মুক্তির লড়াই
সর্বশেষ

চীন-আসিয়ান বৈঠকে আঞ্চলিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের অঙ্গীকার

ম্যানিলায় চীন-আসিয়ান পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত (বৃহস্পতিবার) বৈঠকে যৌথভাবে সভাপতিত্ব করেন সিপিসির কেন্দ্রীয় কমিটির রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এবং চীন-আসিয়ান সম্পর্কের সমন্বয়কারী দেশ মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ হাসান। আসিয়ান সদস্য দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং আসিয়ানের মহাসচিব বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।ওয়াং ই বলেন, এ বছর চীন-আসিয়ান ব্যাপক কৌশলগত অংশীদারত্ব প্রতিষ্ঠার পঞ্চম বার্ষিকী। উভয় পক্ষের নেতাদের যৌথ কৌশলগত নির্দেশনায় চীন-আসিয়ান সহযোগিতা উন্নত ও স্থিতিশীল হয়েছে। এর ফলে উভয় পক্ষের ২০০ কোটিরও বেশি মানুষ উপকৃত হয়েছেন এবং চীন-আসিয়ানের মধ্যে ঘনিষ্ঠ অভিন্ন লক্ষ্যের কমিউনিটি গঠনের ভিত্তি আরও দৃঢ় হয়েছে। তিনি আরও বলেন, চীন-আসিয়ান সম্পর্কের উন্নয়ন প্রমাণ করে যে, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বিশ্বাসই সুপ্রতিবেশীসুলভ সম্পর্কের ভিত্তি, আন্তরিকতাই সহাবস্থানের পথ, উভয় পক্ষের জন্য লাভজনক সহযোগিতাই সাফল্যের ভিত্তি এবং উন্মুক্ততা ও অন্তর্ভুক্তিই সমৃদ্ধির জন্য অপরিহার্য। ওয়াং ই উল্লেখ করেন, চীন সম্প্রতি চীনা কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিষ্ঠার ১০৫তম বার্ষিকী উদযাপন করেছে। বিগত ১০৫ বছরে, চীনা কমিউনিস্ট পার্টি ১৪০ কোটিরও বেশি চীনা জনগণকে নিরলস সংগ্রামে ঐক্যবদ্ধ ও নেতৃত্ব দিয়ে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে, মানবসভ্যতার অগ্রগতিকে ব্যাপকভাবে ত্বরান্বিত করেছে এবং বিশ্বের উন্নয়ন প্রেক্ষাপটকে গভীরভাবে পরিবর্তন করেছে। তিনি বলেন, একের পর এক বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের মুখে প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং মানবজাতির অভিন্ন লক্ষ্যের কমিউনিটি গঠনের মূল ধারণা এবং চারটি বৈশ্বিক উদ্যোগ প্রস্তাব করেছেন। এর লক্ষ্য হলো শান্তিপূর্ণ উন্নয়নের ধারার সঙ্গে সঙ্গতি রাখা, উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও শাসনের ঘাটতি মোকাবিলা করা এবং আরও ন্যায়সঙ্গত ও যুক্তিসংগত বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলা।শান্তি, উন্নয়ন, সহযোগিতা ও পারস্পরিক লাভের নীতি সমুন্নত রাখতে, ঘনিষ্ঠতর সহযোগিতার মাধ্যমে এই অঞ্চলের সব দেশের জনগণের কল্যাণে কাজ করা থেকে শুরু করে উদীয়মান চ্যালেঞ্জ ও অনিশ্চয়তা মোকাবিলায় আরও দৃঢ়ভাবে ঐক্যবদ্ধ হতে ইচ্ছুক চীন। পাশাপাশি ‘পঞ্চ-গৃহ’ সম্প্রদায় গঠনে ক্রমাগত অগ্রগতি সাধনে আসিয়ানের সঙ্গে চীন কাজ করতেও ইচ্ছুক বলেও জানান ওয়াং ই। তার মতে, এর মাধ্যমেই এশিয়ার উন্নয়ন ও পুনরুজ্জীবনের চালিকাশক্তি, এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় আঞ্চলিক সহযোগিতার মডেল এবং বৈশ্বিক দক্ষিণের ঐক্য ও আত্মনির্ভরশীলতার মানদণ্ড হিসেবে চীন-আসিয়ান সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।বৈঠকে ওয়াং ই চারটি পরামর্শ দেন। প্রথমত, এই অঞ্চলে শান্তিপূর্ণ ও উন্নয়নশীল পরিবেশ বজায় রাখতে হবে; দ্বিতীয়ত, আঞ্চলিক উন্নয়নের স্থিতিস্থাপকতা বাড়াতে হবে; তৃতীয়ত, উদ্ভাবনী ও সবুজ উন্নয়নকে উৎসাহিত করতে হবে এবং চতুর্থত, জনকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি মেনে চলতে হবে।দক্ষিণ চীন সাগর ইস্যুতে চীনের নীতিগত অবস্থান ব্যাখ্যা করে ওয়াং ই বলেন, দক্ষিণ চীন সাগর আমাদের অভিন্ন আবাস। চীন ও আসিয়ান দেশগুলোর দক্ষিণ চীন সাগর ইস্যু যথাযথভাবে মোকাবিলা করে যাওয়ার মতো প্রজ্ঞা ও সক্ষমতা রয়েছে বলেও জানান তিনি।তার মতে, এই অঞ্চলের দেশগুলোর উচিত ‘দক্ষিণ চীন সাগরে পক্ষগুলোর আচরণ সংক্রান্ত ঘোষণাপত্র’ (ডিওসি) কঠোরভাবে মেনে চলা এবং বহিরাগত শক্তির উসকানি প্রতিরোধ করা। সেইসঙ্গে দক্ষিণ চীন সাগরকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে কোনো একক দেশের কার্যকলাপের বিরোধিতা করা এবং এ অঞ্চলের শান্তি বজায় রাখার উদ্যোগ দৃঢ়ভাবে নিজেদের হাতে রাখা উচিত বলেও জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।ওয়াং ই বলেন, ‘এখন দক্ষিণ চীন সাগরে একটি আচরণবিধি (সিওসি) প্রণয়নের জন্য আমরা একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগের সামনে দাঁড়িয়ে আছি। সুযোগটি কাজে লাগাতে হবে, হস্তক্ষেপ দূর করতে হবে এবং লক্ষ্য অর্জনে সচেষ্ট হতে হবে।’বিগত পাঁচ বছরে আসিয়ান-চীন ব্যাপক কৌশলগত অংশীদারত্বের ফলপ্রসূ সাফল্যের ভূয়সী প্রশংসা করেছে বৈঠকের সকল পক্ষ। সবাই এ ব্যাপারে একমত যে, চীন আসিয়ানের গুরুত্বপূর্ণ বন্ধুসুলভ প্রতিবেশী। পাশাপাশি সংলাপ ও বাণিজ্যের বৃহত্তম অংশীদারও। বৈঠকে মানবজাতির অভিন্ন লক্ষ্যের কমিউনিটি গঠনসংক্রান্ত চীনা ধারণা এবং এর চারটি বৈশ্বিক উদ্যোগকে আসিয়ান পক্ষগুলো সমর্থন করে বলে জানান সদস্য দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা।সূত্র: লিলি-ফয়সল,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

রাষ্ট্রপতি পদে নতুন মুখের খোঁজে আলোচনা তুঙ্গে, বিএনপির তিন নেতা ও এক আমলা আলোচনায়

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে তিনি শিগগিরই পদ ছাড়তে পারেন—এমন খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হবেন, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র বলছে, রাষ্ট্রপতির শূন্য পদে সম্ভাব্য নাম হিসেবে বিএনপির সিনিয়র তিন নেতার নাম সামনে এসেছে। তারা হলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এবং ড. আবদুল মঈন খান। রাজনৈতিক মহলে তাদের সাংবিধানিক অভিজ্ঞতা ও গ্রহণযোগ্যতার বিষয়টি বিবেচনায় এনে এসব নাম আলোচিত হচ্ছে বলে জানা গেছে।এ ছাড়া সরকারের গুরুত্বপূর্ণ একটি পদে চুক্তিভিত্তিক দায়িত্ব পালন করা এক জ্যেষ্ঠ সচিবের নামও সম্ভাব্য তালিকায় রয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হয়নি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।সূত্রগুলোর মতে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন রাষ্ট্রপতির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। ফলে রাষ্ট্রপতির পদে কাকে বসানো হবে, তা নিয়ে সরকার ও বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা চলছে।সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। সেপ্টেম্বরের সংসদ অধিবেশনেই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সম্ভাবনা রয়েছে বলেও আলোচনা চলছে।আলোচনায় থাকা নামগুলোর মধ্যে বিএনপির কোনো নেতাকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ৪০ শতাংশ এবং দলের বাইরের গ্রহণযোগ্য কাউকে বেছে নেওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ৬০ শতাংশ—এমন হিসাবও ঘুরছে রাজনৈতিক মহলে। তবে এটিকে এখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছেন না সংশ্লিষ্টরা।দলের একাধিক নেতা মনে করছেন, রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ এই সাংবিধানিক পদে অভিজ্ঞ ও গ্রহণযোগ্য রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে দায়িত্ব দেওয়া হলে তা রাজনৈতিক ভারসাম্য রক্ষায় সহায়ক হতে পারে।অন্যদিকে সরকারের একটি দায়িত্বশীল সূত্র বলছে, রাষ্ট্রপতি পদে যেসব নাম আলোচনায় আসছে, সেগুলো এখনো অনুমাননির্ভর। বাস্তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের বিষয়ে নির্ভরযোগ্যভাবে জানেন কেবল শীর্ষ পর্যায়ের নীতিনির্ধারকেরা।সব মিলিয়ে রাষ্ট্রপতি পদকে ঘিরে রাজধানীর রাজনৈতিক অঙ্গনে কৌতূহল ও জল্পনা দুটোই বাড়ছে। তবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত সম্ভাব্য নামগুলোকে আলোচনার পর্যায়েই রাখতে চাইছেন সংশ্লিষ্টরা।

রাষ্ট্রপতি পদে নতুন মুখের খোঁজে আলোচনা তুঙ্গে, বিএনপির তিন নেতা ও এক আমলা আলোচনায়

পদত্যাগ করলেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, বিকেল ৫টায় স্পিকারের জরুরি সংবাদ সম্মেলন

দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক আলোচনা, জল্পনা-কল্পনা ও নানা গুঞ্জনের অবসান ঘটিয়ে পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তার পদত্যাগপত্র গ্রহণের পরবর্তী আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানাতে আজ শুক্রবার বিকেল ৫টায় জাতীয় সংসদ ভবনে জরুরি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এ সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখবেন। জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের গণসংযোগ অধিশাখা-১ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।সংসদ সচিবালয়ের সহকারী পরিচালক মো. রাশেদ মিজান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণ-পরবর্তী জরুরি সংবাদ সম্মেলন বিকেল ৫টায় বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের শপথকক্ষে (পূর্ব ব্লক, লেভেল-১) অনুষ্ঠিত হবে।উল্লেখ্য, মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। আওয়ামী লীগের মনোনয়নে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। তার সাংবিধানিক মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল।তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও দেশত্যাগের পর থেকেই রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদে থাকা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়। এরপর থেকে জামায়াত ও এনসিপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে তার পদত্যাগের দাবি জোরালোভাবে উত্থাপিত হয় এবং এ দাবিতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে একাধিক কর্মসূচি ও আন্দোলনও অনুষ্ঠিত হয়।রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের ফলে দেশের সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বাস্তবতার সূচনা হলো। এখন সংবিধান অনুযায়ী পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া ও অন্তর্বর্তী সাংবিধানিক ব্যবস্থা নিয়ে জাতীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

পদত্যাগ করলেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, বিকেল ৫টায় স্পিকারের জরুরি সংবাদ সম্মেলন
রাষ্ট্রপতি পদে নতুন মুখের খোঁজে আলোচনা তুঙ্গে, বিএনপির তিন নেতা ও এক আমলা আলোচনায়

রাষ্ট্রপতি পদে নতুন মুখের খোঁজে আলোচনা তুঙ্গে, বিএনপির তিন নেতা ও এক আমলা আলোচনায়

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে তিনি শিগগিরই পদ ছাড়তে পারেন—এমন খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হবেন, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র বলছে, রাষ্ট্রপতির শূন্য পদে সম্ভাব্য নাম হিসেবে বিএনপির সিনিয়র তিন নেতার নাম সামনে এসেছে। তারা হলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এবং ড. আবদুল মঈন খান। রাজনৈতিক মহলে তাদের সাংবিধানিক অভিজ্ঞতা ও গ্রহণযোগ্যতার বিষয়টি বিবেচনায় এনে এসব নাম আলোচিত হচ্ছে বলে জানা গেছে।এ ছাড়া সরকারের গুরুত্বপূর্ণ একটি পদে চুক্তিভিত্তিক দায়িত্ব পালন করা এক জ্যেষ্ঠ সচিবের নামও সম্ভাব্য তালিকায় রয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হয়নি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।সূত্রগুলোর মতে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন রাষ্ট্রপতির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। ফলে রাষ্ট্রপতির পদে কাকে বসানো হবে, তা নিয়ে সরকার ও বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা চলছে।সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। সেপ্টেম্বরের সংসদ অধিবেশনেই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সম্ভাবনা রয়েছে বলেও আলোচনা চলছে।আলোচনায় থাকা নামগুলোর মধ্যে বিএনপির কোনো নেতাকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ৪০ শতাংশ এবং দলের বাইরের গ্রহণযোগ্য কাউকে বেছে নেওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ৬০ শতাংশ—এমন হিসাবও ঘুরছে রাজনৈতিক মহলে। তবে এটিকে এখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছেন না সংশ্লিষ্টরা।দলের একাধিক নেতা মনে করছেন, রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ এই সাংবিধানিক পদে অভিজ্ঞ ও গ্রহণযোগ্য রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে দায়িত্ব দেওয়া হলে তা রাজনৈতিক ভারসাম্য রক্ষায় সহায়ক হতে পারে।অন্যদিকে সরকারের একটি দায়িত্বশীল সূত্র বলছে, রাষ্ট্রপতি পদে যেসব নাম আলোচনায় আসছে, সেগুলো এখনো অনুমাননির্ভর। বাস্তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের বিষয়ে নির্ভরযোগ্যভাবে জানেন কেবল শীর্ষ পর্যায়ের নীতিনির্ধারকেরা।সব মিলিয়ে রাষ্ট্রপতি পদকে ঘিরে রাজধানীর রাজনৈতিক অঙ্গনে কৌতূহল ও জল্পনা দুটোই বাড়ছে। তবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত সম্ভাব্য নামগুলোকে আলোচনার পর্যায়েই রাখতে চাইছেন সংশ্লিষ্টরা।

আঞ্চলিক সংলাপেই দক্ষিণ চীন সাগর সমস্যার সমাধান: জরিপ

চায়না মিডিয়া গ্রুপের অধীনে সিজিটিএন গত জুন ও জুলাই মাসে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, ফিলিপাইন ও সিঙ্গাপুর—এই ৬টি দেশের ২,৬৬৪জন উত্তরদাতার ওপর এক বিশেষ জনমত জরিপ পরিচালনা করেছে। জরিপের ফলাফলে দেখা গেছে, দক্ষিণ চীন সাগরের বিবাদে বহিরাগত পরাশক্তিগুলোর হস্তক্ষেপকে এখানকার চলমান সামরিক ও কূটনৈতিক উত্তেজনার প্রধান অনুঘটক হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। একই সাথে, কোনো বহিরাগত প্রভাব ছাড়াই শান্তিপূর্ণ ও স্বাধীন আলোচনার মাধ্যমে এ বিরোধ নিষ্পত্তি করা উচিত—এই বিষয়ে উত্তরদাতাদের মধ্যে এক ব্যাপক সার্বজনীন ঐক্যমত্য লক্ষ্য করা গেছে।৮৪.৬% উত্তরদাতা বিশ্বাস করেন যে, আন্তর্জাতিক আইন মেনে বৈশ্বিক নীতিমালা বজায় রেখে শুধু শান্তিপূর্ণ সংলাপ ও দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমেই দক্ষিণ চীন সাগর সমস্যার সমাধান করা উচিত।৬৪.৩% উত্তরদাতা মনে করেন, পরাশক্তিগুলোর অতিরিক্ত হস্তক্ষেপের ফলে কিছু দাবিদার দেশ আঞ্চলিক আলোচনার বদলে বহিরাগত শক্তির ওপর অহেতুক নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে—যা বিবাদ নিষ্পত্তিতে এ অঞ্চলের দেশগুলোর নিজস্ব ও স্বাধীন সক্ষমতাকে প্রতিনিয়ত দুর্বল করে দিচ্ছে।৭৪.৪% উত্তরদাতা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, বহিরাগত পরাশক্তিগুলোর এই ধারাবাহিক হস্তক্ষেপ অঞ্চলের সামরিক উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলবে, যা পরোক্ষভাবে বিশ্বে বাণিজ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য এক বিরাট হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।ইতিহাস এবং বাস্তব অভিজ্ঞতা বারবার এই সত্যকেই প্রমাণ করেছে যে—যখনই কোনো অঞ্চলের নিজস্ব বিষয়ক সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা বহিরাগত কোনো দেশের হাতে চলে যায়, তখনই সেখানকার পরিস্থিতি ক্রমশ আরও বিশৃঙ্খল ও অনিয়ন্ত্রণযোগ্য হয়ে পড়ে। যার ফলশ্রুতিতে সেই উসকানিদাতা বহিরাগত শক্তি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে নিজস্ব স্বার্থ হাসিল করে নেয়, আর চূড়ান্তভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ওই অঞ্চলেরই সাধারণ দেশ ও জনগণ।সূত্র:শুয়েই-তৌহিদ-জিনিয়া,সিজিটিএন।

ইউএনও কার্যালয়ের সামনে বিএনপির মানববন্ধন; যোগদানপত্র প্রত্যাহারের দাবি, আইনের সমতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন কেন্দ্রীয় নেতা সাইদুর রহমান লিটল / হত্যা মামলার আসামি চেয়ারম্যানের যোগদান ঘিরে উত্তাল দেবিদ্বার

কুমিল্লার দেবিদ্বারে হত্যা মামলার আসামি হিসেবে অভিযুক্ত ৬ নম্বর ফতেহাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. কামরুজ্জামান মাসুদের চেয়ারম্যান পদে যোগদানকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। তার যোগদানপত্র প্রত্যাহারের দাবিতে বুধবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে দেবিদ্বার উপজেলা বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন।বিক্ষোভকারীদের দাবি, ৫ আগস্টের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-আন্দোলনে নিহত রুবেল হত্যা মামলার একজন আসামিকে চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেওয়া হলে তা আইনের শাসন, ন্যায়বিচার এবং আন্দোলনের চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হবে। তারা অবিলম্বে যোগদানপত্র প্রত্যাহার এবং অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করার দাবি জানান।কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও বেলজিয়াম বিএনপির সভাপতি সাইদুর রহমান লিটল বলেন, “এটি কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কর্মসূচি নয়। এটি নীতি, জবাবদিহি এবং ৫ আগস্টের শহীদদের আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষার প্রশ্ন।”তিনি বলেন, ৫ আগস্টের গণআন্দোলনের মাধ্যমে জনগণ রাষ্ট্র ও রাজনীতিতে জবাবদিহি, স্বচ্ছতা এবং আইনের সমান প্রয়োগ প্রত্যাশা করেছিল। সেই প্রত্যাশা বাস্তবায়নে প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।লিটল বলেন, “যারা জাতীয় পর্যায়ে ফ্যাসিবাদবিরোধী সংগ্রামের নেতৃত্ব দিয়েছেন, আমরা তাদের সম্মান করি। কিন্তু গণতন্ত্রে কোনো নেতৃত্বই প্রশ্নের ঊর্ধ্বে নয়। জনগণের প্রশ্নের জবাব দেওয়াই গণতান্ত্রিক রাজনীতির অন্যতম শর্ত।”তিনি অভিযোগ করেন, জাতীয় পর্যায়ে এক ধরনের নীতির কথা বলা হলেও স্থানীয় পর্যায়ে তার ব্যত্যয় ঘটছে। এতে জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি ও আস্থাহীনতা তৈরি হচ্ছে।ফতেহাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. কামরুজ্জামান মাসুদকে ঘিরে স্থানীয়ভাবে যে অভিযোগ, মামলা ও বিতর্ক রয়েছে, সেগুলো নিরপেক্ষভাবে মূল্যায়নের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “বিচার অবশ্যই আদালত করবেন। তবে জনগণের কাছে রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের জবাবদিহি করতে হবে রাজনৈতিক নেতৃত্বকেই। রাজনৈতিক পরিচয় কোনোভাবেই আইনের প্রয়োগে ভিন্ন মানদণ্ড সৃষ্টি করতে পারে না।”তিনি আরও বলেন, “সংসদে এক নীতি আর নির্বাচনী এলাকায় আরেক নীতি চলতে পারে না। নেতৃত্বের প্রকৃত মূল্যায়ন হয় কঠিন সময়ে নীতির ধারাবাহিকতা রক্ষা করার মাধ্যমে। নীতি হবে এক, আইন হবে এক, বিচারও হতে হবে সবার জন্য সমান।”মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, ৫ আগস্টের শহীদদের আত্মত্যাগকে সামনে রেখে দেশে নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতির যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে দ্বৈত মানদণ্ড পরিহার করা জরুরি। তারা প্রশাসনের প্রতি বিচারাধীন মামলার দ্রুত অগ্রগতি, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং আইনের শাসন নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন দেবিদ্বার উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ, সদস্যসচিব আব্দুর রহমান, যুগ্ম আহ্বায়ক ইউসুফ মিয়া, দেবিদ্বার পৌর বিএনপির আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তফা কামাল, মো. মনির, মো. কবির, বিএনপির নেতা বুলু পাঠান এবং উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জুয়েল মোল্লাসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতারা।মানববন্ধন শেষে অংশগ্রহণকারীরা জেলা প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে একটি স্মারকলিপি দেন। এতে মো. কামরুজ্জামান মাসুদের যোগদানপত্র প্রত্যাহার, অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং আইনের সমান প্রয়োগ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।দেবিদ্বারের এ কর্মসূচি স্থানীয় একটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের প্রতিবাদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি; বরং ৫ আগস্ট-পরবর্তী রাজনৈতিক বাস্তবতায় আইনের সমতা, জবাবদিহি এবং রাজনৈতিক নৈতিকতার প্রশ্নকে নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে। এখন সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই নজর স্থানীয় বাসিন্দা ও রাজনৈতিক মহলের।

১৪ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৯ পিএম
চলতি এইচএসসি পরীক্ষায় পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ে প্রশ্নপত্রে ভুলের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন বলেছেন, প্রশ্ন আমরা তৈরি করিনি, বিগত সরকার করেছে। আপনি কি তাই মনে করেন?

চলতি এইচএসসি পরীক্ষায় পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ে প্রশ্নপত্রে ভুলের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন বলেছেন, প্রশ্ন আমরা তৈরি করিনি, বিগত সরকার করেছে। আপনি কি তাই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন
শিক্ষার মানোন্নয়নে আধুনিক পাঠদান পদ্ধতি নিয়ে দিনব্যাপী কর্মশালা ও সনদপত্র বিতরণ সম্পন্ন

শিক্ষার মানোন্নয়নে আধুনিক পাঠদান পদ্ধতি নিয়ে দিনব্যাপী কর্মশালা ও সনদপত্র বিতরণ সম্পন্ন

শিক্ষকদের বিষয়ভিত্তিক দক্ষতা বৃদ্ধি, আধুনিক ও কার্যকর পাঠদান পদ্ধতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান এবং শিক্ষার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশন, কক্সবাজার জেলা শাখার উদ্যোগে এবং প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (পিটিআই), কক্সবাজারের সহযোগিতায় দিনব্যাপী বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ, কর্মশালা ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার (২৫ জুলাই ২০২৬) সকাল ৯টায় কক্সবাজার শহরের হলি চাইল্ড স্কুলে অনুষ্ঠিত এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে জেলার বিভিন্ন কিন্ডারগার্টেন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকারা অংশগ্রহণ করেন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রীতি দেবী, সুপারিনটেনডেন্ট, প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (পিটিআই), কক্সবাজার। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, একজন দক্ষ শিক্ষকই পারে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল, মানবিক ও নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে। তাই শিক্ষকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেদের জ্ঞান ও দক্ষতা সমৃদ্ধ করা অত্যন্ত জরুরি।বিশেষ অতিথি ও আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশন, কক্সবাজার জেলা শাখার সভাপতি মোহাম্মদ শাহজাহান, সাধারণ সম্পাদক জাহেদুল আলম, কোষাধ্যক্ষ হাফেজ মো. তারেক, ড্যাফোডিল কিন্ডারগার্টেন, খুরুশকুল, কক্সবাজারের প্রধান শিক্ষক তছলিমা আক্তার এবং ইসলামী ব্যাংক মডেল স্কুল, রামু, কক্সবাজারের প্রধান শিক্ষক রোহেনা আক্তার।প্রশিক্ষণে বাংলা বিষয়ের ওপর প্রশিক্ষণ প্রদান করেন প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (পিটিআই), কক্সবাজারের ইন্সট্রাক্টর মো. মাজহারুল ইসলাম। তিনি শিক্ষকদের বিষয়ভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়ন, শিক্ষার্থীকেন্দ্রিক পাঠদান, সৃজনশীল শিক্ষণ-পদ্ধতি, শ্রেণিকক্ষ ব্যবস্থাপনা, শিখনফলভিত্তিক মূল্যায়ন এবং আধুনিক শিক্ষণ কৌশল বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। অংশগ্রহণকারী শিক্ষক-শিক্ষিকারা প্রশিক্ষণে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন।দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শেষে সমাপনী ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম খান, সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার, কক্সবাজার। তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের হাতে সনদপত্র তুলে দেন এবং বলেন, বর্তমান সময়ের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শিক্ষকদের দক্ষতা ও পেশাগত উন্নয়নের বিকল্প নেই। এ ধরনের প্রশিক্ষণ শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।অনুষ্ঠানের শেষে আয়োজকরা জানান, জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, আধুনিক শিক্ষা পদ্ধতির সঙ্গে পরিচিত করা এবং মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশন ভবিষ্যতেও প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (পিটিআই), কক্সবাজারের সহযোগিতায় এ ধরনের বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষণ ধারাবাহিকভাবে আয়োজন করবে।

অপরাধ অনুসন্ধান পত্রিকা’র উদ্যোগে জাঁকজমকপূর্ণ ফল উৎসব অনুষ্ঠিত

অপরাধ অনুসন্ধান পত্রিকা’র উদ্যোগে জাঁকজমকপূর্ণ ফল উৎসব অনুষ্ঠিত

উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে ‘অপরাধী অনুসন্ধান পত্রিকা’র উদ্যোগে আয়োজিত হলো মৌসুমী ফল উৎসব। দেশীয় ফলের সান্নিধ্যে পত্রিকা পরিবারের সকল সদস্য ও কলাকুশলীদের মাঝে এক প্রীতিময় মেলবন্ধন গড়ে তুলতে এই বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।​অনুষ্ঠানে প্রধান রূপকার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পত্রিকার সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম কাজল। এছাড়া পত্রিকার সার্বিক দিকনির্দেশনা ও আইনগত সহযোগিতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী আইন উপদেষ্টা এডভোকেট এম আর তোফায়েল এবং এডভোকেট মোঃ সিদ্দিকুর রহমান বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আয়োজনের শোভা বর্ধন করেন।​​উৎসবে জ্যৈষ্ঠ ও আষাঢ়ের রসে ভরা দেশীয় আম, কাঁঠাল, জাম, লিচুসহ নানা পদের মৌসুমী ফলের পসরা সাজানো হয়। সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম কাজল তাঁর বক্তব্যে বলেন, ​"সংবাদ পরিবেশনের ব্যস্ততার মাঝে দেশীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে ধারণ করা এবং পত্রিকা পরিবারের মধ্যকার পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ সুদৃঢ় করতেই আমাদের এই উদ্যোগ।"​আইন উপদেষ্টাবৃন্দ তাঁদের বক্তব্যে এমন ব্যতিক্রমী আয়োজনের প্রশংসা করেন এবং পত্রিকার উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনার ধারা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।​উৎসবে পত্রিকাটির সংবাদকর্মী ও প্রতিনিধিদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। অনুষ্ঠানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে উপস্থিত ছিলেন:মোঃ আশিকুল ইসলাম হানিফ,সম্পাদক -সত্যের কন্ঠ। ​সিনিয়র রিপোর্টার: হায়দার আলী ও মোঃ জহিরুল ইসলাম সরকার, শাহনাজ শানু, দৈনিক ভোরের সময়। ​রিপোর্টার: মোঃ মোরশেদ আলম, মিস হেনা, ইতিমা মন্ডল এবং মোঃ ফারুক হোসেন​ফটো সাংবাদিক: মোঃ পলাশ হাওলাদার (যিনি পুরো আয়োজনের নজরকাড়া মুহূর্তগুলো ক্যামেরাবন্দি করেন)​ফল উৎসবের শেষে উপস্থিত সকলের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির মৌসুমী ফল পরিবেশন করা হয়। চমৎকার এই আড্ডা ও ফল আস্বাদনের মধ্য দিয়ে আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।

অল্প বৃষ্টিতেই আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জলাবদ্ধতা, মশা-মাছির উপদ্রব; চরম দুর্ভোগে রোগী ও স্বজনরা

অল্প বৃষ্টিতেই আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জলাবদ্ধতা, মশা-মাছির উপদ্রব; চরম দুর্ভোগে রোগী ও স্বজনরা

নওগাঁর আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সামান্য বৃষ্টিতেই ভয়াবহ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। হাসপাতালের বহির্বিভাগ, জরুরি বিভাগের প্রবেশপথ, অভ্যন্তরীণ সড়ক ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বৃষ্টির পানি জমে থাকায় বেড়েছে মশা-মাছির উপদ্রব। ফলে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোগী, তাদের স্বজন এবং হাসপাতালের চিকিৎসক-কর্মচারীদের চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে।সরেজমিনে দেখা যায়, অল্প সময়ের বৃষ্টিতেই হাসপাতাল চত্বরের বিভিন্ন স্থানে পানি জমে ছোট ছোট জলাশয়ের সৃষ্টি হয়। এতে জরুরি বিভাগে রোগী আনা-নেওয়া, বহির্বিভাগে চিকিৎসা গ্রহণ এবং ওয়ার্ডে যাতায়াতে মারাত্মক বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। বিশেষ করে শিশু, গর্ভবতী নারী, প্রবীণ ও শারীরিকভাবে দুর্বল রোগীদের জন্য এই পরিস্থিতি আরও কষ্টকর হয়ে উঠেছে।রোগীর স্বজনদের অভিযোগ, দীর্ঘ সময় পানি জমে থাকায় হাসপাতাল এলাকায় মশা-মাছির উপদ্রব আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। এতে ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া এবং অন্যান্য মশাবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের কারণে সংক্রমণের ঝুঁকিও বাড়ছে।হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা কয়েকজন রোগী জানান, সরকারি এই স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে প্রতিদিন উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে শত শত মানুষ চিকিৎসা নিতে আসেন। কিন্তু সামান্য বৃষ্টিতেই হাসপাতালের এমন নাজুক পরিস্থিতি অত্যন্ত হতাশাজনক।রোগীর স্বজন আব্দুল্লাহীল কাফী বলেন, "রোগী নিয়ে হাসপাতালে এসে দেখি চারদিকে পানি জমে আছে। জরুরি বিভাগে পৌঁছাতেই ভোগান্তির শিকার হতে হয়েছে। হাসপাতালের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠানে এমন অবস্থা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।"স্থানীয়দের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরেই হাসপাতালের ড্রেনেজ ব্যবস্থা অকার্যকর। নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার ও সংস্কারের অভাবে বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশন হতে পারে না। ফলে অল্প বৃষ্টিতেই হাসপাতাল চত্বর জলমগ্ন হয়ে পড়ে। বর্ষা মৌসুমে এই সমস্যা আরও প্রকট আকার ধারণ করে।স্বাস্থ্যসচেতন নাগরিকদের মতে, হাসপাতালের মতো সংবেদনশীল প্রতিষ্ঠানে জলাবদ্ধতা শুধু রোগীদের দুর্ভোগই বাড়ায় না, বরং জনস্বাস্থ্যের জন্যও বড় ধরনের ঝুঁকি সৃষ্টি করে। দ্রুত পানি নিষ্কাশন, কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা, নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার করা সময়ের দাবি।১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি উপজেলার প্রধান সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র। প্রতিদিন এখানে বহির্বিভাগ, জরুরি বিভাগ ও বিভিন্ন ওয়ার্ডে শত শত রোগী চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেন। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে অবকাঠামোগত বিভিন্ন সমস্যা, ড্রেনেজ ব্যবস্থার দুর্বলতা এবং প্রয়োজনীয় সংস্কারের অভাবে হাসপাতালের পরিবেশ দিন দিন অবনতির দিকে যাচ্ছে।এলাকাবাসীর দাবি, রোগীদের নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে হাসপাতালের ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, স্থায়ী পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা, নিচু স্থান ভরাট, নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এবং মশক নিধনে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি বর্ষা মৌসুমের আগেই প্রয়োজনীয় সংস্কারকাজ সম্পন্ন করারও দাবি জানান তারা।এ বিষয়ে আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোহাম্মদ  খায়রুল আলম বলেন, "জলাবদ্ধতার বিষয়টি ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। সমস্যাটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। স্থায়ী সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আশা করছি, খুব দ্রুতই এ সমস্যার সমাধান হবে।"স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নিলে হাসপাতালের জলাবদ্ধতা ও মশা-মাছির উপদ্রব থেকে মুক্তি মিলবে। এতে রোগী ও তাদের স্বজনদের দুর্ভোগ কমার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবার মানও আরও উন্নত হবে।

রোগীর আল্ট্রাসনোগ্রাম করার আগেই রিপোর্ট প্রিন্ট করে রাখার অভিযোগে

চাঁদপুর ফেমাস ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান / রোগীর আল্ট্রাসনোগ্রাম করার আগেই রিপোর্ট প্রিন্ট করে রাখার অভিযোগে

চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের পাশে অবস্থিত ফেমাস ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আল্ট্রাসনোগ্রাম করার আগেই রিপোর্ট তৈরি করে রাখার অভিযোগে অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানে বিভিন্ন অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী আক্তার জাহানকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের যৌথ উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন চাঁদপুর সদর উপজেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস.এম.এন. জামিউল হিকমা।অভিযানকালে ভ্রাম্যমাণ আদালত দেখতে পায়, রোগী আল্ট্রাসনোগ্রামের জন্য আসার আগেই বিভিন্ন ধরনের রিপোর্ট প্রিন্ট করে রাখা হতো। পরে রোগীর নাম ও পরিচয় যুক্ত করে তা সরবরাহ করা হতো বলে অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া যায়।এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানের ল্যাবে মেয়াদোত্তীর্ণ রিএজেন্ট ব্যবহার, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ইউরিনের নমুনা সংরক্ষণ এবং রেফ্রিজারেটরের তাপমাত্রা পরিমাপের জন্য প্রয়োজনীয় থার্মোমিটার না রাখাসহ আরও কয়েকটি অনিয়ম শনাক্ত করা হয়।অভিযানে চাঁদপুর সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ রফিকুল হাসান ফয়সালসহ স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় চাঁদপুর মডেল থানা পুলিশের সদস্যরাও সহযোগিতা করেন।জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাধারণ মানুষের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতে নিয়মিত তদারকি এবং অভিযান অব্যাহত থাকবে।

হাজিরা দিয়ে লাপাত্তা কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাঃ অরুন কুমার

ঔষধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি দিয়ে কাজ করান নিজের জমিতে / হাজিরা দিয়ে লাপাত্তা কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাঃ অরুন কুমার

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ অরুন কুমার দাসের বিরুদ্ধে সরকারি দায়িত্বে অবহেলা, ওষুধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধিকে দিয়ে ব্যক্তিগত ও গৃহস্থলীর কাজ করানো এবং আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে নিন্মমানের ওষুধ ব্যবস্থাপত্রে  লেখার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ➡️ হাজিরা দিয়ে চেম্বারে না থেকে চলে যান মাঠে। ➡ডাক্তারের জমিতে বিক্রয় প্রতিনিধিদের দিয়ে করান কাজ। ➡️ যাতায়াতে সব সময় ব্যবহার করেন বিক্রয় প্রতিনিধির গাড়ি। ➡️ বিক্রয় প্রতিনিধিরোধের নিকট থেকে গিফট ও উৎকোচ গ্রহণ। ➡️ হাসপাতালে বসে ব্যবস্থাপত্রে নিম্নমানের ঔষধ লিখেন। ➡️ বিক্রয় প্রতিনিধিদেরকে দিয়ে মাঠে ও ব্যক্তিগত কাজ করানোর মধ্য দিয়ে অমানবিকতার পরিচয় দিয়েছেন ডাক্তার। বুধবার (২২ জুলাই) সকালে জোভেনটেক লাইফ  সাইন্স নামক ঔষধ কোম্পানির উপজেলা মেডিকেল প্রমোশন অফিসার মারুফ হোসেনের মোটরসাইকেলে করে হাসপাতালে আসেন ডাক্তার অরুন। এরপর  প্রশাসনিক ভবনে থাকা পাঞ্চ মেশিনে ৮.৩০ মিনিটে  হাজিরা দিয়ে একই মোটরসাইকেল উঠে চলে যান হাসপাতাল থেকে প্রায় চার কিলোমিটার দূরে নিজের জমিতে। সেখানে গিয়ে ওই বিক্রয় প্রতিনিধিকে দিয়ে নিজের বাগান পরিচর্যা ও বিভিন্ন ধরনের কৃষিকাজ করান। এভাবে দীর্ঘদিন ধরে তিনি অফিস ফাঁকি দিয়ে ঔষধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধিদের দিয়ে নিজের জমিতে ও ব্যক্তিগত নানা কাজ করান। যার প্রমান হাসপাতালে থাকা সিসিটিভি ক্যামেরা দেখলেই পাওয়া যাবে। কিং ফার্মা নামে আরেকটি ওষুধ কোম্পানির এম পি ও মেহেদী হাসানকেও তিনি একইভাবে ব্যক্তিগত কাজে লাগান। এমনকি হাসপাতালে নিজের কক্ষের সামনে রোগীদের ভিড় সামলানোর কাজও এই বিক্রয় প্রতিনিধিদের দিয়ে তিনি করে থাকেন। এরকম বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কোম্পানির প্রতিনিধিরা তার কৃষিকাজ সহ গৃহস্থলীর কাজ করে থাকেন। প্রতিদানস্বরূপ তিনি রোগীদের অপ্রয়োজনীয় এবং নিন্মমানের কোম্পানির ওষুধ ব্যবস্থাপত্রে লিখে থাকেন, যা সাধারণ রোগীদের আর্থিক ও শারীরিক উভয়ভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত করছে। শুধু তাই নয় কাছের কিছু বিক্রয় প্রতিনিধিদের মাধ্যমে বিভিন্ন কোম্পানির কাছ থেকে নানা ধরনের আর্থিক ও অনৈতিক সুবিধা নিয়ে থাকেন ডাঃ অরুন কুমার দাস। নিয়মিত অফিস ফাকি দিয়ে এভাবে চললেও উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এসব দেখেন না। এ বিষয়ে অভিযুক্ত চিকিৎসক ডাঃ অরুন কুমার দাসের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি এই  প্রতিবেদকের কাছে বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, এমনটি আমি নিয়মিত করি না। বিশেষ কারনে বিক্রয় প্রতিনিধিকে নিয়ে বাইরে গিয়েছি। ভুল হয়েছে, আর কখনো যাবো না। অফিস ফাঁকি দিয়ে মাঠে বিক্রয় কর্মীদের দিয়ে কাজ করানোর  বিষয়ে  উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আমানুল্লাহ আল মামুন বলেন, চিকিৎসা সেবার মতো স্থানে এমন অনিয়ম ও পেশাগত দায়িত্বহীনতার বিষয়টি আমি কর্তৃপক্ষকে জানাব।ঝিনাইদহ জেলা সিভিল সার্জন মো. কামরুজ্জামান বলেন, বিষটি আমি জানতে পেরেছি,খতিয়ে দেখে অবশ্যই ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

বরুড়ায় সাংবাদিকের সাথে অসদাচরণ: ডাক্তারকে কৈফিয়ত তলব

বরুড়ায় সাংবাদিকের সাথে অসদাচরণ: ডাক্তারকে কৈফিয়ত তলব

কুমিল্লার বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে এক সাংবাদিকের সাথে অসদাচরণ ও হেয় প্রতিপন্ন করার অভিযোগে জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডাঃ মুহাম্মদ নাহিদ হোসাইনের কাছে লিখিত কৈফিয়ত তলব করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোহাম্মদ সাজেদুর রহমান।জানা যায়, গত ১৫ জুলাই ২০২৬ তারিখে বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাসপাতাল সংক্রান্ত সংবাদ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে উপস্থিত হন দৈনিক স্বাধীন সংবাদ পত্রিকার সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার আনজার শাহ। এ সময় নিজের পরিচয়পত্র প্রদর্শনের পরও ডাঃ নাহিদ হোসাইন তাঁর সাথে যথাযথ আচরণ না করে অসদাচরণ করেন এবং তাঁকে হেয় প্রতিপন্ন করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় সংক্ষুব্ধ সাংবাদিকরা বিষয়টি মৌখিক ও লিখিতভাবে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয়ে অভিযোগ আকারে দাখিল করেন।অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, এই আচরণ একজন সরকারি কর্মকর্তার কাছ থেকে প্রত্যাশিত আচরণ এবং সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালার সম্পর্কিত পরিপন্থী। অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনা করে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোহাম্মদ সাজেদুর রহমান গত ১৮ জুলাই ২০২৬ তারিখে ডাঃ নাহিদ হোসাইনের কাছে একটি আনুষ্ঠানিক কৈফিয়ত তলব পত্র প্রেরণ করেন। চিঠিতে ঘটনার বিষয়ে সুস্পষ্ট, বিস্তারিত ও লিখিত ব্যাখ্যা পত্র প্রাপ্তির তিন কার্যদিবসের মধ্যে দপ্তরে দাখিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এই কৈফিয়ত তলব পত্রের অনুলিপি সদয় অবগতির জন্য পাঠানো হয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক এবং কুমিল্লার সিভিল সার্জন বরাবর।স্থানীয় সূত্র জানায়, এর আগে বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে সিভিল সার্জন সরেজমিন পরিদর্শন করেন এবং হাসপাতাল গেট ও আশপাশে ভাসমান ডাস্টবিন নিয়ন্ত্রণে রাখার নির্দেশনা দেন। এ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের ধারাবাহিকতায় হাসপাতাল প্রাঙ্গণে দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকের সাথে ঘটে এই অনভিপ্রেত ঘটনা।স্থানীয় সাংবাদিক মহল ও সুশীল সমাজ এ ঘটনার তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন এবং দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিকদের সাথে সরকারি কর্মকর্তাদের সৌজন্যমূলক ও শালীন আচরণ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। কর্তৃপক্ষের এই দ্রুত পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে অনেকে মনে করছেন, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতে এ ধরনের জবাবদিহিতামূলক ব্যবস্থা অব্যাহত থাকা প্রয়োজন। বিষয়টি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের লিখিত কৈফিয়ত পর্যালোচনা করবে কর্তৃপক্ষ।

চাঁদপুরের  নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের নতুন বিচারক তাসনিম জোহরা

চাঁদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের নতুন বিচারক তাসনিম জোহরা

চাঁদপুরের  নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের নবনিযুক্ত বিচারক ( জেলা জজ)  হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন তাসনিম জোহরা আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেছেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের নতুন বিচারিক অভিজ্ঞতা সম্পন্ন তাসনিম জোহরা দীর্ঘ বিচারের অধিকারী একজন বিচারক তিনি। ২০১৫ সালে পদোন্নতি পেয়ে মাগুরায় যুগ্নু জেলা জলস হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ২০১৮ সালে খুলনায় যুগ্ন মহানগর দায়রা জজ আদালতে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে  পুনরায় পদোন্নতি পেয়ে ২০২০ সালে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জর্জ হন।২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে ঝালকাঠির চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। চাঁদপুরে যোগদানের আগে তিনি আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইনী কর্মকান্ডে সংযুক্ত ছিলেন। বিচারক তাসনিম  জোহরা ফরিদপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ঢাকার ভিকারুন্নিসা নুন কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে অস্ট্রেলিয়া সরকারের ব্যক্তি নিয়ে   স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক আহমদ জিয়াউর রহমানের সহধর্মিনী। চাঁদপুরের দায়িত্ব গ্রহণ এরপর তাসনিম যুহরা বলেন বিচার প্রার্থীদের দ্রুত সুস্থ নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করতে তিনি আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন। এজন্য তিনি সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন। যোগদানলগ্নে  চাঁদপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সেক্রেটারি সহ শুধু আইনজীবী রা তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ  করেন এবং ফুলেল শুভেচ্ছা  ও জানান।

অল্প বৃষ্টিতেই আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জলাবদ্ধতা, মশা-মাছির উপদ্রব; চরম দুর্ভোগে রোগী ও স্বজনরা

অল্প বৃষ্টিতেই আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জলাবদ্ধতা, মশা-মাছির উপদ্রব; চরম দুর্ভোগে রোগী ও স্বজনরা

নওগাঁর আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সামান্য বৃষ্টিতেই ভয়াবহ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। হাসপাতালের বহির্বিভাগ, জরুরি বিভাগের প্রবেশপথ, অভ্যন্তরীণ সড়ক ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বৃষ্টির পানি জমে থাকায় বেড়েছে মশা-মাছির উপদ্রব। ফলে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোগী, তাদের স্বজন এবং হাসপাতালের চিকিৎসক-কর্মচারীদের চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে।সরেজমিনে দেখা যায়, অল্প সময়ের বৃষ্টিতেই হাসপাতাল চত্বরের বিভিন্ন স্থানে পানি জমে ছোট ছোট জলাশয়ের সৃষ্টি হয়। এতে জরুরি বিভাগে রোগী আনা-নেওয়া, বহির্বিভাগে চিকিৎসা গ্রহণ এবং ওয়ার্ডে যাতায়াতে মারাত্মক বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। বিশেষ করে শিশু, গর্ভবতী নারী, প্রবীণ ও শারীরিকভাবে দুর্বল রোগীদের জন্য এই পরিস্থিতি আরও কষ্টকর হয়ে উঠেছে।রোগীর স্বজনদের অভিযোগ, দীর্ঘ সময় পানি জমে থাকায় হাসপাতাল এলাকায় মশা-মাছির উপদ্রব আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। এতে ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া এবং অন্যান্য মশাবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের কারণে সংক্রমণের ঝুঁকিও বাড়ছে।হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা কয়েকজন রোগী জানান, সরকারি এই স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে প্রতিদিন উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে শত শত মানুষ চিকিৎসা নিতে আসেন। কিন্তু সামান্য বৃষ্টিতেই হাসপাতালের এমন নাজুক পরিস্থিতি অত্যন্ত হতাশাজনক।রোগীর স্বজন আব্দুল্লাহীল কাফী বলেন, "রোগী নিয়ে হাসপাতালে এসে দেখি চারদিকে পানি জমে আছে। জরুরি বিভাগে পৌঁছাতেই ভোগান্তির শিকার হতে হয়েছে। হাসপাতালের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠানে এমন অবস্থা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।"স্থানীয়দের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরেই হাসপাতালের ড্রেনেজ ব্যবস্থা অকার্যকর। নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার ও সংস্কারের অভাবে বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশন হতে পারে না। ফলে অল্প বৃষ্টিতেই হাসপাতাল চত্বর জলমগ্ন হয়ে পড়ে। বর্ষা মৌসুমে এই সমস্যা আরও প্রকট আকার ধারণ করে।স্বাস্থ্যসচেতন নাগরিকদের মতে, হাসপাতালের মতো সংবেদনশীল প্রতিষ্ঠানে জলাবদ্ধতা শুধু রোগীদের দুর্ভোগই বাড়ায় না, বরং জনস্বাস্থ্যের জন্যও বড় ধরনের ঝুঁকি সৃষ্টি করে। দ্রুত পানি নিষ্কাশন, কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা, নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার করা সময়ের দাবি।১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি উপজেলার প্রধান সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র। প্রতিদিন এখানে বহির্বিভাগ, জরুরি বিভাগ ও বিভিন্ন ওয়ার্ডে শত শত রোগী চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেন। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে অবকাঠামোগত বিভিন্ন সমস্যা, ড্রেনেজ ব্যবস্থার দুর্বলতা এবং প্রয়োজনীয় সংস্কারের অভাবে হাসপাতালের পরিবেশ দিন দিন অবনতির দিকে যাচ্ছে।এলাকাবাসীর দাবি, রোগীদের নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে হাসপাতালের ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, স্থায়ী পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা, নিচু স্থান ভরাট, নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এবং মশক নিধনে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি বর্ষা মৌসুমের আগেই প্রয়োজনীয় সংস্কারকাজ সম্পন্ন করারও দাবি জানান তারা।এ বিষয়ে আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোহাম্মদ  খায়রুল আলম বলেন, "জলাবদ্ধতার বিষয়টি ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। সমস্যাটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। স্থায়ী সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আশা করছি, খুব দ্রুতই এ সমস্যার সমাধান হবে।"স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নিলে হাসপাতালের জলাবদ্ধতা ও মশা-মাছির উপদ্রব থেকে মুক্তি মিলবে। এতে রোগী ও তাদের স্বজনদের দুর্ভোগ কমার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবার মানও আরও উন্নত হবে।