ঢাকা ০৮:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে সাংস্কৃতিক কর্মীদের বলিষ্ঠ ভূমিকা থাকবে. প্রফেসর মু. নজরুল ইসলাম তামিজী

স্টাফ রিপোর্টার : জাতীয় মানবাধিকার সোসাইটি এর কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মানবাধিকার তাত্ত্বিক, সমাজবিজ্ঞানী প্রফেসর মু. নজরুল ইসলাম তামিজী বলেছেন, “সাংস্কৃতিক কর্মীরা সাড়ে সাত কোটি মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণে অনুপ্রাণিত করতে ও সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার মাধ্যমে একটি জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত উন্নত-সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে সাংস্কৃতিক কর্মীদের বলিষ্ঠ ভূমিকা থাকবে।” গত ১৪মে ২০২৩ রোববার সন্ধ্যা ৭.০০টায় রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি সংগীত ও নৃত্য মিলনায়তনে পালকি শিল্পীগোষ্ঠী কর্তৃক আয়োজিত ‘স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মানে সাংস্কৃতিক কর্মীদের ভুমিকা ‘ শীর্ষক আলোচনা ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। শফিকুল আলম বাবুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পেশাজীবি সমন্বয় পরিষদের যুগ্ম মহাসচিব অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলী চৌধুরী মানিক। বক্তব্য রাখেন দৈনিক স্বদেশ বিচিত্রা সম্পাদক কবি অশোক ধর, প্রফেসর ড. সন্দীপক মল্লিক, দৈনিক মুক্তির লড়াই এর সম্পাদক কামরুজ্জামান জনি, বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক লীগ (বাকশাল) মহাসচিব জহিরুল কাইয়ুম, পালকি শিল্পীগোষ্ঠী এর চেয়ারম্যান অভিনেতা এবি বাদল, শ্রমিক সংগঠক এম এ আউয়াল, কণ্ঠশিল্পী সাকিব সুলেরি, পালকি শিল্পীগোষ্ঠী এর সদস্য সচিব রহিম ফরাজি, বাংলাদেশ সংস্কৃতি ফোরাম এর সাধারণ সম্পাদক মেনন চৌধুরী প্রমুখ। অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ লিগ্যাল এন্ড হিউম্যান রাইটস সার্ভিসেস ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ইব্রাহিম খলিল মজুমদার।

প্রফেসর মু. নজরুল ইসলাম তামিজী আরও বলেন, ‘দেশের যেকোনো সংকটময় মুহূর্তে অথবা অন্য যেকোনো আপদকালীন সময়ে সাংস্কৃতিক কর্মীরা সাহসী ভূমিকা পালন করেন। সাংস্কৃতিক কর্মীদের জীবনমান উন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি আমাদের সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।’

অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলী চৌধুরী মানিক প্রধান আলোচকের বক্তব্যে বলেন,’ স্মার্ট বাংলাদেশ ও মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় শিল্প সাহিত্য সংস্কৃতির ভুমিকা অপরিহার্য। মুক্তিযুদ্ধের ন্যায় দেশ গঠনেও সাংস্কৃতিক কর্মীদের অবদান রাখতে হবে।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মোহাম্মদ নাজমুল হাসান মিলন। সাংস্কৃতিক পর্বে অংশ নেন কণ্ঠশিল্পী শুক্লা রানী দাশ (ভারত), কণ্ঠশিল্পী তানিয়া, কন্ঠশিল্পী নেহা, কণ্ঠশিল্পী মুক্তি, কণ্ঠশিল্পী সাথী, কণ্ঠশিল্পী নিঝুম, কণ্ঠশিল্পী রুমা, অভিনয় ও নৃত্যশিল্পী হাবিবা, আলামিন, সোহাগ, আলমগীর, তন্ময়,বৃষ্টিসহ পালকি শিল্পীগোষ্ঠীর শিল্পীবৃন্দ।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে সাংস্কৃতিক কর্মীদের বলিষ্ঠ ভূমিকা থাকবে. প্রফেসর মু. নজরুল ইসলাম তামিজী

আপডেট সময় ১২:৪৪:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ মে ২০২৩

স্টাফ রিপোর্টার : জাতীয় মানবাধিকার সোসাইটি এর কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মানবাধিকার তাত্ত্বিক, সমাজবিজ্ঞানী প্রফেসর মু. নজরুল ইসলাম তামিজী বলেছেন, “সাংস্কৃতিক কর্মীরা সাড়ে সাত কোটি মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণে অনুপ্রাণিত করতে ও সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার মাধ্যমে একটি জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত উন্নত-সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে সাংস্কৃতিক কর্মীদের বলিষ্ঠ ভূমিকা থাকবে।” গত ১৪মে ২০২৩ রোববার সন্ধ্যা ৭.০০টায় রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি সংগীত ও নৃত্য মিলনায়তনে পালকি শিল্পীগোষ্ঠী কর্তৃক আয়োজিত ‘স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মানে সাংস্কৃতিক কর্মীদের ভুমিকা ‘ শীর্ষক আলোচনা ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। শফিকুল আলম বাবুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পেশাজীবি সমন্বয় পরিষদের যুগ্ম মহাসচিব অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলী চৌধুরী মানিক। বক্তব্য রাখেন দৈনিক স্বদেশ বিচিত্রা সম্পাদক কবি অশোক ধর, প্রফেসর ড. সন্দীপক মল্লিক, দৈনিক মুক্তির লড়াই এর সম্পাদক কামরুজ্জামান জনি, বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক লীগ (বাকশাল) মহাসচিব জহিরুল কাইয়ুম, পালকি শিল্পীগোষ্ঠী এর চেয়ারম্যান অভিনেতা এবি বাদল, শ্রমিক সংগঠক এম এ আউয়াল, কণ্ঠশিল্পী সাকিব সুলেরি, পালকি শিল্পীগোষ্ঠী এর সদস্য সচিব রহিম ফরাজি, বাংলাদেশ সংস্কৃতি ফোরাম এর সাধারণ সম্পাদক মেনন চৌধুরী প্রমুখ। অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ লিগ্যাল এন্ড হিউম্যান রাইটস সার্ভিসেস ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ইব্রাহিম খলিল মজুমদার।

প্রফেসর মু. নজরুল ইসলাম তামিজী আরও বলেন, ‘দেশের যেকোনো সংকটময় মুহূর্তে অথবা অন্য যেকোনো আপদকালীন সময়ে সাংস্কৃতিক কর্মীরা সাহসী ভূমিকা পালন করেন। সাংস্কৃতিক কর্মীদের জীবনমান উন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি আমাদের সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।’

অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলী চৌধুরী মানিক প্রধান আলোচকের বক্তব্যে বলেন,’ স্মার্ট বাংলাদেশ ও মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় শিল্প সাহিত্য সংস্কৃতির ভুমিকা অপরিহার্য। মুক্তিযুদ্ধের ন্যায় দেশ গঠনেও সাংস্কৃতিক কর্মীদের অবদান রাখতে হবে।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মোহাম্মদ নাজমুল হাসান মিলন। সাংস্কৃতিক পর্বে অংশ নেন কণ্ঠশিল্পী শুক্লা রানী দাশ (ভারত), কণ্ঠশিল্পী তানিয়া, কন্ঠশিল্পী নেহা, কণ্ঠশিল্পী মুক্তি, কণ্ঠশিল্পী সাথী, কণ্ঠশিল্পী নিঝুম, কণ্ঠশিল্পী রুমা, অভিনয় ও নৃত্যশিল্পী হাবিবা, আলামিন, সোহাগ, আলমগীর, তন্ময়,বৃষ্টিসহ পালকি শিল্পীগোষ্ঠীর শিল্পীবৃন্দ।