ঢাকা ০১:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ৩ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আমতলীতে জব্দ কৃত নৌকা নিলামে বিক্রি

সাইফুল্লাহ নাসির, আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশরাফুল আলম ও সিনিয়র মৎস কর্মকর্তা হালিমা সর্দারের নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।

২৫ জানুয়ারি বুধবার মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আব্বাস ও আলামিনের দুইটি নৌকা নিলামে তোলা হয়। আমতলী লঞ্চঘাটের পাশে ব্লকে বসে উন্মুক্ত নিলামের আয়োজন করা হয় এবং নিলামে নৌকার মূল্য নির্ধারণ করা হয় যথাক্রমে এগারো হাজার চল্লিশ টাকা ও চার হাজার নয়শত পঞ্চাশ টাকা।

নিলামে সর্বস্ব হারানো জেলে আব্বাস ও আলামিন বলেন,আমরা গরীব মানুষ জীবিকার তাগিদে অবৈধ জাল ক্রয় করি বেশি মাছ পাওয়ায় আশায় কিন্তু এই জাল যারা তৈরি করে তাদের কারখানা যদি সরকার বন্ধ করে দেয় তাহলে তো জেলেরা এই জাল কিনতে পারবেনা আর এভাবে আমাদের নিঃস্ব হতে হবে না।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা হালিমা সর্দার বলেন, অবৈধ জাল ব্যবহার না করতে তাদের বিভিন্ন ভাবে সতর্ক করা হয়েছিল কিন্তু জেলেরা অতিলোভে অবৈধ জাল ব্যবহার করে মৎস্য নিধন করছিল তাই মৎস্য সুরক্ষা আইন ১৯৫০ সালের ৫ ধারা অনুযায়ী গত ১৯ জানুয়ারি বহস্পতিবার মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে অভিযান চালিয়ে ওই দুটি নৌকায় অবৈধ কারেন্টজাল সহ উদ্ধার করে জাল পুড়িয়ে ফেলা হয়। জব্দকৃত নৌকা দুটি আজ নিলাম করা হয়।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আমতলীতে জব্দ কৃত নৌকা নিলামে বিক্রি

আপডেট সময় ০৪:১৯:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৩

সাইফুল্লাহ নাসির, আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশরাফুল আলম ও সিনিয়র মৎস কর্মকর্তা হালিমা সর্দারের নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।

২৫ জানুয়ারি বুধবার মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আব্বাস ও আলামিনের দুইটি নৌকা নিলামে তোলা হয়। আমতলী লঞ্চঘাটের পাশে ব্লকে বসে উন্মুক্ত নিলামের আয়োজন করা হয় এবং নিলামে নৌকার মূল্য নির্ধারণ করা হয় যথাক্রমে এগারো হাজার চল্লিশ টাকা ও চার হাজার নয়শত পঞ্চাশ টাকা।

নিলামে সর্বস্ব হারানো জেলে আব্বাস ও আলামিন বলেন,আমরা গরীব মানুষ জীবিকার তাগিদে অবৈধ জাল ক্রয় করি বেশি মাছ পাওয়ায় আশায় কিন্তু এই জাল যারা তৈরি করে তাদের কারখানা যদি সরকার বন্ধ করে দেয় তাহলে তো জেলেরা এই জাল কিনতে পারবেনা আর এভাবে আমাদের নিঃস্ব হতে হবে না।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা হালিমা সর্দার বলেন, অবৈধ জাল ব্যবহার না করতে তাদের বিভিন্ন ভাবে সতর্ক করা হয়েছিল কিন্তু জেলেরা অতিলোভে অবৈধ জাল ব্যবহার করে মৎস্য নিধন করছিল তাই মৎস্য সুরক্ষা আইন ১৯৫০ সালের ৫ ধারা অনুযায়ী গত ১৯ জানুয়ারি বহস্পতিবার মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে অভিযান চালিয়ে ওই দুটি নৌকায় অবৈধ কারেন্টজাল সহ উদ্ধার করে জাল পুড়িয়ে ফেলা হয়। জব্দকৃত নৌকা দুটি আজ নিলাম করা হয়।