
বিশেষ প্রতিনিধিঃ
নিউইয়র্কে গভীর শ্রদ্ধায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ১০৫তম জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস ১৭ মার্চ,ঐতিহাসিক ৭ মার্চ এবং ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ৫৪তম দিবস পালিত হয়েছে গত ১৭ই মার্চ-২৫
জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ১৭ মার্চ নিউইয়র্কে এক আলোচনা সভা ও দোয়া-মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। সিটির জ্যাকসন হাইটসে সানাই রেস্টুরেন্টের পার্টি হলে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ‘যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও আওয়ামী পরিবার’ এবং সকল সহযোগী অংগসংগঠন সমুহ ।
যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের অন্যতম উপদেষ্টা ও বাকসুর সাবেক জিএস ড. প্রদিপ করের সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হাসিব মামুনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল এবং দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএফইউজের সাবেক মহাসচিব ও ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের সাবেক প্রেস মিনিস্টার সাংবাদিক শাবান মাহমুদ ।বিশেষ অতিথি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের অন্যতম উপদেষ্টা সিনিয়র সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন,অন্যতম উপদেষ্টা ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রমেশ চন্দ্র নাথা,বীরমুক্তিযোদ্ধা শওকত আকবর রিচি ও বীরমুক্তিযোদ্ধা ফারুক হোসাইন ।এতে বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মহিউদ্দীন দেওয়ান,দফতর সম্পাদক প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী,আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহ মোঃবখতিয়ার,শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক এমএ করিম জাহাঙ্গীর,আওযামী লীগ নেতা আখতার হোসেন, টি মোল্লাহ, আসাফ মাসুক,শহিদুল ইসলাম,খন্দকার জাহেদুল ইসলাম,দেলওয়ার হোসেন মোল্লাহ,সাখাওয়াত আলী,সাখাওয়াত বিশ্বাস, নিউইয়র্ক স্টেট আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শেখ আতিকুল ইসলাম,সহ সভাপতি আবুল কাশেম ভূঁইয়া,সহসভাপতি সুব্রত তালুকদাকানেকটিকাট স্টেট আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ূন আহমেদ চৌধুরী, যুক্তরাষ্ট্র। মহিলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রুমানা আক্তার,যুক্তরাষ্ট্র স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি নুরুজ্জামান সর্দার, যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জেড এ জয,যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক জুয়েল আহমেদ, যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের নেতা শেখ জামাল, যুবলীগ নেতা জাহিদ হোসেন, শেখ হাসিনা মঞ্চের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা জালাল উদ্দিন জলিল, সাধারণ সম্পাদক কায়কোবাদ খান প্রমুখ। অনুষ্ঠানে নেতৃবৃন্দের মধ্যে আরো ছিলেন বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি মো. কাদের মিয়া, সহ-সভাপতি জাফরউল্লাহ এবং আবু তাহের রহমান মামুন, যুক্তরাষ্ট্র ছাএলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর এইচ মিয়া,সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম-মুক্তিযুদ্ধ’৭১ এর সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল বাশার চুন্নু ।
এতে সভাপতির বক্তব্যে বাকসুর সাবেক জিএস বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. প্রদীপ কর বলেন, বাঙালি জাতির স্বাধীনতার জন্যে নিজের জীবন-যৌবন উৎসর্গকারি বিরল ব্যক্তিত্বের অধিকারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব। তার নেতৃত্বে পাওয়া স্বাধীনতাকে আজ তছনছ করার গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। ইতিহাসের পাতা থেকে এই মহানায়কের অবদানকে মুছে ফেলার ঔদ্ধ্যত্ব দেখাচ্ছে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তি ও নব্য রাজাকাররা। ড. প্রদীপ কর বলেন, এহেন অব্স্থার পরিসমাপ্তি ঘটাতে একাত্তরের চেতনায় আবারো প্রবাসী বাঙালিদের দুর্বার আন্দোলনের ডাক নিয়ে এসেছে এবারের জন্মদিন।
বক্তারা বলেন, ১/১১ পরবর্তী সময়ের ন্যায় এখনো বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সদস্যসহ আওয়ামী লীগের নেতাদের বিরুদ্ধে মিডিয়া ট্রায়াল চলছে। অপপ্রচারের সাগরে আওয়ামী লীগের ইমেজ ধ্বংসের এই নীল নক্সা রুখে দিতে প্রবাসের সকলকে সরব থাকতে হবে। বক্তারা অভিযোগ করেন, অন্যথায় বাংলাদেশের ভাগ্য আফগানিস্তান আর পাকিস্তানের মত হতে বিলম্ব হবে না। তেমন জঘন্য ষড়যন্ত্রের মাস্টারমাইন্ড হচ্ছেন অধ্যাপক ইউনূস। জামাত-শিবিরকে সাথে নিয়ে অধ্যাপক ইউনূস বিশেষ এই মিশন নিয়ে মাঠে নেমেছেন বলেও বক্তারা উল্লেখ করেন। বক্তারা বলেন, শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে বাঙালিরা আজ হতাশ। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বলতে কিছুই নেই। নব্য রাজাকারদের ইশারায় বিচার কার্য চলছে শুধুমাত্র আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে। তাই বাংলাদেশে আইনের শাসনের স্বার্থে এবং উন্নয়নের ফল্গুধারা আবারো প্রবাহিত করার অভিপ্রায়ে অবিলম্বে শেখ হাসিনাকে প্রত্যাবর্তনের বিকল্প নেই বলেও মন্তব্য করেন বক্তারা।
আলোচনা সমাবেশের আগে বঙ্গবন্ধুসহ জাতীয় চার নেতা, ১৫ আগস্টে নিহত সকলের আত্মার মাগফেরাত কামনা এবং ৫ আগস্টের ইসলামিক জঙ্গিদের হাতে নিহত আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ-যুবলীগ-স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা-কর্মীগণের আত্মার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয় আওয়ামী লীগ নেতা টি মোল্লার নেতৃত্বে।
বক্তারা বলেন, ১/১১ পরবর্তী সময়ের ন্যায় এখনো বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সদস্যসহ আওয়ামী লীগের নেতাদের বিরুদ্ধে মিডিয়া ট্রায়াল চলছে। অপপ্রচারের সাগরে আওয়ামী লীগের ইমেজ ধ্বংসের এই নীল নক্সা রুখে দিতে প্রবাসের সকলকে সরব থাকতে হবে। বক্তারা অভিযোগ করেন, অন্যথায় বাংলাদেশের ভাগ্য আফগানিস্তান আর পাকিস্তানের মত হতে বিলম্ব হবে না। তেমন জঘন্য ষড়যন্ত্রের মাস্টারমাইন্ড হচ্ছেন অধ্যাপক ইউনূস। জামাত-শিবিরকে সাথে নিয়ে অধ্যাপক ইউনূস বিশেষ এই মিশন নিয়ে মাঠে নেমেছেন বলেও বক্তারা উল্লেখ করেন। বক্তারা বলেন, শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে বাঙালিরা আজ হতাশ। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বলতে কিছুই নেই। নব্য রাজাকারদের ইশারায় বিচার কার্য চলছে শুধুমাত্র আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে। তাই বাংলাদেশে আইনের শাসনের স্বার্থে এবং উন্নয়নের ফল্গুধারা আবারো প্রবাহিত করার অভিপ্রায়ে অবিলম্বে শেখ হাসিনাকে প্রত্যাবর্তনের বিকল্প নেই বলেও মন্তব্য করেন বক্তারা।
আলোচনা সমাবেশের আগে বঙ্গবন্ধুসহ জাতীয় চার নেতা, ১৫ আগস্টে নিহত সকলের আত্মার মাগফেরাত কামনা এবং ৫ আগস্টের ইসলামিক জঙ্গিদের হাতে নিহত আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ-যুবলীগ-স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা-কর্মীগণের আত্মার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয় আওয়ামী লীগ নেতা টি মোল্লার নেতৃত্বে। সভা শেষে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের অন্যতম উপদেষ্টা ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রমেশ চন্দ্র নাথের সৌজন্য সবাইকে জাতির পিতা বংগবন্ধুর শেখ মুজিবর রহমানের ১০৫তম জন্মদিনের বিশাল কেক পরিবেশন করা হয় ।