ঢাকা ১২:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৪, ১০ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

যশোরে দুই হ্যাচারী ও এক পুকুর চাষীকে অর্থদন্ডসহ ১৫ দিনের জেল

যশোর র‍্যাব -৬ ভ্রাম‍্যমান আদালতের মাধ‍্যমে নিষিদ্ধ আফ্রিকান মাগুর মাছের পোনা ও বড় মাছ বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে ও মজুদ রাখার অপরাধে দুই মৎস‍্য হ‍্যাচারীর মালিক ও এক পুকুর চাষীকে অর্থদন্ডসহ ১৫ দিনের জেল জরিমানা করেছে।

র‌্যাব-৬ কোম্পানি লেফটেন্যান্ট কমান্ডার এম নাজিউর রহমান জানান, সিপিসি-৩, যশোর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, যশোর জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন কাজীপুর এলাকার রাহেলা খাতুন ও সাহিনা খাতুন এর মৎস্য হ্যাচারীতে নিষিদ্ধ ঘোষিত বিপুল পরিমাণ আফ্রিকান মাগুর মাছের পোনা ও রেনু পোনা এবং সালাম হোসেন এর ০৫ একর পুকুরে বিপুল পরিমাণ আফ্রিকান মাগুর মাছ বাজারজাত করণের উদ্দেশ্যে মজুদ করা হয়েছে।
উক্ত সংবাদের সত্যতা যাচাই ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মঙ্গলবার সকাল হতে দুপুর পর্যন্ত র‌্যাব-৬, সিপিসি-৩, যশোর ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার, লেঃ কমান্ডার, এম নাজিউর রহমান এবং যশোর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার অনুপ দাশ ও যশোর সদর সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সাইদুর রহমান রেজা এর সমন্বয়ে একটি আভিযানিক দল উক্ত স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। উল্লেখিত দুইটি হ্যাচারীতে মোট রেনু পোনা ৮০ লক্ষ, ছোট পোনা ০১ লক্ষ ও পুকুর হতে ২৮০ (দুইশত আশি) কেজি নিষিদ্ধ আফ্রিকান মাগুর মাছের পোনা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে মজুদ পাওয়ায় হ্যাচারী মালিক মোছাঃ রাহেলা খাতুন (৩৮), পিতা- মৃত মফিজ মিস্ত্রি, মোছাঃ সাহিনা খাতুন (৩৭), পিতা- আকবর আলী, উভয় সাং- কাজীপুর, থানা- কোতয়ালী মডেল, জেলা- যশোর’কে মৎস্য সুরক্ষা ও সংক্ষরণ আইন ১৯৫০ এর বিধিমালা ১৯৮৫ এর বিধি ১৮ ধারার অপরাধে ০১ (এক) হাজার টাকা করে অর্থদন্ড করা হয়েছে এবং পুকুর মালিক মোঃ সালাম হোসেন (৪৫), পিতা- মৃত সাখাওয়াত, সাং- কাজীপুর, থানা- কোতয়ালী মডেল, জেলা- যশোর’কে মৎস্য সুরক্ষা ও সংক্ষরণ আইন ১৯৫০ এর বিধিমালা ১৯৮৫ এর বিধি ১৮ ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৪৩ ধারায় ৩০ (ত্রিশ) হাজার টাকা অর্থদন্ড সহ ১৫ (পনের) দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেছেন। এছাড়াও মোট রেনু পোনা ৮০ লক্ষ, ছোট পোনা ০১ লক্ষ ও পুকুর হতে ২৮০ (দুইশত আশি) কেজি নিষিদ্ধ আফ্রিকান মাগুর মাছ জব্দ করা হয়।

জব্দকৃত নিষিদ্ধ আফ্রিকান মাগুর মাছের পোনা ও বড় মাছ উপস্থিত জনগণ সহ যশোর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও যশোর সদর সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার সম্মুখে ধ্বংস করা হয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে দুই হ্যাচারী ও এক পুকুর চাষীকে অর্থদন্ডসহ ১৫ দিনের জেল

আপডেট সময় ০৪:২২:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ এপ্রিল ২০২৩

যশোর র‍্যাব -৬ ভ্রাম‍্যমান আদালতের মাধ‍্যমে নিষিদ্ধ আফ্রিকান মাগুর মাছের পোনা ও বড় মাছ বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে ও মজুদ রাখার অপরাধে দুই মৎস‍্য হ‍্যাচারীর মালিক ও এক পুকুর চাষীকে অর্থদন্ডসহ ১৫ দিনের জেল জরিমানা করেছে।

র‌্যাব-৬ কোম্পানি লেফটেন্যান্ট কমান্ডার এম নাজিউর রহমান জানান, সিপিসি-৩, যশোর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, যশোর জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন কাজীপুর এলাকার রাহেলা খাতুন ও সাহিনা খাতুন এর মৎস্য হ্যাচারীতে নিষিদ্ধ ঘোষিত বিপুল পরিমাণ আফ্রিকান মাগুর মাছের পোনা ও রেনু পোনা এবং সালাম হোসেন এর ০৫ একর পুকুরে বিপুল পরিমাণ আফ্রিকান মাগুর মাছ বাজারজাত করণের উদ্দেশ্যে মজুদ করা হয়েছে।
উক্ত সংবাদের সত্যতা যাচাই ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মঙ্গলবার সকাল হতে দুপুর পর্যন্ত র‌্যাব-৬, সিপিসি-৩, যশোর ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার, লেঃ কমান্ডার, এম নাজিউর রহমান এবং যশোর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার অনুপ দাশ ও যশোর সদর সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সাইদুর রহমান রেজা এর সমন্বয়ে একটি আভিযানিক দল উক্ত স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। উল্লেখিত দুইটি হ্যাচারীতে মোট রেনু পোনা ৮০ লক্ষ, ছোট পোনা ০১ লক্ষ ও পুকুর হতে ২৮০ (দুইশত আশি) কেজি নিষিদ্ধ আফ্রিকান মাগুর মাছের পোনা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে মজুদ পাওয়ায় হ্যাচারী মালিক মোছাঃ রাহেলা খাতুন (৩৮), পিতা- মৃত মফিজ মিস্ত্রি, মোছাঃ সাহিনা খাতুন (৩৭), পিতা- আকবর আলী, উভয় সাং- কাজীপুর, থানা- কোতয়ালী মডেল, জেলা- যশোর’কে মৎস্য সুরক্ষা ও সংক্ষরণ আইন ১৯৫০ এর বিধিমালা ১৯৮৫ এর বিধি ১৮ ধারার অপরাধে ০১ (এক) হাজার টাকা করে অর্থদন্ড করা হয়েছে এবং পুকুর মালিক মোঃ সালাম হোসেন (৪৫), পিতা- মৃত সাখাওয়াত, সাং- কাজীপুর, থানা- কোতয়ালী মডেল, জেলা- যশোর’কে মৎস্য সুরক্ষা ও সংক্ষরণ আইন ১৯৫০ এর বিধিমালা ১৯৮৫ এর বিধি ১৮ ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৪৩ ধারায় ৩০ (ত্রিশ) হাজার টাকা অর্থদন্ড সহ ১৫ (পনের) দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেছেন। এছাড়াও মোট রেনু পোনা ৮০ লক্ষ, ছোট পোনা ০১ লক্ষ ও পুকুর হতে ২৮০ (দুইশত আশি) কেজি নিষিদ্ধ আফ্রিকান মাগুর মাছ জব্দ করা হয়।

জব্দকৃত নিষিদ্ধ আফ্রিকান মাগুর মাছের পোনা ও বড় মাছ উপস্থিত জনগণ সহ যশোর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও যশোর সদর সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার সম্মুখে ধ্বংস করা হয়েছে।