ঢাকা ০১:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ মার্চ ২০২৫, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ড. মোমেনের সাথে চেক প্রজাতন্ত্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

চেক প্রজাতন্ত্র বাংলাদেশের সাথে ব্যবসা-বাণিজ্য, পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও কৃষিখাতে সহযোগিতা বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বৃহস্পতিবার (২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩) জাতিসংঘ সদর দপ্তরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৮তম অধিবেশনের সাইড লাইনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেনের সাথে অনুষ্ঠিত দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে চেক প্রজাতন্ত্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী Jan Lipavský তাঁর দেশের এ আগ্রহের কথা জানান।

বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার ক্ষেত্র আরো প্রসারিত করার বিষয়ে উভয় মন্ত্রীর মধ্যে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।

বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন চেক প্রজাতন্ত্রের সাথে বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন এবং স্বাধীন বাংলাদেশকে প্রথম দিকেই স্বীকৃতি প্রদানের জন্য বাংলাদেশের জনগণের কৃতজ্ঞতার কথা জানান। ড. মোমেন গত ১৪ বছরে বাংলাদেশের ব্যাপক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের কথা তুলে ধরে বলেন, কৃষি খাত ছাড়াও বাংলাদেশ তৈরি পোষাক, ফার্মাসিউটিক্যালসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নতি সাধন করেছে এবং বাংলাদেশ এক্ষেত্রে চেক প্রজাতন্ত্রের সাথে বাণিজ্য বাড়াতে চায়। এছাড়া তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে বাংলাদেশের বিপুল দক্ষ জনশক্তি রয়েছে যা চেক প্রজাতন্ত্র কাজে লাগাতে পারে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ড. মোমেনের সাথে চেক প্রজাতন্ত্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

আপডেট সময় ০৪:৫৫:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

চেক প্রজাতন্ত্র বাংলাদেশের সাথে ব্যবসা-বাণিজ্য, পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও কৃষিখাতে সহযোগিতা বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বৃহস্পতিবার (২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩) জাতিসংঘ সদর দপ্তরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৮তম অধিবেশনের সাইড লাইনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেনের সাথে অনুষ্ঠিত দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে চেক প্রজাতন্ত্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী Jan Lipavský তাঁর দেশের এ আগ্রহের কথা জানান।

বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার ক্ষেত্র আরো প্রসারিত করার বিষয়ে উভয় মন্ত্রীর মধ্যে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।

বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন চেক প্রজাতন্ত্রের সাথে বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন এবং স্বাধীন বাংলাদেশকে প্রথম দিকেই স্বীকৃতি প্রদানের জন্য বাংলাদেশের জনগণের কৃতজ্ঞতার কথা জানান। ড. মোমেন গত ১৪ বছরে বাংলাদেশের ব্যাপক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের কথা তুলে ধরে বলেন, কৃষি খাত ছাড়াও বাংলাদেশ তৈরি পোষাক, ফার্মাসিউটিক্যালসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নতি সাধন করেছে এবং বাংলাদেশ এক্ষেত্রে চেক প্রজাতন্ত্রের সাথে বাণিজ্য বাড়াতে চায়। এছাড়া তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে বাংলাদেশের বিপুল দক্ষ জনশক্তি রয়েছে যা চেক প্রজাতন্ত্র কাজে লাগাতে পারে।