ঢাকা ০৮:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ২০ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo আড্ডা উমেদিয়া উচ্চ বিদ্যালয় প্রাক্তন ছাত্র ঐক্য পরিষদের কমিটি গটন Logo কালীগঞ্জে ঈদ পূর্নমিলনী ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত Logo ঠাকুরগাঁও সদর থানার ওসির বিরুদ্ধে মামলা বাণিজ্যসহ নানানরকম অভিযোগ Logo শহীদদের আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ বিনির্মাণে এ সরকারের চেষ্টা আছে- তথ্য উপদেষ্টা Logo গলাচিপায় ট্রলার ডুবিতে নিখোঁজ হওয়া যুবকের লাশ উদ্ধার Logo ঝলম ইউনাইটেড ক্লাবের আহবায়ক কমিটি গঠন Logo বুড়িচংয়ে হাওয়ার মেশিন বিস্ফারণে নিহত ১ Logo বরুড়ায় টিম ফর ফিউচার এর ঈদ পূনর্মিলনী অনুষ্ঠান Logo লোহাগাড়ায় বাস-মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত ১০ জন নিহত (ভিডিও) Logo কটিয়াদীতে নৈশ প্রহরীর স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

বিআইডব্লিউটিএ’র দুর্নীতিবাজ প্রধান প্রকৌশলী (মেরিন) আতাহার কি আইনের উর্ধ্বে?

শাহীন শিকদার

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) যেন টাকার খনি। এই প্রতিষ্ঠানে যারাই চাকুরী করেন তারাই কোটিপতি বনে যান। চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারি থেকে শুরু করে প্রকৌশলী, প্রধান প্রকৌশলী ও পরিচালকসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা যে যেভাবে পারছেন প্রতিষ্ঠানটির রক্ত চুষে খাচ্ছেন।

তারা একেকজন প্রায় ১০/১২ বছর বা তারও অধিক সময় ধরে বিআইডব্লিউটিএর প্রধান কার্যালয়ের এক একটি শাখায় কর্মরত থাকার সুবাদে অনিয়াম ও দুর্নীতি ও নিজস্ব সিন্ডিকেট ঠিকাদারদের সাথে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ব্যবসার মাধ্যমে কাড়ি কাড়ি টাকা হাতিয়ে নিয়ে দেশে-বিদেশে গড়েছেন সম্পদের পাহাড়।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ঘুষ অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বিআইডব্লিউটিএ এর প্রধান প্রকৌশলী (মেরিন) মোঃ আতাহার আলী সরদার সীমাহীন ঘুষ অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে নামে বেনামে গড়েছেন সম্পদের পাহাড়।প্রধান প্রকৌশলী(মেরিন) মোঃ আতাহার আলী সরদার এর ঘুষ অনিয়ম ও দুর্নীতি দেখার কেউ নাই!

বিআইডব্লিউটিএ এর মেরিন শাখায় সহকারী প্রকৌশলী হিসাবে যোগদানের পর ধাপে ধাপে পদোন্নতি পেয়ে বর্তমানে প্রধান প্রকৌশলীর দায়িত্বে।ধাপে ধাপে পদোন্নতির সাথে সাথে ঘুষ অনিয়ম ও দুর্নীতিতে আরও পারদর্শী হয়ে উঠেন এবং ঘুষ অনিয়ম ও দুর্নীতিকে পেশা হিসাবে নিয়েছেন যাহা বিআইডব্লিউটিএ ভবনে ওপেন সিক্রেট।যদিও সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সরকার গঠিত প্রবিধানের সাথে ঘুষ অনিয়ম ও দুর্নীতি কর্মকান্ড সাংঘর্ষিক হলেও আতাহার আলীর কাছে ওই সব থোঠাই কেয়ার এর সমান।দীর্ঘ অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে আতাহার আলীর অনিয়ম দুর্নীতির নানান ফিরিস্তি।

অনুসন্ধানে জানা যায় মেরিন শাখার যেই কোন দরপত্র আহবানের পর প্রতিটি ঠিকাদারি কাজে তার সিন্ডিকেটের চাহিদা মতো ঘুষ ৫% থেকে ১৫% পর্যন্ত কমিশন নিয়ে থাকেন এবং বড় বড় ঠিকাদারি কাজে ৩০ থেকে ৪০% লভ্যাংশের অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে নিজের পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ দিয়ে থাকেন। অন্য দিকে ঠিকাদারি কাজে কমিশনের বাণিজ্যের রফাদফা করার জন্য তাকে প্রায়ই রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন নামিদামি রেস্টুরেন্টে বৈঠক করতে দেখা যায়।এছাড়াও বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী ও নৌ-প্রতিমন্ত্রীর এপিএস এর নাম ভাঙ্গিয়ে নিজের পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ দিয়ে দু’হাতে কাড়ি কাড়ি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে বিআইডব্লিউটিএ’র একাধিক সূত্র জানায়।প্রধান প্রকৌশলী (মেরিন) মোঃ আতাহার আলী সরদার এর ঘুষ কমিশন বাণিজ্য অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএ এর তালিকাভুক্ত কয়েকজন ঠিকাদারের সাথে কথা বললে নাম প্রকাশ না করার শর্তে তারা বলেন আতাহার আলী সরদার স্যার এমএমই শাখায় সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে যোগদান করার পরে ধাপে ধাপে পদোন্নতি পেয়ে বর্তমানে প্রধান প্রকৌশলী দায়িত্বে আছেন এবং স্যার এর সবচেয়ে বড় গুণ হলো তিনি নিজের পছন্দের ঠিকাদারদের থেকে কমিশন বাণিজ্যের টাকা অগ্রিম নিলেও কখনো বেইমানি করেন না ঠিকই দুদিন আগে আর পরে কাজ দিয়ে থাকেন!

অন্য আরেকজন ঠিকাদার বলেন স্যারের অত্যন্ত পছন্দের খাবার হচ্ছে সামুদ্রিক বড় বড় মাছ,কচি ষাঁড় গরুর মাংস,পদ্মার বড় বড় ডিমওয়ালা ইলিশ মাছ এই সব স্যারকে খুশি করার জন্য বাসায় পৌঁঁছিয়ে দিয়ে আসেন কারণ স্যার ম্যাডাম খুশি তো এমএমই শাখায় কাজ পাওয়া শতভাগ নিশ্চিত! অন্য আরেকজন ঠিকাদার আক্ষেপ করে বলেন বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ঘুষ অনিয়ম দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো ট্রলারেন্স নীতি ঘোষণা করলেও বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মতো এমএমই শাখার প্রধান প্রকৌশলী আতাহার আলী সাহেব সরকারের এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এই নীতিকে থোড়াই কেয়ার করে ঘুষ দুর্নীতি অনিয়ম ও কমিশন বাণিজ্যের জন্য এমএমই শাখায় নিজের অধীনস্থ কর্মকর্তাদের দিয়ে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট তৈরি করেছেন উক্ত সিন্ডিকেটের নেতৃত্ব তিনি নিজেই।আতাহার আলী স্যার এর সিন্ডিকেট এতই শক্তিশালী যার কারণে ৫ ই আগস্ট পরবর্তী সময়ে বিআইডব্লিউটিএ’র অনেক কর্মকর্তা কর্মচারীদের প্রধান কার্যালয় থেকে বিভিন্ন স্থানে বদলি করা হলেও প্রধান প্রকৌশলী আতাহার আলী মেরিন শাখায় বহাল তবিয়তে থেকে সারা দেশে তার নিজস্ব সিন্ডিকেট সদস্যদের মাধ্যমে টেন্ডারবাজি ও পুরাতন মালামাল ক্রয় বিক্রয় ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন।

এই নিয়ে খোদ বিএডাব্লিউটিএ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।প্রশ্ন জাগে প্রধান প্রকৌশলী আতাহার আলী কি আইনের উর্ধ্বে?এহন দুর্নীতিবাজ দেশ ও জাতির শত্রু।প্রধান প্রকৌশলী আতাহার আলী সরদার (মেরিন) এর দীর্ঘদিনের অনিয়ম দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য যৌথ বাহিনীর মাধ্যমে তদন্ত করা হলে বেরিয়ে আসবে থলের বিড়াল। এখানে উল্লেখ থাকে যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার প্রতিটি ঠিকাদারি কাছে অনিয়ম দুর্নীতি বন্ধ করার জন্য ইজিপি পদ্ধতি চালু করেন কিন্তু বাংলায় একটা প্রবাদ আছে চোরে না শুনে ধর্মের কাহিনী ঠিক তেমনি ইজিপি পদ্ধতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে কাজের গোপন (রেটকোট) তথ্য তিনি যেই সকল ঠিকাদারদের থেকে ঘুষ নিয়ে থাকেন তাদের হাতে তুলে দিয়ে থাকেন এমনকি দরপত্র আহ্বান করার আগেই নির্ধারণ করা থাকে সিন্ডিকেটের কোন কোন ঠিকাদার কাজ পাবে।

এই ইজিপি কাজের বিষয় কয়েকজন ঠিকাদার নাম প্রকাশ না করা শর্তে এই প্রতিবেদককে বলেন সাংবাদিক ভাই আমরা যতই সরকারি নিয়মকানুন মেনে দরপত্র আহ্বানের সকল শর্ত পূরণ করে এমএমই শাখায় টেন্ডার সাবমিট করি না কেন আমরা কাজ পাই না কারণ এমএমই শাখার প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আতাহার আলী সরদার স্যার এর চাহিদা মত ৫% থেকে ১৫% ঘুষ দিতে পারিনা তাই আমরা কাজ পাই না।অন্য এক প্রশ্নের জবাবে উক্ত ভবনে কয়েকজন ঠিকাদার আক্ষেপ করে বলেন ৫% থেকে ১৫% টাকা ঘুষ দেওয়ার পরে আবার যখন কাজ সম্পন্ন করে বিল সাবমিট করি তখন আবারও তাহার চাহিদা মত ঘুষ না দিলে আমাদের কাজের বিল পাস হয় না।সাংবাদিক ভাই আমরা এই সকল অনিয়ম দুর্নীতি থেকে মুক্তি পেতে চাই। এই জন্য বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার কাছে আহ্বান জানাবো বিআইডব্লিউটিএ ভবনের দুর্নীতি বন্ধে যৌথবাহিনীর মাধ্যমে তদন্ত করিয়ে দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করে দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করার জন্য। এই সকল ঘুষ কমিশন বাণিজ্য ও অনিয়ম দুর্নীতির বিষয় জানতে প্রধান প্রকৌশলী (মেরিন) মোঃ আতাহার আলী সরদার এর মুঠোফোন বেশ কয়েকবার ফোন দিয়ে ক্ষুদে বার্তা ও ই-মেইল পাঠিয়ে প্রথম দিন কোন সাড়া পাওয়া যায়নি।পরবর্তীতে পরদিন তাহার বক্তব্য জানার জন্য মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে দেখা/জানা যায় যে প্রতিবেদকের মুঠো নাম্বারটি তিনি ব্লক করে রাখেন।
অনুসন্ধান চলমান,,,,,,,

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আড্ডা উমেদিয়া উচ্চ বিদ্যালয় প্রাক্তন ছাত্র ঐক্য পরিষদের কমিটি গটন

SBN

SBN

বিআইডব্লিউটিএ’র দুর্নীতিবাজ প্রধান প্রকৌশলী (মেরিন) আতাহার কি আইনের উর্ধ্বে?

আপডেট সময় ০৩:২০:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ মার্চ ২০২৫

শাহীন শিকদার

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) যেন টাকার খনি। এই প্রতিষ্ঠানে যারাই চাকুরী করেন তারাই কোটিপতি বনে যান। চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারি থেকে শুরু করে প্রকৌশলী, প্রধান প্রকৌশলী ও পরিচালকসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা যে যেভাবে পারছেন প্রতিষ্ঠানটির রক্ত চুষে খাচ্ছেন।

তারা একেকজন প্রায় ১০/১২ বছর বা তারও অধিক সময় ধরে বিআইডব্লিউটিএর প্রধান কার্যালয়ের এক একটি শাখায় কর্মরত থাকার সুবাদে অনিয়াম ও দুর্নীতি ও নিজস্ব সিন্ডিকেট ঠিকাদারদের সাথে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ব্যবসার মাধ্যমে কাড়ি কাড়ি টাকা হাতিয়ে নিয়ে দেশে-বিদেশে গড়েছেন সম্পদের পাহাড়।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ঘুষ অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বিআইডব্লিউটিএ এর প্রধান প্রকৌশলী (মেরিন) মোঃ আতাহার আলী সরদার সীমাহীন ঘুষ অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে নামে বেনামে গড়েছেন সম্পদের পাহাড়।প্রধান প্রকৌশলী(মেরিন) মোঃ আতাহার আলী সরদার এর ঘুষ অনিয়ম ও দুর্নীতি দেখার কেউ নাই!

বিআইডব্লিউটিএ এর মেরিন শাখায় সহকারী প্রকৌশলী হিসাবে যোগদানের পর ধাপে ধাপে পদোন্নতি পেয়ে বর্তমানে প্রধান প্রকৌশলীর দায়িত্বে।ধাপে ধাপে পদোন্নতির সাথে সাথে ঘুষ অনিয়ম ও দুর্নীতিতে আরও পারদর্শী হয়ে উঠেন এবং ঘুষ অনিয়ম ও দুর্নীতিকে পেশা হিসাবে নিয়েছেন যাহা বিআইডব্লিউটিএ ভবনে ওপেন সিক্রেট।যদিও সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সরকার গঠিত প্রবিধানের সাথে ঘুষ অনিয়ম ও দুর্নীতি কর্মকান্ড সাংঘর্ষিক হলেও আতাহার আলীর কাছে ওই সব থোঠাই কেয়ার এর সমান।দীর্ঘ অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে আতাহার আলীর অনিয়ম দুর্নীতির নানান ফিরিস্তি।

অনুসন্ধানে জানা যায় মেরিন শাখার যেই কোন দরপত্র আহবানের পর প্রতিটি ঠিকাদারি কাজে তার সিন্ডিকেটের চাহিদা মতো ঘুষ ৫% থেকে ১৫% পর্যন্ত কমিশন নিয়ে থাকেন এবং বড় বড় ঠিকাদারি কাজে ৩০ থেকে ৪০% লভ্যাংশের অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে নিজের পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ দিয়ে থাকেন। অন্য দিকে ঠিকাদারি কাজে কমিশনের বাণিজ্যের রফাদফা করার জন্য তাকে প্রায়ই রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন নামিদামি রেস্টুরেন্টে বৈঠক করতে দেখা যায়।এছাড়াও বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী ও নৌ-প্রতিমন্ত্রীর এপিএস এর নাম ভাঙ্গিয়ে নিজের পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ দিয়ে দু’হাতে কাড়ি কাড়ি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে বিআইডব্লিউটিএ’র একাধিক সূত্র জানায়।প্রধান প্রকৌশলী (মেরিন) মোঃ আতাহার আলী সরদার এর ঘুষ কমিশন বাণিজ্য অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএ এর তালিকাভুক্ত কয়েকজন ঠিকাদারের সাথে কথা বললে নাম প্রকাশ না করার শর্তে তারা বলেন আতাহার আলী সরদার স্যার এমএমই শাখায় সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে যোগদান করার পরে ধাপে ধাপে পদোন্নতি পেয়ে বর্তমানে প্রধান প্রকৌশলী দায়িত্বে আছেন এবং স্যার এর সবচেয়ে বড় গুণ হলো তিনি নিজের পছন্দের ঠিকাদারদের থেকে কমিশন বাণিজ্যের টাকা অগ্রিম নিলেও কখনো বেইমানি করেন না ঠিকই দুদিন আগে আর পরে কাজ দিয়ে থাকেন!

অন্য আরেকজন ঠিকাদার বলেন স্যারের অত্যন্ত পছন্দের খাবার হচ্ছে সামুদ্রিক বড় বড় মাছ,কচি ষাঁড় গরুর মাংস,পদ্মার বড় বড় ডিমওয়ালা ইলিশ মাছ এই সব স্যারকে খুশি করার জন্য বাসায় পৌঁঁছিয়ে দিয়ে আসেন কারণ স্যার ম্যাডাম খুশি তো এমএমই শাখায় কাজ পাওয়া শতভাগ নিশ্চিত! অন্য আরেকজন ঠিকাদার আক্ষেপ করে বলেন বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ঘুষ অনিয়ম দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো ট্রলারেন্স নীতি ঘোষণা করলেও বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মতো এমএমই শাখার প্রধান প্রকৌশলী আতাহার আলী সাহেব সরকারের এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এই নীতিকে থোড়াই কেয়ার করে ঘুষ দুর্নীতি অনিয়ম ও কমিশন বাণিজ্যের জন্য এমএমই শাখায় নিজের অধীনস্থ কর্মকর্তাদের দিয়ে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট তৈরি করেছেন উক্ত সিন্ডিকেটের নেতৃত্ব তিনি নিজেই।আতাহার আলী স্যার এর সিন্ডিকেট এতই শক্তিশালী যার কারণে ৫ ই আগস্ট পরবর্তী সময়ে বিআইডব্লিউটিএ’র অনেক কর্মকর্তা কর্মচারীদের প্রধান কার্যালয় থেকে বিভিন্ন স্থানে বদলি করা হলেও প্রধান প্রকৌশলী আতাহার আলী মেরিন শাখায় বহাল তবিয়তে থেকে সারা দেশে তার নিজস্ব সিন্ডিকেট সদস্যদের মাধ্যমে টেন্ডারবাজি ও পুরাতন মালামাল ক্রয় বিক্রয় ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন।

এই নিয়ে খোদ বিএডাব্লিউটিএ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।প্রশ্ন জাগে প্রধান প্রকৌশলী আতাহার আলী কি আইনের উর্ধ্বে?এহন দুর্নীতিবাজ দেশ ও জাতির শত্রু।প্রধান প্রকৌশলী আতাহার আলী সরদার (মেরিন) এর দীর্ঘদিনের অনিয়ম দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য যৌথ বাহিনীর মাধ্যমে তদন্ত করা হলে বেরিয়ে আসবে থলের বিড়াল। এখানে উল্লেখ থাকে যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার প্রতিটি ঠিকাদারি কাছে অনিয়ম দুর্নীতি বন্ধ করার জন্য ইজিপি পদ্ধতি চালু করেন কিন্তু বাংলায় একটা প্রবাদ আছে চোরে না শুনে ধর্মের কাহিনী ঠিক তেমনি ইজিপি পদ্ধতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে কাজের গোপন (রেটকোট) তথ্য তিনি যেই সকল ঠিকাদারদের থেকে ঘুষ নিয়ে থাকেন তাদের হাতে তুলে দিয়ে থাকেন এমনকি দরপত্র আহ্বান করার আগেই নির্ধারণ করা থাকে সিন্ডিকেটের কোন কোন ঠিকাদার কাজ পাবে।

এই ইজিপি কাজের বিষয় কয়েকজন ঠিকাদার নাম প্রকাশ না করা শর্তে এই প্রতিবেদককে বলেন সাংবাদিক ভাই আমরা যতই সরকারি নিয়মকানুন মেনে দরপত্র আহ্বানের সকল শর্ত পূরণ করে এমএমই শাখায় টেন্ডার সাবমিট করি না কেন আমরা কাজ পাই না কারণ এমএমই শাখার প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আতাহার আলী সরদার স্যার এর চাহিদা মত ৫% থেকে ১৫% ঘুষ দিতে পারিনা তাই আমরা কাজ পাই না।অন্য এক প্রশ্নের জবাবে উক্ত ভবনে কয়েকজন ঠিকাদার আক্ষেপ করে বলেন ৫% থেকে ১৫% টাকা ঘুষ দেওয়ার পরে আবার যখন কাজ সম্পন্ন করে বিল সাবমিট করি তখন আবারও তাহার চাহিদা মত ঘুষ না দিলে আমাদের কাজের বিল পাস হয় না।সাংবাদিক ভাই আমরা এই সকল অনিয়ম দুর্নীতি থেকে মুক্তি পেতে চাই। এই জন্য বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার কাছে আহ্বান জানাবো বিআইডব্লিউটিএ ভবনের দুর্নীতি বন্ধে যৌথবাহিনীর মাধ্যমে তদন্ত করিয়ে দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করে দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করার জন্য। এই সকল ঘুষ কমিশন বাণিজ্য ও অনিয়ম দুর্নীতির বিষয় জানতে প্রধান প্রকৌশলী (মেরিন) মোঃ আতাহার আলী সরদার এর মুঠোফোন বেশ কয়েকবার ফোন দিয়ে ক্ষুদে বার্তা ও ই-মেইল পাঠিয়ে প্রথম দিন কোন সাড়া পাওয়া যায়নি।পরবর্তীতে পরদিন তাহার বক্তব্য জানার জন্য মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে দেখা/জানা যায় যে প্রতিবেদকের মুঠো নাম্বারটি তিনি ব্লক করে রাখেন।
অনুসন্ধান চলমান,,,,,,,