ফাইনাল ম্যাচ ঘিরে রণক্ষেত্র জবি, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ অন্তত ৩০ জন আহত
আন্তবিভাগ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচকে কেন্দ্র করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ ধূপখোলায় এ সংঘর্ষ শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের এক পর্যায়ে শিক্ষক ও বিশ্ববিদ্যালয়কর্মীরাও এতে জড়িয়ে পড়েন। আহতদের উদ্ধার করে পুরান ঢাকার ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, আজ অনুষ্ঠিত আন্তবিভাগ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে মুখোমুখি হয় ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ। নির্ধারিত সময়ের খেলা ড্র হলে ট্রাইবেকারে গড়ায় ম্যাচটি। ট্রাইবেকার চলাকালে একাধিক সিদ্ধান্তকে ঘিরে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। এক পর্যায়ে তা হাতাহাতি ও সংঘর্ষে রূপ নেয়।পরবর্তীতে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীরা দফায় দফায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে পুরো মাঠজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি শান্ত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেওয়া হলেও সংঘর্ষ কিছু সময় অব্যাহত ছিল। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
মাদক সেবী, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের ভোট আমার প্রয়োজন নেই ..ড. এহছানুল হক মিলন
বাণিজ্যিক বিরোধ দ্রুত ও কার্যকরভাবে নিষ্পত্তির জন্য প্রথমবারের মতো ঢাকা মহানগরসহ সারা দেশে বাণিজ্যিক আদালত প্রতিষ্ঠা করেছে সরকার। ‘বাণিজ্যিক আদালত অধ্যাদেশ, ২০২৬’-এ দেওয়া ক্ষমতা বলে সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শ করে বাণিজ্যিক আদালত প্রতিষ্ঠা করে মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ঢাকা মহানগরে তিনটি এবং চট্টগ্রাম মহানগরে দুটি বাণিজ্যিক আদালত প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এ ছাড়া গাজীপুর, সিলেট, রাজশাহী, রংপুর, খুলনা ও বরিশাল মহানগরের জন্য একটি করে পৃথক বাণিজ্যিক আদালত গঠন করা হয়েছে। ফলে সারাদেশের মহানগর এলাকাগুলোতে মোট ১১টি বাণিজ্যিক আদালত থাকছে। মহানগরের আদালতগুলোসহ জেলা পর্যায়ের সব আদালত মিলিয়ে দেশে মোট ৭৫টি বাণিজ্যিক আদালত প্রতিষ্ঠা করা হলো। ঢাকা মহানগরে রাখা হয়েছে ৩টি বাণিজ্যিক আদালত।এদিকে প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী বৃহত্তর চট্টগ্রামে, চট্টগ্রাম মহানগরে দুই বাণিজ্যিক আদালত যথাক্রমে বাণিজ্যিক আদালত-১, চট্টগ্রাম মহানগর (কোতয়ালী, সদরঘাট, চকবাজার, কর্ণফুলী, পতেঙ্গা, ইপিজেড, বন্দর, অবলমুরিং থানা) ও বাণিজ্যিক আদালত-২, চট্টগ্রাম মহানগর (চান্দগাঁও, বাকলিয়া, পাঁচলাইশ, খুলশী, পাহাড়তলী, বায়েজিদ বোস্তামী, হালিশহর, আকবর শাহ থানা) রয়েছে। এদিকে খাগড়াছড়ি জেলায় রয়েছে বাণিজ্যিক আদালত-খাগড়াছড়ি ,রাঙ্গামাটি জেলায় বাণিজ্যিক আদালত-রাঙ্গামাটি, বান্দরবান জেলায় বানিজ্যিক আদালত-বান্দরবান এবং কক্সবাজার জেলায় বাণিজ্যিক আদালত-কক্সবাজার।চট্টগ্রাম মহানগরে দুটি বাণিজ্যিক আদালত গঠন করা হয়েছে। বাণিজ্যিক আদালত-১ এর এখতিয়ারাধীন এলাকার মধ্যে রয়েছে—কোতোয়ালি, সদরঘাট, চকবাজার, কর্ণফুলী, পতেঙ্গা, ইপিজেড, বন্দর ও ডবলমুরিং থানা।বাণিজ্যিক আদালত-২ এর অধীনে থাকবে চান্দগাঁও, বাকলিয়া, পাঁচলাইশ, খুলশী, পাহাড়তলী, বায়েজিদ বোস্তামী, হালিশহর ও আকবর শাহ থানা। চট্টগ্রাম জেলার (মহানগর এলাকা ছাড়া) জন্য পৃথক বাণিজ্যিক আদালত থাকছে।বৃহত্তর চট্টগ্রামে বাণিজ্যিক আদালতসমূহ নিম্নে:১. বাণিজ্যিক আদালত, চট্টগ্রাম চট্টগ্রাম জেলা (মহানগর এলাকা ব্যতীত)২. বাণিজ্যিক আদালত-১, চট্টগ্রাম মহানগর (কোতয়ালী, সদরঘাট, চকবাজার, কর্ণফুলী, পতেঙ্গা, ইপিজেড, বন্দর, ডবলমুরিং থানা)৩. বাণিজ্যিক আদালত-২, চট্টগ্রাম মহানগর (চান্দগাঁও, বাকলিয়া, পাঁচলাইশ, খুলশী, পাহাড়তলী, বায়েজিদ বোস্তামী, হালিশহর, আকবর শাহ থানা)৪. বাণিজ্যিক আদালত, খাগড়াছড়ি (খাগড়াছড়ি জেলা)৫. বাণিজ্যিক আদালত, রাঙ্গামাটি (রাঙ্গামাটি জেলা)৬. বানিজ্যিক আদালত, বান্দরবান (বান্দরবান জেলা)৭. বাণিজ্যিক আদালত, কক্সবাজার (কক্সবাজার জেলা)
গালাকে বিশ্বে চীনের চেতনাবাহী মঞ্চ হিসেবে বর্ণনা করলেন দক্ষিণ আফ্রিকার সাংসদ
বাণিজ্যিক বিরোধ দ্রুত ও কার্যকরভাবে নিষ্পত্তির জন্য প্রথমবারের মতো ঢাকা মহানগরসহ সারা দেশে বাণিজ্যিক আদালত প্রতিষ্ঠা করেছে সরকার। ‘বাণিজ্যিক আদালত অধ্যাদেশ, ২০২৬’-এ দেওয়া ক্ষমতা বলে সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শ করে বাণিজ্যিক আদালত প্রতিষ্ঠা করে মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ঢাকা মহানগরে তিনটি এবং চট্টগ্রাম মহানগরে দুটি বাণিজ্যিক আদালত প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এ ছাড়া গাজীপুর, সিলেট, রাজশাহী, রংপুর, খুলনা ও বরিশাল মহানগরের জন্য একটি করে পৃথক বাণিজ্যিক আদালত গঠন করা হয়েছে। ফলে সারাদেশের মহানগর এলাকাগুলোতে মোট ১১টি বাণিজ্যিক আদালত থাকছে। মহানগরের আদালতগুলোসহ জেলা পর্যায়ের সব আদালত মিলিয়ে দেশে মোট ৭৫টি বাণিজ্যিক আদালত প্রতিষ্ঠা করা হলো। ঢাকা মহানগরে রাখা হয়েছে ৩টি বাণিজ্যিক আদালত।এদিকে প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী বৃহত্তর চট্টগ্রামে, চট্টগ্রাম মহানগরে দুই বাণিজ্যিক আদালত যথাক্রমে বাণিজ্যিক আদালত-১, চট্টগ্রাম মহানগর (কোতয়ালী, সদরঘাট, চকবাজার, কর্ণফুলী, পতেঙ্গা, ইপিজেড, বন্দর, অবলমুরিং থানা) ও বাণিজ্যিক আদালত-২, চট্টগ্রাম মহানগর (চান্দগাঁও, বাকলিয়া, পাঁচলাইশ, খুলশী, পাহাড়তলী, বায়েজিদ বোস্তামী, হালিশহর, আকবর শাহ থানা) রয়েছে। এদিকে খাগড়াছড়ি জেলায় রয়েছে বাণিজ্যিক আদালত-খাগড়াছড়ি ,রাঙ্গামাটি জেলায় বাণিজ্যিক আদালত-রাঙ্গামাটি, বান্দরবান জেলায় বানিজ্যিক আদালত-বান্দরবান এবং কক্সবাজার জেলায় বাণিজ্যিক আদালত-কক্সবাজার।চট্টগ্রাম মহানগরে দুটি বাণিজ্যিক আদালত গঠন করা হয়েছে। বাণিজ্যিক আদালত-১ এর এখতিয়ারাধীন এলাকার মধ্যে রয়েছে—কোতোয়ালি, সদরঘাট, চকবাজার, কর্ণফুলী, পতেঙ্গা, ইপিজেড, বন্দর ও ডবলমুরিং থানা।বাণিজ্যিক আদালত-২ এর অধীনে থাকবে চান্দগাঁও, বাকলিয়া, পাঁচলাইশ, খুলশী, পাহাড়তলী, বায়েজিদ বোস্তামী, হালিশহর ও আকবর শাহ থানা। চট্টগ্রাম জেলার (মহানগর এলাকা ছাড়া) জন্য পৃথক বাণিজ্যিক আদালত থাকছে।বৃহত্তর চট্টগ্রামে বাণিজ্যিক আদালতসমূহ নিম্নে:১. বাণিজ্যিক আদালত, চট্টগ্রাম চট্টগ্রাম জেলা (মহানগর এলাকা ব্যতীত)২. বাণিজ্যিক আদালত-১, চট্টগ্রাম মহানগর (কোতয়ালী, সদরঘাট, চকবাজার, কর্ণফুলী, পতেঙ্গা, ইপিজেড, বন্দর, ডবলমুরিং থানা)৩. বাণিজ্যিক আদালত-২, চট্টগ্রাম মহানগর (চান্দগাঁও, বাকলিয়া, পাঁচলাইশ, খুলশী, পাহাড়তলী, বায়েজিদ বোস্তামী, হালিশহর, আকবর শাহ থানা)৪. বাণিজ্যিক আদালত, খাগড়াছড়ি (খাগড়াছড়ি জেলা)৫. বাণিজ্যিক আদালত, রাঙ্গামাটি (রাঙ্গামাটি জেলা)৬. বানিজ্যিক আদালত, বান্দরবান (বান্দরবান জেলা)৭. বাণিজ্যিক আদালত, কক্সবাজার (কক্সবাজার জেলা)
ভবিষ্যতের অলিম্পিকেও বেইজিংয়ের টেকসই ধারণা অনুসৃত হবে:আইওসি
বাণিজ্যিক বিরোধ দ্রুত ও কার্যকরভাবে নিষ্পত্তির জন্য প্রথমবারের মতো ঢাকা মহানগরসহ সারা দেশে বাণিজ্যিক আদালত প্রতিষ্ঠা করেছে সরকার। ‘বাণিজ্যিক আদালত অধ্যাদেশ, ২০২৬’-এ দেওয়া ক্ষমতা বলে সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শ করে বাণিজ্যিক আদালত প্রতিষ্ঠা করে মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ঢাকা মহানগরে তিনটি এবং চট্টগ্রাম মহানগরে দুটি বাণিজ্যিক আদালত প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এ ছাড়া গাজীপুর, সিলেট, রাজশাহী, রংপুর, খুলনা ও বরিশাল মহানগরের জন্য একটি করে পৃথক বাণিজ্যিক আদালত গঠন করা হয়েছে। ফলে সারাদেশের মহানগর এলাকাগুলোতে মোট ১১টি বাণিজ্যিক আদালত থাকছে। মহানগরের আদালতগুলোসহ জেলা পর্যায়ের সব আদালত মিলিয়ে দেশে মোট ৭৫টি বাণিজ্যিক আদালত প্রতিষ্ঠা করা হলো। ঢাকা মহানগরে রাখা হয়েছে ৩টি বাণিজ্যিক আদালত।এদিকে প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী বৃহত্তর চট্টগ্রামে, চট্টগ্রাম মহানগরে দুই বাণিজ্যিক আদালত যথাক্রমে বাণিজ্যিক আদালত-১, চট্টগ্রাম মহানগর (কোতয়ালী, সদরঘাট, চকবাজার, কর্ণফুলী, পতেঙ্গা, ইপিজেড, বন্দর, অবলমুরিং থানা) ও বাণিজ্যিক আদালত-২, চট্টগ্রাম মহানগর (চান্দগাঁও, বাকলিয়া, পাঁচলাইশ, খুলশী, পাহাড়তলী, বায়েজিদ বোস্তামী, হালিশহর, আকবর শাহ থানা) রয়েছে। এদিকে খাগড়াছড়ি জেলায় রয়েছে বাণিজ্যিক আদালত-খাগড়াছড়ি ,রাঙ্গামাটি জেলায় বাণিজ্যিক আদালত-রাঙ্গামাটি, বান্দরবান জেলায় বানিজ্যিক আদালত-বান্দরবান এবং কক্সবাজার জেলায় বাণিজ্যিক আদালত-কক্সবাজার।চট্টগ্রাম মহানগরে দুটি বাণিজ্যিক আদালত গঠন করা হয়েছে। বাণিজ্যিক আদালত-১ এর এখতিয়ারাধীন এলাকার মধ্যে রয়েছে—কোতোয়ালি, সদরঘাট, চকবাজার, কর্ণফুলী, পতেঙ্গা, ইপিজেড, বন্দর ও ডবলমুরিং থানা।বাণিজ্যিক আদালত-২ এর অধীনে থাকবে চান্দগাঁও, বাকলিয়া, পাঁচলাইশ, খুলশী, পাহাড়তলী, বায়েজিদ বোস্তামী, হালিশহর ও আকবর শাহ থানা। চট্টগ্রাম জেলার (মহানগর এলাকা ছাড়া) জন্য পৃথক বাণিজ্যিক আদালত থাকছে।বৃহত্তর চট্টগ্রামে বাণিজ্যিক আদালতসমূহ নিম্নে:১. বাণিজ্যিক আদালত, চট্টগ্রাম চট্টগ্রাম জেলা (মহানগর এলাকা ব্যতীত)২. বাণিজ্যিক আদালত-১, চট্টগ্রাম মহানগর (কোতয়ালী, সদরঘাট, চকবাজার, কর্ণফুলী, পতেঙ্গা, ইপিজেড, বন্দর, ডবলমুরিং থানা)৩. বাণিজ্যিক আদালত-২, চট্টগ্রাম মহানগর (চান্দগাঁও, বাকলিয়া, পাঁচলাইশ, খুলশী, পাহাড়তলী, বায়েজিদ বোস্তামী, হালিশহর, আকবর শাহ থানা)৪. বাণিজ্যিক আদালত, খাগড়াছড়ি (খাগড়াছড়ি জেলা)৫. বাণিজ্যিক আদালত, রাঙ্গামাটি (রাঙ্গামাটি জেলা)৬. বানিজ্যিক আদালত, বান্দরবান (বান্দরবান জেলা)৭. বাণিজ্যিক আদালত, কক্সবাজার (কক্সবাজার জেলা)
প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকায় ‘ক্রাইম রিপোর্টার’ নিয়োগ
প্রতিদিনের বাংলাদেশ
বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের দৃশ্যমান নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন চেয়ারম্যান আতাউর রহমান
রাণীনগর- আদমদীঘি সীমান্ত রেখার ডোবা থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার
নির্বাচনে সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকের কার্ড পেতে যা করতে হবে
স্টকহোমে চীন-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠক: অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে নতুন অগ্রগতি
রাজশাহীর পেয়ারা বাগান থেকে গাঁজা গাছ সহ আটক ১
নির্বাচনে সাংবাদিক কার্ডের নামে যত ধরনের আবেদন চলছে সবই ভুয়া
বরুড়ায় বিএনপির দু গ্রুপের সংঘর্ষ একজনের মৃত্যু, আহত ৪ (ভিডিও)
ঈশ্বরদীতে ভাড়া বাসা থেকে ছাত্রদল নেতার মরদেহ উদ্ধার
ছাত্রীকে নিয়ে প্রধান শিক্ষক উধাও, মাদরাসায় অগ্নিসংযোগ
চাঁদপুর জেলা আইনজীবী সমিতির ফ্যামিলি ডে ও পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত
বিএনপি ক্ষমতায় এলে কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের ভর্তুকি দেয়া হবে..... এহছানুল হক মিলন
ফাইনাল ম্যাচ ঘিরে রণক্ষেত্র জবি, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ অন্তত ৩০ জন আহত
নীলফামারীর জলঢাকায় ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে অটোচালক নিহত
সন্দ্বীপে যৌথ অভিযানে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির সরঞ্জামাদিসহ ২ দুস্কৃতিকারী আটক
মিরপুরে বাসা থেকে দম্পতি ও দুই সন্তানের মরদেহ উদ্ধার
আশুলিয়ায় ৬ মরদেহ পোড়ানোর ঘটনায় সাবেক এমপিসহ ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড
হাসনাতের আসনে সমীকরণ বদল: ট্রাক প্রতীকের প্রার্থীকে বিএনপির আনুষ্ঠানিক সমর্থন
দুর্নীতিবাজ ও চাঁদাবাজদের দলে স্থান হবে না: কায়কোবাদ
নীলফামারী সদর আসনের বিএনপির প্রার্থীর উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প
অনির্দিষ্টকালের শ্রমিক কর্মবিরতিতে অচল চট্টগ্রাম বন্দর
আশুলিয়ায় ৬ মরদেহ পোড়ানোর ঘটনায় সাবেক এমপিসহ ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে আশুলিয়ায় ছয়টি মরদেহ পুড়িয়ে ফেলা এবং একজনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ঢাকা-১৯ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামসহ পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। একই মামলায় আরও সাতজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য ছিলেন বিচারপতি মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারপতি নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।রায়ে আদালত জানান, মানবতাবিরোধী অপরাধের দায় প্রমাণিত হওয়ায় পাঁচ আসামিকে সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি মামলার অন্যান্য আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে রাজসাক্ষী হিসেবে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ায় শেখ আবজালুল হককে ক্ষমা প্রদর্শন করা হয়েছে।এই মামলায় মোট ১৬ জনকে আসামি করা হয়। এর মধ্যে আটজন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) মো. আব্দুল্লাহিল কাফী, ঢাকা জেলা পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত সুপার (সাভার সার্কেল) মো. শাহিদুল ইসলাম, পুলিশ পরিদর্শক মো. আরাফাত হোসেন, উপপরিদর্শক আবদুল মালেক, উপপরিদর্শক আরাফাত উদ্দিন, সহকারী উপপরিদর্শক কামরুল হাসান, রাজসাক্ষী শেখ আবজালুল হক ও কনস্টেবল মুকুল চোকদার।অন্যদিকে সাবেক এমপি মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামসহ আটজন আসামি এখনো পলাতক রয়েছেন। পলাতক আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—ঢাকা রেঞ্জের সাবেক উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) সৈয়দ নুরুল ইসলাম, ঢাকা জেলার সাবেক পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান রিপন, আশুলিয়া থানার সাবেক ওসি এ এফ এম সায়েদ, সাবেক পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান, পুলিশ পরিদর্শক নির্মল কুমার দাস, সাবেক এএসআই বিশ্বজিৎ সাহা এবং যুবলীগ কর্মী রনি ভূইয়া।আদালতের এই রায়কে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে পলাতক আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বাড়ানোর দাবি উঠেছে।
বিবিসি বাংলা'র প্রতিবেদন। চাপের মুখেই কি দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগ থাকা প্রার্থীদের বৈধ করলো ইসি
ফতুল্লায় শুল্ক কর ফাঁকি দিয়ে আসা সোয়া ১ কোটি টাকা মূল্যের ভারতীয় শাড়িসহ পাচারকারীকে আটক
কালীগঞ্জে ব্যাংকের ভেতর থেকে টাকা চুরির অভিযোগ
পরিবারসহ নিরাপত্তাহীনতায় তারেক সরকারের মানববন্ধন / শিবপুরে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বিল্লাল সরকারের হাত থেকে বাঁচার আকুতি
মহেশখালীতে ডাকাতের কবলে পড়া ৯ জেলে উদ্ধার, একজন আটক
প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ দাবি / ব্রাহ্মণপাড়ায় অবৈধ ড্রেজারে সয়লাব কৃষিজমি ও পরিবেশ হুমকির মুখে