ঢাকা ০১:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মার্চ ২০২৪, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo বিগত দশ বছরে, চীনের নেটওয়ার্ক অবকাঠামোর অনেক উন্নতি হয়েছে Logo দৈনিক মুক্তির লড়াই পত্রিকার চতুর্থ বর্ষে পদার্পন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo ক্ষুদ্রচাকশ্রী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত Logo বরগুনা প্রেসক্লাবে হামলার ঘটনায় মামলা, পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ Logo সরাইলে নদীর মাটি যাচ্ছে ইট ভাটায়, হুমকির মুখে ফসলি জমি Logo চীন বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক উন্নয়ন বাড়াতে চায়;চীনা বাণিজ্য মন্ত্রী Logo চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ২০২৪ সালকে ‘ভোগ বৃদ্ধির বছর’ হিসাবে মনোনীত করে Logo শাজাহান শিকদার সম্পাদনিত ‘সম্মিলিত কবিতার বই-৪’ এর মোড়ক উম্মোচন Logo নওগাঁয় ৭২ কেজি গাঁজাসহ মাদক এক ব্যবসায়ী আটক Logo ফুলবাড়ীতে কুকুরের কামড়ে ৮টি ছাগলের মৃত্যু

উখিয়ায় শবে কদরে গরুর বদলে ঘোড়া জবাই: বিক্রির আগেই জব্দ মাংস

পবিত্র শবে কদর উপলক্ষে কক্সবাজারের উখিয়ায় লোকচক্ষুর অন্তরালে রাতের অন্ধকারে ঘোড়া জবাই করে গরুর মাংস বলে বিক্রির চেষ্টা করেছেন উখিয়ার এক কসাই।

তবে তার সেই চেষ্টা ভেস্তে দিয়েছেন হলদিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইমরুল কায়েস চৌধুরী।

ঘটনাটি ঘটেছে উখিয়া উপজেলা হলদিয়াপালং ইউনিয়নের মরিচ্যা লাকরি বাজার এলাকায়।

এসময় চেয়ারম্যান ও পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান মরিচ্যা বাজারের মিয়াজন ফকিরের ছেলে কসাই মাহবুব আলম প্রকাশ (মাহাবু কসাই)। পরে ঘোড়ার মাথা ও লেজসহ মাংসগুলো জব্দ করেন উখিয়া থানা পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করে হলদিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইমরুল কায়েস চৌধুরী বলেন, তার কাছে তথ্য ছিলো কক্সবাজারের বিচ এরিয়ায় কিছু অসুস্থ ঘোড়া মরিচ্যা বাজার এলাকায় আনা হচ্ছে। কিন্তু কি জন্য আনা হচ্ছে সেই ব্যাপারে নিশ্চিত ছিলাম না। তাই বিষয়টি নিয়ে গত দুইদিন ধরে বিভিন্নজনকে সোর্স হিসেবে কাজে লাগিয়েছি। পরে পবিত্র শবে কদর উপলক্ষে মরিচ্যা বাজারে ঘোড়া জবাই করা হয়েছে এমন খবর পাওয়া মাত্রই দেরি না করে ঘটনাস্থলে এর সত্যতা পেয়ে উখিয়া থানা পুলিশকে খবর দিয়ে মাংসগুলো জব্দ করা হয়।

উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, গরু মাংসের নামে ঘোড়া জবাই করে বিক্রির চেষ্টাকালে স্থানীয় চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় আমরা মাংস জব্দ করেছি। এসময় অভিযুক্ত কসাই পালিয়ে যাওয়ায় তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে তাকে আটকের চেষ্টা অব্যাহত আছে এবং তার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।

স্থানীয় চেয়ারম্যান ইমরুল কায়েস জানান, আপনার ইউনিয়ন পরিষদে কেউ অপরাধ করে পার পাবে না।
সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে বিনোদনের জন্য ঘোড়ার গায়ে চড়ার ব্যবস্থা আছে। সেই ঘোড়া গুলো অসুস্থ হলে অসাধু কসাইরা সহজ সরল মানুষের মনে আঘাত দেওয়ার জন্য ঘোড়া গুলো জবাই করে গরুর মাংস বলে বিক্রি করে।

আপলোডকারীর তথ্য

বিগত দশ বছরে, চীনের নেটওয়ার্ক অবকাঠামোর অনেক উন্নতি হয়েছে

উখিয়ায় শবে কদরে গরুর বদলে ঘোড়া জবাই: বিক্রির আগেই জব্দ মাংস

আপডেট সময় ০৮:২০:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৩

পবিত্র শবে কদর উপলক্ষে কক্সবাজারের উখিয়ায় লোকচক্ষুর অন্তরালে রাতের অন্ধকারে ঘোড়া জবাই করে গরুর মাংস বলে বিক্রির চেষ্টা করেছেন উখিয়ার এক কসাই।

তবে তার সেই চেষ্টা ভেস্তে দিয়েছেন হলদিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইমরুল কায়েস চৌধুরী।

ঘটনাটি ঘটেছে উখিয়া উপজেলা হলদিয়াপালং ইউনিয়নের মরিচ্যা লাকরি বাজার এলাকায়।

এসময় চেয়ারম্যান ও পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান মরিচ্যা বাজারের মিয়াজন ফকিরের ছেলে কসাই মাহবুব আলম প্রকাশ (মাহাবু কসাই)। পরে ঘোড়ার মাথা ও লেজসহ মাংসগুলো জব্দ করেন উখিয়া থানা পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করে হলদিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইমরুল কায়েস চৌধুরী বলেন, তার কাছে তথ্য ছিলো কক্সবাজারের বিচ এরিয়ায় কিছু অসুস্থ ঘোড়া মরিচ্যা বাজার এলাকায় আনা হচ্ছে। কিন্তু কি জন্য আনা হচ্ছে সেই ব্যাপারে নিশ্চিত ছিলাম না। তাই বিষয়টি নিয়ে গত দুইদিন ধরে বিভিন্নজনকে সোর্স হিসেবে কাজে লাগিয়েছি। পরে পবিত্র শবে কদর উপলক্ষে মরিচ্যা বাজারে ঘোড়া জবাই করা হয়েছে এমন খবর পাওয়া মাত্রই দেরি না করে ঘটনাস্থলে এর সত্যতা পেয়ে উখিয়া থানা পুলিশকে খবর দিয়ে মাংসগুলো জব্দ করা হয়।

উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, গরু মাংসের নামে ঘোড়া জবাই করে বিক্রির চেষ্টাকালে স্থানীয় চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় আমরা মাংস জব্দ করেছি। এসময় অভিযুক্ত কসাই পালিয়ে যাওয়ায় তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে তাকে আটকের চেষ্টা অব্যাহত আছে এবং তার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।

স্থানীয় চেয়ারম্যান ইমরুল কায়েস জানান, আপনার ইউনিয়ন পরিষদে কেউ অপরাধ করে পার পাবে না।
সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে বিনোদনের জন্য ঘোড়ার গায়ে চড়ার ব্যবস্থা আছে। সেই ঘোড়া গুলো অসুস্থ হলে অসাধু কসাইরা সহজ সরল মানুষের মনে আঘাত দেওয়ার জন্য ঘোড়া গুলো জবাই করে গরুর মাংস বলে বিক্রি করে।