিসংযোগ

ছাত্রীকে নিয়ে প্রধান শিক্ষক উধাও, মাদরাসায় অগ্নিসংযোগ

ঈশ্বরদীতে ভাড়া বাসা থেকে ছাত্রদল নেতার মরদেহ উদ্ধার

ঈশ্বরদীতে ভাড়া বাসা থেকে ছাত্রদল নেতার মরদেহ উদ্ধার

চাঁদপুর জেলা আইনজীবী সমিতির ফ্যামিলি ডে ও পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত

চাঁদপুর জেলা আইনজীবী সমিতির ফ্যামিলি ডে ও পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত

পাথরঘাটায় কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ বাবা আটক

পাথরঘাটায় কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ বাবা আটক

নির্বাচন উপলক্ষে গাড়ি রিকুইজিশন : বাড়ছে অসন্তোষ

নির্বাচন উপলক্ষে গাড়ি রিকুইজিশন : বাড়ছে অসন্তোষ

মানুষ তোমাদের অনেক দেখেছে এবার আমাদের সুযোগ দাও :  লালমনিরহাটে জামায়াতে আমির

মানুষ তোমাদের অনেক দেখেছে এবার আমাদের সুযোগ দাও : লালমনিরহাটে জামায়াতে আমির

কচুয়ায় আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে যৌথ বাহিনীর মহড়া

কচুয়ায় আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে যৌথ বাহিনীর মহড়া

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী তুহিনকে বৈধ অস্ত্র বহনে ইসির অনুমতি

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী তুহিনকে বৈধ অস্ত্র বহনে ইসির অনুমতি

চট্টগ্রাম মহানগর ও পার্বত্য চট্টগ্রাম মিলিয়ে সাতটি বাণিজ্যিক আদালত, প্রজ্ঞাপন জারি

চট্টগ্রাম মহানগর ও পার্বত্য চট্টগ্রাম মিলিয়ে সাতটি বাণিজ্যিক আদালত, প্রজ্ঞাপন জারি

মহেশপুর সীমান্তে বিপুল পরিমাণ মাদক ও অবৈধ অনুপ্রবেশকারী আটক

মহেশপুর সীমান্তে বিপুল পরিমাণ মাদক ও অবৈধ অনুপ্রবেশকারী আটক

অবৈধ ভোটের সীল জব্দ, লক্ষ্মীপুরে জামায়াত নেতাসহ দু’জনের নামে মামলা

অবৈধ ভোটের সীল জব্দ, লক্ষ্মীপুরে জামায়াত নেতাসহ দু’জনের নামে মামলা

২৬ অগ্রাধিকার নিয়ে জামায়াতের ইশতেহার ঘোষণা

২৬ অগ্রাধিকার নিয়ে জামায়াতের ইশতেহার ঘোষণা

মায়ানমারে পাচারকালে বিপুল পরিমাণ সিমেন্টসহ ১০ পাচারকারী আটক

মায়ানমারে পাচারকালে বিপুল পরিমাণ সিমেন্টসহ ১০ পাচারকারী আটক

নির্বাচন ঘিরে ৫ হাজার নৌ সদস্য মোতায়েন : নৌবাহিনী প্রধান

নির্বাচনী কেউ যদি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড কিংবা বিশৃঙ্খলার সঙ্গে যুক্ত থাকে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছেন নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান। তিনি বলেন, ‘১৬টি সংসদীয় আসনের ২৫টি উপজেলায় ৫ হাজার নৌবাহিনী সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।’বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে কুতুবদিয়া কন্টিনজেন্ট পরিদর্শন শেষে এমন মন্তব্য করেন নৌপ্রধান।এর আগে বিভাগীয় কমিশনার ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে একটি ব্রিফিংয়ে অংশ নেন তিনি।বলেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে সমুদ্র ও উপকূলীয় এলাকায় নৌবাহিনীর সাতটি জাহাজ মোতায়েন থাকবে, নিয়োজিত থাকবে পাঁচ হাজার নৌবাহিনী সদস্য। নির্বাচন ঘিরে এখনও কিছু চ্যালেঞ্জ আছে, তবে সন্ত্রাসীদের প্রতি কঠোর থকবে নৌবাহিনী।পরিদর্শনকালে নৌবাহিনী প্রধান নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত নৌ কন্টিনজেন্টের সার্বিক কার্যক্রম, নিরাপত্তাব্যবস্থা ও প্রস্তুতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।

১৯ জানুয়ারি ২০২৬, ০৭:০৯ পিএম
বিবিসি বাংলা'র প্রতিবেদন। 
চাপের মুখেই কি দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগ থাকা প্রার্থীদের বৈধ করলো ইসি

বিবিসি বাংলা'র প্রতিবেদন। চাপের মুখেই কি দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগ থাকা প্রার্থীদের বৈধ করলো ইসি

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন
adsfghfjklh;kgjfydhtrsdhjfkglh;j

গালাকে বিশ্বে চীনের চেতনাবাহী মঞ্চ হিসেবে বর্ণনা করলেন দক্ষিণ আফ্রিকার সাংসদ

দক্ষিণ আফ্রিকায় চায়না মিডিয়া গ্রুপ বা সিএমজি’র ‘২০২৬ সালের বসন্ত উৎসব গালার’ তৃতীয় মহড়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এর পরপরই দক্ষিণ আফ্রিকার বৃহত্তম শহর জোহানেসবার্গে সিএমজি বসন্ত উৎসব গালার প্রোমো ভিডিও ও সংশ্লিষ্ট সৃজনশীল সাংস্কৃতিক পণ্য প্রকাশ করা হয়। এর মাধ্যমে স্থানীয় প্রবাসী চীনা এবং দক্ষিণ আফ্রিকার জনগণ চীন থেকে পাঠানো বসন্ত উৎসবের শুভেচ্ছা উপভোগ করার সুযোগ পেয়েছেন।দক্ষিণ আফ্রিকার বৃহত্তম শহর জোহানেসবার্গে ৩ লাখেরও বেশি প্রবাসী চীনা বসবাস করেন। সিএমজি বসন্ত উৎসব গালার প্রোমো ভিডিও প্রকাশের খবরে অনেকেই তা দেখতে ভিড় করেন। দর্শকরা জানান, বিদেশে বসে মাতৃভূমির বসন্ত উৎসবের ভিডিও দেখে তারা অনেক আপন অনুভব করছেন। এর ফলে তারা বসন্ত উৎসবের মর্ম আরও গভীরভাবে উপভোগ করতে পারছেন।দক্ষিণ আফ্রিকার সাংসদ সিলিস মেঙ্গ্যা এর আগে জোহানেসবার্গে সিএমজির বসন্ত উৎসব গালা অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন। পুরানো স্মৃতির কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, সিএমজি বসন্ত উৎসব গালা চীনা সংস্কৃতির একটি আড়ম্বরপূর্ণ ভোজসভার মতো। এটি বিশ্বের কাছে চীনের চেতনা এবং প্রকৃত চিত্র তুলে ধরার একটি চমৎকার মঞ্চ।ঘোড়ার বছর হিসেবে এবারের বসন্ত উৎসব গালা সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার চেতনাকে মূর্ত করে তুলেছে। এটি চীনা জাতির প্রাণবন্ত ও ঊর্ধ্বমুখী চেতনারও প্রকাশ। বিশ্বজুড়ে সম্প্রচারিত এই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানটি কেবল অগণিত দর্শককে পারিবারিক পুনর্মিলনের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার সুযোগই দেয় না, বরং বিভিন্ন সভ্যতার মধ্যে পারস্পরিক শিক্ষা এবং মানুষের মধ্যে সংযোগ বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতু হিসেবে কাজ করে। সূত্র:শুয়েই-তৌহিদ-জিনিয়া,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

সব বিভাগের খবর

শাহরাস্তিতে প্রিমিয়ার লিগের পুরুস্কার বিতরণ

শাহরাস্তি প্রিমিয়ার লিগের প্রথম রাউন্ডের খেলায় পুরস্কার বিতরণ করেছেন চাঁদপুরের শাহরাস্তি প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ। সোমবার (৫ জানুয়ারি) বিকেলে সূচীপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম হারবিঞ্জাস ও নোয়াখালী আশিয়ান স্পোর্টিং ক্লাবের মধ্যে অনুষ্ঠিত ম্যাচটি উপভোগের পর খেলোয়াড়দের মাঝে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরস্কার তুলে দেন শাহরাস্তি প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. মঈনুল ইসলাম কাজল।‎খেলায় চট্টগ্রাম হারবিঞ্জাসকে ৫১ রানের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত করে আশিয়ান স্পোর্টিং ক্লাব নোয়াখালী জয়লাভ করে।জমজমাট এ ম্যাচে দর্শকদের উপচে পড়া ভিড় ও খেলোয়াড়দের নৈপুণ্যে মাঠজুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ।‎ম্যাচে আশিয়ান স্পোর্টিং ক্লাব নোয়াখালীর পক্ষে ফয়সাল অসাধারণ পারফরম্যান্স প্রদর্শন করে ‘গেম চেইনজার’ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। অপরদিকে দুর্দান্ত অলরাউন্ড নৈপুণ্যের জন্য জসিম ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ নির্বাচিত হন।‎পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক স্বপন কর্মকার মিঠুন, সিনিয়র সহ-সভাপতি সজল পাল, সাবেক সভাপতি ফারুক আহমেদ চৌধুরী, সদস্য জসিম উদ্দিন, হাসান আহমেদ, আবু মূসা আল শিহাব।‎উল্লেখ্য, খেলায় শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আধিপত্য বজায় রেখে আশিয়ান স্পোর্টিং ক্লাব নোয়াখালী ৫১ রানের বড় জয় নিশ্চিত করে। যা উপস্থিত দর্শক ও ক্রীড়ানুরাগীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস সৃষ্টি করে।

আইপিএলে বাদ মোস্তাফিজ, বাংলাদেশ ক্রিকেটের অপমান: রাজিন সালেহ (ভিডিও)

মোহাম্মদ আলী সুমন আসন্ন আইপিএল থেকে মোস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়ার ঘটনাকে ঘিরে বাংলাদেশ ক্রিকেটে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। ৯.২ কোটি রুপিতে কলকাতা নাইট রাইডার্সে চুক্তিবদ্ধ হলেও বিসিসিআইয়ের নির্দেশে শনিবার (৩ জানুয়ারি) তাকে ছেড়ে দেয় ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। https://youtu.be/4VXZlvahV3s?si=QAho6T9MgSac2V3J এ সিদ্ধান্তের সুনির্দিষ্ট কারণ জানায়নি বিসিসিআই। তবে ভারতীয় গণমাধ্যমে রাজনৈতিক ও সাম্প্রতিক বাংলাদেশ-ভারত পরিস্থিতির প্রসঙ্গ উঠে এসেছে। বিষয়টিকে দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাহমুদ সুজন। তিনি বলেন, রাজনৈতিক বা ধর্মভিত্তিক প্রভাব থাকলে তা অত্যন্ত হতাশাজনক। জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার রাজিন সালেহ আরও কড়া ভাষায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, “এটা শুধু মোস্তাফিজের নয়, পুরো বাংলাদেশ ক্রিকেটের অপমান। আইপিএলে নিজেকে প্রমাণ করা একজন খেলোয়াড়কে ডেকে আবার না নেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়।” তিনি নিরাপত্তা ইস্যু নিয়েও প্রশ্ন তুলে বলেন, আইপিএলে যদি একজন খেলোয়াড়কে নিরাপত্তা দেওয়া না যায়, তাহলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ দলের ভারত সফর ও বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়েও ভাবতে হবে।

ঝিনাইদহে অনূর্ধ্ব-১৭ জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবল লীগের উদ্বোধন

শাহিনুর রহমান পিন্টু, ঝিনাইদহ ঝিনাইদহে শুরু হয়েছে অনূর্ধ্ব-১৭ জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবল লীগ। সোমবার সকালে শহরের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান স্টেডিয়ামে তিস্তা জোনের এ খেলার উদ্বোধন করা হয়। খেলার উদ্বোধন করেন ঝিনাইদহের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুবীর কুমার দাস। সেসময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোসফেকুর রহমান, যুব ও ক্রীড়া পরিদপ্তরের সাবেক পরিচালক নাজমুল হাসান লোভন, সাবেক জাতীয় ফুটবলার কাইসার হামিদ, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সদস্য ও অনুর্ধ-১৭ ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নশীপের চেয়ারম্যান সাঈদ হাসান কাননসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে পতাকা উত্তোলন শেষে বেলুন উড়িয়ে এ লীগের উদ্বোধন করা হয়। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের আয়োজনে জেলা ফুটবল এ্যাসোসিয়েশনের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত লীগ ভিত্তিতে এ খেলায় খুলনা বিভাগের ৮ টি জেলার ফুটবল দল অংশগ্রহণ করবে। আগামী ৩১ জানুয়ারী পদার্ নামবে এ তিস্তা জোনের এই চ্যাম্পিয়নশিপের। উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হয় ঝিনাইদহ ফুটবল একাদশ বনাম নড়াইল ফুটবল একাদশ। তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় তৈরি করতেই এই আয়োজন বলে জানায় আয়োজকরা।

নীলফামারীতে ভলিবল ও কাবাডি প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত

নীলফামারী প্রতিনিধি নীলফামারীতে মাদক বিরোধী ভলিবল ও কাবাডি প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা প্রশাসন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে এই দুই ক্রীড়া প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়। জলঢাকা উপজেলার খুটামারা ইউনিয়নের টেঙ্গনমারী ডিগ্রী কলেজ মাঠে ভলিবল ও সদর উপজেলার খোকশাবাড়ি ইউনিয়নের সন্নাসীতলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে কাবাডি প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়। কাবাডি প্রতিযোগীতায় নীলফামারীকে হারিয়ে ডোমার এবং ভলিবলে কিশোরগঞ্জকে হারিয়ে জলঢাকা উপজেলা চ্যাম্পিয়ন হয়। খেলা শেষে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স আপ দলের হাতে প্রধান অতিথি থেকে ট্রপি তুলে দেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান। বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফয়জুল ইসলাম ও ফারুক আহমেদ, জলঢাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জায়িদ ইমরুল মুজাক্কিন, সহকারী কমিশনার(ভুমি) মোল্লা ইফতেখার আহমেদ, নীলফামারী থানার অফিসার ইনচার্জ জিল্লুর রহমান, জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা আবুল হাসেম বক্তব্য দেন। মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আনিসুর রহমান খাঁন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। জেলা ক্রীড়া কার্যালয়ের সহযোগীতায় এই দুই প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়। মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নীলফামারী জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আনিসুর রহমান খাঁন জানান, প্রতিযোগীতার মাধ্যমে আমরা সমাজে একটি ম্যাসেস দিতে চাই। যেটি হলো মাদককে না বলুন, মাদকের বিরুদ্ধে সচেতনতা গড়ে তুলুন। বলেন, মাদক একটি সামাজিক ব্যাধি আমাদের সর্বনাশ করে দিচ্ছে এখনই মাদকের বিরুদ্ধে একহতে হবে। ‘এসো দেশ বদলাই পৃথিবী বদলাই’ প্রতিপাদ্যে নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে তারুণ্যের উৎসব ঘিরে এই প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়।

বরুড়ায় মরহুম হাজী নোয়াব আলী স্মৃতি স্মরনে ডাবল ফ্রিজ কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন

মোঃ ইলিয়াছ আহমদ, বরুড়া কুমিল্লার বরুড়ায় মরহুম হাজী নোয়াব আলী'র স্মৃতির স্মরণে ডাবল ফ্রিজ কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৫ শুরু হয়েছে। ক্রীড়াই শক্তি ক্রীড়াই বল মাদক ছেড়ে খেলতে চল, এ প্রতিপাদ্যের আলোকে গতকাল ১৮ ডিসেম্বর বিকাল ৩.৩০ মিনিটে বরুড়া হাজী নোয়াব আলী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দাতা পরিবারের সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আক্তার হোসেন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরুড়া থানা অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আজহারুল ইসলাম। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন আজকের খেলার সুন্দর আয়োজন দেখে আমি আনন্দিত হয়েছি আমি চাই এ ধরনের খেলা গ্রাম অঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়ুক আমরা চাই একটি মাদকমুক্ত ও নেশা মুক্ত সমাজ গড়তে তখন মানসিক ও পারিবারিক ভাবে স্বস্তিতে থাকবো, আমরা মাদকের আসক্ত থেকে বিরত থাকতে পারবো, ভবিষ্যতে এ ধরনের আয়োজনে তিনি পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমড়াতলী মরহুম আবু তাহের স্মৃতি ফাউন্ডেশন এর চেয়ারম্যান মোঃ আবু সায়েম। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন আমরা চাই যুবসমাজ খেলাধুলার মাধ্যমে মাদকের করাল গ্রাস থেকে বিরত থাকুক সুস্থ ও সুন্দর জীবন গড়ে তুলুক এ ধরনের পরিবেশে আমড়াতলী মরহুম আবু তাহের স্মৃতি ফাউন্ডেশন বরাবরই সহযোগিতা করে আসছে ভবিষ্যতেও যুব সমাজকে মাদক থেকে বীরত্ব রাখতে শিক্ষার কল্যাণে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন। এদিন অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বরুড়া হাজী নোয়াব আলী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মেধাদ উদ্দিন, ওরাই আপনজন সামাজিক সংগঠন বরুড়া কুমিল্লার সহসভাপতি মোঃ জামাল হোসেন, ঘোষ্পা ব্লাড ব্যাংকের সভাপতি মোঃ মানিক হোসেন, কাতার প্রবাসী মোঃ মহিন উদ্দিন, প্রমুখ। ১৮ টি দল অংশ গ্রহণ করে এ টুর্ণামেন্টে। নক আউট পদ্ধতিতে এ খেলা চলবে।

রাঙামাটিতে ক্লাব আরজিটির উদ্যোগে ডে-নাইট ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন

মো. কাওসার, রাঙামাটি রাঙ্গামাটি শহরের ভেদভেদি মুসলিম পাড়ায় ক্লাব আরজিটি’র উদ্যোগে ডে-নাইট মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) বিকাল ৪টায় আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রতিযোগিতার পর্দা ওঠে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে খেলাপ্রেমী শতাধিক দর্শকের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সদস্য মো. হাবীব আজম। প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, “সুস্থ দেহে গড়ে ওঠে সুস্থ মন। তরুণ সমাজকে মাদক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। এ ধরনের উদ্যোগ তরুণদের ইতিবাচক পথে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।” তিনি এ ধরনের আয়োজন নিয়মিত করার আহ্বান জানান। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন বৃহত্তর মুসলিম পাড়া সমাজ কমিটির সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, “যুব সমাজকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে ও সামাজিক সম্প্রীতি জোরদারে খেলাধুলা অন্যতম মাধ্যম। এই টুর্নামেন্ট স্থানীয় তরুণদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা যোগাবে।” উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নানিয়ারচর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও বিশিষ্ট সমাজসেবক মোহাম্মদ নুরুজ্জামান। তিনি বলেন, “যুবকদের প্রতিভা বিকাশে এমন উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। খেলাধুলার মাধ্যমে সমাজে শান্তি, শৃঙ্খলা ও ভ্রাতৃত্ববোধ বৃদ্ধি পায়।” বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মো. ওমর মোরশেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আলভি হাসান নাঈমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। টুর্নামেন্ট পরিচালনা কমিটির আহবায়ক মো. নাঈম সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠান শেষে উদ্বোধনী ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজকরা জানান, টুর্নামেন্টে পৌর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডের মোট ২০ টি দল অংশ নিচ্ছে এবং রাত পর্যন্ত ম্যাচগুলো চলবে। তারা আশা প্রকাশ করেন, এই টুর্নামেন্টকে কেন্দ্র করে এলাকার তরুণদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হবে এবং ইতিবাচক সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ বাড়বে।

কিছু অপ্রিয় সত্য / বিদেশের সিল পড়লেই কি সিনেমা ‘ভালো’ হয়ে যায়?

​ইদানীং একটা ট্রেন্ড খুব চোখে পড়ছে। কোনো সিনেমা ইউরোপের কোনো ফেস্টিভ্যালে সিলেক্ট হলেই আমরা ধুমধাম করে বলে ফেলি—“দেশের নাম উজ্জ্বল হলো!” ফেসবুকে অভিনন্দনের বন্যা বয়ে যায়। কিন্তু স্যার, হাততালি দেওয়ার আগে একটু থামেন। কিছু অস্বস্তিকর প্রশ্ন করার সময় এসেছে।​কারণ, আন্তর্জাতিক ফেস্টিভ্যাল মানেই ‘সেরা’—এই ধারণাটা সব সময় খাটে না। বরং অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, ওইসব ফেস্টিভ্যালের জুরিদের ‘রুচি’ আর ‘এজেন্ডা’র সাথে আমাদের সিনেমাটা মিলে গেছে বলেই সেটা সিলেক্ট হয়েছে।​১. এটা কি সিনেমা, নাকি এনজিও প্রোজেক্ট?সোজাসুজি বলি—ইউরোপের ফেস্টিভ্যালগুলোর একটা নিজস্ব ‘চেকপয়েন্ট’ আছে। এরা তৃতীয় বিশ্বের দেশ থেকে সাধারণত এমন সিনেমাই খোঁজে যেখানে—দারিদ্র্য থাকবে, পলিটিক্যাল ক্যাচাল থাকবে, রাষ্ট্র বনাম ব্যক্তির হাহাকার থাকবে।সমস্যা এই টপিকগুলো নিয়ে না, সমস্যা হলো ট্রিটমেন্ট নিয়ে। মনে হয় পরিচালকরা দেশের দর্শকের জন্য গল্প না বলে, বিদেশের জুরিদের খুশি করার জন্য একটা ‘এক্সপোর্ট কোয়ালিটি ন্যারেটিভ’ বানাচ্ছেন। সিনেমার প্রাণ বা গল্পের চেয়ে সেখানে ‘ইস্যু’ বিক্রি করাটাই মুখ্য হয়ে দাঁড়ায়। এটা কি সিনেমা, নাকি ফেস্টিভ্যালের জন্য বানানো প্যাকেজ?​২. থ্রিলারের নামে ‘ঘুমপাড়ানি’ লেকচারযে ছবিটা নিয়ে এত কথা হচ্ছে, সেটা নাকি ‘পলিটিক্যাল থ্রিলার’। ভাই, থ্রিলার মানে তো বুঝি—বুকের ধড়ফড়ানি বাড়বে, ঘটনার ঘনঘটা থাকবে, টানটান উত্তেজনা থাকবে।কিন্তু আমাদের তথাকথিত ‘আর্ট ঘরানার’ থ্রিলারে কী দেখি?গল্প আগায় না, খালি লম্বা লম্বা শট, আর রূপকের আড়ালে পরিচালকের ভারী ভারী স্টেটমেন্ট। আপনি সিনেমা দেখতে বসলেন বিনোদনের জন্য, আর পেলেন রাজনৈতিক ভাষণ। মেসেজ থাকুক, কিন্তু সেটা গল্পের ঘাড় মটকে কেন?​৩. সেই এক মুখ, সেই এক অভিনয়কাস্টিং নিয়ে কথা বলতেও ক্লান্তি লাগে। সেই পরিচিত মুখ, সেই চেনা ভঙ্গি। ওই অভিনেতা নিঃসন্দেহে ভালো, কিন্তু তাকে দিয়ে আর কতবার একই ধরনের ‘সিরিয়াস/গম্ভীর’ চরিত্র করাবেন? পর্দায় তাকে দেখলে এখন আর চরিত্র মনে হয় না, মনে হয়—‘ওহ, উনি তো এমনই করেন’।থ্রিলারে যদি দর্শক দেখেই বুঝে ফেলে অভিনেতা এখন কী এক্সপ্রেশন দেবেন, তাহলে সাসপেন্স থাকে কোথায়? নিরাপদ কাস্টিংয়ের এই আলসেমি থেকে পরিচালকরা কবে বের হবেন?​৪. সিলেকশন নাকি কানেকশন?আমরা সাধারণ দর্শকরা ভাবি, সিনেমা ভালো তাই সিলেক্ট হয়েছে। কিন্তু পর্দার পেছনের ‘লবিং’ বা ‘নেটওয়ার্কিং’-এর খবর কজন রাখি? ফেস্টিভ্যাল প্রোগ্রামারদের সাথে খাতির আর বর্তমান ট্রেন্ডের সাথে খাপ খাওয়ানো—এগুলো অনেক সময় সিনেমার মানের চেয়েও বড় হয়ে দাঁড়ায়।​শেষ কথা:বিদেশের মাটিতে দেশের ছবি যাওয়া অবশ্যই গর্বের। কিন্তু সেটা যেন শুধু ‘ফেস্টিভ্যাল ফ্রেন্ডলি’ ডার্ক বাংলাদেশ না হয়। আমরা চাই এমন সিনেমা যা ফেস্টিভ্যালের জুরিদের জন্য না, বরং আমাদের মাটির গল্পের জন্য বানানো।​সিনেমা যেন ‘প্রোডাক্ট’ না হয়ে, সত্যি সত্যিই ‘সিনেমা’ হয়ে ওঠে—এই আশাটা কি খুব বেশি?

এক দশক পর ফের মিউজিক ভিডিওতে বুলবুল টুম্পা

এক দশক পর আবারও মিউজিক ভিডিওতে মডেল হলেন র‌্যাম্প মডেল ও কোরিওগ্রাফার বুলবুল টুম্পা। জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ফেরদৌস ওয়াহিদ ও খন্দকার বাপ্পির ‘ফাঁকি’ শিরোনামের একটির গানের ভিডিওতে দেখা যাবে তাকে।তারেক আনন্দের কথায় গানটির সংগীত পরিচালনা করেছেন মেহেদী বাপন। গেল রবিবার গানটির শুটিং শেষ হয়েছে।এ মিউজিক ভিডিওতে কাজ করা প্রসঙ্গে বুলবুল টুম্পা বলেন, ‘‘গানটির কথা ও সুরের সঙ্গে ভিডিওর পরিকল্পনাটি সুন্দর ছিল। এ কারণে গানটির পুরো আয়োজন আমার ভালো লেগেছে। দীর্ঘ সময় পর মিউজিক ভিডিওতে কাজ করেছি। এ সময়ে আরও অনেকে কাজ করার অনুরোধ করেছেন। যারা আমাকে মিউজিক ভিডিওতে দেখতে চেয়েছেন এটি তাদের ভালো লাগবে বলতে পারি।’’গানটি প্রসঙ্গে খন্দকার বাপ্পি বলেন, ‘‘এক প্রজন্ম যেন আরেক প্রজন্মকে ছুঁয়ে যায় তেমন গান এটি। এখানে ফেরদৌস ওয়াহিদ ভাইয়ের সঙ্গে আমিও কণ্ঠ দিয়েছি। এর আগেও আমাদের দুজনের ‘নাচ পাগলা’ শিরোনামের একটি গান এসেছিল। শ্রোতারা সেটি বেশ পছন্দ করেছিলেন। সে ধারাবাহিকতায় নতুন গান করার পরিকল্পনা নিয়েছি।’’গীতিকার তারেক আনন্দ বলেন, ‘‘এ গানটি আমি সুরের ওপর লিখেছি। এটি প্রেম, ভালোবাসার গান না। তবু লেখার চেষ্টা করেছি। এরমধ্যে গানটির ভিডিওর কাজও শেষ হয়েছে। আশা করি শ্রোতাদের হয়তো ভালো লাগবে গানটি।’’

ম্যাজিক বাউলিয়ানায় বিচারক হিসেবে দক্ষতার পরিচয় দিলেন লাভলী দেব

এবার ম্যাজিক বাউলিয়ানার ৫ম আসরে সুষ্ঠু নিরপেক্ষ বিচার প্রক্রিয়ায় সত্যিকার ম্যাজিক দেখালেন বিশিষ্ট লোকসংগীত শিল্পী লাভলী দেব। বাছাই প্রক্রিয়ায় বিচারক হিসেবে এবং স্টুডিও রাউন্ডে মেন্টর হিসেবে দক্ষতার পরিচয় দিয়ে সুধীজনের প্রশংসা অর্জন করে নিয়েছেন তিনি। ২০২২ সাল থেকে ম্যাজিক বাউলিয়ানার সাথে সম্পৃক্ত রয়েছেন জন্মসূত্রে সিলেটি কন্যা  প্রখ্যাত লোকসংগীত শিল্পী লাভলী দেব। এবছর  বাংলাদেশের সবচেয়ে বড়ো লোকসংগীতের  এই রিয়েলিটি শো'তে তার ভূমিকা ছিলো বৈচিত্র্যে ভরপুর।এবারই প্রথম কোনও রিয়েলিটি শো তে  প্রতিযোগিতায় শুধু সিলেট অঞ্চলের ১৯জন  গীতিকারের লেখা লোকসংগীত প্রচারে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছেন তিনি। ১৯জন প্রতিযোগির কণ্ঠে তিনি তুলে দিয়েছেন সিলেটের লোকগান। যে সব লোককবিদের গান প্রচারিত হয়েছে ম্যাজিক বাউলিয়ানায় তারা হলেন, সৈয়দ শাহনুর শাহ, শিতালং শাহ, দ্বীন ভবানন্দ, হাছন রাজা, রাধারমণ দত্ত, শাহ আবদুল করিম, দুর্বিন শাহ, আরকুম শাহ, শেখ ভানু, ক্বারী আমির উদ্দিন, এ. কে.আনাম, কফিলউদ্দিন সরকার, খোয়াজ মিয়া, পাগল হাছান ওজাহাঙ্গীর রানা।২০২৫ সালের ম্যাজিক বাউলিয়ানায় প্রাথমিক শিল্পী নির্বাচন প্রক্রিয়ায় জাতীয় পর্যায়ে অন্যান্য আরও গুনী  বিচারক যুক্ত ছিলেন কিন্তু তার মধ্যে লাভলী দেব অন্যতম।দেশের  প্রতিটি বিভাগে শিল্পী নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তিনি। আঞ্চলিক পর্বগুলোতে নির্দিষ্ট অঞ্চলের বিচারকরাও বিচারকার্যে যুক্ত ছিলেন স্টুডিও রাউন্ডে পালন করেছেন মেন্টরের দায়িত্ব। এ পর্বের অন্য দুজন মেন্টর হলেন লোকসংগীতশিল্পী খায়রুল ইসলাম এবং কামরুজ্জামান রাব্বি। সেরা ১৯জন শিল্পীর মধ্যে ৭ জন প্রতিযোগি ছিলো উনার তত্বাবধানে, যারা সবাই লটারির মাধ্যমে যার  যার গ্রুপে যুক্ত হয়েছিলো।  মেন্টর ছিলেন তিনি ৭ জনের  তবে ১৯ জনের কণ্ঠেই  তুলে দিতে চেষ্টা করেছেন আমাদের  লোকগান।বর্তমানে লাভলী দেব এর গ্রুপের  ৭জনের মধ্যে ৩জনই সেরা ৫-এ স্থান পেয়েছে।প্রতিযোগিতার আদ্যপান্ত নিয়ে লাভলী দেবের ভাষ্য হচ্ছে, আমরা সারাদেশ থেকে যাদের নিয়ে এসেছি তারা প্রত্যেকেই অসাধারণ প্রতিভার অধিকারী। লোকসংগীতশিল্পী হিসেবে সকলেই দক্ষ। যারা সেরা ৫-এ আসতে পারেনি সেটা প্রতিযোগিতার কারণে। কিন্তু তারা প্রত্যেকেই লোকসংগীতকে নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। তিনি কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন,  প্রথমত আমাদেরকে স্বাধীন ভাবে কাজ করার সুযোগ দিয়েছেন পুরো স্কয়ার গ্রুপ। আমার জানামতে এ পর্যন্ত বাংলাদেশের কোনো রিয়েলিটি শোতে সিলেট অঞ্চলের এতো গান উপস্থাপিত হয়নি। এর জন্য বিশেষ কৃতজ্ঞতা সারা বাংলাদেশ থেকে আসা প্রতিযোগিদের এই গান তুলে দিতে কি পরিমাণ শ্রম দিতে হয়েছে তা শুধু ঈশ^রই জানেন। আমি চেষ্টায় কোনও ত্রুটি করিনি।তবুও কাজ করতে গেলে কিছু অনিচ্ছা সত্ত্বেও ভুল হয়ে যায়। ‘বাউল সুরে দেখাও তোমার ম্যাজিক’ এই স্লোগানে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ফোক রিয়েলিটি শো-‘ম্যাজিক বাউলিয়ানা’। স্কয়ার টয়লেট্রিজ গ্রুপের সান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে মিডিয়াকম লিমিটেডের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এই জনপ্রিয় শো’র মিডিয়া পার্টনার মাছরাঙা টেলিভিশন।

কোন পোস্ট নেই !

চট্টগ্রাম মহানগর ও পার্বত্য চট্টগ্রাম মিলিয়ে সাতটি বাণিজ্যিক আদালত, প্রজ্ঞাপন জারি

বাণিজ্যিক বিরোধ দ্রুত ও কার্যকরভাবে নিষ্পত্তির জন্য প্রথমবারের মতো ঢাকা মহানগরসহ সারা দেশে বাণিজ্যিক আদালত প্রতিষ্ঠা করেছে সরকার। ‘বাণিজ্যিক আদালত অধ্যাদেশ, ২০২৬’-এ দেওয়া ক্ষমতা বলে সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শ করে বাণিজ্যিক আদালত প্রতিষ্ঠা করে মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ঢাকা মহানগরে তিনটি এবং চট্টগ্রাম মহানগরে দুটি বাণিজ্যিক আদালত প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এ ছাড়া গাজীপুর, সিলেট, রাজশাহী, রংপুর, খুলনা ও বরিশাল মহানগরের জন্য একটি করে পৃথক বাণিজ্যিক আদালত গঠন করা হয়েছে। ফলে সারাদেশের মহানগর এলাকাগুলোতে মোট ১১টি বাণিজ্যিক আদালত থাকছে। মহানগরের আদালতগুলোসহ জেলা পর্যায়ের সব আদালত মিলিয়ে দেশে মোট ৭৫টি বাণিজ্যিক আদালত প্রতিষ্ঠা করা হলো। ঢাকা মহানগরে রাখা হয়েছে ৩টি বাণিজ্যিক আদালত।এদিকে প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী বৃহত্তর চট্টগ্রামে, চট্টগ্রাম মহানগরে দুই বাণিজ্যিক আদালত যথাক্রমে বাণিজ্যিক আদালত-১, চট্টগ্রাম মহানগর (কোতয়ালী, সদরঘাট, চকবাজার, কর্ণফুলী, পতেঙ্গা, ইপিজেড, বন্দর, অবলমুরিং থানা) ও বাণিজ্যিক আদালত-২, চট্টগ্রাম মহানগর (চান্দগাঁও, বাকলিয়া, পাঁচলাইশ, খুলশী, পাহাড়তলী, বায়েজিদ বোস্তামী, হালিশহর, আকবর শাহ থানা) রয়েছে। এদিকে খাগড়াছড়ি জেলায় র‍য়েছে বাণিজ্যিক আদালত-খাগড়াছড়ি ,রাঙ্গামাটি জেলায় বাণিজ্যিক আদালত-রাঙ্গামাটি, বান্দরবান জেলায় বানিজ্যিক আদালত-বান্দরবান এবং কক্সবাজার জেলায় বাণিজ্যিক আদালত-কক্সবাজার।চট্টগ্রাম মহানগরে দুটি বাণিজ্যিক আদালত গঠন করা হয়েছে। বাণিজ্যিক আদালত-১ এর এখতিয়ারাধীন এলাকার মধ্যে রয়েছে—কোতোয়ালি, সদরঘাট, চকবাজার, কর্ণফুলী, পতেঙ্গা, ইপিজেড, বন্দর ও ডবলমুরিং থানা।বাণিজ্যিক আদালত-২ এর অধীনে থাকবে চান্দগাঁও, বাকলিয়া, পাঁচলাইশ, খুলশী, পাহাড়তলী, বায়েজিদ বোস্তামী, হালিশহর ও আকবর শাহ থানা। চট্টগ্রাম জেলার (মহানগর এলাকা ছাড়া) জন্য পৃথক বাণিজ্যিক আদালত থাকছে।বৃহত্তর চট্টগ্রামে বাণিজ্যিক আদালতসমূহ নিম্নে:১. বাণিজ্যিক আদালত, চট্টগ্রাম চট্টগ্রাম জেলা (মহানগর এলাকা ব্যতীত)২. বাণিজ্যিক আদালত-১, চট্টগ্রাম মহানগর (কোতয়ালী, সদরঘাট, চকবাজার, কর্ণফুলী, পতেঙ্গা, ইপিজেড, বন্দর, ডবলমুরিং থানা)৩. বাণিজ্যিক আদালত-২, চট্টগ্রাম মহানগর (চান্দগাঁও, বাকলিয়া, পাঁচলাইশ, খুলশী, পাহাড়তলী, বায়েজিদ বোস্তামী, হালিশহর, আকবর শাহ থানা)৪. বাণিজ্যিক আদালত, খাগড়াছড়ি (খাগড়াছড়ি জেলা)৫. বাণিজ্যিক আদালত, রাঙ্গামাটি (রাঙ্গামাটি জেলা)৬. বানিজ্যিক আদালত, বান্দরবান (বান্দরবান জেলা)৭. বাণিজ্যিক আদালত, কক্সবাজার (কক্সবাজার জেলা)

কোন পোস্ট নেই !

নিখোঁজের ১৫ দিন পর সন্তানের সঙ্গে পরিবারের পুনর্মিল

১৫ দিন আগে নিখোঁজ হওয়া আনিসুর রহমান (মুছা) (৮) নামের এক শিশু অবশেষে ফিরে পেল তার পরিবার। ডেমরার একটি মাদ্রাসা থেকে নিখোঁজ হওয়া এই শিশুকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী শিশু উন্নয়ন ও শিশু অধিকার বাস্তবায়ন সংগঠন লোকাল এডুকেশন এন্ড ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (লিডো)।দীর্ঘ ১৫ দিন পর সন্তানকে ফিরে পেয়ে আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়ে শিশুটির পরিবার। আজ বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে মুগদা থানার ১৭৭ নং সাধারণ ডায়েরির (জিডি) মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে শিশু মুছাকে তার বাবা-মায়ের হাতে তুলে দেন লিডোর প্রতিনিধিরা। এ সময় সন্তানকে বুকে জড়িয়ে ধরে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন শিশুটির বাবা-মা। চোখের পানি, হাসি আর কৃতজ্ঞতায় ভরে ওঠে চারপাশের পরিবেশ—এক হৃদয়ছোঁয়া মানবিক মুহূর্তের সাক্ষী হয় উপস্থিত সবাই।শিশু আনিসুর রহমান (মুছা) কিশোরগঞ্জ জেলার পিটুয়া গ্রামের মোঃ ইদ্রিস মিয়ার ছেলে।লিডোর ট্রানজিশনাল শেল্টার ‘সেতুবন্ধন’, কমলাপুর শাখার সমাজকর্মীরা জানান, লিডো দীর্ঘদিন ধরে পথশিশু ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা শিশুদের নিয়ে কাজ করে আসছে। হারিয়ে যাওয়া শিশুদের পরিবার খুঁজে বের করে পুনর্মিলন, অনাথ ও এতিম শিশুদের পুনর্বাসন, শিশুদের অধিকার বাস্তবায়ন এবং সার্বিক উন্নয়ন এসবই তাদের নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ।তারা আরও জানান, গত ২১ জানুয়ারি মুগদা থানার ১২৭৫ নং জিডির মাধ্যমে শিশু মুছাকে উদ্ধার করে সেতুবন্ধন শেল্টার কমলাপুরে নিরাপদ আশ্রয় দেওয়া হয়। উদ্ধারের সময় থানায় শিশুটির সঙ্গে কাউন্সেলিং করে জানা যায়, সে মাদ্রাসায় আর পড়তে না চাওয়ায় অন্য এক শিশুর সহযোগিতায় সেখান থেকে পালিয়ে আসে। আজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে শিশুটির পরিবারের খুজে বের করা হয় ।শিশু মুছার পরিবার জানায়, গত ২০ জানুয়ারি হঠাৎ করেই সে মাদ্রাসা থেকে বের হয়ে যায় এবং আর ফিরে আসেনি। এরপর আত্মীয়-স্বজনসহ সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ চালানো হয় এবং পোস্টার ও লিফলেট বিতরণ করা হয় পত্রিকায় নিখোঁজ বিজ্ঞপ্তি ছাপানো হয়। অবশেষে লিডোর সহযোগিতায় সন্তানকে ফিরে পেয়ে পরিবারটি গভীর আনন্দ ও স্বস্তি প্রকাশ করে।শিশুটির পরিবার লিডোর এই মানবিক ও মহৎ উদ্যোগের সঙ্গে জড়িত সকলের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।শিশু মুছাকে হস্তান্তরের সময় উপস্থিত ছিলেন মুগদা থানার ডিউটি অফিসার, নারী ও শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা এসআই হাসনা হেনা, লিডোর কমলাপুর শেল্টারের সমাজকর্মী জনাব মাহফুজুর রহমান, সাহেলা খান, রিমু এবং মাসুদ মাহাতাব।উল্লেখ্য, লিডো দীর্ঘদিন ধরে পথশিশুদের সুরক্ষা, অধিকার প্রতিষ্ঠা ও পুনর্বাসনে নিরলসভাবে কাজ করে আসছে। ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা শিশুদের উদ্ধার, পরিবারে পুনর্মিলন, পুনর্বাসন, মোবাইল স্কুল, পথশালা এবং নানাবিধ সহায়তা কার্যক্রমের মাধ্যমে সংগঠনটি মানবিক সেবার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছে।

অপসারণ দাবি / খুনের মামলার আসামিদের নিয়ে সমাজসেবা কর্মকর্তার ‘গোপন বৈঠক

​সাভার উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা কে এম শহীদুজ্জামানের বিরুদ্ধে জুলাই বিপ্লবের চেতনা পরিপন্থী কর্মকাণ্ড এবং হত্যা মামলার পলাতক আসামিদের মদত দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক বরাবর দায়ের করা এক অভিযোগে ‘মসজিদ সমাজ বাংলাদেশ’ জানিয়েছে, একজন সরকারি গেজেটেড কর্মকর্তা হওয়া সত্ত্বেও তিনি ফেরারি আসামিদের সুরক্ষা দিতে নেপথ্যে কাজ করছেন।​ফেরারি আসামিদের সঙ্গে গোপন বৈঠক​অভিযোগ অনুযায়ী, গত ৯ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে রাজধানীর লালমাটিয়ায় ‘মসজিদ সমাজ বাংলাদেশ’-এর কার্যালয়ে অভিযুক্ত কর্মকর্তার উপস্থিতিতে একটি গোপন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত বৈঠকে যাত্রাবাড়ী থানার হত্যা মামলার (নং ১০০(১)২৫ এবং সিআর ৫৬০/২৪) এজাহারভুক্ত ১৯২, ১৯৩ ও ১৯৪ নম্বর আসামি যথাক্রমে দেওয়ান মো. মিজানুর রহমান, রফিকুল ইসলাম জজ এবং সেলিম মিয়া উপস্থিত ছিলেন।​একজন প্রথম শ্রেণির সরকারি কর্মকর্তা হয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে কীভাবে ফেরারি আসামিদের সঙ্গে সভা করলেন, তা নিয়ে প্রশাসনের ভেতরে-বাইরে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে।​প্রতিষ্ঠান দখল ও রাজনৈতিক সিন্ডিকেটের অভিযোগ​অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, কে এম শহীদুজ্জামান সাবেক বিতর্কিত মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানকের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। ছাত্র-জনতার বিপ্লবের পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলেও তিনি একটি বিশেষ সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কৌশলে সাভারে পুনরায় বহাল হন।​তিনি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ‘মসজিদ সমাজ বাংলাদেশ’-কে ব্যবহার করে বিতর্কিত ব্যক্তিদের পুনর্বাসনের চেষ্টা চালান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। তবে প্রতিষ্ঠানের বর্তমান সভাপতি ও প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক জনাব নওয়াব আলী ভূইয়ার দৃঢ় অবস্থানের কারণে সেই অপচেষ্টা সফল হয়নি।​আচরণবিধি লঙ্ঘন ও নৈতিক স্খলন​শহীদুজ্জামানের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯ লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে। তার ব্যক্তিগত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিগত সরকারের প্রচারণা এবং বিপ্লব পরবর্তী সময়ে সন্দেহভাজন কর্মকাণ্ডকে প্রশাসনের নিরপেক্ষতার জন্য হুমকি হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।​"জুলাই বিপ্লবের শহীদদের রক্তের সঙ্গে বেঈমানি করে খুনিদের সঙ্গে বৈঠক করা রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল। আমরা তাকে দ্রুত অপসারণ করে বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে কঠোর শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।" > — মো. জাহাঙ্গীর আলম, সাংগঠনিক কর্মকর্তা, মসজিদ সমাজ বাংলাদেশ।​পরবর্তী পদক্ষেপ​জানা গেছে, অভিযোগের অনুলিপি ইতিমধ্যে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর পাঠানো হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত দৃশ্যমান পদক্ষেপ না এলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংক্ষুব্ধ পক্ষটি।

বাসর রাতে মুখ ধোয়ার পর বদলে গেল কনে, আদালতে মামলা, কারাগারে বর

বিয়ের পর বাসরঘর, আলো-ছায়ার ভেতর নতুন জীবনের শুরু সব ঠিকঠাকই চলছিল। কিন্তু কনে মুখ ধোয়ার সঙ্গে সঙ্গেই যেন থমকে যায় সবকিছু। রায়হান কবিরের অভিযোগ যে মেয়েকে বিয়ের আগে দেখানো হয়েছিল, বাসর রাতে সেই মেয়ে ছিলেন না। মুহূর্তেই আনন্দের ঘর রূপ নেয় অভিযোগ, সন্দেহ আর মামলার জালে। এই ‘কনে বদল’ অভিযোগকে কেন্দ্র করে ঠাকুরগাঁও জেলাজুড়ে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা ও কৌতূহল। সত্যিই কি পরিকল্পিত প্রতারণা, নাকি এটি একটি ভয়াবহ ভুল বোঝাবুঝি এই প্রশ্নের উত্তর খুজছে সাধারণ মানুষ।ঘটনাটি ঘটেছে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার ভান্ডার এলাকায়। এখানেই জিয়ারুল হকের মেয়ের সঙ্গে বিয়ে হয় পার্শ্ববর্তী পীরগঞ্জ উপজেলার চন্ডিপুর এলাকার মৃত ইব্রাহীমের ছেলে রায়হান কবিরের। বিয়ের মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে সেই দাম্পত্য সম্পর্ক গড়ায় আদালত আর কারাগার পর্যন্ত! ঘটনার পর বিষয়টি মীমাংসার জন্য একাধিকবার দুই পক্ষ আলোচনায় বসলেও কোনো সমাধান হয়নি। পরে গত বছরের ২৭ আগস্ট কনের বাবা জিয়ারুল হক বর রায়হান কবির ও তার দুলাভাই মানিক হাসানকে আসামি করে ঠাকুরগাঁও আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। এর পাল্টা হিসেবে ২ সেপ্টেম্বর রায়হান কবির কনের বাবা জিয়ারুল হক ও ঘটক মোতালেবকে আসামি করে আরেকটি মামলা করেন।উভয় পক্ষের মামলার প্রেক্ষিতে সোমবার (১৯ জানুয়ারি) আদালত রায়হান কবিরের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। রায়হান কবিরের মামা বাদল অভিযোগ করে সাংবাদিকদের বলেন, ঘটক মোতালেবের মাধ্যমে রায়হান কবিরের জন্য পাত্রী খোজা হচ্ছিল। জুলাই মাসের শেষের দিকে রাণীশংকৈলের শিবদিঘী এলাকার একটি চায়ের দোকানে ঘটক একটি মেয়েকে দেখান। মেয়েটিকে পাত্র ও উপস্থিত স্বজনদের পছন্দ হলে তা ঘটককে জানানো হয়। পরবর্তীতে মেয়েপক্ষের লোকজন তাদের বাড়িতে এসে আত্মীয়তার প্রস্তাব দেয় এবং নতুন করে মেয়ে না দেখেই বিয়ের আয়োজন সম্পন্ন করার অনুরোধ জানায়। দ্রুত বিয়ে সম্পন্ন করার তাগিদও ছিল বলে জানান তিনি।তিনি আরও বলেন, রায়হান কবিরের দুলাভাই মানিক মালয়েশিয়া প্রবাসী। তিনি দ্রুত বিদেশে ফিরে যাবেন এ কারণে আমরা বিয়ের কাজ তাড়াতাড়ি শেষ করতে চেয়েছিলাম। ১ আগস্ট রাত ১১টায় দুটি মাইক্রোবাসে করে আমরা মেয়ের বাড়িতে যাই। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে ভোর ৪টার দিকে বাড়ি ফিরি। তিনি অভিযোগ করে বলেন, অতিরিক্ত মেকআপের কারণে বিয়ের রাতে কনে পরিবর্তনের বিষয়টি আমরা বুঝতে পারিনি। তবে বাসর রাতে মেয়ে মুখ ধোয়ার পর রায়হান কবির বুঝতে পারে, সে যে মেয়েকে বিয়ে করেছে সে অন্য কেউ। যে মেয়েকে আগে দেখানো হয়েছিল, তাকে কৌশলে বদল করা হয়েছে। ২ আগস্ট আমরা মেয়েটিকে তার বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দিই এবং প্রতারণার কারণ জানতে চাই। আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস, ঘটক ও মেয়ের বাবা পরিকল্পিতভাবে আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করে কনের বাবা জিয়ারুল হক বলেন,তার কোনো ছেলে সন্তান নেই। তিন মেয়ের মধ্যে বড় মেয়ের বিয়ে হয়েছে। দ্বিতীয় মেয়ে জেমিন আক্তার রাণীশংকৈল মহিলা কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। ছেলেপক্ষ আমাদের বাসায় এসে মেয়েকে দেখে গেছে। বিয়ের অনুষ্ঠানে প্রায় ৭০ জন বরযাত্রী উপস্থিত ছিল। এমন অবস্থায় বিয়ের রাতে কনে বদল হয়েছে এটা বিশ্বাসযোগ্য নয়।তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিয়ের আগে কোনো যৌতুকের কথা বলা হয়নি। কিন্তু বিয়ের পরদিনই তারা ১০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে। আমি জমি বিক্রি করে দেওয়ার কথাও বলেছি, কিন্তু তারা সময় দিতে রাজি হয়নি। এখন আমাকে হেয় করার জন্য এসব মিথ্যা অভিযোগ তোলা হচ্ছে।এ ঘটনায় অভিযুক্ত ঘটক মোতালেব বলেন, আমি অন্য কোনো মেয়ে দেখাইনি। মেয়ে দেখানো হয়েছিল তার বাবার বাসাতেই। পরে তারা নিজেরাই দ্রুত বিয়ের প্রক্রিয়া শেষ করেছে। এরপরের ঘটনার বিষয়ে আমি কিছু জানি না।এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও ছেলেপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদিন বলেন, ছেলেপক্ষের অভিযোগ মেয়েপক্ষ ও ঘটক মিলে কনে বদলের মাধ্যমে প্রতারণা করেছে। প্রথম দিকে মীমাংসার শর্তে রায়হান কবির জামিনে ছিলেন। কিন্তু কোনো সমাধান না হওয়ায় বিষয়টি এখন পুরোপুরি বিচারাধীন। আমরা আশা করছি আদালতের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে।

সমুদ্রের বুকে প্রশান্তির খোঁজ

মোহাম্মদ আলী সুমন আজকের নগর জীবনে মানুষ যেন সবসময় ছুটে চলে অদৃশ্য এক প্রতিযোগিতার পেছনে। ভোর থেকে রাত অবধি ব্যস্ততা, কোলাহল, যানজট আর দৌড়ঝাঁপের মধ্যে হারিয়ে যায় নিজের সঙ্গে একান্ত কিছু সময় কাটানোর সুযোগ। অথচ মানুষ চায় প্রশান্তি, খোঁজে নীরবতা, খোঁজে প্রকৃতির সান্নিধ্য। সেই খোঁজেই হাজারো মানুষ ছুটে যায় সমুদ্র সৈকতে। সম্প্রতি কক্সবাজারের বালুকাবেলায় এমনই এক দৃশ্য ধরা পড়লো। সৈকতের সবুজ-হলুদ রঙের ছাতার নিচে বসে আছেন এক দর্শনার্থী। সাদা পোশাকে আরাম করে বসে থাকা তার চোখেমুখে যেন খেলে যাচ্ছিল এক ধরনের প্রশান্তির ছাপ। সমুদ্রের হাওয়ায় চুল এলোমেলো হলেও, তার দৃষ্টি স্থির হয়ে ছিল সমুদ্রের বিশালতার দিকে। যেন প্রতিটি ঢেউ তাকে শোনাচ্ছিল নতুন জীবনের গান। বালুকাবেলায় বসে তিনি যখন নির্লিপ্ত ভঙ্গিতে প্রকৃতি উপভোগ করছিলেন, তখন আশপাশের পরিবেশও যেন বদলে যাচ্ছিল। ঢেউয়ের মৃদু গর্জন, বাতাসের ছোঁয়া আর দূরে খেলতে থাকা শিশুদের হাসি একসাথে মিলেমিশে তৈরি করেছিল অন্যরকম আবহ। সমুদ্রকে অনেকেই শুধু জলরাশি ভেবে ভুল করেন। অথচ এর প্রতিটি ঢেউ জীবনের প্রতীক। ঢেউ আসে, ভেঙে যায়, আবারও নতুন করে ফিরে আসে। জীবনের প্রতিটি দুঃখ-কষ্টও যেন সেই ঢেউয়ের মতো—আসবে, কেটে যাবে, আবারও নতুন সূচনা হবে। সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে আসা অনেক দর্শনার্থীর সঙ্গে কথা বললে জানা যায়, তারা এখানে আসেন মনকে হালকা করতে, নিজেদের নতুন করে সাজাতে। একজন দর্শনার্থীর ভাষায়—“সমুদ্রের বিশালতা আমাকে শেখায়, জীবনে যত সমস্যা থাকুক না কেন, এর চেয়ে বড় কিছু নয়। প্রকৃতির সামনে সব কষ্টই তুচ্ছ।” বিশেষজ্ঞদের মতে, সমুদ্র সৈকতে সময় কাটানো মানুষের মনের উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। ঢেউয়ের ছন্দ, হাওয়ার ছোঁয়া আর প্রকৃতির বিশালতা একসাথে কাজ করে মানসিক চাপ কমাতে। শুধু তাই নয়, এটি মানুষের আত্মবিশ্বাস বাড়ায় এবং জীবনের প্রতি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করে। মনোবিজ্ঞানীরা বলেন—“প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের একটি গভীর যোগ আছে। আমরা যখন সমুদ্র বা পাহাড়ে যাই, তখন আমাদের মস্তিষ্কে এমন কিছু হরমোন নিঃসৃত হয় যা দুশ্চিন্তা দূর করে এবং প্রশান্তি এনে দেয়। তাই সমুদ্র ভ্রমণ শুধু আনন্দ নয়, এটি মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী।” নির্লিপ্ত ভঙ্গিতে শান্তির সন্ধানে সৈকতের চেয়ারে বসে থাকা সেই দর্শনার্থীর নির্লিপ্ত দৃষ্টি যেন প্রকৃতিরই প্রতিচ্ছবি। মনে হচ্ছিল, তিনি যেন সমুদ্রের সঙ্গে একাত্ম হয়ে গেছেন। শহরের ক্লান্তি, দুশ্চিন্তা, ব্যস্ততা সব ভুলে তিনি ডুবে গেছেন প্রকৃতির কোলে। তার সেই ভঙ্গি যেন নীরব ভাষায় বলছিল—প্রকৃতির কাছে ফিরে গেলে মন সত্যিই হালকা হয়ে যায়। পরিশেষে বলতে হয় সমুদ্র সৈকত কেবল ভ্রমণের জায়গা নয়, এটি মানুষের জন্য এক ধরণের মুক্তির পথ। শহরের কোলাহল আর জীবনের চাপে যখন মন ভারাক্রান্ত হয়ে পড়ে, তখন সমুদ্রের বুকে কয়েক মুহূর্ত কাটানোই হতে পারে সবচেয়ে বড় ওষুধ। বিশাল জলরাশি মানুষকে শেখায় ধৈর্য, শেখায় মুক্তি, শেখায় নতুনভাবে বাঁচার পাঠ।

নির্বাচন ঘিরে ৫ হাজার নৌ সদস্য মোতায়েন : নৌবাহিনী প্রধান

নির্বাচনী কেউ যদি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড কিংবা বিশৃঙ্খলার সঙ্গে যুক্ত থাকে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছেন নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান। তিনি বলেন, ‘১৬টি সংসদীয় আসনের ২৫টি উপজেলায় ৫ হাজার নৌবাহিনী সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।’বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে কুতুবদিয়া কন্টিনজেন্ট পরিদর্শন শেষে এমন মন্তব্য করেন নৌপ্রধান।এর আগে বিভাগীয় কমিশনার ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে একটি ব্রিফিংয়ে অংশ নেন তিনি।বলেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে সমুদ্র ও উপকূলীয় এলাকায় নৌবাহিনীর সাতটি জাহাজ মোতায়েন থাকবে, নিয়োজিত থাকবে পাঁচ হাজার নৌবাহিনী সদস্য। নির্বাচন ঘিরে এখনও কিছু চ্যালেঞ্জ আছে, তবে সন্ত্রাসীদের প্রতি কঠোর থকবে নৌবাহিনী।পরিদর্শনকালে নৌবাহিনী প্রধান নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত নৌ কন্টিনজেন্টের সার্বিক কার্যক্রম, নিরাপত্তাব্যবস্থা ও প্রস্তুতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।

কটিয়াদীতে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে এক কিশোর আটক

কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদীতে পোলট্রি খামারে একা পেয়ে মুখে কাপড় ঢুকিয়ে চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করেছে দুই কিশোর।  কটিয়াদী উপজেলার সহশ্রাম ধুলদিয়া ইউনিয়নের কৈতরীপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রী সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় ওই গ্রামের এক কিশোরকে (১৬) পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।জানা যায়,  সন্ধ্যার পরে কৈতরীপাড়া গ্রামে বাবার পোলট্রি খামারে ওই ছাত্রীকে একা পেয়ে একই গ্রামের দুই কিশোর মুখে কাপড় ঢুকিয়ে ধর্ষণ করে। পরে লোকজনের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পালিয়ে যায়।পরে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য কিশোরগঞ্জের সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।ধর্ষিতার মা বাদী হয়ে কটিয়াদী মডেল থানায় দুইজনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন।কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মজিবুর রহমান সুমন জানান, মেয়েটিকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে তাকে প্রাথমিক পরীক্ষা করে দেখা যায় ধর্ষণের ফলে রক্তক্ষরণ হয়েছে। উন্নত চিকিৎসা ও শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য কিশোরগঞ্জে রেফার করেছি। এঘটনায় পরিবারের মাঝে দুঃচিন্তা চলে আসছে।কটিয়াদী মডেল থানার ওসি মো. মাহবুবুর রহমান জানান, ধর্ষণের ঘটনায় মেয়েটির মা দুইজনকে আসামি করে একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করে কিশোরগঞ্জ আদালতে সোপর্দ করেছি। পালিয়ে যাওয়া অপর আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ভিকটিমকে উন্নত চিকিৎসা ও শারীরিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

প্রতিপক্ষের ঘাত-প্রতিঘাত

নেতারা দেশের নেতৃত্ব দিবে,হাজার বক্তৃতা শুনি,কেবল সম্পর্কের আয়নায় সত্যটা আঁকি।ভাই থাকবে ভাই, বন্ধুত্বটাও থাকবে আপন,আজ কেন মতভেদে এত দূরত্ব, এত ক্ষতচিহ্ন?মত আলাদা হতেই পারে—এটাই তো জীবন,তাই বলে কেন ভাঙবে ভালোবাসার বন্ধন?নেতা আসবে, নেতা যাবে সময়ের স্রোতে,কিন্তু ভাঙা সম্পর্ক গুলো কাঁদবে নীরবে সয়ে!একটু ভাবুন, দিন শেষে কারা থাকবে পাশে?নেতা নাকি ভাই—কারা হাত বাড়াবে ক্লেশে?প্রতিপক্ষকে গালাগালিতে এ জয়ের কোনো মূল্য নেই,আঘাত দিয়ে কথা বললে,খেলায় হারার সম্ভাবনা তারেই।ভদ্র ভাষায় কথা বলে; বড় হওয়া ব্যাক্তিত্বের মান,হিংসা নয়—সহনশীলতাই দিতে পারে উচ্চ সম্মান।অন্যকে ছোট করে নিজে বড় হওয়া যায় না,সম্মান দিলে তবেই সম্মান ফিরে পায় আছে তা  জানা।ভাঙনের ফাঁকে সুযোগ নেয় ক্ষমতার লোভ,ভাইয়ে-ভাইয়ে দ্বন্দ্বে হাসে, শোষকের মুখোশ।তাই নেতা নয়, সম্পর্ককে রাখা চাই  আগলে,ভালোবাসাই দিনশেষে জীবনটাকে সামলে।

থাকো যদি আমার

তোমার ভালোবাসা হয় যদি খাঁটিবিছিয়ে দেব হৃদয়ের শীতল পাটি।যাবো না কোনদিন তোমায় ছেড়ে!তোমার বুকে গড়বো বসত বাড়ি। হব তোমারই প্রেম বাগানের মালি,সাজাবো তোমার জন্য ফুলের ডালি।করবো না যে কখনো চোখের বালি,গায়ে লাগতে দিব না কলঙ্কের কালি।যদি মিশে থাকো ভাবাবেগের সাথে,আদরে শুনাবো গান বৃষ্টি ভেজা রাতে।থাকো যদি পাশাপাশি হাতটা তুমি ধরে,এক জীবনের ভালোবাসা দিব উজার করে।হও যদি প্রিয়তম তুমি পথের সহযাত্রী,তোমার সাথে পাড়ি দেব আঁধারের রাত্রি।হও যদি তুমি রাগিণী আমার ঘরের ঘরনি,জোৎস্নাস্রোতে ভাসাবো সুখের তরণী। অন্তরে জ্বালাবা স্বর্গীয় আনন্দের বাতি,হব যে তোমার জনম জনমের সাথী।