ঢাকা ০৩:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চীনের সাথে আদান-প্রদানে কম্বোডিয়া প্রযুক্তিকে উন্নত করতে পারে

লিলি:

দায়িত্ব নেওয়ার দুই মাসের মধ্যে দু’বার চীন সফর করেছেন; কম্বোডিয়ার জাতীয় উন্নয়ন কৌশলের সাথে বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের সংযুক্তির প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন; সহযোগিতার সাফল্য প্রত্যেকের জন্য কল্যাণ বয়ে আনতে পারে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। তিনি কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন মানেথ।

সম্প্রতি তিনি চায়না মিডিয়া গ্রুপ (সিএমজি)-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, তার সরকার চীনের সাথে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে। তিনি বলেন, কম্বোডিয়ার উন্নয়নের প্রকল্প, যা পেন্টাগোনাল স্ট্র্যাটেজি নামে পরিচিত, একটি বড় পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে গেছে এবং টেকসই ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতির ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। এর সাথে চীনের সম্পর্ক আছে।

তিনি বলেন, “প্রযুক্তি ভবিষ্যতের নেতৃত্ব দেয় এবং বর্তমান ও ভবিষ্যতকে প্রভাবিত করে। আমাদের প্রযুক্তিগত উন্নয়নকে আলিঙ্গন করতে হবে। পেন্টাগোনাল স্ট্র্যাটেজিতে আমরা ডিজিটাল অর্থনীতির ওপর ফোকাস বাড়িয়েছি। চীন একটি উদীয়মান প্রযুক্তি-দেশ; এখানকার অনেক কোম্পানির উদ্ভাবনী ধারণা রয়েছে এবং অনেক চীনা কোম্পানি প্রযুক্তিতে শীর্ষস্থানে রয়েছে। তাই চীনের সাথে আদান-প্রদানের মাধ্যমে, বিশেষ করে বেসরকারি উদ্যোগের সঙ্গে সহযোগিতার মাধ্যমে, আমরা কম্বোডিয়ায় প্রযুক্তিকে উন্নত করতে পারি। এতে কম্বোডিয়ার প্রযুক্তি আপগ্রেড হবে, শ্রমশক্তি প্রশিক্ষিত হবে, এবং অবকাঠামোর উন্নয়ন হবে। উভয় দেশ এসব ক্ষেত্রে সহযোগিতা থেকে পারস্পরিক কল্যাণও অর্জন করতে পারে।”

চীন সফরকালে হুন মানেথ হুয়াওয়েই-সহ চীনের হাইটেক শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন। সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “আমি চীনের শীর্ষ উচ্চ-প্রযুক্তি উদ্ভাবকদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে যে বৈঠক করেছি তার কারণ হলো অনেক কোম্পানি বরাবরই কম্বোডিয়ায় পুঁজি বিনিয়োগ করে আসছে এবং আরো বেশি কোম্পানি কম্বোডিয়ায় পুঁজি বিনিয়োগ করতে আগ্রহী।

আসলে বিনিয়োগ শুধুমাত্র বাস্তবসম্মত প্রযুক্তির ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ নয়, বরং প্লাটফর্ম সৃষ্টিও করতে পারে। যেমন, কম্বোডিয়ার বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আলিবাবা গ্রুপের সঙ্গে সহযোগিতা করে বিশ্বব্যাপী প্লাটফর্ম তৈরি করবে, ফলে আমাদের কৃষক এবং ছোট ও মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো এসব প্লাটফর্মের মাধ্যমে বাজার সম্প্রসারণ করতে পারবে। দু’দেশের মধ্যে সহযোগিতায় যে অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে, তাতে আমি খুবই খুশি।”
সূত্র: চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনের সাথে আদান-প্রদানে কম্বোডিয়া প্রযুক্তিকে উন্নত করতে পারে

আপডেট সময় ০৮:৩৮:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ নভেম্বর ২০২৩

লিলি:

দায়িত্ব নেওয়ার দুই মাসের মধ্যে দু’বার চীন সফর করেছেন; কম্বোডিয়ার জাতীয় উন্নয়ন কৌশলের সাথে বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের সংযুক্তির প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন; সহযোগিতার সাফল্য প্রত্যেকের জন্য কল্যাণ বয়ে আনতে পারে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। তিনি কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন মানেথ।

সম্প্রতি তিনি চায়না মিডিয়া গ্রুপ (সিএমজি)-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, তার সরকার চীনের সাথে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে। তিনি বলেন, কম্বোডিয়ার উন্নয়নের প্রকল্প, যা পেন্টাগোনাল স্ট্র্যাটেজি নামে পরিচিত, একটি বড় পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে গেছে এবং টেকসই ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতির ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। এর সাথে চীনের সম্পর্ক আছে।

তিনি বলেন, “প্রযুক্তি ভবিষ্যতের নেতৃত্ব দেয় এবং বর্তমান ও ভবিষ্যতকে প্রভাবিত করে। আমাদের প্রযুক্তিগত উন্নয়নকে আলিঙ্গন করতে হবে। পেন্টাগোনাল স্ট্র্যাটেজিতে আমরা ডিজিটাল অর্থনীতির ওপর ফোকাস বাড়িয়েছি। চীন একটি উদীয়মান প্রযুক্তি-দেশ; এখানকার অনেক কোম্পানির উদ্ভাবনী ধারণা রয়েছে এবং অনেক চীনা কোম্পানি প্রযুক্তিতে শীর্ষস্থানে রয়েছে। তাই চীনের সাথে আদান-প্রদানের মাধ্যমে, বিশেষ করে বেসরকারি উদ্যোগের সঙ্গে সহযোগিতার মাধ্যমে, আমরা কম্বোডিয়ায় প্রযুক্তিকে উন্নত করতে পারি। এতে কম্বোডিয়ার প্রযুক্তি আপগ্রেড হবে, শ্রমশক্তি প্রশিক্ষিত হবে, এবং অবকাঠামোর উন্নয়ন হবে। উভয় দেশ এসব ক্ষেত্রে সহযোগিতা থেকে পারস্পরিক কল্যাণও অর্জন করতে পারে।”

চীন সফরকালে হুন মানেথ হুয়াওয়েই-সহ চীনের হাইটেক শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন। সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “আমি চীনের শীর্ষ উচ্চ-প্রযুক্তি উদ্ভাবকদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে যে বৈঠক করেছি তার কারণ হলো অনেক কোম্পানি বরাবরই কম্বোডিয়ায় পুঁজি বিনিয়োগ করে আসছে এবং আরো বেশি কোম্পানি কম্বোডিয়ায় পুঁজি বিনিয়োগ করতে আগ্রহী।

আসলে বিনিয়োগ শুধুমাত্র বাস্তবসম্মত প্রযুক্তির ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ নয়, বরং প্লাটফর্ম সৃষ্টিও করতে পারে। যেমন, কম্বোডিয়ার বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আলিবাবা গ্রুপের সঙ্গে সহযোগিতা করে বিশ্বব্যাপী প্লাটফর্ম তৈরি করবে, ফলে আমাদের কৃষক এবং ছোট ও মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো এসব প্লাটফর্মের মাধ্যমে বাজার সম্প্রসারণ করতে পারবে। দু’দেশের মধ্যে সহযোগিতায় যে অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে, তাতে আমি খুবই খুশি।”
সূত্র: চায়না মিডিয়া গ্রুপ।