ঢাকা ০৪:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ মে ২০২৪, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নারী মুক্তি সত্যিকারে মানবমুক্তি ..বাংলাদেশ শ্রমজীবী নারীমঞ্চ

আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০২৩ উপলক্ষে
৮ মার্চ ২০২৩, রোজ বুধবার সকাল ১১ ঘটিকায় বাংলাদেশ শ্রমজীবী নারীমঞ্চ এর উদ্যোগে বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদ কনফারেন্স রুমে “পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র, কর্মক্ষেত্র ও সম্পত্তিতে নারীর সমঅধিকার-সমমর্যাদা-প্রেক্ষিত দক্ষিণ এশিয়া” শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন নারীনেত্রী নুরুন নাহার। প্রধান অতিথি ছিলেন ভারতের বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক কর্মী কমরেড সায়রা শাহ হালিম।
বিশেষ অতিথি ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা কমরেড আবুল হোসাইন, এডভোকেট জোবায়দা পারভীন, কমরেড মোস্তফা আলমগীর রতন, সুমাইয়া ইসলাম, মাবিয়া ইসলাম, ইসরাত জাহান, বিথি মোস্তফা, নিতুল ইয়াসমিন, রেহানা ডলি প্রমুখ।
সভায় বক্তারা নারী সমঅধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ঘরে বাইরে নারীকে সোচ্চার ভূমিকা পালন করতে হবে। বর্তমানে দেশে যে অবস্থা বিদ্যমান তাতে নারী ক্রমশ্যই গৃহবন্দি হয়ে পড়ছে। আজকে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে নারীর অবদান অস্বীকার করার মতো নয়। অথচ ধর্মীয় মৌলবাসী গোষ্ঠী নারীকে গৃহবন্দী করে রাখার অপতৎপরতা চালাচ্ছে। এ ব্যাপারে তারা পাঠ্যপুস্তকে নারীদের লেখা বন্ধ করে দেয়ার হুশিয়ারী দিয়েছেন। একবিংশ শতাব্দিতে এ ধরণের হুমকি-ধামকি সমাজ সভ্যতা ও বিজ্ঞান পরিপন্থী। এ ব্যাপারে সরকারকে সোচ্চার ভূমিকা পালন করতে হবে। বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের মধ্যদিয়ে যে সংবিধান রচিত হয়েছিল সেই সংবিধানে নারী-পুরুষের সমঅধিকারের কথা উল্লেখ থাকলেও বাস্তবে নারীরা সেই অধিকার ভোগ করতে পারছে না। এটা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পরিপন্থি। নারী মুক্তি ঘটলেই মানবমুক্তি ঘটবে। এই বিশ্বাসকে ধারণ করে নারী-পুরুষ সবাইকে ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম রচনা করতে হবে। বিশেষ করে শ্রমজীবী নারী ঐক্য-সংগ্রাম জোরদার করতে হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

নারী মুক্তি সত্যিকারে মানবমুক্তি ..বাংলাদেশ শ্রমজীবী নারীমঞ্চ

আপডেট সময় ১২:১৩:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ মার্চ ২০২৩

আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০২৩ উপলক্ষে
৮ মার্চ ২০২৩, রোজ বুধবার সকাল ১১ ঘটিকায় বাংলাদেশ শ্রমজীবী নারীমঞ্চ এর উদ্যোগে বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদ কনফারেন্স রুমে “পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র, কর্মক্ষেত্র ও সম্পত্তিতে নারীর সমঅধিকার-সমমর্যাদা-প্রেক্ষিত দক্ষিণ এশিয়া” শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন নারীনেত্রী নুরুন নাহার। প্রধান অতিথি ছিলেন ভারতের বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক কর্মী কমরেড সায়রা শাহ হালিম।
বিশেষ অতিথি ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা কমরেড আবুল হোসাইন, এডভোকেট জোবায়দা পারভীন, কমরেড মোস্তফা আলমগীর রতন, সুমাইয়া ইসলাম, মাবিয়া ইসলাম, ইসরাত জাহান, বিথি মোস্তফা, নিতুল ইয়াসমিন, রেহানা ডলি প্রমুখ।
সভায় বক্তারা নারী সমঅধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ঘরে বাইরে নারীকে সোচ্চার ভূমিকা পালন করতে হবে। বর্তমানে দেশে যে অবস্থা বিদ্যমান তাতে নারী ক্রমশ্যই গৃহবন্দি হয়ে পড়ছে। আজকে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে নারীর অবদান অস্বীকার করার মতো নয়। অথচ ধর্মীয় মৌলবাসী গোষ্ঠী নারীকে গৃহবন্দী করে রাখার অপতৎপরতা চালাচ্ছে। এ ব্যাপারে তারা পাঠ্যপুস্তকে নারীদের লেখা বন্ধ করে দেয়ার হুশিয়ারী দিয়েছেন। একবিংশ শতাব্দিতে এ ধরণের হুমকি-ধামকি সমাজ সভ্যতা ও বিজ্ঞান পরিপন্থী। এ ব্যাপারে সরকারকে সোচ্চার ভূমিকা পালন করতে হবে। বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের মধ্যদিয়ে যে সংবিধান রচিত হয়েছিল সেই সংবিধানে নারী-পুরুষের সমঅধিকারের কথা উল্লেখ থাকলেও বাস্তবে নারীরা সেই অধিকার ভোগ করতে পারছে না। এটা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পরিপন্থি। নারী মুক্তি ঘটলেই মানবমুক্তি ঘটবে। এই বিশ্বাসকে ধারণ করে নারী-পুরুষ সবাইকে ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম রচনা করতে হবে। বিশেষ করে শ্রমজীবী নারী ঐক্য-সংগ্রাম জোরদার করতে হবে।