ঢাকা ০২:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আমতলীতে লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকায় যাত্রীদের দুর্ভোগ

দক্ষিণ এলাকার জনগণের জনপ্রিয় যোগাযোগ মাধ্যম হলো নৌপথ।বরগুনার আমতলী-ঢাকা নৌ-পথে চলাচলকারী লঞ্চ বন্ধ থাকায় যাত্রী সাধারন ভোগান্তিতে পড়েছে। এ পথে গত ২২ শে মার্চ থেকে লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে।

আমতলী-ঢাকা নৌপথ দিয়ে বরগুনা জেলার অধিকাংশ যাত্রী সাধারন ও পটুয়াখালী সদর উপজেলা ও মৃজাগন্জ উপজেলা অধিকাংশ যাত্রী যাতায়াত করে থাকে।নৌ পথ বন্ধ থাকায় নৌ পথ ব্যবহারকারী এ বিশাল জনগোষ্ঠী ভোগান্তী পোহাতে হচ্ছে।

আজ ৩১শে মার্চ আমতলী লঞ্চ টার্মিনালে দুপুর তিনটার সময়ে দেখা অনেক যাত্রী লঞ্চে ওঠার জন্য আসলেও কোন লঞ্চ না থাকায় তারা অন্য যানবাহনের মাধ্যমে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার চেষ্টা করছে।

হার্ড এর রোগী আব্দুল সাত্তার ঢাকা যাওয়ার জন্য লঞ্চঘাটে আসলে লঞ্চ না দেখে সেখানে বসে থাকেন।তাকে জিজ্ঞাসা করা হয় ভাই আপনি এখানে বসে আছেন কেন?
‘সে উত্তর দেয়, মুই গরিব মানুষ ঢাকা যামু হাটের চিকিৎসা করাইতে, মুই বাসে উঠতে পারিনা বাসের যে কষ্ট এর লইগা আই সালাম লঞ্চের ঢাকা যামু মুই এখন কেমনে ঢাকা যামু হেই চিন্তা করতে করতে এই হানে বইয়া রইছি’
অন্য আরেকজন যাত্রী মোঃ আলীর সাথে কথা বললে সে জানায় তার মাকে নিয়ে সে ঢাকায় যাবে কিন্তু এখন আর তার যাওয়া হলো না এখন বাড়ি ফিরে যাচ্ছে।
আমতলী ঘাট কর্তৃপক্ষ সাথে যোগাযোগ করা হলে কেউকে আমরা খুঁজে পাওয়া যায়নি।
ঢাকায় লঞ্চ মালিক সমিতির সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান তাদের লোকসান দিন দিন বাড়ছে।এত পরিমাণ লোকসান হচ্ছে যে তাদের লঞ্চ চালাতে কষ্ট হয়।তবে খুব শীঘ্রই ঢাকা-আমতলী লঞ্চ চলাচল আবারও চালু হবে বলে আশ্বাস দেন।

আপলোডকারীর তথ্য

আমতলীতে লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকায় যাত্রীদের দুর্ভোগ

আপডেট সময় ০৯:৪৯:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ মার্চ ২০২৩

দক্ষিণ এলাকার জনগণের জনপ্রিয় যোগাযোগ মাধ্যম হলো নৌপথ।বরগুনার আমতলী-ঢাকা নৌ-পথে চলাচলকারী লঞ্চ বন্ধ থাকায় যাত্রী সাধারন ভোগান্তিতে পড়েছে। এ পথে গত ২২ শে মার্চ থেকে লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে।

আমতলী-ঢাকা নৌপথ দিয়ে বরগুনা জেলার অধিকাংশ যাত্রী সাধারন ও পটুয়াখালী সদর উপজেলা ও মৃজাগন্জ উপজেলা অধিকাংশ যাত্রী যাতায়াত করে থাকে।নৌ পথ বন্ধ থাকায় নৌ পথ ব্যবহারকারী এ বিশাল জনগোষ্ঠী ভোগান্তী পোহাতে হচ্ছে।

আজ ৩১শে মার্চ আমতলী লঞ্চ টার্মিনালে দুপুর তিনটার সময়ে দেখা অনেক যাত্রী লঞ্চে ওঠার জন্য আসলেও কোন লঞ্চ না থাকায় তারা অন্য যানবাহনের মাধ্যমে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার চেষ্টা করছে।

হার্ড এর রোগী আব্দুল সাত্তার ঢাকা যাওয়ার জন্য লঞ্চঘাটে আসলে লঞ্চ না দেখে সেখানে বসে থাকেন।তাকে জিজ্ঞাসা করা হয় ভাই আপনি এখানে বসে আছেন কেন?
‘সে উত্তর দেয়, মুই গরিব মানুষ ঢাকা যামু হাটের চিকিৎসা করাইতে, মুই বাসে উঠতে পারিনা বাসের যে কষ্ট এর লইগা আই সালাম লঞ্চের ঢাকা যামু মুই এখন কেমনে ঢাকা যামু হেই চিন্তা করতে করতে এই হানে বইয়া রইছি’
অন্য আরেকজন যাত্রী মোঃ আলীর সাথে কথা বললে সে জানায় তার মাকে নিয়ে সে ঢাকায় যাবে কিন্তু এখন আর তার যাওয়া হলো না এখন বাড়ি ফিরে যাচ্ছে।
আমতলী ঘাট কর্তৃপক্ষ সাথে যোগাযোগ করা হলে কেউকে আমরা খুঁজে পাওয়া যায়নি।
ঢাকায় লঞ্চ মালিক সমিতির সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান তাদের লোকসান দিন দিন বাড়ছে।এত পরিমাণ লোকসান হচ্ছে যে তাদের লঞ্চ চালাতে কষ্ট হয়।তবে খুব শীঘ্রই ঢাকা-আমতলী লঞ্চ চলাচল আবারও চালু হবে বলে আশ্বাস দেন।