
চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং’র স্ত্রী ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) যক্ষ্মা ও এইডস বিষয়ক শুভেচ্ছাদূত পেং লি ইউয়ান ২৪ মার্চ সংস্থাটির ২০২৫ সালের বিশ্ব যক্ষ্মা দিবসের ভিডিও কনফারেন্সে একটি লিখিত বক্তৃতা দিয়েছেন।
বক্তৃতায় পেং লি ইউয়ান বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জোরালো প্রচারণা এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দীর্ঘমেয়াদী প্রচেষ্টার মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী যক্ষ্মা প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ উল্লেখযোগ্য ফলাফল অর্জন করেছে। ২০০০ সাল থেকে ৭ কোটি ৯০ লাখ রোগীর জীবন বাঁচানো গেছে। এটি একটি আশ্চর্যজনক অর্জন! ‘প্রতিশ্রুতিবদ্ধতা, বিনিয়োগ এবং কার্যকলাপ’ এই প্রতিপাদ্যের উপর আলোকপাত করার জন্য ডব্লিউএইচও একটি ভিডিও কনফারেন্সের আয়োজন করেছে, যা সকল পক্ষের শক্তি ব্যাপকভাবে সংগ্রহ, যক্ষ্মার জনস্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় যৌথভাবে সাড়া দেওয়া এবং যক্ষ্মা নির্মূলের লক্ষ্যে দৃঢ় অগ্রগতি অর্জনের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
পেং লি ইউয়ান আরও বলেন, “রোগী-কেন্দ্রিক সহায়ক চিকিৎসা” আরও বৈজ্ঞানিক এবং সম্ভাব্য করে তোলার জন্য চীন যক্ষ্মা প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তির দ্রুত উন্নয়ন প্রচারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যক্ষ্মা প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ কর্মীদের নিরলস প্রচেষ্টার জন্য ধন্যবাদ, চীনে যক্ষ্মা রোগীদের নিরাময়ের হার ৯০ শতাংশের উপরে।
পেং লি ইউয়ান উল্লেখ করেন, বর্তমানে, যক্ষ্মা প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ অনেক অসুবিধা এবং চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। তিনি সকলের সাথে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করতে এবং যক্ষ্মা প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে, ভালোবাসা দিয়ে স্বাস্থ্য রক্ষা করতে, সত্যিকারের অনুভূতি দিয়ে উষ্ণতা প্রকাশ করতে এবং একটি মানব জাতির অভিন্ন স্বার্থের স্বাস্থ্য-সম্প্রদায় গঠনে অবদান রাখতে ইচ্ছুক।
সূত্র :ওয়াং তান হোং রুবি,চায়না মিডিয়া গ্রুপ(সিএমজি)।