ঢাকা ০৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

রমাদান মাসে বর্জনীয়

পবিত্রতম রমাদান মাসের কল্যাণ ও বরকত লাভের জন্য যেসব কাজ বর্জন করা উচিত তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-
১. দিনের বেলায় পানাহার, স্বামী-স্ত্রী সহবাস ও সাওম ভঙ্গ হয় এমন সব বিষয় হতে বেঁচে থাকা। কুরআনুল কারিমের ভাষায়: “এবং তোমরা পানাহার কর, যতক্ষণ না রাতের কালো রেখা থেকে ভোরের শুভ্র রেখা পরিস্কারভাবে ফুটে ওঠে। অতঃপর সাওম-কে রাতের আগমন পর্যন্ত পূর্ণ কর” (সূরা আল-বাক্বারাহ: ১৮৭)।
২. আগাম রোযা রাখা: রমাদান মাস আগমনের ১/২দিন পূর্বে রোযা রাখা উচিত নয়। হাদিসে এসেছে ‘তোমাদের কেউ রমযান মাস আগমনের ১/২দিন পূর্বে যেন রোযা না রাখে। অবশ্য যার ওপর কাযা রয়েছে সে ঐ দিনের রোযা রাখতে পারে। (সহিহুল বুখারি: ১৯১৪)।
৩. মিথ্যা কথা ও অশ্লীল কাজ করা : মিথ্যা কথা ও কাজ অশ্লীল করা থেকে বেঁচে থাকতে রাসূল সা. এর নির্দেশনা হলো: ‘যে ব্যক্তি মিথ্যা কথা ও অশ্লীল কাজ পরিহার করলো না, তার পানাহার ত্যাগে আল্লাহর কোন প্রয়োজন নেই (সহিহুল বুখারি: ১৯০৩)।
৪. শোরগোল, গালি-গালাজ ও ঝগড়া-বিবাধ করা: রোযা অবস্থায় অশ্লীল কথাবার্তা, শোরগোল ও ঝগড়া-ফ্যাসাদ থেকে বিরত থাকা জরুরি। হাদীস শরীফে এসেছে- ‘তোমাদের কেউ যখন রোযা অবস্থায় থাকে তখন যেন অশ্লীল কথা না বলে এবং শোরগোল না করে। আর কেউ যদি তার সঙ্গে ঝগড়া করে, গালি দেয়, তা হলে সে যেন শুধু বলে দেয়, আমি তো রোযাদার (সহিহুল বুখারি : ৬০৫৭)।
৫. ইফতার গ্রহণে বিলম্ব করা: রোযাদার ব্যক্তি ইফতারের সময় হওয়ার পর কোনো বিলম্ব না করে সাথে সাথেই ইফতার করবে। রাসূল -সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- এর হাদিস দ্বারা তা প্রমাণিত। নবি – সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- বলেন: “দ্বীন বিজয়ী থাকবে যতদিন লোকেরা অবিলম্বে ইফতার করবে। কেননা ইহুদী ও খৃস্টানরা বিলম্বে ইফতার করে”( আবু দাউদ: ২৩৫৩)।
৬. গান-বাজনা, নাটক, সিনেমা এবং ভিডিও দেখা/শ্রবণ করা : কোন কোন রোযাদার সময় কাটানোর উদ্দেশ্যে গান-বাজনা, নাটক, সিনেমা এবং ভিডিও দেখা/শ্রবণ করে থাকেন। আর পবিত্রতম মাসে এ জাতীয় গর্হিত কাজের মাধ্যমে সময় নষ্ট করা কোন বিবেকবান মুমিনের বৈশিষ্ট্য হতে পারে না।
৭. ফেসবুকে বেহুদা সময় নষ্ট করা: ফেসবুকের কিছু উপকারিতা থাকলেও সময় অপচয়সহ এর নানাবিধ অপকারিতা রয়েছে। তাই একজন রোযাদার-কে মর্যাদাপূর্ণ ও বরকতময় এ মাসে ফেসবুকের মাধ্যমে অনর্থক সময় নষ্ট ও নানাবিধ অশ্লীল বিষয় হতে বেঁচে থাকা জরুরি।
৮. অধিক পরিমাণে হাসি ও খেল-তামাশা করা : একজন মুমিন মহান আল্লাহর ভয়ে সর্বদা কম হাসবেন। ইসলামী অনুশাসন মেনে পরিমিত ও নির্দোষ কৌতুক/তামাশা করা যাবে। তবে রমাদানে এ বিষয়ে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।
৯. অনর্থক কথা বা কাজ করা: অনর্থক কথা বা কাজ করা হতে বেঁচে থাকা পবিত্র এ মাসের অন্যতম দাবী। হাদীসে এসেছে- হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রাসূল -সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- ইরশাদ করেন: ‘রোযা শুধু পানাহার বর্জন করার নাম নয়; বরং রোযা হলো অনর্থক কথা ও কাজ এবং অশ্লীল কথা বর্জন করা (মুসতাদরাকে হাকেম : ১/৫৩৯: ১৬০২)।
১০. গীবত করা: গীবত করা হারাম। “এবং একে অপরের পশ্চাতে নিন্দা করো না। তোমাদের মধ্যে কি কেউ তার মৃত ভাইয়ের গোশত খেতে চাইবে ? বস্তুত তোমরা তো ইহাকে ঘৃণ্যই মনে কর। তোমরা আল্লাহ্কে ভয় কর; আল্লাহ্ তওবা গ্রহণকারী, পরম দয়ালু’ (সূরা আল-হুজুরাত: ১২)।আর রমাদানের কল্যাণ লাভের ক্ষেত্রে গীবত করা হতে বেঁচে থাকা একান্তভাবে জরুরি। হাদীস শরীফে বর্ণিত আছে-নবি কারিম -সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- এর দরবারে দু-জন মহিলা উপস্থিত হয়ে )দরজার বাইরে থেকে) অভিযোগ করল, রোযার কারণে তাদের খুব কষ্ট হচ্ছে। পিপাসার কারণে প্রাণ ওষ্ঠাগত প্রায়। এ অবস্থা শুনে তিনি তাদের বমি করার আদেশ দিলেন। দেখা গেল, গোশতের টুকরো ও তাজা রক্ত বের হচ্ছে। সাহাবায়ে কেরাম (রাঃ) অবাক হলেন। তখন নবি -সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- বললেন, এরা হালাল খাদ্য দ্বারা সাহরি করে রোযা রেখেছে; কিন্তু রোযা অবস্থায় হারাম খেয়েছে। অর্থাৎ মানুষের গীবত করেছে। আর গীবত করার অর্থ হলো মৃত ভাইয়ের গোশত খাওয়া’(মুসনাদে আহমাদ: ২৩৬৫৩)। এ হাদীস দ্বারা বুঝা যায়, গীবত ও অন্যান্য গোনাহ দ্বারা রোযাদারের কষ্ট অনেক বেড়ে যায়। এ কারণেই দেখা যায় আল্লাহর নেক বান্দারা রোযায় তেমন কোনো কষ্ট অনুভব করেন না; বরং তাঁরা অনেক আত্মিক ও দৈহিক প্রশান্তি লাভ করে থাকেন। পক্ষান্তরে যারা গীবত করে এবং বিভিন্ন গোনাহে লিপ্ত থাকে তারা রোযার কারণে বেশ কাহিল হয়ে পড়ে। ফলে বিভিন্ন বাহানা করে রোযা থেকে রেহাই পেতে চায়। এছাড়াও গালি দেওয়া, অপ্রয়োজনীয় কথা বলা, ঠাট্টা-বিদ্রুপ করা, অশ্লীল ও মন্দ কথা বলা, নিন্দা করা, অপবাদ দেয়া, চোগলখুরী করা, বিনা প্রয়োজনে অন্যের গোপনীয় তথ্য প্রকাশ করা, মোনাফেকী করা, ঝগড়া করা, হিংসা করা, অভিশাপ দেয়া, হারাম খাদ্য ও পানীয় পান করা, হারাম জিনিস দিয়ে ইফতার করা, নারী-পুরুষের অবাধ মেলামেশা, ধূমপান করাসহ গর্হিত সকল কাজ থেকে বিরত থাকা একজন মুমিনের জন্য অবশ্যই পালনীয়।
পরিশেষে পরম করুণাময় আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের নিকট প্রার্থনা, তিনি যেন আমাদের-কে রমাদান মাসের পবিত্রতা রক্ষা করে এ মাসের করণীয় ও বর্জনীয় কাজগুলো যথাযথভাবে স¤পাদন করে চলার মাধ্যমে তাঁর সন্তুষ্টি অর্জনের তাওফিক দান করেন, এ মাসের রহমত, বরকত ও মাগফিরাতসহ যাবতীয় কল্যাণ নসীব করেন। আমীন ইয়া রাব্বুল আলামীন!

লেখক:
হোসাইন মোহাম্মদ ইলিয়াস
কামিল, বিএ (অনার্স), কিং সৌদ ইউনিভার্সিটি, রিয়াদ, সৌদি আরব,
বিএ (অনার্স), এমএ, এমফিল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
উপাধ্যক্ষ, নিবরাস মাদরাসা।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রমাদান মাসে বর্জনীয়

আপডেট সময় ১২:৫৫:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ ২০২৩

পবিত্রতম রমাদান মাসের কল্যাণ ও বরকত লাভের জন্য যেসব কাজ বর্জন করা উচিত তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-
১. দিনের বেলায় পানাহার, স্বামী-স্ত্রী সহবাস ও সাওম ভঙ্গ হয় এমন সব বিষয় হতে বেঁচে থাকা। কুরআনুল কারিমের ভাষায়: “এবং তোমরা পানাহার কর, যতক্ষণ না রাতের কালো রেখা থেকে ভোরের শুভ্র রেখা পরিস্কারভাবে ফুটে ওঠে। অতঃপর সাওম-কে রাতের আগমন পর্যন্ত পূর্ণ কর” (সূরা আল-বাক্বারাহ: ১৮৭)।
২. আগাম রোযা রাখা: রমাদান মাস আগমনের ১/২দিন পূর্বে রোযা রাখা উচিত নয়। হাদিসে এসেছে ‘তোমাদের কেউ রমযান মাস আগমনের ১/২দিন পূর্বে যেন রোযা না রাখে। অবশ্য যার ওপর কাযা রয়েছে সে ঐ দিনের রোযা রাখতে পারে। (সহিহুল বুখারি: ১৯১৪)।
৩. মিথ্যা কথা ও অশ্লীল কাজ করা : মিথ্যা কথা ও কাজ অশ্লীল করা থেকে বেঁচে থাকতে রাসূল সা. এর নির্দেশনা হলো: ‘যে ব্যক্তি মিথ্যা কথা ও অশ্লীল কাজ পরিহার করলো না, তার পানাহার ত্যাগে আল্লাহর কোন প্রয়োজন নেই (সহিহুল বুখারি: ১৯০৩)।
৪. শোরগোল, গালি-গালাজ ও ঝগড়া-বিবাধ করা: রোযা অবস্থায় অশ্লীল কথাবার্তা, শোরগোল ও ঝগড়া-ফ্যাসাদ থেকে বিরত থাকা জরুরি। হাদীস শরীফে এসেছে- ‘তোমাদের কেউ যখন রোযা অবস্থায় থাকে তখন যেন অশ্লীল কথা না বলে এবং শোরগোল না করে। আর কেউ যদি তার সঙ্গে ঝগড়া করে, গালি দেয়, তা হলে সে যেন শুধু বলে দেয়, আমি তো রোযাদার (সহিহুল বুখারি : ৬০৫৭)।
৫. ইফতার গ্রহণে বিলম্ব করা: রোযাদার ব্যক্তি ইফতারের সময় হওয়ার পর কোনো বিলম্ব না করে সাথে সাথেই ইফতার করবে। রাসূল -সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- এর হাদিস দ্বারা তা প্রমাণিত। নবি – সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- বলেন: “দ্বীন বিজয়ী থাকবে যতদিন লোকেরা অবিলম্বে ইফতার করবে। কেননা ইহুদী ও খৃস্টানরা বিলম্বে ইফতার করে”( আবু দাউদ: ২৩৫৩)।
৬. গান-বাজনা, নাটক, সিনেমা এবং ভিডিও দেখা/শ্রবণ করা : কোন কোন রোযাদার সময় কাটানোর উদ্দেশ্যে গান-বাজনা, নাটক, সিনেমা এবং ভিডিও দেখা/শ্রবণ করে থাকেন। আর পবিত্রতম মাসে এ জাতীয় গর্হিত কাজের মাধ্যমে সময় নষ্ট করা কোন বিবেকবান মুমিনের বৈশিষ্ট্য হতে পারে না।
৭. ফেসবুকে বেহুদা সময় নষ্ট করা: ফেসবুকের কিছু উপকারিতা থাকলেও সময় অপচয়সহ এর নানাবিধ অপকারিতা রয়েছে। তাই একজন রোযাদার-কে মর্যাদাপূর্ণ ও বরকতময় এ মাসে ফেসবুকের মাধ্যমে অনর্থক সময় নষ্ট ও নানাবিধ অশ্লীল বিষয় হতে বেঁচে থাকা জরুরি।
৮. অধিক পরিমাণে হাসি ও খেল-তামাশা করা : একজন মুমিন মহান আল্লাহর ভয়ে সর্বদা কম হাসবেন। ইসলামী অনুশাসন মেনে পরিমিত ও নির্দোষ কৌতুক/তামাশা করা যাবে। তবে রমাদানে এ বিষয়ে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।
৯. অনর্থক কথা বা কাজ করা: অনর্থক কথা বা কাজ করা হতে বেঁচে থাকা পবিত্র এ মাসের অন্যতম দাবী। হাদীসে এসেছে- হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রাসূল -সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- ইরশাদ করেন: ‘রোযা শুধু পানাহার বর্জন করার নাম নয়; বরং রোযা হলো অনর্থক কথা ও কাজ এবং অশ্লীল কথা বর্জন করা (মুসতাদরাকে হাকেম : ১/৫৩৯: ১৬০২)।
১০. গীবত করা: গীবত করা হারাম। “এবং একে অপরের পশ্চাতে নিন্দা করো না। তোমাদের মধ্যে কি কেউ তার মৃত ভাইয়ের গোশত খেতে চাইবে ? বস্তুত তোমরা তো ইহাকে ঘৃণ্যই মনে কর। তোমরা আল্লাহ্কে ভয় কর; আল্লাহ্ তওবা গ্রহণকারী, পরম দয়ালু’ (সূরা আল-হুজুরাত: ১২)।আর রমাদানের কল্যাণ লাভের ক্ষেত্রে গীবত করা হতে বেঁচে থাকা একান্তভাবে জরুরি। হাদীস শরীফে বর্ণিত আছে-নবি কারিম -সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- এর দরবারে দু-জন মহিলা উপস্থিত হয়ে )দরজার বাইরে থেকে) অভিযোগ করল, রোযার কারণে তাদের খুব কষ্ট হচ্ছে। পিপাসার কারণে প্রাণ ওষ্ঠাগত প্রায়। এ অবস্থা শুনে তিনি তাদের বমি করার আদেশ দিলেন। দেখা গেল, গোশতের টুকরো ও তাজা রক্ত বের হচ্ছে। সাহাবায়ে কেরাম (রাঃ) অবাক হলেন। তখন নবি -সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- বললেন, এরা হালাল খাদ্য দ্বারা সাহরি করে রোযা রেখেছে; কিন্তু রোযা অবস্থায় হারাম খেয়েছে। অর্থাৎ মানুষের গীবত করেছে। আর গীবত করার অর্থ হলো মৃত ভাইয়ের গোশত খাওয়া’(মুসনাদে আহমাদ: ২৩৬৫৩)। এ হাদীস দ্বারা বুঝা যায়, গীবত ও অন্যান্য গোনাহ দ্বারা রোযাদারের কষ্ট অনেক বেড়ে যায়। এ কারণেই দেখা যায় আল্লাহর নেক বান্দারা রোযায় তেমন কোনো কষ্ট অনুভব করেন না; বরং তাঁরা অনেক আত্মিক ও দৈহিক প্রশান্তি লাভ করে থাকেন। পক্ষান্তরে যারা গীবত করে এবং বিভিন্ন গোনাহে লিপ্ত থাকে তারা রোযার কারণে বেশ কাহিল হয়ে পড়ে। ফলে বিভিন্ন বাহানা করে রোযা থেকে রেহাই পেতে চায়। এছাড়াও গালি দেওয়া, অপ্রয়োজনীয় কথা বলা, ঠাট্টা-বিদ্রুপ করা, অশ্লীল ও মন্দ কথা বলা, নিন্দা করা, অপবাদ দেয়া, চোগলখুরী করা, বিনা প্রয়োজনে অন্যের গোপনীয় তথ্য প্রকাশ করা, মোনাফেকী করা, ঝগড়া করা, হিংসা করা, অভিশাপ দেয়া, হারাম খাদ্য ও পানীয় পান করা, হারাম জিনিস দিয়ে ইফতার করা, নারী-পুরুষের অবাধ মেলামেশা, ধূমপান করাসহ গর্হিত সকল কাজ থেকে বিরত থাকা একজন মুমিনের জন্য অবশ্যই পালনীয়।
পরিশেষে পরম করুণাময় আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের নিকট প্রার্থনা, তিনি যেন আমাদের-কে রমাদান মাসের পবিত্রতা রক্ষা করে এ মাসের করণীয় ও বর্জনীয় কাজগুলো যথাযথভাবে স¤পাদন করে চলার মাধ্যমে তাঁর সন্তুষ্টি অর্জনের তাওফিক দান করেন, এ মাসের রহমত, বরকত ও মাগফিরাতসহ যাবতীয় কল্যাণ নসীব করেন। আমীন ইয়া রাব্বুল আলামীন!

লেখক:
হোসাইন মোহাম্মদ ইলিয়াস
কামিল, বিএ (অনার্স), কিং সৌদ ইউনিভার্সিটি, রিয়াদ, সৌদি আরব,
বিএ (অনার্স), এমএ, এমফিল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
উপাধ্যক্ষ, নিবরাস মাদরাসা।