ঢাকা ০৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ২০ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo আড্ডা উমেদিয়া উচ্চ বিদ্যালয় প্রাক্তন ছাত্র ঐক্য পরিষদের কমিটি গটন Logo কালীগঞ্জে ঈদ পূর্নমিলনী ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত Logo ঠাকুরগাঁও সদর থানার ওসির বিরুদ্ধে মামলা বাণিজ্যসহ নানানরকম অভিযোগ Logo শহীদদের আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ বিনির্মাণে এ সরকারের চেষ্টা আছে- তথ্য উপদেষ্টা Logo গলাচিপায় ট্রলার ডুবিতে নিখোঁজ হওয়া যুবকের লাশ উদ্ধার Logo ঝলম ইউনাইটেড ক্লাবের আহবায়ক কমিটি গঠন Logo বুড়িচংয়ে হাওয়ার মেশিন বিস্ফারণে নিহত ১ Logo বরুড়ায় টিম ফর ফিউচার এর ঈদ পূনর্মিলনী অনুষ্ঠান Logo লোহাগাড়ায় বাস-মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত ১০ জন নিহত (ভিডিও) Logo কটিয়াদীতে নৈশ প্রহরীর স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

শুল্ক-যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক সমস্যার মৌলিক সমাধান করতে পারে না

  • আন্তর্জাতিক:
  • আপডেট সময় ০৩:৪০:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ মার্চ ২০২৫
  • ১৭ বার পড়া হয়েছে

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক মহলের অনেক ব্যক্তি বেইজিংয়ে সফর করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের বিরুদ্ধে একটি বাণিজ্য-যুদ্ধ শুরু করে এবং আগামী মাসের শুরুতে ‘পারস্পরিক শুল্ক’ বাস্তবায়নের হুমকি দিচ্ছে। এ সব বিবেচনায়, তাদের ঘন ঘন চীন সফর মার্কিন নীতির অস্বাভাবিকতাকেই প্রতিফলিত করে।

নতুন মার্কিন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর চীন সফরকারী প্রথম রাজনীতিবিদ হিসেবে, রিপাবলিকান সিনেটর স্টিভ ডেইন্স চীন সফর অনেক মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ডেইন্সের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। তিনি ১৯৯০-এর দশকে চীনে একটি মার্কিন কোম্পানির সিনিয়র এক্সিকিউটিভ হিসেবে কাজ করেছিলেন এবং ‘চীনে কাজ করার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন মার্কিন রাজনীতিবিদ’ হিসেবে পরিচিত। তিনিও ট্রাম্পের প্রথম প্রেসিডেন্ট মেয়াদে চীন-মার্কিন অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক পরামর্শে অংশগ্রহণ করেছিলেন। এখন যুক্তরাষ্ট্র আবার চীনের উপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছে। এই সময় ডেইন্সের চীন সফরকে চীন ও যুক্তরাষ্ট্র যোগাযোগ বজার রাখার সর্বশেষ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

২৩ মার্চ, ডেইন্স ও তার প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাতের সময়ে চীনা উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা স্পষ্ট বার্তা দেন: চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক যত বেশি সমস্যার সম্মুখীন হবে, ততই চীন-যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা বজায় রাখতে ও উন্নয়ন করতে হবে, অব্যাহতভাবে দু’দেশের সম্পর্কের মধ্যে স্থিতিশীলতা আনতে হবে; শুল্ক আরোপের মাধ্যমে কোনও দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি অর্জন করা সম্ভব নয়, বাণিজ্যিক সহযোগিতার মাধ্যমে বাণিজ্যিক ভারসাম্যহীনতার সমস্যা সমাধান করতে হবে। চীনের এমন বক্তব্য কেবল যুক্তরাষ্ট্রকে বাণিজ্য যুদ্ধ না বাড়ানোর জন্য সতর্ক করে না, বরং চীন-যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্কের কল্যাণমূলক ও জয়-জয় প্রকৃতির পুনরাবৃত্তি করে এবং দু’দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সমস্যার একটি মৌলিক সমাধান প্রদান করে।
ডেইন্সের প্রায় একই সময়ে, এলি লিলি, কোয়ালকম, অ্যাপল, ব্ল্যাকস্টোন ইত্যাদি সুপরিচিত মার্কিন কোম্পানির প্রধানরাও বেইজিংয়ে এসেছিলেন। তাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডা হল চীন উন্নয়ন ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনে যোগদান করা। চলতি বছরের সম্মেলনে বিদেশী কোম্পানির সংখ্যা বেশি, যার মধ্যে ২৭টি মার্কিন কোম্পানি রয়েছে, যা মোট সংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ। কিছু ভাষ্যকার বলেছেন, এমন একটি সময় যখন মার্কিন সরকার বিশ্বব্যাপী বাণিজ্য-যুদ্ধ তীব্র করে তুলছে, তখন অনেক বড় মার্কিন কোম্পানি বাধা অতিক্রম করে চীন সফর করেছে, যা দেখায় যে তারা উন্মুক্ত বিশ্ব বাণিজ্যের ধারণাকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করে এবং আশা করে চীন-যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতার সামগ্রিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল হতে পারে।

আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, সম্প্রতি চীনা সরকার উন্মুক্তকরণ সম্প্রসারণ ও বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য ধারাবাহিক গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালা প্রকাশ করেছে, যা মার্কিন কোম্পানিগুলোকে বিশ্বাস করিয়েছে যে, চীনা অর্থনৈতিক উন্নয়নের দীর্ঘমেয়াদী ইতিবাচক মৌলিক পরিস্থিতি কোনও পরিবর্তন হয়নি এবং চীনে বিনিয়োগ ও চীনা বাজারকে আরও গভীর করায় বিশাল লাভ হবে।

টেপেস্ট্রি গ্রুপের সিইও জোয়ান ক্রেভয়েসেরাত এক সাক্ষাত্কারে বলেন, ভোগ বাড়ানোর জন্য চীনা সরকার বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, এতে তারা অত্যন্ত উত্সাহিত এবং এই বছরে ‘৩ বছরের মধ্যে ১০০টি নতুন দোকান খোলার’ লক্ষ্য অর্জনের জন্য উন্মুখ। এলি লিলি’র চেয়ারম্যান ডেভ রিক্স বলেন, চীন হল এলি লিলির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত বাজারগুলোর মধ্যে একটি, তার কোম্পানি চীনে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং উত্পাদন ক্ষমতা সম্প্রসারণ অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। ব্রডকমের প্রেসিডেন্ট ও সিইও হোক থান বলেন, তিনি মুক্তি বাণিজ্য দৃঢ়ভাবে সমর্থন করবেন এবং চীনের উচ্চমানের উন্নয়নে সমর্থন অব্যাহত রাখবেন। এসব কথাগুলো মার্কিন কোম্পানির অভিন্ন কণ্ঠস্বর প্রতিফলিত করে।

মার্কিন কোম্পানিগুলো চীন সফর করার সাথে সাথে হোয়াইট হাউসের ভুল অর্থনৈতিক নীতি সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনাও বাড়ছে। কারণ খুব সহজ, শুল্ক-যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক সমস্যার মৌলিক সমাধান করতে পারে না। যুক্তরাষ্ট্রের কিছু মানুষ শুল্ক-যুদ্ধকে যেভাবেই সমর্থন করুক না কেন, যুক্তিবাদীরা জানেন যে, শুল্ক দিয়ে ‘দেয়াল তৈরি’ বিশ্বের মুক্ত-বাণিজ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে, বৈশ্বিক উৎপাদন ও সরবরাহ শৃঙ্খল ব্যবস্থা ব্যাহত করবে এবং মার্কিন কোম্পানির স্বার্থও ক্ষতিগ্রস্ত করবে। চীন আশা করে সিনেটর ডেইন্স চীনে যা দেখেছেন ও শুনেছেন যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে আনবেন এবং ‘সহযোগিতা উভয়পক্ষের জন্য লাভজনক, যুদ্ধ উভয়পক্ষের জন্য ক্ষতিকর’ এই অর্থ প্রকাশ করবেন।

সূত্র : তুহিনা-হাশিম-স্বর্ণা, চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

আড্ডা উমেদিয়া উচ্চ বিদ্যালয় প্রাক্তন ছাত্র ঐক্য পরিষদের কমিটি গটন

SBN

SBN

শুল্ক-যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক সমস্যার মৌলিক সমাধান করতে পারে না

আপডেট সময় ০৩:৪০:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ মার্চ ২০২৫

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক মহলের অনেক ব্যক্তি বেইজিংয়ে সফর করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের বিরুদ্ধে একটি বাণিজ্য-যুদ্ধ শুরু করে এবং আগামী মাসের শুরুতে ‘পারস্পরিক শুল্ক’ বাস্তবায়নের হুমকি দিচ্ছে। এ সব বিবেচনায়, তাদের ঘন ঘন চীন সফর মার্কিন নীতির অস্বাভাবিকতাকেই প্রতিফলিত করে।

নতুন মার্কিন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর চীন সফরকারী প্রথম রাজনীতিবিদ হিসেবে, রিপাবলিকান সিনেটর স্টিভ ডেইন্স চীন সফর অনেক মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ডেইন্সের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। তিনি ১৯৯০-এর দশকে চীনে একটি মার্কিন কোম্পানির সিনিয়র এক্সিকিউটিভ হিসেবে কাজ করেছিলেন এবং ‘চীনে কাজ করার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন মার্কিন রাজনীতিবিদ’ হিসেবে পরিচিত। তিনিও ট্রাম্পের প্রথম প্রেসিডেন্ট মেয়াদে চীন-মার্কিন অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক পরামর্শে অংশগ্রহণ করেছিলেন। এখন যুক্তরাষ্ট্র আবার চীনের উপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছে। এই সময় ডেইন্সের চীন সফরকে চীন ও যুক্তরাষ্ট্র যোগাযোগ বজার রাখার সর্বশেষ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

২৩ মার্চ, ডেইন্স ও তার প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাতের সময়ে চীনা উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা স্পষ্ট বার্তা দেন: চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক যত বেশি সমস্যার সম্মুখীন হবে, ততই চীন-যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা বজায় রাখতে ও উন্নয়ন করতে হবে, অব্যাহতভাবে দু’দেশের সম্পর্কের মধ্যে স্থিতিশীলতা আনতে হবে; শুল্ক আরোপের মাধ্যমে কোনও দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি অর্জন করা সম্ভব নয়, বাণিজ্যিক সহযোগিতার মাধ্যমে বাণিজ্যিক ভারসাম্যহীনতার সমস্যা সমাধান করতে হবে। চীনের এমন বক্তব্য কেবল যুক্তরাষ্ট্রকে বাণিজ্য যুদ্ধ না বাড়ানোর জন্য সতর্ক করে না, বরং চীন-যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্কের কল্যাণমূলক ও জয়-জয় প্রকৃতির পুনরাবৃত্তি করে এবং দু’দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সমস্যার একটি মৌলিক সমাধান প্রদান করে।
ডেইন্সের প্রায় একই সময়ে, এলি লিলি, কোয়ালকম, অ্যাপল, ব্ল্যাকস্টোন ইত্যাদি সুপরিচিত মার্কিন কোম্পানির প্রধানরাও বেইজিংয়ে এসেছিলেন। তাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডা হল চীন উন্নয়ন ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনে যোগদান করা। চলতি বছরের সম্মেলনে বিদেশী কোম্পানির সংখ্যা বেশি, যার মধ্যে ২৭টি মার্কিন কোম্পানি রয়েছে, যা মোট সংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ। কিছু ভাষ্যকার বলেছেন, এমন একটি সময় যখন মার্কিন সরকার বিশ্বব্যাপী বাণিজ্য-যুদ্ধ তীব্র করে তুলছে, তখন অনেক বড় মার্কিন কোম্পানি বাধা অতিক্রম করে চীন সফর করেছে, যা দেখায় যে তারা উন্মুক্ত বিশ্ব বাণিজ্যের ধারণাকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করে এবং আশা করে চীন-যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতার সামগ্রিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল হতে পারে।

আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, সম্প্রতি চীনা সরকার উন্মুক্তকরণ সম্প্রসারণ ও বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য ধারাবাহিক গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালা প্রকাশ করেছে, যা মার্কিন কোম্পানিগুলোকে বিশ্বাস করিয়েছে যে, চীনা অর্থনৈতিক উন্নয়নের দীর্ঘমেয়াদী ইতিবাচক মৌলিক পরিস্থিতি কোনও পরিবর্তন হয়নি এবং চীনে বিনিয়োগ ও চীনা বাজারকে আরও গভীর করায় বিশাল লাভ হবে।

টেপেস্ট্রি গ্রুপের সিইও জোয়ান ক্রেভয়েসেরাত এক সাক্ষাত্কারে বলেন, ভোগ বাড়ানোর জন্য চীনা সরকার বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, এতে তারা অত্যন্ত উত্সাহিত এবং এই বছরে ‘৩ বছরের মধ্যে ১০০টি নতুন দোকান খোলার’ লক্ষ্য অর্জনের জন্য উন্মুখ। এলি লিলি’র চেয়ারম্যান ডেভ রিক্স বলেন, চীন হল এলি লিলির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত বাজারগুলোর মধ্যে একটি, তার কোম্পানি চীনে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং উত্পাদন ক্ষমতা সম্প্রসারণ অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। ব্রডকমের প্রেসিডেন্ট ও সিইও হোক থান বলেন, তিনি মুক্তি বাণিজ্য দৃঢ়ভাবে সমর্থন করবেন এবং চীনের উচ্চমানের উন্নয়নে সমর্থন অব্যাহত রাখবেন। এসব কথাগুলো মার্কিন কোম্পানির অভিন্ন কণ্ঠস্বর প্রতিফলিত করে।

মার্কিন কোম্পানিগুলো চীন সফর করার সাথে সাথে হোয়াইট হাউসের ভুল অর্থনৈতিক নীতি সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনাও বাড়ছে। কারণ খুব সহজ, শুল্ক-যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক সমস্যার মৌলিক সমাধান করতে পারে না। যুক্তরাষ্ট্রের কিছু মানুষ শুল্ক-যুদ্ধকে যেভাবেই সমর্থন করুক না কেন, যুক্তিবাদীরা জানেন যে, শুল্ক দিয়ে ‘দেয়াল তৈরি’ বিশ্বের মুক্ত-বাণিজ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে, বৈশ্বিক উৎপাদন ও সরবরাহ শৃঙ্খল ব্যবস্থা ব্যাহত করবে এবং মার্কিন কোম্পানির স্বার্থও ক্ষতিগ্রস্ত করবে। চীন আশা করে সিনেটর ডেইন্স চীনে যা দেখেছেন ও শুনেছেন যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে আনবেন এবং ‘সহযোগিতা উভয়পক্ষের জন্য লাভজনক, যুদ্ধ উভয়পক্ষের জন্য ক্ষতিকর’ এই অর্থ প্রকাশ করবেন।

সূত্র : তুহিনা-হাশিম-স্বর্ণা, চায়না মিডিয়া গ্রুপ।