ঢাকা ১২:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪, ৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo রূপসায় ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত Logo আমতলীতে বৌ-ভাতের অনুষ্ঠানে আসার পথে ব্রীজ ভেঙ্গে ৯জন নিহত Logo বরুড়ায় আ.লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত Logo চাঁপাই নবাবগঞ্জে ১৫০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার সহ দুইজন গ্রেফতার Logo সাংবাদিকের উপর হামলার প্রতিবাদে কালীগঞ্জে মানববন্ধন Logo গলাচিপায় বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন Logo তোমাকে যে ধরতে আমি চাই Logo নওগাঁ থেকে বিপুল পরিমান গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি গ্রেফতার Logo মুরাদনগরে রোহিঙ্গাকে জন্ম নিবন্ধন করে দেওয়ায় ইউপি সচিব গ্রেফতার Logo ছিংহাই-তিব্বত মালভূমির পরিবেশ রক্ষা ও উচ্চ-মানের উন্নয়নে জোর দিয়েছেন সি চিন পিং

দ্য ইন্টারসেকশনস অব ফেইথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

মুনতাসীর মামুন

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর পিস অ্যান্ড জাস্টিস (সিপিজে) এবং জর্জটাউন ইউনিভার্সিটির বার্কলি সেন্টার ফর রিলিজিয়ন পিস অ্যান্ড ওয়ার্ল্ড অ্যাফেয়ার্স এর ওয়ার্ল্ড ফেইথস ডেভেলপমেন্ট ডায়ালগ (ডব্লিউএফডিডি) এর যৌথ উদ্যোগে ‘দ্য ইন্টারসেকশনস অফ ফেইথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক জাতীয় পর্যায়ের কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি ঢাকার একটি হোটেলে এই কনফারেন্সটি অনুষ্ঠিত হয়।

ডব্লিউএফডিডি এবং সিপিজে ২০১৯ সাল থেকে একটি প্রকল্পে একসঙ্গে কাজ করছে। এই সহযোগিতামূলক গবেষণার প্রাথমিক লক্ষ্য হল “সামাজিক সংহতি” সম্পর্কে জানা এবং ধর্মীয় বিশ্বাস কীভাবে এটিকে প্রভাবিত করছে সেই বিষয়ে জ্ঞান লাভ করা। সেই সাথে ধর্মীয় বিশ্বাস কীভাবে উন্নয়নের চারটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র- শিক্ষা, জেন্ডার এবং সামাজিক অন্তর্ভুক্তি, যুবসমাজ, মিডিয়া এবং যোগাযোগ এবং জলবায়ু সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জকে প্রভাবিত করছে সে বিষয়ে অনুসন্ধান করা।

এই কনফারেন্সে স্বাগত বক্তব্য দেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির জেনারেল এডুকেশন এর ডিন এবং সিপিজে’র রিসার্চ ফেলো প্রফেসর ড. সামিয়া হক। ধর্মীয় বিশ্বাসকে সামাজিক সংহতি বোঝার এবং প্রসারিত করার একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ বলে মন্তব্য করেন তিনি। তিনি বলেন, ‘‘একটি জাতির উন্নয়নে ধর্মীয় বিশ্বাসের ভূমিকা বাড়ানোর জন্য সমন্বিত, সুচিন্তিত এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে ফেডারেল রিপাবলিক অফ জার্মানির দূতাবাসের চার্জ ডি’অ্যাফেয়ার্স মি. জান-রল্ফ জানোস্কি এবং ওয়ার্ল্ড ফেইথস ডেভেলপমেন্ট ডায়ালগের নির্বাহী পরিচালক প্রফেসর ক্যাথরিন মার্শাল।

জান-রল্ফ জানোস্কি বিশ্বের বিভিন্ন সম্প্রদায়কে একত্রিত করতে সঠিক যোগাযোগ পদ্ধতি মেনে এবং উপযুক্ত মানুষদের সাথে ধর্মীয় বিশ্বাসের ওপর কথোপকথনের গুরুত্বের উপর জোর দিয়েছেন।

উন্নয়নের অন্যান্য সকল ক্ষেত্রকে গভীরভাবে প্রভাবিত করার ক্ষেত্রে ধর্ম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলে মন্তব্য করেন প্রফেসর ক্যাথরিন মার্শাল। তিনি বলেন, “এটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ উন্নয়ন-সম্পর্কিত আলোচনা এবং সিদ্ধান্তে এটিকে প্রায়শই উপেক্ষা করা হয়।”

এই কনফারেন্সে চারটি প্যানেল আলোচনা এবং সেই সাথে অংশগ্রহণকারীদের জন্য উন্মুক্ত আলোচনা পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম প্যানেল আলোচনা পর্বের শিরোনাম ছিল ‘ধর্মীয় বিশ্বাস ও শিক্ষা’। ডব্লিউএফডিডি এর সিনিয়র গবেষক ড. সুদীপ্ত রায় এই সেশনটি পরিচালনা করেন। প্যানেলের অন্যান্য সদস্যের মধ্যে ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর এর পরিকল্পনা ও উন্নয়ন উইং এর পরিচালক ড. একিউএম শফিউল আজম। ইন্দোনেশিয়ার লেইমেনা ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক মাতিয়াস হো এবং যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অফ নটরডেম এর আনসারী ইনস্টিটিউট ফর গ্লোবাল এনগেজমেন্ট উইথ রিলিজিয়ন এর নির্বাহী পরিচালক প্রফেসর মাহান মির্জা।

দ্বিতীয় প্যানেল আলোচনার বিষয় ছিল ‘ধর্মীয় বিশ্বাস, যুবসমাজ ও গণমাধ্যম’। এই সেশন পরিচালনা করেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির স্কুল অব জেনারেল এডুকেশন এর সহকারী অধ্যাপক ড. রতন কুমার রায়। প্যানেল আলোচনায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডেইলি স্টার এর সহকারী সম্পাদক বদিউজ্জামান বে, সি-ক্যাব এর নির্বাহী পরিচালক, জায়ান মাহমুদ, সেভ অ্যান্ড সার্ভ ফাউন্ডেশন এর প্রতিষ্ঠাতা সৈয়দ তৈয়বুল বাশার, এবং শান্তি মিত্র সমাজ কল্যাণ সংস্থা, ময়মনসিংহ এর প্রোগ্রাম অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান।

তৃতীয় প্যানেল আলোচনার শিরোনাম ছিল ‘ধর্মীয় বিশ্বাস, পরিবেশ এবং জলবায়ু পরিবর্তন। তথ্যচিত্র ‘নো আর্ক’ প্রদর্শনের মধ্য দিয়ে এই অধিবেশন শুরু হয়। এই অধিবেশনের প্যানেল সদস্যদের মধ্যে ছিলেন বাংলাদেশ রিসোর্স সেন্টার ফর ইনডিজেনাস নলেজ এর পরিচালক পাভেল পার্থ, বাঙ্গালা ফিল্মসের সিইও ব্রাত্য আমিন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সামিনা লুৎফা এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক সৌম্য সরকার।

চতুর্থ ও শেষ আলোচনার শিরোনাম ছিল ‘ধর্মীয় বিশ্বাস, জেন্ডার ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি। সেশনটি সঞ্চালনা করেন সিপিজে এর গবেষণা সহকারী জাহরা মায়েশা। এই অধিবেশনের প্যানেলের সদস্যরা ছিলেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির জেনারেল এডুকেশন এর ডিন এবং সিপিজে এর রিসার্চ ফেলো প্রফেসর ড. সামিয়া হক, শ্রীলঙ্কার অ্যারিগাতু ইন্টারন্যাশনাল এর এন্ড চাইল্ড পোভার্টি ইনিশিয়েটিভ এর ম্যানেজার, হেশা লাকনি পেরেরা, ওয়ার্ল্ড ফেইথস ডেভেলপমেন্ট ডায়ালগের নির্বাহী পরিচালক প্রফেসর ক্যাথরিন মার্শাল এবং আমস্টারডাম, নেদারল্যান্ডস এর ভ্রিজ ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক, ধর্ম ও উন্নয়ন এর প্রফেসর ড. আজ্জা কারাম।

কনফারেন্সে সমাপনী বক্তব্য প্রদান করেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর পিস অ্যান্ড জাস্টিস এর নির্বাহী পরিচালক মঞ্জুর হাসান, ওবিই।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রূপসায় ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

দ্য ইন্টারসেকশনস অব ফেইথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় ০৭:৫২:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ নভেম্বর ২০২৩

মুনতাসীর মামুন

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর পিস অ্যান্ড জাস্টিস (সিপিজে) এবং জর্জটাউন ইউনিভার্সিটির বার্কলি সেন্টার ফর রিলিজিয়ন পিস অ্যান্ড ওয়ার্ল্ড অ্যাফেয়ার্স এর ওয়ার্ল্ড ফেইথস ডেভেলপমেন্ট ডায়ালগ (ডব্লিউএফডিডি) এর যৌথ উদ্যোগে ‘দ্য ইন্টারসেকশনস অফ ফেইথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক জাতীয় পর্যায়ের কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি ঢাকার একটি হোটেলে এই কনফারেন্সটি অনুষ্ঠিত হয়।

ডব্লিউএফডিডি এবং সিপিজে ২০১৯ সাল থেকে একটি প্রকল্পে একসঙ্গে কাজ করছে। এই সহযোগিতামূলক গবেষণার প্রাথমিক লক্ষ্য হল “সামাজিক সংহতি” সম্পর্কে জানা এবং ধর্মীয় বিশ্বাস কীভাবে এটিকে প্রভাবিত করছে সেই বিষয়ে জ্ঞান লাভ করা। সেই সাথে ধর্মীয় বিশ্বাস কীভাবে উন্নয়নের চারটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র- শিক্ষা, জেন্ডার এবং সামাজিক অন্তর্ভুক্তি, যুবসমাজ, মিডিয়া এবং যোগাযোগ এবং জলবায়ু সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জকে প্রভাবিত করছে সে বিষয়ে অনুসন্ধান করা।

এই কনফারেন্সে স্বাগত বক্তব্য দেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির জেনারেল এডুকেশন এর ডিন এবং সিপিজে’র রিসার্চ ফেলো প্রফেসর ড. সামিয়া হক। ধর্মীয় বিশ্বাসকে সামাজিক সংহতি বোঝার এবং প্রসারিত করার একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ বলে মন্তব্য করেন তিনি। তিনি বলেন, ‘‘একটি জাতির উন্নয়নে ধর্মীয় বিশ্বাসের ভূমিকা বাড়ানোর জন্য সমন্বিত, সুচিন্তিত এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে ফেডারেল রিপাবলিক অফ জার্মানির দূতাবাসের চার্জ ডি’অ্যাফেয়ার্স মি. জান-রল্ফ জানোস্কি এবং ওয়ার্ল্ড ফেইথস ডেভেলপমেন্ট ডায়ালগের নির্বাহী পরিচালক প্রফেসর ক্যাথরিন মার্শাল।

জান-রল্ফ জানোস্কি বিশ্বের বিভিন্ন সম্প্রদায়কে একত্রিত করতে সঠিক যোগাযোগ পদ্ধতি মেনে এবং উপযুক্ত মানুষদের সাথে ধর্মীয় বিশ্বাসের ওপর কথোপকথনের গুরুত্বের উপর জোর দিয়েছেন।

উন্নয়নের অন্যান্য সকল ক্ষেত্রকে গভীরভাবে প্রভাবিত করার ক্ষেত্রে ধর্ম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলে মন্তব্য করেন প্রফেসর ক্যাথরিন মার্শাল। তিনি বলেন, “এটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ উন্নয়ন-সম্পর্কিত আলোচনা এবং সিদ্ধান্তে এটিকে প্রায়শই উপেক্ষা করা হয়।”

এই কনফারেন্সে চারটি প্যানেল আলোচনা এবং সেই সাথে অংশগ্রহণকারীদের জন্য উন্মুক্ত আলোচনা পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম প্যানেল আলোচনা পর্বের শিরোনাম ছিল ‘ধর্মীয় বিশ্বাস ও শিক্ষা’। ডব্লিউএফডিডি এর সিনিয়র গবেষক ড. সুদীপ্ত রায় এই সেশনটি পরিচালনা করেন। প্যানেলের অন্যান্য সদস্যের মধ্যে ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর এর পরিকল্পনা ও উন্নয়ন উইং এর পরিচালক ড. একিউএম শফিউল আজম। ইন্দোনেশিয়ার লেইমেনা ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক মাতিয়াস হো এবং যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অফ নটরডেম এর আনসারী ইনস্টিটিউট ফর গ্লোবাল এনগেজমেন্ট উইথ রিলিজিয়ন এর নির্বাহী পরিচালক প্রফেসর মাহান মির্জা।

দ্বিতীয় প্যানেল আলোচনার বিষয় ছিল ‘ধর্মীয় বিশ্বাস, যুবসমাজ ও গণমাধ্যম’। এই সেশন পরিচালনা করেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির স্কুল অব জেনারেল এডুকেশন এর সহকারী অধ্যাপক ড. রতন কুমার রায়। প্যানেল আলোচনায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডেইলি স্টার এর সহকারী সম্পাদক বদিউজ্জামান বে, সি-ক্যাব এর নির্বাহী পরিচালক, জায়ান মাহমুদ, সেভ অ্যান্ড সার্ভ ফাউন্ডেশন এর প্রতিষ্ঠাতা সৈয়দ তৈয়বুল বাশার, এবং শান্তি মিত্র সমাজ কল্যাণ সংস্থা, ময়মনসিংহ এর প্রোগ্রাম অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান।

তৃতীয় প্যানেল আলোচনার শিরোনাম ছিল ‘ধর্মীয় বিশ্বাস, পরিবেশ এবং জলবায়ু পরিবর্তন। তথ্যচিত্র ‘নো আর্ক’ প্রদর্শনের মধ্য দিয়ে এই অধিবেশন শুরু হয়। এই অধিবেশনের প্যানেল সদস্যদের মধ্যে ছিলেন বাংলাদেশ রিসোর্স সেন্টার ফর ইনডিজেনাস নলেজ এর পরিচালক পাভেল পার্থ, বাঙ্গালা ফিল্মসের সিইও ব্রাত্য আমিন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সামিনা লুৎফা এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক সৌম্য সরকার।

চতুর্থ ও শেষ আলোচনার শিরোনাম ছিল ‘ধর্মীয় বিশ্বাস, জেন্ডার ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি। সেশনটি সঞ্চালনা করেন সিপিজে এর গবেষণা সহকারী জাহরা মায়েশা। এই অধিবেশনের প্যানেলের সদস্যরা ছিলেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির জেনারেল এডুকেশন এর ডিন এবং সিপিজে এর রিসার্চ ফেলো প্রফেসর ড. সামিয়া হক, শ্রীলঙ্কার অ্যারিগাতু ইন্টারন্যাশনাল এর এন্ড চাইল্ড পোভার্টি ইনিশিয়েটিভ এর ম্যানেজার, হেশা লাকনি পেরেরা, ওয়ার্ল্ড ফেইথস ডেভেলপমেন্ট ডায়ালগের নির্বাহী পরিচালক প্রফেসর ক্যাথরিন মার্শাল এবং আমস্টারডাম, নেদারল্যান্ডস এর ভ্রিজ ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক, ধর্ম ও উন্নয়ন এর প্রফেসর ড. আজ্জা কারাম।

কনফারেন্সে সমাপনী বক্তব্য প্রদান করেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর পিস অ্যান্ড জাস্টিস এর নির্বাহী পরিচালক মঞ্জুর হাসান, ওবিই।