ঢাকা ০৪:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ৩ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রূপসায় ভাবি কে শ্লীলতাহানি সহ মারপিটের ঘটনায় দেবর জেল হাজতে

নাহিদ জামান, খুলনা

রূপসা উপজেলার শিয়ালী গ্রামের মোঃ বাবুল শেখের ছোট ছেলে মোঃ সামাদ শেখ তার বড় ভাবিকে শ্লীলতাহানি ও মারপিটের দায়ে কারাগারে।

জানা যায় শিয়ালি গ্রামের মোঃ সামাদ শেখের বড় ভাই মোহাম্মদ আলী গত ১৬ বছর পূর্বে পারিবারিক ভাবে খুলনা শিরোমনি এলাকার মৃত আবুল হাশেমের মেয়ে স্বপ্নাকে বিবাহ করে। তাদের একটা প্রতিবন্ধী পুত্র সন্তান রয়েছে। মোহাম্মদ আলী দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে প্রবাসে রয়েছে কখনো প্রবাস কালে বাংলাদেশে আসে নাই এবং স্ত্রী সন্তানের কোন প্রকার খোঁজখবর রাখেনা এ নিয়ে দফায় দফায় কয়েকবার থানা পুলিশ এবং স্থানীয়ভাবে সালিশ বসেছে তাতে কোন প্রকার সমাধান পায়নি স্ত্রী স্বপ্না। দেবর ননদ এবং শশুর শাশুড়ির হাতে মার খেয়ে উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ ভর্তি থেকেছে কয়েকবার। সর্বশেষ বাধ্য হয়ে শ্বশুর শাশুড়ির নামে আদালতে একটি মামলা দায়ের করে। গত ৩১/০১ ২০২৪ তারিখ উক্ত মামলার শুনানির দিন ধার্য ছিল। দেবর মোঃ সামাদ তার বড় ভাবি স্বপ্নাকে মোবাইল ফোনে ডেকে গত ইংরেজি ১/২ /২৪ তারিখে দৌলতপুর থানাধীন পাবলা দত্তবাড়ি ফখরুল হাজী সাহেবের মালিকানাধীন হাজী ছাত্রবাসে ডেকে পাঠায়। এবং উক্ত মামলা মীমাংসা করে তার ভাইয়ের সাথে পারিবারিক সমস্যার সমাধানের আশ্বাস প্রদান করে। এবং উক্ত ছাত্রাবাসে মোহাম্মদ আলীর পিতা উপস্থিত থাকবেন বলে স্বপ্না জানায়। স্বপ্না সেখানে উপস্থিত হয়ে দেখে তার শ্বশুরবাড়ির কেউ ওখানে নাই শুধুমাত্র একা মোঃ সামাদ তাকে ঘরে ভিতর ডেকে নেয় এবং ঘরের দরজা বন্ধ করে দেয় এবং বিভিন্নভাবে তার বাবা মার নামে দায়েরকৃত মামলা তুলে নেওয়ার হুমকি প্রদান করে। পরবর্তীতে কোন সমাধান ছাড়া মামলা তুলে না নিতে চাইলে তার বড় ভাবিকে শারীরিক নির্যাতন করা শুরু করে। একপর্যায়ে স্বপ্ন চিৎকার শুরু করলে তাকে কিল ঘুষি মারতে থাকে এবং তার মুখ চেপে ধরে দর্শনের চেষ্টা করে। তখন স্বপ্নার ডাক চিৎকারে ছাত্রাবাসের অন্যান্য ছাত্ররা ও গ্রামবাসী এসে তালা ভেঙ্গে তাকে উদ্ধার করে এবং পুলিশকে কল করে। ঘটনায় স্থান হতে মোঃ সামাদ কে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ভিকটিম স্বপ্না ফুলতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করে। পরবর্তীতে তার পারিবারিক স্বজনদের পরামর্শে উক্ত ঘটনা কেন্দ্র করে স্বপ্না বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ সংশোধন ২০২০ এবং ১০ তৎসহ ৩২৩ পেনাল কোড মামলা রুজু হয়। মামলা নং ১৩- ১/২/২৪ তারিখ।এবং আসামি মোঃ সামাদ কে জেল হাজতে প্রেরণ করে দৌলতপুর থানা পুলিশ। সংবাদ লেখা পর্যন্ত ঘাতক দেবর এর এখনও পর্যন্ত জামিন মেলেনি।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রূপসায় ভাবি কে শ্লীলতাহানি সহ মারপিটের ঘটনায় দেবর জেল হাজতে

আপডেট সময় ০৭:১১:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

নাহিদ জামান, খুলনা

রূপসা উপজেলার শিয়ালী গ্রামের মোঃ বাবুল শেখের ছোট ছেলে মোঃ সামাদ শেখ তার বড় ভাবিকে শ্লীলতাহানি ও মারপিটের দায়ে কারাগারে।

জানা যায় শিয়ালি গ্রামের মোঃ সামাদ শেখের বড় ভাই মোহাম্মদ আলী গত ১৬ বছর পূর্বে পারিবারিক ভাবে খুলনা শিরোমনি এলাকার মৃত আবুল হাশেমের মেয়ে স্বপ্নাকে বিবাহ করে। তাদের একটা প্রতিবন্ধী পুত্র সন্তান রয়েছে। মোহাম্মদ আলী দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে প্রবাসে রয়েছে কখনো প্রবাস কালে বাংলাদেশে আসে নাই এবং স্ত্রী সন্তানের কোন প্রকার খোঁজখবর রাখেনা এ নিয়ে দফায় দফায় কয়েকবার থানা পুলিশ এবং স্থানীয়ভাবে সালিশ বসেছে তাতে কোন প্রকার সমাধান পায়নি স্ত্রী স্বপ্না। দেবর ননদ এবং শশুর শাশুড়ির হাতে মার খেয়ে উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ ভর্তি থেকেছে কয়েকবার। সর্বশেষ বাধ্য হয়ে শ্বশুর শাশুড়ির নামে আদালতে একটি মামলা দায়ের করে। গত ৩১/০১ ২০২৪ তারিখ উক্ত মামলার শুনানির দিন ধার্য ছিল। দেবর মোঃ সামাদ তার বড় ভাবি স্বপ্নাকে মোবাইল ফোনে ডেকে গত ইংরেজি ১/২ /২৪ তারিখে দৌলতপুর থানাধীন পাবলা দত্তবাড়ি ফখরুল হাজী সাহেবের মালিকানাধীন হাজী ছাত্রবাসে ডেকে পাঠায়। এবং উক্ত মামলা মীমাংসা করে তার ভাইয়ের সাথে পারিবারিক সমস্যার সমাধানের আশ্বাস প্রদান করে। এবং উক্ত ছাত্রাবাসে মোহাম্মদ আলীর পিতা উপস্থিত থাকবেন বলে স্বপ্না জানায়। স্বপ্না সেখানে উপস্থিত হয়ে দেখে তার শ্বশুরবাড়ির কেউ ওখানে নাই শুধুমাত্র একা মোঃ সামাদ তাকে ঘরে ভিতর ডেকে নেয় এবং ঘরের দরজা বন্ধ করে দেয় এবং বিভিন্নভাবে তার বাবা মার নামে দায়েরকৃত মামলা তুলে নেওয়ার হুমকি প্রদান করে। পরবর্তীতে কোন সমাধান ছাড়া মামলা তুলে না নিতে চাইলে তার বড় ভাবিকে শারীরিক নির্যাতন করা শুরু করে। একপর্যায়ে স্বপ্ন চিৎকার শুরু করলে তাকে কিল ঘুষি মারতে থাকে এবং তার মুখ চেপে ধরে দর্শনের চেষ্টা করে। তখন স্বপ্নার ডাক চিৎকারে ছাত্রাবাসের অন্যান্য ছাত্ররা ও গ্রামবাসী এসে তালা ভেঙ্গে তাকে উদ্ধার করে এবং পুলিশকে কল করে। ঘটনায় স্থান হতে মোঃ সামাদ কে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ভিকটিম স্বপ্না ফুলতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করে। পরবর্তীতে তার পারিবারিক স্বজনদের পরামর্শে উক্ত ঘটনা কেন্দ্র করে স্বপ্না বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ সংশোধন ২০২০ এবং ১০ তৎসহ ৩২৩ পেনাল কোড মামলা রুজু হয়। মামলা নং ১৩- ১/২/২৪ তারিখ।এবং আসামি মোঃ সামাদ কে জেল হাজতে প্রেরণ করে দৌলতপুর থানা পুলিশ। সংবাদ লেখা পর্যন্ত ঘাতক দেবর এর এখনও পর্যন্ত জামিন মেলেনি।