ঢাকা ১১:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ মে ২০২৪, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনে সাহস

মঙ্গলবার ২১ ফেরুয়ারি ২০২৩ কমিল্লা জেলার বরুড়া উপজেলার ঝলম ইউনিয়নের সিংগুর গ্রামে প্রতিষ্ঠিত সাহস ইনটেলেক্ট ডেভেলপমেন্ট স্কুলের এর শহীদ মিনারে অনুষ্ঠিত হয় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন, সমবেত জাতীয় সংগীত পরিবেশন, ভাষা শহীদ স্মরণে একমিনিট নিরবতা পালন এর মধ্য দিয়েই অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। অনুষ্ঠানে সকল ভাষা শহীদ ও ভাষা সৈনিকদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে বক্তব্য রাখেন সাহস এর প্রধান সমন্বয়কারী সবুর বাদশা, সাহস ইনটেলেক্ট ডেভেলপমেন্ট স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক শামীমা ইয়াছিন, সহকারী শিক্ষক শাহনাজ আক্তার। বক্তারা বলেন – ১৯৫২ সালের এই দিন ছিলো বাংলা ভাষার দাবিতে প্রথম প্রতিরোধ.. রাজপথে নেমে এসেছিলো শ্লোগান মুখরিত মানুষ দাবী একটাই রাষ্ট্র ভাষা বাংলা চাই। সেদিন মাতৃভাষার মর্যাদা রাখতে বুকের রক্তে ভিজেছিল ঢাকার রাজপথ। বাঙ্গালীর এই যৌক্তিক দাবীর কাছে পরাজিত হয় ঔপনিবেশিক প্রভুত্বের চাপিয়ে দেয়া অন্যায় আদেশ। ৫২ র এইপ্রতিবাদ,প্রতিরোধ ও দাবী আদায় ছিলো বাঙালীদের পরম প্রাপ্তি। বক্তারা আরো বলেন – ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো মহান একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ায় আজকের এই দিনটি সারা বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে। এরপর শুরু হয় স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের ছড়া-কবিতা পাঠ, একুশ ও দেশাত্মবোধক গান। এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন সবুর বাদশা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন সহকারী শিক্ষক সুমিত্রা রানী।

আপলোডকারীর তথ্য

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনে সাহস

আপডেট সময় ০৪:৩২:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

মঙ্গলবার ২১ ফেরুয়ারি ২০২৩ কমিল্লা জেলার বরুড়া উপজেলার ঝলম ইউনিয়নের সিংগুর গ্রামে প্রতিষ্ঠিত সাহস ইনটেলেক্ট ডেভেলপমেন্ট স্কুলের এর শহীদ মিনারে অনুষ্ঠিত হয় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন, সমবেত জাতীয় সংগীত পরিবেশন, ভাষা শহীদ স্মরণে একমিনিট নিরবতা পালন এর মধ্য দিয়েই অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। অনুষ্ঠানে সকল ভাষা শহীদ ও ভাষা সৈনিকদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে বক্তব্য রাখেন সাহস এর প্রধান সমন্বয়কারী সবুর বাদশা, সাহস ইনটেলেক্ট ডেভেলপমেন্ট স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক শামীমা ইয়াছিন, সহকারী শিক্ষক শাহনাজ আক্তার। বক্তারা বলেন – ১৯৫২ সালের এই দিন ছিলো বাংলা ভাষার দাবিতে প্রথম প্রতিরোধ.. রাজপথে নেমে এসেছিলো শ্লোগান মুখরিত মানুষ দাবী একটাই রাষ্ট্র ভাষা বাংলা চাই। সেদিন মাতৃভাষার মর্যাদা রাখতে বুকের রক্তে ভিজেছিল ঢাকার রাজপথ। বাঙ্গালীর এই যৌক্তিক দাবীর কাছে পরাজিত হয় ঔপনিবেশিক প্রভুত্বের চাপিয়ে দেয়া অন্যায় আদেশ। ৫২ র এইপ্রতিবাদ,প্রতিরোধ ও দাবী আদায় ছিলো বাঙালীদের পরম প্রাপ্তি। বক্তারা আরো বলেন – ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো মহান একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ায় আজকের এই দিনটি সারা বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে। এরপর শুরু হয় স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের ছড়া-কবিতা পাঠ, একুশ ও দেশাত্মবোধক গান। এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন সবুর বাদশা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন সহকারী শিক্ষক সুমিত্রা রানী।