ঢাকা ০৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

যশোরে রুম্মান হত‍্যা মামলার আসামিকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত

উৎপল ঘোষ, যশোর প্রতিনিধিঃ যশোরে সেই যুবলীগ কর্মী রুম্মান হত্যা মামলার চার্জশিটভুক্ত আত্মসমর্পণকারী আসামি মাইনুল হাসানকে আজ কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। সোমবার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক পলাশ কুমার দালাল আসামির জামিন আবেদনের শুনানি শেষে এ আদেশ দিয়েছেন।
মাইনুল হোসেন শহরতলীর শেখহাটি বাবলাতলা এলাকার মোবারক হোসেনের ছেলে।

মামলার অভিযোগে জানা গেছে, যুবলীগ কর্মী রুম্মান ব্যবসা করে জীবীকার নির্বাহ করতেন। ব্যবসার পাওনা টাকা নিয়ে আসামি আরিফের সাথে রুম্মানের বিরোধের সৃষ্টি হয়। ২০২২ সালের ২৫ মার্চ রাত সাড়ে ১০টার দিকে রুম্মানকে পাওনা টাকা দেয়ার কথা বলে ঢাকা রোডস্থ কাঁঠালতলা এলাকায় জব্বারের গ্যারেজের পেছনে আসতে বলে আরিফ। রুম্মান সেখানে গেলে তার সাথে আসামিদের কথাকাটাকাটি হয়।এ সময় আসামিরা রুম্মানকে ছুরিকাঘাত ও কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। আহত রুম্মানকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসতাপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এঘটনায় রুম্মানের দুলাভাই আলীমুজ্জামান আলী বাদী হয়ে ১১ জনের নামউল্লেখসহ অপরিচিত ব্যক্তিদের আসামি করে কোতয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেন।

এ মামলার তদন্ত শেষে গত ডিসেম্বর মাসে ১৩ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। চার্জশিটে অভিযুক্ত মাইনুল ইসলামে পলাতক দেখানো হয়েছিল। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর পুলিশী গ্রেফতার এড়াতে মাইনুল আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করে। বিচারক শুনানি শেষে জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে রুম্মান হত‍্যা মামলার আসামিকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত

আপডেট সময় ০৪:৩৭:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৩

উৎপল ঘোষ, যশোর প্রতিনিধিঃ যশোরে সেই যুবলীগ কর্মী রুম্মান হত্যা মামলার চার্জশিটভুক্ত আত্মসমর্পণকারী আসামি মাইনুল হাসানকে আজ কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। সোমবার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক পলাশ কুমার দালাল আসামির জামিন আবেদনের শুনানি শেষে এ আদেশ দিয়েছেন।
মাইনুল হোসেন শহরতলীর শেখহাটি বাবলাতলা এলাকার মোবারক হোসেনের ছেলে।

মামলার অভিযোগে জানা গেছে, যুবলীগ কর্মী রুম্মান ব্যবসা করে জীবীকার নির্বাহ করতেন। ব্যবসার পাওনা টাকা নিয়ে আসামি আরিফের সাথে রুম্মানের বিরোধের সৃষ্টি হয়। ২০২২ সালের ২৫ মার্চ রাত সাড়ে ১০টার দিকে রুম্মানকে পাওনা টাকা দেয়ার কথা বলে ঢাকা রোডস্থ কাঁঠালতলা এলাকায় জব্বারের গ্যারেজের পেছনে আসতে বলে আরিফ। রুম্মান সেখানে গেলে তার সাথে আসামিদের কথাকাটাকাটি হয়।এ সময় আসামিরা রুম্মানকে ছুরিকাঘাত ও কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। আহত রুম্মানকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসতাপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এঘটনায় রুম্মানের দুলাভাই আলীমুজ্জামান আলী বাদী হয়ে ১১ জনের নামউল্লেখসহ অপরিচিত ব্যক্তিদের আসামি করে কোতয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেন।

এ মামলার তদন্ত শেষে গত ডিসেম্বর মাসে ১৩ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। চার্জশিটে অভিযুক্ত মাইনুল ইসলামে পলাতক দেখানো হয়েছিল। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর পুলিশী গ্রেফতার এড়াতে মাইনুল আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করে। বিচারক শুনানি শেষে জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।