ঢাকা ১১:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ জুন ২০২৪, ৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo রূপসায় ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত Logo আমতলীতে বৌ-ভাতের অনুষ্ঠানে আসার পথে ব্রীজ ভেঙ্গে ৯জন নিহত Logo বরুড়ায় আ.লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত Logo চাঁপাই নবাবগঞ্জে ১৫০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার সহ দুইজন গ্রেফতার Logo সাংবাদিকের উপর হামলার প্রতিবাদে কালীগঞ্জে মানববন্ধন Logo গলাচিপায় বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন Logo তোমাকে যে ধরতে আমি চাই Logo নওগাঁ থেকে বিপুল পরিমান গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি গ্রেফতার Logo মুরাদনগরে রোহিঙ্গাকে জন্ম নিবন্ধন করে দেওয়ায় ইউপি সচিব গ্রেফতার Logo ছিংহাই-তিব্বত মালভূমির পরিবেশ রক্ষা ও উচ্চ-মানের উন্নয়নে জোর দিয়েছেন সি চিন পিং

শান্তি,উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি বাস্তবায়নে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের সাথে চীন কাজ করবে

  • স্বর্ণা:
  • আপডেট সময় ১১:০০:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪
  • ২০ বার পড়া হয়েছে

চীনের প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াং স্থানীয় সময় ২৭ মে দুপুরে, সিউলে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সিওক-ইউ এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদার সঙ্গে অষ্টম চীন-জাপান-দক্ষিণ কোরিয়া শিল্প ও বাণিজ্য শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেন এবং ভাষণ দেন।

লি ছিয়াং বলেছেন যে, প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে কূটনীতিকে সংক্ষিপ্তভাবে ‘সৌহার্দ্য, আন্তরিকতা, উপকারিতা এবং সহনশীলতা’ এই চারটি শব্দে বর্ণনা করেছেন। চীন, জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়া ভৌগোলিকভাবে সংযুক্ত, অর্থনৈতিকভাবে একত্রিত এবং সাংস্কৃতিকভাবে সংযুক্ত। ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিতে এবং ভবিষ্যতের মুখোমুখি হতে, বিভিন্ন ক্ষেত্রে আদান-প্রদান ও সহযোগিতাকে আরও গভীর করতে, জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সখ্যতা ও সংযুক্তি ত্বরান্বিত করতে এই অঞ্চলে শান্তি, স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি বাস্তবায়নে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের সাথে চীন একসাথে কাজ করতে ইচ্ছুক বলে জানান তিনি।

লি ছিয়াং বলেন, উদ্যোক্তারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে চীন, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে অর্থনৈতিক, বাণিজ্য বিনিময় ও সহযোগিতার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। আশা করা যায় যে, সবাই অর্থনৈতিক বিশ্বায়নের সাধারণ প্রবণতাকে উপলব্ধি করবে, শিল্প সহযোগিতাকে আরও গভীর করবে, ক্রমাগত আন্তঃসংযোগ ও কার্যকরিতাকে উন্নীত করবে এবং শিল্প ও সরবরাহ চেইনের স্থিতিশীলতার রক্ষক হবে। তিনপক্ষের উচিত বিশ্বের বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত বিপ্লব ও শিল্প রূপান্তরের সাধারণ প্রবণতা উপলব্ধি করা, যৌথ গবেষণা ও উন্নয়ন এবং সহযোগিতামূলক গবেষণাকে শক্তিশালী করা, যৌথভাবে প্রযুক্তিগত অগ্রগতি এগিয়ে নেয়া, শিল্প প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি করা এবং উদ্ভাবন সহযোগিতাকে আরও গভীর করার প্রবর্তক হওয়া।

চীনা প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের মানব সভ্যতার একীকরণ ও বিকাশের সাধারণ প্রবণতাকে উপলব্ধি করতে হবে, সেতুবন্ধ হিসেবে ভূমিকা পালন করতে হবে, সক্রিয়ভাবে জনগণের মধ্যে আদান-প্রদানকে সমর্থন করতে হবে এবং মানুষে-মানুষে ও সাংস্কৃতিক বিনিময় সম্প্রসারণের প্রবর্তক হতে হবে। তিন দেশের প্রায় ২৪০ জন ব্যবসায়ী ও সরকারী প্রতিনিধি সম্মেলনে যোগ দেন।
সূত্র: স্বর্ণা, চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

জনপ্রিয় সংবাদ

রূপসায় ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

শান্তি,উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি বাস্তবায়নে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের সাথে চীন কাজ করবে

আপডেট সময় ১১:০০:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪

চীনের প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াং স্থানীয় সময় ২৭ মে দুপুরে, সিউলে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সিওক-ইউ এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদার সঙ্গে অষ্টম চীন-জাপান-দক্ষিণ কোরিয়া শিল্প ও বাণিজ্য শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেন এবং ভাষণ দেন।

লি ছিয়াং বলেছেন যে, প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে কূটনীতিকে সংক্ষিপ্তভাবে ‘সৌহার্দ্য, আন্তরিকতা, উপকারিতা এবং সহনশীলতা’ এই চারটি শব্দে বর্ণনা করেছেন। চীন, জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়া ভৌগোলিকভাবে সংযুক্ত, অর্থনৈতিকভাবে একত্রিত এবং সাংস্কৃতিকভাবে সংযুক্ত। ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিতে এবং ভবিষ্যতের মুখোমুখি হতে, বিভিন্ন ক্ষেত্রে আদান-প্রদান ও সহযোগিতাকে আরও গভীর করতে, জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সখ্যতা ও সংযুক্তি ত্বরান্বিত করতে এই অঞ্চলে শান্তি, স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি বাস্তবায়নে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের সাথে চীন একসাথে কাজ করতে ইচ্ছুক বলে জানান তিনি।

লি ছিয়াং বলেন, উদ্যোক্তারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে চীন, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে অর্থনৈতিক, বাণিজ্য বিনিময় ও সহযোগিতার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। আশা করা যায় যে, সবাই অর্থনৈতিক বিশ্বায়নের সাধারণ প্রবণতাকে উপলব্ধি করবে, শিল্প সহযোগিতাকে আরও গভীর করবে, ক্রমাগত আন্তঃসংযোগ ও কার্যকরিতাকে উন্নীত করবে এবং শিল্প ও সরবরাহ চেইনের স্থিতিশীলতার রক্ষক হবে। তিনপক্ষের উচিত বিশ্বের বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত বিপ্লব ও শিল্প রূপান্তরের সাধারণ প্রবণতা উপলব্ধি করা, যৌথ গবেষণা ও উন্নয়ন এবং সহযোগিতামূলক গবেষণাকে শক্তিশালী করা, যৌথভাবে প্রযুক্তিগত অগ্রগতি এগিয়ে নেয়া, শিল্প প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি করা এবং উদ্ভাবন সহযোগিতাকে আরও গভীর করার প্রবর্তক হওয়া।

চীনা প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের মানব সভ্যতার একীকরণ ও বিকাশের সাধারণ প্রবণতাকে উপলব্ধি করতে হবে, সেতুবন্ধ হিসেবে ভূমিকা পালন করতে হবে, সক্রিয়ভাবে জনগণের মধ্যে আদান-প্রদানকে সমর্থন করতে হবে এবং মানুষে-মানুষে ও সাংস্কৃতিক বিনিময় সম্প্রসারণের প্রবর্তক হতে হবে। তিন দেশের প্রায় ২৪০ জন ব্যবসায়ী ও সরকারী প্রতিনিধি সম্মেলনে যোগ দেন।
সূত্র: স্বর্ণা, চায়না মিডিয়া গ্রুপ।