ঢাকা ০৩:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

যশোর স্কুল ছাত্রী আত্নহত‍্যার ঘটনায় প্রেমিককে অভিযুক্ত করে চার্জশিট

উৎপল ঘোষ, যশোর জেলা প্রতিনিধি:
যশোর ঝিকরগাছার স্কুলছাত্রী মারিয়া খাতুন আত্মহত্যার ঘটনায় মামলায় প্রেমিক কিশোর মেহেদী হাসানকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ। মামলা দীর্ঘসময় তদন্ত শেষে আদালতে এ চার্জশিট দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সুমন কুমার বিশ্বাস। অভিযুক্ত মেহেদী হাসান কাশিপুর গ্রামের রুহুল কুদ্দুস ওরফে বেড় খোকনের ছেলে।

মামলার অভিযোগে জানা গেছে, মরিয়া খাতুন কাশিপুর জুনিয়র মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেনীর ছাত্রী ছিল। আসামি মেহেদী হাসান একই স্কুলের ছাত্র ছিল। মেহেদী হাসান ফুসলিয়ে মারিয়া খাতুনের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গোড়ে তোলে এবং বিভিন্ন সময় তার কাছ থেকে অর্থের লেনদেন করে। মেহেদী আরও টাকা দাবি করে মারিয়ার সাথে মোবাইল ফোনের কথোপকথনের রেকর্ড বাড়ির লোজজনকে দিয়ে দেয়ার ভয় দেখায়।মারিয় তার ভয়ে বোনের গহন চুরি করে মেহেদীকে দেয়। বিষয়টি জানাজানির পর গহনা ও টাকা ফেরত চায়লে না দিয়ে ঘোরাতে থাকে। একপর্যায়ে মেহেদী হাসান মারিয়াকে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করতে বলে যাতে গহনা দেয়ার বিষয়ের প্রমাণ না থাকে। মেহেদীর চাপে পড়ে ২০২২ সালের ২৩ আগস্ট সকালে বাড়ির লোকজনের অগোচরে ঘরের মধ্যে গলায় ওড়না পেচিয়ে আত্মহত্যা করে। এব্যাপারে মারিয়া খাতুনের পিতা বাদী হয়ে আত্মহত্যার প্রোরচনার অভিযোগে ঝিকরগাছা থানায় মামলা করেন। এ মামলার তদন্ত শেষে ঘটনার সাথে জড়িত থাকায় আসামি মেহেদী হাসানকে অভিযুক্ত করে আদালতে এ চার্জশিট জমা দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যশোর স্কুল ছাত্রী আত্নহত‍্যার ঘটনায় প্রেমিককে অভিযুক্ত করে চার্জশিট

আপডেট সময় ১২:৩১:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৩

উৎপল ঘোষ, যশোর জেলা প্রতিনিধি:
যশোর ঝিকরগাছার স্কুলছাত্রী মারিয়া খাতুন আত্মহত্যার ঘটনায় মামলায় প্রেমিক কিশোর মেহেদী হাসানকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ। মামলা দীর্ঘসময় তদন্ত শেষে আদালতে এ চার্জশিট দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সুমন কুমার বিশ্বাস। অভিযুক্ত মেহেদী হাসান কাশিপুর গ্রামের রুহুল কুদ্দুস ওরফে বেড় খোকনের ছেলে।

মামলার অভিযোগে জানা গেছে, মরিয়া খাতুন কাশিপুর জুনিয়র মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেনীর ছাত্রী ছিল। আসামি মেহেদী হাসান একই স্কুলের ছাত্র ছিল। মেহেদী হাসান ফুসলিয়ে মারিয়া খাতুনের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গোড়ে তোলে এবং বিভিন্ন সময় তার কাছ থেকে অর্থের লেনদেন করে। মেহেদী আরও টাকা দাবি করে মারিয়ার সাথে মোবাইল ফোনের কথোপকথনের রেকর্ড বাড়ির লোজজনকে দিয়ে দেয়ার ভয় দেখায়।মারিয় তার ভয়ে বোনের গহন চুরি করে মেহেদীকে দেয়। বিষয়টি জানাজানির পর গহনা ও টাকা ফেরত চায়লে না দিয়ে ঘোরাতে থাকে। একপর্যায়ে মেহেদী হাসান মারিয়াকে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করতে বলে যাতে গহনা দেয়ার বিষয়ের প্রমাণ না থাকে। মেহেদীর চাপে পড়ে ২০২২ সালের ২৩ আগস্ট সকালে বাড়ির লোকজনের অগোচরে ঘরের মধ্যে গলায় ওড়না পেচিয়ে আত্মহত্যা করে। এব্যাপারে মারিয়া খাতুনের পিতা বাদী হয়ে আত্মহত্যার প্রোরচনার অভিযোগে ঝিকরগাছা থানায় মামলা করেন। এ মামলার তদন্ত শেষে ঘটনার সাথে জড়িত থাকায় আসামি মেহেদী হাসানকে অভিযুক্ত করে আদালতে এ চার্জশিট জমা দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।