ঢাকা ০৩:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৩তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস ২০২৩ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদ শুক্রবার (১৭ মার্চ) বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে। বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল এর নেতৃত্বে সকাল ৯টায় জাতীয় প্রেসক্লাব চত্বরে র‌্যালি ও শিশু সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এরপর জাতীয় প্রেসক্লাবের মওলানা আকরম খাঁ মিলনায়তনে ‘ বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশ শীর্ষক আলোচনা সভা, শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, বইয়ের মোড়ক উন্মোচন, কবিতা পাঠ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) এর সভাপতি ওমর ফারুক, সাবেক রাষ্ট্রদূত অধ্যাপক ড. নিম চন্দ্র ভৌমিক, জাতীয় কবিতা পরিষদের সহ-সভাপতি কবি আসলাম সানী ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোঃ জহির উদ্দিন আরিফ।

সভাপতির বক্তব্যে লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল বলেন, বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে বাংলাদেশের জন্ম হতো না। তাই বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন বাংলাদেশের ইতিহাস-ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে ৯ মাসের সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে আমরা অর্জন করছি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। যা বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ ও মহত্তম অর্জন। তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু ও তাঁর অদর্শ বাঙালি জাতির সবচেয়ে বড় সম্পদ। বঙ্গবন্ধু গবেষণা বা চর্চা আরো বাড়াতে হবে। সরকারিভাবে বঙ্গবন্ধুর নামে গবেষণা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা প্রয়োজন।

বিএফইউজে’র সভাপতি ওমর ফারুক বলেন, বঙ্গবন্ধু একজন আলোকিত মানুষ ছিলেন। তাঁর আলোতে শুধু বাংলাদেশ নয় বিশ্ব আলোকিত হচ্ছে। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বের নির্যাতিত, নিষ্পেষিত ও মুক্তিকামী সকল মানুষের মুক্তির সনদ হিসেবে কাজ করছে।

অধ্যাপক ড. নিম চন্দ্র ভৌমিক বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শোষিত মানুষের নেতা ছিলেন। তিনি অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক গুণাবলিতে উজ্জীবিত হয়ে আজীবন মানবতার জন্য কাজ করেছেন।

বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের কেন্দ্রীয় সদস্য ও চাঁদপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান সউদ এর সঞ্চালনায় অনান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রোক্টর আসাদুজ্জামান রিপন, জাতীয় মানবাধিকার সোসাইটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম তামিজী, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এর সহকারী কমিশনার মোঃ শাহাদত হোসেন, কবি ও গবেষক মোস্তাক আহমেদ, দৈনিক বঙ্গজননীর প্রধান সম্পাদক আলী নিয়ামত, স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান মোঃ আকবর হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা কাদের মন্ডল, বাকশালের মহাসচিব জহিরুল হক কাইয়ুম প্রমুখ।

অনান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, দৈনিক মুক্তির লড়াই পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক কামরুজ্জামান জনি।

অনুষ্ঠানে কবিতা আবৃত্তি করেন কবি মায়া রাজ, কবি নুরুজ্জামান ও চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী সাদিয়া। অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল -কে উৎসর্গকৃত ও কবি বাপ্পি সাহা রচিত ‘বাপ্পি সাহার একশো প্রেম’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে বঙ্গবন্ধুর আত্মার মাগফেরাত ও দেশ-জাতির সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন অনুষ্ঠানের সভাপতি লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত

আপডেট সময় ১২:১৮:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ মার্চ ২০২৩

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৩তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস ২০২৩ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদ শুক্রবার (১৭ মার্চ) বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে। বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল এর নেতৃত্বে সকাল ৯টায় জাতীয় প্রেসক্লাব চত্বরে র‌্যালি ও শিশু সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এরপর জাতীয় প্রেসক্লাবের মওলানা আকরম খাঁ মিলনায়তনে ‘ বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশ শীর্ষক আলোচনা সভা, শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, বইয়ের মোড়ক উন্মোচন, কবিতা পাঠ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) এর সভাপতি ওমর ফারুক, সাবেক রাষ্ট্রদূত অধ্যাপক ড. নিম চন্দ্র ভৌমিক, জাতীয় কবিতা পরিষদের সহ-সভাপতি কবি আসলাম সানী ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোঃ জহির উদ্দিন আরিফ।

সভাপতির বক্তব্যে লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল বলেন, বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে বাংলাদেশের জন্ম হতো না। তাই বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন বাংলাদেশের ইতিহাস-ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে ৯ মাসের সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে আমরা অর্জন করছি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। যা বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ ও মহত্তম অর্জন। তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু ও তাঁর অদর্শ বাঙালি জাতির সবচেয়ে বড় সম্পদ। বঙ্গবন্ধু গবেষণা বা চর্চা আরো বাড়াতে হবে। সরকারিভাবে বঙ্গবন্ধুর নামে গবেষণা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা প্রয়োজন।

বিএফইউজে’র সভাপতি ওমর ফারুক বলেন, বঙ্গবন্ধু একজন আলোকিত মানুষ ছিলেন। তাঁর আলোতে শুধু বাংলাদেশ নয় বিশ্ব আলোকিত হচ্ছে। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বের নির্যাতিত, নিষ্পেষিত ও মুক্তিকামী সকল মানুষের মুক্তির সনদ হিসেবে কাজ করছে।

অধ্যাপক ড. নিম চন্দ্র ভৌমিক বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শোষিত মানুষের নেতা ছিলেন। তিনি অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক গুণাবলিতে উজ্জীবিত হয়ে আজীবন মানবতার জন্য কাজ করেছেন।

বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের কেন্দ্রীয় সদস্য ও চাঁদপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান সউদ এর সঞ্চালনায় অনান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রোক্টর আসাদুজ্জামান রিপন, জাতীয় মানবাধিকার সোসাইটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম তামিজী, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এর সহকারী কমিশনার মোঃ শাহাদত হোসেন, কবি ও গবেষক মোস্তাক আহমেদ, দৈনিক বঙ্গজননীর প্রধান সম্পাদক আলী নিয়ামত, স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান মোঃ আকবর হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা কাদের মন্ডল, বাকশালের মহাসচিব জহিরুল হক কাইয়ুম প্রমুখ।

অনান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, দৈনিক মুক্তির লড়াই পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক কামরুজ্জামান জনি।

অনুষ্ঠানে কবিতা আবৃত্তি করেন কবি মায়া রাজ, কবি নুরুজ্জামান ও চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী সাদিয়া। অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল -কে উৎসর্গকৃত ও কবি বাপ্পি সাহা রচিত ‘বাপ্পি সাহার একশো প্রেম’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে বঙ্গবন্ধুর আত্মার মাগফেরাত ও দেশ-জাতির সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন অনুষ্ঠানের সভাপতি লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল।