ঢাকা ০৪:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo চীনের ১৪তম পাঁচসালা পরিকল্পনার সাফল্য উদযাপন:সি’র নববর্ষের শুভেচ্ছাবার্তা Logo বৈশ্বিক উদ্ভাবন সূচকে শীর্ষ ১০-এ চীন Logo খালেদা জিয়ার বাসভবনে পাকিস্তানের স্পিকার ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ Logo চাঁদপুর বেগম খালেদা জিয়ার গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠি Logo ঈমানী অবিচলতা ও দেশপ্রেমের আলোকবর্তিকা: বেগম খালেদা জিয়া Logo সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেজর জেনারেল (অব.) মাহমুদুল হাসান আর নেই  Logo কালীগঞ্জে বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে কুরআন খতম ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo ভালোবাসা, অশ্রু আর শ্রদ্ধায় মোড়া বিদায়: খালেদা জিয়ার জানাজা সম্পন্ন Logo জাপানের মেট্রো স্ক্রিনে প্রদর্শিত হচ্ছে বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর শোক বার্তা Logo বেইজিংয়ে কেন্দ্রীয় গ্রামীণ কর্ম সম্মেলন

বৈশ্বিক উদ্ভাবন সূচকে শীর্ষ ১০-এ চীন

  • আন্তর্জাতিক:
  • আপডেট সময় ০১:৪৫:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

২০২৫ সালে চীনে বিদেশী বিনিয়োগ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা দেশের অর্থনীতির শক্তিশালী প্রাণশক্তি প্রদর্শন করে। আন্তর্জাতিক অদৃশ্য চ্যাম্পিয়নস অ্যাসোসিয়েশনের সম্মানসূচক সভাপতি হারমান সাইমন সিএমজি’র সাংবাদিককে বলেন, “আমি প্রায় ৭৫ বার চীনে এসেছি। এখানে সর্বত্রই নতুনত্ব।” রয়্যাল ফিলিপসের গ্লোবাল সিইও রয় জ্যাকবস বলেন, “আমাদের বেইজিংয়ে একটি উদ্ভাবনকেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা আছে।”

এ ছাড়াও, চলতি বছর বেইজিংয়ে অ্যাস্ট্রাজেনেকার গ্লোবাল স্ট্র্যাটেজিক আরএন্ডডি সেন্টার ও ডট্রনিকের প্রথম ডিজিটাল হেলথকেয়ার ইনোভেশন কেন্দ্র নির্মিত হয়েছে; শাংহাইয়ে হেনকেলের নতুন অ্যাপ্লিকেশন প্রযুক্তি কেন্দ্র ও পোর্শে চায়না আরএন্ডডি কেন্দ্র নির্মিত হয়েছে।

২০২৫ সালের প্রথম ১১ মাসে শুধুমাত্র সাংহাইয়ে ৪২টি নতুন বিদেশী বিনিয়োগকৃত গবেষণা ও উন্নয়নকেন্দ্র যুক্ত হয়েছে, যার ফলে মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৩৩-এ।
আজ (বুধবার) বেইজিংয়ে আয়োজিত চীনা রাষ্ট্রীয় পরিষদের তথ্য কার্যালয়ের এক প্রেস ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র জানান, সদ্য প্রকাশিত ‘২০২৫ সালে বৈদেশিক বিনিয়োগ স্থিতিশীল করার জন্য কর্মপরিকল্পনা’ বহির্বিশ্বের জন্য আরও উন্মুক্ততার একটি ইতিবাচক সংকেত দেয়।

সম্প্রতি মার্সিডিজ-বেঞ্জের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ওলা ক্যালেনিয়াস বলেন, চীন সরকার একটি জোরালো সংকেত দিয়েছে: চীন বহির্বিশ্বের জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে। চীনের উপর আস্থা রাখা যায়।
সিমেন্স এজি-র পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান রোল্যান্ড বুশ বলেন, “আমরা প্রথম আন্তঃদেশীয় কোম্পানিগুলোর মধ্যে ছিলাম, যারা মূল্য সংযোজন টেলিযোগাযোগ পরিষেবা পরিচালনার জন্য একটি পাইলট প্রোগ্রামের অনুমোদন পেয়েছিল। এটি চীনে আমাদের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করেছিল।”
ভলভো কনস্ট্রাকশন ইকুইপমেন্ট ইনভেস্টমেন্ট (চীন) কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালক চান স্যু বলেন, “‘বিদেশী বিনিয়োগ উত্সাহিতকারী শিল্পের ক্যাটালগ (২০২৫ সংস্করণ)’ উচ্চ-স্তরের উন্মুক্তকরণ প্রচারের জন্য চীনা সরকারের আস্থা ও দৃঢ় সংকল্পকে সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করে। দ্বিতীয়ত, প্রতিষ্ঠানগুলো এতে শিল্প-শৃঙ্খলকে ক্রমাগত আপগ্রেড করার সুযোগ দেখতে পায়। এই সুযোগগুলোর মাধ্যমে, তারা বিশ্ব বাজারে পরিবেশন করার জন্য চীনের সম্পদ, অবকাঠামো ও নীতিগুলোকে কাজে লাগাতে পারে।”

এদিকে, ২০২৫ সালে বাজার প্রবেশাধিকারের জন্য নেতিবাচক তালিকার নতুন সংস্করণটি আরও সরলীকৃত করা হয়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ১৫০টিরও বেশি বিদেশী বিনিয়োগকারী উদ্যোগ পরিদর্শন করেছে এবং ৮০০টিরও বেশি সমস্যা ও দাবি বাস্তবসম্মতভাবে সমাধান করেছে। ‘আয়া-ধাঁচের’ পরিষেবাটি বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে বেশি প্রশংসা অর্জন করেছে।

নর-ব্রেমসে চীনের প্রেসিডেন্ট পি কুয়াং হং মনে করেন, চীনের উৎপাদন-ভিত্তি বিশ্বের সেরা; সর্বনিম্ন খরচ, দ্রুততম প্রতিক্রিয়া সময় ও পণ্যের সর্বাধিক সম্পূর্ণ পরিসরসহ। তিনি বলেন, “যখনই আমরা সমস্যার সম্মুখীন হই, সরকার আমাদের সাহায্য করে ও দ্রুত সাড়া দেয়। এটিই আমাদের সুঝো ঘাঁটি আরও বড় ও উন্নত করার একটি কারণ।”

বিশ্ব মেধাস্বত্ব সংস্থার গ্লোবাল ইনোভেশন ইনডেক্স ২০২৫ প্রকাশিত হয়েছে এবং চীন প্রথমবারের মতো শীর্ষ ১০-এ প্রবেশ করেছে। আজ, চীন কেবল বিশ্বব্যাপী উদ্ভাবনে অংশগ্রহণকারীই নয়, বরং এ খাতে অগ্রণীও বটে।

অ্যামওয়ে গ্লোবালের সিইও মাইকেল নেলসন বলেন, “আমাদের উসি গবেষণা ও উন্নয়নকেন্দ্র কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উল্লেখযোগ্য ব্যবহার করে। ডিপসিকের সাথে আমাদের একটি শক্তিশালী অংশীদারিত্ব রয়েছে এবং আমরা পণ্য উন্নয়নে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগ করছি।”

চীনে ইউরোপীয় ইউনিয়ন চেম্বার অফ কমার্সের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এক-চতুর্থাংশেরও বেশি কোম্পানি উত্পাদন প্রক্রিয়ার বেশির ভাগ চীনে স্থানান্তর করছে। চীনে জার্মান চেম্বার অফ কমার্সের প্রকাশিত একটি জরিপে বলা হয়, ৯৩ শতাংশ কোম্পানি মনে করে, চীনা বাজারে তাদের উপস্থিতি আরও গভীর করবে। বিশ্বব্যাপী বিখ্যাত অ্যাকাউন্টিং সংস্থা কেপিএমজির একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, চীনে কর্মরত তিন-চতুর্থাংশ বহুজাতিক কোম্পানি ২০২৫ সালের মধ্যে তাদের বিনিয়োগ বজায় রাখবে বা বৃদ্ধি করবে।

২০২৫ সাল হবে বিদেশী ও চীনা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে পারস্পরিক বিনিয়োগ এবং জয়-জয় সহযোগিতার বছর। ২০২৬ সাল চীনের ১৫তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সূচনাবছর এবং বিদেশী বিনিয়োগকারীরা চীনের সাথে সুযোগ ভাগাভাগি করার জন্য উন্মুখ।
টেপেস্ট্রি গ্রুপের প্রধান বৃদ্ধি কর্মকর্তা ও আন্তর্জাতিক ব্যবসার সভাপতি টেপেস্ট্রি সন্দীপ শেঠ বলেন, চীন সরকার সর্বশেষ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায়, বিশেষ করে ক্রমবর্ধমান মধ্যম আয়ের গোষ্ঠীকে কাজে লাগিয়ে, ভোগ বৃদ্ধির জন্য জোরালোভাবে প্রস্তাব করেছে। এটি কোচ অ্যান্ড টেপেস্ট্রির অবস্থানের সাথে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। আমরা এই সুযোগটি পুরোপুরি কাজে লাগাব ও চীনে আমাদের বিনিয়োগ বৃদ্ধি অব্যাহত রাখব।

সিঙ্গাপুর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এশিয়া গবেষণা একাডেমির শিক্ষাবিদ কিশোর মাহবুবানি বলেন, চীন নিঃসন্দেহে বিশ্বকে দেখিয়েছে যে, তার পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা সত্যিই কার্যকর। এই পরিকল্পনা মডেলের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী উত্পাদনে চীনের অংশ ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০০০ সালে এই অনুপাত ছিল মাত্র ৫ শতাংশ এবং ২০৩০ সালের মধ্যে এটি ৪৫ শতাংশে পৌঁছেছে। আমরা চীনের ভবিষ্যতের পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার সাফল্য অব্যাহত থাকুক এই কামনা করি।

সূত্র : ছাই-আলিম-ওয়াং হাইমান,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

ট্যাগস

চীনের ১৪তম পাঁচসালা পরিকল্পনার সাফল্য উদযাপন:সি’র নববর্ষের শুভেচ্ছাবার্তা

SBN

SBN

বৈশ্বিক উদ্ভাবন সূচকে শীর্ষ ১০-এ চীন

আপডেট সময় ০১:৪৫:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬

২০২৫ সালে চীনে বিদেশী বিনিয়োগ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা দেশের অর্থনীতির শক্তিশালী প্রাণশক্তি প্রদর্শন করে। আন্তর্জাতিক অদৃশ্য চ্যাম্পিয়নস অ্যাসোসিয়েশনের সম্মানসূচক সভাপতি হারমান সাইমন সিএমজি’র সাংবাদিককে বলেন, “আমি প্রায় ৭৫ বার চীনে এসেছি। এখানে সর্বত্রই নতুনত্ব।” রয়্যাল ফিলিপসের গ্লোবাল সিইও রয় জ্যাকবস বলেন, “আমাদের বেইজিংয়ে একটি উদ্ভাবনকেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা আছে।”

এ ছাড়াও, চলতি বছর বেইজিংয়ে অ্যাস্ট্রাজেনেকার গ্লোবাল স্ট্র্যাটেজিক আরএন্ডডি সেন্টার ও ডট্রনিকের প্রথম ডিজিটাল হেলথকেয়ার ইনোভেশন কেন্দ্র নির্মিত হয়েছে; শাংহাইয়ে হেনকেলের নতুন অ্যাপ্লিকেশন প্রযুক্তি কেন্দ্র ও পোর্শে চায়না আরএন্ডডি কেন্দ্র নির্মিত হয়েছে।

২০২৫ সালের প্রথম ১১ মাসে শুধুমাত্র সাংহাইয়ে ৪২টি নতুন বিদেশী বিনিয়োগকৃত গবেষণা ও উন্নয়নকেন্দ্র যুক্ত হয়েছে, যার ফলে মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৩৩-এ।
আজ (বুধবার) বেইজিংয়ে আয়োজিত চীনা রাষ্ট্রীয় পরিষদের তথ্য কার্যালয়ের এক প্রেস ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র জানান, সদ্য প্রকাশিত ‘২০২৫ সালে বৈদেশিক বিনিয়োগ স্থিতিশীল করার জন্য কর্মপরিকল্পনা’ বহির্বিশ্বের জন্য আরও উন্মুক্ততার একটি ইতিবাচক সংকেত দেয়।

সম্প্রতি মার্সিডিজ-বেঞ্জের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ওলা ক্যালেনিয়াস বলেন, চীন সরকার একটি জোরালো সংকেত দিয়েছে: চীন বহির্বিশ্বের জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে। চীনের উপর আস্থা রাখা যায়।
সিমেন্স এজি-র পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান রোল্যান্ড বুশ বলেন, “আমরা প্রথম আন্তঃদেশীয় কোম্পানিগুলোর মধ্যে ছিলাম, যারা মূল্য সংযোজন টেলিযোগাযোগ পরিষেবা পরিচালনার জন্য একটি পাইলট প্রোগ্রামের অনুমোদন পেয়েছিল। এটি চীনে আমাদের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করেছিল।”
ভলভো কনস্ট্রাকশন ইকুইপমেন্ট ইনভেস্টমেন্ট (চীন) কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালক চান স্যু বলেন, “‘বিদেশী বিনিয়োগ উত্সাহিতকারী শিল্পের ক্যাটালগ (২০২৫ সংস্করণ)’ উচ্চ-স্তরের উন্মুক্তকরণ প্রচারের জন্য চীনা সরকারের আস্থা ও দৃঢ় সংকল্পকে সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করে। দ্বিতীয়ত, প্রতিষ্ঠানগুলো এতে শিল্প-শৃঙ্খলকে ক্রমাগত আপগ্রেড করার সুযোগ দেখতে পায়। এই সুযোগগুলোর মাধ্যমে, তারা বিশ্ব বাজারে পরিবেশন করার জন্য চীনের সম্পদ, অবকাঠামো ও নীতিগুলোকে কাজে লাগাতে পারে।”

এদিকে, ২০২৫ সালে বাজার প্রবেশাধিকারের জন্য নেতিবাচক তালিকার নতুন সংস্করণটি আরও সরলীকৃত করা হয়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ১৫০টিরও বেশি বিদেশী বিনিয়োগকারী উদ্যোগ পরিদর্শন করেছে এবং ৮০০টিরও বেশি সমস্যা ও দাবি বাস্তবসম্মতভাবে সমাধান করেছে। ‘আয়া-ধাঁচের’ পরিষেবাটি বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে বেশি প্রশংসা অর্জন করেছে।

নর-ব্রেমসে চীনের প্রেসিডেন্ট পি কুয়াং হং মনে করেন, চীনের উৎপাদন-ভিত্তি বিশ্বের সেরা; সর্বনিম্ন খরচ, দ্রুততম প্রতিক্রিয়া সময় ও পণ্যের সর্বাধিক সম্পূর্ণ পরিসরসহ। তিনি বলেন, “যখনই আমরা সমস্যার সম্মুখীন হই, সরকার আমাদের সাহায্য করে ও দ্রুত সাড়া দেয়। এটিই আমাদের সুঝো ঘাঁটি আরও বড় ও উন্নত করার একটি কারণ।”

বিশ্ব মেধাস্বত্ব সংস্থার গ্লোবাল ইনোভেশন ইনডেক্স ২০২৫ প্রকাশিত হয়েছে এবং চীন প্রথমবারের মতো শীর্ষ ১০-এ প্রবেশ করেছে। আজ, চীন কেবল বিশ্বব্যাপী উদ্ভাবনে অংশগ্রহণকারীই নয়, বরং এ খাতে অগ্রণীও বটে।

অ্যামওয়ে গ্লোবালের সিইও মাইকেল নেলসন বলেন, “আমাদের উসি গবেষণা ও উন্নয়নকেন্দ্র কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উল্লেখযোগ্য ব্যবহার করে। ডিপসিকের সাথে আমাদের একটি শক্তিশালী অংশীদারিত্ব রয়েছে এবং আমরা পণ্য উন্নয়নে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগ করছি।”

চীনে ইউরোপীয় ইউনিয়ন চেম্বার অফ কমার্সের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এক-চতুর্থাংশেরও বেশি কোম্পানি উত্পাদন প্রক্রিয়ার বেশির ভাগ চীনে স্থানান্তর করছে। চীনে জার্মান চেম্বার অফ কমার্সের প্রকাশিত একটি জরিপে বলা হয়, ৯৩ শতাংশ কোম্পানি মনে করে, চীনা বাজারে তাদের উপস্থিতি আরও গভীর করবে। বিশ্বব্যাপী বিখ্যাত অ্যাকাউন্টিং সংস্থা কেপিএমজির একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, চীনে কর্মরত তিন-চতুর্থাংশ বহুজাতিক কোম্পানি ২০২৫ সালের মধ্যে তাদের বিনিয়োগ বজায় রাখবে বা বৃদ্ধি করবে।

২০২৫ সাল হবে বিদেশী ও চীনা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে পারস্পরিক বিনিয়োগ এবং জয়-জয় সহযোগিতার বছর। ২০২৬ সাল চীনের ১৫তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সূচনাবছর এবং বিদেশী বিনিয়োগকারীরা চীনের সাথে সুযোগ ভাগাভাগি করার জন্য উন্মুখ।
টেপেস্ট্রি গ্রুপের প্রধান বৃদ্ধি কর্মকর্তা ও আন্তর্জাতিক ব্যবসার সভাপতি টেপেস্ট্রি সন্দীপ শেঠ বলেন, চীন সরকার সর্বশেষ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায়, বিশেষ করে ক্রমবর্ধমান মধ্যম আয়ের গোষ্ঠীকে কাজে লাগিয়ে, ভোগ বৃদ্ধির জন্য জোরালোভাবে প্রস্তাব করেছে। এটি কোচ অ্যান্ড টেপেস্ট্রির অবস্থানের সাথে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। আমরা এই সুযোগটি পুরোপুরি কাজে লাগাব ও চীনে আমাদের বিনিয়োগ বৃদ্ধি অব্যাহত রাখব।

সিঙ্গাপুর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এশিয়া গবেষণা একাডেমির শিক্ষাবিদ কিশোর মাহবুবানি বলেন, চীন নিঃসন্দেহে বিশ্বকে দেখিয়েছে যে, তার পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা সত্যিই কার্যকর। এই পরিকল্পনা মডেলের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী উত্পাদনে চীনের অংশ ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০০০ সালে এই অনুপাত ছিল মাত্র ৫ শতাংশ এবং ২০৩০ সালের মধ্যে এটি ৪৫ শতাংশে পৌঁছেছে। আমরা চীনের ভবিষ্যতের পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার সাফল্য অব্যাহত থাকুক এই কামনা করি।

সূত্র : ছাই-আলিম-ওয়াং হাইমান,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।