ঢাকা   শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
মুক্তির লড়াই

ফারুকীর নাশতায় একদিনে খরচ ১ লাখ ১৮ হাজার টাকা

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আবেগকে পুঁজি করে প্রতিষ্ঠিত জুলাই স্মৃতি জাদুঘর ও বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে ভয়াবহ অনিয়ম ও দুর্নীতির চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, মাত্র ছয় মাসে ভিভিআইপি আপ্যায়ন ও ‘নাশতার বিল’ দেখিয়ে ১ কোটি ২ লাখ টাকারও বেশি উত্তোলন করা হয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দরপত্রবিহীন সংস্কার, ভুয়া নির্মাণকাজ এবং গায়েবি প্রদর্শনীর নামে কোটি কোটি টাকা লোপাটের অভিযোগ।জাদুঘরের নথিপত্র ঘেঁটে পাওয়া তথ্যে দেখা যায়, চলতি বছরের ২৫ জানুয়ারি থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাত্র ২৫ দিনে আপ্যায়ন ও সংশ্লিষ্ট খাতে মোট ব্যয় দেখানো হয়েছে ২৯ লাখ ৫৪ হাজার ৭৬০ টাকা, যা দৈনিক গড়ে দাঁড়ায় ১ লাখ ১৮ হাজার ১৯০ টাকা। ছয় মাসের মোট হিসাব করলে আপ্যায়ন বাবদ ১ কোটি ২ লাখ টাকা খরচ দেখানো হয়েছে, যেখানে দৈনিক গড় প্রায় ৫৬ হাজার ৬৬৬ টাকা। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, মূলত ‘ফারুকীর নাশতার বিল’ নামেই পরিচিত এই খাতে ভিভিআইপি আপ্যায়নের আড়ালে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে।একই সময়ে জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের ৮০ জন স্বেচ্ছাসেবকের আপ্যায়ন বাবদ প্রায় ৫৭ লাখ টাকা ব্যয় দেখানো হয়েছে, যা দৈনিক গড়ে প্রায় ৩১ হাজার ৬৬৬ টাকা। এছাড়া আন্তর্জাতিক সংস্থা আইসেসকোর মহাপরিচালক ড. সেলিম এম আল মালিকের একদিনের জাদুঘর পরিদর্শনে আপ্যায়ন বিল দেখানো হয়েছে ৭০ হাজার টাকা। ‘আড্ডা প্রবর্তনা রেস্টুরেন্ট’-এর নামে বিভিন্ন সভা-সমাবেশের জন্য বিল করা হয়েছে ১০ লাখ ২৮ হাজার ৫১৫ টাকা এবং বিভিন্ন কর্নার উদ্বোধনের নামে একদিনেই ১ লাখ ৪৩ হাজার টাকার নাশতার বিল দেখানো হয়েছে।সংস্কারের নামেও বড় ধরনের আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। নলিনীকান্ত ভট্টশালী গ্যালারি সংস্কারের জন্য উন্মুক্ত দরপত্র ছাড়াই প্রায় দেড় কোটি টাকার বিল তোলা হয়েছে। ১৪টি ছোট এসি স্থাপনের জন্য খরচ দেখানো হয়েছে ৪৯ লাখ ৮৮ হাজার ৫২৭ টাকা, যেখানে প্রতিটি এসির দাম দাঁড়ায় ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৩২৩ টাকা। শুধু লাইট স্থাপনের খরচই দেখানো হয়েছে ৩৮ লাখ ২ হাজার ১৭৪ টাকা। ‘জিজিবি’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে কাগজে-কলমে কাজ দেওয়া হলেও তাদের পক্ষ থেকে এমন কোনো কাজ করার বিষয়টি অস্বীকার করা হয়েছে।অন্যদিকে, জুলাই জাদুঘরের সড়কের পাশে টিনের বাউন্ডারি নির্মাণের নামে জাতীয় জাদুঘরের তহবিল থেকে ৬৪ লাখ ৩৮ হাজার ৪৭০ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে, যদিও বাস্তবে সেখানে কোনো বাউন্ডারির অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। একইভাবে শীতলপাটির ছবি সরবরাহ ও ইতিহাস বিভাগের প্রদর্শনীর নামে ৫ লাখ ৫৮ হাজার ৩৭০ টাকা বিল করা হয়েছে, যা কখনোই অনুষ্ঠিত হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।নিয়োগ প্রক্রিয়াতেও ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি কোনো লিখিত পরীক্ষা ছাড়াই ৫৩ জন কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিজনের কাছ থেকে ১৩ লাখ টাকা করে নেওয়া হয়েছে, যার মাধ্যমে মোট প্রায় ৬ কোটি ৮৯ লাখ টাকার বাণিজ্য হয়েছে। ফাঁস হওয়া একটি অডিওতে এক কর্মকর্তাকে বলতে শোনা যায়, “১৩ লাখ দিলে কাজ হয়ে যাবে, এটা টোটাল প্যাকেজ।” তবে অভিযুক্তরা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।এদিকে, জাদুঘরের মহাপরিচালক তানজীম ইবনে ওহাবের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে লিখিত অভিযোগ জমা পড়লেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি। এর আগে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ সরাসরি ক্রয়পদ্ধতি নিয়ে দুর্নীতির আশঙ্কা প্রকাশ করেছিল, যা বর্তমান পরিস্থিতিতে আরও জোরালোভাবে সামনে এসেছে।সব মিলিয়ে ‘ফারুকীর নাশতার বিল’ এখন শুধু একটি হিসাব নয়, বরং জাদুঘরকেন্দ্রিক একটি বৃহৎ আর্থিক কেলেঙ্কারির প্রতীকে পরিণত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহলের নীরবতা ও জবাবদিহিতার অভাব পুরো ব্যবস্থাপনাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেছে। এখন দেখার বিষয়, এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত হয় কিনা এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় কি না।

সিরিয়ার জন্য মানবিক সহায়তা বাড়ানোর তাগিদ চীনের

ইতালি ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়নের অংশীদার। দেশটির সঙ্গে নিরাপদ অভিবাসনসহ সহযোগিতার বিস্তৃত ক্ষেত্র রয়েছে। ইতালিতে বসবাসরত বাংলাদেশিরা রেমিট্যান্স প্রেরণের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সেজন্য বাংলাদেশ ইতালির সঙ্গে সম্পর্ককে বিশেষ গুরুত্ব দেয়। বাংলাদেশ এ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে বজায় রাখাসহ অদূর ভবিষ্যতে দেশটির সঙ্গে সম্পর্ককে আরো জোরদার করতে চায়।রাষ্ট্রদূত আরো বলেন, বাংলাদেশ ও ইতালির মধ্যে নিরাপদ অভিবাসন, দ্বিপাক্ষিক শ্রমবাজার, এবং দক্ষ কর্মী পাঠানোর বিষয়ে গঠিত জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের সভা গত বছরের জুলাইয়ে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের পরবর্তী সভা ইতালিতে অনুষ্ঠিত হবে বলে তিনি জানান। বৈঠকে দু'দেশের মধ্যে নিরাপদ অভিবাসন, জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের সভা, অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধিসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

বৈশ্বিক নিরাপত্তায় নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবে জাপানের সামরিক পদক্ষেপ

ইতালি ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়নের অংশীদার। দেশটির সঙ্গে নিরাপদ অভিবাসনসহ সহযোগিতার বিস্তৃত ক্ষেত্র রয়েছে। ইতালিতে বসবাসরত বাংলাদেশিরা রেমিট্যান্স প্রেরণের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সেজন্য বাংলাদেশ ইতালির সঙ্গে সম্পর্ককে বিশেষ গুরুত্ব দেয়। বাংলাদেশ এ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে বজায় রাখাসহ অদূর ভবিষ্যতে দেশটির সঙ্গে সম্পর্ককে আরো জোরদার করতে চায়।রাষ্ট্রদূত আরো বলেন, বাংলাদেশ ও ইতালির মধ্যে নিরাপদ অভিবাসন, দ্বিপাক্ষিক শ্রমবাজার, এবং দক্ষ কর্মী পাঠানোর বিষয়ে গঠিত জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের সভা গত বছরের জুলাইয়ে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের পরবর্তী সভা ইতালিতে অনুষ্ঠিত হবে বলে তিনি জানান। বৈঠকে দু'দেশের মধ্যে নিরাপদ অভিবাসন, জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের সভা, অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধিসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

চীন-পাকিস্তান মহাকাশ সহযোগিতায় মাইলফলক অর্জন

ইতালি ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়নের অংশীদার। দেশটির সঙ্গে নিরাপদ অভিবাসনসহ সহযোগিতার বিস্তৃত ক্ষেত্র রয়েছে। ইতালিতে বসবাসরত বাংলাদেশিরা রেমিট্যান্স প্রেরণের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সেজন্য বাংলাদেশ ইতালির সঙ্গে সম্পর্ককে বিশেষ গুরুত্ব দেয়। বাংলাদেশ এ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে বজায় রাখাসহ অদূর ভবিষ্যতে দেশটির সঙ্গে সম্পর্ককে আরো জোরদার করতে চায়।রাষ্ট্রদূত আরো বলেন, বাংলাদেশ ও ইতালির মধ্যে নিরাপদ অভিবাসন, দ্বিপাক্ষিক শ্রমবাজার, এবং দক্ষ কর্মী পাঠানোর বিষয়ে গঠিত জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের সভা গত বছরের জুলাইয়ে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের পরবর্তী সভা ইতালিতে অনুষ্ঠিত হবে বলে তিনি জানান। বৈঠকে দু'দেশের মধ্যে নিরাপদ অভিবাসন, জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের সভা, অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধিসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকায় ‘ক্রাইম রিপোর্টার’ নিয়োগ

প্রতিদিনের বাংলাদেশ

রাজশাহীকে চাঁদাবাজ ও ভূমিদস্যুমুক্ত করবেন - ভূমি মন্ত্রী মোঃ মিজানুর রহমান মিনু

রাজশাহীকে চাঁদাবাজ ও ভূমিদস্যুমুক্ত করবেন - ভূমি মন্ত্রী মোঃ মিজানুর রহমান মিনু

বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের দৃশ্যমান নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন চেয়ারম্যান আতাউর রহমান

বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের দৃশ্যমান নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন চেয়ারম্যান আতাউর রহমান

রাজশাহীতে মশার কারণে জন জীবন অতিষ্ঠ

রাজশাহীতে মশার কারণে জন জীবন অতিষ্ঠ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

চাঁপাইনবাবগঞ্জে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

অসহায়দের ইফতার সামগ্রী বিতরণ করল তালতলা দঃপাড়া একেএ সমাজ কল্যাণ সংঘ

অসহায়দের ইফতার সামগ্রী বিতরণ করল তালতলা দঃপাড়া একেএ সমাজ কল্যাণ সংঘ

হামাগুড়ি দিয়ে সামনে এলেন প্রতিবন্ধী কিশোর, হাত বুলালেন গৃহায়ণ ও গনপুর্ত মন্ত্রী

হামাগুড়ি দিয়ে সামনে এলেন প্রতিবন্ধী কিশোর, হাত বুলালেন গৃহায়ণ ও গনপুর্ত মন্ত্রী

চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবৈধ মাটি কাটার মহাউৎসব, রাতের আঁধারে চলছে লুটপাট

চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবৈধ মাটি কাটার মহাউৎসব, রাতের আঁধারে চলছে লুটপাট

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে নতুন অধ্যায়: মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমনের নেতৃত্বে পরিকল্পিত উন্নয়নের আশা

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে নতুন অধ্যায়: মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমনের নেতৃত্বে পরিকল্পিত উন্নয়নের আশা

নর্দান ইউনিভার্সিটিতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

নর্দান ইউনিভার্সিটিতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

বিয়ের ৮দিন পর গাজীপুরে গার্মেন্টস শ্রমিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

বিয়ের ৮দিন পর গাজীপুরে গার্মেন্টস শ্রমিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং বেগম জিয়ার সমাধিতে স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকারের শ্রদ্ধা

শুক্রবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নব নিযুক্ত স্পীকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম, এমপি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।এরপর জাতীয় সংসদের নব নিযুক্ত ডেপুটি স্পীকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।এসময় তাঁরা কিছুক্ষণ নিরবতা পালন  এবং রূহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করেন।শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পীকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম গণমাধ্যমকে বলেন, আজ এক ঐতিহাসিক মূহুর্তে আমরা উপনীত হয়েছি যখন দীর্ঘসংগ্রামের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুণঃস্থাপিত হয়েছে। মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যার নেতৃত্বে আমরা সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে দেশকে দখলমুক্ত করেছি এবং গণতন্ত্রের মহান নেত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যিনি সীমাহীন ত্যাগ তিতিক্ষার মাধ্যমে বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্রের পুনঃপ্রবর্তন করেছেন তাদের রূহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করেছি। স্পীকার বলেন, বাংলাদেশের বিচক্ষণ মানুষ বিএনপিকে দুই-তৃতীয়াংশ ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেছে যা গনতন্ত্রের পথকে সুগম করবে। সংসদে সরকার ও বিরোধী দলের সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে আমরা দল থেকে পদত্যাগ করে স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকারের পদে আসীন হয়েছি।অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব, সার্জেন্ট এ্যাট আর্মসসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা- কর্মচারীবৃন্দ ও বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

৭ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৪০ এএম
১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৩৮৭ টাকা বাড়িয়ে ১৭২৮ টাকা করেছে সরকার। এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে আপনি কি একমত?

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৩৮৭ টাকা বাড়িয়ে ১৭২৮ টাকা করেছে সরকার। এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে আপনি কি একমত?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন
adsfghfjklh;kgjfydhtrsdhjfkglh;j

দক্ষ কর্মশক্তি তৈরিতে চীনের ভোকেশনাল শিক্ষায় আধুনিকায়ন

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-নির্ভর নতুন বিশ্বে দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে জোর দিচ্ছে চীন। এ বিষয়ে চীনে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণ বিষয়ে সংস্কার চালাচ্ছেন দেশটির বিশেষজ্ঞরা। এ নিয়ে বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট-আইইআরে হয়ে গেলো এক কর্মশালা। যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যুগে দক্ষ জনশক্তি তৈরি এবং চীন থেকে কীভাবে এ বিষয়ে শিক্ষা নেওয়া যায় এ প্রসঙ্গে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন চায়না নরমাল ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক ডক্টর ছেং লি। আরও ছিলেন ঢাবির আইইআরের অধ্যাপক ফজলুর রহমানসহ শিক্ষকমণ্ডলী।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা গবেষণা ইনস্টিটিউটের শহীদ সাদাত আলী কনফারেন্স কক্ষে সকাল সাড়ে ১০টায় এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। এর বিষয়বস্তু ছিল ’কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে দক্ষ কর্মশক্তি নির্মাণ: চীনের বৃত্তিমূলক শিক্ষা সংস্কার এবং তার শিক্ষা’। এতে অংশ নেন ঢাবির আইইআরের শিক্ষার্থীরাও। সেন্টার ফর চায়না স্টাডিজ এবং শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট এ কর্মশালার আয়োজক ছিল।এই চ্যালেঞ্জিং সময়ে বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা, বিশেষ করে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা কীভাবে পরিবর্তিত হওয়া উচিত, এ নিয়ে শুরুতে বক্তব্য রাখেন ডক্টর ছেং লি। তিনি তুলে ধরেন কীভাবে কারিগরি পাঠ্যক্রমের মাধ্যমে এগিয়ে যাচ্ছে চীনের শিক্ষাব্যবস্থা এবং পরবর্তীতে কর্মক্ষেত্রেও তারা  কীভাবে দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন।চীনে বর্তমানে ১১ হাজারের বেশি ভোকেশনাল প্রতিষ্ঠান ও প্রায় তিন কোটি ৫০ লাখ শিক্ষার্থী রয়েছেন। আধুনিক শিল্পে নতুন নিয়োগপ্রাপ্তদের ৭০ শতাংশের বেশি এই খাত থেকে আসেন  বলেও জানান চায়না নরমাল ইউনিভার্সিটির এই সহযোগী অধ্যাপক। যেখানে বাংলাদেশের মতো তরুণ জনগোষ্ঠী-সমৃদ্ধ দেশের জন্যও ভোকেশনাল শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ। দেশে ৭ কোটির বেশি শ্রমশক্তি থাকলেও তরুণ বেকারত্ব ও দক্ষতার ঘাটতিকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন তিনি।কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় চীন ‘এআই শিক্ষা’ কর্মপরিকল্পনা চালু করেছে। এর আওতায় কারিগরি শিক্ষায় নতুন পাঠ্যক্রম চালু, পুরনো পাঠ্যক্রম হালনাগাদ এবং কিছু অপ্রয়োজনীয় বিষয় বাতিল করা হচ্ছে চীনে। ছেং বলেন, এআইভিত্তিক শিক্ষণ পদ্ধতি, ভার্চুয়াল রিয়েলিটি প্রশিক্ষণ এবং স্মার্ট শ্রেণিকক্ষ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে তার দেশে। এ থেকে চীন সুফল পাওয়ায় বাংলাদেশেও কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাব্যবস্থায় আরও জোর দেওয়া যেতে পারে বলে মনে করেন তিনি, যেন ভবিষ্যতে  বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের চাকরির বাজারে মানিয়ে নেওয়া আরও সহজ হয়।এক ঘণ্টার কর্মশালার সবশেষে ছিল প্রশ্নোত্তর পর্ব। অনুষ্ঠান শেষে ডক্টর ছেং লির হাতে তুলে দেওয়া হয় উপহার।সূত্র: চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

সব বিভাগের খবর

কালীগঞ্জে সোহান স্মৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ট্রফি উন্মোচন

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে সোহান স্মৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২৬ এর জার্সি ও ট্রফি ঊন্মোচন করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে সরকারী নলডাঙ্গা ভাষণস্কুল মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে ওই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শহীদ সোহানের বাবা মহসিন মিয়া পাটোয়ারী।শহীদ সোহান স্মৃতি ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপক আরিফুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্টানে টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া ৮ টি দলের প্রতিনিধি,  জামায়াতে ইসলামী, ছাত্রশিবিরের নেতৃবৃন্দ  এবং ক্রীড়া সংগঠকসহ গণমাধ্যমের কর্মীগন উপস্থিত ছিলেন। টুর্নামেন্ট আয়োজক কমিটির সভাপতি, নাজমুস শাজাদ সুজা জানান, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবিরেরর ২২৯ তম শহীদ মহিউদ্দিন হোসেন সোহানের নামে টুনামেন্টটি আগামী ২৪ শে এপ্রিল শুক্রবার বিকাল তিন টায় অত্র ভূষণস্কুল মাঠে  খেলার উদ্বোধন করা হবে। এ টুর্নামেন্টে কালীগঞ্জ পৌরসভার অন্তর্গত মোট আটটি ক্রিকেট টিম অংশগ্রহণে করবে। নির্ধারিত ১৫ ওভারের খেলা হবে। টুর্নামেন্টে বিজয়ী চ্যাম্পিয়ন দলকে ২০ হাজার টাকা এবং রানা স আপ দলকে ১০ হাজার টাকা প্রাইজমানি দেওয়া হবে। আয়োজক কমিটি জানায়, পৌর এলাকার যুব সমাজকে মাদকের কবল থেকে রক্ষা করতে হবে। এজন্য  যুবকদের খেলাধুলার মধ্যে  সম্পৃক্ত করতেই তাদের এই টুর্নামেন্টের আয়োজন।  সরকারি এম ইউ কলেজ শাখার সভাপতি হোসাইন আহমেদের সঞ্চালনায় ট্রফি উন্মোচন অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, ঊপজেলা  জামায়াতের সাবেক আমির মাও: ওলিয়ার রহমান, সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক লুৎফর রহমান, শিবিরের জেলা সভাপতি ওবাইদুর রহমান ও উপজেলা  সভাপতি ইশা খাসহ অন্নান্য নেতৃবৃন্দ।

বৃহত্তর লাকসাম সিএন্ডএফ ঐক্য পরিষদের ফুটবল টুর্নামেন্ট এর ফাইনাল অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহর গ্রিনফিল্ড মাঠে অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো বৃহত্তর লাকসাম সিএন্ডএফ ঐক্য পরিষদ’ আয়োজিত মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ এর জমকালো ফাইনাল।১৯শে এপ্রিল রবিবার রাতে স্থানীয় ক্রীড়ামোদী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে টুর্নামেন্টের শিরোপা নির্ধারণী এই ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়। বৃহত্তর লাকসাম সিএন্ডএফ ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক মোঃ ইউনুস খন্দকারের সভাপতিত্বে এবং জাহাঙ্গীর আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক বেলায়েত হোসেন বুলু।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিশিষ্ট মানবিক ও ব্যবসায়িক সংগঠক লায়ন মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বলেন,  মাদক মুক্ত সমাজ গড়তে খেলাধুলার বিকল্প নেই। বৃহত্তর লাকসাম সিএন্ডএফ ঐক্য পরিষদের এই আয়োজন যুবসমাজের জন্য এক অনন্য অনুপ্রেরণা। বর্তমান সময়ে আমাদের যুব সমাজের একটি বড় অংশ মাদকের নেশায় পথ হারাচ্ছে। তরুণ প্রজন্মকে এই ধ্বংসাত্মক পথ থেকে দূরে সরিয়ে সুস্থ ধারায় ফিরিয়ে আনতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। তিনি আয়োজকদের সাধুবাদ জানিয়ে ভবিষ্যতে এ ধরনের যেকোনো সৃজনশীল ও ক্রীড়া উদ্যোগে পাশে থাকার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।ফাইনাল খেলায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন ফাইম কারগো লাইন্স লিমিটেডেরব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ সালেহ আহমেদ। কনফিডেন্স সিএন্ডএফ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ শাহাদাত হোসেন। বাংলাদেশ ক্রেন সিস্টেম এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার এইচ এম এরশাদ। চট্টগ্রাম কাস্টম ক্লিয়ারিং ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ খাইরুল বাসার মিল্টন। সাধারণ সম্পাদকমোঃ মোশারফ হোসেন ভূইয়া। সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকমোঃ ইব্রাহিম হোসেন। মোঃ এনামুর রহমান প্রমুখ।সভাপতির বক্তব্যে বৃহত্তর লাকসাম সিএন্ডএফ ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক মোঃ ইউনুস খন্দকার সফলভাবে টুর্নামেন্ট সম্পন্ন হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি টুর্নামেন্টে উপস্থিত সকল আমন্ত্রিত অতিথি, খেলোয়াড় এবং দর্শকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। বিশেষ করে যারা আর্থিক ও সার্বিকভাবে এই টুর্নামেন্ট আয়োজনে সহযোগিতা করেছেন তাদের ধন্যবাদ জানিয়েতিনি বলেন, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আজ এই আয়োজন সফল হয়েছে। আগামীতেও আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে এ ধরনের সামাজিক ও ক্রীড়া কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখবো। প্রতিযোগিতাপূর্ণ এই ফাইনাল ম্যাচটি উপভোগ করতে মাঠের চারপাশে দর্শকদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। খেলা শেষে আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ বিজয়ীদের হাতে ট্রফি ও পুরস্কার তুলে দেন।

খেলার মাঠ বাঁচাতে রাস্তায় ৫ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবক

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার অন্যতম ব্যস্ত শহর বার বাজার | কালীগঞ্জ উপজেলার বার বাজারকে বলা হয় বানিজিৎক শহর| ব্যস্ত এ শহরে বার বাজার মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে ছোট খেলার মাঠ | বিদ্যালয়ের মাঠটি এক মাত্র খেলার মাঠ শিক্ষার্থীদের | আর এ মাঠের উপর দিয়ে রাস্তা নির্মানের প্রতিবাদে ৫ টি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর আজ (রবিবার) বেলা ১১ টার দিকে ঢাকা -খুলনা মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে মানববন্ধন করেন| মানববন্ধন শেষে ৫ টি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক , অভিভাবক ও স্থানীয়রা গনসাক্ষরে অংশ নেয় | আয়োজকরা জানান, তারা জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত আবেদনসহ গণ সাক্ষর জমা দিবেন | উল্লেখ্য , ২০২০ সালে একনেক সভায় যশোর- ঝিনাইদহ মহসড়ক ৪৮.৫ কিলোমিটার রাস্তা ৬ লেনে উন্নতি করার সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়| এ কাজের ব্যয় ধরা হয় প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা | ২০২৬ সালে জুন মাসে রাস্তাটির কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও দৃশ্যত কাজের অগ্রগতি হয়নি|

নন্দীর বাজারে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত

“মাদক ছেড়ে খেলতে চল, খেলবো মোরা ফুটবল”—এই অনুপ্রেরণামূলক প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শেরপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে নন্দীর বাজার ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬। শুক্রবার ১৭ এপ্রিল বিকেলে মুকসুদপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এই টুর্নামেন্টে স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মাঠজুড়ে ছিল প্রাণচাঞ্চল্য।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কামারের চর কলেজের শরীরচর্চা শিক্ষক জুলহাস উদ্দিন। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন, মুকসুদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র সহকারী শিক্ষক মোঃ আব্দুস সুবহান।এছাড়া প্রিয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নন্দীর বাজার ফুটবল ক্লাবের উপদেষ্টা এস এম ফেরদৌস ওয়াহিদ (ফরিদ)। বিশেষ অতিথি ছিলেন ক্লাবের উপদেষ্টা মোঃ আব্দুল মোতালেব। উদ্বোধক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মোঃ মুক্তি মিয়া, উপদেষ্টা, মন্দিরবাজার ফুটবল ক্লাব। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা জাসাসের সদস্য সচিব ও সাবেক ফুটবল খেলোয়াড় মোঃ হারুন অর রশিদ। পুরো আয়োজনের সভাপতিত্ব করেন নন্দীর বাজার ফুটবল ক্লাবের সভাপতি গোলাম রব্বানী শাওন এবং সঞ্চালনায় ছিলেন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামরুল ইসলাম।টুর্নামেন্টের প্রথম রাউন্ড  ম্যাচে অংশ নেয় মুন্সির চর ফুটবল ক্লাব (শেরপুর) ও মাদারগঞ্জ ফুটবল ক্লাব (জামালপুর)। অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ খেলায় মাদারগঞ্জ ফুটবল ক্লাব ট্রাইবেকারে ৪–২ গোলে মুন্সির চর ফুটবল ক্লাবকে পরাজিত করে। দীর্ঘদিন পর ঐতিহ্যবাহী মুকসুদপুর মাঠে এমন জমজমাট ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ায় দর্শকদের মাঝে ছিল ব্যাপক উচ্ছ্বাস। মাঠজুড়ে প্রচুর  দর্শকের উপস্থিতি খেলাকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।খেলা শেষে প্রধান অতিথি সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে যুব সমাজকে মাদক থেকে দূরে রেখে খেলাধুলার প্রতি মনোনিবেশ করার আহ্বান জানান। এই আয়োজন শুধু একটি খেলাধুলার প্রতিযোগিতা নয়, বরং তরুণদের সুস্থ বিনোদন ও সামাজিক সচেতনতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে প্রশংসিত হয়েছে।

আনসার খেলোয়াড়দের অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযুক্ত রায়হান, কোরবান ও নির্মল এর বিরুদ্ধে (ভিডিও)

বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপির অ্যাথলেটদের জন্য বরাদ্দকৃত বিপুল পরিমাণ টাকা আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে বাহিনীর উপ-পরিচালক রায়হান ফকির এবং তায়কোয়ানডো কোচ মোঃ কোরবান আলী ও নির্মল চৌধুরীর বিরুদ্ধে। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিযোগিতার সম্মানী এবং প্রশিক্ষণের দৈনিক ভাতা না পাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চনার শিকার হয়ে আসছেন আনসার বাহিনীর তায়কোয়ানডো, করাতে ও জুডোর একাধিক তারকা খেলোয়াড়।অনুসন্ধানে জানা যায়, বিগত বিভিন্ন তায়কোয়ানডো গেমসে পদক জয়ী খেলোয়াড়দের সম্মানী এবং সাউথ এশিয়ান (এসএ) গেমসে প্রশিক্ষণরত খেলোয়াড়দের দৈনিক ভাতা সুকৌশলে হাতিয়ে নিয়েছে এই চক্রটি। বাহিনীর সাবেক ক্রীড়া শাখায় নিযুক্ত এবং বর্তমান উপ-পরিচালক রায়হান ফকিরের প্রত্যক্ষ মদদে কোচ কোরবান আলী ও নির্মল চৌধুরী এসব আর্থিক অনিয়ম নিয়ন্ত্রণ করতেন বলে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ।বাংলাদেশ তায়কোয়ানডো ফেডারেশনের বর্তমান অ্যাডহক কমিটির সদস্য ও আন্তর্জাতিক তায়কোয়ানডো খেলোয়াড়  নুরুদ্দিন হোসাইন তার সঙ্গে ঘটা জালিয়াতির চাঞ্চল্যকর বর্ণনা দিয়েছেন। তিনি জানান, প্রাপ্য টাকা আদায়ের জন্য তিনি বারবার রায়হান ফকিরকে এবং আনসার বাহিনীকে চিঠি দিলেও কোনো সমাধান পাননি। উল্টো তাকে প্রতারণার জালে ফেলা হয়।নুরুদ্দিন বলেন, "একদিন রায়হান ফকির সাহেব আমাকে ফোন করে জানতে চান আমি সম্মানী পেয়েছি কি না। আমি না বলায় তিনি আমাকে তার অফিসে ডাকেন। কিন্তু ফোন রাখার মাত্র ১০ মিনিট পরেই কোচ কোরবান আলী ও নির্মল চৌধুরী আমাকে ফোন দিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যেতে বলেন। তারা আমাকে নির্দেশ দেন কেউ ফোন করলে যেন বলি আমি সব টাকা বুঝে পেয়েছি।"পরবর্তীতে খেলোয়াড়দের আন্তর্জাতিক পদকের সম্মানী ভাতার ৫ লক্ষ টাকার একটি চেক নুরুদ্দিনের নামে ইস্যু করা হলেও তিনি তা উত্তোলন করতে পারেননি। অভিযোগ অনুযায়ী, কোচ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা নুরুদ্দিনকে দিয়ে চেকে স্বাক্ষর করিয়ে নিজেরাই রূপালী ব্যাংক এর খিলগাঁও শাখা থেকে ৫ লক্ষ টাকা উত্তোলন করেন। এরপর নুরুদ্দিনকে মাত্র ১ লক্ষ টাকা দিয়ে বাকি ৪ লক্ষ টাকা তারা নিজেরা ভাগাভাগি করে নেন।একইভাবে বঞ্চিত হওয়ার তালিকায় রয়েছেন তায়কোয়ানডো খেলোয়াড় তাবাসুম, রোমা, নাহার, ইলিয়াসসহ আরও অনেকে। এছাড়া ২০২২ সালের এশিয়ান গেমসে অংশগ্রহণের জন্য বিদেশ ভ্রমণের খরচ বাবদ জনপ্রতি ৫০০ ডলার করে দেওয়ার কথা থাকলেও আজ পর্যন্ত কোনো খেলোয়াড় সেই টাকা হাতে পাননি।দুর্নীতির এই জাল শুধু তায়কোয়ানডোতেই সীমাবদ্ধ নয়; জুডো ডিসিপ্লিনের অন্তরাসহ আরও অনেক খেলোয়াড়ও একইভাবে আর্থিক অনিয়মের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। দেশের জন্য সম্মান বয়ে আনা এসব ক্রীড়াবিদদের প্রাপ্য টাকা আত্মসাৎ হওয়ায় ক্রীড়াঙ্গনে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা বর্তমান প্রশাসনের কাছে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

রূপসায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট এর উদ্বোধন

রূপসা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ও টিএসবি ইউনিয়ন পর্যায়ের সকল প্রাথমিক বিদালয়ের আয়োজনে ৭ এপ্রিল মঙ্গলবার সকালে তালতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট বালক- বালিকা ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়।খেলায় অংশগ্রহন করে টিএসবি ইউনিয়নের উপজেলা সদর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বালক- বালিকা বনাম তিলক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বালক- বালিকা। কাজদিয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বালক- বালিকা বনাম উত্তর খাজাডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বালক- বালিকা। তালতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বালক- বালিকা বনাম সল্পবাহিরদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বালক- বালিকা। গিলাতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বালক- বালিকা বনাম দক্ষিন খাজাডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বালক- বালিকা। পাঁচানি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বালক- বালিকা বনাম পাথরঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বালক- বালিকা দল।খেলায় প্রধান অতিথী হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ আবুল কাশেম।টিএসবি ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আসাফুর রহমানের সভাপতিত্বে  বিশেষ অতিথী হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সহকারি শিক্ষা অফিসার মোঃ মাসুদ রানা, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি জিএম আসাদুজ্জামান, ক্রীড়া অনুরাগি মোঃ আনোয়ার হোসেন, মোঃ আজিজুর রহমান  সহ ইউনিয়নের প্রত্যেক প্রত্যেক প্রাথমিক  বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষকবৃন্দ।

নতুন গান 'জীবনের ব্যালকনি' নিয়ে মরিয়ম মারিয়া

আমেরিকা প্রবাসী কণ্ঠশিল্পী মরিয়ম মারিয়া'র নতুন গান 'জীবনের ব্যালকনি' সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে। গানটি শিল্পীর ইউটিউব চ্যানেলে (Mariom Maria) শোনা যাচ্ছে। চমৎকার এই গানটি লিখেছেন কবি কাজী জহিরুল ইসলাম। মানুষের জীবনের পড়ন্ত বিকেলের হতাশা থেকে বের হয়ে এসে জীবনের সুন্দর মুহূর্তগুলো উপভোগ করার এক চমৎকার ইতিবাচক চিন্তার বাণীর ওপর সুর করেছেন গুণী সুরকার, নিউজিল্যান্ড প্রবাসী রোমেল হাসান। এই গানটি সম্পর্কে শিল্পী মরিয়ম মারিয়া বলেন, এইরকম মোটিভেশনাল গানের লিরিকই আমি খুঁজছিলাম। কাজী জহিরুল ইসলাম আমার খুব প্রিয় একজন কবি, তার সব লেখাই আমার ভালো লাগে। কবিকে অনুরোধ করেছিলাম আমার জন্য কিছু গান লিখে দিতে।  তাৎক্ষণিকভাবে তিনি এই গানটি আমাকে দেন এবং আরো নতুন গান লিখে দেবেন বলেও প্রতিশ্রুতি দেন। শিল্পী আরও বলেন, রোমেল হাসানও খুব গুণী একজন সুরকার ও মিউজিক কম্পোজার, এই প্রজন্মের শিল্পী হিসেবে তথ্য-প্রযুক্তির ওপরও ওর দারুণ দখল। ফলে একটি গানকে সফল করে তোলার কৌশল ওর জানা। আমি খুব খুশি যে প্রিয় কবির কথায় একজন প্রিয় সুরকার সুর বসিয়েছেন। গানটি গাইতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত। আশা করি শ্রোতারা দারুন উপভোগ করবেন। 

দর্শকমহলে ব্যতিক্রমধর্মীরূপে হাজির হলেন রিবা

বাংলাদেশের ফ্যাশন জগতের এক জনপ্রিয় নাম সাবরিনা জামান রিবা৷ শোবিজ জগতে তার ক্যারিয়ারের যাত্রা শুরু হয় ২০১০ সালে। সেই সময় থেকেই বন্ধু, আত্মীয়স্বজন এবং পরিচিত মহলের অনুপ্রেরণায় নিয়মিত নাচ চর্চা শুরু করেন। একই বছর তিনি প্রথমবারের মতো মঞ্চে পারফর্ম করেন, যেখানে নিজের কোরিওগ্রাফি দিয়ে দর্শকদের নজর কাড়েন।তার ছোটবেলা থেকেই শিল্প-সংস্কৃতির প্রতি গভীর আগ্রহ ছিল । বিশেষ করে নাচ, ছবি আঁকা, অবরেল পেইন্টিং ও ফ্রেস-এসবের মধ্যেই খুঁজে পেয়েছেন নিজের পরিচয়। একটি রক্ষণশীল পরিবারে বেড়ে ওঠা রিবার জন্য পথচলাটা সহজ ছিল না, তবে সকল বাধা অতিক্রম করে তিনি নিজের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিচ্ছেন। সম্প্রতি তিনি তার বন্ধু উপমার নিজের নাচের ইনস্টিটিউট (উপমায়া ড্যান্স একাডেমি বাই মারিয়া ফারিহ্ উপমা)'র মাধ্যমে। বর্তমানে ইনস্টিটিউটের দ্বিতীয় সিজনে ১২ টি ক্লাস সম্পন্ন করেন। যেখানে শিক্ষার্থীদের বেসিক ডান্স জ্ঞান থেকে শুরু করে পারফরম্যান্সের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। নিয়মিত রিহার্সালের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বাড়ানো হচ্ছে এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে।​তারপর বন্ধু উপমার পরামর্শে একটি ডান্স পারফরম্যান্স করার সুযোগ পায় রিবা। অনেকে কম সময়ে অনুশীলন করে বন্ধু উপমার সহায়তায় দেশীয় সংস্কৃতি, চৈত্র সংক্রান্তি, পয়লা বৈশাখ উদযাপন ইত্যাদিকে কেন্দ্র করে ভারত নাট্য ক্লাসিকাল এর একটি বিশেষ ব্লেন্ডেড পারফরম্যান্স এ অংশগ্রহণ করে। যেটা গত ১৩ এপ্রিল (যাত্রা বিরতি) তে প্রচার করা হয়। যেখানে ভারতীয় নৃত্য ও ক্লাসিকাল নাচের সমন্বয় দেখা যায়। প্রায় ২০ মিনিটের এই পরিবেশনাটি শিগগিরই মঞ্চে আসার কথা রয়েছে। এ সবকিছু সম্ভব হয়েছে বন্ধুর উপমার জন্য।তিনি তার বন্ধুর প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। প্রথমবারের মত ড্যান্স পারফরম্যান্স  এর অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে বলেন;প্রথমবারের মতো ড্যান্স পারফর্ম করে ভীষণ ভালো লেগেছে। একেবারেই নতুনভাবে আমাকে দর্শক দেখেছে। কারণ, এর আগে আমি র‍্যাম্প কোরিওগ্রাফির প্রয়োজনে নাচ করেছি। কিন্তু এবার ভরত নাট্যম, ক্ল্যাসিক্যাল এবং ফোকের মিশ্রণে এমন একটি কাজ করতে পেরে আমি আনন্দিত। ছোটবেলায় আমার নাচের প্রতি যে ভালোবাসা ছিল সেটা কিছুটা হলেও দেখাতে পেরে খুব ভালো লাগছে।

চাঁদপুরে জাগরণ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ উদযাপিত

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) চাঁদপুর প্রেস ক্লাবে জাগরণ সাংস্কৃতিক  তৃতীয় বাঁশি, চিত্রাংকন ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ব্যারিস্টার জহির উদ্দিন বাবর। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন, প্রেস ক্লাবের সভাপতি সোহেল রুশদী,সাংস্কৃতিক চর্চা কেন্দ্রের আহ্বায়ক ও নাট্য ব্যক্তিত্ব শরীফ চৌধুরী, জাগরণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উপদেষ্টা এডভোকেট নুরুল হক কমল।সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের প্রাক্তন সহকারী রেজিস্টার ও সমাজসেবক ডাক্তার মোবারক হোসেন চৌধুরী।অনুষ্ঠানটিতে সভাপতিত্ব করেন বাঁশি উৎসবের উদ্যোক্তা জাগরণ সংস্কৃতি কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন। সঞ্চালনায় সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ মাসুদ রানা ও সাংবাদিক আশিক খান। বিজয়ী নারী উন্নয়ন সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা তানিয়া ইশতিয়াক খান সহ আরো গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও আমন্ত্রিত অতিথি এবং অভিভাবক বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ৭ জন বাঁশি শিল্পী অংশগ্রহণ করেন অনুষ্ঠানটিতে।অনুষ্ঠানটির প্রথম পর্বে পতাকা উত্তোলনের মধ্যে দিয়ে উদ্বোধনী পর্ব শুরু হয়। অনুষ্ঠানটিতে চমৎকার রূপে চিত্রাংকন, বাশির সুর এবং নিত্য ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান  অনুষ্ঠিত হয়। প্রত্যেক অতিথিবৃন্দ অনুষ্ঠানটিতে প্রশংসা ও মনমুগ্ধকর ভাষায় বক্তব্য প্রদান ও পুরস্কার বিতরণ করে  সমাপ্তি ঘোষনা করেন। 

দাম বৃদ্ধির পর চট্টগ্রামের ফিলিং স্টেশনগুলোতে আর নেই গ্রাহকদের দীর্ঘ লাইন

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পর চট্টগ্রাম নগরীর পাম্পগুলোতে চিরচেনা ভিড়ের চিত্র বদলে গেছে। মাত্র কয়েক দিন আগেও যেখানে তেল সংগ্রহের জন্য গ্রাহকদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হতো, এখন সেখানে বেশিরভাগ পাম্প প্রায় ফাঁকা দেখা যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ঘুরে এমন দৃশ্য পরিলক্ষিত হয়েছে। ষোলশহর, নতুন ব্রিজ, পাঁচলাইশ, অক্সিজেন, ওয়াসা এবং গণি বেকারি এলাকার পাম্পগুলোতে পেট্রোল ও অকটেন নিতে গ্রাহকদের কোনো বাড়তি চাপ দেখা যায়নি।কোনো রকম ভোগান্তি ছাড়াই চালকেরা তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী তেল সংগ্রহ করতে পারছেন। আগে যেখানে তেলের পরিমাণের ওপর সীমাবদ্ধতা ছিল, বর্তমানে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় সেই সংকটও কেটে গেছে। পাম্পে কর্মরত শ্রমিকদের অনেককেই এখন অলস সময় কাটাতে দেখা যাচ্ছে। তারা জানান, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ পর্যাপ্ত হওয়ায় এখন আর দীর্ঘ সারি তৈরি হচ্ছে না। এদিকে গ্রাহকদের অনেকে অভিযোগ করেছেন যে, দাম বাড়ানোর আগে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে পাম্পগুলোতে ভোগান্তি সৃষ্টি করা হয়েছিল।গণি বেকারি এলাকার একটি পাম্পে তেল নিতে আসা মোটরসাইকেল চালক মো: ইব্রাহীম জানান, কয়েক দিন আগেও তেল নিতে এক থেকে দুই ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হতো। এখন কোনো ঝামেলা ছাড়াই দ্রুত তেল নেওয়া সম্ভব হচ্ছে। পাম্প কর্মচারী মো. আলমগীর বলেন, দুই দিন আগেও তেলের জন্য উপচে পড়া ভিড় ছিল।বর্তমানে অনেকেই আগের মজুত করা তেল ব্যবহার করছেন, যার ফলে চাপ কমেছে। নগরীর ব্যস্ততম দামপাড়া এলাকার সিএমপি ফিলিং স্টেশনেও একই চিত্র দেখা গেছে। যেখানে গত দেড় মাস ধরে দিন ও রাত তেলের জন্য দীর্ঘ লাইন ছিল, সেখানে এখন কোনো ভিড় নেই। মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে পাম্পগুলোর এমন দৃশ্যপট পরিবর্তন সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে।

দেশের নিরাপত্তা নিয়েও ভাবছে শিক্ষার্থীরা, এটাই বড় অগ্রগতি: এমপি মিলন

রাজশাহীর পবা উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত ৪৭তম বিজ্ঞান মেলায় শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রকল্পের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক া মিলন। তিনি বলেছেন, “একসময় বিজ্ঞান মেলায় শিক্ষার্থীরা সাধারণ বিষয় উপস্থাপন করত। এখন তারা দেশের নিরাপত্তা, জঙ্গি বিমান শনাক্তকরণ কিংবা জাতীয় হুমকি মোকাবিলায় প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে ভাবছে। এটাই বড় অগ্রগতি।” রোববার (১২ এপ্রিল) সকালে পবা উপজেলা পরিষদ চত্বরে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ, বিজ্ঞান মেলা ও ১০ম জাতীয় বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য অ্যাড. শফিকুল হক মিলন বলেন, স্বাধীনতার প্রায় ৫৫ বছর পূর্তির দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে এ ধরনের আয়োজন দেশের জন্য আশার বার্তা বহন করছে। তিনি বলেন, “আজকের শিক্ষার্থীরা শুধু বইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, তারা বাস্তব জীবনের সমস্যা, রাষ্ট্রের নিরাপত্তা এবং আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগ নিয়ে ভাবছে। এটি আমাদের ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক।” তিনি আরও বলেন, দেশের উন্নয়নে সবাইকে আরও বেশি পরিশ্রমী হতে হবে। বিদেশের তুলনায় দেশের মানুষের কম কাজ করার প্রবণতা থেকে বেরিয়ে এসে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে। তরুণ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বয়স্কদের তুলনায় তাদের মেধা বিকাশ অনেক বেশি স্বচ্ছ ও দ্রæত ঘটে। ফলে নতুন বিষয় আয়ত্ত করা, প্রযুক্তিকে কাজে লাগানো এবং উদ্ভাবনের পথে এগিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও তাদের মধ্যে বেশি। প্রধান অতিথি আরও বলেন, উন্নয়নশীল দেশগুলোর বড় শক্তি হলো ছাত্রসমাজ। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ শিক্ষার্থীদের মেধা ও সৃজনশীলতা বিকাশে সহায়ক ভূমিকা রাখছে। পবা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উদ্ভাবননির্ভর বাংলাদেশ গঠনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রতিপাদ্যে অনুষ্ঠিত এ মেলায় উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১৮টি স্টল স্থান পায়। স্টলগুলোতে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা, প্রযুক্তিনির্ভর উপস্থাপনা এবং ভবিষ্যতমুখী নানা ধারণা দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করে। অতিথিরা শিক্ষার্থীদের প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানান ও বিজ্ঞানমনস্ক প্রজন্ম গড়ে তুলতে এ ধরনের আয়োজনের গুরুত্ব তুলে ধরেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইবনুল আবেদীন। তিনি বলেন, “বিজ্ঞান মেলা কেবল একটি প্রতিযোগিতা নয়, এটি শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, কৌতূহল ও উদ্ভাবনী সক্ষমতা বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম।” তিনি আরও বলেন, এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বাস্তবমুখী জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পায়, যা ভবিষ্যতে বিজ্ঞানমনস্ক ও দক্ষ প্রজন্ম গঠনে সহায়ক হবে। দুইদিনব্যাপী এ বিজ্ঞান মেলা শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানমনস্ক হিসেবে গড়ে তুলতে এবং আগামী দিনের আধুনিক বাংলাদেশ নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ মেহেদী হাসান, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ওয়াদুদ হাসান পিন্টু, পবা উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব আব্দুর রাজ্জাক, যুগ্ম আহ্বায়ক সুলতান আহমেদ এবং নওহাটা পৌর বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিকসহ পবা উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিবৃন্দ, সাংবাদিক, বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থীবৃন্দ, এনজিও প্রতিনিধি এবং বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ।

রাজধানীতে 'ব্লক রেইড' অভিযান জোরদার

রাজধানীতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে 'ব্লক রেইড' অভিযান জোরদার করা হয়েছে। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা ও ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত করতে সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে।ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)'র মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-কমিশনার এন এম নাসিরুদ্দিন এ তথ্য জানান।নাসিরুদ্দিন বলেন, 'আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাজধানীর অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে ব্লক রেইড অভিযান জোরদার করা হয়েছে। অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ও অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।'এছাড়া, দেশে সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধে বাংলাদেশ পুলিশ, র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব), ডিএমপি, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)সহ আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।সম্প্রতি ডিএমপি'র তেজগাঁও বিভাগের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৫৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় মোহান্নদপুর, শের-ই-বাংলা নগর, আদাবর, তেজগাঁও, তেজগাঁও শিল্প এলাকা ও হাতিরঝিল থানার অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে 'ব্লক রেইড' অভিযান চালানো হয়।ডিএমপি'র তথ্যমতে, চলতি বছরের মার্চ মাসে রাজধানীতে বিভিন্ন অপরাধে মোট ৯ হাজার ২৫৯ জনকে গ্রেপ্তার এবং ১ হাজার ৩০৫টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়া মার্চে রাজধানীর ১১টি থানা বিভিন্ন অপরাধে ২ হাজার ৬২৫ জনকে গ্রেপ্তার করে। এর মধ্যে মোহান্নদপুর থানা ৬৭৪, হাজারীবাগ ৪৯৪, নিউমার্কেট ৫১, মিরপুর ৪৬৯,শাহবাগ ১৫৯, বংশাল ১৩২, লালবাগ ১২৮, উত্তরা পশ্চিম ২৩৪, ধানমন্ডি ৬৭, বাড্ডা ১১৫ এবং মতিঝিল থানা ১০২ জনকে গ্রেপ্তার করে।পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি, মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স) এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন বলেন, 'টহল ও গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি, ধারাবাহিক অভিযান, প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি এবং পুলিশ-জনগণের সমন্বিত সহযোগিতার ফলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগের চেয়ে যথেষ্ট ভালো।'তিনি বলেন, 'অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষা, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ প্রতিরোধ ও তদন্ত করা এবং জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে।' ডিএমপি'র গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, আইনশৃঙ্খলা আরও উন্নত করতেসন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকা করা হচ্ছে। প্রযুক্তির মাধ্যমে অপরাধীদের অবস্থান শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি যথেষ্ট ভালো, তবে আরও উন্নত হবে। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) খুন, অর্থপাচার, সাইবার অপরাধ, জালিয়াতি, সংঘবদ্ধ অপরাধ, সন্ত্রাসবাদ ও ফরেনসিক বিশ্লেষণসহ বিশেষায়িত ক্ষেত্রে কাজ করছে। সিআইডি এসব অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে তৎপর রয়েছে।সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান জানান, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি ও মার্চে বিভিন্ন অপরাধে ৭ জনকে গ্রেফতার এবং ৬টি মামলা করা হয়েছে, যার মধ্যে ২টি মানি-লন্ডারিং সংক্রান্ত। এছাড়া, র‍্যাব আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে মাদক, অবৈধ অস্ত্র, দালাল চক্র ওভেজালবিরোধী অভিযান চালাচ্ছে। র‍্যাবের মিডিয়া শাখা থেকে জানানো হয়,ফেব্রুয়ারিতে ৬২৭ জনকে গ্রেফতার ও ৪৪টি মোবাইল কোর্ট এবং মার্চে ৮৫২ জনকে গ্রেপ্তার এবং ৯৯টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এদিকে, সীমান্তে চোরাচালান, মাদক, নারী ও শিশু পাচার প্রতিরোধ এবং সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে বিজিবি। জরুরি পরিস্থিতিতে অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষায়ও সহায়তা দিচ্ছে।বিজিবি'র জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম জানান, চলতি বছরের মার্চে অভিযান চালিয়ে ১৬৫ কোটি ৭৬ লাখ ৭৪ হাজার টাকা মূল্যের বিভিন্ন প্রকারের চোরাচালান পণ্য জব্দ করা হয়েছে। মোহান্নদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেজবাহ উদ্দিন বলেন, এলাকায় নিয়মিত অভিযান চালিয়ে অপরাধীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। গত মার্চে বিভিন্ন অপরাধে ৬৭৩ জনকে গ্রেপ্তার এবং ৭ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। সম্প্রতি আসাদুল হত্যা মামলার আসামিদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার এবং টহল জোরদার করা হয়েছে।মেজবাহ উদ্দিন বলেন, 'চাঁদাবাজ, ছিনতাইকারী, কিশোর গ্যাং ও সন্ত্রাসীদের দমনে আমরা তৎপর রয়েছি। মোহান্নন্দপুর থানা এলাকায় সন্ত্রাসীদের কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হচ্ছে না।'নিউমার্কেট থানার ওসি মোহান্নন্দ আইয়ুব বলেন, আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নে একাধিক টিম কাজ করছে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে। ধানমন্ডি থানার ওসি মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, 'আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আমরা কাজ করছি। ধানমন্ডি থানা এলাকায় আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে জনগণ শান্তিপূর্ণভাবে বাস করছে।'বাড্ডা থানার ওসি কাজী মো. নাসিরুল আমিন বলেন, নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযানসহ বিভিন্ন পদক্ষেপে পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে। আইন মেনে সব কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।শাহবাগ থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান বলেন, এলাকায় পরিস্থিতি ভালো। তবে তা আরও উন্নয়নে কাজ চলছে। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদক নিয়ন্ত্রণে পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করছে।

ফারুকীর নাশতায় একদিনে খরচ ১ লাখ ১৮ হাজার টাকা

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আবেগকে পুঁজি করে প্রতিষ্ঠিত জুলাই স্মৃতি জাদুঘর ও বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে ভয়াবহ অনিয়ম ও দুর্নীতির চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, মাত্র ছয় মাসে ভিভিআইপি আপ্যায়ন ও ‘নাশতার বিল’ দেখিয়ে ১ কোটি ২ লাখ টাকারও বেশি উত্তোলন করা হয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দরপত্রবিহীন সংস্কার, ভুয়া নির্মাণকাজ এবং গায়েবি প্রদর্শনীর নামে কোটি কোটি টাকা লোপাটের অভিযোগ।জাদুঘরের নথিপত্র ঘেঁটে পাওয়া তথ্যে দেখা যায়, চলতি বছরের ২৫ জানুয়ারি থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাত্র ২৫ দিনে আপ্যায়ন ও সংশ্লিষ্ট খাতে মোট ব্যয় দেখানো হয়েছে ২৯ লাখ ৫৪ হাজার ৭৬০ টাকা, যা দৈনিক গড়ে দাঁড়ায় ১ লাখ ১৮ হাজার ১৯০ টাকা। ছয় মাসের মোট হিসাব করলে আপ্যায়ন বাবদ ১ কোটি ২ লাখ টাকা খরচ দেখানো হয়েছে, যেখানে দৈনিক গড় প্রায় ৫৬ হাজার ৬৬৬ টাকা। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, মূলত ‘ফারুকীর নাশতার বিল’ নামেই পরিচিত এই খাতে ভিভিআইপি আপ্যায়নের আড়ালে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে।একই সময়ে জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের ৮০ জন স্বেচ্ছাসেবকের আপ্যায়ন বাবদ প্রায় ৫৭ লাখ টাকা ব্যয় দেখানো হয়েছে, যা দৈনিক গড়ে প্রায় ৩১ হাজার ৬৬৬ টাকা। এছাড়া আন্তর্জাতিক সংস্থা আইসেসকোর মহাপরিচালক ড. সেলিম এম আল মালিকের একদিনের জাদুঘর পরিদর্শনে আপ্যায়ন বিল দেখানো হয়েছে ৭০ হাজার টাকা। ‘আড্ডা প্রবর্তনা রেস্টুরেন্ট’-এর নামে বিভিন্ন সভা-সমাবেশের জন্য বিল করা হয়েছে ১০ লাখ ২৮ হাজার ৫১৫ টাকা এবং বিভিন্ন কর্নার উদ্বোধনের নামে একদিনেই ১ লাখ ৪৩ হাজার টাকার নাশতার বিল দেখানো হয়েছে।সংস্কারের নামেও বড় ধরনের আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। নলিনীকান্ত ভট্টশালী গ্যালারি সংস্কারের জন্য উন্মুক্ত দরপত্র ছাড়াই প্রায় দেড় কোটি টাকার বিল তোলা হয়েছে। ১৪টি ছোট এসি স্থাপনের জন্য খরচ দেখানো হয়েছে ৪৯ লাখ ৮৮ হাজার ৫২৭ টাকা, যেখানে প্রতিটি এসির দাম দাঁড়ায় ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৩২৩ টাকা। শুধু লাইট স্থাপনের খরচই দেখানো হয়েছে ৩৮ লাখ ২ হাজার ১৭৪ টাকা। ‘জিজিবি’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে কাগজে-কলমে কাজ দেওয়া হলেও তাদের পক্ষ থেকে এমন কোনো কাজ করার বিষয়টি অস্বীকার করা হয়েছে।অন্যদিকে, জুলাই জাদুঘরের সড়কের পাশে টিনের বাউন্ডারি নির্মাণের নামে জাতীয় জাদুঘরের তহবিল থেকে ৬৪ লাখ ৩৮ হাজার ৪৭০ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে, যদিও বাস্তবে সেখানে কোনো বাউন্ডারির অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। একইভাবে শীতলপাটির ছবি সরবরাহ ও ইতিহাস বিভাগের প্রদর্শনীর নামে ৫ লাখ ৫৮ হাজার ৩৭০ টাকা বিল করা হয়েছে, যা কখনোই অনুষ্ঠিত হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।নিয়োগ প্রক্রিয়াতেও ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি কোনো লিখিত পরীক্ষা ছাড়াই ৫৩ জন কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিজনের কাছ থেকে ১৩ লাখ টাকা করে নেওয়া হয়েছে, যার মাধ্যমে মোট প্রায় ৬ কোটি ৮৯ লাখ টাকার বাণিজ্য হয়েছে। ফাঁস হওয়া একটি অডিওতে এক কর্মকর্তাকে বলতে শোনা যায়, “১৩ লাখ দিলে কাজ হয়ে যাবে, এটা টোটাল প্যাকেজ।” তবে অভিযুক্তরা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।এদিকে, জাদুঘরের মহাপরিচালক তানজীম ইবনে ওহাবের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে লিখিত অভিযোগ জমা পড়লেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি। এর আগে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ সরাসরি ক্রয়পদ্ধতি নিয়ে দুর্নীতির আশঙ্কা প্রকাশ করেছিল, যা বর্তমান পরিস্থিতিতে আরও জোরালোভাবে সামনে এসেছে।সব মিলিয়ে ‘ফারুকীর নাশতার বিল’ এখন শুধু একটি হিসাব নয়, বরং জাদুঘরকেন্দ্রিক একটি বৃহৎ আর্থিক কেলেঙ্কারির প্রতীকে পরিণত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহলের নীরবতা ও জবাবদিহিতার অভাব পুরো ব্যবস্থাপনাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেছে। এখন দেখার বিষয়, এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত হয় কিনা এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় কি না।

বাস ভাড়া বৃদ্ধি, প্রতি কিলোমিটারে ১১ পয়সা

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে গণপরিবহন খাতে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি কিলোমিটারে বাস ভাড়া ১১ পয়সা বাড়ানো হয়েছে, তবে সর্বনিম্ন ভাড়া ১০ টাকা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক বৈঠক শেষে মন্ত্রী এ ঘোষণা দেন।নতুন ভাড়া কাঠামো অনুযায়ী, ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরে বাস ও মিনিবাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ২ টাকা ৪২ পয়সা থেকে বেড়ে ২ টাকা ৫৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। একইভাবে দূরপাল্লার বাসে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া ২ টাকা ১২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ২ টাকা ২৩ পয়সা করা হয়েছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটসহ আন্তঃজেলা পরিবহনেও প্রতি কিলোমিটারে ১১ পয়সা বৃদ্ধি কার্যকর হবে।মন্ত্রী জানান, এই নতুন ভাড়া আজ থেকেই কার্যকর হচ্ছে এবং এটি শুধুমাত্র ডিজেলচালিত বাসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। সিএনজিচালিত বাসের ভাড়ায় কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি।তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে জ্বালানি তেলের দাম কমে গেলে বাস ভাড়াও পুনরায় সমন্বয় করা হবে। তবে আপাতত রেলওয়ের ভাড়া বৃদ্ধির বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।উল্লেখ্য, গত ১৮ এপ্রিল সরকার জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। এতে প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১৫ টাকা, অকটেন ২০ টাকা, পেট্রোল ১৯ টাকা এবং কেরোসিন ১৮ টাকা বৃদ্ধি পায়। এর আগে সর্বশেষ ২০২২ সালে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে বাস ভাড়া সমন্বয় করা হয়েছিল।নতুন ভাড়া কার্যকরের ফলে যাত্রীদের ব্যয় কিছুটা বাড়লেও, পরিবহন মালিকদের মতে এটি পরিচালন ব্যয় সামাল দিতে সহায়ক হবে। তবে সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে এ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

পাহাড়ের বৈচিত্র্যে মানবিক ঐক্যের সুর

বসন্তের বিদায় আর নতুন বছরের আবাহনে মুখরিত হয়ে উঠেছে সবুজ পাহাড়ের প্রতিটি জনপদ। প্রকৃতির রুক্ষতা মুছে নতুন কুঁড়ির আগমনে সেজেছে অরণ্য। ঠিক এই সময়েই পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি বিভিন্ন সম্প্রদায়ের জীবনে বছরের শ্রেষ্ঠ সময়ের উপভোগ্য উৎসব বিজু, সাংগ্রাই, বিষু, চাংলান, চাংক্রান, বৈসু ইত্যাদি চৈত্র সংক্রান্তি ও বর্ষবরণ শুরু হচ্ছে। এ যেন পাহাড়ের বৈচিত্র্যে একই সুতোয় গাঁথা মানবিক ঐক্যের তান, লয় ও সুরের মূর্ছনা।নামের ভিন্নতা থাকলেও সুর একটাই- মৈত্রী, সম্প্রীতি আর উৎসব। চাকমাদের 'বিজু', মারমাদের 'সাংগ্রাই', ত্রিপুরাদের 'বৈসু', তঞ্চঙ্গ্যাদের 'বিষু', ম্রো ও চাকদের 'চাংক্রান'। বাঙালির নববর্ষ আর পাহাড়ের এই প্রাণের উৎসব মিলেমিশে একাকার হয়ে পাহাড়ের বুকে তৈরি করেছে এক অসাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মহোৎসব।রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি আর বান্দরবান-এই তিন পার্বত্য জেলায় এখন যেন দম ফেলার সময় নেই। শহরের বনরূপা, তবলছড়ি কিংবা রিজার্ভ বাজার থেকে শুরু করে দুর্গম পাহাড়ের ছোটো বাজারগুলোতেও মানুষের উপচে পড়া ভিড়। চাকমাদের ঐতিহ্যবাহী পিনোন-হাদি, মারমাদের থামি, আর ত্রিপুরাদের রিনাই-রিসার দোকানে তরুণ-তরুণীদের ভিড় চোখে পড়ার মতো। আধুনিকতার ছোঁয়ায় এখন এসব পোশাকে এসেছে নতুন নতুন নকশা, যা কেবল পাহাড়িদের নয়, পর্যটকদেরও ভীষণভাবে আকর্ষণ করছে।শুধু পোশাক নয়, পাহাড়ের বাজারে এখন সুবাস ছড়াচ্ছে বনজ সবজি। চৈত্র সংক্রান্তি আর বর্ষবরণের অপরিহার্য অনুষঙ্গ ‘পাঁজন’ রান্নার জন্য সংগ্রহ করা হচ্ছে বাঁশকোড়ল, তারা গাল্ল্যা, পাহাড়ি আলু আর হরেক রকমের বুনো সবজি। দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ আসছে উৎসবের প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহ করতে।পাহাড়ি সম্প্রদায়ের এই উৎসব সাধারণত তিন দিনব্যাপী চলে। তবে এর প্রস্তুতি চলে মাসজুড়ে। ১২ এপ্রিল ফুল বিজু ও বৈসু, এ সময়ে পাহাড়ি হ্রদে ফুল দিয়ে প্রার্থনা করা হয়, অনেকে বলে থাকে ফুল ভাসানো হয়, প্রকৃতপক্ষে চাকমা সম্প্রদায় ফুলকে শ্রদ্ধা করে, প্রণাম করে- একে ভাসায় না বরং গছিয়ে দেয়। ১৩ এপ্রিল ৩০ চৈত্র বাংলা বর্ষের শেষ দিন হলো মূল বিজু ও বৈসু। এদিনে নতুন কাপড় পরিধান করা হয়, এদিনে চাকমা সম্প্রদায় জুনিয়রদের সেলামি দিয়ে থাকে এবং বাড়িতে বাড়িতে পাজন রন্ধন (অনেক সবজির সমষ্টিতে বিশেষ খাবার) উৎসব উদযাপিত হয় এবং ১৪ এপ্রিল নববর্ষ বুদ্ধিস্ট সম্প্রদায় প্রার্থনার জন্য খেয়াং-এ আসেন এবং মারমা সম্প্রদায় সাংগ্রাই উৎসবে জলকেলি ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করে থাকে।উৎসবের প্রথম দিনকে বলা হয় ‘ফুল বিজু’। ১২ এপ্রিল ভোরে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে শিশু-কিশোর ও তরুণ-তরুণীরা পাহাড়ি ঝরনা বা হ্রদের তীরে ভিড় জমায়। তারা ফুল সংগ্রহ করে নদী বা কাপ্তাই হ্রদের শান্ত জলে ফুল সমপর্ণ করে প্রার্থনা করে। এটি পুরনো বছরের গ্লানি মুছে ফেলার এবং প্রকৃতির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানোর এক প্রতীকী আয়োজন। ঘরদোর ফুল দিয়ে সাজানো আর পবিত্র স্নানের মাধ্যমে তারা নতুন দিনকে স্বাগত জানায়।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং বেগম জিয়ার সমাধিতে স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকারের শ্রদ্ধা

শুক্রবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নব নিযুক্ত স্পীকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম, এমপি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।এরপর জাতীয় সংসদের নব নিযুক্ত ডেপুটি স্পীকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।এসময় তাঁরা কিছুক্ষণ নিরবতা পালন  এবং রূহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করেন।শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পীকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম গণমাধ্যমকে বলেন, আজ এক ঐতিহাসিক মূহুর্তে আমরা উপনীত হয়েছি যখন দীর্ঘসংগ্রামের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুণঃস্থাপিত হয়েছে। মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যার নেতৃত্বে আমরা সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে দেশকে দখলমুক্ত করেছি এবং গণতন্ত্রের মহান নেত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যিনি সীমাহীন ত্যাগ তিতিক্ষার মাধ্যমে বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্রের পুনঃপ্রবর্তন করেছেন তাদের রূহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করেছি। স্পীকার বলেন, বাংলাদেশের বিচক্ষণ মানুষ বিএনপিকে দুই-তৃতীয়াংশ ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেছে যা গনতন্ত্রের পথকে সুগম করবে। সংসদে সরকার ও বিরোধী দলের সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে আমরা দল থেকে পদত্যাগ করে স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকারের পদে আসীন হয়েছি।অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব, সার্জেন্ট এ্যাট আর্মসসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা- কর্মচারীবৃন্দ ও বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

আত্রাইয়ে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় পানিতে ডুবে নুর মোহাম্মদ (২) নামের এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১৯ এপ্রিল) উপজেলার ভোঁপাড়া ইউনিয়নের ভড় মাধাইমুড়ি এলাকায় নতুন নির্মিত আদর্শ গ্রামে এ হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে। শিশুটির অকাল মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে।নিহত নুর মোহাম্মদ পূর্বে উপজেলার মহাদীঘি গ্রামের বাসিন্দা পরিবারের সন্তান। কিছুদিন আগে তাদের পরিবার ভড় মাধাইমুড়ি আদর্শ গ্রামে একটি বাড়িতে বসবাস শুরু করে। নুর মোহাম্মদের বাবা মোঃ ইসলাম জীবিকার তাগিদে প্রবাসে রয়েছেন। পরিবারের স্বপ্ন ছিল- সন্তানকে মানুষ করে বড় করবে। তাকে ঘিরে ছিল অসংখ্য আশা-আকাঙ্ক্ষা। কিন্তু সেই স্বপ্ন এক মুহূর্তেই ধূলিসাৎ হয়ে গেছে।পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার সকালে বাড়ির সবার অগোচরে শিশু নুর মোহাম্মদ বাড়ির বাইরে বের হয়ে যায়। কিছু সময় পর তাকে দেখতে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে বাড়ির পাশের একটি পুকুরে তার দেহ ভাসতে দেখা যায়। সঙ্গে সঙ্গে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।কিন্তু হাসপাতালে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসকের এ ঘোষণার পর কান্নায় ভেঙে পড়েন মা ও স্বজনরা। প্রবাসে থাকা বাবার কাছেও খবর পৌঁছালে তিনিও শোকে মুহ্যমান হয়ে পড়েন। সন্তানের মৃত্যুর সংবাদ শুনে তিনি বারবার কান্নায় ভেঙে পড়ছেন বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।এদিকে, শিশুটির মৃত্যুতে ভড় মাধাইমুড়ি আদর্শ গ্রামসহ আশপাশের এলাকায় নেমে এসেছে গভীর শোক। প্রতিবেশীরা জানান, নুর মোহাম্মদ ছিল খুবই চঞ্চল ও আদুরে একটি শিশু। সারাদিন বাড়ির আশপাশে খেলাধুলা করত। এমন একটি শিশুর মৃত্যু কেউ মেনে নিতে পারছেন না। গ্রামের নারী-পুরুষ, বৃদ্ধ-বৃদ্ধা সবাই শিশুটির বাড়িতে ভিড় করছেন এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছেন।শিশুটির মা বারবার কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলছিলেন, “আমার বাবাটাকে আর একবার কোলে নিতে পারলাম না।” মায়ের আহাজারিতে উপস্থিত সবাই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও কান্নায় ভেঙে পড়েন। ছোট্ট শিশুটির নিথর দেহ ঘিরে স্বজনদের আহাজারিতে এক হৃদয়বিদারক পরিবেশের সৃষ্টি হয়।আত্রাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আব্দুল করিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, শিশুটির মৃত্যুর খবর পুলিশ পেয়েছে। বাড়ির পাশের পুকুরের পানিতে পড়ে তার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া বিরাজ করছে।

কবি তরিকুল ইসলাম বিপুর / কিশোর মুক্তিযুদ্ধের গল্প "লাল সবুজের জন্য" মোড়ক উন্মোচন

চট্টগ্রাম স্বাধীনতা বইমেলায় প্রকাশিত হয়েছে কবি তরিকুল ইসলাম বিপুর নতুন কাব্যগ্রন্থ কিশোর মুক্তিযুদ্ধের গল্প "লাল সবুজের জন্য"। ১৪ এপ্রিল মঙ্গলবার মেলা প্রাঙ্গণের মোড়ক উন্মোচন মঞ্চে চমৎকার এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বইটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বইটির মোড়ক উন্মোচন করেন কবি, প্রাবন্ধিক ও সমাজচিন্তক মোঃ কামরুল ইসলাম। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, তরিকুল ইসলাম বিপুর লেখনীতে দেশপ্রেম ও সমকালীন ভাবনা চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে। 'লাল সবুজের জন্য' গ্রন্থটি পাঠকদের মনের খোরাক জোগাবে বলে আমার বিশ্বাস।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মানবিক ও ব্যবসায়িক সংগঠক লায়ন মোঃ জাহাঙ্গীর আলম। তিনি বইটির প্রশংসা করে বলেন, "লাল সবুজের জন্য" একটি চমৎকার বই। এর গল্প ও বিষয়বস্তু যেকোন বয়সী মানুষের ভালো লাগবে। আমি বইটির বহুল প্রচার ও সাফল্য কামনা করছি।অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন কবি রুহুল আমিন সালমান, কবি আফরোজা বেগম, বিশিষ্ট সমাজসেবক এ কিউ এম মোসলে উদ্দিন, জিল্লুর রহমান শাকিল। এছাড়াও মানবিক সংগঠন "বন্ধু মহল" চট্টগ্রাম ইউনিটের উপদেষ্টা আবু হানিফ, সভাপতি হেলাল উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমানসহ সংগঠনের সদস্য তাপস, ইঞ্জিনিয়ার মনিরুজ্জামান, ইঞ্জিনিয়ার শাহিনূর, শাহাদাত ও তুষার উপস্থিত ছিলেন। বিভিন্ন প্রকাশনা সংস্থার প্রতিনিধি এবং বইমেলা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি এক মিলনমেলায় পরিণত হয়।আলোচনা সভা শেষে অতিথিরা আনুষ্ঠানিকভাবে বইটির মোড়ক উন্মোচন করেন এবং লেখকের উজ্জ্বল সাহিত্যিক ভবিষ্যৎ কামনা করেন।

এবারের বইমেলায় তুলতুলের‎ নতুন বই গল্পে স্বপ্নে জিব্রাইল (আ.)

এবারের ‎অমর একুশে বইমেলায় চট্রগ্রামের তরুণ লেখক ও কথাসাহিত্যিক শাম্মী তুলতুলের নতুন বই গল্পে স্বপ্নে জিব্রাইল (আ.) প্রকাশিত হয়েছে। এটি একটি ইসলামিক শিশুকিশোর গল্পগ্রন্থ, যেখানে শিশুদের জন্য নৈতিকতা, মানবিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধভিত্তিক গল্প তুলে ধরা হয়েছে।‎বইটিতে দেশের বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত মোট ১৩টি নির্বাচিত গল্প স্থান পেয়েছে। এটি প্রকাশ করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান অনিন্দ্য প্রকাশ। প্রচ্ছদ এঁকেছেন  বাইজিদ আহমেদ। বইটির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২০০ টাকা। বইটি পাওয়া যাচ্ছে ৫৬৫/৫৬৯  নম্বর স্টলে।‎‎লেখালেখির পাশাপাশি শাম্মী তুলতুল  খবর পাঠ ও আবৃত্তি শিল্পের সাথে জড়িত।তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে চোরাবালির বাসিন্দা, গণিত মামার চামচ রহস্য, ভূত যখন বিজ্ঞানী, নান্টু ঝান্টুর বক্স রহস্য, একজন কুদ্দুস ও কবি নজরুল পাঠকপ্রিয়তা পেয়েছে । ২০২২ সালে কলকাতা বইমেলাতেও  তার অনুগল্পের বই  "নরকেআলিঙ্গন" প্রকাশিত হয়।‎‎নতুন বই প্রসঙ্গে শাম্মী তুলতুল বলেন,‎“আমি এবারের বইমেলায় একটি ইসলামিক গল্পের বই প্রকাশ করেছি। মুসলিম লেখকদের উচিত তাঁদের লেখনীর মাধ্যমে ইসলামের সঠিক শিক্ষা আরও বেশি করে ছড়িয়ে দেওয়া। বিশেষ করে  শিশুদের এসব জানা অত্যন্ত প্রয়োজন। ‎তিনি আরও বলেন,‎ এটি আমার ১৭তম বই। আমার প্রায় সব বই বেস্টসেলার হয়েছে। শিশুসাহিত্য লেখা সবচেয়ে কঠিন কাজ, কারণ শিশুদের মনের মতো করে লিখতে হয়। এই বই নিয়েও আমি পাঠক মহলে অনেক আশাবাদী।‎সামগ্রিকভাবে বলা যায়, "গল্পে স্বপ্নে জিব্রাইল (আ.)” শুধু একটি গল্পগ্রন্থ নয়; এটি শিশুদের নৈতিক শিক্ষা, ধর্মীয় চেতনা ও মানবিক মূল্যবোধ গঠনে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন।উল্লেখ্য শাম্মী তুলতুল চট্রগ্রামের সাহিত্যমোদী পরিবারের সন্তান। তিনি  প্রয়াত  বীর মুক্তিযোদ্ধার কন্যা।

রক্তে কেনা স্বাধীনতা

রক্তে কেনা স্বাধীনতা লাল সবুজের পতাকাশহীদদের রক্ত স্রোত নয় কোন রটনা,বিশ্বের সবচেয়ে বড় ঐতিহাসিক ঘটনাছাব্বিশে মার্চ মহান মুক্তিযুদ্ধের সূচনা।ঘর ছেড়ে সব তরুণ অস্ত্র হাতেনয় মাস জুড়ে যুদ্ধ করে,স্বাধীনতা এসেছে রক্তের স্রোত পেরিয়েবিজয় নিশান ওড়ে আকাশজুড়ে।স্বাধীনতা অন্যায়ের বিরুদ্ধে স্পর্ধিত উচ্চারণমানবিক মর্যাদা সাম্য সুশাসন জাগরণ,মানবিকতার আলোয় গড়ি ন্যায়ের বাংলাদেশরক্তে কেনা স্বাধীনতা হোক গৌরবের আবেশ।স্বাধীনতা শক্তি সাহস প্রেরণাত্যাগের মানসিকতা সদাচারণ উদারতা,স্বাধীনতার মর্যাদা রক্ষায় শপথ করিসবার জন্য মানবিক বাংলাদেশ গড়ি।লেখক পরিচিতি:লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল।শিক্ষক, কবি, কলাম লেখক, সমাজসেবক ও সংগঠক।