এআই ও ডিজিটাল অর্থনীতিতে চীনের সঙ্গে সহযোগিতা চায় স্লোভাকিয়া
চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং, ২৮ জুলাই, (মঙ্গলবার) সকালে বেইজিংয়ের গণমহাভবনে, স্লোভাকিয়ার প্রেসিডেন্ট পিটার পেলেগ্রিনি’র সঙ্গে এক বৈঠকে মিলিত হন। বৈঠকে সি চিন পিং বলেন, স্লোভাকিয়া সবচেয়ে আগে নয়াচীনের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনকারী দেশগুলোর অন্যতম। দু’দেশের বন্ধুত্বের শিকড় অনেক গভীরে প্রথিত। ২০২৪ সালে দু’দেশের সম্পর্ক কৌশলগত অংশীদারিত্বের সম্পর্কে উন্নীত হয়। দু’পক্ষের যৌথ প্রচেষ্টায়, দ্বিপক্ষীয় পারস্পরিক আস্থা ধারাবাহিকভাবে গভীরতর হচ্ছে এবং সহযোগিতায় অর্জিত হচ্ছে সাফল্য। তিনি জোর দিয়ে বলেন, আগামী পর্যায়ে মূলত ৪টি দিকে কাজ করতে হবে: এক. পারস্পরিক কৌশলগত আস্থা সুসংহত করে, দৃঢ়তার সাথে একে অপরকে সমর্থন করে যেতে হবে; দুই. পারস্পরিক কল্যাণকর সহযোগিতা গভীরতর করে, অভিন্ন উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে হবে; তিন. মানুষে মানুষে বন্ধন জোরদার এবং ঐতিহ্যগত বন্ধুত্বকে সামনে এগিয়ে নিতে হবে; চার. আন্তর্জাতিক ন্যাযতা ও ন্যায়বিচার রক্ষা করে, বিশ্ব প্রশাসন-ব্যবস্থা সংস্কার ও সম্পূর্ণ করতে হবে। সি বলেন, বিশ্ব দ্রুত পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে; চীন-ইউরোপ সম্পর্ক নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ সুযোগের সম্মুখীন হচ্ছে। পাশাপাশি, চ্যালেঞ্জও অনেক। চ্যালেঞ্জকে সুযোগে পরিণত করতে, পরামর্শের ভিত্তিতে কাজ করে যেতে হবে। চীন সবসময় ইউরোপীয় ইউনিয়নকে অংশীদার হিসেবে দেখে এবং ইউরোপের সাথে সরল বিশ্বাস ও সদিচ্ছার ভিত্তিতে সম্পর্ক আরও জোরদারে আগ্রহী। তিনি আশা করেন, স্লোভাকিয়া চীন-ইউরোপ ঐকমত্যের ওপর ফোকাস করতে ইইউ-কে প্রভাবিত করে, যথাসাধ্য দ্বন্দ্ব ও মতভেদ দূর করার মাধ্যমে, চীন-ইউরোপ সম্পর্কের সুস্থ ও স্থিতিশীল উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার ক্ষেত্রে গঠনমূলক ভূমিকা পালন করে যাবে। জবাবে পেলেগ্রিনি বলেন, তার দেশ দু’দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্বের সম্পর্ককে মূল্যায়ন করে; দৃঢ়ভাবে ‘এক-চীননীতি’ অনুসরণ করে। তিনি চীনের সাথে পারস্পরিক রাজনৈতিক আস্থা বাড়ানো, সহযোগিতা জোরদার করা, বন্ধুত্ব গভীরতর করা, নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণ করা, এবং আর্থ-বাণিজ্যিক, এআই, ডিজিটাল অর্থনীতি, রোবট ও নতুন জ্বালানি খাতে আরও বেশি সহযোগিতার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। তিনি আরও বলেন, ইইউ’র সদস্যদেশ হিসেবে, স্লোভাকিয়া ইতিবাচকভাবে ইউরোপ-চীন সহযোগিতা ত্বরান্বিত করে, সংলাপ ও পরামর্শের মাধ্যমে মতভেদ দূর করতে চায়। স্লোভাকিয়া চীনের আন্তর্জাতিক অবস্থা ও প্রভাবের ওপর উচ্চ গুরুত্ব দেয় ও এর প্রশংসা করে এবং চীনের সাথে বহুপক্ষবাদে অবিচল থেকে, জাতিসংঘ সনদের লক্ষ্য ও আন্তর্জাতিক আইন রক্ষা করতে এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা ত্বরান্বিত করতে ইচ্ছুক। স্লোভাকিয়া পুরোপুরিভাবে, সদ্যসমাপ্ত বিশ্ব এআই সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের উত্থাপিত ধারণা ও উদ্যোগের সাথে একমত, যা সত্যিকার অর্থে মানবজাতির জন্য কল্যাণ সৃষ্টি করতে চায়। সূত্র:প্রেমা-আলিম-ছাই,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।
চট্টগ্রামে নকশাবহির্ভূত ভবনের ছড়াছড়ি: ১৫ বছরে নির্মিত ৩০ হাজার ভবনের ৯৯ শতাংশেই অনিয়ম
চট্টগ্রাম মহানগরে পরিকল্পিত নগরায়ণের চিত্র দিন দিন ম্লান হয়ে পড়ছে। গত ১৫ বছরে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) প্রায় ৩০ হাজার ভবনের নকশা অনুমোদন দিলেও এর ৯৯ শতাংশই নির্মিত হয়েছে অনুমোদিত নকশার বাইরে। সংস্থাটির নিজস্ব পর্যবেক্ষণেই উঠে এসেছে এ চিত্র। নগর পরিকল্পনাবিদদের মতে, দীর্ঘদিনের দুর্বল তদারকি, আইনের শিথিল প্রয়োগ এবং জবাবদিহির অভাবই এ পরিস্থিতির জন্য দায়ী।সেটব্যাক মানা হয়নি, অনুমোদনের চেয়ে বেশি তলা নির্মাণ, পার্কিং নেই অধিকাংশ ভবনে; এবার গ্যাস-বিদ্যুৎ-পানির সংযোগ বন্ধের হুঁশিয়ারি সিডিএরসিডিএর তথ্য অনুযায়ী, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সংস্থাটি ২৯ হাজার ৭০০টি ভবনের নকশা অনুমোদন দিয়েছে। এর অধিকাংশ ভবন ইতোমধ্যে নির্মাণ শেষ হয়েছে। কিন্তু সাম্প্রতিক পর্যালোচনায় দেখা গেছে, অনুমোদিত নকশা মেনে ভবন নির্মাণ হয়েছে মাত্র ১ শতাংশ। বাকি প্রায় সব ভবনেই রয়েছে কমবেশি অনিয়ম।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কোথাও ভবনের সামনে, পাশে ও পেছনে বাধ্যতামূলক খোলা জায়গা (সেটব্যাক) রাখা হয়নি। কোথাও রাস্তা দখল করে ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। আবার ছয়তলার অনুমোদন নিয়ে ১০ তলা পর্যন্ত ভবন নির্মাণের ঘটনাও পাওয়া গেছে। অধিকাংশ ভবনেই রাখা হয়নি নির্ধারিত পার্কিং সুবিধা। ফলে যানজট, জলাবদ্ধতা, অগ্নিকাণ্ড ও ভূমিকম্পের মতো দুর্যোগে ঝুঁকি বাড়ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন বলেন, “অনেকে অনুমোদিত নকশা নিয়ে পরে বাস্তবে সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে ভবন নির্মাণ করেন। সামনে, পেছনে ও পাশে যতটুকু জায়গা রাখার কথা, তা মানা হয় না। পাহাড় কেটে, খাল-নালার ওপর ভবন নির্মাণের কারণে নগরীর পরিবেশ ও সৌন্দর্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।”তিনি জানান, নগরীর ওপর চাপ কমাতে স্যাটেলাইট টাউন গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি ভবন নির্মাণে নকশা অনুসরণ নিশ্চিত করতে কঠোর নজরদারি চালানো হবে।তবে প্রশ্ন উঠেছে, ভবন নির্মাণে নকশা মানা হচ্ছে কি না—সেটি তদারকির দায়িত্বও তো সিডিএর। অথচ গত দেড় দশকে সেই তদারকি কার্যকরভাবে হয়নি। ফলে অনিয়ম একসময় স্বাভাবিক চর্চায় পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য নগর পরিকল্পনাবিদদের।নগরবিদ প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার বলেন, “আইন ভেঙে যে সুবিধা পাওয়া যায়, তার চেয়ে যদি শাস্তি কম হয়, তাহলে কেউ নিয়ম মানবে না। অবৈধ ভবনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গিয়ে সিডিএকে জেলা প্রশাসনের ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের ওপর নির্ভর করতে হয়। এ কারণে অনেক সময় অভিযানও থেমে যায়। সমন্বিত নগর প্রশাসন গড়ে উঠলে আইন বাস্তবায়ন অনেক সহজ হবে।”অনিয়ম রোধে এবার কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছে সিডিএ। সংস্থাটি বলছে, অনুমোদিত নকশার ব্যত্যয় ঘটলে সংশ্লিষ্ট ভবনে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগ না দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেন বলেন, “ডিজাইন অনুমোদনের পর সেই ডিজাইন অনুযায়ীই ভবন নির্মাণ করতে হবে। ব্যত্যয় ঘটলে প্রয়োজনীয় ইউটিলিটি সংযোগ দেওয়া হবে না। অতীতের অনিয়ম থেকে বেরিয়ে একটি পরিকল্পিত, সবুজ ও নান্দনিক চট্টগ্রাম গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।”এদিকে, অনুমোদনহীন ও নকশাবহির্ভূত ভবন নির্মাণ বন্ধে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের গঠিত একটি কমিটিও কাজ করছে বলে জানিয়েছে সিডিএ। তবে নগরবাসীর প্রশ্ন, দীর্ঘদিনের অনিয়মের দায় কার, আর নতুন এই কঠোরতা বাস্তবে কতটা কার্যকর হবে—সেটিই এখন দেখার বিষয়।
চীন-আসিয়ান বৈঠকে আঞ্চলিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের অঙ্গীকার
ম্যানিলায় চীন-আসিয়ান পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত (বৃহস্পতিবার) বৈঠকে যৌথভাবে সভাপতিত্ব করেন সিপিসির কেন্দ্রীয় কমিটির রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এবং চীন-আসিয়ান সম্পর্কের সমন্বয়কারী দেশ মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ হাসান। আসিয়ান সদস্য দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং আসিয়ানের মহাসচিব বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।ওয়াং ই বলেন, এ বছর চীন-আসিয়ান ব্যাপক কৌশলগত অংশীদারত্ব প্রতিষ্ঠার পঞ্চম বার্ষিকী। উভয় পক্ষের নেতাদের যৌথ কৌশলগত নির্দেশনায় চীন-আসিয়ান সহযোগিতা উন্নত ও স্থিতিশীল হয়েছে। এর ফলে উভয় পক্ষের ২০০ কোটিরও বেশি মানুষ উপকৃত হয়েছেন এবং চীন-আসিয়ানের মধ্যে ঘনিষ্ঠ অভিন্ন লক্ষ্যের কমিউনিটি গঠনের ভিত্তি আরও দৃঢ় হয়েছে। তিনি আরও বলেন, চীন-আসিয়ান সম্পর্কের উন্নয়ন প্রমাণ করে যে, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বিশ্বাসই সুপ্রতিবেশীসুলভ সম্পর্কের ভিত্তি, আন্তরিকতাই সহাবস্থানের পথ, উভয় পক্ষের জন্য লাভজনক সহযোগিতাই সাফল্যের ভিত্তি এবং উন্মুক্ততা ও অন্তর্ভুক্তিই সমৃদ্ধির জন্য অপরিহার্য। ওয়াং ই উল্লেখ করেন, চীন সম্প্রতি চীনা কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিষ্ঠার ১০৫তম বার্ষিকী উদযাপন করেছে। বিগত ১০৫ বছরে, চীনা কমিউনিস্ট পার্টি ১৪০ কোটিরও বেশি চীনা জনগণকে নিরলস সংগ্রামে ঐক্যবদ্ধ ও নেতৃত্ব দিয়ে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে, মানবসভ্যতার অগ্রগতিকে ব্যাপকভাবে ত্বরান্বিত করেছে এবং বিশ্বের উন্নয়ন প্রেক্ষাপটকে গভীরভাবে পরিবর্তন করেছে। তিনি বলেন, একের পর এক বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের মুখে প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং মানবজাতির অভিন্ন লক্ষ্যের কমিউনিটি গঠনের মূল ধারণা এবং চারটি বৈশ্বিক উদ্যোগ প্রস্তাব করেছেন। এর লক্ষ্য হলো শান্তিপূর্ণ উন্নয়নের ধারার সঙ্গে সঙ্গতি রাখা, উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও শাসনের ঘাটতি মোকাবিলা করা এবং আরও ন্যায়সঙ্গত ও যুক্তিসংগত বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলা।শান্তি, উন্নয়ন, সহযোগিতা ও পারস্পরিক লাভের নীতি সমুন্নত রাখতে, ঘনিষ্ঠতর সহযোগিতার মাধ্যমে এই অঞ্চলের সব দেশের জনগণের কল্যাণে কাজ করা থেকে শুরু করে উদীয়মান চ্যালেঞ্জ ও অনিশ্চয়তা মোকাবিলায় আরও দৃঢ়ভাবে ঐক্যবদ্ধ হতে ইচ্ছুক চীন। পাশাপাশি ‘পঞ্চ-গৃহ’ সম্প্রদায় গঠনে ক্রমাগত অগ্রগতি সাধনে আসিয়ানের সঙ্গে চীন কাজ করতেও ইচ্ছুক বলেও জানান ওয়াং ই। তার মতে, এর মাধ্যমেই এশিয়ার উন্নয়ন ও পুনরুজ্জীবনের চালিকাশক্তি, এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় আঞ্চলিক সহযোগিতার মডেল এবং বৈশ্বিক দক্ষিণের ঐক্য ও আত্মনির্ভরশীলতার মানদণ্ড হিসেবে চীন-আসিয়ান সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।বৈঠকে ওয়াং ই চারটি পরামর্শ দেন। প্রথমত, এই অঞ্চলে শান্তিপূর্ণ ও উন্নয়নশীল পরিবেশ বজায় রাখতে হবে; দ্বিতীয়ত, আঞ্চলিক উন্নয়নের স্থিতিস্থাপকতা বাড়াতে হবে; তৃতীয়ত, উদ্ভাবনী ও সবুজ উন্নয়নকে উৎসাহিত করতে হবে এবং চতুর্থত, জনকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি মেনে চলতে হবে।দক্ষিণ চীন সাগর ইস্যুতে চীনের নীতিগত অবস্থান ব্যাখ্যা করে ওয়াং ই বলেন, দক্ষিণ চীন সাগর আমাদের অভিন্ন আবাস। চীন ও আসিয়ান দেশগুলোর দক্ষিণ চীন সাগর ইস্যু যথাযথভাবে মোকাবিলা করে যাওয়ার মতো প্রজ্ঞা ও সক্ষমতা রয়েছে বলেও জানান তিনি।তার মতে, এই অঞ্চলের দেশগুলোর উচিত ‘দক্ষিণ চীন সাগরে পক্ষগুলোর আচরণ সংক্রান্ত ঘোষণাপত্র’ (ডিওসি) কঠোরভাবে মেনে চলা এবং বহিরাগত শক্তির উসকানি প্রতিরোধ করা। সেইসঙ্গে দক্ষিণ চীন সাগরকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে কোনো একক দেশের কার্যকলাপের বিরোধিতা করা এবং এ অঞ্চলের শান্তি বজায় রাখার উদ্যোগ দৃঢ়ভাবে নিজেদের হাতে রাখা উচিত বলেও জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।ওয়াং ই বলেন, ‘এখন দক্ষিণ চীন সাগরে একটি আচরণবিধি (সিওসি) প্রণয়নের জন্য আমরা একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগের সামনে দাঁড়িয়ে আছি। সুযোগটি কাজে লাগাতে হবে, হস্তক্ষেপ দূর করতে হবে এবং লক্ষ্য অর্জনে সচেষ্ট হতে হবে।’বিগত পাঁচ বছরে আসিয়ান-চীন ব্যাপক কৌশলগত অংশীদারত্বের ফলপ্রসূ সাফল্যের ভূয়সী প্রশংসা করেছে বৈঠকের সকল পক্ষ। সবাই এ ব্যাপারে একমত যে, চীন আসিয়ানের গুরুত্বপূর্ণ বন্ধুসুলভ প্রতিবেশী। পাশাপাশি সংলাপ ও বাণিজ্যের বৃহত্তম অংশীদারও। বৈঠকে মানবজাতির অভিন্ন লক্ষ্যের কমিউনিটি গঠনসংক্রান্ত চীনা ধারণা এবং এর চারটি বৈশ্বিক উদ্যোগকে আসিয়ান পক্ষগুলো সমর্থন করে বলে জানান সদস্য দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা।সূত্র: লিলি-ফয়সল,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।
চলতি এইচএসসি পরীক্ষায় পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ে প্রশ্নপত্রে ভুলের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন বলেছেন, প্রশ্ন আমরা তৈরি করিনি, বিগত সরকার করেছে। আপনি কি তাই মনে করেন?
প্রশিক্ষণ শেষে ৩০ প্রান্তিক পেশাজীবীর হাতে ১৮ হাজার টাকা করে অনুদান, মিলল সনদও
গুলিস্তানে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে লাখ টাকা খোয়ালেন ব্যবসায়ী
এশিয়া ছিন্নমূল মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে / রাজধানীতে মানবাধিকার ও গণমাধ্যম কর্মীদের মাঝে সাদা সম্মাননা প্রদান
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগ নিয়ে প্রশ্ন / মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ নগরবাসী, কার্যকর পদক্ষেপের দাবি