ঢাকা ০৩:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশে বিশ্বমানের ক্যান্সার হাসপাতাল গড়তে চান সাকিব

বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার আজ তার ৩৬তম জন্মদিনে মহতী এক উদ্যোগে সাড়া ফেলেছেন। বিশেষ দিনটিতে নিজের নামে ক্যান্সার ফাউন্ডেশন উদ্বোধনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন। যে উদ্যোগে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হলেন সাবেক কয়েকজন ক্রিকেটার ও দুজন স্বনামধন্য কোচ। নিজের বক্তব্যে ক্যান্সার ফাউন্ডেশন নিয়ে পরিকল্পনার কথা জানান বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। এ সময় তিনি বলেন, উদ্বোধনের দিনটি তার জন্য আলাদা।

সাকিব বলেন, ‘রোজার শুরু, জুম্মার দিন, আজ আবার আমার জন্মদিন। এক দিনে সব মিলে গেছে, তাই দিনটি আমার জন্য আলাদা। আলাদা আরও একটি কারণে, আমাদের এই নতুন উদ্যোগের কারণে। আমি অনেক সময় অনেক কিছুর সঙ্গে জড়িয়েছি। চেষ্টা করেছি মানুষের পাশে থাকার। এবার প্রাতিষ্ঠানিকভাবে কিছু করতে চাই। এই ক্যান্সার ফাউন্ডেশন করার পেছনে সত্যিকার অর্থে সেটিই কারণ।

‘একটা ডায়াগনসিস সেন্টার করতে চাই। তারও আগে চাই মানুষের মাঝে সচেতনতা বাড়াতে। আমার কাছে মনে হয় এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে আমি বলতে পারি, অনেক আর্লি স্টেজে যদি এটা ধরা পড়ে কিংবা শুরুতেই ডায়াগনসিস করা যায়, তাহলে আমার মনে হয় এখন অনেক ভালো চিকিৎসা আছে। যার মাধ্যমে মানুষ অনেক দিন বেঁচে থাকতে পারবে। ’

রোগের ব্যাপারে সচেতনতার কথা জানিয়ে সাকিব বলেন, ‘ক্যান্সারকে সবাই মরণব্যাধি বলে। তবে এর ভয়ে পিছিয়ে থাকলে তো চলবে না। আমাদেরকে এর বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে, মানুষকে সাহস দিতে হবে, দেখাতে হবে আশা। আমরা সবাই মিলে সেই কাজটি করতে চাই। যত ক্ষুদ্র পর্যায়ে থেকেই হোক না কেন। সাকিব আল হাসান ক্যান্সার ফাউন্ডেশন এইসব মানুষের জন্য কাজ করতে চায়, যাদের সামর্থ্য নেই ক্যান্সারের মতো ব্যয়বহুল চিকিৎসাকে এগিয়ে নেওয়ার, যাদের সামর্থ্য নেই ক্যান্সার ডায়াগনসিস করার।

‘আমরা যদি একজন, একশ জন বা এক হাজার জন মানুষকেও সাহায্য করতে পারি, সেটিই আমাদের জন্য বড় অর্জন হবে আমি মনে করি। আমাদের স্বপ্নটা বড় একটা ক্যান্সার হাসপাতাল করার। যেখানে পরিপূর্ণ আধুনিক চিকিৎসার সকল সুবিধা থাকবে। তবে একদমই কম খরচে। মানুষ যেন হাসপাতালে এসে হাসি মুখে বাড়ি ফিরতে পারে। গর্ব করে বলবে, বাংলাদেশেও এমন একটি হাসপাতাল আছে। যা কিনা ছড়িয়ে পড়বে দেশ ছেড়ে বিশ্বের বিভিন্ন পর্যায়ে। স্বপ্নটা বিশাল। হয়তো এখনই সম্ভব নয়। তবে একদিন নিশ্চিত হবে ইনশাআল্লাহ্‌।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশে বিশ্বমানের ক্যান্সার হাসপাতাল গড়তে চান সাকিব

আপডেট সময় ০৪:০১:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মার্চ ২০২৩

বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার আজ তার ৩৬তম জন্মদিনে মহতী এক উদ্যোগে সাড়া ফেলেছেন। বিশেষ দিনটিতে নিজের নামে ক্যান্সার ফাউন্ডেশন উদ্বোধনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন। যে উদ্যোগে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হলেন সাবেক কয়েকজন ক্রিকেটার ও দুজন স্বনামধন্য কোচ। নিজের বক্তব্যে ক্যান্সার ফাউন্ডেশন নিয়ে পরিকল্পনার কথা জানান বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। এ সময় তিনি বলেন, উদ্বোধনের দিনটি তার জন্য আলাদা।

সাকিব বলেন, ‘রোজার শুরু, জুম্মার দিন, আজ আবার আমার জন্মদিন। এক দিনে সব মিলে গেছে, তাই দিনটি আমার জন্য আলাদা। আলাদা আরও একটি কারণে, আমাদের এই নতুন উদ্যোগের কারণে। আমি অনেক সময় অনেক কিছুর সঙ্গে জড়িয়েছি। চেষ্টা করেছি মানুষের পাশে থাকার। এবার প্রাতিষ্ঠানিকভাবে কিছু করতে চাই। এই ক্যান্সার ফাউন্ডেশন করার পেছনে সত্যিকার অর্থে সেটিই কারণ।

‘একটা ডায়াগনসিস সেন্টার করতে চাই। তারও আগে চাই মানুষের মাঝে সচেতনতা বাড়াতে। আমার কাছে মনে হয় এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে আমি বলতে পারি, অনেক আর্লি স্টেজে যদি এটা ধরা পড়ে কিংবা শুরুতেই ডায়াগনসিস করা যায়, তাহলে আমার মনে হয় এখন অনেক ভালো চিকিৎসা আছে। যার মাধ্যমে মানুষ অনেক দিন বেঁচে থাকতে পারবে। ’

রোগের ব্যাপারে সচেতনতার কথা জানিয়ে সাকিব বলেন, ‘ক্যান্সারকে সবাই মরণব্যাধি বলে। তবে এর ভয়ে পিছিয়ে থাকলে তো চলবে না। আমাদেরকে এর বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে, মানুষকে সাহস দিতে হবে, দেখাতে হবে আশা। আমরা সবাই মিলে সেই কাজটি করতে চাই। যত ক্ষুদ্র পর্যায়ে থেকেই হোক না কেন। সাকিব আল হাসান ক্যান্সার ফাউন্ডেশন এইসব মানুষের জন্য কাজ করতে চায়, যাদের সামর্থ্য নেই ক্যান্সারের মতো ব্যয়বহুল চিকিৎসাকে এগিয়ে নেওয়ার, যাদের সামর্থ্য নেই ক্যান্সার ডায়াগনসিস করার।

‘আমরা যদি একজন, একশ জন বা এক হাজার জন মানুষকেও সাহায্য করতে পারি, সেটিই আমাদের জন্য বড় অর্জন হবে আমি মনে করি। আমাদের স্বপ্নটা বড় একটা ক্যান্সার হাসপাতাল করার। যেখানে পরিপূর্ণ আধুনিক চিকিৎসার সকল সুবিধা থাকবে। তবে একদমই কম খরচে। মানুষ যেন হাসপাতালে এসে হাসি মুখে বাড়ি ফিরতে পারে। গর্ব করে বলবে, বাংলাদেশেও এমন একটি হাসপাতাল আছে। যা কিনা ছড়িয়ে পড়বে দেশ ছেড়ে বিশ্বের বিভিন্ন পর্যায়ে। স্বপ্নটা বিশাল। হয়তো এখনই সম্ভব নয়। তবে একদিন নিশ্চিত হবে ইনশাআল্লাহ্‌।