ঢাকা ০৩:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মওলানা ভাসানীর ১৪২তম জন্মবার্ষিকী পালিত

প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ ১২ ডিসেম্বর ২০২২, সোমবার, মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ১৪২তম জন্মবার্ষিকী। দিবসটি উপলক্ষে ভাসানী অনুসারী পরিষদের উদ্যোগে সংগঠনের পুরানা পল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয় এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ভাসানী অনুসারী পরিষদের আহ্বায়ক শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। বক্তগণ মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর সংগ্রামী জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বলেন, মওলানা ভাসানী উপমহাদেশে রাজনীতির এক উজ্জল নক্ষত্র। তিনি আজীবন মেহনতি মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন। অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে তার বজ্রকণ্ঠ ছিল সদা সোচ্চার। এই অগ্নিপুরুষ ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন থেকে আমাদের মহান স্বাধীনতা ও মুক্তি সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ১৯৫৭ সালে কাগমারী সম্মেলনে মওলানা ভাসানীই প্রথম বাংলাদেশকে স্বাধীনতার কথা বলেছিলেন। কিন্তু স্বাধীনতা পরবর্তী কোন সরকারই মওলানা ভাসানীকে যথাযথ মূল্যায়ন করেনি। বক্তাগণ পাঠ্য বইয়ে মওলানা ভাসানীকে যথাযথভাবে উপস্থাপন এবং মওলানা ভাসানীর মৃত্যুদিবস ১৭ নভেম্বর সরকারি ছুটি ঘোষণার দাবি জানান। সভায় বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের সদস্য সচিব হাবিবুর রহমান রিজু, সদস্য বাবুল বিশ্বাস, রফিকুল ইসলাম আসাদ, মোশারফ হোসেন, জাহাঙ্গীর কবির, সুলতান আলম মল্লিক,কাজী মোঃ নজরুল ও কোহিনুর আক্তার প্রমুখ।
সভাপতির বক্তব্যে শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু বলেন, মওলানা ভাসানী এমন একজন নেতা যিনি উপমহানদেশের রাজনীতিকে অভিজাত শ্রেণীর বৈঠকখানা থেকে বের করে সাধারণ মানুষের কাছে ছড়িয়েছেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মওলানা ভাসানীর ১৪২তম জন্মবার্ষিকী পালিত

আপডেট সময় ১০:৪২:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২২

প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ ১২ ডিসেম্বর ২০২২, সোমবার, মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ১৪২তম জন্মবার্ষিকী। দিবসটি উপলক্ষে ভাসানী অনুসারী পরিষদের উদ্যোগে সংগঠনের পুরানা পল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয় এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ভাসানী অনুসারী পরিষদের আহ্বায়ক শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। বক্তগণ মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর সংগ্রামী জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বলেন, মওলানা ভাসানী উপমহাদেশে রাজনীতির এক উজ্জল নক্ষত্র। তিনি আজীবন মেহনতি মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন। অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে তার বজ্রকণ্ঠ ছিল সদা সোচ্চার। এই অগ্নিপুরুষ ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন থেকে আমাদের মহান স্বাধীনতা ও মুক্তি সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ১৯৫৭ সালে কাগমারী সম্মেলনে মওলানা ভাসানীই প্রথম বাংলাদেশকে স্বাধীনতার কথা বলেছিলেন। কিন্তু স্বাধীনতা পরবর্তী কোন সরকারই মওলানা ভাসানীকে যথাযথ মূল্যায়ন করেনি। বক্তাগণ পাঠ্য বইয়ে মওলানা ভাসানীকে যথাযথভাবে উপস্থাপন এবং মওলানা ভাসানীর মৃত্যুদিবস ১৭ নভেম্বর সরকারি ছুটি ঘোষণার দাবি জানান। সভায় বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের সদস্য সচিব হাবিবুর রহমান রিজু, সদস্য বাবুল বিশ্বাস, রফিকুল ইসলাম আসাদ, মোশারফ হোসেন, জাহাঙ্গীর কবির, সুলতান আলম মল্লিক,কাজী মোঃ নজরুল ও কোহিনুর আক্তার প্রমুখ।
সভাপতির বক্তব্যে শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু বলেন, মওলানা ভাসানী এমন একজন নেতা যিনি উপমহানদেশের রাজনীতিকে অভিজাত শ্রেণীর বৈঠকখানা থেকে বের করে সাধারণ মানুষের কাছে ছড়িয়েছেন।