ঢাকা ১১:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ১০ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সাহস এর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও ক্রীড়া অনুষ্ঠান

বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩) সকাল ১০ টায় পালিত হলো সাহস এর ১৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও বাৎসরিক ক্রীড়া অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাহস এর পরিচালক খায়রুল এনাম আলম। শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত করে স্কুলের ছাত্র আব্দুল্লাহ ইবনে ইয়াছিন ও গীতা পাঠ করে সোহা চক্রবর্তী। এরপর সমবেত জাতীয় সংগীত পরিবেশন শেষে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষার প্রতি মমত্ব ও ভালোবাসা প্রকাশ করে সকল শহীদদের স্মারণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাহস এর প্রধান সমন্বয়কারী সবুর বাদশা। তিনি উপস্থিত সকলকে সাহস এর পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন – ২০০৬ সালের আজকের এই দিনে মাত্র ৭ জন ছাত্রছাত্রী নিয়ে স্কুলের যাত্রা শুরু হয়েছিলো, আজ এসে দাঁড়িয়েছে ২৪০ জনে। এই দীর্ঘ সময়ে স্কুলটি অভিভাবকদের আস্থা অর্জন ও তার পথ সীমানার পরিধি বিস্তৃতি লাভ করেছে। এ সবই সম্ভব হয়েছে এলাকাবাসীর সহযোগিতা, শিক্ষকদের নিষ্ঠা ও আন্তরিকতা, সর্বপরি সাহস এর প্রতিষ্ঠাতা নাজমুল হুদা রতন এর দূরদৃষ্টি ও সময়োপযোগী উদ্যোগ। বরুড়া উপজেলায় সর্ব প্রথম জাতীয় পাঠ্যক্রম ইংরেজি মাধ্যম অনুসরণ করে পরিচালিত সাহস স্কুল ইতোমধ্যে সক্ষমতা প্রদর্শন করতে সক্ষম হয়েছে। যে কোনো পথই পাড়ি দেয়া সহজ নয়। হাজারো প্রতিকূলতা পেরিয়ে সাহস আজ সুনাম অর্জন করেছে।
তিনি বলেন শিক্ষা, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক উন্নয়নে সাহস নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। স্কুলের পাশাপাশি চালু রয়েছে সাহস লাইব্রেরি, সাংস্কৃতিক কার্যক্রম। তিনি বরুড়া উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তাবৃন্দ, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সহ সংশ্লিষ্ট সকলকে সার্বিক সহযোগিতা করার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি উপস্থিত সকলে কে বরাবরের মতো সাহসের সাথে থাকার আহবান জানান।
এরপর বক্তব্য রাখেন সাহস স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শামীমা ইয়াছিন সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন সাহস স্কুল আজ এলাকায় একটি অনন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসাবে পরিচিতি লাভ করেছে। এটা সম্ভব হয়েছে ছাত্র, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে সুন্দর সমন্বয়ের কারণে। সাহস স্কুল শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলা সহ শিশুদের মেধা বিকাশের জন্য সাংস্কৃতিক কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। যার ফলে কোমলপ্রাণ শিশুদের মধ্যে থাকা প্রতিভা বিকাশ সহজতর হয়। তিনি আরো বলেন তারই ধারাবাহিকতায় আজকের এই বিশেষ দিনে আয়োজন করা হয়েছে বাৎসরিক ক্রীড়া অনুষ্ঠান। তিনি বলেন খেলাধুলা শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ঘটায়। তিনি সকলকে শিশুদের প্রতি যত্নবান থাকার কথা উল্লেখ পূর্বক আজকের অনুষ্ঠান উপভোগ করার কথা বলেন।
এরপর ছাত্রছাত্রীদের বল নিক্ষেপ, দৌড়, চেয়ার খেলা, বিস্কুট খেলা, মোরগ যুদ্ধ সহ নানা ধরনের খেলা অনুষ্ঠিত হয়। এ ছাড়াও অভিভাবক ও শিক্ষকদের বালিশ খেলা, হাড়ি ভাংগা খেলা আয়োজনকে আরো আনন্দমুখর করে তোলে।
খেলাধুলা পরিচালনা করেন স্কুলের শিক্ষক মোঃ মনির হোসেন ও সহযোগিতা করেন সকল শিক্ষকবৃন্দ। উপস্থাপনা করেন সুমিত্রা রানী দাস।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাহস এর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও ক্রীড়া অনুষ্ঠান

আপডেট সময় ১০:০৩:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩) সকাল ১০ টায় পালিত হলো সাহস এর ১৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও বাৎসরিক ক্রীড়া অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাহস এর পরিচালক খায়রুল এনাম আলম। শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত করে স্কুলের ছাত্র আব্দুল্লাহ ইবনে ইয়াছিন ও গীতা পাঠ করে সোহা চক্রবর্তী। এরপর সমবেত জাতীয় সংগীত পরিবেশন শেষে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষার প্রতি মমত্ব ও ভালোবাসা প্রকাশ করে সকল শহীদদের স্মারণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাহস এর প্রধান সমন্বয়কারী সবুর বাদশা। তিনি উপস্থিত সকলকে সাহস এর পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন – ২০০৬ সালের আজকের এই দিনে মাত্র ৭ জন ছাত্রছাত্রী নিয়ে স্কুলের যাত্রা শুরু হয়েছিলো, আজ এসে দাঁড়িয়েছে ২৪০ জনে। এই দীর্ঘ সময়ে স্কুলটি অভিভাবকদের আস্থা অর্জন ও তার পথ সীমানার পরিধি বিস্তৃতি লাভ করেছে। এ সবই সম্ভব হয়েছে এলাকাবাসীর সহযোগিতা, শিক্ষকদের নিষ্ঠা ও আন্তরিকতা, সর্বপরি সাহস এর প্রতিষ্ঠাতা নাজমুল হুদা রতন এর দূরদৃষ্টি ও সময়োপযোগী উদ্যোগ। বরুড়া উপজেলায় সর্ব প্রথম জাতীয় পাঠ্যক্রম ইংরেজি মাধ্যম অনুসরণ করে পরিচালিত সাহস স্কুল ইতোমধ্যে সক্ষমতা প্রদর্শন করতে সক্ষম হয়েছে। যে কোনো পথই পাড়ি দেয়া সহজ নয়। হাজারো প্রতিকূলতা পেরিয়ে সাহস আজ সুনাম অর্জন করেছে।
তিনি বলেন শিক্ষা, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক উন্নয়নে সাহস নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। স্কুলের পাশাপাশি চালু রয়েছে সাহস লাইব্রেরি, সাংস্কৃতিক কার্যক্রম। তিনি বরুড়া উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তাবৃন্দ, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সহ সংশ্লিষ্ট সকলকে সার্বিক সহযোগিতা করার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি উপস্থিত সকলে কে বরাবরের মতো সাহসের সাথে থাকার আহবান জানান।
এরপর বক্তব্য রাখেন সাহস স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শামীমা ইয়াছিন সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন সাহস স্কুল আজ এলাকায় একটি অনন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসাবে পরিচিতি লাভ করেছে। এটা সম্ভব হয়েছে ছাত্র, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে সুন্দর সমন্বয়ের কারণে। সাহস স্কুল শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলা সহ শিশুদের মেধা বিকাশের জন্য সাংস্কৃতিক কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। যার ফলে কোমলপ্রাণ শিশুদের মধ্যে থাকা প্রতিভা বিকাশ সহজতর হয়। তিনি আরো বলেন তারই ধারাবাহিকতায় আজকের এই বিশেষ দিনে আয়োজন করা হয়েছে বাৎসরিক ক্রীড়া অনুষ্ঠান। তিনি বলেন খেলাধুলা শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ঘটায়। তিনি সকলকে শিশুদের প্রতি যত্নবান থাকার কথা উল্লেখ পূর্বক আজকের অনুষ্ঠান উপভোগ করার কথা বলেন।
এরপর ছাত্রছাত্রীদের বল নিক্ষেপ, দৌড়, চেয়ার খেলা, বিস্কুট খেলা, মোরগ যুদ্ধ সহ নানা ধরনের খেলা অনুষ্ঠিত হয়। এ ছাড়াও অভিভাবক ও শিক্ষকদের বালিশ খেলা, হাড়ি ভাংগা খেলা আয়োজনকে আরো আনন্দমুখর করে তোলে।
খেলাধুলা পরিচালনা করেন স্কুলের শিক্ষক মোঃ মনির হোসেন ও সহযোগিতা করেন সকল শিক্ষকবৃন্দ। উপস্থাপনা করেন সুমিত্রা রানী দাস।